Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ভাঙ্গর ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে
    এই লেখাটা ভাঙ্গর, পরিবেশ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নানা স্ট্যাটাস, টুকরো লেখায়, অনলাইন আলোচনায় যে কথাগুলো বলেছি, বলে চলেছি সেইগুলো এক জায়গায় লেখার একটা অগোছালো প্রয়াস। এখানে দুটো আলাদা আলাদা বিষয় আছে। সেই বিষয় দুটোয় বিজ্ঞানের সাথে ...
  • বিদ্যালয় নিয়ে ...
    “তবে যেহেতু এটি একটি ইস্কুল,জোরে কথা বলা নিষেধ। - কর্তৃপক্ষ” (বিলাস সরকার-এর ‘ইস্কুল’ পুস্তক থেকে।)আমার ইস্কুল। হেয়ার স্কুল। গর্বের জায়গা। কত স্মৃতি মিশে আছে। আনন্দ দুঃখ রাগ অভিমান, ক্ষোভ তৃপ্তি আশা হতাশা, সাফল্য ব্যার্থতা, এক-চোখ ঘুগনিওয়ালা, গামছা কাঁধে ...
  • সমর্থনের অন্ধত্বরোগ ও তৎপরবর্তী স্থবিরতা
    একটা ধারণা গড়ে ওঠার সময় অনেক বাধা পায়। প্রশ্ন ওঠে। সঙ্গত বা অসঙ্গত প্রশ্ন। ধারণাটি তার মুখোমুখি দাঁড়ায়, কখনও জেতে, কখনও একটু পিছিয়ে যায়, নিজেকে আরও প্রস্তুত করে ফের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়। তার এই দমটা থাকলে তবে সে পরবর্তী কালে কখনও একসময়ে মানুষের গ্রহণযোগ্য ...
  • ভি এস নইপাল : অভিবাসী জীবনের শক্তিশালী বিতর্কিত কথাকার
    ভারতীয় বংশদ্ভূত নোবেল বিজয়ী এই লেখকের জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ত্রিনিদাদে, ১৯৩২ সালের ১৭ অগস্ট। পরে পড়াশোনার জন্য আসেন লন্ডনে এবং পাকাপাকিভাবে সেতাই হয়ে ওঠে তাঁর আবাসভূমি। এর মাঝে অবশ্য তিনি ঘুরেছেন থেকেছেন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ, ভারত সহ ...
  • আবার ধনঞ্জয়
    আজ থেকে চোদ্দ বছর আগে আজকের দিনে রাষ্ট্রের হাতে খুন হয়েছিলেন মেদিনীপুরের যুবক ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। এই "খুন" কথাটা খুব ভেবেচিন্তেই লিখলাম, অনেকেই আপত্তি করবেন জেনেও। আপত্তির দুটি কারণ - প্রথমতঃ এটি একটি বাংলায় যাকে বলে পলিটিকালি ইনকারেক্ট বক্তব্য, আর ...
  • সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে এখনো শ্রমদাস!
    "সেই ব্রিটিশ আমল থেকে আমরা অন্যের জমিতে প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে মজুরি (শ্রম) দিয়ে আসছি। কেউ মজুরি দিতে না পারলে তার বদলে গ্রামের অন্য কোনো নারী-পুরুষকে মজুরি দিতে হয়। নইলে জরিমানা বা শাস্তির ভয় আছে। তবে সবচেয়ে বেশি ভয় যেকোনো সময় জমি থেকে উচ্ছেদ ...
  • অনুপ্রদান
    শিক্ষাক্ষেত্রে তোলাবাজিতে অনিয়ম নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত গত কিছুদিনে কলেজে ভর্তি নিয়ে তোলাবাজি তথা অনুদান নিয়ে অভিযোগের সামনে নানা মহল থেকেই কড়া সমালোচনার মুখে পরে রাজ্য সরকার।শিক্ষামন্ত্রী এদিন ...
  • গুজবের সংসার
    গুজব নিয়ে সেই মজা নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু চারটা লাশ আর চারজন ধর্ষণের গুজব কি গুজব ছিল না? এত বড় একটা মিথ্যাচার, যার কারনে কত কি হয়ে যেতে পারত, এই জনপথের ইতিহাস পরিবর্তন হয়ে যেতে পারত অথচ রসিকতার ছলে এই মিথ্যাচার কে হালকা করে দেওয়া হল। ছাত্রলীগ যে ...
  • মহামূর্খের দল
    মূল গল্প : আইজ্যাক আসিমভরাইগেল গ্রহের যে দীর্ঘজীবী প্রজাতির হাতে এই গ্যালাক্সির নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণের ভার, সে পরম্পরায় নারন হল গিয়ে চতুর্থজন ।দুটো খাতা আছে ওনার কাছে । একটা হচ্ছে প্রকাণ্ড জাবদা খাতা, আর অন্যটা তার চেয়ে অনেকটা ছোট । গ্যালাক্সির সমস্ত ...
  • মানুষ মানুষের জন্য?
    স্মৃতির পটে জীবনের ছবি যে আঁকে সে শুধু রঙ তুলি বুলিয়ে ছবিই আঁকে, অবিকল নকল করা তার কাজ নয়। আগেরটা পরে, পরেরটা পরে সাজাতে তার একটুও বাঁধেনা। আরো অনেক সত্যের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনস্মৃতির আরম্ভেই এই ধ্রুব সত্য মনে করিয়ে দিয়েছেন। কথাটা মনে রেখেই ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আমরা বিশ্বাস করি মত প্রকাশের স্বাধীনতা শুধু আমার থাকবে, অন্য কেউ এর আওতায় পড়বে না। আমার থাকবে, আমার মত যারা ভাবে তাঁদের থাকবে, আমার আশেপাশের মানুষের থাকবে। ভাল কারা? এই প্রশ্নের উত্তর একজন দিয়েছিল, ভাল হচ্ছে আমরা আর মামারা!! তার মত করেই বলি, আমরা অনেকেই মনে করি মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে আমাদের আর মামাদের।

আমরা নিজের মনের মত করে নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে ভাবতে পছন্দ করি। যখন পছন্দের ব্যক্তি আমার মতের বিপরীতে কোন আচরণ করে বা আমার বুঝের বাহিরে কোন আচরণ করে তখন আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে, এই লোক এই কথা বলতে পারল বলে ঝিম মেরে থাকি পাক্কা সতেরো মিনিট। এরপর শুরু হয় এই লোক বিক্রি হয়ে গেছে, এই ব্যাডা আগের মত নাই…. ব্লা ব্লা ব্লা…….

ওই লোক কোনদিন ডাক দিয়ে বলছে কি আমাকে তোমরা পছন্দ কর? আমাকে তোমরা মাথায় নিয়ে নাচো? আমার জানা মতে কেউই কোন দিন তা করে না। কিন্তু আমরা নিজেরাই কল্পনা করে একজন মানুষ কে জনপ্রিয় করতে করতে মহাপুরুষের পর্যায়ে নিয়ে যাই, তাঁকে কাল্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করি তারপর যখন তিনি তার মত করে ভেবে, তার মত করে বুঝে নিজের ইচ্ছা মত একটা মত প্রকাশ করেন তখন হেঁচকি উঠে আমাদের। একজন কে কাল্ট তৈরি করি কেন আমরা? সাধারণ মানুষ ভাবলেই তো হিসেব চুকে যায়!!

জাফর ইকবালের সমস্যার শেষ নাই। গালি খেতে খেতে বেচারা কোপ পর্যন্ত খাওয়া শুরু করে দিল তবুও নিস্তার নেই। চলছে লোকটাকে সকাল বিকাল খিস্তি খেউর। বুঝি আর না বুঝি, গালি দিয়ে দিলাম দুইটা। স্যার কে ষাঁড় বলে ডেকে কারা ব্যাপক আনন্দ পায় আমরা জানি না? কোন গোষ্ঠীর চক্ষুশূল তা বাংলাদেশের কচি খোকা বাদে সবাই জানে। কিন্তু আমরা নির্বিকার, কারন জাফর ইকবাল এবার আমার মন মত কথা বলে নাই।

তিনি এবার কী বলছেন? তিনি বলেছেন রাস্তা আটকিয়ে, জনগণের কষ্টের কারন হয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে তিনি সমর্থন করেন না। তো? এইটা উনি বলতে পারেন না? আমার মত ছাপোষা মানুষের মনেও প্রথম যে কথাটা আসছে আন্দোলনের কথা শুনে তা হচ্ছে রাস্তা ছেড়ে দিয়ে করা যায় না? এত্ত গুলা ছেলে মেয়ে যদি ক্লাস বাদ দিয়ে শুধু টিএসিতে বসে থাকত, আমার ধারনা তবুও সরকারের মাথা নষ্ট হয়ে যেত। এটা আমার মনে হয়েছে কারন ঢাকা শহরের অবস্থা সম্পর্কে যাদের বিন্দুমাত্র ধারনা আছে তারা জানে শাহবাগের মত একটা জায়গার রাস্তা বন্ধ থাকা মানে কোন লেবেলের নরকবাস!!
এবার আসল গণজাগরণ মঞ্চের তুলনা। দুইটার বিষয় আকাশ আর পাতাল তফাৎ যদিও তবুও তুলনা আসল। সত্য কথা আমি তখনো ভাবছি এত মানুষ যদি এখানে রাস্তা না বসে অন্য যে কোন জায়গায় বসে থাকে তবুও তা আন্দোলন হিসেবে স্বীকৃতি পাবেই। আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বসে থাকি না কেন? তখন হয়ত জাফর স্যারেরও মনে হয়েছিল সেই কথা কিন্তু ওই আন্দোলনের গুরুত্ব আর প্রেক্ষাপট চিন্তা করে কিছুই বলেন নাই। যেমন আমিও কিছু বলি নাই, নিজে গিয়ে রাস্তায় বসে গেছি। তার মানে এই না যে তা জায়েজ হয়ে গেছে। ওই কয়টা দিন ঢাকা শহরের মানুষ বুঝত পারছে দিন কিভাবে গেছে। ঢাকাবাসীও মেনে নিয়েছিল ওই একই কারনে, এর গুরুত্ব আর প্রেক্ষাপট। কাদের মোল্লার ভি চিহ্নর মাজেজা সেই দিন বুঝতে কারো বাকি ছিল না।

জাফর ইকবাল আবার বলেছে তিনি বমি করে দিবেন আমিই রাজাকার লেখা ওই ছেলে যদি বিসিএস ক্যাডার হয় আর তিনি যদি তাকে অনুপ্রেরণা মূলক কিছু বলতে যান।তখন বমি করবেন কেন তা আমি পরিষ্কার না আসলে। কারন বাংলাদেশে কোন সুস্থ নাগরিক বুকে আমিই রাজাকার লিখবে এটা ভাবতেই আমার বমি এসে যাচ্ছে। কোন প্রেক্ষাপটে আন্দোলনকারীরা এই ধরনের কথা লিখেছিল তা আমার ভাল করেই জানা আছে। কিন্তু সব জেনেও আমি কোন মতেই মেনে নিতে রাজি না যে কেউ বুকে আমিই রাজাকার লিখবে। আন্দোলনকারীরা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অসম্মান করবে না, এই আন্দোলনের প্রথম কথাই ছিল এটা। আন্দোলন যে পথেই যাক, আপনি আমি তো রাস্তা ছেড়ে চলে যেতে পারি না, না পারি?

আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বেশ কিছু গ্রুপের সাথে যোগ হয়েছিলাম, আন্দোলনের পালস বোঝার জন্য। কমেন্ট গুলা পড়তাম, যা দেখতাম তার বেশির ভাগের ৫৭ ধারায় মামলা খাওর মত অবস্থা ছিল। মতিঝিলে হাজার হাজার মুসুল্লির শহীদ হয়ে মরে যাওয়ার মত অলীক গল্পের প্রতিবাদী থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাতারের ছেলে মেয়ে ছিল। তাঁদের সূক্ষ্ম চালের বলি হয়ত সেই ছেলে যে আমিই রাজাকার লিখে দাঁড়িয়ে ছিল। কোথাকার রাজনীতির কোন প্যাঁচে সে পরে ছিল তা হয়ত তার জানাও নেই। কিন্তু আমি কেউ বুকে আমিই রাজাকার লিখে দাঁড়ালে তার পক্ষে থাকতে পারি না। জাফর ইকবাল দাঁড়ালে আমি তার বিরোধিতাও করব, আল্লার অলি এসে দাঁড়ালেও করব।

জাফর ইকবাল নিরপেক্ষ না। রিয়েলি? বাংলাদেশে নিরপেক্ষ থাকার উপায় আছে? বাংলাদেশে নিরপেক্ষ থাকার উপায় একটা, কান, মুখ আর চোখ বন্ধ করে চুপটি মেরে বসে থাকা। কিন্তু জাফর ইকবালকেই কেন এই কথা শুনতে হবে? তিনিই সম্ভবত একমাত্র ব্যক্তি যাকে গালি দেয় না এমন ব্যক্তি বা সংগঠন খুঁজে পাওয়া মুশকিল। একপক্ষ কল্লা চায় তো আরেক পক্ষ সিলেটে ব্যান করে উনাকে। তারপরেও যদি মনে হয় এই লোকটা একটা মহা ভুয়া লোক, তো শুইনেন না উনার কথা। উনার লেখার চুলচেরা বিশ্লেষণের কারো কী? বাদ দেন না উনাকে। আর যদি মনে করেন যে উনাকে অস্বীকার করা এখন আর সম্ভব না। তাই সহ্য করেন। অসহ্য হলেও সহ্য করতে হবে এখন। এমন একটা ভুয়া লোককে অত উঁচুতে তুলছেন এখন এর খেসারৎ দিবেন না? তা অন্য কেউ দিয়ে দেব ভাবেন কেন?

জাফর ইকবালের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নাই। উনি উনার মত প্রকাশ করতে পারবে না। এটা মোটামুটি ফাইনাল। একবার বিশ্বকাপের সময় সম্ভবত উনি মন্তব্য করেছিলেন যে টাইব্রেকারে যে গোল কিক হয় তা উনার কাছে পুরোটাই জুয়া খেলা মনে হয়, কোনটা ধরে ফেলবে কোনটা গোল হবে কে জানে!!! খুব সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি এটা বলেছিলেন। গড়পড়তা সব মানুষই তাই মনে করে। কিন্তু আর সবাই বলতে পারলেও তিনি তা পারবেন না। তার সেই বক্তব্য কে নিয়ে সেই বিশ্লেষণ হল, তিনি কেন এমন একটা কথা বললেন, টাইব্রেকার কিক করার আগে কত গবেষণা হয়, গোলকিপাররা কত কত ভিডিও দেখে কার কিকের সময় কোন দিকে লাফ দিবে তা ঠিক করে, এই ধরনের নানান জিনিস। এই দেশে একটা ফুটবল কিক নিয়েও মন্তব্য করার অধিকার নেই জাফর ইকবালের আর তিনি কিনা মন্তব্য করে বসেছেন বুকে রাজাকার লেখা নিয়ে!! ফাঁসি চায় নাই কেউ এখনো?

ভদ্রলোকে আমি চিনি না, পরিচয় নাই, লেখা পড়ছি। জাফর ইকবালের কথা বলছি না। মৃদুল আহমেদ নাম উনার। তিনি একখান কবিতা লিখেছিলেন। জাফর ইকবাল সম্পর্কে আজ পর্যন্ত যত প্রকার চুলকানি, খাউজানি উঠছে তার প্রতিটার জবাবে চাবুক চালিয়েছেন তিনি এই কবিতায়। কবিতাটা পড়ুন আর চিন্তা করুন। হ্যাপি ফেসবুকিং….

"সমস্যা কই" / মৃদুল আহমেদ
কও তো মিয়া সমস্যা কই? সিনায় ব্যথা ? ঠ্যাঙ্গে গোদ ?
কোষ্ঠ কঠিন ? জিব্বাতে ঘা ? রাইতে হঠাৎ পাকছে পোদ ?
বুক ধড়ফড় ? বিশাল পাথর ? ...জমছে মূত্রথলিতে ?
এইচআইভি ? হোটেল ছিলা মগবাজারের গলিতে ?
সমস্যা নাই ? আইছো কেন ? সময় অনেক সস্তা, না ?
চেহারাখান দেখতে আহো ? রূপ কি আমার মস্তানা ?
খাড়ায়া থাকো, আইবা পরে আবার তোমায় ডাক দিলে --
আপনে আহেন ! কোথায় জখম ? বুকে ? খতরনাক দিলে ?
জখম তো নাই ! প্যাডের পীড়া ? বিছনা ভিজে ঘুমাইলে ?
গোপন অসুখ ? হয় না খাড়া পরের বউরে চুমাইলে ?
কোমর টাটায় ? সর্দি নাকে ? চিপায় চাপায় খাইজ্যানি ?
মাথার ব্যারাম ? নিজের লগে নিজেই করেন কাইজ্যা নি ?
সমস্যা নাই ? তাইলে মিয়া চেয়ারডারে চ্যাটকায়া
সকাল থিকা বইসা ক্যানো আমার দিকে ভ্যাটকায়া ?
সবাই আহেন ! সবাই আহেন ! সমস্যা কী ? কইন না ভাই !
মেয়র কাকা ? মার্ক্সবিবাদি ? জাতের উকিল মইন্যা ভাই ?
কারোই দেখি সমস্যা নাই !
জামাত-শিবির ? সমস্যা নাই !
লীগের ঘেঁটু ? সমস্যা নাই !
ন্যাপের জেঠু ? সমস্যা নাই !
মেয়র কাকার ? সমস্যা নাই !
নিউজপেপার ? সমস্যা নাই !
চেয়ারম্যানের ? সমস্যা নাই !
বৃক্ষপ্রেমী ? সমস্যা নাই ?
তাইলে তোগোর সমস্যা কই ? চেইতা গিয়া জিজ্ঞালে ...
সবটিয়ে কয় ... "সমস্যাডা শুধুই জাফর ইকবালে !"






শেয়ার করুন


Avatar: তপতী বর্মণ

Re: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

ভাল লেখা।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

মুহাম্মদ জাফর ইকবাল খুবই জনপ্রিয় লেখক। তার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী "কপোট্রনিক সুখ-দু:খ" কৈশরের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছিল। তারপর আর‍্যো অনেক বই।

এখন পড়ার সময় খুব কম। তবু অললাইনে তার লেখাগুলো অনুসরণ করার চেষ্টা করি। কিন্তু রামপালের পর কোটা ইস্যুতে তার দ্বিচারিতা বিস্ময়কর।

সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার আন্দোলনকে তিনি সমর্থন করেন, টিভি সাক্ষাতকারে সেটি স্পষ্ট বলেছেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন সংসদে দাঁড়িয়ে "ক্লাস পরীক্ষা বাদ দিয়ে, রাস্তা আটকিয়ে" আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়লেন, ছাত্রলীগের সোনার ছেলেমেয়েরা যখন আন্দোলনকারীদের একের পর এক হামলা করতে থাকলো তখন জাফর ইকবালের লেখায় "ক্লাস পরীক্ষা বাদ দিয়ে, রাস্তা আটকিয়ে" আন্দোলনের ধরণ উঠে আসা দ্বিচারিতা স্পষ্ট হয়।

আর "আমি রাজাকার" প্ল্যাকার্ড এক নাবালক অর্বাচীনের কাজ। একে মূল আন্দোলনের সাথে গুলিয়ে ফেলা আহাম্মকি (নাকি ধান্ধাবাজি) ছাড়া কিছু মনে হয়নি।

কই এই দেশজুড়ে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর "শান্তিপূর্ণ" আন্দোলন বা ছাত্রলীগ হামলা নিয়ে তো তিনি একটি বাক্যও ব্যয় করলেন না! দালাল শিক্ষকদের যে আন্দোলনকারীরা পালটা পিটুনি দেয়নি, সে বিষয়েও তিনি আশ্চর্য নিরব থাকেন।

তাকে বলবো, স্যার, আংশিক নয়, পুরো সত্য বলুন। কারণ অর্ধসত্য মিথ্যার নামান্তর। 👎






আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন