Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সাম্মানিক
    বেশ কিছুদিন এই :লেখালিখি'র কচকচানিতে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়া হয়নি। নেওয়া হয়নি বলতে ইচ্ছে ছিল ষোল'র জায়গায় আঠারো আনা, এমনকি, যখন আমাদের জুমলাবাবু 'কচি' হতে হতে তেল-পয়সা সবাইকেই ডুগডুগি বাজিয়ে বুলেট ট্রেনে ওঠাচ্ছেন তখনও আমি 'ঝালিয়ে নেওয়া'র সুযোগকে কাঁচকলা ...
  • তোত্তো-চান - তেৎসুকো কুররোয়ানাগি
    তোত্তো-চানের নামের অর্থ ছোট্ট খুকু। তোত্তো-চানের অত্যাচারে তাকে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে। যদিও সেই সম্পর্কে তোত্তো-চানের বিন্দু মাত্র ধারনা নেই। মায়ের সঙ্গে নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য সে চলছে। নানা বিষয়ে নানা প্রশ্ন, নানান আগ্রহ তার। স্টেশনের টিকেট ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য প্রথম ভাগের উৎসব শেষ। এরপরে দীপাবলি। আলোর উৎসব।তার সাথে শব্দবাজি। আমরা যারা লিভিং উইথ অটিজমতাদের ক্ষেত্রে সব সময় এই উৎসব সুখের নাও হতে পারে। অটিস্টিক মানুষের ক্ষেত্রে অনেক সময় আওয়াজ,চিৎকার, কর্কশ শব্দশারীরিক ...
  • সিনেমা দেখার টাটকা অভিজ্ঞতা - মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি
    চট করে আজকাল সিনেমা দেখতে যাই না। বাংলা সিনেমা তো নয়ই। যদিও, টেলিভিশনের কল্যাণে আপটুডেট থাকা হয়ে যায়।এইভাবেই জানা যায়, এক ধাঁচের সমান্তরাল বাংলা ছবির হয়ে ওঠার গল্প। মধ্যমেধার এই রমরমার বাজারে, সিনেমার দুনিয়া আলাদা হবে, এমন দুরাশার কারণ দেখিনা। কিন্তু, এই ...
  • কিংবদন্তীর প্রস্থান স্মরণে...
    প্রথমে ফিতার ক্যাসেট দিয়ে শুরু তারপর সম্ভবত টিভিতে দুই একটা গান শোনা তারপর আস্তে আস্তে সিডিতে, মেমরি কার্ডে সমস্ত গান নিয়ে চলা। এলআরবি বা আইয়ুব বাচ্চু দিনের পর দিন মুগ্ধ করে গেছে আমাদের।তখনকার সময় মুরুব্বিদের খুব অপছন্দ ছিল বাচ্চুকে। কী গান গায় এগুলা বলে ...
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বাংলাদেশের নারী...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

বাংলাদেশের নারীরা বহু ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। শিক্ষা, চিকিৎসা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই নারী আজকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। পাসের হারে নারীরা এগিয়ে থাকে বেশ অনেক বছর ধরেই। বাংলাদেশে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় নারী আছে বেশ কয়েকজন। বহু বছর আগে বেগম রোকেয়া যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন তার পরিপূর্ণ ফলাফল আজকে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। নারী আজকে আর আ - নারী না।

কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে নারী এগিয়ে গেলোও কোন এক অজানা কারনে পুরুষ পিছিয়ে পড়ছে। নারী যত আধুনিক হচ্ছে, সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, পুরুষ তত পিছন দিকে হাঁটছে। দুইয়ের সমন্বয়ের অভাবে সমাজ হয়ে উঠছে অস্থির। নারী যখন বাইরে যেতে চাচ্ছে কাজের জন্য, সেবার জন্য, বিনোদনের জন্য তখন পুরুষ প্রাচীন থেকে প্রাচীন হয়ে হাজির হচ্ছে তার সামনে বাঁধা হয়ে। শিক্ষিত আর অশিক্ষিত নাই, নারীকে পুরুষ এই ২০১৮ সালে এসেও মনে করে, অনেক হয়েছে, তোমাদের একটা লিমিট পর্যন্ত থাকা উচিত!! বেশ করেছ পড়াশুনা করেছ, এবার বিয়ে করে সংসার কর লক্ষ্মী হয়ে। এই চিন্তা ভাবনা সমাজের উঁচু থেকে নিচু সব জায়গায় সমান ভাবে বিরাজমান।

সমাজের যে উচ্চশ্রেণী আছে তা থেকে বেশ দূরে আমার অবস্থান। যা দেখা, যা জ্ঞান তা দুই একজন মায়ের মাসতুত পিসতুত ভাই বেরাদর কে দেখে । যতটুকু দেখা সাক্ষাত তাঁদের সাথে তা পুরোটাই হু হ্যাঁ না ওহ! এগুলাতেই সীমাবদ্ধ। আর কিছু অভিজ্ঞতা হচ্ছে চাকরি সূত্রে। সে আরও দূরের ব্যাপার। কিন্তু হুট করেই সমাজের ওই শ্রেণীর একজনের সাথে পরিচয় হল যাকে খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হল আমার। এই ভদ্রলোক(!) কে ফেসবুকে দেখি আজকে মিলান, কালকে প্যারিস পরের দিন আবার বালি তারপর দিন হয়ত আমার শহরে হাজির! আমরা যারা খেলাধুলা সূত্রে উনার কাছে গিয়েছি তারা মুগ্ধ। হব না? বাপরে! যেই সেই ব্যাপার! কিন্তু খেলাধুলার বাহিরে যেদিন উনার জ্ঞানগর্ভ কথা শোনার উপায় হল সেদিন আমি আরও মুগ্ধ হয়ে গেলাম। মুগ্ধ হয়ে গেলাম এটা জেনে যে আজ বিদেশ কাল দেশ করে বেড়ালেই মানুষের আপার চ্যাম্বার উন্নত হবে এমন ভাবার কোন কারন নেই। নেপালে বিমান দুর্ঘটনার পর উনি উনার প্রজ্ঞা প্রদর্শন করলেন এই বলে যে, কেন একজন নারীকে বিমান চালাতে হবে? কে এই সব সিদ্ধান্ত নেয়? এরপর তিনি আরও কিছুক্ষণ ঢেলে গেলেন অমূল্য সব জ্ঞান। আমি অবাক হয়ে উনার কথা শুনে গেলাম। মনে হলো দাঁতের ফাঁকে পাট শাক আটকিয়ে সামনে যদি কেউ কথা বলে তাহলেও এত কুৎসিত লাগত না সম্ভবত।

আরেকজনের কথা বলি। আমার স্কুল বন্ধু। আমাদের ক্লাসের ফাস্ট বয়। এখন সরকারের প্রথম শ্রেণীর চাকর। আরেক বন্ধুর বিয়ে উপলক্ষে আমার বাড়িতে এসে ছিল বহু বছর পর। অনলাইনে টুকটাক আলাপ চললেও বহুদিন প্রাণ খুলে গপ্প হয় না ওর সাথে। স্কুলের পরে মূলত বিচ্ছিন্ন আমরা। কাজেই ওর চিন্তা চেতনা ইদানীং কোন দিকে প্রবাহিত হয় তার সম্পর্কে আমার বিন্দু মাত্র ধারনা ছিল না। আলাপ সালাপের মধ্যে টিভিতে দেখি একজন নারী পুলিশ অফিসার নিজের কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছেন, উনার বলার ধরনে আমি আগ্রহী হলাম। শুনলাম তিনি বলছেন যে কোন জায়গায় পোস্টিং এর সময় নারীকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হয়। কারন কেউ নিজের অধীনস্থে কোন নারী অফিসার চায় না। যার কারনে নারীকে চ্যালেঞ্জ করে যেতে হয় সব জায়গায় যে আমাকে দিন, আমি পারব। আমি বললাম, দ্যাখ কারবার! একজন পুরুষকে কিন্তু কোন দিন এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে কোথাও যেতে হয় না। আমরা কই আছি! আমার ফাস্ট বয় বন্ধু মুখ খুললেন, বলল - আসলে কিন্তু ঠিকই বলছে, সব কাজ তো আর নারী দিয়ে হয় না। পুলিশের কাজে নারী গেলে কাম সারব। জীবনেও সামাল দিতে পারব না। নারীর আসলে একটা পর্যায় পর্যন্ত থাকা উচিত। আমি আগ্রহী হলাম, বললাম যেমন? বলল স্কুলের শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা এগুলা কাজ নারীর জন্য ভাল!! আমি বললাম গত প্রায় ত্রিশ বছর ধরে নারীরা দেশ চালাচ্ছে আর তোর কাছে মনে হচ্ছে নারী শুধু স্কুল টিচার হওয়ার উপযুক্ত? ও কতক্ষণ হে হে করল আর আমি আমার সামনে পুঁথিগত বিদ্যায় পারদর্শী একজন উজবুক কে দেখলাম। ওর মত হইনি দেখে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হল নিজেকে।

তো সমাজের চিত্র যখন এমন তখন বাংলাদেশের নারী সামনে আগাচ্ছে কিভাবে? এবার একজন ফাইটারের কথা বলি।নারী যখন ফাইট করে তখন কিভাবে করে আর করে কোথায় চলে যেতে পারে বুঝতে সুবিধা হবে। এটাও আমার ব্যক্তিগত উদাহরণ। আমার বোন, খালাত বোন। কিন্তু খালাত বোন বললে যতখানি দূরের মনে হয় ততখানি দূরের না আসলে। আমার খালা আমাদের উঠনেই থেকেছে অনেক দিন। সেই সূত্রে আমার এই খালাত বোন বড় হয়েছে বলতে গেলে আমাদের উঠনেই। আমাদের সাথে জোর করেই ক্রিকেট খেলত একটু বড় হওয়ার পরেই। এই খেলতে খেলতে একদিন চলে গেলো বাংলাদেশ ক্রিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সেখান থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের বেশ কিছুদিন ধরে উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। ওর ফাইট করার সময়টাতে আমি বাড়ি ছিলাম না। ঢাকা থাকার কারনে শুনতাম শুধু ওর কাণ্ডকারখানা। মাঠে প্র্যাকটিস করত, যথারীতি মফস্বল শহরে এ এক আজব ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হলো। নানা ধরনের বাঁধা আসা শুরু করে দিল। প্র্যাকটিসের সময় দল বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকা, নানা ভাবে ডিস্টার্ব করা। জেলা ক্রিয়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকে ও জানায়। তিনিও সেই মালই! আচ্ছা, দেখব নে বলে ফিনিশ। কিন্তু বললাম না আগে, যখন নারী ফাইট করে তা কি দারুণ ভাবেই না করে? ও তাই করল। আরও কয়েকজন মেয়ে কে নিয়ে সোজা ডিসি অফিস। এবং স্বয়ং ডিসির কাছে গিয়ে বলে দিল ওদের সাথে কি আচরণ করছে সবাই। ফলাফল? স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিস বন্ধ!! দারুণ সমাধান দিয়ে দিল একটা। এই রকম পরিস্থিতি থেকে খালার অবিচল মনোভাব ওকে জাতীয় দলে জায়গা করে দিয়েছে। এরপর ওর রিকশা থামানর চেষ্টা করেছিল কিছু ছেলে, ও রিকশা থামিয়ে এমন থ্রেট করা শুরু করে যে যারা রিকশা থামিয়ে ছিল তারা বুঝে উঠতে পারছিল না রিকশা আসলে ওরা থামিয়েছে না ও নিজেই থামিয়ে ওদের ঝাড়ি দিচ্ছে। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পরেও আমি একদিন দেখি ও ভিড়ের মাঝে এক ছেলের হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ওই ছেলে নানা অনুনয় বিনয় করে মুক্তি চাচ্ছে। আমি এগিয়ে যাওয়াতে আমার বোন যখন আমার দিকে মনোযোগ দিয়েছে তখন ওই ছেলে ছুটে পালিয়ে গেছে। তখন ও আমাকে ঝাড়ি দেওয়া শুরু করেছে, আমার জন্যই কীটটা কে পিষে ফেলতে পারল না। কি করছে? চলন্ত রিকশায় গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। চিমটি কেটে দৌড় দিয়ে চলে যাবে ভেবেছিল, আমার বোন রিকশা থেকে নেমে শহরের মধ্য দিয়ে দৌড় দিয়ে গিয়ে ধরেছিল। ঘটনা শুনে পরে আমার আফসোস হলো যে এই নরকের কীটটা আমার জন্যই বেঁচে গেলো।
যাই হোক, সেই ক্রিয়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এখন ওকে কোন টুর্নামেন্ট শুরুর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করে। মূল ফাইট করেছে আমার বোন তবে তার সমান ফাইট করে গেছে আমার খালা। আত্মীয় স্বজন, এলাকাবাসী, সমাজ কেউ ওর পক্ষে ছিল না। কয়েকদিন আগে টিভিতে ওর আর ওর বাড়ির লোকজনদের সাক্ষাতকার দেখাচ্ছিল। আমি দেখলাম সবাই, কোন কোন এলাকাবাসীও বলছে ওকে নাকি ছোট বেলায় দেখেই বোঝা গিয়েছিল যে ও ক্রিকেটার হবে এবং একজন আরও একটু এগিয়ে বলল সে নাকি জানত যে ও উইকেট রক্ষকই হবে!! আমি বললাম আমারে কেউ তুইল্লা নেও! কেউ বলল না আমার খালার কথা, যিনি যুদ্ধটা না করলে আজকের দিন কোনদিনই আসত না।

এমন যোদ্ধার গল্প আমার আশেপাশে আরও অনেক আছে। পরাজিত সৈনিকের গল্পও আছে। কিন্তু আমি জানি বাংলাদেশের নারীরা যে দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে সামনে আর হয়ত পরাজিত গল্প আর পাওয়া যাবে না। রাস্তায় একজন নারীকে দেখাব আর ভাবব একজন সফল মানুষকে দেখছি, একজন নারীকে দেখছি যে হয়ত সামনে দেশের ইতিহাস বদলে দিবে। আশায় থাকব সেই দিনের।

25 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন



আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন