Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • এতো ঘৃণা কোথা থেকে আসে?
    কাল উমর খালিদের ঘটনার পর টুইটারে ঢুকেছিলাম, বোধকরি অন্য কিছু কাজে ... টাইমলাইনে কারুর একটা টুইট চোখে পড়লো, সাদামাটা বক্তব্য, "ভয় পেয়ো না, আমরা তোমার পাশে আছি" - গোছের, সেটা খুললাম আর চোখে পড়লো তলায় শয়ে শয়ে কমেন্ট, না সমবেদনা নয়, আশ্বাস নয়, বরং উৎকট, ...
  • সারে জঁহা সে আচ্ছা
    আচ্ছা স্যার, আপনি মালয়েশিয়া বা বোর্ণিওর জঙ্গল দেখেছেন? অথবা অ্যামাজনের জঙ্গল? নিজের চোখে না দেখলেও , নিদেনপক্ষে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের পাতায়? একজন বনগাঁর লোকের হাতে যখন সে ম্যাগাজিন পৌঁছে যেত, তখন আপনি তো স্যার কলকাতার ছেলে - হাত বাড়ালেই পেয়ে যেতেন ...
  • ট্রেন লেট্ আছে!
    আমরা প্রচন্ড বুদ্ধিমান। গত কয়েকদিনে আমরা বুঝে গেছি যে ভারতবর্ষ দেশটা আসলে একটা ট্রেনের মতো, যে ট্রেনে একবার উদ্বাস্তুগুলোকে সিটে বসতে দিলে শেষমেশ নিজেদেরই সিট জুটবে না। নিচে নেমে বসতে হবে তারপর। কারণ সিট শেষ পর্যন্ত হাতেগোনা ! দেশ ব্যাপারটা এতটাই সোজা। ...
  • একটা নতুন গান
    আসমানী জহরত (The 0ne Rupee Film Project)-এর কাজ যখন চলছে দেবদীপ-এর মোমবাতি গানটা তখন অলরেডি রেকর্ড হয়ে গেছে বেশ কিছুদিন আগেই। গানটা প্রথম শুনেছিলাম ২০১১-র লিটিল ম্যাগাজিন মেলায় সম্ভবত। সামনাসামনি। তো, সেই গানের একটা আনপ্লাগড লাইভ ভার্শন আমরা পার্টি ...
  • ভাঙ্গর ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে
    এই লেখাটা ভাঙ্গর, পরিবেশ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নানা স্ট্যাটাস, টুকরো লেখায়, অনলাইন আলোচনায় যে কথাগুলো বলেছি, বলে চলেছি সেইগুলো এক জায়গায় লেখার একটা অগোছালো প্রয়াস। এখানে দুটো আলাদা আলাদা বিষয় আছে। সেই বিষয় দুটোয় বিজ্ঞানের সাথে ...
  • বিদ্যালয় নিয়ে ...
    “তবে যেহেতু এটি একটি ইস্কুল,জোরে কথা বলা নিষেধ। - কর্তৃপক্ষ” (বিলাস সরকার-এর ‘ইস্কুল’ পুস্তক থেকে।)আমার ইস্কুল। হেয়ার স্কুল। গর্বের জায়গা। কত স্মৃতি মিশে আছে। আনন্দ দুঃখ রাগ অভিমান, ক্ষোভ তৃপ্তি আশা হতাশা, সাফল্য ব্যার্থতা, এক-চোখ ঘুগনিওয়ালা, গামছা কাঁধে ...
  • সমর্থনের অন্ধত্বরোগ ও তৎপরবর্তী স্থবিরতা
    একটা ধারণা গড়ে ওঠার সময় অনেক বাধা পায়। প্রশ্ন ওঠে। সঙ্গত বা অসঙ্গত প্রশ্ন। ধারণাটি তার মুখোমুখি দাঁড়ায়, কখনও জেতে, কখনও একটু পিছিয়ে যায়, নিজেকে আরও প্রস্তুত করে ফের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়। তার এই দমটা থাকলে তবে সে পরবর্তী কালে কখনও একসময়ে মানুষের গ্রহণযোগ্য ...
  • ভি এস নইপাল : অভিবাসী জীবনের শক্তিশালী বিতর্কিত কথাকার
    ভারতীয় বংশদ্ভূত নোবেল বিজয়ী এই লেখকের জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ত্রিনিদাদে, ১৯৩২ সালের ১৭ অগস্ট। পরে পড়াশোনার জন্য আসেন লন্ডনে এবং পাকাপাকিভাবে সেতাই হয়ে ওঠে তাঁর আবাসভূমি। এর মাঝে অবশ্য তিনি ঘুরেছেন থেকেছেন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ, ভারত সহ ...
  • আবার ধনঞ্জয়
    আজ থেকে চোদ্দ বছর আগে আজকের দিনে রাষ্ট্রের হাতে খুন হয়েছিলেন মেদিনীপুরের যুবক ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। এই "খুন" কথাটা খুব ভেবেচিন্তেই লিখলাম, অনেকেই আপত্তি করবেন জেনেও। আপত্তির দুটি কারণ - প্রথমতঃ এটি একটি বাংলায় যাকে বলে পলিটিকালি ইনকারেক্ট বক্তব্য, আর ...
  • সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে এখনো শ্রমদাস!
    "সেই ব্রিটিশ আমল থেকে আমরা অন্যের জমিতে প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে মজুরি (শ্রম) দিয়ে আসছি। কেউ মজুরি দিতে না পারলে তার বদলে গ্রামের অন্য কোনো নারী-পুরুষকে মজুরি দিতে হয়। নইলে জরিমানা বা শাস্তির ভয় আছে। তবে সবচেয়ে বেশি ভয় যেকোনো সময় জমি থেকে উচ্ছেদ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

গুজবের সংসার

Muhammad Sadequzzaman Sharif

গুজব নিয়ে সেই মজা নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু চারটা লাশ আর চারজন ধর্ষণের গুজব কি গুজব ছিল না? এত বড় একটা মিথ্যাচার, যার কারনে কত কি হয়ে যেতে পারত, এই জনপথের ইতিহাস পরিবর্তন হয়ে যেতে পারত অথচ রসিকতার ছলে এই মিথ্যাচার কে হালকা করে দেওয়া হল। ছাত্রলীগ যে তাণ্ডব চালিয়েছে তা অস্বীকার করার কোন রাস্তা আছে বা সরকার যে তরীকায় অগ্রসর হল শেষের দিকে তা কোন মতেই কাম্য নয় কারো কাছে। কিন্তু লাশের গুজব ভিন্ন জিনিস। যখন লাশের সাথে তুলনা হবে লাঠির বাড়ি তাহলে তখন লাঠি পেটা অনেক সহনীয় মনে হবে। না চাইতেও একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস বের হবে যে, যাক কেউ মারা যায়নি অন্তত!
এই আন্দোলনের শুরুতেও কিন্তু একটা গুজব ছড়ান হচ্ছিল। কিন্তু ঠিক হালে পানি পায়নি বলে ডাল পালা মেলতে পারেনি গুজবটা। সেটা হচ্ছে দুর্ঘটনায় মারা গেছে দুই জন না সাত জন!! অনেক অনেকবার করে এইটা খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ওই পাঁচ জনের পরিবার যেমন এখন পর্যন্ত দাবি করেনি যে তাদের সন্তান মারা গেছে তেমনই জিগাতলার ঘটনার পরেও এখন পর্যন্ত কোন পরিবার এমন দাবি করেনি। বরং আমার যেটা হয়েছে আন্দোলনের নেশায় তাদের সহপাঠীরা তাদের আহত সঙ্গীদের কথা ভুলেই গেছিল হয়ত। যার কারনে তারা কেমন আছে, কি অবস্থা তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি। অথচ তাদের দাবির ভিতরে এটা এক নাম্বারে রেখে তাদের চিকিৎসা সুব্যবস্থা তারা করতে পারত। যে জাফর ইকবাল কে নিয়ে সেই মজা নিলো মহামান্যরা, সম্ভবত একমাত্র তাকেই দেখলাম আহতদের খোঁজ নিতে, তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করতে। অন্যরা ব্যস্ত ছিলেন আন্দোলন থেকে কে কি হাতিয়ে নিতে পারে তা নিয়ে।

এই আন্দোলনের সক্রিয়, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থক সকলের একটা সোজা অভিযোগ ছিল সরকার মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। মিডিয়া ব্ল্যাক আউট করে রাখার ফলে অনেক খবর প্রকাশ পায়নি। আবার এরাই বিপুল বিক্রমে প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছে যে তারা সাহস করে সঠিক সংবাদ প্রকাশ করেছে। সরকার যদি চায় তাহলে প্রথম আলোর ঘাড়ে কয় মাথা যে তারা সংবাদ প্রকাশ করে? অন্য মিডিয়া ভয়ে হোক বা তেলের জন্য হোক যে কারনেই হোক যদি সংবাদ প্রকাশ না করে( আমি ইন্ডিপেন্ডেন্ট কেও দেখছি যা সত্য তা প্রকাশ করতে, জিগাতলায় সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভেঙ্গে দিয়েছিল, ছাত্রলীগের বাধার কারনে তারা লাইভ প্রচার করতে পারেনি এমন কথাও সরাসরি টিভিতে বলেছে) তাতে সরকার সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছে এমন প্রমাণ হয় কি?

গুজব আওয়ামীলীগ কে খায় বেশি। ছাত্রলীগ পুলিশের তাণ্ডবের জন্যই হোক বা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে তাদের প্রতি বিতৃষ্ণা থেকেই হোক চারটা লাশ আর চারজন মেয়ের ধর্ষণের গুজব থেকে সম্ভবত আর রেহাই মিলবে না। যেমন আজো দেশের আনাচে কানাচে অগুনতি মানুষ বিশ্বাস করে সেইদিন রাতে শাপলা চত্বরে হাজার হাজার হেফাজত কর্মী মেরে ফেলেছিল সরকার!! বলাই বাহুল্য এই সব যারা বিশ্বাস করে তারা কোন দিন তা যুক্তি দিয়ে বিশ্বাস করে না, তারা জাস্ট ইমান আনে, তারপর বাকি সব ভুলে যায়।

শেয়ার করুন


Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: গুজবের সংসার

তুমি গুজব, আমি গুজব, সব গুজব; ছাত্র পেটানো চার পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি, ইহা কিন্তু সত্যি!

https://www.thedailystar.net/news/country/4-top-police-officials-promo
ted-supernumerary-grade-1-posts-1616911?amp&__twitter_impression=true


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন