কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সাধু কালাচাঁদ, ট‍্যাঁপা-মদনা, পটলা ও রুনু
    'ভালো লাগছে না রে তোপসে' বা 'ডিলাগ্রান্ডি' বললে বাঙালি মননে এক ধরনের রিফ্লেক্স অ্যাকশন কাজ করে যেন। ফেলুদা/তোপসে, টেনিদা, ঘনাদা ইত্যাকার নামগুলি বাঙালির আড্ডার স্বাভাবিক উপাদান। এই অনুষঙ্গগুলি দিয়ে বাঙালি তার হিউমারের অভ্যাস ঝালিয়ে নেয়, কিছুটা আক্রান্ত হয় ...
  • যম-দুয়ারে পড়ল কাঁটা
    অন্য লোকের স্বপ্নে আসে ভগবান, সিনেমা স্টার, ছেলেবেলার বন্ধু নিদেন ইশকুল-কলেজের কড়া মাস্টারমশাই। কবি হলে প্রেমিকা-টেমিকা, একেবারে কবিতাশুদ্ধু। " বাসস্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নে বহুক্ষণ ..." ইত্যাদি। আর আমার স্বপ্নে আসেন যমরাজ। যমরাজ মানে ...
  • আমার বাড়ির বিজয় দিবস...
    মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি প্রভাব আমার পরিবারের ওপরে পড়েনি। বলা যেতে পারে আশপাশ দিয়ে চলে গেছে বিপদ আপদ। কিন্তু আশপাশ দিয়ে যেতে যেতেও একদিন যমদূতের মত বাড়িতে হাজির হয়েছিল পাকিস্তানী সৈন্যরা। আমার বাবা ছিল তৎকালীন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বিমান সেনা। যুদ্ধের সময় ...
  • রান্নাঘর ও রাজ্যপাট
    কিছুদিন যাবৎ চেষ্টা করছিলাম লিঙ্গভিত্তিক শ্রমবন্টনের চিত্রটা বুঝতে।যত পুরোনো হচ্ছি কাজের বাজারে তত দেখছি ওপরের দিকে মহিলাদের সংখ্যা কমতে থাকছে। কর্পোরেট সেক্টরে প্রায়শই সংখ্যা দিয়ে দেখানো হয় অনেক মেয়ে কেরিয়ার শুরু করলেও মাঝপথে ছেড়ে যাচ্ছেন বা কোনো রকমে ...
  • শকওয়েভ
    “এই কি তবে মানুষ? দ্যাখো, পরমাণু বোমা কেমন বদলে দিয়েছে ওকে সব পুরুষ ও মহিলা একই আকারে এখন গায়ের মাংস ফেঁপে উঠেছে ভয়াল ক্ষত-বিক্ষত, পুড়ে যাওয়া কালো মুখের ফুলে ওঠা ঠোঁট দিয়ে ঝরে পরা স্বর ফিসফাস করে ওঠে যেন -আমাকে দয়া করে সাহায্য কর! এই, এই তো এক মানুষ এই ...
  • ফেকু পাঁড়ের দুঃখনামা
    নমন মিত্রোঁ – অনেকদিন পর আবার আপনাদের কাছে ফিরে এলাম। আসলে আপনারা তো জানেন যে আমাকে দেশের কাজে বেশীরভাগ সময়েই দেশের বাইরে থাকতে হয় – তাছাড়া আসামের বাঙালি এই ইয়ে মানে থুড়ি – বিদেশী অবৈধ ডি-ভোটার খেদানো, সাত মাসের কাশ্মিরী বাচ্চাগুলোর চোখে পেলেট ঠোসা – কত ...
  • একটি পুরুষের পুরুষ হয়ে ওঠার গল্প
    পুরুষ আর পুরুষতন্ত্র আমরা হামেশাই গুলিয়ে ফেলি । নারীবাদী আন্দোলন পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে, ব্যক্তি পুরুষের বিরুদ্ধে নয় । অনেক পুরুষ আছে যারা নারীবাদ বলতে বোঝেন পুরুষের বিরুদ্ধাচরণ । অনেক নারী আছেন যারা নারীবাদের দোহাই পেড়ে ব্যক্তিপুরুষকে আক্রমন করে বসেন । ...
  • বসন্তকাল
    (ছোটদের জন্য, বড়রাও পড়তে পারেন) 'Nay!' answered the child; 'but these are the wounds of Love' একটা দানো, হিংসুটে খুব, স্বার্থপরও:তার বাগানের তিন সীমানায় ক'রলো জড়ো,ইঁট, বালি, আর, গাঁথলো পাঁচিল,ঢাকলো আকাশ,সেই থেকে তার বাগান থেকে উধাও সবুজ, সবটুকু নীল।রঙ ...
  • ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৫)
    (সতর্কীকরণঃ এই পর্বে দুর্ভিক্ষের বীভৎসতার গ্রাফিক বিবরণ রয়েছে।)----------১৯৪...
  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
    ১৩ ডিসেম্বর শহিদুল্লাহ কায়সার সবার সাথে আলোচনা করে ঠিক করে বাড়ি থেকে সরে পড়া উচিত। সোভিয়েত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রধান নবিকভ শহিদুল্লাহ কায়সারের খুব ভাল বন্ধু ছিলেন।তিনি সোভিয়েত দূতাবাসে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলেছিলেন। আল বদর রাজাকাররা যে গুপ্তহত্যা শুরু করে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

Koushik Ghosh

শক্তির কবিতা পড়লে কখনো কখনো মনে হয় ভেতরে বারুদ ঠাসা রয়েছে। অনেকে শক্তির কবিতায় জটিলতা খুঁজে পান, কেউ পান গভীর আস্তিক্য। আমার শক্তি পাঠ করে মনে হয়েছে তিনি ভীষণ প্রশ্ন করতে ভালোবাসেন, আর নিরন্তর উত্তর খুঁজে চলেন। এবং, তাঁর কবিতায় থাকে বিনির্মাণের ঝোঁক। একটি বিখ্যাত কবিতা পড়ে যা মনে হলো লিখছি।

তীরে কি প্রচন্ড কলরব
'জলে ভেসে যায় কার শব।
কোথা ছিল বাড়ি?'
রাতের কল্লোল শুধু বলে যায় -'আমি স্বেচ্ছাচারী।'

সমুদ্র কি জীবিত ও মৃতে
এভাবে সম্পূর্ণ অতর্কিতে
সমাদরণীয়?
কে জানে গরল কিনা প্রকৃত পানীয়
অমৃতই বিষ!
মেধার ভিতর শ্রান্তি বাড়ে অহর্নিশ।

তীরে কি প্রচন্ড কলরব
জলে ভেসে যায় কার শব?
কোথা ছিল বাড়ি?
রাতের কল্লোল শুধু বলে যায় আমি স্বেচ্ছাচারী।

সমুদ্রের তটে ভেসে  চলেছে এক  নামহীন, ঠিকানাহীন শবদেহ। তীরে এই দৃশ্য দেখছে কোনো উৎসুক ভিড়, কলরব তারই ইঙ্গিত,কৌতূহলী প্রশ্ন উঠছে, কার মরদেহ? কোথায় তার বাড়ি? 'ছিল' শব্দটি এখানে বেশ মোক্ষম, ছিল মানে অতীত, এখন আর নেই, কারণ সে মৃত। এই প্রশ্ন রাখছেন শক্তি-'কোথা ছিল বাড়ি?'

উত্তর কেউ জানেনা। সমুদ্র এই শবদেহ বয়ে এনেছে, কিন্তু, তার দায় নেই উত্তর দেওয়ার, তাই তার হয়ে উত্তর দিচ্ছেন কবিই: 'রাতের কল্লোল শুধু বলে যায়,'আমি স্বেচ্ছাচারী।' এর আগের পংক্তির 'কলরব' সম্মিলিত শব্দের সাক্ষ্য দেয়, আর এখানে 'রাতের কল্লোল',  সমুদ্রের ঢেউ এর শব্দ। লক্ষ্য করুন কলরব, আর কল্লোলের প্রথম অংশের ফোনেটিক ('কল') মিল। বস্তুত কলরব ঢাকা পড়ে যাচ্ছে সমুদ্রের তীব্র কল্লোলে।

'স্বেচ্ছাচারী' শব্দটি শক্তির প্রয়োগ। সমুদ্র, প্রকৃতির অংশ, এবং, তাই খামখেয়ালি। বস্তুত, সমুদ্র কোথাও শান্ত, কোথাও তীব্র, কখনো আনে সুনামি, কখনো ডুবিয়ে দেয় টাইটানিক, কারুর নির্দেশ সে মানে না। তাই স্বেচ্ছাচারী। এই 'স্বেচ্ছাচারী' শব্দ কি শক্তির আগে কেউ বাংলা কবিতায় ব্যবহার করেছেন? জানা নেই।

পরের অংশ পড়া যাক:

সমুদ্র কি জীবিত ও মৃতে
এভাবে সম্পূর্ণ অতর্কিতে
সমাদরণীয়?

জীবিত কারা? যারা এ দৃশ্য দেখছে। আর মৃত সেই শবদেহ। সমুদ্রের মধ্যেই প্রাণের সৃষ্টি, মনে পড়ে আর এক কবির পংক্তি: ' রক্তে রয়েছে নুন, তার অর্থ সমুদ্রে ছিলাম'। এই পৃথিবীর বেশির ভাগটাই সমুদ্র, তার মধ্যে জানা অজানা প্রাণিকুল। জীবিত ও মৃত মিলিয়ে এই যে রহস্যময় সমুদ্র, তা কি সমানভাবে গ্রহণীয়? অতর্কিতে শব্দটি হঠাৎ যে দৃশ্য থেকে কবিতাটির জন্ম, সেই অকস্মাৎ মুহূর্তটির ইঙ্গিতবাহী। কিন্তু, অতর্কিতে শব্দটির মধ্যে যেন তর্কও মিশে আছে। 'সম্পূর্ণ অতর্কিতে' এই বাক্যবন্ধটি, আসুন, পড়ি।লক্ষ্য করুন পরের পর প্রশ্ন রাখছেন কবি, মীমাংসা হচ্ছে না কোনকিছুর।সম্পূর্ণ অতর্কিতে বাক্যবন্ধটি পড়লে এখানে মনে হতে পারে, 'তর্কাতীত ভাবে একথা কি বলা যাচ্ছে?'

তর্কের অবসান হয়নি। আবার সংশয়ী শক্তি, ফান্ডামেন্টাল প্রশ্ন রাখছেন একটি:

কে জানে গরল কিনা প্রকৃত পানীয়
অমৃতই বিষ!

হঠাৎ গরল (বিষ) ও অমৃত এলো কেন? সমুদ্রের অনুষঙ্গ ধরেই। সমুদ্রমন্থন থেকেই অমৃতের সৃষ্টি, গরলেরও। এর আগের পংক্তিতে যে জীবন ও মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছে, এলো তার অনুষঙ্গেও। গরল মৃত্যুর প্রতীক। মৃত একজন ভেসে ভেসে এসেছে, সেখান থেকেই কবিতাটি শুরু। আর, অমৃত অমরত্ব দেয়, অখন্ড জীবন দেয়।

কিন্তু, এখানে মহাকাব্যকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন শক্তি। তিনি বলতে চাইছেন, হয়তো গরল বা বিষই প্রকৃত পানীয়। মনে হয় অমরত্বের প্রতি অবজ্ঞা ছুঁড়ে দিলেন, হেমলক পান করতে চাইলেন শক্তি স্বয়ং, নীলকন্ঠ শক্তি। গরলই হয়তো আসল পানীয়, অমৃতই হয়তো বিষ।

আর এখানেই শক্তি ভাঙলেন। বিনির্মাণ করলেন প্রচলিত পুরাণ ও মহাকাব্যিক কল্পনাকে। ইঙ্গিত আসছে যেন অন্য কোনো প্রতি-আখ্যানের।

পরের পংক্তিতে এসে কবি সুস্থির, লিখছেন:

মেধার ভিতর শ্রান্তি বাড়ে অহর্নিশ।

বস্তুত, এতক্ষণ যে তর্ক চলছিল মগজ বা মেধার ভিতরে, সেই জটিল তর্ক দিনরাত চলে মননে, তাই শ্রান্তিও বেড়ে চলে। কোনো মীমাংসাই হয়নি, বদলে সংশয় রয়েই যায়।তাই কবি সচেতন ভাবে এরপর ফিরিয়ে আনেন শুরুর চারটি পংক্তি:

তীরে কি প্রচন্ড কলরব
জলে ভেসে যায় কার শব?
কোথা ছিল বাড়ি?
রাতের কল্লোল শুধু বলে যায় আমি স্বেচ্ছাচারী।

এই ফিরিয়ে আনা আসলে ঢেউ এর ফিরে আসা আর ফিরে যাওয়া। না হলে কবিতাটি অসম্পূর্ণ থেকে যেত বোধহয়।



318 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: pi

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

ভাল লাগল।
Avatar: Koushik Ghosh

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

ধন্যবাদ
Avatar: chattopadhyay

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

এর মধ্যে একটা কাল স্রোত বা নিয়তি ধরনের বার্তা রয়েছে। এভাবেও ভাবতে পারা যায় : মহাকাল ই স্বেচ্ছা চারি ? মানুষ অসহায়?
সমাতাব্য মহাভারতের বক ও যুধিষ্ঠির এর সংলাপ-

Avatar: Koushik Ghosh

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

কালস্রোত নিয়ে ভাবিনি। আপনার ভাবনা কবিতাটির নতুন একটি অদেখা তলের দিকে দিকনির্দেশ করে। বিশদে পারলে লিখুন।
Avatar: debashish Bhattacharya

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

শক্তিকে আমার আরেক নেশাখোর অহিফেনসেবী কোলরিজের তুল্য লাগে। দুজনেই দুর্মর রোম্যান্টিক, বলশালী পংক্তির প্রক্ষেপণে দক্ষ, সংযত বা নিয়মিত নয়, প্রক্ষিপ্তভাবে উজ্জ্বল। উভয়ের প্রতিভা, রবীন্দ্রনাথ মধুসূদন সম্বন্ধে যা বলেছিলেন, " ধনী কিন্তু গৃহিণী নয়।"
Avatar: Ishwari Mahtab

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

রচনাটি সুপাঠ্য, ভাবায়। ইন্টারেস্টিং বিশ্লেষণ।
Avatar: Koushik Ghosh

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

আপনাদের মতামত ও প্রতিক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ। প্রতিটি কবিতা ভিন্ন পাঠকমননে ভিন্ন অভিঘাত তৈরি করে। আমার এই সামান্য প্রয়াস। ভালো থাকুন সবাই।
Avatar: Koushik Ghosh

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

সুন্দর বলেছেন, দেবাশিস।
Avatar: Koushik Ghosh

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

ভালো লাগল। এক একজনের কাছে এক এক রকম মাত্রা নিয়ে আসে কবিতা, এই বিশ্লেষণ অনুভবের কাছাকাছি।
Avatar: ফরিদা

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

ঠিক এর উপরের কমেন্টটি কবিকন্যার।
বাবুই দি' ওরফে তিতি রায়।
গুরুর 'বাগ' লেখকের নামে পোস্ট করেছে। মামুর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
Avatar: একক

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

এই টে গুরুর ভালোবাসার বাগ। থেকে থেকেই বন থেকে বেরোয় ঃ(
Avatar: কুশান

Re: শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

সবাইকে একঘর ভালবাসা জানাই। বাঘ বা বাগ যাই বেরুক না কেন শক্তি প্রাসঙ্গিক আজো।
সময় পেলে আরও কিছু লিখব।
আমার নামে এক বা একাধিক জন রয়েছেন। তাই কুশান গুপ্ত নামে লিখছি।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন