Debasis Bhattacharya RSS feed

Debasis Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মাতৃভাষা দিবস
    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু মাত্র বাংলার জন্য না। যেহেতু এখন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছে তাই বিশ্বের সকল নাগরিকের যার যার নিজের মাতৃভাষা দিবস আজকে। আমরা রক্তের বিনিময়ে এই দিন পেয়েছে কারন আমাদের কপাল খারাপ ছিল। অদ্ভুত মাথা মোটা এ জাতির সাথে ইতিহাসের ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৭)
    থাচুংসে – কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৭.০৯.২০১৮) --------------------...
  • রাষ্ট্রের ম্যাজিকথলি
    রাষ্ট্র একটি কল্পিত ব্যবস্থা। রাষ্ট্র বলে আসলে কিছু হয় না। আমরা ভেবে নিয়েছি এবং বিশ্বাস করছি তাই রাষ্ট্র আছে। আমার সামনে এই মুহূর্তে যে কম্পিউটারটা রয়েছে রাষ্ট্রের থেকে তা অনেক বেশি সত্যি। এই স্ক্রীনটাকে আমি ছুঁয়ে দেখতে পারি, রাষ্ট্রকে ছুঁয়ে দেখতে পারি ...
  • অ্যান্টনির বেহালা
    তখন আমি এফডি ব্লকে মুস্তাফির নেটে খেলতে যাই। আমার নিজের কোন ব্যাট ছিল না। ইংলিশ উইলো আর কোত্থেকে পাব! বাবা কাশ্মীরে কাজে গেছিল। একটা কাশ্মীর উইলোর ব্যাট এনে দিয়েছিল। সে ব্যাটে খেলা হয়নি। আসলে ব্যাটটা একেবারে কাঁচা, কারখানা থেকে কেনা। দেশের সব ভাল ব্যাট ...
  • সেন্সরের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়
    অনেকেই বুঝতে পারছেননা, ভবিষ্যতের ভূত বাতিল হয়েছে স্রেফ শিল্পগত কারণে। বাংলায় এখন শিল্পী একজনই, ভুল করলে তিনি কান মলে দেবেনই। কেউ সেটা না বুঝলে তার একমাত্র কারণ, তিনি মাননীয়ার কবিতা খুঁটিয়ে পড়েনি। পুরোটাই শিক্ষার অভাব। মাননীয়া তাঁর 'নামতা' শীর্ষক কবিতায় ...
  • জঙ্গিবাদ প্রবণতা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকাংশেই দায়ী সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধ
    জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা ও সব থেকে উত্তপ্ত টপিকগুলোর মধ্যে একটি। জঙ্গিবাদকে ঠেকানোর জন্য সব সময়ই নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, নেয়াও হচ্ছে। কিন্তু কোন সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে সেই সমস্যার কারণ জানাটা আবশ্যক। আর সেই ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৬)
    মারখা – থাচুংসে (০৬.০৯.২০১৮)--------...
  • শেষ অস্ত্র
    ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে। এতোসব ইঁদুরকে ...
  • জার্ণাল ২০১৯ - ২
    জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়। আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল। http://www.guruchand...
  • শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস
    "যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

প্রহরী

Debasis Bhattacharya

[মূল গল্প – Sentry, লেখক – Fredric Brown, প্রথম প্রকাশকাল - ১৯৫৪] .....................


বাড়ি থেকে পঞ্চাশ হাজার আলোকবর্ষ দূরের এক গ্রহের মাটিতে কর্তব্যরত সে, জলে-কাদায় যতটা মাখামাখি, খিদে আর শীতে তার চেয়ে কিছু কম নয় ।

এখানে আলোটা পাওয়া যায় এক বিদ্‌ঘুটে নীল রঙের সূর্য থেকে, আর মাধ্যাকর্ষণের যা দশা সে আর বলে কাজ নেই । সে যাতে অভ্যস্ত তার দ্বিগুণ মাধ্যাকর্ষণ এখানে, নড়াচড়া করাই দায় ।

যুদ্ধের এমন কতকগুলো মৌলিক ব্যাপার আছে, লাখো বছরেও যার কোনও পরিবর্তন হয়না । যারা আকাশে উড়ে উড়ে যুদ্ধ করে তারা তোফা আছে, নিজেদের ছিমছাম মহাকাশযান আর ঝিন্‌চ্যাক অস্তরশস্তর নিয়ে । কিন্তু সময় যখন খারাপ আসে তখন স্রেফ নিজের পায়ে ঠায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রক্ত ঘাম ঝরিয়ে ঘাঁটি আগলাতে হয়, এক পা এক পা করে এগোতে হয়, তখন যে এই পদাতিক শর্মারা ছাড়া আর গতি নাই হে ! এই যে এক অজানা তারার এই জঘন্য গ্রহটা, যার কথা এখানে এসে নামবার আগে সে কোনওদিন শোনেইনি, সেখানেও তো ঠিক সেই ব্যাপারটাই ঘটছে । এই গ্রহ এখন এক পবিত্র লড়াইয়ের স্থান হয়ে উঠেছে, কারণ, এখানেও এসে পৌঁছেছে ওরা । ‘ওরা’, মানে সেই দেখলেই-গা-ঘুলিয়ে-ওঠা নিষ্ঠুর কুৎসিত ভিনগ্রহী দানবগুলো, এ গ্যালাক্সির অন্য আর একমাত্র বুদ্ধিমান জাত ।

খুব ধীরে ধীরে বহুকষ্টে হাজার কয়েক গ্রহ দখলে আনার পর ওদের সাথে প্রথম দেখা হয়েছিল এই গ্যালাক্সির কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি জায়গায়, আর তারপর থেকে দেখা হয়েছে কি যুদ্ধ । শান্তি চুক্তি আপস রফা এ সবের তোয়াক্কা করেনা ওরা, দেখতে পেলেই সটান অস্ত্র চালিয়ে দেবে ।

কাজেই, একের পর এক গ্রহের মাটিতে শুধু তিক্ত লড়াইটা লড়ে যাওয়া, এ ছাড়া আর পথ নেই ।

একেই জলেকাদায় চুপচুপে শরীর, তার ওপর খিদে আর শীত, আর তারও ওপরে এক তীব্র কঠিন বাতাস উঠেছে আজ, তার ঘষা খেয়ে চোখ জ্বালা করছে তার । কিন্তু, চুপিসারে ঢুকতে চাইছে ভিনগ্রহীরা, কাজেই প্রহরীর প্রতিটা গুমটিই এখন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ।

উদ্যত অস্ত্র হাতে হুঁশিয়ার আছে সে, পঞ্চাশ হাজার আলোকবর্ষ দূরের এই অদ্ভুত রণাঙ্গনে । বেঁচে বাড়ি ফেরা, সে কি আর হবে কোনওদিন ?

ওই যে, ওই যে, গুঁড়ি মেরে এগোচ্ছে একজন । নিখুঁত লক্ষ্যে অস্ত্র চালাল সে । ভিনগ্রহী দানব এক বীভৎস আওয়াজ তুলেই নিথর হয়ে পড়ে গেল । মরার সময়টায় ঠিক ওই রকমই করে ওরা ।

দানবটার আর্তনাদ আর ওই পড়ে থাকা দেহটায় একটু শিউরে উঠল সে । অনেকদিন ধরেই তো হচ্ছে, এতদিনে তার এইসব সয়ে যাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু সে আর কোনওদিন পেরে ওঠা হল না তার । উফ, এত কুৎসিতও হতে পারে কোনও জীব ! মাত্রই দুটো করে হাত আর পা, ভয়ঙ্কর ফ্যাকাশে চামড়া, এবং, এবং, এবং ............... তাদের শরীরে কোনও আঁশ নেই !



230 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: প্রহরী

আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি অনুবাদকের দক্ষতায় লেখার শৈল্পিক গুন বেড়ে যাওয়া টাই বড় প্রাপ্তি।
তৃপ্ত হলাম।
Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: প্রহরী

ধন্যবাদ । কিন্তু, মন্তব্যটা আমার নামেই এল । কে বললেন ?
Avatar: pi

Re: প্রহরী

আবার সেই বাগঃ( লেখকের নামে চলে আসছেঃ(। এটা কী আসে দেখি।
Avatar: b

Re: প্রহরী

ইয়ে, এগুলো টুকরো টুকরো করে না করে, ব্লগে পর পর দিলে হয় না?
সিরিজটা দারুণ হচ্ছে।
Avatar: দ

Re: প্রহরী

এটা তো ব্লগই, টই তো নয়। লেখক পরপর অ্যাপেন্ড না করে আলাদা আলাদা লিখছেন এই যা।
Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: প্রহরী

না, এবার আর মন্তব্য আমার নামে আসেনি, ঠিকঠাকই এসেছে । উৎসাহ দেবার জন্য সবাইকেই ধন্যবাদ । গোটাতিনেক মাত্র ছোট্ট ছোট্ট অনুবাদ দিয়েছি, একে 'সিরিজ' আখ্যা দেবার সময় বোধহয় এখনও আসেনি । তবে, আরও কয়েকটা করার ইচ্ছে আছে, নিজের লেখা গল্পও হয়ত দুয়েকটা দেব, যদি শেষপর্যন্ত তা পেরে উঠি তখন এটা 'সিরিজ' আখ্যা পেলেও পেতে পারে । একসঙ্গে কয়েকটা দিয়ে দেওয়া যায়, কিন্তু সেক্ষেত্রে পরপর সব দ্রুত নামাতে হবে, টানা অতটা সময় পাই না, একটু অনিয়মিতভাবেই করি ব্যাপারটা । আর, বিভিন্ন লেখকের ঠিক ওই রকম উচ্চমানের কল্পবিজ্ঞান অণুগল্প খুঁজে খুঁজে বার করাও একটা সমস্যা । তার ওপর আবার, এর মাঝে মাঝে প্রবন্ধ-নিবন্ধ গোছের কিছু কিছু গদ্যও ঢুকে যাবে । ফলত, কিঞ্চিৎ উস্কোখুস্কো ভাব অনিবার্য বলেই মনে হচ্ছে । আশা করি, আপনাদের তরফ থেকে শুধু উৎসাহ নয়, সুচিন্তিত সমালোচনা ও মূল্যবান পরামর্শও পাব ।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন