সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সাধু কালাচাঁদ, ট‍্যাঁপা-মদনা, পটলা ও রুনু
    'ভালো লাগছে না রে তোপসে' বা 'ডিলাগ্রান্ডি' বললে বাঙালি মননে এক ধরনের রিফ্লেক্স অ্যাকশন কাজ করে যেন। ফেলুদা/তোপসে, টেনিদা, ঘনাদা ইত্যাকার নামগুলি বাঙালির আড্ডার স্বাভাবিক উপাদান। এই অনুষঙ্গগুলি দিয়ে বাঙালি তার হিউমারের অভ্যাস ঝালিয়ে নেয়, কিছুটা আক্রান্ত হয় ...
  • যম-দুয়ারে পড়ল কাঁটা
    অন্য লোকের স্বপ্নে আসে ভগবান, সিনেমা স্টার, ছেলেবেলার বন্ধু নিদেন ইশকুল-কলেজের কড়া মাস্টারমশাই। কবি হলে প্রেমিকা-টেমিকা, একেবারে কবিতাশুদ্ধু। " বাসস্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নে বহুক্ষণ ..." ইত্যাদি। আর আমার স্বপ্নে আসেন যমরাজ। যমরাজ মানে ...
  • আমার বাড়ির বিজয় দিবস...
    মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি প্রভাব আমার পরিবারের ওপরে পড়েনি। বলা যেতে পারে আশপাশ দিয়ে চলে গেছে বিপদ আপদ। কিন্তু আশপাশ দিয়ে যেতে যেতেও একদিন যমদূতের মত বাড়িতে হাজির হয়েছিল পাকিস্তানী সৈন্যরা। আমার বাবা ছিল তৎকালীন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বিমান সেনা। যুদ্ধের সময় ...
  • রান্নাঘর ও রাজ্যপাট
    কিছুদিন যাবৎ চেষ্টা করছিলাম লিঙ্গভিত্তিক শ্রমবন্টনের চিত্রটা বুঝতে।যত পুরোনো হচ্ছি কাজের বাজারে তত দেখছি ওপরের দিকে মহিলাদের সংখ্যা কমতে থাকছে। কর্পোরেট সেক্টরে প্রায়শই সংখ্যা দিয়ে দেখানো হয় অনেক মেয়ে কেরিয়ার শুরু করলেও মাঝপথে ছেড়ে যাচ্ছেন বা কোনো রকমে ...
  • শকওয়েভ
    “এই কি তবে মানুষ? দ্যাখো, পরমাণু বোমা কেমন বদলে দিয়েছে ওকে সব পুরুষ ও মহিলা একই আকারে এখন গায়ের মাংস ফেঁপে উঠেছে ভয়াল ক্ষত-বিক্ষত, পুড়ে যাওয়া কালো মুখের ফুলে ওঠা ঠোঁট দিয়ে ঝরে পরা স্বর ফিসফাস করে ওঠে যেন -আমাকে দয়া করে সাহায্য কর! এই, এই তো এক মানুষ এই ...
  • ফেকু পাঁড়ের দুঃখনামা
    নমন মিত্রোঁ – অনেকদিন পর আবার আপনাদের কাছে ফিরে এলাম। আসলে আপনারা তো জানেন যে আমাকে দেশের কাজে বেশীরভাগ সময়েই দেশের বাইরে থাকতে হয় – তাছাড়া আসামের বাঙালি এই ইয়ে মানে থুড়ি – বিদেশী অবৈধ ডি-ভোটার খেদানো, সাত মাসের কাশ্মিরী বাচ্চাগুলোর চোখে পেলেট ঠোসা – কত ...
  • একটি পুরুষের পুরুষ হয়ে ওঠার গল্প
    পুরুষ আর পুরুষতন্ত্র আমরা হামেশাই গুলিয়ে ফেলি । নারীবাদী আন্দোলন পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে, ব্যক্তি পুরুষের বিরুদ্ধে নয় । অনেক পুরুষ আছে যারা নারীবাদ বলতে বোঝেন পুরুষের বিরুদ্ধাচরণ । অনেক নারী আছেন যারা নারীবাদের দোহাই পেড়ে ব্যক্তিপুরুষকে আক্রমন করে বসেন । ...
  • বসন্তকাল
    (ছোটদের জন্য, বড়রাও পড়তে পারেন) 'Nay!' answered the child; 'but these are the wounds of Love' একটা দানো, হিংসুটে খুব, স্বার্থপরও:তার বাগানের তিন সীমানায় ক'রলো জড়ো,ইঁট, বালি, আর, গাঁথলো পাঁচিল,ঢাকলো আকাশ,সেই থেকে তার বাগান থেকে উধাও সবুজ, সবটুকু নীল।রঙ ...
  • ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৫)
    (সতর্কীকরণঃ এই পর্বে দুর্ভিক্ষের বীভৎসতার গ্রাফিক বিবরণ রয়েছে।)----------১৯৪...
  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
    ১৩ ডিসেম্বর শহিদুল্লাহ কায়সার সবার সাথে আলোচনা করে ঠিক করে বাড়ি থেকে সরে পড়া উচিত। সোভিয়েত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রধান নবিকভ শহিদুল্লাহ কায়সারের খুব ভাল বন্ধু ছিলেন।তিনি সোভিয়েত দূতাবাসে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলেছিলেন। আল বদর রাজাকাররা যে গুপ্তহত্যা শুরু করে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৩)

I

পর্ব ৩
------
'৪২ -এর ৮ই অগাস্ট এ আই সি সি-র অধিবেশনে 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনের প্রস্তাব পাশ হল। পরদিন ভোরবেলাতেই ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়ে পুলিশ কংগ্রেসের অধিকাংশ প্রথম সারির নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ফেলল। এতে দমে যাওয়া তো দূরের কথা, উল্টে ব্যাপক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছড়িয়ে গেল উপমহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের তৃণমূল স্তরের মানুষের মধ্যে।এই বিপুল আন্দোলন (যাকে লিনলিথগো ১৮৫৭-র পরে সবচেয়ে ব্যাপক আন্দোলন বলে বর্ণনা করেছেন) দমনে ব্রিটিশ পুলিশ-প্রশাসন-সেনাবাহিনী সেসময় যে বর্বরতা দেখিয়েছিল, তা স

আরও পড়ুন...

বাংলাদেশের সক্রেটিস - অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক

Muhammad Sadequzzaman Sharif

https://i.postimg.cc/zfkPk8cS/razzak-5.jpg

আজকে ২৮ নভেম্বর। ১৯৯৯ সালের আজকের দিনে আনুমানিক ৮৫ বছর বয়সে মারা বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক। যাকে বলা হয় গুরুদের গুরু, শিক্ষকদের শিক্ষক। বয়স আনুমানিক বললাম কারন নথিপত্র অনুযায়ী উনার জন্ম ১৯১৪ সালে তবে তিনি নিজেই বলেছেন যে ১৪ না তার আরও দুই এক বছর আগে জন্ম উনার। ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। ঢাকা থেকেই পড়াশুনা শেষ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর পাস করেন রাজনৈতিক অর্থনীতি বিভাগ থেকে। এই সব জানা কথাই

আরও পড়ুন...

গল্প: দ্বিখন্ডিত

Nahar Trina




১.

কাল থেকেই আমার মালিকের মেজাজে আগুন। আমাকে দেখলেই কেমন উস্কে উঠছে সেটা। আমি তাই আড়ালে আছি আপাতত। দু'জনারই নাওয়া খাওয়া হয়নি কাল দুপুরের পর থেকে। অফিসের কাজ শেষে ফিরতে ফিরতে মালিকের সন্ধ্যে গড়িয়ে যায়। আমি তখন একাই থাকি বাড়িতে। সকালে অফিসে বের হবার আগে আমার দুপুরের খাবার বন্দোবস্ত করে তবেই অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন মালিক।


গতকালও রুটিন

আরও পড়ুন...

কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

কুশান গুপ্ত

কাঁসাইয়ের থেকে আনুমানিক একশো দেড়শো মিটার দূরে মাটির বাঁধ। কংসাবতী ব্রিজ আড়াআড়ি এই বাঁধকে দ্বিখন্ডিত করেছে। আশির দশকে সেই বাঁধ ধ'রে  ক্যানালের দিকে হেঁটে যেত এক তরুণ। তাকে দেখলেই সদরঘাট ও গান্ধীঘাট অঞ্চলের ছেলেছোকরারা এই গান ধরত:

'ওরে, ট্যাংরা তবু কাটন যায়,
মাগুর মাছে ক্যাটক্যাটায়,
আর, শিঙ্গি মাছটা মারল কাঁটা,
পরাণ যায় জ্বলিয়া রে!
কি মাছ ধরিছ বড়শি দিয়া?
ও দরদী, কি মাছ ধরিছ বড়শি দিয়া?'

যাকে উদ্দেশ্য করে এই গান, সেই দরদী, 'বামুণ ঘরের পিন্টা' , মিটমিট ক'রে হাসত,

আরও পড়ুন...

রবি ঘোষ

ন্যাড়া

কৈফিয়তঃ জন্মদিন-মৃত্যুদিনে লেখা নাবানো ফেসবুকাব্দের একটি অসুখ বিশেষ। এটি সেই অসুখের সিম্পটম। একমাত্রা সেভিং গ্রেস, লেখাটি অগাস্ট মাসের।

বাংলা ছবি আর কিছু না হোক চরিত্রাভিনেতাদের নিয়ে জগতসভায় গিয়ে শ্রেষ্ঠ আসনের জন্যে কম্পিটিশনে নাবতে পারে। চরিত্রাভিনেতারাই ছবির বুনিয়াদ, যার ওপর মূল অভিনেতারা নিজেদের অভিনয়ের ইমারত তৈরি করেন। সে ইমারত হর্ম্য হবে না প্রাসাদ হবে না কুটীর হবে তা স্থির হত মূল অভিনেতার অভিনয়ের জোরে। কিন্তু সে ইমারত কতটা টেঁকসই হবে তা নির্ভর করে ইমারতের ভিতের জোরের ওপর - অর্থাৎ

আরও পড়ুন...

ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ২)

I

আসন্ন জাপানী আক্রমণের হাত থেকে ভারতকে বাঁচাবার কোনো বন্দোবস্ত ব্রিটিশ সরকার অন্ততঃ ১৯৪১এর শেষদিক অবধি করে উঠতে পারে নি। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তখন ১০ লাখ সৈন্য, কিন্তু অধিকাংশই আনপড়; অস্ত্রশস্ত্রের অবস্থাও তথৈবচ। সেরা সাতটি ভারতীয় ডিভিশন তখন ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অক্ষশক্তির সঙ্গে প্রাণপণ লড়াইয়ে ব্যস্ত। এদিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের "দ্বিতীয়" শহর কলকাতা প্রায় অরক্ষিত। কোনো অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান, এয়ার রেইড ফ্লাড লাইট বা রাডার সেট নেই; নেই কোনো আধুনিক ট্যাঙ্ক বা ফাইটার প্লেন। জেনারেল অকিনলেক ওয়ার ক্যাবি

আরও পড়ুন...

একটি পুস্তক পাঠের ইতিবৃত্ত

Nahar Trina

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এই লেখা পড়িয়া উত্তেজিত হওয়ার কিস্যু নাই। ইহা নিছকই এক নাদান পাঠকের হুদাই বাগাড়ম্বর।
---------------
দুম করে পড়ে ফেলা যাবে এমন একটা ভাবনায় ১০৮ পাতার ছোট্ট বইটা বাছাই করা। ও আমার কপাল! কবি বলেছেন,
ছোট বলে কারে করিলি রে হেলা?
কত ধানে কত চাল বুঝিবি সে ঠ্যালা।

ঘটনা খুবই সত্যি। শ্রী ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় রচিত "মোঘল বিদুষী" বইখানা পড়তে গিয়ে ভাষার যুযুৎসুতে পড়ে যে সময়ে বইটি শেষ হবার কথা তারচে' ঢের বেশি সময় লেগে গেল।
ভাবছেন কেমন বানিয়ে ব

আরও পড়ুন...

হায় শিক্ষা... হায় শিক্ষক!!

Muhammad Sadequzzaman Sharif

খুব বেশি দিন আগের কথা না। আজ থেকে দশ পনেরো বছর আগেও মাধ্যমিকে বাঁ উচ্চ মাধ্যমিকে কেউ মোটামুটি ভাল রেজাল্ট করলেও বাবা মা নিজের সন্তান কে নিয়ে যেত সেই ছাত্র কে দেখাতে। স্টার মার্ক পেয়েছে এমন কেউ ছিল দেখতে যাওয়ার মত ছাত্র। দুই বিষয়ে লেটার পেয়ে পাস করা ছাত্রকেও দেখতে গেছে মানুষ ভিন্ন গ্রাম বা মহল্লা থেকে। এরপর ভোজবাজির মত অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেল। নাম্বারের যুগ চলে গেল। আসল গ্রেডিং এর যুগ, এ প্লাসের যুগ। ঘরে ঘরে এ প্লাসে পরিপূর্ণ হয়ে গেল। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে হয় এ প্লাস না হয় ফেল, এর মাঝে যে আরও

আরও পড়ুন...

ক একটি গল্প

Muradul islam

পিরিতি বিষয়ক সত্যালাপ

প্রেম পিরিতি নিয়া আপনারা যেসব কথাবার্তা বলেন, অধিকাংশই ইডিয়টিক, ফালতু সব ভাবাবেগে আক্রান্ত, এবং একথা আপনারাও জানেন, আমি এবং অন্যসব জীবজন্তুরা আমরা সবাই জানি যে ঐসব রোমান্টিক কথাবার্তার পিছনে কোন যুক্তি নাই, যেমন ভূতের গল্পের যুক্তি নাই, সাত আসমানের যুক্তি নাই, এবং আরো অনেক কিছুরই নাই;

কিন্তু তাও চলে এসব, মানুষরে বুজরুকী দিয়া চালান চালাকেরা, এবং নির্জলা যৌন আকর্ষণরে প্রেম পিরিতি ও স্বর্গীয় জিনিস ভাইবা আনন্দ পান, নিজেদের বিশেষ মনে করে অন্য জীব জানোয়ারে

আরও পড়ুন...

ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর

I

পর্ব ১
-------
( লালগড় সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে। শবর সম্প্রদায়ের সাতজন মানুষ সেখানে মারা গেছেন। মৃত্যু অনাহারে না রোগে, অপুষ্টিতে না মদের নেশায়, সেসব নিয়ে চাপান-উতোর অব্যাহত। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে বোধ হয় বিতর্কের অবকাশ নেই, প্রান্তিকেরও প্রান্তিক এইসব মানুষজনের বেঁচে-থাকার কিস্যা, খেতে পাওয়া- না পাওয়া, রোগ হওয়া-না হওয়া, রোগ হলে ওষুধ পাওয়া-না পাওয়া,নেশা করা-না করার কাহিনীতে আমাদের, মূলস্রোতের নগরবাসীদের তেমন কিছু এসে যায় না ; আমরা, নাগরিকেরা, প্রান্তের প্রতি,লালগড়-আমলাশোলের প্রতি ঠিক

আরও পড়ুন...

'কিছু মানুষ কিছু বই'

Nahar Trina

পূর্ণেন্দু পত্রীর বিপুল-বিচিত্র সৃষ্টির ভেতর থেকে গুটিকয়েক কবিতার বই পর্যন্তই আমার দৌড়। তাঁর একটা প্রবন্ধের বই পড়ে দারুণ লাগলো। নিজের ভালোলাগাটুকু জানান দিতেই এ লেখা। বইয়ের নাম 'কিছু মানুষ কিছু বই'।

বেশ বই। সুখপাঠ্য গদ্যের টানে পড়া কেমন তরতরিয়ে এগিয়ে যায়। নামেই স্পষ্ট, এখানে কিছু মানুষ আর বই নিয়ে প্রবন্ধ সাজানো। আলোচনা গড়িয়েছে প্রথম ভাগ কিছু মানুষ প্রসঙ্গে, পরের পর্ব পঠিত বই প্রসঙ্গে। বইটিতে নানা গুণী মানুষ সম্পর্কে যেমন অনেক অজানা বিষয় জানা যাবে, একইভাবে বই সম্পর্কিত অনেক নতুন তথ্য/অপঠ

আরও পড়ুন...

গানের মাস্টার

ন্যাড়া

আমাকে অংক করাতেন মনীশবাবু। গল্পটা ওনার কাছে শোনা। সত্যিমিথ্যে জানিনা, তবে মনীশবাবু মনে হয়না মিছে কথা বলার মানুষ। ওনার বয়ানেই বলি।

তখনও আমরা কলেজ স্ট্রীটে থাকি। নকশাল মুভমেন্ট শেষ। বাংলাদেশ যুদ্ধও শেষ হয়ে গেছে। শহর আবার আস্তে আস্তে স্বভাবিক হচ্ছে। লোকজন একটু-আধটু রাত করে ফিরতে শুরু করেছে। সিনেমা হলে নাইট শোয়ে আবার লোক হচ্ছে। আর এদিকে লোডশেডিং বেড়েই চলেছে। আমরা বলতাম ব্ল্যাকাউট। যুদ্ধের ভাগশেষ। আর সেই সঙ্গে জলের হাহাকার। সকালে ঘন্টাখানেক আর সন্ধ্যেয় ঘন্টাখানেক জল আসে। সেই জমিয়ে সারাদিন চা

আরও পড়ুন...

বিজ্ঞানে বিশ্বাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বাস বনাম প্রশ্নের অভ্যাস

Bishan Basu

এই লেখাটি চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম ওয়েবম্যাগে প্রকাশিত। এইখানে আবারও দিলাম। যাঁরা পড়েন নি, পড়ে দেখতে পারেন।

বিজ্ঞানে বিশ্বাস, চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশ্বাস বনাম প্রশ্নের অভ্যেস

বিষাণ বসু



“সোমপ্রকাশ। - স্বয়ং হার্বাট স্পেন্সার একথা বলেছেন। আপনি হার্বাট স্পেন্সারকে জানেন ত?
ভবদুলাল। - হ্যাঁ…...হার্বাট, স্পেন্সার, হাঁচি, টিকটিকি, ভূত, প্রেত সব মানি।”

চলচিত্ত-চঞ্চরি (সুকুমার রায়)



আপনি তো বিজ্ঞান মানেন। নিজেকে বিজ্ঞানমনস্ক মুক্তমনা হিসেবে দা

আরও পড়ুন...

অতীশ দীপংকরের পৃথিবী : সন্মাত্রনন্দের নাস্তিক পণ্ডিতের ভিটা

souvik ghoshal

একাদশ শতকের প্রথমদিকে অতীশ দীপঙ্কর বৌদ্ধধর্ম ও সংশ্লিষ্ট জ্ঞানভাণ্ডার নিয়ে বাংলা থেকে তিব্বতে গিয়েছিলেন সেখানকার রাজার বিশেষ অনুরোধে। অতীশ তিব্বত এবং সুমাত্রা (বর্তমান ইন্দোনেশিয়া) সহ পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিস্তৃর্ণ ভূভাগে বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের বিস্তারে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেন এবং এক মহামানবে পরিণত হন। তাঁকে বিশেষভাবে জানাবোঝার এক আগ্রহ তৈরি হয় সেখানকার বিদ্বৎসমাজে। তাঁদের কেউ কেউ চলে আসেন অতীশের দেশে, যে দেশ তাঁদের পরম পুজ্য গৌতম বুদ্ধেরও। অতীশের তিব্বত যাত্রার দুশো বছর পরে অতীশকে নিবিড়

আরও পড়ুন...

the accidental prime minister রিভিউ

Arijit Guha

২০০৫ সালের মে মাসে ইউপিএ সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তিতে হঠাৎ একটা খবর উঠতে শুরু করল যে প্রধাণমন্ত্রী সব ক্যাবিনেট মিনিস্টারের একটা রিপোর্ট কার্ড তৈরি করবেন।মনমোহন সিং যখন মস্কোতে, এনডিটিভি একটা স্টোরি করল যে নটবর সিং এর পারফর্মেন্স খুব বাজে এবং রিপোর্ট কার্ডে নাকি তাঁর নাম সবার শেষে এসেছে এতই বাজে নাম্বার পেয়েছেন উনি।নটবর সিং খবরটা শুনে খুব আহত হলেন।অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটিও নিয়ে নিলেন।মস্কোতে মনমোহন সিং এর কানে খবরটা পৌঁছাতে মিডিয়া অ্যাডভাইজারকে উনি বললেন খোঁজ নিতে এনডিটিভি কি রিপোর্ট করেছে।সব শোনার

আরও পড়ুন...

উল্টোরথ, প্রসাদ ও কলিন পাল

কুশান গুপ্ত

ছোটবেলা থেকেই মামাবাড়ির 'পুরোনো ঘর' ব'লে একটি পরিত্যক্ত কক্ষে ঝিমধরা দুপুরগুলি অতিবাহিত হতো। ঘরটি চুন সুরকির, একটি অতিকায় খাটের নীচে ডাই হয়ে জমে থাকত জমির থেকে তুলে আনা আলু, পচা গন্ধ বেরুত।দেওয়ালের এক কোণে ছিল বিচিত্র এক ক্ষুদ্র নিরীহ প্রজাতির মৌমাছির বাসা। বাতিল হয়ে যাওয়া গ্রামোফোন রেকর্ড, সেজমামার '১৯৭২ সালের কবিতাগুচ্ছ' সম্বলিত ডায়ারি, অজস্র আত্মীয়স্বজনের চিঠিপত্র, দাদুর হাতের লেখায় 'সান্ত্বনার ফ্রকের মাপ' এসব তুচ্ছাতিতুচ্ছ জিনিসের ভিড় দৃষ্টি আকর্ষণ করত। দ্বিপ্রাহরিক নির্জনতায় অধিকতর আকর্ষণ ছ

আরও পড়ুন...

নির্বাচন তামসা...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে। এবার হচ্ছে একাদশ তম জাতীয় নির্বাচন। আমি ভোট দিচ্ছি নবম জাতীয় নির্বাচন থেকে। জাতীয় নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেখার সুযোগ পেয়েছি বেশ কয়েকবার। আমার দেখা নির্বাচন গুলোর মাঝে সবচেয়ে মজার নির্বাচন দেখতে পেয়েছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। গ্রামের মানুষ তাদের প্রতিনিধি বাছাই করতে গিয়ে যা করে তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কষ্টকর। চা আর বিড়ি ফ্রি চলে পুরো প্রচারণার সময় জুড়ে। চায়ের রহস্য যখন ভেদ করলাম তখন আমার চোখ কপাল পার হয়ে যায় প্রায়। সারা দিন এত এত

আরও পড়ুন...

মসলা মুড়ি

Swastisobhan Chaudhuri

#বাইক_উৎসব_এক্সরে_নোটবন্দী
(বেচারা ডাক্তারের ডায়েরী)

কাল ছিল শুভ-দীপাবলী। আলোর উৎসব, আর উৎসব মানেই দিব্যি আনন্দের, ফুর্তির দেদার আয়োজন।

কিন্তু আমাদের মত "মিনসে গুলান" যা কাজ কম্মো করে/করি, তাতে শুভ-অশুভ সব ঘেঁটে গোল হয়ে যায়। বিশেষ করে, উৎসবের দিনগুলিতে যখন রাত-প্রহরী হয়ে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ সামলাতে হয়, তখন মূলত: অশুভ ব্যাপার স্যাপার নিয়েই চলতে হয়।

এইবারে উৎসবের মরশুমের শুরুতে মহাসপ্তমীর দিন এইরকম এক "খারাপ" রাত কাটাতে হয়েছিল। আর আবার হল কাল। কালকেরটা ক

আরও পড়ুন...

কাঁচঘর ও ক্লাশ ফোর

কুশান গুপ্ত

ক্লাস ফোরে যখন পড়ছি তখনও ফেলুদার সঙ্গে পরিচয় হয়নি, পড়িনি হেমেন্দ্রকুমার। কিন্তু, যথাক্রমে, দুটি প্ররোচনামূলক বই পড়ে ফেলেছি। একটির নাম 'শয়তানের ঘাঁটি' ও অপরটি 'চম্বলের দস্যুসর্দার'। উক্ত দুটি বইয়ের লেখকের নাম আজ প্রতারক স্মৃতির অতলে। যতদূর মনে পড়ে, এই বইদুটি ছিল দেব সাহিত্য কুটিরের প্রকাশনা।সে সময়ে দেব সাহিত্য কুটির ছিলো বালকদিগের অনিবার্য ঠিকানা, রহস্য ও রোমাঞ্চে একেবারে ঠাসা।

দুটি বইই পড়তে দিয়েছিলেন মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের লাইব্রেরিয়ান পানুদা।শয়তানের ঘাঁটির প্লট এরকম: পদ্মার চর থেকে

আরও পড়ুন...

যোজনগন্ধা

Tanwi,. Halder

ভূমিকা



এই উপন্যাসের
শুরু জানতে গেলে
সময়ের স্রোতকে বলতে হবে
একটু উল্টোবাগে চলো। আইন করে
নীল চাষ বন্ধ হয়েছে সদ্য সদ্য। তার
কিছু আগের থেকে এ উপন্যাসের কুশীলবদের
পথচলা শুরু। সুন্দরবন লাগোয়া ভবানীপুর গ্রামে
রামতনু মুখার্জ্জীর পারবারিক প্রথা পুত্রবধূর প্রথম রজঃপাত
হবে শ্বশুরের ভিটেতে। কিন্তু রামতনুর পুত্র শেখরের স্ত্রী আন্নার
বেলায় এ নিয়ম ব্যর্থ হয়। আন্নার ঠাকুরদা যদুপতি তিতুমীরের
সাথে লড়াইয়ে শহীদ হয়েছিল। রামতনুর পরিবার শেখরকে

আরও পড়ুন...

#চলো এগিয়ে চলি

Sumon Ganguly Bhattacharyya

#চলো এগিয়ে চলি
#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য
"মা " এই শব্দ টার সাথে, আমরা যারা লিভিং উইথ অটিজম একজনের মা ,তখন আমাদের নামের আগে একটা লড়াকু শব্দ দেয়াই যায়। আমরা একটা নিরস্ত্র যুদ্ধ করি।সকাল থেকে রাত।কাউকে ছোট করছিনা,মা মাত্রই তাই করেন বিশেষ করে যদি কর্মরতা হন।কিন্তু একজন অটিস্টিক বাচ্চার মা এর যুদ্ধ টা একটু অন্যরকম। আমরা একধারে বাচ্চার স্পেশাল এডুকেটর,থেরাপিস্ট,কেয়ার গিভার সব।
বড় অশান্ত সময় এখন ।কিছুদিন ধরে খবরের কাগজে কয়েকটি খবর আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম।এক, একটি স্পেশাল স্কুলের ভিতর থেকে স্কু

আরও পড়ুন...

ভাসানের গল্প এবং

স্বাতী রায়

ভাইফোঁটার স্মৃতির জোয়ারে চাপা পরে গেল ভাসানের গল্প. আমার ছোটবেলার সিঁথির গায়ে তখনো নকশাল আমলের দগদগে ঘা. বাঙ্গাল উদ্বাস্তুর সর্বহারানোর শেষে ফিরে-দাঁড়ানোর লড়াইতে সঙ্গী এপার বাংলার বিভিন্ন জেলার থেকে আসা মানুষেরা. কলকাতায় উড়তে থাকা সোনার টুকরো খপ করে ধরে ফেলার আশায় দিন কাটে তাদের. আজকের ধনাঢ্য সিঁথির নর্দমার জলে যে সোনার টুকরোর সন্ধান , সে দিন তখনো ভাবনার অতীত. এই নিতান্ত নিম্নবিত্ত - মধ্যবিত্ত আবহে দুর্গাপুজো হাতে গোনা. তাদেরও বিসর্জন সাড়া হত দশমীর রাতেই. নেহাতই কোন বড় গোছের পাঁজিগত সমস্যা হলে

আরও পড়ুন...

মহাকাল

Soumya Kanti Pramanik

স্টেশনের নাম নিশ্চিত পুর...

ট্রেন টা রওনা দিয়েছে কিছুক্ষণ আগে...

যারা এইমাত্র নামল, তারা সবাই ব্যস্ত-সমস্ত হয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়িয়েছে...
অমলীন কৈশোরের ভাঁজে ভাঁজে যে কুয়াশার ওম জড়ানো থাকে, সেই ওমে ভিজে আছে এই কনে দেখা আলোর মাঝে একা দুটি সমান্তরাল ট্রেন লাইন...
এর ফাঁকে ফাঁকে এক ঝাঁক পায়রা উড়ে উড়ে বসছে, আবহমান কাল জুড়ে তারা খেলা করছে ওই ইস্পাতের লাইনজুড়ে...

খুঁটে খুঁটে কি যেন খায় ওরা...

পথচারীদের পায়ের শব্দে একবার উড়ে গেল, আবার এসে বসবে...

যুবক

আরও পড়ুন...

ইটার্নাল ফেস্টিভ্যাল অফ দ্য স্পটলেস সংস্কৃতি

Anamitra Roy

লেফট অ্যারো, ফার্স্ট ব্র্যাকেট ওপেন, কোটেশন মার্ক, ফার্স্ট ব্র্যাকেট ক্লোজ! আজ কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা। কাল থেকে ফিল্ম দেখানো শুরু হয়ে যাবে পুরোদমে। অনেক মানুষ আসবেন নিশ্চয়ই। চলচ্চিত্র উৎসবের ব্যানারে ছাপানো মমতা ব্যানার্জীর সুবিশাল ছবিগুলির নিচ দিয়ে নন্দনে ঢুকবেন চলচ্চিত্র সেলিব্রেট করতে। বার্গম্যান, মাজিদি, ফিলিপ নয়েস; সে এক দুধর্ষ ব্যাপার! মানুষ সেলিব্রেট করবেন চলচ্চিত্র, দুর্দান্ত সব আলোচনা হবে সিনেমার ভাষা সিনেমার রাজনীতি এইসব নিয়ে। মাঝে মাঝে মোবাইল বেজে উঠবে হলে, তবে সে

আরও পড়ুন...

মৌরীগন্ধি দিন

সেই যে যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোড দিয়ে টঙ টঙ ঘন্টা বাজিয়ে ট্রাম চলত ২৯ নম্বর, ৩১ নম্বর। উজ্জ্বল সবুজ গড়ের মাঠ ছুঁয়ে , গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে বসা দোকানের ছোট ছোট দম দেওয়া গাড়ি, হাত পা ছোঁড়া পুতুল পাশ কাটিয়ে ব্রেবোর্ন রোড দিয়ে যাবার সময় বাগড়ি মার্কেটের উপচে আসা বাজির বাজারকে এক ঝলক টা টা করে হাওড়া ব্রীজ পেরিয়ে সোজা হাওড়া স্টেশান। সাবওয়ে তখনও তৈরী হচ্ছে, এক নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশ দিয়ে সোজা ঢুকে পড়া যেত। কালীপুজো আর ভাইফোঁটার মাঝের দিনটায় ৩/ডি ইন্দ্র রায় রোডের বাড়ির খুকীর হাত ধরে, খুকীর

আরও পড়ুন...

কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালঃ সাজেশন সম্ভার

Parichay Patra

এসে গেল মিলনদার সাজেশন, অথবা কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কী কী দেখিবেন না তার তালিকা। সকলের সুবিধার্থে সাজিয়ে দিলাম।

সেন্টেনারি ট্রিবিউটঃ ইঙ্গমার বার্গম্যানের একগাদা পরিচিত ছবি দেখাচ্ছে। তবে প্রিন্টে যদি দেখায় তবে অবশ্যই দেখে নিন।

অস্ট্রেলিয়ান সিনেমাঃ দুটি সেকশন রয়েছে। হালফিলের ছবির সঙ্গে আলাপ নেই। আইকনিক অজি ছবি নামে পুরনো ছবির যে বিভাগ সেখানে 'প্রিসিলা, কুইন অব দ্য ডেজার্ট', 'টেন ক্যানুজ' এর মতো নামকরা ছবি ছাড়াও দেখাচ্ছে আমার অত্যন্ত প্রিয় 'পিকনিক অ্যাট হ্যাঙ্গিং রক'। শেষ ছবিটি

আরও পড়ুন...

যেখানে গাছের মাথায় মেঘ জড়িয়ে থাকে

Kaushik Ghosh

গাছ |

And I don't want the world to see me
Coz I don't think they’d understand
When everything’s meant to be broken,
I just want you to know who I am


ক্যাফের দরজাটা খোলা মাত্র মাঝারি ভল্যুমে চালানো গান কানে ঝাপটা মারলো| রাজপুর রোডটা শেষ হওয়ার কিলোমিটার টাক আগে‚ ডান হাতে রামকৃষ্ণ মিশনটা ছাড়ালেই বাঁ দিকের নেমে যাওয়া রাস্তাটার মোড়েই এই ক্যাফে| ছিমছাম ও পরিপাটি| একটা দেওয়াল শুধুই কাঁচের হওয়ার ফলে‚ দিব্বি দেখা যায় সবুজে মোড়া পাহাড়ের সারি| সাথে উপরি পাওনা হিসেবে রয়ে

আরও পড়ুন...

ভূতচতুর্দশী তে আটখানা

ফরিদা

সকাল থেকে সন্ধে অবধি এক কাজের শহর থেকে ছুটির শহরে যাওয়ার ফাঁকে যা লেখা হ'ল তা এক জায়গায় থাক বরং......



কি লাভ বল তো ফুলে চিরকাল জরা আসে
নদীবক্ষে চরার পাঁজরে কাঁচাপাকা ঘাস দোল খায়
নিত্যস্নান হয়ে ওঠে না তার, দরজা জানলা নেই
ফাটা ঠোঁটে বিড়বিড় করে
কবে সেই দেড়কুড়ি বছর আগে বাবুদের কলে
ছানাপোনা জলটুকু চাকরীসূত্রে শহরেই গেছে চলে।

কী লাভ বল তো ব্যবসায়ে, অনাদায়ী অনিচ্ছুক ঋণ
পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়, পোকা ধরে প্রিয় বাদ্যযন্ত্রে
মাঝে মধ্যে অকারণে খুশি হ'

আরও পড়ুন...

ভূতচতুর্দশী

Srijita Sanyal Sur

ভূতচতুর্দশী

অমিত বাড়িতে ঢুকে বাজারের ব্যাগটা নামিয়ে বারান্দায় বসল। এবার এক কাপ চা আর খবরের কাগজ। এই পুজো গন্ডার দিনে বাজার করা যে কি চাপের। এপার বাঙলার লোকজন কাল লক্ষীপুজো করবে। বাজারে ভীড় ভর্তি। আয়েশ করে চেয়ারে বসতে না বসতেই রান্নাঘর থেকে বাসন্তীর আর্তনাদ ভেসে আসে, "দাদা আ আ, চোদ্দ শাক কই?!!!"
এই রে! তালেগোলে ওটাই তো ভুলে গেছি, ভাবে অমিত। বলে, " নেই রে। বাজারে নেই। সব জায়গায় ফ্ল্যাট উঠে গিয়ে আর শাক পাওয়া যায় না। তুই ওই ধনেপাতা চোদ্দটা নিয়ে নে না!"
কোমরে হাত দিয়ে বাসন্তী বাইর

আরও পড়ুন...

দি গ্রেট ইন্ডিয়ান ওয়াল

ন্যাড়া

প্লেট থেকে একমুঠো ডালমুট তুলে মুখে ফেলে লালমোহনবাবু বললেন, "আচ্ছা মশাই, টিভিতে সিরিয়ালের জন্যে গপ্প লিখলে কীরকম পয়সা যায় বলুন তো?" গেল কবছর ধরে বাংলা ছবিতে একের পর এক গোয়েন্দা গল্পর আগমনে লালমোহনবাবুর মনে আশা ছিল যে ওনার গল্প নিয়েও ডিরেক্টরদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যাবে। কিন্তু এখনও অব্দি সেরকম কোন উৎসাহ না দেখায় লালমোহনবাবু বেশ মুষড়ে পড়েছেন। যদিও ওনার বইয়ের কাটতির কোন কমতি নেই। বছরের পর বছর পুজোর সময়ে একটা আর পয়লা বৈশাখ একটা করে বই বের করে চলেছেন। আর সেই বই বেরোতে না বেরোতেই ফুরিয়েও যায়। কোন বইয়ের

আরও পড়ুন...

ছাতা

Soumya Kanti Pramanik

"এখনও সেই গাভীগুলি..গোচরণে ছড়ায় ধূলি...সখার সনে কোলাকুলি...রাখাল রাজেরে.."

"আমি জানি, আমার এই চিঠি তোমার কাছে পৌঁছবে না... তুমি এখন অনেক দূরে থাকো, হয়তো বিয়ে করে নিয়েছো...বছরখানেক আগে তোমার খবর পেয়েছিলাম, পেনসিলভানিয়া তে বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে তোমায় সম্মানিত করার হচ্ছে ! নিখিলেশ, আমি বলে বোঝাতে পারবো না, আমার ঠিক কি অনুভুতি হচ্ছিল তখন !!...

আমায় কি তোমার মনে থাকবে, নিখিলেশ ? অবশ্যই মনে না রাখার কথা...এতো গুলো বছর কেটে গেছে ! তুমি তখন ফিজিক্সে honours, প্রেসিডেন্সির দাপুটে ছাত্র নেত

আরও পড়ুন...

ছাতা

Soumya Kanti Pramanik

"এখনও সেই গাভীগুলি..গোচরণে ছড়ায় ধূলি...সখার সনে কোলাকুলি...রাখাল রাজেরে.."

"আমি জানি, আমার এই চিঠি তোমার কাছে পৌঁছবে না... তুমি এখন অনেক দূরে থাকো, হয়তো বিয়ে করে নিয়েছো...বছরখানেক আগে তোমার খবর পেয়েছিলাম, পেনসিলভানিয়া তে বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে তোমায় সম্মানিত করার হচ্ছে ! নিখিলেশ, আমি বলে বোঝাতে পারবো না, আমার ঠিক কি অনুভুতি হচ্ছিল তখন !!...

আমায় কি তোমার মনে থাকবে, নিখিলেশ ? অবশ্যই মনে না রাখার কথা...এতো গুলো বছর কেটে গেছে ! তুমি তখন ফিজিক্সে honours, প্রেসিডেন্সির দাপুটে ছাত্র নেত

আরও পড়ুন...

ছাতা

Soumya Kanti Pramanik

"এখনও সেই গাভীগুলি..গোচরণে ছড়ায় ধূলি...সখার সনে কোলাকুলি...রাখাল রাজেরে.."

"আমি জানি, আমার এই চিঠি তোমার কাছে পৌঁছবে না... তুমি এখন অনেক দূরে থাকো, হয়তো বিয়ে করে নিয়েছো...বছরখানেক আগে তোমার খবর পেয়েছিলাম, পেনসিলভানিয়া তে বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে তোমায় সম্মানিত করার হচ্ছে ! নিখিলেশ, আমি বলে বোঝাতে পারবো না, আমার ঠিক কি অনুভুতি হচ্ছিল তখন !!...

আমায় কি তোমার মনে থাকবে, নিখিলেশ ? অবশ্যই মনে না রাখার কথা...এতো গুলো বছর কেটে গেছে ! তুমি তখন ফিজিক্সে honours, প্রেসিডেন্সির দাপুটে ছাত্র নেত

আরও পড়ুন...

ইরোডভের 'প্রব্লেমস ইন জেনেরাল ফিজিক্স'- ছোট জিজ্ঞাসা

কুশান গুপ্ত

এক বন্ধুর কাছে শুনলাম আই.আই. টির এন্ট্রান্স টেস্ট নাকি পৃথিবীর কঠিনতম পরীক্ষাগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই প্রসঙ্গে খানিক আলোচনা হলো বন্ধুদের সঙ্গে। কিছু তথ্য, ফিটজি ইত্যাদি সংস্থা, এম সি কিউ, বইপত্তর ইত্যাকার বিষয়ে খানিক খোঁজ নেওয়ার পর একটি আশ্চর্য তথ্য পেলাম। যেখান থেকে এই লেখা লিখতে প্ররোচিত হলাম।

আই আই টির এন্ট্রান্স যারা ক্র্যাক করেন তাঁরা নিঃসন্দেহে প্রতিভাবান, তাঁদের অনেকেই বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হন, কেউ হন নামী সংস্থার সি ই ও, কেউ বা গবেষণায় সফল, বিশেষত পলিসি মেকিং এও তাঁদের ভূমিকা থাকবেই।

আরও পড়ুন...

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

Muhammad Sadequzzaman Sharif

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামক অদ্ভুত দেশটার জন্ম হওয়ার পর সমস্ত পাকিস্তানের জনগণ যখন আবেগে ভেসে যাচ্ছিল নতুন একটা তরতাজা দেশ পেয়ে, বিশেষ করে এই দেশের পূর্ব অংশের বিপুল পরিমাণ মানুষের আনন্দের কোন সীমা ছিল না। কারন মূলত এই ভূখণ্ডের মানুষের আন্দোলনের চাওয়া পাওয়ার ফলে জন্ম নেয় পাকিস্তান নামক দেশটা। যদিও এর চেহারা ঠিক দেশের সংজ্ঞার সাথে যায় না, যদিও নিজেদের বড় একটা অংশকে ভিনদেশের সাথে রেখে আসতে হয়েছে তবুও এই জাতি খুশি ছিল। এই অংশের মানুষের কারনেই এই দেশটা জন্ম নিয়েছিল এই কথা বলা হচ্ছে কারন এই ভূখণ্ডের মান

আরও পড়ুন...

ভ্রমণ কাহিনী নয় -১

Prativa Sarker

আমাদের দেশের রাজনীতি পাঁচ হাজার বছরের হারাপ্পান কঙ্কালকেও রেহাই দেয় না। কবর থেকে তুলে নানা পরীক্ষানিরীক্ষার পর যেই দেখে পালে বাতাস লাগছে না, অমনি সব রিপোর্ট চেপে দেয়।
ধর্মীয় প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার মরীয়া চেষ্টা অথবা দুর্বলের ওপর চূড়ান্ত অত্যাচার যে কোন ধর্মকে মৌলবাদী করে তোলে। সে দুর্বল সংখ্যালঘু অথবা দলিত হতে পারে, মেয়েরাও হতে পারে। আবার কোন সম্প্রদায়ের ওপর রাষ্ট্রীয় মদতে নামিয়ে আনা অত্যাচারও হতে পারে।

পাঞ্জাবে বীরের জাত সুদর্শন শিখ নারীপুরুষের সান্নিধ্যে এবার ধর্মীয় ভারত দেখবো

আরও পড়ুন...

ভ্রমণ কাহিনী নয় -১

Prativa Sarker

আমাদের দেশের রাজনীতি পাঁচ হাজার বছরের হারাপ্পান কঙ্কালকেও রেহাই দেয় না। কবর থেকে তুলে নানা পরীক্ষানিরীক্ষার পর যেই দেখে পালে বাতাস লাগছে না, অমনি সব রিপোর্ট চেপে দেয়।
ধর্মীয় প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার মরীয়া চেষ্টা অথবা দুর্বলের ওপর চূড়ান্ত অত্যাচার যে কোন ধর্মকে মৌলবাদী করে তোলে। সে দুর্বল সংখ্যালঘু অথবা দলিত হতে পারে, মেয়েরাও হতে পারে। আবার কোন সম্প্রদায়ের ওপর রাষ্ট্রীয় মদতে নামিয়ে আনা অত্যাচারও হতে পারে।

পাঞ্জাবে বীরের জাত সুদর্শন শিখ নারীপুরুষের সান্নিধ্যে এবার ধর্মীয় ভারত দেখবো

আরও পড়ুন...

বাইসাইক্লিস্ট

কুশান গুপ্ত

ক্লাস সিক্স কি সেভেন তখন। মনের মধ্যে সাইকেল শেখার অদম্য ইচ্ছে। আমাদের সময়ে বাড়িতে আমাদের বয়সোপযোগী মানানসই ছোট সাইজের সাইকেল কিনে দেওয়ার খুব একটা চল ছিলো না।  সমবয়সী ছেলেমেয়েদের দেখতাম বড়দের  সাইকেল নিয়েই হাফ-প্যাডেলে পাড়া মাতাচ্ছে। আমার এক কাকার সাইকেল নিয়ে হাফ প্যাডেলে মকশো করতে শুরু করলাম। সাইকেল বা সাঁতার, দুটোতেই এই পদ্ধতি, শেখার জন্য অপরিহার্য। সাঁতারে জলে নেমে হাত পা ছোঁড়া, আর সাইক্লিং এর জন্য ডাঙায় দু চাকায় ব্যালেন্সিংয়ের কসরৎ।

সাইকেলের তিনটি রডের মধ্যবর্তী 'ব' বা ডেল্টার মতো ফা

আরও পড়ুন...

চলো এগিয়ে চলি

Sumon Ganguly Bhattacharyya

#চলো এগিয়ে চলি
#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য
বেশিরভাগ অটিস্টিক মানুষদের রেসপন্স একটু ধীরে হয়।মানুষের মস্তিষ্কের সিগন্যাল এর কাজটি সাধারণত আলোর গতিতে হয়ে থাকে।যেকোন কিছু কথোপকথন ,ভাবের আদানপ্রদান বিদ্যুতের গতিতে করি আমরা নিজেদের অজান্তেই।যেমন আমরা ফোনে কথা বলি সেটাও তো আলোর গতিতে যায় তাই "হ্যালো" বলার সাথে সাথে উত্তর আসে, আলোচনা এগিয়ে চলে।
একজন অটিস্টিক মানুষের ক্ষেত্রে সিগন্যাল গুলি মানে বাইরের জগতের সমস্ত কিছু স্পর্শ, গন্ধ,স্বাদ,শব্দ ইত্যাদির মাধ্যমে যাওয়া সিগন্যাল যদি যায় আলোর গতিত

আরও পড়ুন...