Punyabrata Goon RSS feed

shramajibiswasthya@gmail.com
Punyabrata Goonএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...
  • পটাকা : নতুন ছবি
    মেয়েটা বড় হয়ে গিয়ে বেশ সুবিধে হয়েছে। "চল মাম্মা, আজ সিনেমা" বলে দুজনেই দুজনকে বুঝিয়ে টুক করে ঘরের পাশের থিয়েটারে চলে যাওয়া যাচ্ছে।আজও গেলাম। বিশাল ভরদ্বাজের "পটাকা"। এবার আমি এই ভদ্রলোকের সিনেমাটিক ব্যাপারটার বেশ বড়সড় ফ্যান। এমনকি " মটরু কে বিজলী কা ...
  • বিজ্ঞানের কষ্টসাধ্য সূক্ষ্মতা প্রসঙ্গে
    [মূল গল্প - Del rigor en la ciencia (স্প্যানিশ), ইংরিজি অনুবাদে কখনও ‘On Exactitude in Science’, কখনও বা ‘On Rigour in Science’ । লেখক Jorge Luis Borges (বাংলা বানানে ‘হোর্হে লুই বোর্হেস’) । প্রথম প্রকাশ – ১৯৪৬ । গল্পটি লেখা হয়েছে প্রাচীন কোনও গ্রন্থ ...
  • একটি ঠেকের মৃত্যুরহস্য
    এখন যেখানে সল্ট লেক সিটি সেন্টারের আইল্যান্ড - মানে যাকে গোলচক্করও বলা হয়, সাহেবরা বলে ট্র্যাফিক টার্ন-আউট, এবং এখন যার এক কোণে 'বল্লে বল্লে ধাবা', অন্য কোণে পি-এন্ড-টি কোয়ার্টার, তৃতীয় কোণে কল্যাণ জুয়েলার্স আর চতুর্থ কোণে গোল্ড'স জিম - সেই গোলচক্কর আশির ...
  • অলৌকিক ইস্টিমার~
    ফরাসী নৌ - স্থপতি ইভ মার একাই ছোট্ট একটি জাহাজ চালিয়ে এ দেশে এসেছিলেন প্রায় আড়াই দশক আগে। এর পর এ দেশের মানুষকে ভালোবেসে থেকে গেছেন এখানেই স্থায়ীভাবে। তার স্ত্রী রুনা খান মার টাঙ্গাইলের মেয়ে, অশোকা ফেলো। আশ্চর্য এই জুটি গত বছর পনের ধরে উত্তরের চরে চালিয়ে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

Punyabrata Goon

বিষধর সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা আমি করতে পারি না। আমি পারি না, পারেন না আমার মতো বেশির ভাগ ডাক্তারই। কেন না, আমাদের শেখানো হয় না। ডাক্তারী পাঠ্যক্রমে সাপে কাটার স্থান ফরেনসিক এন্ড স্টেট মেডিসিনে। এই বিষয়ে অন্যান্য বিষক্রিয়ার সঙ্গে সাপের বিষ সম্পর্কে পড়ানো হয়। কিন্তু বিষধর সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা শেখানো হয় না। শেখানো যেতে পারত যে বিষয়টায় সেই মেডিসিনে সাপের কামড়ের চিকিৎসার স্থান নেই, অথচ এমন অনেক রোগের বিষয়ে পড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করা হয়, সারা জীবনে ডাক্তার যে সব রোগের রোগী দেখতেই পাবেন না হয়তো।

সারা দেশে সাপের কামড়ে মৃত্যু কিন্তু কম নয়। কিন্তু এই স্বাস্থ্য সমস্যা গ্রামীণ প্রান্তিক মানুষের সমস্যা বলেই পাঠ্যক্রমে উপযুক্ত গুরুত্ব পায় না।

আশার আলো দেখাচ্ছেন একজন ডাক্তার, আমার সমবয়সী, একই ব্যাচে ডাক্তারী পাশকরা, যদিও মুখোমুখি দেখা হয়নি এখনো।

দরিদ্র স্কুল শিক্ষকের সন্তান, চলার পথ সুগম ছিলো না। এমবিবিএস পাশ করে চোখের চিকিৎসায় ডিপ্লোমা করে সরকারী চাকরীতে ঢুকলেন। চাকরীর পাশাপাশি প্র্যাকটিশ শুরু। দিব্যি থাকা যেত। মাথায় ভূত চাপলো। ডাক্তারদের বিষধর সাপে কাটার চিকিৎসা শেখাতে হবে। বছরের পর বছর সরকারী দপ্তরে ঘোরাঘুরি করে অবশেষে সরকারী ডাক্তারদের সাপে কাটার চিকিৎসা শেখানোর প্রস্তাব অনুমোদন পেল। চোখের ডাক্তার সারা রাজ্যে ঘুরে বেড়ান ডাক্তারদের ক্লাস নিতে, জাতীয় বিশেষজ্ঞ দলে ডাক পান। সরকারী হাসপাতালে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা সাপের কামড়ের রোগী বাঁচিয়ে চলেছেন আজ......।

বন্ধু ডা দয়ালবন্ধু মজুমদার (Dr. Dayal Bandhu Majumdar) -এর পথচলার কাহিনী 'এক সাপ পাগলের মনের কথা' সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে 'পাভলভ ইন্সটিটিউট' থেকে। অনবদ্য এই বইটি পড়তে মিস করবেন না।
বইটির দাম ২০০ টাঁকা।


73 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: শঙ্খ

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

বইমেলা গেলে খোঁজ করবো
Avatar: Ekak

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

ধন্যবাদ, এই বইটা পড়ার তালিকায় যোগ হলো।
Avatar: aranya

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

'বিষধর সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা শেখানো হয় না' - আশা করি, এই দয়াল-বাবু-র মত মানুষদের জন্যই কখনো এটা পাঠ্যক্রমে ঢুকবে।

কুর্নিশ।
Avatar: aka

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

এই নিয়ে আমার অভিযোগ বহুদিনের। আমি জানতাম না যে ডাক্তারীতে সাপের কামড়ের চিকিতসা শেখানো হয় না। সাপের কামড়ে ভারতে সবথেকে বেশি লোকের মৃত্যু হয়। কেন? খুব সোজা, আজ ২০১৭ তে শ্যামনগরে গিয়ে জিগ্যেস করুন গোখড়ো কামড়ালে কি করবেন? কেউ জানে না, ডাক্তাররা সমেত।

এই বই কেনার অপেক্ষায় রইলাম।

বছর কুড়ি আগে আমার একজন পরিচিত ১০ মিনিটের মধ্যে মারা গিয়েছিলেন গোখড়োর কামড়ে।
Avatar: Du

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

ডাক্তারবাবুকে শ্রদ্ধা জানাই অন্তর থেকে।
Avatar: sm

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

সাপ কাটার চিকিৎসা ভালো মতোই পড়ানো হয়।
তবে দু চারটে বাস্তব সমস্যা আছে।
এক, সাপে কামড়ানো রোগী অধিকাংশ আসে প্রাইমারী হেল্থ সেন্টারে অথবা সাব ডিভিশন হাসপাতালে।
প্রচুর সংখ্যায় রোগী আসে।
এদের মধ্যে বিষধর ও নন বিষধর দুই ধরনের রোগীই থাকে। নন বিষধর এর সংখ্যা ই বেশী।
এখন কাকে এন্টি ভেনম দেওয়া হবে আর কাকে নয়, এটা ভীষণ কঠিন কাজ। কারণ বহু বিষধর সাপ;যেমন ভাইপার এর বিষ ক্রিয়া অনেক পরে মানে কয়েকদিন পরেও শুরু হতে পারে। সুতরাং এই বিপুল সংখ্যক পেশেন্ট কে অবজার্ভেশন এ রাখা বা নিয়মিত পরীক্ষা নিরীক্ষার পরিকাঠামো নেই বলাই বাহুল্য। আর সবাই কে এক ধারসে এন্টিভেনোম দেওয়া মুশকিল।মনে রাখতে হবে এই এন্টি ভেনম কিন্তু পলিভ্যালেন্ট।
দুই, এন্টিভেনোম এর সাপ্লাই অপ্রতুল ও সাপ্লাই আসে সাউথ ইণ্ডিয়া থেকে।বাংলার সাপের বিষের চরিত্র অল্প হলেও আলাদা। সুতরাং সব ক্ষেত্রে কাজ করেনা।
তিন, যেহেতু সাপ্লাই অপ্রতুল, তাই অনেক ক্ষেত্রেই ডাক্তাররা কম সংখ্যক ভায়াল ইনজেক্ট করে। অর্থাৎ ইনএডিকোয়েট ডোজ। রিয়াকশন এর ভয় ও কাজ করে।
চার, একজাতীয় ভয়ংকর বিষধর, সাপ আছে, যার কামড়ের দাগ থাকে না। আশ্চর্য্য ব্যাপার কিন্তু সত্যি।সম্ভবত এদের বিষ এ এনাস্থেটিক এজেন্ট থাকে।
পাঁচ, সব থেকে বড় ব্যাপার হলো প্রচুর রোগী ওঝা, ঝার ফুঁক ইত্যাদি করে দেরিতে পৌঁছয়। এখানে বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রচার জরুরী।
ছয়, ভাইপার বাইট এর রোগী কয়েকদিন পর রেনাল ফেইলিওর এ মারা যায়। এদের জন্য দরকার ডাইয়া লিসিস এর সু ব্যবস্থা। যেটা পব তে খুব কম সেন্টারে আছে।




Avatar: b

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

সম্ভবতঃ করেত/চিতি/ডোমনা চিতির কথা বলছেন।খুব ছোটো সাপ। বিষ হল নিউরোটক্সিন, নার্ভ অকেজো করে দেয়।( গোখরো-ও তাই)। আর, এদের বিষের লেথাল ডোজ খুব কম, অনেক সময় লোকে টের পান না।
Avatar: sm

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

হ্যাঁ, ক্রেইট! আশ্চর্য্য এদের বাইট। তন্ন তন্ন করে খুঁজে ও পাওয়া যাবেনা। কোন ব্যাথা বা ফোলা থাকে না।
কামড়ায়, শেষ রাত্রিরের দিকে। ফলে রোগী বুঝতেই পারে না।
চোখ ঢুলে আসে। যাকে পরিভাষায় বলে টোসিস।
এটা আর্লি ডিটেক্ট করা অভিজ্ঞ ডাক্তার ছাড়া সম্ভব নয়।
পেশেন্ট কে বোঝানো ও কঠিন যে সাপে কামড়েছে।
এনিওয়ে, এক্ষেত্রে খালি এন্টিভেনোম দিলে চলবেক নাই, মাসল প্যারালাইসিস বন্ধ করার ঔষধ ও দিতে হবে।

Avatar: b

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

করেতের সাথে খুব মিল আছে, রঙের দিক দিয়ে, উলফ স্নেক-এর। নির্বিষ সাপ। আমাদের বাড়িতে একবার ঘাঁটি গেড়েছিলো। এক চেনাজানা ভদ্রলোক, সাপ নিয়ে কাঅরোবার, এসে ধরে দিয়ে গেছিলেন। উনি-ই বলেছিলেন, এগুলোর সাথে করেতের খুব মিল। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলেম, দেখে চিনবো কি করে? উনি বলেছিলেন, অসম্ভব। মানে কামড় খেয়ে দেখতে হবে আর কি।
Avatar: aka

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

ক্রেইট খুবই ভয়ংকর, নিউরোটক্সিক। গ্রামে বিছানায় ওঠে, কামড়ায়, রোগী ঘুমের মধ্যেই মারা যায়। কোবরা জেনারালি নিউরোটক্সিক। চন্দ্রবোড়া হেমাটোটক্সিক, রাসেল'স ভাইপার।

এই বইটির অপেক্ষায় রইলাম।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: এক সাপ পাগলের মনের কথা পড়ুন

সব দেশে এই সব পাগলদের খুব দরকার।

এপারে সরকারি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রেরও একই অবস্থা। প্রায় কোথাও সাপে কাটা রোগির চিকিৎসা নেই।

তবে কিছুদিন আগে ব্যতিক্রম দেখলাম টাংগাইলের মধুপুর বনাঞ্চল এলাকায়। সেখানে সাপের উৎপাত বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে পুরো এলাকায় তা ব্যাপক প্রচার করা হয়েছে।

লেখাটিতে বইটির সার সংক্ষেপ তুলে ধরলে আরো ভাল হতো। চলুক 👍


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন