Farha Kazi RSS feed

Farha Kaziএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আমার ব্যথার পূজা
    ব্যর্থতাকে গ্রহন করতে শেখা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন শিক্ষা। অনুভব হয় সেই শিক্ষা আমার অসম্পুর্ন রয়ে গেছে। নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম না করতে পারার মানসিক যন্ত্রনা ছাপিয়ে গেছে শারীরিক যন্ত্রনাকেও.. এই কি সেই " মাঝবয়েসী সংকট"? নাকি, ছোট্টবেলা থেকে ...
  • বইমেলা নোটবই
    উপক্রমনিকাঃ গুরু এবং শুরুষাট সত্তরের দশকের হিন্দি ছবিতে কুম্ভ মেলা অর্থাৎ “কুম কে মেলে”-এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকত। ওই ভাইয়ো অর বহেনোরা (মিত্রো নয় কিন্তু) কুম-কে মেলে’তে হারিয়ে যেত আর সিনেমার শেষে ফের দেখা হয়ে যেত, হ্যাপ্পি এন্ডিং আর কি। আর এই আলাদা আর ...
  • ভাসাইলি রে
    মুম্বাই থেকে ট্রেনে কলকাতা ফিরছি,সাল আমার মনে নেই। এক পুণে প্রবাসী বাঙালী পরিবারের সাথে আলাপ। তারা আত্মীয়র বিয়ে উপলক্ষে কলকাতা আসছেন। এনারা নিজেদের বাবার আমল থেকেই প্রবাসী। বহুদিন, বোধহয় প্রায় দশ-পনেরো বছর বাদে কলকাতায় আসছেন। খুবই আগ্রহী, যদি সময় করে ...
  • সংস্কৃত বাংলা ভাষার জননী নয়, সাঁওতালী ভাষার কাঠামোতেই বাংলা ভাষার বিকাশ
    বাংলা ভাষা একটি মিশ্র ভাষা। তার মধ্যে বৈদিক বা সংস্কৃত ভাষার অবদান যেমন আছে, তেমনি আছে খেরওয়াল বা সাঁওতালী সহ বেশ কিছু মুণ্ডা ভাষার অতি গুরূত্বপূর্ণ অবদান। বাংলা ভাষার জননী হিসেবে কেবল সংস্কৃত আর্য ভাষার দাবি সম্বলিত যে মিথটি গড়ে উঠেছিল – সেই দাবিকে ...
  • রক্তকরবী, অল্প কথায়
    মানুষের স্বতস্ফুর্ততা যখন মরে যায় তখন যন্ত্রে আর মানুষে তফাত থাকে কই! একটা ঘোর মেক্যানিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে আবর্তিত হয় তার দৈনিক যাপন, বাকি সমাজের সাথে সম্পর্ক হয় অ্যালগোরিদিমিক্যাল। কাজের সূত্রে সে কথা বলে আবার ঢুকে যায় নিজের মৃত চামড়ার খোলসে।ঠিক যেন এই ...
  • একাত্তরের দিন গুলি
    কোন এক পড়ন্ত বিকেলে আমরা ঢাকার রাস্তায় কণিকা নামের একটা বাড়ি খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে। আসলে আমরা খুঁজছিলাম একটা ফেলে আসা সময়কে। একটা পরিবারকে। যে বাড়িটা আসলে ব্লাইন্ড লেনের এক্কেবারে শেষ সীমায়। যে বাড়ির গলি আঁধার রাতে ভারী হয়েছিল পাকিস্তানী ...
  • #পুরোন_দিনের_লেখক-ফিরে_দেখা
    #পুরোন_দিনের_লেখক-ফি...
  • হিমুর মনস্তত্ত্ব
    সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যারিশমাটিক চরিত্র হিমু। হিমু একজন যুবক, যার ভালো নাম হিমালয়। তার বাবা, যিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন; তিনি ছেলেকে মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। হিমুর গল্পগুলিতে হিমু কিছু অদ্ভুত কাজ করে, অতিপ্রাকৃতিক কিছু শক্তি তার আছে ...
  • এক অজানা অচেনা কলকাতা
    ১৬৮৫ সালের মাদ্রাজ বন্দর,অধুনা চেন্নাই,সেখান থেকে এক ব্রিটিশ রণতরী ৪০০ জন মাদ্রাজ ডিভিশনের ব্রিটিশ সৈন্য নিয়ে রওনা দিলো চট্টগ্রাম অভিমুখে।ভারতবর্ষের মসনদে তখন আসীন দোর্দন্ডপ্রতাপ সম্রাট ঔরঙ্গজেব।কিন্তু চট্টগ্রাম তখন আরাকানদের অধীনে যাদের সাথে আবার মোগলদের ...
  • ভারতবর্ষ
    গতকাল বাড়িতে শিবরাত্রির ভোগ দিয়ে গেছে।একটা বড় মালসায় খিচুড়ি লাবড়া আর তার সাথে চাটনি আর পায়েস।রাতে আমাদের সবার ডিনার ছিল ওই খিচুড়িভোগ।পার্ক সার্কাস বাজারের ভেতর বাজার কমিটির তৈরি করা বেশ পুরনো একটা শিবমন্দির আছে।ভোগটা ওই শিবমন্দিরেরই।ছোটবেলা...

বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

জার্মানী ডায়েরী - ৩

Farha Kazi

জুতোপর্ব:

নতুন দেশ, ঝাঁ চকচকে রাস্তা... ছবির মতো শহর, সাজানো গুছানো এক্কেবারে সিনেমার মতো।
আহা ইউরোপ শুনলেই DDLJ এর শাহরুখকে মনে পরে।
“তুঝে দেখা তো এ জানা সনম”... আল্পস পর্বত, রাইন নদী, বরফ, টয়ট্রেন, নীল আকাশ, রাস্তাভর্তি টিউলিপ, ড্যাফোডিল! কি সুন্দর ভাবতে লাগে না?

ক্লাস টেনে আমাদের ইংরাজী পাঠ্যবইয়ে কবি ওয়ার্ডস ওয়ার্থের একখান কবিতা ছিলো... ড্যাফোডিল!

“When all at once I saw a crowd,
A host, of golden daffodils;
Beside the lake, beneath the trees,
Fluttering and dancing in the breeze. “

কবিতাখান পড়েই আমার ধারণা হয়েছিলো এই ফুল হলুদ রংয়ের না হয়ে যায়না... একে হলুদ হতেই হবে! নীল নদীর ধারে হলুদ ফুল, সবুজ ঘাস ছাড়া আর কিছু হতেই পারে না।

গতবছর মার্চে জার্মানী এসেই রাস্তার ধারে ধারে একগাদা হলুদ ফুল দেখে দৌড়ে গিয়ে বলেছিলাম ড্যাফোডিল!
অথচ ফুলটাকে আমি কখনো এর আগে দেখিনি।
লোকজন হাঁ করে বোধহয় ভাবছে মেয়েটা ফুল দেখে অমন আশ্চর্য হয়ে গেছে কেন?
এদেশের বনে জঙ্গলে ড্যাফোডিল জন্মায়!
ওয়ার্ডসওয়ার্থের ড্যাফোডিল! এসব দেখার জন্যই তো জীবন সার্থক।

হাইডিকে মনে আছে , আর ক্লারা? আমি হাইডির শহরের খুব কাছে থাকি.. আমার বাস ফ্র্যাঙ্কফুর্টের খুব কাছে!
আমি জীবনে কখনোই ভাবিনি যে আমি সত্যি সত্যি হাইডির আল্পস দেখবো !!!
আচ্ছা, এটাকে আমার শহর বলা যায়কি? থাকছি যখন আপন করে নিতেই তো হবে। আমার এই নতুন শহরের বুক চিরে বইছে রাইন নদী। রাইনকে বড্ডো কাব্যিক নদী মনে হয় আমার... নীল, শান্ত, কবিতার মতো নদী।

এখানে এসেই প্রথম দরকারি কাজ হলো জুতো কেনা।
আমাদের ভারতের জুতো এখানে কার্যকরী না। ঠান্ডায় জমে যাবে ও জুতো পরলে! এখানের জুতোগুলো বুটের মতো.. লম্বা এবং ফ্যাশনেবল! এখানের ফ্যাশন বলতে ঐ জুতো , জ্যাকেট আর টুপি!
এইগুলোকেই কায়দা করে পরতে হবে!
ভারতের মতো রঙীন প্রজাপতি সেজে ঘুরে বেড়ানো জাস্ট স্বপ্ন!
আমার সব শর্ট ড্রেসগুলো কলকাতায় আলমারী বন্দী হয়ে , আম্মু একটাও আনতে দিলো না! বললো শীতের দেশে তুমি এসব ছোটো পোষাক নিয়ে করবে কি? এখানেই থাকুক। এখানে এলে বরং পরবে! তুমি ওখানে গিয়ে কিনে নেবে দরকারী জিনিষপত্র!
অগত্যা... শপিং করতেই হবে!

তৌসিফের সাথে বাজার যাওয়া মানে নাইটমেয়ার!
উনি দুদিন ধরে উইন্ডোশপিং করবেন... তিনদিন ধরে দাম দেখবেন। তারপর কোনো জিনিষ কিনবেন!
চারদিন দোকান ঘোরার পরে একটা সাদা খাতা কিনেছিলো ! তাও আমি যখন খেপে গেছি তখন! এমন পাবলিক আমি আমার জীবনে দুটো দেখিনি!
সাদা খাতা কিনতেও যে কারোর উইন্ডো শপিং লাগে আমার সত্যিই জানা ছিলো না!
জুতোর ক্ষেত্রে উনি যে ভালোই জ্বালাবেন তা বুঝে গেছি... কতদিন লাগাবে কে জানে!
তাই আমি আগেভাগে বলেই দিলাম ওসব উইন্ডো শপিং টপিং
আমি করিনা! আমি ডাইরেক্ট শপিং করি! কিনবো তো ভারি একটা জুতো , তারজন্য পঞ্চাশ দিন ধরে দোকান ঘুরতে পারবো না! আর ঐ পাঁচশো ইউরো দিয়ে একটা জ্যাকেট , দুশো ইউরো দিয়ে একটা জুতো কিনে চারবছর কাটাতেও পারবো না!
পাঁচশো ইউরোতে আমার দশটা জ্যাকেট হয়ে যাবে!
মেয়েদের জীবনে দাম ম্যাটার করে না! ফ্যাশন আর সৌন্দর্য ম্যাটার করে! সস্তা এবং টিকাও যাকে বলে!
জুতোর দোকানে ঢুকে নানারকম জুতো দেখার পরে আমার দুইখান জুতো পছন্দ হলো! তৌসিফের হাবভাব বাপ টাইপ হয়ে গেছে... দুইখানা জুতো ও কিনে দেবে না মনে হচ্ছে! আমারও সম্মানে লাগছে বলতে যে দুটোই আমার চাই... জীবনে প্রথমবার এইরকম কারোর কাছে কিছু কেনার জন্য নির্ভরশীল! এইবার মনে হচ্ছে শালা বিয়েটা কেন করলাম! একটা জুতোর জন্য এই অবস্থা! দিব্যি ছিলুম দেশে... চাকরি বাকরি করছিলাম, দেদার ফূর্তি, শপিং,মস্তি! কি চক্করে পরলাম মাইরি!
তা এ ছেলের বোঝা তো উচিত যে আমার দুটো জুতোই পছন্দ হয়েছে! আমাকে মুখে কেন বলতে হবে যে দুটো জুতোই কিনবো!
আশা করে আছি উনি বলবেন তোমার দুটোই যখন পছন্দ, দুটোই নিয়ে নাও! কিন্তু ঐ যে বললাম ছেলের হাবভাব কেমন বাপ টাইপের হয়ে গেছে! আমার থেকে সাড়ে তিনমাসের ছোটো ছেলের হাবভাব দ্যাখো!
কোথায় সকালে উঠে গুরুজনকে পেন্নাম করবে তা নয় জুতোর জন্য হাবভাব নিচ্ছে!
হুহ! আমারও সময় আসবে!
নতুন দেশ, তাই আবার অচেনা... অতএব চুপচাপ একখানা জুতো নিয়ে গোমড়া মুখে রওনা বাড়ির পথে!
খুব হাবভাব নিচ্ছিলে না? এবার দ্যাখো মজা!
জাস্ট কথা বন্ধ করে দিলাম। এতো বড়ো হাঁদা, বাড়ি আসার পাক্কা দুঘন্টা পরে উনি বুঝলেন কেস গোলমাল!
আমার মতো বাচাল মেয়ে কথা বলছে না দেখে দশমিনিটে যেখানে বুঝে যাওয়ার কথা, সেখানে ওনার লাগলো দুঘন্টা!
মাথায় কোন মান্ধাতার আমলের প্রসেসর লাগানো কে জানে!
ব্যস আমি তো স্পিকটি নট যাকে বলে সাইলেন্ট মোডে চলে গেছি!
একে তো বউকে রাগানো মানে বাঘের বাসায় হাত দেওয়া, তাই আবার নতুন বউ! কত রথী মহারথী বউয়ের কাছে জব্দ হয়ে গেলো, সেখানে ইনি তো চুনোপুঁটি! যাইহোক ওষুধের ডোজ পড়ে ছেলে এক্কেবারে ঠান্ডা, বাপ মোড থেকে ভিজে ইঁদুর মোডে চলে গেছে!
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ঘর ফাঁকা, কেউ নেই! শনিবার ছুটির দিনে গেলো কোথারে বাবা!
দরজা খোলার আওয়াজ... দেখি বাবুমশাই এক হাতে জুতোর প্যাকেট আর অন্য হাতে চকোলেট নিয়ে হাসি মুখে ঢুকছেন!!
দেখেশুনে একটাই প্রবাদ মনে এলো “সেই যখন মল খসালি , তবে কেন লোক হাসালি?”
অবশ্য এসব কান্ড না করলে লেখার রসদ পাবো কোত্থেকে... এটা ভেবে ক্ষমাসুন্দর চোখে চকোলেটটা খেয়ে ফেল্লুম!
ও হ্যাঁ, বলতে ভুলে গেছি আমি সব শেয়ার করতে পারি, কিন্তু চকোলেটের শেয়ার দিইনা কাউকে।

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 15 -- 34
Avatar: রিভু

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

^^ এইটা সুকুমার রায়ের লেখায় পড়েছিলাম খুব ছোটবেলায় :) ।

Avatar: paps

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

আতোজ কে অনেক ধন্যবাদ। এই মিথটা অনেক আগে পড়েছিলাম কিন্ত্তু একেবারেই ভুলে গেছিলাম। ভাবছি আর্লি ডিমেনশিয়া হল নাকি।
Avatar: ফারহা

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

আমার জীবন নিয়ে সমালোচনা করার অধিকার বাইরের লোকের নেই। তারা আমাকে খাওয়ায় পরায় না। আমি অসুস্থ হলে তাদের কিচ্ছু ছেঁড়া যায় না। আপনি নিজের পাকামো এবং অসভ্যতা নিজের কাছেই রাখুন।
ওসব বালবিচি আমাকে না দিলেও চলবে। একটা প্রবাদ আছে অয়েল ইওর ওন মেশিন বা নিজের চরকায় তেল দিন।
আমার চরকায় তেলের অভাব নেই।
Avatar: ফারহা

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

সাদা ড্যাফোডিল দেখেছি। ঠিক সাদা নয়, পানসে পারা।
আর নার্সিসিজমের গল্প শুনে খুব ভালো লাগলো। অজানা জিনিষ জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।
Avatar: Rabaahuta

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

পাবলিক ডোমেনের কন্টেন্ট নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ভিন্নমত তো অপ্রত্যাশিত কিছু নয়।

সে যাই হোক, শ্যামাপোকা টই মনে পড়লো মন্তব্য প্রসঙ্গে।
Avatar: রুকু

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

ভালো লাগছে পড়তে। :-)
Avatar: ফারহা

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

অবশ্যই লেখার সমালোচনা হবে। কিন্তু যারা এখানে শুধুমাত্র আমি বরের টাকায় কি কিনেছি বা কেন কিনিনি সেই নিয়ে সমালোচনা করতে ব্যস্ত তাদের মুখে জুতোর বাড়ি ছাড়া আর কিছু দিতে ইচ্ছা করছে না।
কোনো মেয়ে চাকরি করবে কি করবেনা অথবা প্রয়োজনে কিছুদিনের জন্য চাকরি থেকে অবসর নেবে কিনা সেটা তার নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা। বাকিদের নাক না গলালেও চলবে।। এটুকুই বলার।
Avatar: কমলাকান্ত

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

কমলাকান্ত বলিয়াছিল তার জীবিকা ব্রাহ্মণভোজনের নিমন্ত্রণ গ্রহণ। তাহা হইলে পতিগৃহে মূল্যবান আসবাব হইয়া থাকা সমস্যার বিষয় হইবে কেন ? রুদ্র মহম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর একটি কবিতাতেও বলিয়াছিলেন যে সমকালীন সুন্দরীদের তিনি অভিজাত পুরুষদের ড্রয়িংরুমে উঠে যেতে দেখেছেন মূল্যবান আসবাবের মতো। কে কীভাবে ভালো থাকিতেছেন সেটিই গুরূত্বপূর্ণ বিষয়। এভাবে তাঁর ভালো থাকা নৈতিকতা প্রগতিশীলতা সম্মত নহে - একথা বলিবার কোনও প্রয়োজনই পড়ে না। ভালো থাকা আগে, নৈতিকতা প্রগতিশীলতা পড়ে।

Avatar: কুন্তক

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

ঝকঝকে দারুণ লেখা। সামান্য আদুরেপণা মিশে লেখাটাকে পরম রমণীয় করেছে। মিঠে খুনসুটির নরম রোদ ছড়ানো শীতকালের দুপুরের এই লেখায়।
Avatar: k

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

.
Avatar: Mani

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

এই তো লেখিকার আসল চেহারা বেরিয়েছে। খিস্তি ছাডা আর কি ই বা করবেন। কর্মহীন অলস মস্তিষ্ক,এরা তো কিসের কারখানা তাই না? আপনার চরকায় তেল টা জোন্য কাজকর্মের ভার টা তো আবার তিন মাস ছোটো বেচারী স্বামী টির ওপর! ঘারে চেপে যে কদিন চলে, নিজের জোগ্যতা থাকলে তো আপনার অফিস আপনাকে বিদেশে পাঠাতো।অব্শ্য আপনাকে ভাষা আর অসিহিণ্ষুতা দেখে বোঝার অসুবিধা নেই পিপল স্কিল আপনার থাকার ক্থা নয়।অভিনন্দন !স্বামীর পোষা আসবাব হয়ে থাকুন।।।মানে জে কদিন ওনার ভালোলাগে আরকী।।।কারণ এই স্বভাব তো চাপা জাবে না।।।।এবার আমার বানান ভুল গুলো নিয়ে খিস্তি শুরু কোরুন।ওটা ভালো পারবেন!
Avatar: pi

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

কতদিন বাদে আবার সাইটের লেখাপত্তর পড়া হচ্ছে! খাসা লাগল!

কিন্তু এগুলো তো মণি পুরো পিএ করছেন! এই মণি নামে তো সাইটে কখনো কাউকে লিখতেও দেখিনি, পি এ করার জন্যই কেউ নাম লুকিয়ে এসেছেন মনে হয়। অন্য খারটার না থাকলে এই লেখা নিয়ে এরকম পিএ আসত না মনে হয়।
Avatar: amit

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

লেখিকার কথা বলতে পারবো না , কারণ লেখাটা পড়ে আদৌ নির্ভেজাল মজা আর টাইম পাস ছাড়া আর কিছু মনে হয়নি। কিন্তু এই মনি নাম নিয়ে যিনি কিছু নন-ইস্যুকে নিয়ে এক নাগাড়ে খিল্লি করতে ব্যস্ত, তার নিজের আসল চেহারাটা বেশ বোঝা যাচ্ছে।
Avatar: পুপে

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

এই মিষ্টি লেখাটা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে গেল যখন লিখেই ফেলি ল্যাদ কাটিয়ে।

পুনের নতুন সংসার- যখন পাতা হয়েছিল তখনো শীত পড়ে নি কো; নিজেদের নামের গ্যাস কানেকশন, নতুন ফ্রিজ, চকচকে বাসনকোসন, অনভ্যস্ত হাতের ডাল- ভাত - মাছ মেঝেতে বাবু হয়ে বসে খাওয়া, চলছিল সব ভালোই। গোল বাঁধল শীতকালে।
প - এবার টেবিল চেয়ার কিনতে হবে, মেঝেতে ঠাণ্ডায় বসে খাওয়া যাচ্ছে না।
অ - একটা চাদর পেতে বসলে হয় না?
প - না
অ - আচ্ছা, পরের মাসে কিনব।

(পরের মাস)
প - টেবিল চেয়ারটা এ মাসে কেনার কথা ছিল না?
অ - শীত তো প্রায় কমেই এল ...

(তার পরের মাস)
প - আমি দেখে এসেছি। প্লাস্টিকের চেয়ার টেবিল, পা গুলো খুলে রাখা যায়। ১৫০০ টাকার মধ্যে দাম।
অ - বাইরের ঘরটা কি সুন্দর খালি খালি। টেবিল কিনলেই ভর্তি হয়ে যাবে না কেমন ?

(পরের পরের মাস)
প - ৳@!!%ঁ&...
অ - (নীরবতা)

(পরের দিন)
অ - দরদাম করে ১২০০ টাকায় দিয়ে দিল। ভালোই দর করেছি, বল?

(এক বছর পর)
অ - তুই টেবিলে খাবি না?
প - সিনেমা টা কিছুটা মিস হয়ে যাবে না? চল না, থালা নিয়ে ও ঘরের মেঝেতে বসেই খাই...।

(সমাপ্ত)

Avatar: pi

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

এটা ব্যাপক মিষ্টি!!
Avatar: dc

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

সব্বার উচিত বিয়ের পর কবছর দুজন মিলে আলাদা থাকা। হ্যান্ডস ডাউন জীবনের সেরা সময় ঐ কয়েকটা বছর।
Avatar: avi

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩


- দ্যাখ, এইখানে এই বোতলে যেটা আছে, সেটা কিন্তু টয়লেট পরিষ্কার করার অ্যাসিড। ওটা ভুল করে খেয়ে নিবি না।
- মানে? ওটা কেন খাব?
- খাবি না। সেটাই বলছি।
Avatar: দ

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

কিই মিত্তি মিত্তি সব গপ্পো
Avatar: paps

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

দেখুন এই লেখার উপজীব্য় বিষয় কিন্তু ফিমেল এমপাওয়ারমেন্ট বা glass ceiling barrier এর মত গ্রামভারী কোনো বিষয়বস্ত্তু নয়। এটি হালকা চালে লেখা একটি নববিবাহিত দম্পতির খুনসুটির কথা। সুতরাং এখানে 'বরে পোষা মহিলা', 'আসবাব' ইত্য়াদি বিশেষণ না ব্য়বহৃত হওয়াই বাঞ্ছনীয় ছিল। এই লেখাতে financial dependence অ্য়াঙ্গেল আসে কোথা থেকে?
আর লেখিকার জুতার বাড়ি দেবার ইচ্ছাটিও খুব ভাল লাগেনি। কড়া কথা তো ফাউল ল্য়াঙ্গোয়েজ ব্য়বহার না করেও দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করা যায়, ভেবে দেখার অনুরোধ রইল।
Avatar: paps

Re: জার্মানী ডায়েরী - ৩

পিএ মানে কি?

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 15 -- 34


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন