সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর
    পর্ব ১-------( লালগড় সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে। শবর সম্প্রদায়ের সাতজন মানুষ সেখানে মারা গেছেন। মৃত্যু অনাহারে না রোগে, অপুষ্টিতে না মদের নেশায়, সেসব নিয়ে চাপান-উতোর অব্যাহত। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে বোধ হয় বিতর্কের অবকাশ নেই, প্রান্তিকেরও প্রান্তিক এইসব ...
  • 'কিছু মানুষ কিছু বই'
    পূর্ণেন্দু পত্রীর বিপুল-বিচিত্র সৃষ্টির ভেতর থেকে গুটিকয়েক কবিতার বই পর্যন্তই আমার দৌড়। তাঁর একটা প্রবন্ধের বই পড়ে দারুণ লাগলো। নিজের ভালোলাগাটুকু জানান দিতেই এ লেখা। বইয়ের নাম 'কিছু মানুষ কিছু বই'।বেশ বই। সুখপাঠ্য গদ্যের টানে পড়া কেমন তরতরিয়ে এগিয়ে যায়। ...
  • গানের মাস্টার
    আমাকে অংক করাতেন মনীশবাবু। গল্পটা ওনার কাছে শোনা। সত্যিমিথ্যে জানিনা, তবে মনীশবাবু মনে হয়না মিছে কথা বলার মানুষ। ওনার বয়ানেই বলি।তখনও আমরা কলেজ স্ট্রীটে থাকি। নকশাল মুভমেন্ট শেষ। বাংলাদেশ যুদ্ধও শেষ হয়ে গেছে। শহর আবার আস্তে আস্তে স্বভাবিক হচ্ছে। লোকজন ...
  • বিজ্ঞানে বিশ্বাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বাস বনাম প্রশ্নের অভ্যাস
    এই লেখাটি চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম ওয়েবম্যাগে প্রকাশিত। এইখানে আবারও দিলাম। যাঁরা পড়েন নি, পড়ে দেখতে পারেন। বিজ্ঞানে বিশ্বাস, চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশ্বাস বনাম প্রশ্নের অভ্যেসবিষাণ বসু“সোমপ্রকাশ। - স্বয়ং হার্বাট স্পেন্সার একথা বলেছেন। আপনি হার্বাট স্পেন্সারকে ...
  • অতীশ দীপংকরের পৃথিবী : সন্মাত্রনন্দের নাস্তিক পণ্ডিতের ভিটা
    একাদশ শতকের প্রথমদিকে অতীশ দীপঙ্কর বৌদ্ধধর্ম ও সংশ্লিষ্ট জ্ঞানভাণ্ডার নিয়ে বাংলা থেকে তিব্বতে গিয়েছিলেন সেখানকার রাজার বিশেষ অনুরোধে। অতীশ তিব্বত এবং সুমাত্রা (বর্তমান ইন্দোনেশিয়া) সহ পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিস্তৃর্ণ ভূভাগে বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের ...
  • the accidental prime minister রিভিউ
    ২০০৫ সালের মে মাসে ইউপিএ সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তিতে হঠাৎ একটা খবর উঠতে শুরু করল যে প্রধাণমন্ত্রী সব ক্যাবিনেট মিনিস্টারের একটা রিপোর্ট কার্ড তৈরি করবেন।মনমোহন সিং যখন মস্কোতে, এনডিটিভি একটা স্টোরি করল যে নটবর সিং এর পারফর্মেন্স খুব বাজে এবং রিপোর্ট কার্ডে ...
  • উল্টোরথ, প্রসাদ ও কলিন পাল
    ছোটবেলা থেকেই মামাবাড়ির 'পুরোনো ঘর' ব'লে একটি পরিত্যক্ত কক্ষে ঝিমধরা দুপুরগুলি অতিবাহিত হতো। ঘরটি চুন সুরকির, একটি অতিকায় খাটের নীচে ডাই হয়ে জমে থাকত জমির থেকে তুলে আনা আলু, পচা গন্ধ বেরুত।দেওয়ালের এক কোণে ছিল বিচিত্র এক ক্ষুদ্র নিরীহ প্রজাতির মৌমাছির ...
  • নির্বাচন তামসা...
    বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে। এবার হচ্ছে একাদশ তম জাতীয় নির্বাচন। আমি ভোট দিচ্ছি নবম জাতীয় নির্বাচন থেকে। জাতীয় নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেখার সুযোগ পেয়েছি বেশ কয়েকবার। আমার দেখা নির্বাচন গুলোর মাঝে সবচেয়ে মজার নির্বাচন ...
  • মসলা মুড়ি
    #বাইক_উৎসব_এক্সরে_নো...
  • কাঁচঘর ও ক্লাশ ফোর
    ক্লাস ফোরে যখন পড়ছি তখনও ফেলুদার সঙ্গে পরিচয় হয়নি, পড়িনি হেমেন্দ্রকুমার। কিন্তু, যথাক্রমে, দুটি প্ররোচনামূলক বই পড়ে ফেলেছি। একটির নাম 'শয়তানের ঘাঁটি' ও অপরটি 'চম্বলের দস্যুসর্দার'। উক্ত দুটি বইয়ের লেখকের নাম আজ প্রতারক স্মৃতির অতলে। যতদূর মনে পড়ে, এই ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল,দুধেতে পটিতে

Malay Bhattacharjee

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল
দুধেতে পটিতে
*******************

“স্যার , আর ইউ শিওর ইউ ওয়ান্ট টু টেক দিস সীট ?”

“কি ব্যাপার বলুন তো ? আমি সবসময়েই টিকিট বুকিং এর সময় ওই সীট টাই চাই। লম্বা লম্বা পা গুলো ছড়িয়ে বসা যায়। এত লম্বা ফ্লাইটে খুবি সুখকর। কোনবারেই টিকিট বুকিং এর সময় আপনারা এই সীট গুলো ফ্রী রাখেন না। আর এয়ারপোর্টে এসে কোনবার পাই ও না। তা এবার যখন খালি আছে, বারবার জিজ্ঞাসা করছেন কেন ?”

“ না স্যার, আসলে আপনার পাশের সীট টা এক ইনফ্যান্ট ফ্লাই করছে, মা আছে অবশ্

আরও পড়ুন...

নিউ এইজ জিগোলো সার্ভিস

Muradul islam

আমি, দিপু, অপু আর বিপ্রদাশ; চার বন্ধু একসাথে মিলে সন্ধ্যার পরে চা খাই আর জগতের নানাবিদ বিষয় নিয়া আলোচনা করি। আমাদের জীবন প্রায় নিস্তরঙ্গ, তাতে বিশেষ কোন চড়াই উৎরাই নাই। ফলে আমরা জগত সংস্লিষ্ট আলাপের ফুসরত পাই এবং আমাদের মনে হয় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন এক কাজ।

এইসব আলাপের চরিত্র কীরকম হয়, তা হয়ত আপনাদের অনেকেই বুঝতে পারছেন। পরিচিত, দূর পরিচিত মহিলা ও পুরুষদের বিষয়ে, ছেলে ও মেয়েদের বিষয়ে, নানা রাজনৈতিক বিষয় নিয়া, কখনো কখনো হালকা দার্শনিক বিষয়াবলীও আমাদের আলোচনায় চলে আসে। কিন্তু কোন আলাপই আম

আরও পড়ুন...

সহবাস

Abhijit Majumder

সহবাস ১

-ওই কোণের ছেলেটাকে দ্যাখ। ঘ্যাম দেখতে। তোকে দেখছে।
-উরি শ্লা, এ তো পুরো হট প্রপার্টি রে। কিন্তু কি ব্যপার বলতো, মাল, তুই ছেলে দেখছিস কেন? চেঞ্জ-ফেঞ্জ হয়ে গেলি না কি? আমার চান্স আছে?
-বা-আ-ল। তোর জন্য দেখছি বে। না হলে তো সারা জীবন এইরকম আমার রুমমেট হয়ে থাকবি আর আমার সঙ্গে শপিং করে আর সিনেমা দেখে কাটিয়ে দিবি। মাঝখান থেকে আমার আর গার্লফ্রেন্ড জুটবে না।
--আচ্ছা, দাঁড়া তোর জন্যও জোটাচ্ছি। ওই সামনের নীল কুর্তি পছন্দ?
-ধুস। ওর থেকে তো শালা তুই বেটার।

*******<

আরও পড়ুন...

দক্ষিণের কড়চা

Parthasarathi Giri

দক্ষিণের কড়চা


▶️


আমাদের সংস্থান ভিন্ন। আমাদের আনন্দ আলাদা, অভিমান আলাদা। আমাদের পদশব্দও আলাদা। আমাদের পাপ আলাদা। লকার আলাদা।

▫️

কোনো কোনো মুহূর্তে বৃত্ত ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। পুকুরের জলে ঢিল ছুঁড়েছিলে, তাই কাটাকুটি খেলা। সন্ধ্যে নামার আগে তেচোখো মাছেরা খলবল করে অখন্ডিত আলোয়। তখন জলতলে ছায়া নামছে বলে কুঁচবক উড়ে যাবে দূর শিরিষের চূড়োয়। একটি বৃত্ত ক্রমশ মিলিয়ে গেল বলে আরেকটি বৃত্তের ঢেউ দিই। এই তো মেলেছে পার্বণ তোমাকে নির্বাসন দিইনি বলে। ঢেউ ঢেউ তরঙ্গ তরঙ্গ

আরও পড়ুন...

বড়দিন

Abhijit Majumder

না, আমাদের ছোটবেলায় বাড়িতে কখনো ফ্লুরিজের কেক আসে নি। নাহুমসেরও না। আমাদের ভাঙাচোরা ভাড়ার বাড়িতে ওইসব নাম শুনিই নি কখনো। ইন ফ্যাক্ট, মনে আছে ফ্লুরিজের নাম প্রথম পড়ি সত্যজিতের কোনও একটা গল্পে। আমার মা রান্না করত কেরোসিন স্টোভে। কখনো কেক-টেক বেক করেন নি ভদ্রমহিলা। করতে জানেন বলেও মনে হয় না। পিঠেপুলি, পাটিসাপ্টা করেছেন অনেক। তবে সে গল্প অন্যদিন।

তার মানে কি আমাদের বাড়িতে বড়দিনের কেক হত না? হতই তো। কেক আসত জলযোগ থেকে। ফ্রুটকেক। আমরা বলতাম পাঁউরুটি কেক। আর আসত মায়ের অফিস ক্যান্টিন

আরও পড়ুন...

বড়দিনের কেক

শক্তি দত্তরায় করভৌমিক

আঠারোমুড়া পাহাড়ের গায়ে সোনালী সোনালী খোড়ো ঘর। জুমিয়াদের গ্রাম। শীত নেমেছে কুয়াশা জড়িয়ে। জম্পুইএর কমলা ঝুড়ি ভরে একটু করে সীম বেগুন লাইপাতা ঢেঁকী শাকের পাশে বসে বাজারে কমলা রঙের আভা ছড়াচ্ছে। পৌষ মাস - সংক্রান্তি আছে। মুগের পিঠা মাছের পিঠা একঘরে কেউ যদি করে সব ঘরের বাচ্চারা ভাগ পায়। দুধের বাচ্চাগুলোরও ফর্সা গালে লালি গুড়ের লাল ছোপ ছোপ, মায়ের পিঠে কাপড় দিয়ে বাঁধা। ঘুমোচ্ছে আর জিভ দিয়ে গাল চাটছে। মায়ের মাথায় কনকের কি বয়রা লাকড়ীর বোঝা। বড় রাস্তার ধারে বাস ট্রাকের মালিকেরা দাম দিয়

আরও পড়ুন...

আমি তোমার বক্তব্যের বিরুদ্ধে, কিন্তু বলার অধিকারের পক্ষে

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

২০১৫ সালের সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হবার পর, ফরাসী দেশের একটি সুবিখ্যাত কার্টুন উৎপাদক পত্রিকা শার্লি হেবদো (নাকি অন্য কোনো উচ্চারণ হবে কে জানে) এখন একটি অতি পরিচিত নাম। এদের অফিসে হামলার পর, আমি, আপনি সহ প্রায় গোটা দুনিয়া হাতে হাত মিলিয়ে মৌলবাদের বিরুদ্ধে এবং বাক-স্বাধীনতার পক্ষে থাকার শপথ নিয়েছিল। ফ্রান্সের নানা শহরে হয়েছিল বিরাট মিছিল। এবং জন্ম হয়েছিল একটি নতুন বাক্যাংশের। Je suis charlie। অর্থাৎ কিনা 'আমিই শার্লি'। ওই ঘটনার পর এই বাক্যাংশটিতে ক্রমশ বাক-স্বাধীনতার এবং সহমর্মিতা জ্ঞাপনের প্রত

আরও পড়ুন...

টুকরো ঘটনা

Arijit Guha

সকালে উঠেই জয়রাজ ভট্টচার্যের এই পোষ্টটা পেলাম।এর সাথে আমারও কিছু কথা মনে পড়ে গেল।আগে ওর লেখাটা দিই।

গনেশ ঘোষের তখন বাহাত্তর তিয়াত্তর বছর বয়স, সিদ্ধার্থর সরকার রাজ্যে, দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে তাঁকে হারিয়েই প্রিয়রঞ্জন প্রথমবার সাংসদ। কিছু চ্যাংড়া কংগ্রেসি কালী পুজোর চাঁদা চাইতে বাড়িতে গেছে। তার বিখ্যাত অতি নম্র গলায় গনেশ ঘোষ বলেন- আমি তো কম্যুনিস্ট, পুজোতে চাঁদা দিই না, আপনারা কোন সমাজকল্যাণের কাজে চাঁদা চাইলে নিশ্চই দেবো। মানুদা, প্রিয়দার জমানা, কাটা পাইপের ছিটকিনি লাগানো মেশিন বের

আরও পড়ুন...

ভিটের টান

Malay Bhattacharjee

ভিটের টান
**********

(১)

দাঁতে দাঁত চেপে বসেছিল অর্ক সেন। তাজ বেঙ্গল হোটেলের ক্রিস্টাল হলে বাণিজ্য জগতের রথী মহারথীদের ভিড়। কে নেই আজ এই সভায়? ইমামির গোয়েংকা, আগারবাল, আম্বুজার হর্ষ নেওটিয়া, বন্ধন ব্যাংক এর এম ডি, বিক্রম সোলার এর এম ডি, অর্থমন্ত্রী ডঃ অমিত মিত্র..... মানে সারা বাংলার বাণিজ্য জগতের "হু ইজ হু" সবাই আজ উপস্থিত। ইকনমিক টাইমস আর বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর এই অনুষ্ঠান টি করা হয়। সর্বোচ্চ কর্মসংস্থানকারী সংস্থা, সর্বাধিক লাভকারী সংস্থা, সর্

আরও পড়ুন...

আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মীসংগঠন

স্বাতী রায়

হায় আইটি ইন্ডাস্ট্রি! তোমার স্বর্ণযুগ ফুরাইয়াছে! জয়েন করিলেই আমেরিকায় লং টার্ম অ্যাসাইনমেন্ট নাই, পাড়া প্রতিবেশীর কাছে “বিলেত-ফেরত” আখ্যায় ভূষিত হইবার সুযোগ ক্রম-সঙ্কুচিত, তদুপরি পিতৃ-পিতামহের কালে না শোনা হায়ার-এন্ড-ফায়ার নীতির ব্যবহার শুরু ! এ যে ঘোর কলিকাল! এবং কলিকালের অন্যতম লক্ষণ যে কর্মী- সংগঠন, এখন তাহাই সকলের ভরসা!

নাঃ এবার একটু সিরিয়াস কথা! ... বলার আগে একটু গৌর-চন্দ্রিকা প্রয়োজন। প্রথমতঃ আমার ব্যক্তিগত পরিচয় শুধু আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে, আইটিইএস সম্বন্ধে আমার বিন্দুমাত্র ধারনা

আরও পড়ুন...

জেরুজালেম বিতর্ক প্রসঙ্গে কয়েকটি কথা

souvik ghoshal


মেসোপটেমিয়া ও নীলনদের মতো দুই বিখ্যাত সভ্যতাভূমির মাঝের অঞ্চলে ইজরায়েলের আদিম অধিবাসীরা বসতি স্থাপন করেছিল। তারা নিজেদের জেকবের উত্তরসূরী বলত। প্যালেস্টাইনের হার্বন নগরীকে কেন্দ্র করে তাদের বসতি গড়ে উঠেছিল। ইহুদী বাইবেলের মতে জেকবের বারোজন পুত্র ছিল এই পুত্রদের থেকে এক একটি গোত্রর জন্ম হয়েছে। এক বিরাট দুর্ভিক্ষের পর জেকব ও তার পুত্ররা সঙ্গীসাথীদের নিয়ে ইজরায়েল ত্যাগ করে মিশরে চলে যেতে বাধ্য হয়। তাদের উত্তরাধিকারীরা কালক্রমে মিশরে দাসের মতো জীবনযাপনে বাধ্য হয়। চারশো বছরের দাসত্বের পর ইজরায়ে

আরও পড়ুন...

বিজয় দিবস

Muhammad Sadequzzaman Sharif

১৬ ডিসেম্বর,১৯৭১ সালে আসলে কি হয়েছিল? পাকিস্তান বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল মিত্র বাহিনীর কাছে, মেজর জেনারেল জ্যাকব আত্মসমর্পণের সমস্ত আয়োজন করেছিলেন,লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে লে. জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেন। মোটামুটি ১৬ তারিখের মূল আলোচিত ঘটনা এমনই। এই বছর গত ১৪ আগস্ট ভারতীয় টিভি চ্যানেল সনির sony liv নামক ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি নামে একটা শর্ট ফিল্ম প্রকাশ করে। তারা যদিও কোথায় উল্লেখ্য করেনি যে এটা পুরোটা সত্য ঘটনার উপরে নির্ভর করে বানানো হয়েছে। কিন্তু মানুষ কেন জানি

আরও পড়ুন...

বুড়ু'র পাখপাখালী'রা

Jhuma Samadder

বুড়ু'র পাখপাখালী'রা
ঝুমা সমাদ্দার।
"জানিস, আজ এখানে আকাশ'টা কুয়াশার কাছে দশ গোল খেয়ে বসে আছে।" সক্কাল বেলাতেই ফোনের ওপারে বন্ধু।
মনের জানালা খুলতেই স্পষ্ট ফুটে উঠল , সে দেশের ‎মেঘলা আকাশ,ঝিরঝিরে বৃষ্টি, পাগলা হাওয়ায় শিরশিরে শীত ।
বাবা বলতেন - "অঘ্রানে বৃষ্টি...চাষের বড় ক্ষতি।"
কী জানি কী একটা ইংরিজি বই হাতে নিয়ে উল্টোতে উল্টোতে চোখেমুখে দুশ্চিন্তা নিয়ে মাথা নাড়তেন বাবা। বাবার সঙ্গে দূর-দুরান্তেও চাষের কোনো সম্পর্ক নেই, তবু বাবার এমন দুশ্চিন্তার কারণ ঠাহর হোতো না মোটেই।

আরও পড়ুন...

সুইডেনে সুজি

Malay Bhattacharjee

আঁতুরঘরের শিউলি সংখ্যায় প্রকাশিত এই গল্পটি রইল আজ ঃ

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল

সুইডেনে সুজি

#############

পিওন রবি এসে টেবিলে এপ্রুভাল এর কাগজ টা রাখতেই দিল টা খুশ খুশ হয়ে গ্যালো। ভিপি সাহেবের সই করা নোট। সুইডেনে ভলভোর ফ্যাক্টরি দেখতে যাওয়ার সাত দিনের অনুমতি সহ।

কর্ণাটক এর হোসাকোটে তে ভলভো ট্রাক এর নতুন ফ্যাক্টরি হচ্ছে। সেখানে ট্রাক পেইন্ট শপ তৈরি করার অর্ডার টা ধরেছি মাস খানেক হল। ভলভোর দিক থেকে সমস্ত প্রযুক্তিগত কাজ কর্ম দেখছেন ভলভো সুইডেন থেক

আরও পড়ুন...

প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা

Sakyajit Bhattacharya

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভারসিটির এক অধ্যাপক, সর্বজয়া ভট্টাচার্য্য একটি পোস্ট করেছিলেন। তাঁর কলেজে শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে অবাধে গণ-টোকাটুকি, শিক্ষকদের কোনও ভয়েস না থাকা, এবং সবথেকে বড় যেটা সমস্যা, শিক্ষক ও ছাত্রদের কোনও ইউনিয়ন না থাকার সমস্যা নিয়ে। এই পর্যন্ত নতুন কিছুই নেই। প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই সমস্যাগুলো এতদিনে সকলের জানা।

এবার, সম্ভবত টেকনো ইন্ডিয়ার এক ছাত্র, সৌভিক, তার বিপরীতে একটি লেখা লিখেছে। লেখাটা খুব কাঁচা, আবেগপূর্ন, অভিযোগের উত্তর না দিয়ে পালটা অভিযোগ এসবে ভর্তি। কিন্তু যেটা

আরও পড়ুন...

চিরতরে নির্বাসিত হবার তো কথাই ছিল, প্রিয় মণিময়, শ্রী রবিশঙ্কর বল

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

"মহাপৃথিবীর ইতিহাস নাকি আসলে কতগুলি মেটাফরের ইতিহাস"। এসব আজকাল অচল হয়ে হয়ে গেছে, তবু মনে পড়ে, সে কতযুগ আগে বাক্যটি পড়ি প্রথমবার। কলেজে থাকতে। পত্রিকার নাম, বোধহয় রক্তকরবী। লেখার নাম ছিল মণিময় ও মেটাফর। মনে আছে, আমি পড়ে সিনহাকে পড়াই। আমরা দুজনেই তারপর কিছুক্ষণ থম হয়ে যাই। মুগ্ধ হয়ে নয়। মুগ্ধতা-টুগ্ধতা অতি তুচ্ছ কথা। লোকে হরবখৎ নানা জিনিস দেখে মুগ্ধ হয়েই চলেছে। সৌরভ গাঙ্গুলির কভার ড্রাইভ, ডায়মন্ডহারবারের সূর্যগ্রহণ, সোনি ব্রাভিয়া। এ লেখায় ওইসব নৈসর্গিকতা নেই, নেভিল কার্ডাসীয় শব্দবাজির প্রশ্নই নেই

আরও পড়ুন...

বাংলা ব্লগের অপশব্দসমূহ ~

বিপ্লব রহমান

*সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: বাংলা ব্লগে অনেক সময়ই আমরা যে সব সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করি, তা কখনো কখনো কিম্ভুদ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন ব্লগার বা সাধারণের কাছে এসব অপশব্দ পরিচিত নয়। এই চিন্তা থেকে এই নোটে বাংলা ব্লগের কিছু অপশব্দ তর্জমাসহ উপস্থাপন করা হচ্ছে।

বলা ভালো, এটি মোটেই কোনো গূঢ় গবেষণাকর্ম নয়। নিছকই ব্লগাড্ডা মাত্র। তবে রীতিমত প্রাপ্তমনস্কদের জন্য লেখা।

ভাটিয়া৯ র প্রচলিত অপশব্দ যোগ করে নোটটির শ্রীবৃদ্ধির জন্য জনতার কাছে আবেদন রইল।

হ্যাপি ব্লগিং। 😎
---
১। ছাগু = ছাগ

আরও পড়ুন...

অ্যাপ্রেজাল

সুকান্ত ঘোষ

বছরের সেই সময়টা এসে গেল – যখন বসের সাথে বসে ফর্মালি ভাঁটাতে হবে সারা বছর কি ছড়িয়েছি এবং কি মণিমুক্ত কুড়িয়েছি। এ আলোচনা আমার চিরপরিচিত, আমি মোটামুটি চিরকাল বঞ্চিতদেরই দলে। তবে মার্ক্সীস ভাবধারার অধীনে দীর্ঘকাল সম্পৃক্ত থাকার জন্য বঞ্চনার ইতিহাসের সাথে আমি প্রবলভাবে ফ্যামিলিয়ার। সেই ভাবধারার অনেক কিছু ভুলে গেলেও মূল সারবস্তু মাথায় গেঁথে আছে – “নিজের অবস্থার জন্য সর্বদাই পরকে দায়ী করবে, তুমি না টের পেলেও জানবে যে সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত সবসময় তোমার মাথার উপর ঘুরপাক খাচ্ছে”। সেই আমি যখন ক্যাপিটালিষ্ট

আরও পড়ুন...

মিসেস গুপ্তা ও আকবর বাদশা

Prativa Sarker

এক পার্সি মেয়ে বিয়ে করলো হিন্দু ছেলেকে। গুলরুখ গুপ্তা তার নাম।

লভ জিহাদ? হবেও বা। লভ তো চিরকালই জিহাদ।
সে যাই হোক,নারীর ওপর অবদমনে কোন ধর্মই তো কম যায় না, তাই পার্সিদেরও এক অদ্ভুত নিয়ম আছে। ঘরের মেয়ে পরকে বিয়ে করলে সে স্বসম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেবার অধিকার হারাবে। যেমন,হিন্দু মেয়েরা মুসলমানকে বিয়ে করলে আর পুজোআচ্চা নয়, বা মুসলিম মেয়ের হিন্দু স্বামী কি তাকে নমাজ পড়ার অধিকার দেয় !

তো গুলরুখও তেমনি একরোখা। সোজা কোর্টের দরজা নেড়ে দিল জোরসে --- আমি কেন টাওয়ার অব সাই

আরও পড়ুন...

সমবেত কুরুক্ষেত্রে

Sumana Sanyal

"হে কৃষ্ণ, সখা,আমি কীভাবে আমারই স্বজনদের ওপরে অস্ত্র প্রয়োগ করবো? আমি কিছুতেই পারবো না।" গাণ্ডীব ফেলে দু'হাতে মুখ ঢেকে রথেই বসে পড়েছেন অর্জুন আর তখনই সেই অমোঘ উক্তিসমূহ...রণক্ষেত্রে কেউ স্বজন নয়। হে পার্থ,তুমি যা করছো, তা আমারই ইচ্ছায়। শরীর কে হনন করলেও আত্মা নিহত হন না। সেই অঙ্গুষ্ঠ পরিমাণ পুরুষ ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে। অত:পর ধর্মযুদ্ধে অর্জুন আবার অস্ত্র ধরলেন। ইতিপূর্বে পরশুরামের কুঠার অনেকবার ক্ষত্রিয়শূন্য করেছে এই দ্যাবা পৃথিবী কে। সেও এক অন্য ধর্মযুদ্ধ। ভারতবর্ষের আদি অধিবাসী,কালো মানুষটি

আরও পড়ুন...

আলফা গো জিরোঃ মানুষ কি সত্যিই অবশেষে দ্বিতীয়?

Swarnendu Sil

আরও একবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের এই চিরন্তন প্রশ্নটার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে -- আমরা কিভাবে শিখি, কিভাবে চিন্তা করি। আলফা গো জিরো সেই দিক থেকে টেকনোক্র্যাট দের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ।
দাবার শুধু নিয়মগুলো বলে দেওয়ার পর মাত্র ৪ ঘণ্টায় শুধু নিজেই নিজের সাথে খেলে দাবা খেলা শিখে আজকের সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিন স্টকফিশের সাথে ১০০টা ম্যাচে ২৮টা জিতেছে, একটাও হারেনি আর ৭২টা ড্র, অবিশ্বাস্য। হ্যাঁ, স্টকফিশকে তার ওপেনিং লাইব্রেরি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি, ঠিকই। কিন্তু তাও অবিশ্বাস্য।
মানুষের শেখার

আরও পড়ুন...

ছড়া

শক্তি দত্তরায় করভৌমিক

তুষ্টু গতকাল রাতে বলছিলো - দিদিভাই,তোমার লেখা আমি পড়ি কিন্তু বুঝিনা। কোন লেখা? ঐ যে - আলাপ সালাপ -। ও, তাই বলো। ছড়া তো লিখি, তা ছড়ার কথা যে যার মতো বুঝে নেয়। কে কবে লিখেছে লোকে ভুলে যায়, ছড়াটি বয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মা মেয়েকে শেখান, দাদু নাতিকে বলেন। নাকছাবিটি হারিয়ে গেছে হলুদবনে বনে, সুখ নেইকো মনে। কার নাক ছাবি, কেই বা দিয়েছিলো? এত জঙ্গল থাকতে যদি হলুদবনেই পড়ে থাকে সেটা জানা থাকতে খুঁজে পাওয়া এমনই কি অসুবিধার, সাতনরী হার নয়, কানপাশা নয়, তবু কবেকার নাকছাবিটির জন্যে মন

আরও পড়ুন...

পরিবর্তনের স্ট্যাসিস

Writobroto Ghosh

প্রাচীনকালে ভাস্করদের আঙুল কেটে ফেলতে ফেলতে এমন একটা অবস্থা হল যে
বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ভাস্কর মৃৎকর পটুয়া পাওয়াই দুষ্কর হয়ে উঠলো।
কেউ আর যেচে পঙ্গু হয়ে অসমর্থ হয়ে বেরোজগারী হতে চাইতো না।
ফলত কি হোলো, ভাষ্কর্যের প্রথা লুপ্ত হয়ে ছিলো।
বহুকাল পর,
এই শাসনকালের অবসানে এবং পরবর্ত্তী শাসনের আক্কালে এহেন বর্বরতার সমাপ্তি উপলব্ধি করে আবার আবির্ভাব হলো ভাস্করের।
অতীতে নির্মিত সৌধের পাশে, কখনো সামনে, মূর্তি বা ধূসর অবয়ব স্থাপিত হচ্ছিলো।
একজন ভাস্কর তৎ পর নব নির্মাণে প্রগতিশীল হত

আরও পড়ুন...

অবশেষ ঘুমের

Writobroto Ghosh

অবশেষ ঘুমের, ছেঁড়াখোঁড়া স্বপনের রেশ,

সুর হয়ে আধোঘুম, বিবৃতি পড়ে আছে

ধূলার ওপর,

অনুভূতি তরল হয়ে

তলাকার আকার

ধীরে ধীরে চুঁয়ে এসে ধরা পড়ে

একজোট হয়

অতঃপর সারবদ্ধ তারা চলতে থাকে,

সেতু পার হয়ে অন্যপারে,

এবারে তাদের অন্য পরিচয় আর,


অঘ্রাণ এসে দখল করে প্রকৃতি, পাতাদের

কেশর, পরাগরেণু, পাপড়ি, ঘ্রাণ

তাই অঘ্রাণ মাস

কেকা কর্কশ প্রগাঢ় রাত

এভাবেই নিঃসঙ্গ হতে হতে প্রাণ

আরও পড়ুন...

এবং ফেক আইডি....

Zarifah Zahan


১.

সে এক পেল্লাই দেশ। নয় নয় করেও কমসে কম তাতে ১০০ কোটি প্রজাগণ, চারিদিকে তারা যুক্তির শো-পিস দেওয়ালে ঝুলিয়ে রেখেছে, মগজে কলকলিয়ে ওঠা জ্ঞানের ভান্ডারদের সেখানে চৈত্রসেল সুলভ 'সাজান' ডজন-ডজন জিবি বুদ্ধির কেনাবেচা চলে প্লট না থাকা বাংলা সিরিয়ালের ব্যাকগ্রাউন্ডে ষাটের মেলোডির ঢেঁকুর তোলার ধুনে। রাজসভাও আছে একখানা। রাজাকে সাহায্য করতে পরিষদবর্গের ঢাল-তরোয়াল, যাকে বলে ফিবোন্যাকি সিরিজের লিমিট।
একদিন রাজামশাই হুকুম দিলেন :

"প্রজাগণ, জেনে রাখ সবে
আজি হতে তবদিগে মুখোশ পরিতে

আরও পড়ুন...

দক্ষিণের কড়চা

Parthasarathi Giri

দক্ষিণের কড়চা

আসুন পাঠক, ব্রায়ান মন্ডলের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই। অবশ্য এই নামে নামের মালিক এখন একটি ফিঁচেল হাসি হাসবেন, একটু যেন গরিমাও হয়ত আপনার চোখে পড়তে পারে। তার আড়ালে একটি ছোট্ট অতীত লুকিয়ে আছে।
ষোল বছর আগে ব্রায়ানের বাপ হ্যারি ওরফে হারানের ডাক পড়েছিল ক্যানিং সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুলের হেডমাস্টারের কেবিন থেকে। ব্রায়ান চতুর্থ শ্রেণি টপকিয়ে জুনিয়র হাই-তে যাচ্ছে।
ক্ষেতে তখন শশা আর বেগুন ঢলে পড়েছে দস্তুর মতো। কোনোক্রমে হাতের কাদা ধুয়ে, হেঁটো ধুতি একটু নামিয়ে টামিয়ে হেডমাস্টুরের কেবি

আরও পড়ুন...

বুচির মা

Alpana Mondal



দিন দুয়েক আগে বুচির মা ফোন করেছিল। সে নাকি শুনেছে আমি জি টিভিতে এসেছিলাম। বিশ্বাস করতেই পারেনি আমিই সেই আলপনা নাকি। আমরা গৌরাঙ্গ নগরের বস্তিতে একই বাড়িতে ভাড়া থাকতাম। একই এলাকায় বাবুদের বাড়ি কাজ করতাম, একই কলতলায় চান করতাম।বুচির মা'র আসল নাম কি সে বোধহয় নিজেই ভুলে গেছে, আমি তো কেবল বুচির মা বলেই জানি।পৃথিবীতে যে কয়েকজন মানুষ আমাকে নি:স্বার্থ ভাবে ভালো বেসেছে বুচির মা'র নাম তাদের মধ্যে সবার ওপরের দিকে থাকবে।

আমি দুপুরে কাজ সেরে এসে একটু ঘুমিয়ে নিতাম, ভোর ছটা থেকে এক নাগাড়ে চ

আরও পড়ুন...

পহেলি ঝাঁকি ও তারপর : বাবরি ধ্বংসের পঁচিশ বছর

souvik ghoshal

১৯৯২ সালের ৬ডিসেম্বর ভারতের ধর্ম নিরপেক্ষতার চরিত্র সম্পর্কে এক মৌলিক প্রশ্ন উঠে পড়ে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে। মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গেই স্লোগান উঠেছিল “ইয়ে তো পহেলি ঝাঁকি হ্যয়/ অব তো কাশী মথুরা বাকী হ্যয়”। কারা কীভাবে এই ধ্বংসকাণ্ডের ক্রীড়নক তা নির্দিষ্টভাবে খতিয়ে দেখতে নরসীমা রাও এর নেতৃত্বাধীন তত্কালীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘটনার দু সপ্তাহ পরে গঠন করেন এক সদস্যের লিবারহান কমিশন। লিবারহান ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশ উচ্চ ন্যায়ালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। এই কমিশনের রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল তিন মাসের মধ

আরও পড়ুন...

দক্ষিণের কড়চা

Parthasarathi Giri

দক্ষিণের কড়চা

একটা প্রাচীন দীঘির পাড়ে জায়গাটা বড়ো বড়ো ঝাঁকড়া গাছে ঘেরা। বালি ফুঁড়ে উঠেছে দীর্ঘশির গাছগাছালি। শিরিষ জাম মুচকুন্দ, এবং ঘন বাঁশঝাড়ে আকীর্ণ।

উপকূলীয় বালিয়াড়ির একটা শাখা হিন্টারল্যান্ডের ভেতরে ঢুকে এসেছিল বহু শতক আগে। তখন এই তটরেখা ধরে নদী বহতা ছিল। এখন অনেকটা দক্ষিণ পূর্বে সরে গিয়েছে। রসুলপুরের নদী। সে নদীর কোনো নামগন্ধই আর এখানে পড়ে নেই। রয়ে গিয়েছে হলুদ নোনা বালির ঢিবি এবং উঁচু বাঁধের ওপরে একটি একাকী তিন্তিড়ি বৃক্ষ।

নদীতে চলাচলকারী বড়ো বড়ো নৌকার রশি বাঁধার

আরও পড়ুন...

সেদিন ভীষণ রাগে যুদ্ধ হবে।

Sushovan Patra

মিত্তির মশাই সকালে মেরি বিস্কুট চায়ে ডুবিয়ে আনন্দবাজার পড়েন। চিত্তরঞ্জন পার্কের অগ্নিমূল্য সবজি বাজারে ২টাকা বাঁচাতে দরদাম করেন। তারপর ধোঁয়া ওঠা ভাতে ঘি মেখে খেয়ে, হাতের গন্ধ শুকতে শুকতে অফিস বেরিয়ে পড়েন।
মিত্তির মশাই’র সরকারী চাকরি আছে। ই.পি.এফ আছে; মেডিক্লেম আছে। একটা মিউচুয়াল ফান্ড আর দুটো এল.আই.সি আছে। ছুটির দিনে সর্ষে ইলিশের জোগাড় আছে।
মিত্তির মশাই’র সেদিন বড্ড ভোগান্তি গেছে। পার্লামেন্ট স্ট্রিটে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে আধ-ঘণ্টা ট্রাফিকে কেটেছে। অ্যাটেন্ডেন্স রেজিস্টারে সই করতে গিয়ে ব

আরও পড়ুন...

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল, অমর্ত্য সেন

Malay Bhattacharjee

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল

অমর্ত্য সেন

#########

২০০২ সাল। ঠিক পূজোর আগে আগে হেড অফিস যেতে হয়েছে। খুব সম্ভবত মহালয়ার দিন পৌঁছেছি। দিন চার এর কাজ সেরে পঞ্চমীর দিন কলকাতায় ফিরে আসবো, আসতেই হবে, এই ভাবে টিকিট করিয়ে যাত্রা করেছি। প্রথম তিন দিন রুটিন মাফিক কাজ কর্ম এগিয়েছে। চতুর্থ দিনে আমাদের এম ডি সাহেবের ফাইনাল রিভিউ মিটিং। আমি এবং আমার জার্মান কলিগ সকলেই মোটামুটি নিশ্চিত কাজ ঠিক সময়ে শেষ করে আমি আমার "স্যাস্টি" র দিন বাড়িতেই থাকতে পারবো। হঠাৎ বিনা মেঘে বজ্রপাত। মিসেস

আরও পড়ুন...

সুমনা সান্যাল

Sumana Sanyal

আজ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং আরও অনেককেই বলতে শুনলাম মেয়েদের স্কুলে পুরুষ শিক্ষক কেনো থাকবেন। এ তো অদ্ভুত ব্যাপার। তাহলে পুরুষ শিক্ষক মাত্রেই ধর্ষক? আমি নিজে মেয়েদের স্কুলে পড়েছি। সেখানেও কিন্তু চারজন পুরুষ শিক্ষক ছিলেন। অবশ্য আশি র দশকে পিডোফিলিয়ার দুর্গন্ধ ছড়ায়নি আজকের মতো। আমরা কিন্তু স্কার্ট পরেই স্কুলে যেতাম,সদ্য বড়ো হওয়ার সময়েও। মেয়েকে পুরুষ শিক্ষকের কাছে পড়তে পাঠাবেন তো? নাকি ব্যাচে বা বাড়িতে নিজে পাহারা দেবেন? এই ঘটনায় পুরুষ জাতিই যেন ঘৃণ্য হয়ে গেলো। সমস্ত পুরুষ শিক্ষক যেন রেপ

আরও পড়ুন...

চাঁদনী

Swati Ray

"আজ্ঞে আমি কুসুম সরেণ, গেরাম বল্লভপুর জিলা বীরভূম " বলেই কুসুম তাড়াতাড়ি মাইকটা পাশে দাঁড়িয়ে থাকা চিন্তাদিদির হাতে তুলে দিল| আর কিছুক্ষণ| পরিচয় দেওয়ার পালা শেষ হতে যেটুকু সময় লাগে. তারপরই ফেরার বাস ধরতে পারবে|
কুচকুচে কালো পিঠে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছিল আগেই। এখন সরু ধারায় পিঠের উপর দিয়ে গড়িয়ে নামছে। খোঁপাটা ঘাড়ের উপর শক্ত করে বাঁধা। তাই সেটা এখনো আস্ত আছে। সিঁদুরের টিপ গলে কখন লেপটে যেত। নেহাত কিনা দোকানের পাতার টিপ , তাই ঘামে চকচকে মুখেও এখনো সেঁটে আছে।পরণের লালপেড়ে শাড়ীটা নতুন , গ

আরও পড়ুন...

সমস্ত রাতের গন্ধে তুমি কি পতঙ্গ রঙ পাও?

সুকান্ত ঘোষ

পর্ব – দুই
-------------------------------
সমস্ত রাতের গন্ধে তুমি কি পতঙ্গ রঙ পাও?

“ডাচেরা ফুল ভালোবাসে” এই নিয়ে কবিতা হতে পারে, অথচ ডাচেদের নিয়ে কবিতা লেখার তেমন কিছু নেই আপাত দৃষ্টিতে। ওরা আঁকতে পারে, ডাচেদেরও আঁকতে পারি – সেই উইন্ডমিল, কাঠের জুতো, সাদা-নীল ফ্রক পরে হাত ধরে ঘুরতে থাকা তরুণী, যৌবন, কানের পাশ দিয়ে লতিয়ে নামা সোনালী চুল। এ শহরে কেউ নীল সাদা ফ্রক পড়ে না – গ্রীষ্ম পোষাক উড়িয়ে দেয় নয়ত হিম হিম করে আসা কান ঢাকা, খয়েরী ঠোঁটের ওভারকোট মাথায় নীচু করে বাতাস এড়িয়ে চলে। কি

আরও পড়ুন...

কুমায়ুন, সুন্দরী কুমায়ুন

এবড়োখেবড়ো

গৌরচন্দ্রিকা

ইচ্ছে ছিল এই শীতের ছুটিতে গুজরাট যাওয়ার। আমেদাবাদ-গির-সোমনাথ-দিউ-দ্বারকা-গ্রেটার রন-মোধেরা -পাটন ছুঁয়ে লিটল রনের বুনো গাধা আর ফ্লেমিঙ্গোর ঝাঁক দু’চোখ ভরে দেখে ঘরে ফিরে আসা। কিন্তু বিধি বাম! কন্যা জোর আপত্তি জানাল যে সে কিছুতেই ওই সময়ে বেড়াতে যাবে না — তার নাকি কীসব পরীক্ষাটরীক্ষা আছে, সেসব নিয়ে সে চরম ব্যস্ত থাকবে। চিরকালের অসফল ছাত্র আমি, তাই তার সফলতার চেষ্টার বিরুদ্ধে সেভাবে মুখ ফুটে কিছু আর বলতে পারলাম না। অগত্যা মেয়ের মাকে রাজি করানোর ক্ষেত্রে উঠে পড়ে লাগতেই হল। চলো ক

আরও পড়ুন...