souvik ghoshal RSS feed

souvik ghoshalএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...
  • পটাকা : নতুন ছবি
    মেয়েটা বড় হয়ে গিয়ে বেশ সুবিধে হয়েছে। "চল মাম্মা, আজ সিনেমা" বলে দুজনেই দুজনকে বুঝিয়ে টুক করে ঘরের পাশের থিয়েটারে চলে যাওয়া যাচ্ছে।আজও গেলাম। বিশাল ভরদ্বাজের "পটাকা"। এবার আমি এই ভদ্রলোকের সিনেমাটিক ব্যাপারটার বেশ বড়সড় ফ্যান। এমনকি " মটরু কে বিজলী কা ...
  • বিজ্ঞানের কষ্টসাধ্য সূক্ষ্মতা প্রসঙ্গে
    [মূল গল্প - Del rigor en la ciencia (স্প্যানিশ), ইংরিজি অনুবাদে কখনও ‘On Exactitude in Science’, কখনও বা ‘On Rigour in Science’ । লেখক Jorge Luis Borges (বাংলা বানানে ‘হোর্হে লুই বোর্হেস’) । প্রথম প্রকাশ – ১৯৪৬ । গল্পটি লেখা হয়েছে প্রাচীন কোনও গ্রন্থ ...
  • একটি ঠেকের মৃত্যুরহস্য
    এখন যেখানে সল্ট লেক সিটি সেন্টারের আইল্যান্ড - মানে যাকে গোলচক্করও বলা হয়, সাহেবরা বলে ট্র্যাফিক টার্ন-আউট, এবং এখন যার এক কোণে 'বল্লে বল্লে ধাবা', অন্য কোণে পি-এন্ড-টি কোয়ার্টার, তৃতীয় কোণে কল্যাণ জুয়েলার্স আর চতুর্থ কোণে গোল্ড'স জিম - সেই গোলচক্কর আশির ...
  • অলৌকিক ইস্টিমার~
    ফরাসী নৌ - স্থপতি ইভ মার একাই ছোট্ট একটি জাহাজ চালিয়ে এ দেশে এসেছিলেন প্রায় আড়াই দশক আগে। এর পর এ দেশের মানুষকে ভালোবেসে থেকে গেছেন এখানেই স্থায়ীভাবে। তার স্ত্রী রুনা খান মার টাঙ্গাইলের মেয়ে, অশোকা ফেলো। আশ্চর্য এই জুটি গত বছর পনের ধরে উত্তরের চরে চালিয়ে ...
  • চলো এগিয়ে চলি 3
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যখন ছোট তখন থেকেই দেখবেন মা -বাবা রা আমাদের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে শেখান।সাঁতার না জানলে পুকুরের ধারে যাবেনা,খোলা ইলেকট্রিক তার এ হাত দিতে নেই,ভিজে হাতে সুইচ বোর্ড ধরতে নেই, ইত্যাদি। আমাদের সন্তান রা যেহেতু ...
  • কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে
    কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগাল হলো শেষে!!বিষাণ বসুরায় বেরোনোর পর থেকেই, বেজায় খিল্লি।বস, আর চাপ নেই। সুপ্রীম কোর্ট ব্যভিচারকে আইনী করে দিয়েছে।আরেক মহল, জ্যেঠামশাইয়েরা, বলছেন, দেশের কী হাল। একশো তিরিশ কোটি মানুষের সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিলো কয়েকটা ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

পহেলি ঝাঁকি ও তারপর : বাবরি ধ্বংসের পঁচিশ বছর

souvik ghoshal

১৯৯২ সালের ৬ডিসেম্বর ভারতের ধর্ম নিরপেক্ষতার চরিত্র সম্পর্কে এক মৌলিক প্রশ্ন উঠে পড়ে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে। মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গেই স্লোগান উঠেছিল “ইয়ে তো পহেলি ঝাঁকি হ্যয়/ অব তো কাশী মথুরা বাকী হ্যয়”। কারা কীভাবে এই ধ্বংসকাণ্ডের ক্রীড়নক তা নির্দিষ্টভাবে খতিয়ে দেখতে নরসীমা রাও এর নেতৃত্বাধীন তত্কালীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘটনার দু সপ্তাহ পরে গঠন করেন এক সদস্যের লিবারহান কমিশন। লিবারহান ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশ উচ্চ ন্যায়ালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। এই কমিশনের রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল তিন মাসের মধ্যে। বাস্তবে অবশ্য এর মেয়াদ ৪৮ বার বাড়ানো হয় এবং সতেরো বছর পর বিচারপতি মনমোহন সিং লিবারহান তার রিপোর্ট ইউ পি এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের কাছে জমা দেন ৩০ জুন ২০০৯ এ।
বাবরি মসজিদ তৈরি হয়েছিল প্রথম মুঘল সম্রাট বাবরের নির্দেশে, ১৫২৭ সালে। উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যার রামকোট পাহাড়ের ওপর তৈরি এই মসজিদকে ১৯৪০ সালের আগে পর্যন্ত বলা হত ‘মসজিদ ই জনমস্থান’। একে ঘিরে বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই দানা বাঁধে। অনেকে মনে করেন এখানে একটি মন্দির ছিল এবং সেই মন্দির ভেঙে বাবরের নিযুক্ত অযোধ্যার প্রশাসক মীর বাকী এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। বাবরের আত্মজীবনী বাবরনামাতে এই ঘটনার কোনও উল্লেখ নেই তবে বাবরের সমকালীন সময়ের ঐতিহাসিক নথি ‘তারিখ ই বাবরি’তে বলা হয়েছে বাবরের সেনারা চান্দেরীতে অনেক হিন্দু মন্দির ধ্বংস করে। অন্যদিকে ঐতিহাসিক ও পুরাতত্ত্ববিদদের অনেকেই সেখানে কোনও মন্দির ভাঙার প্রমাণ নেই বলে মত প্রকাশ করেছেন। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া উত্তরপ্রদেশের এলহাবাদ হাইকোর্ট এর লক্ষনৌ বেঞ্চ এর নির্দেশে বাবড়ি মসজিদ এলাকায় একটি সমীক্ষা চালায়। তারা দশম শতাব্দী নাগাদ তৈরি এক হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্বের সম্ভাবনার কথা তাদের রিপোর্টে বলে। এর আগে আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে ১৯৭৫-৭৬ সাল নাগাদ করা বি বি লাল এর নেতৃত্বাধীন পুরাতাত্ত্বিক সমীক্ষার রিপোর্টেও এরকম মত প্রকাশ করা হয়েছিল।
বাবরি মসজিদকে ঘিরে স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই কিছু উত্তেজনা তৈরি হয়। ১৯৪৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মসজিদে রাতের অন্ধকারে রেখে দেওয়া হয় রামলালার মূর্তি। প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরু এই ঘটনাকে এক বিপদজনক সঙ্কেত বলেই মনে করেছিলেন এবং উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী গোবিন্দবল্লভ পন্থকে বলেছিলেন ওই মূর্তি ওখান থেকে সরিয়ে নিতে। ফৈজাবাদের ডেপুটি কমিশনার কে কে নায়ার অবশ্য এই কাজ করতে সম্মত হন নি এবং মূর্তিটি সেখানেই থেকে যায়। একজন পুরোহিত সেখানে বছরে একবার পুজোর অনুমতি পান। রাজীব গান্ধী তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে এই স্থিতাবস্থায় প্রথম পরিবর্তন আনেন। তিনি রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদের তালা খুলে সেখানে হিন্দুদের সর্বজনীন পুজোর অধিকার দেন। এই ঘটনার এক মাস আগে শাহ বানু মামলায় তিনি আদালতের রায়কে বিশেষ আইন বলে উলটে দিয়ে মুসলিম শরিয়ত এর নির্দেশ চালু করেছিলেন। এ নিয়ে দেশ জোড়া আলোড়ন তৈরি হয়। রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ এর বিতর্কিত সৌধের তালা খুলে হিন্দুদের পুজোর অধিকার দিয়ে তিনি এর ক্ষতিপূরণ করতে চাইলেন এবং স্থিতাবস্থা ভেঙে বিতর্কের নতুন অধ্যায়ের জন্ম দিলেন।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এর তালা খোলার দাবি সংক্রান্ত আন্দোলন এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছল। তারা এবার দাবি করল নতুন মন্দির নির্মাণের। করসেবকদের আন্দোলন শুরু হল। ১৯৮৯ এর নির্বাচনে রাম মন্দির আন্দোলনের আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি ব্যাপক সাফল্য পেল এবং ১৯৯২ সালে আদবাণী অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে গুজরাট থেকে শুরু করলেন তার রথযাত্রা। ডিসেম্বর মাসে লক্ষাধিক করসেবক জড়ো হলেন অযোধ্যায় এবং ৬ ডিসেম্বর প্রকাশ্য দিবালোকে ভেঙে দেওয়া হল বাবরি মসজিদ।
এই ধ্বংসকাণ্ডের কয়েকটি নির্দিষ্ট দিককে খতিয়ে দেখার জন্য তৈরি করা হয় লিবারহান কমিশন। এর মধ্যে ছিল –
১) ধ্বংসের ঘটনা পরাম্পরাকে খতিয়ে দেখা ২) এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ, উত্তর প্রদেশ সরকারের কর্তাব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্তাদের এই ঘটনার পেছনে দায় দায়িত্ব ৩) উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও খামতি ছিল কীনা ৪) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি ৫) সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়।
কমিশন সতেরো বছর পর যে রিপোর্ট পেশ করে তাতে আটষট্টি জনকে এই ঘটনার জন্য বিভিন্ন মাত্রায় দায়ী করা হয়। বাবরি ধ্বংস কর সেবকদের স্বতঃস্ফূর্ত আবেগের বহিঃপ্রকাশ – বিজেপির করে আসা এই ধারাবাহিক দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে কমিশন বলে এটি ধ্বংসলীলা ছিল এক সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। এই ঘটনায় বিজেপির সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের দায়ের কথা কমিশন বলে, যার মধ্যে ছিলেন এল কে আদবাণী, অটল বিহারী বাজপেয়ী, মুরলী মনহোর যোশী এবং বিশেষ করে উত্তর প্রদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কল্যাণ সিংহ। সঙ্ঘ পরিবার এর বিভিন্ন শাখা, বিশেষত তার মুখ্য সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে এই ধ্বংসকাণ্ডের জন্য প্রধানভাবে দায়ী করা হয়।
কমিশন উত্তর প্রদেশের তৎকালীন বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংকে কড়া ভাষায় অভিযুক্ত করে। সঙ্ঘ পরিবার যা যা চেয়েছিল কল্যাণ সিং এর সরকার তাই তাই করেছে বলে কমিশন মন্তব্য করে। পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে দেওয়া হয় সেই সমস্ত আধিকারিকদের যারা সঙ্ঘের কার্যকলাপে বাধাস্বরূপ ছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঢিলেঢালা করে তোলা হয়। তারা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট এর কাছেও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়। কলরাজ মিশ্র, উমা ভারতী, গোবিন্দাচার্য, শঙ্কর সিং বাঘেলা, বিনয় কাটিহার, সাক্ষী মহারাজ প্রমুখ বিজেপি নেতাদেরও কমিশন এই ঘটনার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী করে। কমিশন অবশ্য নরসীমা রাও এর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারকে এই ঘটনার জন্য দায়ী বলে মনে করে নি, যা খানিকটা অবাক করার মতো ব্যাপার।
স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের অন্যতম প্রধান কলঙ্কজনক অধ্যায়টি সংঘটনের জন্য যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে দোষী তাদের কারোরই শাস্তি হয় নি এই রিপোর্ট প্রকাশের এত বছর পরেও। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় ইউ পি এ সরকার দোষীদের শাস্তিদানের যথেষ্ট উদ্যোগ নেয় নি। আর কেন্দ্রের বর্তমান বিজেপি সরকার কোনও উদ্যোগ নেওয়া দূরে থাক, দেশ জুড়ে নতুন করে অসহিষ্ণুতার বাতাবরণ তৈরি করে চলেছে। বাবরি ধ্বংসের পঁচিশ বছরটিকে আর এস এস শৌর্য দিবস হিসেবে দেশজুড়ে সাড়ম্বরে পালন করছে। ভারত জুড়ে অসহিষ্ণুতা, সাম্প্রদায়িকতা, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে, ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে যে আন্দোলন চলছে, বাবরি ধ্বংসের ক্রীড়নকদের শাস্তির দাবি তার অন্যতম বিষয়।


22 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: নবেন্দু দাশগুপ্ত

Re: পহেলি ঝাঁকি ও তারপর : বাবরি ধ্বংসের পঁচিশ বছর


এখানে বি বি লাল যিনি আর এস এস-এর মতাম্বলি পুরাতাত্বিক বলে পরিচিত তাঁকে কোড করার মানে বুঝলাম না।
Avatar: সিকি

Re: পহেলি ঝাঁকি ও তারপর : বাবরি ধ্বংসের পঁচিশ বছর

বিনয় কাটিহার নয়, কাটিয়ার।

কাটিহার বিহারের একটা জায়গার নাম।
Avatar: এলেবেলে

Re: পহেলি ঝাঁকি ও তারপর : বাবরি ধ্বংসের পঁচিশ বছর

'ভারত জুড়ে অসহিষ্ণুতা, সাম্প্রদায়িকতা, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে, ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে যে আন্দোলন চলছে, বাবরি ধ্বংসের ক্রীড়নকদের শাস্তির দাবি তার অন্যতম বিষয়।'

তাই ? পশ্চিমবঙ্গ মানে যে রাজ্যকে আমরা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাজ্য বলে ভাবতে ভালোবাসি সে রাজ্যে রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্থাপিত হয়েছে শনিমন্দির নয়তো লোকনাথবাবার মন্দির । অজস্র চ্যানেল জুড়ে রোজ চলে জ্যোতিষীদের রমরমা । থানায় জোরকদম চলে কালীপুজো, বীরভূমে নতুন উদ্যমে শুরু হয় হনুমানপুজো । 'বড়মা'-র আশীর্বাদ পেতে মঞ্চের একদিকে বসে থাকেন মুকুল রায় অন্যদিকে গৌতম দেব । ত্বহা সিদ্দিকির পা ধোওয়া জল খেতে বামেদেরও আপত্তি নেই, তৃণমূলেরও । আর দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার হঠাৎই 'শিবভক্ত' হয়ে পড়েন এবং জ্যোতিষীদের পরামর্শ মোতাবেক মনোনয়ন জমা দেন ।

এঁদের শাস্তির দাবি জানানো হবে না ?


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন