Debarati Chatterjee RSS feed

Debarati Chatterjeeএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের শিক্ষা দিবস
    গত ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ‘শিক্ষা দিবস’ ছিল। না, অফিশিয়ালি এই দিনটিকে শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি বটে, কিন্তু দিনটি শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেদিনই এটা নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ১৭ আর ১৯ তারিখ পরপর দুটো পরীক্ষার জন্য কিছু লেখা ...
  • বহু যুগের ওপার হতে
    কেলেভূতকে (আমার কন্যা) ঘুড়ির কর (কল ও বলেন কেউ কেউ) কি করে বাঁধতে হয় দেখাচ্ছিলাম। প্রথম শেখার জন্য বেশ জটিল প্রক্রিয়া, কাঁপকাঠি আর পেটকাঠির ফুটোর সুতোটা থেকে কি ভাবে কতোটা মাপ হিসেবে করে ঘুড়ির ন্যাজের কাছের ফুটোটায় গিঁট বাঁধতে হবে - যাতে করে কর এর দুদিকের ...
  • ভাষা
    এত্তো ভুলভাল শব্দ ব্যবহার করি আমরা যে তা আর বলার নয়। সর্বস্ব হারিয়ে বা যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে যে প্রাণপণ চিৎকার করছে, তাকে সপাটে বলে বসি - নাটক করবেন না তো মশাই। বর্ধমান স্টেশনের ঘটনায় হাহাকার করি - উফ একেবারে পাশবিক। ভুলে যাই পশুদের মধ্যে মা বোনের ...
  • মুজতবা
    আমার জীবনে, যে কোন কারণেই হোক, সেলিব্রিটি ক্যাংলাপনা অতি সীমিত। তিনজন তথাকথিত সেলিব্রিটি সংস্পর্শ করার বাসনা হয়েছিল। তখন অবশ্য আমরা সেলিব্রিটি শব্দটাই শুনিনি। বিখ্যাত লোক বলেই জানতাম। সে তিনজন হলেন সৈয়দ মুজতবা আলী, দেবব্রত বিশ্বাস আর সলিল চৌধুরী। মুজতবা ...
  • সতী
    সতী : শেষ পর্বপ্ৰসেনজিৎ বসু[ ঠিক এই সময়েই, বাংলার ঘোরেই কিনা কে জানে, বিরু বলেই ফেলল কথাটা। "একবার চান্স নিয়ে দেখবি ?" ]-- "যাঃ ! পাগল নাকি শালা ! পাড়ার ব্যাপার। জানাজানি হলে কেলো হয়ে যাবে।"--"কেলো করতে আছেটা কে বে ? তিনকুলে কেউ আসে ? একা মাল। তিনজনের ঠাপ ...
  • মকবুল ফিদা হুসেন - জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য
    বিনোদবিহারী সখেদে বলেছিলেন, “শিল্পশিক্ষার প্রয়োজন সম্বন্ধে শিক্ষাব্রতীরা আজও উদাসীন। তাঁরা বোধহয় এই শিক্ষাকে সৌখিন শিক্ষারই অন্তর্ভুক্ত করে রেখেছেন। শিল্পবোধ-বর্জিত শিক্ষা দ্বারা কি সমাজের পূর্ণ বিকাশ হতে পারে?” (জনশিক্ষা ও শিল্প)কয়েক দশক পরেও, পরিস্থিতি ...
  • আমি সংখ্যা লঘুর দলে...
    মানব ইতিহাসের যত উত্থান পতন হয়েছে, যত বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তার মধ্যে বর্তমানেও যা প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে এমন কিছু সমস্যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শরণার্থী সমস্যা। হুট করে একদিন ভূমিহীন হয়ে যাওয়ার মত আতঙ্ক খুব কমই থাকার কথা। স্বাভাবিক একজন পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে ...
  • প্রহরী
    [মূল গল্প – Sentry, লেখক – Fredric Brown, প্রথম প্রকাশকাল - ১৯৫৪] .......................
  • ইতিহাসের সঙ্কলন, সঙ্কলনের ইতিহাস - একটি বইয়ের প্রেক্ষাপট, উপক্রমণিকা
    ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরামের তরফ থেকে, বেশ কিছু লেখালিখি একসাথে সাজিয়ে, একটা সঙ্কলন প্রকাশিত হলো।নাম, ইতিহাসের সঙ্কলন, সঙ্কলনের ইতিহাস।একটা উদবেগজনক আর দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতিতে আমরা এই বই প্রকাশ করেছি। সত্যি বলতে কি, এই বইয়ের জন্মের কারণই আমাদের উদবেগ, ...
  • সতী
    সতী : প্রথম পর্বপ্রসেনজিৎ বসুমেয়েটা মাসতিনেক হল এসেছে এই পাড়ায়।মেয়ে ? এই হয়েছে শালা এক মুশকিল ! বিয়ের পর মেয়েরা বউ হয়, কিন্তু ডিভোর্সের পর তারা কি বউই থাকে ? নাকি ফের মেয়ে বনে যায় ? জল জমে বরফ হয়। বরফ গললে আবার জল। কিন্তু এক্ষেত্রে ? ডিভোর্সি মহিলারা ঠিক ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

সব চরিত্র জ্যান্ত

Debarati Chatterjee

সব চরিত্র জ্যান্ত
............................

দুটি অল্প বয়সী ছেলে মেয়ে প্রেমে পড়ল। দুজনেই আমার থেকে বয়সে ছোট এবং আমার বন্ধু স্থানীয় ছিল। কলকাতার একটা শপিং মলে দুজনে সেলসে চাকরী পায়। সেই সূত্রেই আলাপ ও প্রেম। ছেলেটা জেলা থেকে আসা, গড়পরতা বাঙালীছাপ চেহারার ছেলে। মধ্যবিত্ত পরিবার কিন্তু অনটন আছে।বাবা মারা গেছে। মা একা যতটা পেরেছে টেনেছে, এবার ছেলে দায়িত্ব নিয়েছে। মেয়েটা ভয়ানক ফর্সা, রূপসী। লেকটাউনে পুরনো বাড়ি। মধ্যবিত্ত পরিবার কিন্তু অনটন আছে।বাবা মারা গেছে।বাড়ি প্রমোটর নিচ্ছে। প্রচুরটাকা আর একটা ফ্ল্যাট দিচ্ছে। মা একার দায়িত্বে যতটা পেরেছে টেনেছে।এবার মেয়ে দায়িত্ব নিয়েছে।

ওদের প্রেম করতে দেখলে অনেকেই ক্ষেপে যেত। সুযোগ পেলেই গায়ে গা লাগিয়ে থাকা, কাঁধে মাথা,গলায় জড়ানো হাত। চুমু খাওয়ার আগের মূহুর্তের মত ঘন হয়ে বসা। টিফিন টাইমে এসব দেখলে সকলেরই মাথা ঝাঁ ঝাঁ করে। ওরা আমার স্নেহভাজন না হলে হয়ত আমিও মুখ ব্যাঁকাতাম। তবে, মুখ না ব্যাঁকালেও, একটা আশঙ্কা আমার মন খারাপ করে দিচ্ছিল।

ছেলেটার সাংঘাতিক আকর্ষণ ছিল বিদেশী মহার্ঘ বাইকের প্রতি। ছোটদের বিভাগে বিক্রির জন্য যে খেলনা বাইকগুলো রাখা থাকত,সারাদিন সেগুলোকে পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিত। এমনভাবে যত্ন করত যেন ওর ঘরের জিনিস। বাচ্চাদের হাতে যখন দিত মনে হত প্রাণ তুলে দিচ্ছে। কিন্তু আসল তো দুরের কথা, খেলনারই এত দাম, যে কিনবে ভাবলে ছ্যাঁকা লাগত। তবু,বৃথা আশা...। মু'মে রজনীগন্ধা, কদমোমে দুনিয়া। বাইকের বদলে তার পোস্টারে ঘরে ছেয়ে ফেলেছে,এমনই বলেছিল।এমন সময় সে প্রেমে পড়ল। মোহে প্রায়ান্ধকার দেখল। টার্গেট করে ফেলল, যে করে হোক মেয়েটাকে রাজী করাবেই। সব বন্ধুরা বাপের পয়সায় এগিয়ে থাকতে পারে কিন্তু এখানে ও হার মানবে না।বন্দনা, উপহার,স্তুতি সবই প্রয়োগ করল এবং একদিন শেষে, সে মেয়ে রাজী হল।

মেয়েটার জীবনে বিশেষ কোন শখ ছিল না। টুয়েলভ পাশ করে চাকরী সে সংসারের তাগিদে করত।ও জানত,ওর বাবা থাকলে এটা ওকে করতে হত না। কলেজ পাশ,তারপর বিয়ে। এত রূপ অথচ বিয়ে না হয়ে চাকরী করতে হচ্ছে, এ যে কত বড় পরাজয় জীবনের কাছে,তা মানুষ নিজে বুঝতে না পারলেও, বোঝানোর জন্য আত্মীয়,প্রতিবেশী,আত্মীয়র প্রতিবেশী, প্রতিবেশীর আত্মীয় এবং যতপ্রকারের সহকর্মী হয় পৃথিবীতে, সকলের সমবেত বুক চাপড়ে কান্নায় সহজেই জলের মত সহজ হয়ে যায় ব্যাপারটা।একটা হীনমন্যতা কাজ করে,মানুষ আড়ালে পালাতে চায়। এও তাই চেয়েছিল। আর নিজের শখ,সাধ নিজেই পূরণ করবে ভেবেছিল। এমন সময় প্রেম এল সবেগে।নাছোড়বান্দা। ছেলেটির প্রতি বিশেষ আগ্রহ না থাকলেও,উপহার ফিরিয়ে দিলেও, নিজের রূপ সম্পর্কে স্তাবকতা আর প্রশংসা সে এড়াতে পারল না। লাজুক মুখে একদিন জানাল, নিজেকে এত দামী ওর কখনো মনে হয়নি। এভাবে কেউ ওর জন্য উতলা হতে পারে সেটা ও ভাবতেই পারে না। একে ফেরানো যায় না।

বহু মনীষী, আমাদের অনেকানেক নীতির কথা শোনালেও, একমাত্র ডারউইন জানেন গোপন কম্মটি। দুজনার মুখে গল্প শুনতে শুনতে, খুব সাবধানে, দুটি কথা বলেছিলাম, আলাদা, আলাদা করে দুজনকে। মেয়েটিকে বলেছিলাম - সামান্য প্রশংসার লোভে মিথ্যেকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।পরে অন্য কারোর প্রশংসায় সাড়া দিতে মন করলে বদনাম কুড়োতে হবে। ছেলেটিকে বলেছিলাম - কারো স্তাবকতা করে অনুদান পাওয়া যায়,কিন্তু ভালোবাসা পাওয়া যায় না।ব্যাথা পরে মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়ায়।বলা বাহুল্য এর পর তারা আর মনের কথা বলতে আসেনি কখনো।তবে রাস্তায় মাঝে মধ্যে দেখতে পেতাম।

বহুদিন পরে আবার কথা বলার সুযোগ হয়েছিল দুজনের সাথে। আলাদা আলাদা জায়গায়। নিজেরাই এগিয়ে এসে কথা বলেছিল। প্রথমে ছেলেটার সাথে দেখা,ওর জেলা শহরে। শপিং মলেই,ম্যানেজার হয়ে গেছে। বলল,মেয়েটা ছেড়ে চলে গেছে। যে বন্ধুর বাইকে চাপিয়ে ঘোরাত, সেই ছুড়ি মেরেছে। মেয়েটা বলে গেছে, ওর সাথে থাকতে পারবে না।স্ট্যাটাস নেই। প্রথমে খুব ভেঙে পড়েছিল, এখন ভালো আছে। বাগজোলা খালে তো জল কিছু কম বয় না।একবছর পরে মেয়েটার সাথে দেখা হয় সল্টলেকে। সে'ই কথা বলল। জিজ্ঞেস করলাম বাড়ির কথা,ছেলেটার কথা। জানাল যে ফ্ল্যাট পেয়ে গেছে। ওই ছেলেটার সাথে ব্রেকআপ করেছে। ওদের বাড়িতে ছেলেটা মাকে নিয়ে এসেছিল। সবাই বলেছে কাজের লোকের মত দেখতে। কোন জৌলুস নেই চেহারায়।ওরই এক বন্ধু যার বাইক নিয়ে ব্যবহার করত, এখন তার সাথে এনগেজ। এ সল্টলেকের ছেলে।স্মার্ট। অন্যের জিনিস নিয়ে ফুটানি দেখায় না। তাছাড়া কাছে থাকলে মাকে দেখতে পারবে।এইসব বকবক করল কিছুক্ষন।

বাড়ি ফিরে মাকে বললাম। মা ওদের কথা শুনেছিল আমার মুখেই। তাই চিনত। সব শুনে ক্ষেপে গেল। বলল," মেয়েেটাকে ঠাস ঠাস করে চড় মারা উচিত।"
-কেন?
- কেন কি রে! এত বড় অসভ্যতা করল।
- অসভ্যতা কি করল?
- কি করল? স্বাধীনতার নামে একি আচরণ! স্বাধীনতা ভোগ করব কিন্তু কোন দায়িত্ব পালন করব না।
- কি মুশকিল! স্বাধীনতার প্রসঙ্গ আসছে কেন? ও যদি স্বাধীনচেতাও হয়,সেটা কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে কি? আর কার প্রতি দায়িত্বের কথা বলছ? ও তো মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালন করতেই চায়।
- ছেলেটাকে ঠকালো। ওর মাকে অপমান করল।
- এই হচ্ছে স্বপন সাহার সিনেমা দেখার ফল। তুমি একসাথে শুনছো বলে এত হাইপার হচ্ছো। ঘটনাটা অনেকদিন ধরে ঘটেছে। আর ছেলেটার মা কোথাও সিনে নেই।
- হুম।আর এই হচ্ছে নারীবাদী হবার ফল। শুধু মুখে মুখে তর্ক। আসল কথা এড়িয়ে যাওয়া।
- এড়িয়ে কোথায় যাচ্ছি? ছেলেটা যে আগাগোড়া লাইফস্টাইল ফলো করতে গিয়ে দামী বাইক, রূপসী মেয়ে এসবের পেছনে ছুটল, সেটা দেখলে না? মেয়েটা তো ওকে আমলই দেয়নি কখনো।
- হ্যাঁ। মেয়েটা মহান। ওর কোন দোষ নেই।
- দোষ কারো নয় গো মা। দুজনেই অপরিণত আচরণ করেছে। জীবনে সমস্যা ছিল টাল সামলাতে পারেনি। রিলিফ খুঁজেছে। ভালোবাসা বলে কিছু ছিল না। যে আগে বেটার অপশন পেয়েছে বেরিয়ে গেছে। অন্যজন পাবলিক সিমপ্যাথি কুড়াবে। উল্টোটাও হতে পারত। সব বিষয়ে নারী স্বাধীনতা, নারীবাদ এদের কাঠগড়ায় তুলবে না। এরা অন্যের জন্য লড়ে। এখানে দুজনেই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত।
-হুম।।

2 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 7 -- 26
Avatar: Titli Pramanik

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

মেয়েটি কি জানত না যে ছেলে টির মোটরবাইকটি ধারের ? মানে ছেলেটি কি সে কথা লুকিয়ে গেছিল? তবে মেয়ে টির খারাপ লাগা খুব ন্যায্য ়

Avatar: Ishan

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

মোটরবাইক নিয়ে মিথ্যে বললে অনর্থ ঘটবেই। এরকম না হলেও অন্যরকম। শোভন জানে।
Avatar: S

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

আরে মানুষ এরকমই হয়। স্বার্থপর। ঠিকই আছে।

সে ছেলেও কয়েকদিন সুন্দরী মেয়ে নিয়ে ঘুড়লো। মেয়েটাও কয়েকদিন রিলিফ পেলো, আবার যথা সময়ে ফুটিয়েও দিলো ভালো পাত্তর পেয়ে। যে ছেলেটা বাইক ধার দিয়েছিলো, সেও সময় মত দাঁও মেরে নিলো। বাকিরা মজা পেলো, রসালো গল্প পেলো। আপনিও এই নিয়ে একটা ভালো লেখা লিখে কুডোজ নিলেন। আপনার মাও সেই নিয়ে আপনাকে বকে দিলেন। আমিও নিজেকে মহান ও বুদ্ধিমান প্রমাণ করার জন্য এই কমেন্টটা দিয়ে দিলাম।
Avatar: সিকি

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

স্রেপ, স্রেপ একটা মোটরসাইকেল জীবনের কত সিদ্ধান্ত চিরতরে গুবলেট করে দেয়।
Avatar: dc

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

বাঃ বেশ প্র্যাক্টিকাল আর সংক্ষিপ্ত একটা প্রেমকাহিনী।

তবে বন্ধুর বাইক ভাড়া করে মেয়ে পটাতে গেলে এরকম হবার সম্ভাবনাই বেশী। প্রায় এরকমই একটা গল্প আমি বেশ কাছ থেকে দেখেছি।
Avatar: de

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

বেশ ফ্লো লেখার - তরতরিয়ে পড়ে ফেলা যায় - বাকিটা নিয়ে কি আর বলবো - এ তো আকচার দেখচি - দু তরফেই -
Avatar: h

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

এই গল্প টা ফ্রিজ বা এসি বা মারুতি গাড়ি বা ওয়ান বি এইচ কে নিয়ে লিখলে খামোখা মোটরবাইকের দুন্নাম হত না। এ কথা আমার নিজের কথা না।শোভন বলেছিল।
Avatar: pi

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

অন্যের ফ্রিজ বা এসি টা চাপের। মানে স্পেয়ার না হলে। তাহলে অন্যে কী ব্যবহার করবে?
Avatar: Debarati Chatterjee

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

@তিতলি, এখানে কেউ কাউকে ঠকাচ্ছে না। অগ্রাধিকার বদলে যাচ্ছে। তার কারন বোধহয় ভালোবাসা না থাকা।
Avatar: Debarati Chatterjee

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

কতজন মতামত দিয়েছে। ভালো লাগছে।
Avatar: pi

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

'এত রূপ অথচ বিয়ে না হয়ে চাকরী করতে হচ্ছে, এ যে কত বড় পরাজয় জীবনের কাছে,তা মানুষ নিজে বুঝতে না পারলেও, বোঝানোর জন্য আত্মীয়,প্রতিবেশী,আত্মীয়র প্রতিবেশী, প্রতিবেশীর আত্মীয় এবং যতপ্রকারের সহকর্মী হয় পৃথিবীতে, সকলের সমবেত বুক চাপড়ে কান্নায় সহজেই জলের মত সহজ হয়ে যায় ব্যাপারটা।একটা হীনমন্যতা কাজ করে,মানুষ আড়ালে পালাতে চায়। এও তাই চেয়েছিল। '


এটি একটি মোক্ষম অব্জার্ভেশন। আচ্ছা, মেয়েটি চাকরিবাকরি করার পরেও তাই ভাবত? বিয়ে হলে চাকরি ছাড়বে? চাকরিবিহীন জীবন বাই চয়েস নেবে?
Avatar: Debarati Chatterjee

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

@পাই, সেলসের চাকরীতে খাটনি প্রচুর। বিশেষ করে শপিং মলে। ঠায় দাঁড়ানো।মেয়েরা চাকরী পেলে চট করে ছাড়তে চায় না। কিন্তু চোখ ফোটার থেকেই যে সংস্কারের পুরিয়া খাওয়ানো হয়। তার সাইড এফেক্ট কাটানো সহজ নয়।
Avatar: Titli Pramanik

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

দেবারতি , আমি ঠকানোর কথা বলিনি খারাপ লাগার কথা বলেছি, দুটো সম্পূর্ণ আলাদা | যেমন ধরুন কাঠি আইসক্রিম আধখানা খাওয়ার পর গলে রাস্তায় পরে গেলে খারাপ লাগে কিন্তু সেটা ঠকানো নয় | যাই হোক মেয়েটি কি জানতো যে মোটরবাইক টি ধারের ?

Avatar: r2h

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

বিয়ে না করে চাকরী করতে হচ্ছে, এটা খারাপ - এই জিনিসটা ত্রিপুরাতে দেখিনি, যতদিন ছিলাম। পড়াশোনা শিখেছো মানে আর কিছু না হোক এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে নামটা তো লেখাতেই হবে, এইরকম একটা ব্যাপার ছিল, ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষ। যদিও চাকরী তুলনায় কম, সরকারী চাকরী ছাড়া কিছু নেই, এরকম ছিল।
স্কুলের বন্ধুদের মধ্যে, যারা এখনো ত্রিপুরায় আছে - মেয়েরা, কারো কথাই মনে করতে পারছিনা যে চাকরী করেনা, যারা করেনা তারা সব প্রবাসী।

হয়তো সংখ্যাগুরু পূর্ববঙ্গ থেকে আসা মানুষের আর্থিক চাপ, অনিশ্চয়তা বেশী এইসব বলে। এখন কেমন কে জানে।
অবশ্য কতটুকুই বা দেখেছি।
Avatar: Atoz

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

ওরে বাবা, আমি তো এরকমও শুনেছি, খোদ বৃহত্তর কলিকাতায়, মেয়েটা নিজেই বলছে, "সুন্দরী হয়ে আমার লাভটা কী হল যদি বিয়ে না করে চাকরিই করতে হয়?"
সিন্ডারেলা সিন্ড্রোম। রাজপুত্র এসে সুন্দরীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে, তারপরে বিয়ে হয়ে সে হবে রাণী( বিয়ের সময়েই রাজপুত্রের বাবা ছেলেকে রাজত্ব দিয়ে দিয়েছেন এটা ধরে নেওয়া হয়)। অতঃপর তাহারা "সুখে শান্তিতে বাস করতরে লাগল।"
ঃ-)
Avatar: Atoz

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

করতে।
করতরে না।
ঃ-)
Avatar: S

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

এই সব কিছুর জন্যই রোবিন্দোনাথের ন্যাকামো মার্কা কবতে আর গান দায়ী। আমি এখন অ্যান্টি-রোবিন্দো মুডে আছি।
Avatar: Atoz

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

শেক্সপীয়ারই বা কম কী? ভাবুন, ওফেলিয়া টোফেলিয়া জুলিয়েট টুলিয়েট দের কোনো চয়েসই নেই জাস্ট পেরেম পীরিত আর বিয়ে ছাড়া।
অথচ এই লেখকের আমলেই প্রথম এলিজাবেথ তুমুলভাবে রাজত্ব সামলাচ্ছেন, তিনি রীতিমতন ঘোষণা দিয়ে অবিবাহিতা থাকা মহিলা।
কিন্তু তাতে কিচ্ছু যায় আসে নি, অডিয়েন্স তখনও সেসব গ্রহণ করতে রাজি ছিল না বোঝাই যাচ্ছে। হয়তো বলতো, "মহারাণীর ব্যাপার আলাদা"
Avatar: Koushik Ghosh

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

স্বচ্ছ জীবন দর্শন এবং সাবলীল গদ্যভঙ্গি লেখাটিকে অনবদ্য করে তুলেছে।
বন্ধুর প্রতিবেশী আর প্রতিবেশীর বন্ধু ব্যাপারটা আমরা হাড়ে হাড়ে বুঝি।
আপন করে নিল লেখাটির 'দরদী বকাটে' ভঙ্গিমা।
Avatar: pi

Re: সব চরিত্র জ্যান্ত

'দরদী বখাটে' টা খুব আপ্ট হয়েছে ঃ)


আরো কিছু লেখার আছে।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 7 -- 26


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন