সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় RSS feed

আর কিছুদিন পরেই টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসবে। :-)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • জানবাজারের জাঁহাবাজ
    বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী জানবাজারের অঘটনের পর গতরাতে ভক্তদের সারারাতব্যাপী মিটিং চলছে। মিটিংএ নাকি ব্যাপক গোলযোগ। এর সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। গত সপ্তাহের শেষেও আসন্ন যুদ্ধ নিয়ে ভক্তদের এক গোপন মিটিং হয়। আশ্চর্য হলেও সত্যি, যে, গুজরাত থেকে আসা এক নেতা ...
  • মাতৃভাষা দিবস
    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু মাত্র বাংলার জন্য না। যেহেতু এখন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছে তাই বিশ্বের সকল নাগরিকের যার যার নিজের মাতৃভাষা দিবস আজকে। আমরা রক্তের বিনিময়ে এই দিন পেয়েছে কারন আমাদের কপাল খারাপ ছিল। অদ্ভুত মাথা মোটা এ জাতির সাথে ইতিহাসের ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৭)
    থাচুংসে – কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৭.০৯.২০১৮) --------------------...
  • রাষ্ট্রের ম্যাজিকথলি
    রাষ্ট্র একটি কল্পিত ব্যবস্থা। রাষ্ট্র বলে আসলে কিছু হয় না। আমরা ভেবে নিয়েছি এবং বিশ্বাস করছি তাই রাষ্ট্র আছে। আমার সামনে এই মুহূর্তে যে কম্পিউটারটা রয়েছে রাষ্ট্রের থেকে তা অনেক বেশি সত্যি। এই স্ক্রীনটাকে আমি ছুঁয়ে দেখতে পারি, রাষ্ট্রকে ছুঁয়ে দেখতে পারি ...
  • অ্যান্টনির বেহালা
    তখন আমি এফডি ব্লকে মুস্তাফির নেটে খেলতে যাই। আমার নিজের কোন ব্যাট ছিল না। ইংলিশ উইলো আর কোত্থেকে পাব! বাবা কাশ্মীরে কাজে গেছিল। একটা কাশ্মীর উইলোর ব্যাট এনে দিয়েছিল। সে ব্যাটে খেলা হয়নি। আসলে ব্যাটটা একেবারে কাঁচা, কারখানা থেকে কেনা। দেশের সব ভাল ব্যাট ...
  • সেন্সরের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়
    অনেকেই বুঝতে পারছেননা, ভবিষ্যতের ভূত বাতিল হয়েছে স্রেফ শিল্পগত কারণে। বাংলায় এখন শিল্পী একজনই, ভুল করলে তিনি কান মলে দেবেনই। কেউ সেটা না বুঝলে তার একমাত্র কারণ, তিনি মাননীয়ার কবিতা খুঁটিয়ে পড়েনি। পুরোটাই শিক্ষার অভাব। মাননীয়া তাঁর 'নামতা' শীর্ষক কবিতায় ...
  • জঙ্গিবাদ প্রবণতা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকাংশেই দায়ী সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধ
    জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা ও সব থেকে উত্তপ্ত টপিকগুলোর মধ্যে একটি। জঙ্গিবাদকে ঠেকানোর জন্য সব সময়ই নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, নেয়াও হচ্ছে। কিন্তু কোন সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে সেই সমস্যার কারণ জানাটা আবশ্যক। আর সেই ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৬)
    মারখা – থাচুংসে (০৬.০৯.২০১৮)--------...
  • শেষ অস্ত্র
    ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে। এতোসব ইঁদুরকে ...
  • জার্ণাল ২০১৯ - ২
    জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়। আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল। http://www.guruchand...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

একদা যে কলেজটিতে পড়তাম, তার নাম বিই কলেজ। নাম বদলে যদিও এখন আই আই ইএসটি। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু তাতে কিছু এসে যায়না। আমাদের কাছে এখনও বিই কলেজই। সেখানে যে সরকারি উদ্যোগে একটি হিন্দি সেল তৈরি হয়েছে জানতামই না, যদিনা আমার বন্ধু গৌরব ফেসবুকে একটি পোস্ট করত। তার পোস্টের সূত্র ধরে কলেজ তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি, সেখানে ইংরিজির পাশে একটি হিন্দি সংস্করণও আছে। এবং হিন্দি সেলকে সরকারি ভাবে একটি আলাদা ওয়েবসাইট (সাবডোমেন) ও দান করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে নানা মণিমুক্ত দেখা গেল। পুরোটাই হিন্দিতে। হিন্দি তেমন বুঝিনা বলে বহু কিছু অধরাও থেকে গেল। কিন্তু তার মধ্যে নাকের ডগায় হিন্দিতে ঝোলানো যে বার্তাটি একেবারেই নজর এড়ানো অসম্ভব, অক্ষম অনুবাদে তা মোটামুটি এইঃ

"রাষ্ট্রভাষার অর্থ হল রাষ্ট্রের ভাষা (Language of the nation)। সেই ভাষা, যার প্রয়োগ দেশের সব ভাষার লোক সহজে করতে পারে, বলতে পারে, লিখতে পারে। হিন্দি আমাদের দেশের সেই ভাষা। স্বাধীনতার আগে ইংরেজরা ইংরিজি দিয়ে সব কাজ চালিয়েছে, কিন্তু নিজের দেশের সবার জন্যই একটি ভাষা থাকা আবশ্যক, যে ভাষা দেশের নিজের। একমাত্র হিন্দিই হল সেই ভাষা"।

একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, জাতীয় প্রতিষ্ঠান, নির্দ্বিধায় এই মিথ্যে এবং আধিপত্যমূলক কথাগুলি নিজের ওয়েবসাইটে লিখে রেখেছে। সদর্পে। এরা জানেনা এমন নয়, যে, ভারতবর্ষের কোনো রাষ্ট্রভাষা নেই। অনেকগুলি সম মর্যাদার ভাষা নিয়ে তৈরি একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর নাম ভারতবর্ষ। এরা জানেনা এমন নয়, যে, সংবিধানে রাষ্ট্রভাষার কোনো অস্তিত্ব নেই। এরা এও জানেনা এমন নয়, যে, কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়ে সংবিধানের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া যায়না। এগুলি একজন শিক্ষিত ভারতীয় নাগরিকের সাধারণ জ্ঞানের মধ্যে পড়ে। কিন্তু সব জেনেও নির্দ্বিধায় এবং সদর্পে এরা হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা আখ্যা দেয়। সরকারি ওয়েবসাইটে ঝুলিয়ে রাখে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে হিন্দি সেল বানায়। এবং "দেশের সকলেরই একটি ভাষা থাকা আবশ্যক" বলে ফতোয়া জারি করে। এবং সমবেত ভদ্রসমাজ হিন্দি সিরিয়ালের মতই সেই অনিবার্যতার সামনে নতজানু হয়।

সে যে যা খুশি করুক। এটা লিখছি, কারণ আমার লজ্জা রাখার আর জায়গা নেই, কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিকে আমি এখনও আমার মনে করি। সেখানে তথাকথিত রাষ্ট্রভাষার এই দাপাদাপি এখনও মেনে নিতে খারাপ লাগে। যেমন লাগে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় মন্ত্রীসান্ত্রীদের হিন্দি বলতেই হবে, এই ফতোয়া। সেই ফতোয়ার কোনো প্রতিবাদ করেনি প্রতিষ্ঠিত দলগুলি। বরং তারা সংসদে গিয়ে নিজের ভাষায় নিজেকে ব্যক্ত না করার জন্যই উন্মুখ। এই ক্ষেত্রেও কোনো রাজনৈতিক প্রতিবাদ হবে আশা করছিনা। কিন্তু এই টুকুই বলার, যে, সরকারি খরচে হিন্দি সেল হবে, হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা বলে ঘোষণা করা হবে, ভাষাগত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুমড়ে মুচড়ে খতম করে দেওয়া হবে, এর বিরুদ্ধে মুখ না খুলে হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তানের দর্শনের প্রতিবাদ করা যায়না। জিওর হাতে বিএসএনএল এর পরিকাঠামো তুলে দেওয়ার চেয়ে এ কিছু কম বিপজ্জনক বিষয় নয়। বরং অনেক বেশিই।

পুঃ
১। ওয়েবসাইটের লিংক এখানে রইল। http://hindicell.iiests.ac.in/gallery.html
২। ঘোষণার ছবিঃ
https://i.postimg.cc/PxSQmsnq/hindi-cell.png



1207 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: কুশান

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

আমি একটি কেন্দ্রীয় সংস্থায় মুম্বইতে কর্মসূত্রে প্রায় সাড়ে চার বছরের মতন ছিলাম। এক বছর ট্রেনিং এর পর যখন একটি ডিভিশনে যোগ দিই আমার তৎকালীন সেকশন হেড একটি সার্কুলার ধরান। তাতে আমাকে বলা হয় একটি ন্যূনতম ছয় মাস ব্যাপী হিন্দির ওরিয়েন্টেশন কোর্স আমাকে করতে হবে। আমি তা করতে অস্বীকার করি। তথাপি আমাকে একপ্রকার চাপ দেওয়া হয়। আমার তখন প্রবেশন পিরিয়ড। আমি যুক্তি দিয়েই এবং দৃঢ়তার সঙ্গে তা অস্বীকার করি। কিন্তু, আমি ঐ কোর্স অনেককে করতে দেখেছি। বিশেষত দক্ষিণ ভারতীয়দের।

কেন্দ্রীয় সংস্থায় প্রতিটি ডিভিশনের সম্ভাব্য এবং আশ্চর্য সমস্ত হিন্দি নাম চোখে পড়ত। সেগুলি খায় না মাথায় দেয় কোনো দিনই বুঝতে পারিনি। সবচেয়ে বড় কথা এই নামগুলি কেউ ব্যবহার ও করত না।

IIEST কেও এই কেন্দ্রীয় ও রাষ্ট্রীয় ব্যারামে ধরেছে, বোঝাই যাচ্ছে।
Avatar: sm

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

হিন্দি ভাষা শিখে কি কি লাভ হয়, সেইটা আগে জানতি হবে।
যদি ভালো লাভ হয়, তবে লিশ্চয় শিখবো।
খালি মোদির ভাষণ বোঝার জন্যি শিখবো না।
Avatar: রিভু

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

আপনি শিখতেই পারেন। কিন্তু সেটা এই লেখার বিষয় নয়।
Avatar: sm

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

বিষয়টা ঠিক কি?
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

সংবিধানে না থাকলে কথিত রাষ্ট্রভাষার নামে হিন্দী চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। শিক্ষার্থীদের জোর প্রতিবাদ করা উচিৎ।

ঢাকা থেকে সংহতি। 👍
Avatar: Izhikevich

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

IIEST কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইউজিসি/এমএইচআরডি এর সার্কুলার আসে এই সমস্ত ইস্যুতে। ইয়োগা ডে, হিন্দি পাখোয়ারা ইত্যাদি অনেক কিছুই হচ্ছে। ঝাঁটা নিয়ে স্বচ্ছ ভারতের ড্রামাও। এবং বর্তমান ডিরেক্টর এক্স বিএইচইউ, তাঁকে বিশেষভাবে আনা হয়েছে এমএইচআরডি থেকে। লোকটি পরিচিত চাড্ডি।
Avatar: joutho

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

কি ই বা এসে যায়! একদিন ইনরিজি হয়ে যাবে পৃথিবীর ভাষা আর সব এক্জাতি একপ্রাণ ...
Avatar: Abhijit

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

হিন্দি সেল Aaj নয় বহুকাল থেকে বিদ্যমান। IIT Kharagpur এ দেখেছি স্টুডেন্ট Secretary স্পোর্টস এর হিন্দি অনুবাদ ছাত্রা মহামন্ত্রী খেলকুঁদ।
Avatar: Prativa

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

খোদ কলকাতা শহরে ফেয়ারলি প্লেসে পি এন বি ব্যাঙ্কে লোক আদালতের কারণে ঢুকে এক আশ্চর্য বার্তা দেখেছিলাম। ঢুকতেই কাঠের বোর্ডে লেখা, হিন্দিমে বাত করে তো অচ্ছা লগে।
কি বিনয় আর কি আধিপত্যকামী মানসিকতা !
Avatar: অমর মিত্র

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

এই আধিপত্য বহুকাল ধরে চলছে এই দেশে। সাহিত্য অকাদেমির অনুষ্ঠানে হিন্দি লেখকরা হিন্দিতেই গল্প কবিতা পাঠ করেন। অন্য ভাষার লেখকদের ইংরেজি বা হিন্দিতে অনুবাদ করে নিয়ে যেতে হয়। দক্ষিণ ভারতের লেখকরা হিন্দি পাঠের সময় অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে থাকেন।
Avatar: pi

Re: বি ই কলেজ ও রাষ্ট্রভাষা

অমরদা এই নিয়ে বড় করে লিখুন না। প্রতিভাদি, কী সান্ঘাতিক, ছবি তোলা যাবে একটু?
কুশানদা, অভিজিতের অভিজ্ঞতা আমারো। ২০০৪-৫ থেকেই এই হিন্দি সেল,
হিন্দি দিভস পাখোয়াড়া দেখে আসছি। এটা টি আয় এফ আরের কথা বললাম। কোলকাতায় কাল্টিভেশন, আই আই সি বি,সি এস আউ আর ওন্স্টি গুলোতে ডুকলেই রোজ বোর্ডে একটা করে হিন্দি শব্দ লাগান থাকত, শেখার জন্য, আমাদেরও।

তবে রমরমা আরো বাড়ছে, ছড়াছে বোধহয়।
এটা গ্রুপে লিখেছিলাম গতবছর।

সব কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কি সব কিছু হিন্দিতে লেখা বাধ্যতামূলক ? সেদিন ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালইয়ে গিয়ে পুরো ব্যোমকে গেলাম, থমকে গেলাম। সবার নাম , সব বিভাগের নাম ইংলিশ আর হিন্দিতে লেখা। বাংলা প্রায় নেই বললেই চলে। এমনকি বাংলা বিভাগেও তাই !! তারপরের চমক ছিল , একটা বিশাল অংশ জুড়ে এবিভিপি র পতাকা । জানিনা, এবিভিপি র অনুপ্রবেশে এই রকম হিন্দিময় পরিবেশ নাকি এটাই কেন্দ্রীয় সরকারি নিয়ম ? এন আই টি , আই আই টি তে নাহয় তাও বাইরের অনেক ছাত্রছাত্রী আসে, কিন্তু রাজ্যের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালইয়ে তো তাই না। এমনকি বাংলা বিভাগে ও !! ঃ( পব র খবর জানতে চাই।)

সুতোতে অনেকে অনেক কিছু লিখেছিলেন, রইল তাই

https://m.facebook.com/groups/175129282505026?view=permalink&id=15
82029365148337





আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন