Sumit Roy RSS feed

Sumit Royএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • যোজনগন্ধা
    ভূমিকা এই উপন্যাসের শুরু জানতে গেলে সময়ের স্রোতকে বলতে হবেএকটু উল্টোবাগে চলো। আইন করে নীল চাষ বন্ধ হয়েছে সদ্য সদ্য। তার কিছু আগের থেকে এ উপন্যাসের কুশীলবদের পথচলা শুরু। সুন্দরবন লাগোয়া ভবানীপুর গ্রামে রামতনু মুখার্জ্জীর পারবারিক প্রথা পুত্রবধূর প্রথম ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য"মা " এই শব্দ টার সাথে, আমরা যারা লিভিং উইথ অটিজম একজনের মা ,তখন আমাদের নামের আগে একটা লড়াকু শব্দ দেয়াই যায়। আমরা একটা নিরস্ত্র যুদ্ধ করি।সকাল থেকে রাত।কাউকে ছোট করছিনা,মা মাত্রই তাই করেন বিশেষ করে যদি কর্মরতা ...
  • ভাসানের গল্প এবং
    ভাইফোঁটার স্মৃতির জোয়ারে চাপা পরে গেল ভাসানের গল্প. আমার ছোটবেলার সিঁথির গায়ে তখনো নকশাল আমলের দগদগে ঘা. বাঙ্গাল উদ্বাস্তুর সর্বহারানোর শেষে ফিরে-দাঁড়ানোর লড়াইতে সঙ্গী এপার বাংলার বিভিন্ন জেলার থেকে আসা মানুষেরা. কলকাতায় উড়তে থাকা সোনার টুকরো খপ করে ধরে ...
  • মহাকাল
    স্টেশনের নাম নিশ্চিত পুর...ট্রেন টা রওনা দিয়েছে কিছুক্ষণ আগে...যারা এইমাত্র নামল, তারা সবাই ব্যস্ত-সমস্ত হয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়িয়েছে...অমলীন কৈশোরের ভাঁজে ভাঁজে যে কুয়াশার ওম জড়ানো থাকে, সেই ওমে ভিজে আছে এই কনে দেখা আলোর মাঝে একা দুটি সমান্তরাল ট্রেন ...
  • ইটার্নাল ফেস্টিভ্যাল অফ দ্য স্পটলেস সংস্কৃতি
    লেফট অ্যারো, ফার্স্ট ব্র্যাকেট ওপেন, কোটেশন মার্ক, ফার্স্ট ব্র্যাকেট ক্লোজ! আজ কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা। কাল থেকে ফিল্ম দেখানো শুরু হয়ে যাবে পুরোদমে। অনেক মানুষ আসবেন নিশ্চয়ই। চলচ্চিত্র উৎসবের ব্যানারে ছাপানো মমতা ব্যানার্জীর সুবিশাল ...
  • মৌরীগন্ধি দিন
    সেই যে যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোড দিয়ে টঙ টঙ ঘন্টা বাজিয়ে ট্রাম চলত ২৯ নম্বর, ৩১ নম্বর। উজ্জ্বল সবুজ গড়ের মাঠ ছুঁয়ে , গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে বসা দোকানের ছোট ছোট দম দেওয়া গাড়ি, হাত পা ছোঁড়া পুতুল পাশ কাটিয়ে ব্রেবোর্ন রোড দিয়ে যাবার সময় বাগড়ি ...
  • কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালঃ সাজেশন সম্ভার
    এসে গেল মিলনদার সাজেশন, অথবা কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কী কী দেখিবেন না তার তালিকা। সকলের সুবিধার্থে সাজিয়ে দিলাম।সেন্টেনারি ট্রিবিউটঃ ইঙ্গমার বার্গম্যানের একগাদা পরিচিত ছবি দেখাচ্ছে। তবে প্রিন্টে যদি দেখায় তবে অবশ্যই দেখে নিন।অস্ট্রেলিয়ান সিনেমাঃ দুটি ...
  • যেখানে গাছের মাথায় মেঘ জড়িয়ে থাকে
    গাছ |And I don't want the world to see meCoz I don't think they’d understandWhen everything’s meant to be broken,I just want you to know who I amক্যাফের দরজাটা খোলা মাত্র মাঝারি ভল্যুমে চালানো গান কানে ঝাপটা মারলো| রাজপুর রোডটা শেষ হওয়ার কিলোমিটার টাক ...
  • মুখ ঢেকে যায় কালিমায়…
    বিজ্ঞাপনের বাড়াবাড়িতে কবি লিখেছিলেন, মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে। …কিন্তু এখন পণ্য প্রচারের নামে নামে টিভিতে আদিবাসী পাহাড়ি নারীকে হেয় করে তথা পুরো আদিবাসী সমাজকেই ব্যাঙ্গ করে যে কুৎসিৎ বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে, তাতে বিজ্ঞাপনের কালিমায় কদার্য হচ্ছে আমাদের সকলেরই ...
  • ভূতচতুর্দশী তে আটখানা
    সকাল থেকে সন্ধে অবধি এক কাজের শহর থেকে ছুটির শহরে যাওয়ার ফাঁকে যা লেখা হ'ল তা এক জায়গায় থাক বরং......১কি লাভ বল তো ফুলে চিরকাল জরা আসেনদীবক্ষে চরার পাঁজরে কাঁচাপাকা ঘাস দোল খায়নিত্যস্নান হয়ে ওঠে না তার, দরজা জানলা নেইফাটা ঠোঁটে বিড়বিড় করে কবে সেই দেড়কুড়ি ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

শীঘ্রই বের হতে যাচ্ছে সফল ক্যান্সার প্রতিশেধক, অপেক্ষা হিউম্যান ট্রায়ালের

Sumit Roy

খুব সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জগতে পাওয়া গেছে এক অবাক করা সাফল্য। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এরকম একটি ক্যান্সার প্রতিষেধক কে ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া গেছে। আর তাই এখন একে মানুষের উপর প্রয়োগ করার চিন্তা করা হচ্ছে।

এই বছরেরই ৩১ জানুয়ারিতে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এর গবেষকগণ ইঁদুরের উপর সেই ক্যান্সার প্রতিষেধক প্রয়োগের ফলাফলটি সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশ করেন। আমরা জানি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে রক্তের যে কোষ জড়িত তার নাম শ্বেত রক্তকণিকা বা হোয়াইট ব্লাড সেল। তিন রকমের হোয়াইট ব্লাড সেল রয়েছে এর মধ্যে একটি হচ্ছে লিম্ফোসাইট। আবার এই লিম্ফোসাইট কোষগুলোর মধ্যে একাধিক প্রকরণ রয়েছে যারএকটি হচ্ছে T-lymphocyte বা সংক্ষেপে T-cell।

ইঁদুরের উপর পরীক্ষার মাধ্যমে গবেষকগণ দেখলেন সরাসরি কোনো টিউমারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপনকারী বিশেষ এজেন্টকে ইনজেক্ট করা হলে আক্রান্তের দেহের টি-সেলগুলো সেই লোকাল টিউমারটিকে চিনতে পারে এবং ধ্বংস করতে পারে এবং সেই সাথে সেখান থেকে দূরে কোন স্থানে সেকেন্ডারি টিউমার কেউ এটি ধ্বংস করে দিতে পারে। এখানে বুঝতে সুবিধার জন্য লোকাল টিউমার কী এবং সেকেন্ডারি টিউমার কী - এ বিষয়ে কিছু বলা প্রয়োজন। লোকাল টিউমার বলতে বোঝায় ঠিক যেই স্থানে ক্যান্সারটি শুরু হয়েছিল সেই স্থানের টিউমার, অর্থাৎ ব্রেস্ট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে টিউমারটি ব্রেস্ট বা স্তনেই তৈরি হবে। আবার এই ব্রেষ্ট ক্যান্সারের প্রভাবে দেখা যেতে পারে স্তন থেকে দূরবর্তী কোনো স্থানে, যেমন ফুসফুসে। ব্রেস্ট ক্যান্সারের কারণে যদি ফুসফুসের মত দূরবর্তী কোন স্থানেও টিউমার তৈরি হয়ে যায় এক্ষেত্রে এই ফুসফুসে তৈরি টিউমারটিকে বলা হবে সেকেন্ডারি টিউমার বা সেকেন্ডারি ক্যান্সার বা সেকেন্ডারি মাস। অর্থাৎ, গবেষকগণ দেখলেন যে একটি স্থানে অর্থাৎ যেখানে ক্যান্সারের উৎপত্তি হয়েছে সেই স্থানে এই দুই প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপনকারী এজেন্টকে ইনজেক্ট করা হলে দূরে যে স্থানে ক্যান্সারটি ছড়িয়ে গেছে সেটাকেও নির্মূল করা সম্ভব।

আক্ষরিক অর্থে একে ভ্যাক্সিন বা টিকা বলা যায় না। কিন্তু এই দুই এজেন্ট মিলে আক্রান্তের শরীরে একরকম ইমিউন রেসপন্স বা প্রতিরোধী সাড়াদান এর উদ্ভব ঘটায়, যা খুব সহজেই ইনজেকশন প্রদানের মাধ্যমে সম্ভবপর হচ্ছে। আর তাই গবেষকগণ এর নাম দিয়েছেন ক্যান্সার ভ্যাক্সিন।

সাধারণত টি-সেল গুলো ক্যান্সার টিউমার এর বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না, কারণ এ ক্যান্সার-টিউমারগুলোকে দেখতে অনেকটাই সাধারণ সুস্থ কোষগুলোর মতোই অথবা এই ক্যান্সার-টিউমারগুলো এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে যার ফলে টি-সেলগুলো এদের সনাক্ত করতে পারে না।

বর্তমানে যে এন্টিবডিভিত্তিক চিকিৎসা প্রচলিত রয়েছে সেগুলো খুব নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার কোষকেই টার্গেট করতে পারে। এর ফলে সেই চিকিৎসাটি সকল রকমের ক্যান্সার সেলের ক্ষেত্রে সুফল আনতে পারেনা। খুব সম্প্রতি CAR T-cell থেরাপি নামে ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য আরেকটি চিকিৎসা পদ্ধতি অনুমোদিত হয়েছে। কিন্তু এই বিশেষ চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ইমিউন সেল বা রোগপ্রতিরোধী কোষগুলোকে জেনেটিকালি মোডিফাই করিয়ে নিতে হয়।

আর এজন্যই এই স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই আবিষ্কারটি অসাধারণ, যেখানে দুটো মাত্র এজেন্ট এর ইনজেকশনের ফলেই ইঁদুরের টি-সেলগুলো নিকটবর্তী ও দূরবর্তী ক্যান্সার কোষগুলোকে চিহ্নিত করে নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া অনেক ধরণের ক্যান্সারের ক্ষেত্রেই এই চিকিৎসাটি ফলাফল দিচ্ছে। সমগ্র ক্যান্সার চিকিৎসার ইতিহাসে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল গুলোর মধ্যে এই বিশেষ চিকিৎসাটিই লিম্ফোমার ক্ষেত্রে ৯৭% কিওর রেট বা সুস্থতার হার দেখাতে পেরেছে।

এখন গবেষকগণ লিম্ফোমা এর একটি প্রকরণের ( low-grade B-cell Non-Hodgkin) ক্ষেত্রে এই ইনজেকশন মানুষের ক্ষেত্রে কী প্রভাব ফেলে তার মূল্যায়ন করবেন। এটি নিয়ে গবেষণার প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের লিডার এবং ইঁদুর নিয়ে বের করে সেই গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক ডঃ রোনাল্ড লেভি জানান, তারা এই বছরের শেষের দিকে ৩৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে নিয়ে এই বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতিটি পরীক্ষা করে দেখবেন। এক্ষেত্রে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী রোগীকে পরীক্ষাটি করবেন। এক্ষেত্রে প্রথমে নিম্নমাত্রার রেডিয়েশন থেরাপি দেয়া হবে যাতে তার ফলে কিছু ক্যান্সার কোষ দুর্বল হয়ে যায়। এই কোষগুলো দুইবার ইনজেকশন দেয়া সেই ট্রিটমেন্টের পরেও থেকে যায়।

এই পরীক্ষাটির উদ্দেশ্য হবে মানুষের জন্য ইনজেকশন গুলোর সর্বোত্তম মাত্রা বা ডোজটি বের করা এবং এই চিকিৎসার সাইডএফেক্ট গুলো কী তা জানা। লেভি জানান, "এক্ষেত্রে যে দুটো ড্রাগকে মানুষের মধ্যে ইনজেক্ট করা হচ্ছে এগুলো দুটো কোম্পানি থেকে নিয়ে আসা। আর ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে এগুলো মানুষের ক্ষেত্রে নিরাপদ। এই পরীক্ষায় আমরা মানুষের ক্ষেত্রে এই দুটো ড্রাগের কম্বিনেশনে কি সাইডএফেক্ট পাওয়া যায় সেটাই পরীক্ষা করে দেখতে চাই।"

এই চিকিৎসার একটি অংশ হচ্ছে anti-OX40 নামে একটি এন্টিবডি যা CD4 T-cell এবং CD8 killer cell-কে সক্রিয় করে। CD4 T-cell হচ্ছে একটি সাহায্যকারী কোষ যা অন্যান্য রোগ প্রতিরোধী কোষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। আর অন্যদিকে CD8 killer cell রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ এর মাধ্যমে টার্গেটেড ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।

এই চিকিৎসার আরেকটি উপাদান হচ্ছে সিন্থেটিক ডিএনএ এর একটি ছোট স্ট্র্যান্ড যা রোগ প্রতিরোধী কোষকে এক ধরনের সেল সারফেস প্রোটিন তৈরি করতে নির্দেশ দেয়। এই প্রোটিনটির নাম হচ্ছে TLR9 ligand। এটি শরীরে এন্টিবডি উৎপাদনকে বাড়িয়ে দেয় এবং একটি বিশেষায়িত স্মৃতিকোষ বা স্পেশালাইজড মেমোরি সেল তৈরি করে যার কাজ হচ্ছে এরকম হুমকিস্বরূপ ক্যানসার কোষ যদি ভবিষ্যতে পুনরায় তৈরি হয় তাহলে এটি খুব দ্রুত এব্যাপারে সতর্ক করতে পারে।


http://cdn.iflscience.com/images/713af8d5-7f43-5b94-9984-3c6ccf548b90/
extra_large-1522261316-cover-image.jpg

(চিত্র: ক্যান্সার কোষকে আক্রমণরত টি-কোষ)


তথ্যসূত্র:

১। সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত ইঁদুর নিয়ে গবেষণার পেপারটি - http://stm.sciencemag.org/content/10/426/eaan4488
২। ইতিমধ্যে প্রচলিত এন্টিবডিভিত্তিক ক্যান্সার চিকিৎসা - https://en.wikipedia.org/wiki/Cancer_immunotherapy
৩। CAR T-cell থেরাপি - https://www.cancer.gov/about-cancer/treatment/research/car-t-cells
৪। Stanford Non-Hodgkin Lymphoma Vaccine Study - http://med.stanford.edu/cancer/trials/vaccine.html
৫। কী বলছেন ডঃ রোনাল্ড লেভি - https://www.sfgate.com/bayarea/article/Chemotherapy-free-cancer-vaccin
e-moves-from-12777406.php

৬। OX40 এন্টিবডি সম্পর্কে জানতে - https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2729757/

66 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: দ

Re: শীঘ্রই বের হতে যাচ্ছে সফল ক্যান্সার প্রতিশেধক, অপেক্ষা হিউম্যান ট্রায়ালের

ফাগল নাকি?
ক্যান্সার কোন এক্ টাইপ তো নয়। ১৫০ না কতরকম যেন।

কেউ একটু অক্ষ'কে ধরে আনো না প্লীজ। ক্যান্সার নিয়ে এইসব হিজিবিজি দেখলে কিরকম গা কিড়কিড় করে।
Avatar: Sumit Roy

Re: শীঘ্রই বের হতে যাচ্ছে সফল ক্যান্সার প্রতিশেধক, অপেক্ষা হিউম্যান ট্রায়ালের

এন্টিবডি বেজড ট্রিটমেন্টে নির্দিষ্ট কিছু মিউটেশনকেই টারগেট করা হত। এই পদ্ধতিতে অনেকগুলোতেই সমাধান পাওয়া যায়, তাই এটা রিভোল্যুশনারি।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন