Prativa Sarker RSS feed

Prativa Sarkerএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মাতৃভাষা দিবস
    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু মাত্র বাংলার জন্য না। যেহেতু এখন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছে তাই বিশ্বের সকল নাগরিকের যার যার নিজের মাতৃভাষা দিবস আজকে। আমরা রক্তের বিনিময়ে এই দিন পেয়েছে কারন আমাদের কপাল খারাপ ছিল। অদ্ভুত মাথা মোটা এ জাতির সাথে ইতিহাসের ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৭)
    থাচুংসে – কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৭.০৯.২০১৮) --------------------...
  • রাষ্ট্রের ম্যাজিকথলি
    রাষ্ট্র একটি কল্পিত ব্যবস্থা। রাষ্ট্র বলে আসলে কিছু হয় না। আমরা ভেবে নিয়েছি এবং বিশ্বাস করছি তাই রাষ্ট্র আছে। আমার সামনে এই মুহূর্তে যে কম্পিউটারটা রয়েছে রাষ্ট্রের থেকে তা অনেক বেশি সত্যি। এই স্ক্রীনটাকে আমি ছুঁয়ে দেখতে পারি, রাষ্ট্রকে ছুঁয়ে দেখতে পারি ...
  • অ্যান্টনির বেহালা
    তখন আমি এফডি ব্লকে মুস্তাফির নেটে খেলতে যাই। আমার নিজের কোন ব্যাট ছিল না। ইংলিশ উইলো আর কোত্থেকে পাব! বাবা কাশ্মীরে কাজে গেছিল। একটা কাশ্মীর উইলোর ব্যাট এনে দিয়েছিল। সে ব্যাটে খেলা হয়নি। আসলে ব্যাটটা একেবারে কাঁচা, কারখানা থেকে কেনা। দেশের সব ভাল ব্যাট ...
  • সেন্সরের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়
    অনেকেই বুঝতে পারছেননা, ভবিষ্যতের ভূত বাতিল হয়েছে স্রেফ শিল্পগত কারণে। বাংলায় এখন শিল্পী একজনই, ভুল করলে তিনি কান মলে দেবেনই। কেউ সেটা না বুঝলে তার একমাত্র কারণ, তিনি মাননীয়ার কবিতা খুঁটিয়ে পড়েনি। পুরোটাই শিক্ষার অভাব। মাননীয়া তাঁর 'নামতা' শীর্ষক কবিতায় ...
  • জঙ্গিবাদ প্রবণতা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকাংশেই দায়ী সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধ
    জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা ও সব থেকে উত্তপ্ত টপিকগুলোর মধ্যে একটি। জঙ্গিবাদকে ঠেকানোর জন্য সব সময়ই নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, নেয়াও হচ্ছে। কিন্তু কোন সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে সেই সমস্যার কারণ জানাটা আবশ্যক। আর সেই ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৬)
    মারখা – থাচুংসে (০৬.০৯.২০১৮)--------...
  • শেষ অস্ত্র
    ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে। এতোসব ইঁদুরকে ...
  • জার্ণাল ২০১৯ - ২
    জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়। আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল। http://www.guruchand...
  • শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস
    "যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

দুখী মানুষ, খড়ের মানুষ

Prativa Sarker

দুটো গল্প। একটা আজকেই ব্যাংকে পাওয়া, আর একটা বইয়ে। একদম উল্টো গল্প, দিন আর রাতের মতো উলটো। তবু শেষে মিলেমিশে কি করে যেন একটাই গল্প।

ব্যাংকের কেজো আবহাওয়া চুরমার করে দিয়ে চিৎকার করছিল নীচের ছবির লোকটা। কখনো দাঁত দিয়ে নিজের হাত কামড়ে ধরছিল, নাহলে মেঝেয় ঢাঁই ঢাঁই করে কপাল ঠুকছিল, সে কি আওয়াজ! রক্তপাত হবার সমূহ সম্ভাবনা। এক কাস্টমার মহিলা হঠাৎ বলে উঠলেন, ও তো বাইরে গেছিল।
মানে কাউন্টার থেকে টাকা নিয়ে বাইরে গেছিল। এখন কম পড়লে ব্যাংক দেবে কেন!

লোকটি পাগলের মতো নিজের জুতো খুলে গালে মারতে মারতে বলল, আমি যাইনি। ওইখানে বসে গুণছিলাম।
কে একজন ধমকে উঠল, কাউন্টার ছেড়ে কেন গেছিলে?

তুমি ওকে বলাই যায়, যেমন হতশ্রী চেহারা, তেমন পোশাক।
আবার ধমক ধেয়ে এল - নাটক বন্ধ করতে বল, কাউকে কোন কাজ করতে দিচ্ছে না।
আধিকারিকের কাছ থেকে সিসিটিভি খোলার নির্দেশ আসবে আসবে করছে, এমন সময় কাউন্টারের মহিলা, যিনি ওকে এতোক্ষণ চলে যেতে বলছিলেন, তিনি বললেন, আমি দেখছি সবটা আবার।
ক্রমে তার মুখের রেখা নরম হয়ে আসছে দেখে বুঝলাম গণ্ডগোল এই লোকটির খ্যাপাটেপনায় নয়, গণ্ডগোল ওই কম্পিউটারের ভেতরে। আমি সারাজীবন আয়েসি চাকুরে, কি করে বুঝব, পাঁচহাজার তুলে গুণতে গিয়ে চারহাজার রয়েছে দেখলে কেমন লাগে। রুটিই যাদের কাছে ঈশ্বর, মাত্র এক হাজারের জন্য তাদের কতো আপশোস হয়!
আর যে মহিলা না দেখেই বাইরে গেছিল বলে উঠলেন তার সঙ্গে ছেলেধরা এয়েচে দের কিই বা তফাৎ !
আমরা যারা ভাবছিলাম এতো নাটক যখন, ডাল মে কুছ কালা জরুর হ্যায়, তাদের প্রত্যেকের মধ্যে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য মব লিঞ্চারের ছায়া ভেসে ওঠেনি কি ?

গুজব বোঝাই এই দেশে, দেখনদারি আর অশ্লীল বড়লোকির এই দেশে দ্বিতীয় গল্পটাও থাকুক পোয়েটিক জাস্টিসের মতো। সান্ত্বনা খুঁজতে সুবিধে হয়।

খালেদ হোসেইনির কাইট রানারে একটা চরম সুখী লোক ছিল। দুঃখ কাকে বলে জানতো না। একদিন হাতে এলো এক ম্যাজিক কাপ, সে সবিস্ময়ে আবিষ্কার করল তাতে চোখের জল ফেললেই প্রত্যেকটি অশ্রুকণা হয়ে যাচ্ছে এক একটি নিটোল মুক্তো। এবার তো সে দুঃখিত হবার ছুতো খুঁজে বেড়ায় দিনরাত। যতো কান্না, ততো মুক্তো। একদিন সে দেখল সে বসে আছে বিশাল আর দীপ্তিময় মুক্তোর পাহাড়ে, হাতে লম্বা রক্তমাখা ছুরি, পায়ের কাছে প্রিয়তমা স্ত্রীর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। এবার আর ছুতো খোঁজা নয়, সত্যিই তার চোখের জল থামার লক্ষণ নেই।

নির্বিচারে নানা গুজব ছড়িয়ে,চামড়ার জেল্লা আর পোশাক দেখে মানুষ বিচার ক'রে আমরা কি ঠিক দিশাতেই চলেছি ?


160 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন



আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন