Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • চলো এগিয়ে চলি 2
    #চলো এগিয়ে চলি 2#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যবিবর্তনের ঠিক কোন জায়গায় মানুষ কথা বলতে শিখেছে আমার জানা নেই।তবে আগুনআবিষ্কারের চেয়ে এর গুরুত্ব কিছু কম নয়।মানুষের মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম জায়গাকথা বলা।A person with Autism Spectrum দের অসংখ্য সমস্যার মধ্যে কথা ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যদ্রোণাচার্...
  • একটি বই, আর আমার এই সময়
    একটি বই, আর আমার সময়বিষাণ বসুএকটি আশ্চর্য বইয়ে বুঁদ হয়ে কাটলো কিছু সময়। দি রেড টেনডা অফ বোলোনা।প্রকাশক পেঙ্গুইন মডার্ন। দাম, পঞ্চাশ টাকা। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। মাত্র পঞ্চাশ টাকা।বোলোনা ইতালির এক ছোটো শহর। শহরের সব জানালার বাইরে সানশেডের মতো করে মোটা কাপড়ের ...
  • রবি-বিলাপ
    তামুক মাঙায়ে দিছি, প্রাণনাথ, এবার তো জাগো!শচীন খুড়ার গান বাজিতেছে, বিরহবিধুর।কে লইবে মোর কার্য, ছবিরাণী, সন্ধ্যা রায়, মা গো!এইক্ষণে ছাড়িয়াছি প্রিয়ঘুম, চেনা অন্তঃপুর।তুহু মম তথাগত, আমি আজ বাটিতে সুজাতা।জাগি উঠ, কুম্ভকর্ণ, আমি বধূ, ভগিনী ও মাতা।তামুক সাজায়ে ...
  • ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের শিক্ষা দিবস
    গত ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ‘শিক্ষা দিবস’ ছিল। না, অফিশিয়ালি এই দিনটিকে শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি বটে, কিন্তু দিনটি শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেদিনই এটা নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ১৭ আর ১৯ তারিখ পরপর দুটো পরীক্ষার জন্য কিছু লেখা ...
  • বহু যুগের ওপার হতে
    কেলেভূতকে (আমার কন্যা) ঘুড়ির কর (কল ও বলেন কেউ কেউ) কি করে বাঁধতে হয় দেখাচ্ছিলাম। প্রথম শেখার জন্য বেশ জটিল প্রক্রিয়া, কাঁপকাঠি আর পেটকাঠির ফুটোর সুতোটা থেকে কি ভাবে কতোটা মাপ হিসেবে করে ঘুড়ির ন্যাজের কাছের ফুটোটায় গিঁট বাঁধতে হবে - যাতে করে কর এর দুদিকের ...
  • ভাষা
    এত্তো ভুলভাল শব্দ ব্যবহার করি আমরা যে তা আর বলার নয়। সর্বস্ব হারিয়ে বা যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে যে প্রাণপণ চিৎকার করছে, তাকে সপাটে বলে বসি - নাটক করবেন না তো মশাই। বর্ধমান স্টেশনের ঘটনায় হাহাকার করি - উফ একেবারে পাশবিক। ভুলে যাই পশুদের মধ্যে মা বোনের ...
  • মুজতবা
    আমার জীবনে, যে কোন কারণেই হোক, সেলিব্রিটি ক্যাংলাপনা অতি সীমিত। তিনজন তথাকথিত সেলিব্রিটি সংস্পর্শ করার বাসনা হয়েছিল। তখন অবশ্য আমরা সেলিব্রিটি শব্দটাই শুনিনি। বিখ্যাত লোক বলেই জানতাম। সে তিনজন হলেন সৈয়দ মুজতবা আলী, দেবব্রত বিশ্বাস আর সলিল চৌধুরী। মুজতবা ...
  • সতী
    সতী : শেষ পর্বপ্ৰসেনজিৎ বসু[ ঠিক এই সময়েই, বাংলার ঘোরেই কিনা কে জানে, বিরু বলেই ফেলল কথাটা। "একবার চান্স নিয়ে দেখবি ?" ]-- "যাঃ ! পাগল নাকি শালা ! পাড়ার ব্যাপার। জানাজানি হলে কেলো হয়ে যাবে।"--"কেলো করতে আছেটা কে বে ? তিনকুলে কেউ আসে ? একা মাল। তিনজনের ঠাপ ...
  • মকবুল ফিদা হুসেন - জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য
    বিনোদবিহারী সখেদে বলেছিলেন, “শিল্পশিক্ষার প্রয়োজন সম্বন্ধে শিক্ষাব্রতীরা আজও উদাসীন। তাঁরা বোধহয় এই শিক্ষাকে সৌখিন শিক্ষারই অন্তর্ভুক্ত করে রেখেছেন। শিল্পবোধ-বর্জিত শিক্ষা দ্বারা কি সমাজের পূর্ণ বিকাশ হতে পারে?” (জনশিক্ষা ও শিল্প)কয়েক দশক পরেও, পরিস্থিতি ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

শুভ নববর্ষ

Muhammad Sadequzzaman Sharif

২৫ বছর আগে যখন বাংলা নববর্ষ ১৪০০ শতাব্দীতে পা দেয় তখন একটা শতাব্দী পার হওয়ার অনুপাতে যে শিহরণ হওয়ার কথা আমার তা হয়নি। বয়স অল্প ছিল, ঠিক বুঝতে পারিনি কি হচ্ছে। আমি আর আমার খালত ভাই সম্রাট ভাই দুইজনে কয়েকটা পটকা ফুটায়া ঘুম দিছিলাম। আর জেনেছিলাম রবীন্দ্রনাথ নজরুল এই জনের ১৪০০ সাল নিয়ে পাল্টাপাল্টি কবিতা আছে।কেন জানি নজরুলের কবিতা লেখাটা আমার কাছে খুব খ্যাত খ্যাত লাগছে। ভাবছিলাম, কি দরকার ছিল তখনই জবাব দিয়ে কবিতা লেখার!! এখন শুধু রবীন্দ্রনাথের কবিতাটা থাকলে কি দারুণ হত!! এই চিন্তার কোন ভিত্তি নেই, মনে হয়েছিল আর কি!! শতাব্দী কে বরণ করে নেয়া কি জিনিস বুঝতে পারি নাই।

পারি নাই এর আরেকটা কারন হচ্ছে তখনো নববর্ষ উৎযাপন বাংলাদেশে তেমন কোন চেহারা পায় নাই। ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়। চারুকলার ছাত্ররা ফুর্তি ফার্তা করে আর কি!! আমাদের অত মাথাব্যথা নেই এসব নিয়ে।শেরপুরে নববর্ষের বাতাস লাগতে সময় লেগেছে বহুকাল।
আস্তে আস্তে আমাদের চোখের সামনে নববর্ষ উৎযাপন ক্রমে আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান হয়ে গেলো। মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে গেল সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতার প্রতি চাবুক স্বরূপ। যে শোভাযাত্রা চারুকলার ছেলেমেয়েরা করত শুধু তা এখন সার্বজনীন। প্রতিটা জেলায় এখন মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়। ঢাকায় এই একদিনে কি পরিমাণ মানুষ শুধু কোন কারন ছাড়াই হাঁটে তার কোন হিসেব সম্ভবত নাই কোথাও। রমানা থেকে শুরু করে শাহবাগ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নীলক্ষেত পর্যন্ত পা ফেলার জায়গা থাকে না। মানুষের প্রবল আগ্রহই এই দিনকে সার্বজনীন করে তুলেছে। এই দিন উপলক্ষে এখন ফ্যাশন ডিজাইনাররা পোশাক তৈরি করে, মার্কেটে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নি হয়, মানুষ কেনেও পাগলের মত। এই একদিন হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ, খ্রিস্টান হিসেব করে না কেউ। ধনী গরিব বাছবিচার থাকে না। শাহবাগ থেকে হেঁটে হেঁটে মৎস্য ভবন যেতে কারো কোন পয়সা লাগে না। তাই স্ত্রীকে পুরাতন শাড়ি পরিয়ে, বাচ্চাকে একটা লাল হলুদ ফতুয়া কিনে দিয়ে রিক্সাওয়ালা রিক্সায় করে ফুল ফ্যামিলি নিয়ে ঘুরতে পারে। ১০ টাকা দিয়ে আচার কিনে ঘুরতে ঘুরতে খাওয়া চলে সাথে। এখন উৎসবের ব্যাপকতায় বহু কোম্পানির মানুষজন পানির বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রাস্তায়। কাজেই ঢাকা শহরে মোটামুটি ইচ্ছা থাকলে যে কেউ অংশ নিতে পারে নববর্ষ উৎযাপনে। এখন মানে গত কয়েক বছর ধরে নববর্ষ উৎযাপন শাহবাগ এলাকা ছেড়ে পুরো শহরে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে অনেকে এবং তারা মোটামুটি সফল। উত্তরার লোকজনের এখন শাহবাগে না আসলেও চলবে। কারন উত্তরায়ই বিভিন্ন আয়োজন নিয়ে সেজে বসে থাকে। যাদের রমনা বটমূলে ছায়ানটের গান শুনতে হবে তাদের হিসেব আলাদা। অবশ্য একটু দেরি করে মানে একটু দেরি বলতে নয়টা দশটার দিকে গেলে রমনায় ঢুকতে পারবে এমন মর্দ তো আমি দেখি না!! রমনায় ঢুকার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে লাখ মানুষ ঢুকার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে ততক্ষণে। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা হচ্ছে, অনেক ফাঁকি বাজি মেরে, লাইন আইন কয়েকবার করে ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে আমার আর ভাল লাগে নাই। মনে হল বাহিরেই তো কত্তবড় দুনিয়া!! গান আর কতক্ষণ ভাল লাগে!!
এই উৎসব বন্ধ করতে কত চেষ্টাই না করা হয়েছে। বোম মেরে বন্ধ করতে চেয়েছে, নানা রকমের বানী দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে। যতবার এর উপরে আঘাত আসছে ততবার মানুষ বিপুল বিক্রমে দিগুণ থেকে তিনগুণ হয়ে হাজির হয়েছে রাস্তায়। উৎসবের রঙ আরো যেন বেরে গেছে প্রতিবার। ব্যাপ্তি হয়েছে বিশাল থেকে বিশালাকার। এই উৎসব যে ক্রমেই ঈদ পূজার পাশাপাশি অবস্থান নিবে তা কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই বলে দেওয়া যায়, ছাড়িয়ে গেলেও অবাক হব না।

আশা করা ছাড়া আমরা আর কিছু করতে পারি না। প্রতিবছর আমরা নববর্ষের দিন আশা প্রকাশ করি যে এ বছর সব ভাল হবে, এ বছর একদম একটা অতুলনীয় বছর হবে। ধুয়া তুলসী পাতা হয়ে যাব আমরা সবাই। কিন্তু হয়ে উঠে না। আমরা কোথায় গিয়ে জানি খেই হারিয়ে ফেলি, আবার অতলে তলিয়ে যাই। যাক, নতুন বছরে শুরুতে নিরাশার কথা কব না আর। বরাবরের মত এবারও নতুন বছরের প্রতি আশা এবার সব অমঙ্গল দূর হবে, অশান্তি নিকেশ হবে, ভালবাসায় পরিপূরণ হবে দেশ। ভাল থাকবে জ্ঞানী ও জ্ঞানপাপী, ভাল ও মন্দ, ছেলে ও মেয়ে, নারী ও পুরুষ, যুবক ও যুবতী, শিশু, কিশোর ও কিশোরী। ভাল থাকুক যারা নববর্ষ কি যে জানে সেও, ভাল থাকুক যাকে আগামীকাল সক্কালে উঠে জীবিকার সন্ধান করতে যেতে হবে সেই মানুষটা। আগামী বছরটা ভাল কাটুক আমার নতুন পুরাতন, কাছে দূরের, দেশে বিদেশের সকল বন্ধুদের। ভাল হোক পরম শত্রুরও, ফেসবুকে ব্লক মারা আপনরাও।






3 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: স

Re: শুভ নববর্ষ

"নজরুলের কবিতা লেখাটা আমার কাছে খুব খ্যাত খ্যাত লাগছে"। ওর ছাগল, নিজেকে ছোট করলেই কি কলকে পাবি? বড় জোর পিঠ চাপড়ানি। আর নিজেকে ছোট করা থেকে বের হতে পারবি না।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন