বিপ্লব রহমান RSS feed

biplobr@gmail.com
বিপ্লব রহমানের ভাবনার জগৎ

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...
  • পটাকা : নতুন ছবি
    মেয়েটা বড় হয়ে গিয়ে বেশ সুবিধে হয়েছে। "চল মাম্মা, আজ সিনেমা" বলে দুজনেই দুজনকে বুঝিয়ে টুক করে ঘরের পাশের থিয়েটারে চলে যাওয়া যাচ্ছে।আজও গেলাম। বিশাল ভরদ্বাজের "পটাকা"। এবার আমি এই ভদ্রলোকের সিনেমাটিক ব্যাপারটার বেশ বড়সড় ফ্যান। এমনকি " মটরু কে বিজলী কা ...
  • বিজ্ঞানের কষ্টসাধ্য সূক্ষ্মতা প্রসঙ্গে
    [মূল গল্প - Del rigor en la ciencia (স্প্যানিশ), ইংরিজি অনুবাদে কখনও ‘On Exactitude in Science’, কখনও বা ‘On Rigour in Science’ । লেখক Jorge Luis Borges (বাংলা বানানে ‘হোর্হে লুই বোর্হেস’) । প্রথম প্রকাশ – ১৯৪৬ । গল্পটি লেখা হয়েছে প্রাচীন কোনও গ্রন্থ ...
  • একটি ঠেকের মৃত্যুরহস্য
    এখন যেখানে সল্ট লেক সিটি সেন্টারের আইল্যান্ড - মানে যাকে গোলচক্করও বলা হয়, সাহেবরা বলে ট্র্যাফিক টার্ন-আউট, এবং এখন যার এক কোণে 'বল্লে বল্লে ধাবা', অন্য কোণে পি-এন্ড-টি কোয়ার্টার, তৃতীয় কোণে কল্যাণ জুয়েলার্স আর চতুর্থ কোণে গোল্ড'স জিম - সেই গোলচক্কর আশির ...
  • অলৌকিক ইস্টিমার~
    ফরাসী নৌ - স্থপতি ইভ মার একাই ছোট্ট একটি জাহাজ চালিয়ে এ দেশে এসেছিলেন প্রায় আড়াই দশক আগে। এর পর এ দেশের মানুষকে ভালোবেসে থেকে গেছেন এখানেই স্থায়ীভাবে। তার স্ত্রী রুনা খান মার টাঙ্গাইলের মেয়ে, অশোকা ফেলো। আশ্চর্য এই জুটি গত বছর পনের ধরে উত্তরের চরে চালিয়ে ...
  • চলো এগিয়ে চলি 3
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যখন ছোট তখন থেকেই দেখবেন মা -বাবা রা আমাদের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে শেখান।সাঁতার না জানলে পুকুরের ধারে যাবেনা,খোলা ইলেকট্রিক তার এ হাত দিতে নেই,ভিজে হাতে সুইচ বোর্ড ধরতে নেই, ইত্যাদি। আমাদের সন্তান রা যেহেতু ...
  • কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগ্যাল হলো শেষে
    কেয়া শরম কি বাত!! ব্যভিচারও লীগাল হলো শেষে!!বিষাণ বসুরায় বেরোনোর পর থেকেই, বেজায় খিল্লি।বস, আর চাপ নেই। সুপ্রীম কোর্ট ব্যভিচারকে আইনী করে দিয়েছে।আরেক মহল, জ্যেঠামশাইয়েরা, বলছেন, দেশের কী হাল। একশো তিরিশ কোটি মানুষের সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিলো কয়েকটা ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

বিপ্লব রহমান

জেনারেল এরশাদ সরকার বিরোধী ছাত্র-গণআণ্দোলনের উত্তাল দিন। প্রতিদিনই ছাত্র মিছিলে পুলিশী হামলা হচ্ছে, গুলি হচ্ছে। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে প্রতিদিনই ঝরছে রক্ত। এরকমই একটি দিন ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বরের সকাল সাড়ে ৯টা। স্থান মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার প্রবেশপথগুলোতে কড়া দাগা-পুলিশী প্রহরা। ঘোষিত ছাত্র-গণসমাবেশ যেন কিছুতেই সফল হতে না পারে, সে জন্য ঢাবি’র ছাত্র-ছাত্রীদের পরিচয়পত্র দেখে তবেই ক্যাম্পাসে ঢোকার অনুমতি মিলছে। বুয়েট, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ, তেঁজগা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজসহ পুরনো ঢাকার আরো অনেক কলেজ, সে সময়ের কৃষি কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ [এখন বিশ্ববিদ্যালয়]সহ আরো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একে একে বিশাল সব ছাত্র মিছিল সবদলীয় ছাত্র এক্য’র ব্যানারে ঢাবি ক্যাম্পাস মুখি হতে থাকে। মিছিলের সবার হাতে হাতে লাঠিশোটা।

এক সময় পুলিশী বেস্টনী ভেঙে পড়ে। আমরা আজিমপুর থেকে ঢাকা মহানগর কমিটির একটি খণ্ড মিছিল নিয়ে পলাশী হয়ে ঢাবি’তে মধুর ক্যান্টিনের সামনে জড়ো হই। সেখানে তখন ছাত্র-জনতার হাজারো জ্বলজ্বলে মুখ। ছাত্র নেতারা জানালেন, মিছিল ঢাকার বিশ্ববিধ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে লাইব্রেরির দক্ষিণ দিকের গেট হয়ে টিএসসি হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করবে। সেখান থেকে আবারো শুরু হবে ঢাকার রাজপথে স্বৈরাচার এরশাদ শাহী পতনের মিছিল।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাজারো ছাত্র জনতার মিছিল শুরু হয়ে যায়। মিছিলটি ঢাবির লাইব্রেরি সংলগ্ন মাঠ [তখন সেটি হাকিম ভাইয়ের চায়ের দোকানের নামে ‘হাকিম চত্বর’ হিসেবে পরিচিত] ঘেঁষে দক্ষিনদিকের গেটের দিকে নানা শ্লোগান দিতে দিতে এগুচ্ছে, ঠিক তখন আমরা শুনতে পাই অবিরাম গুলির শব্দ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিক থেকে গুলির শব্দ ভেসে আসছে। মুহূর্র্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে মিছিল। কলেজ ছাত্ররা বেশীরভাগই ভীত সন্ত্রস্ত। তারা ব্যাগ-বইপত্র নিয়ে দিশেহারা হয়। বেশীরভাগেরই এমন সহিংস আন্দোলনের অভিজ্ঞতা নেই।

ছাত্র নেতারা চিৎকার করে আমাদের মাটিতে শুয়ে পড়তে বলেন। সকলেই তাৎক্ষণিকভাবে তাই করে। আমরা কয়েকজন মোটা মোটা কড়ই গাছগুলোর গুড়িঘেঁসে বসে পড়ি। মাথার ওপর দিয়ে সাঁই সাঁই শব্দে বাতাস কেটে যায় অসংখ্য বুলেট। ভাষা তত্ত্ব ইন্সটিটউটের দেওয়ালে বিদ্ধ হয় বেশ কয়েকটি বুলেট। গুলির এসব শব্দে আমরা নিশ্চিত হই, এগুলো পুলিশের ছোঁড়া বুলেট নয়। কারণ তাদের বুলেটের শব্দ এতো তীক্ষ্ণ নয়, বরং বেশ কিছুটা ভোঁতা।

আমাদের মধ্য থেকে দু-একজন শার্টের নীচ থেকে টেনে বের করে পিস্তল, রিভলবার, কাটা রাইফেল। এ পক্ষ থেকেও আকাশে ফাঁকা বুলেট ছুঁড়ে জানান দেওয়া হয়, আমরাও তৈরি!

গোলাগুলি থামলে একজন দৌড়ে এসে খবর দেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে একটি অ্যাবুলেন্সে করে এসেছে এরশাদের শ্যুটার বাহিনী অভি-নিরু। তারাই এতোক্ষণ গুলি ছুঁড়ে পালিয়েছে।

আমরা আবার সংগঠিত হয়ে আগের ঘোষণা অনুযায়ী মিছিল নিয়ে টিএসসির দিকে রওনা হই। শ্লোগান ওঠে:
"হইহই, রইরই/ অভি-নিরু গেলো কই?"

"একটা গুলি চললে/ পাল্টা গুলি চলবে।"

"পুলিশ তুমি যতোই মারো/ বেতন তোমার ৫১২।"

"গুলি করে আন্দোলন/ বন্ধ করা যাবে না।
মাস্তান দিয়ে আন্দোলন/ বন্ধ করা যাবে না।"…

এরই মধ্যে আমাদের মিছিলের ভেতরে খবর পৌঁছায় টিএসসির মোড়েই চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন মিছিলে যোগ দিতে এসে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন [এখন যেখানে শহীদ মিলন স্মৃতি সৌধ]। ছাত্র কর্মীরা একটি রিকশায় ধরাধরি করে রক্তাক্ত মিলন ভাইকে ঢাকা মিডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। আমরাও রিকশার পেছন পেছন মিছিল নিয়ে যাই। জরুরি বিভাগে মিছিল পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই খবর পাই, মিলন ভাই আর নেই। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন।

হাজারো ছাত্র-জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকার বুকে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে লাটি-শোটায় সশস্ত্র মিছিল। সবার মুখে মুখে জ্বালাময়ী শ্লোগান:

"আর নয় প্রতিবাদ/এবার নেবো প্রতিশোধ।"

"খুন হয়েছে আমার ভাই/ খুনী এরশাদ রক্ষা নাই।
খুন হয়েছে মিলন ভাই/ এবার হত্যার প্রতিশোধ চাই।"

"আমাদের ধমনীতে শহীদের রক্ত/ এই রক্ত কোনোদিন/ পরাভব মানে না…"

উপসংহারের বদলে:

সেলিম-দেলোয়ার, বসুনিয়া, তাজুল ইসলাম, নূর হোসেন, দীপালি সাহা, ডা. মিলনসহ আরো অসংখ্য রক্তের বিনিময়ে ১৯৯০ এর ০৪ ডিসেম্বর পতন হয় এরশাদ সরকারের। এরপর দুর্নীতির মামলায় তার কারাবাস ও আরো পরে রাজনীতিতে আবারো তার পুনঃবহালের ইতিহাস সকলেরই জানা।

আর এখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারে এরশাদই তো প্রধান কান্ডারি। তার নেতৃত্বেই তো হলো প্রধান বিরোধী দল! …

সত্যিই রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই?
---
মূল লেখাটি এখানে : http://biplobcht.blogspot.com/2013/11/blog-post_26.html?spref=tw&m=1

28 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: পাই

Re: রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

ছোটবেলায় একসময় এরশাদ নিয়ে কী চর্চাই হত ! ভাবার চেষ্টা করছিলাম, সেটা কি বাংলাদেশ টিভির কারণে নাকি এপারেই চর্চা হত ?
এরশাদের দ্বিতীয় ইনিংসেরই বরং সেরকম খবর রাখিনা, এত চর্চাও দেখিনা। উনি বিরোধী থেকেও কীকরে সরকারেরও জোটে, ক্যাবিনেটে ওঁর দলের মন্ত্রীও ? এই ফেজটা নিয়ে আরেকটু লেখেন না। আর জামাতি টামাতিদের সাথে কেমন সম্পর্ক, ধর্ম নিয়েই কেমন স্টান্ড ?

ওদিকে ওপারেও পুলিশ তুমি যতই মারো স্লোগান ছিল ? ৯০ এর দশকে বাংলাদেশে পুলিশের মাইনে ঐ ৫১২ র রেন্জে থাকত ?

Avatar: রুখসানা কাজল

Re: রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

একটা একটা ঠোলা ধরো / সকাল বিকেল নাস্তা করো।
কাহিনী কিছুটা অধুরা রয়ে গেলো কি! শুনেছি কার্জন হল -হাইকোর্টের মাজারে ছাত্র- ঠোলা সংঘর্ষে আহত ছাত্রদের গভির রাতে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল । সেই সময়ের রমনা থানার অফিসার ইন চার্জ এখনো বেঁচে আছে।

Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

পাই,

এরশাদের দ্বিতীয় ইনিংস তেমন বলার কিছু নেই। সে এক ইতিহাসের প্রহসন।

যেহেতু তার দল জাতীয় পার্টির কিছু ভোট আছে, তাই তার সমর্থন আদায়ে আওয়ামীলীগ জাপার সংগে জোট বেধে সরকার গঠন করে, মন্ত্রী সভাতেও জাপার সংসদ সদস্য ছিলেন, এরশাদ শুধু সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাই নন, তার স্ত্রী রওশন এরশাদও সংসদ সদস্য, বিরোধী দলীয় নেত্রী!

নানান দুর্নীতি ও নারী কেলেংকারীতে জেরবার এরশাদের এইসব আপোষ ছাড়াই বা উপায় কী? আর যাই হোক, ক্ষমতার স্বাদ!

আর হ্যাঁ, ২৭ বছর আগে সেই সময় পুলিশ কন্সটেবলের মূল বেতন ( রেশন ও অন্যান্য ভাতা বাদে) ৫১২ টাকাই ছিল, সেও তখন নিম্নবিত্তর জন্য যথেষ্ট টাকা, এখন সে অবস্থা অনেক পাল্টেছে।

রুখসানা আপা,

ঠিক তেমন নয়, সে সময় এরকম একটা শ্লোগান ছিল:

"ডিসি সাউথ আমিরুলকে/ দেখা মাত্র ধোলাই কর!"

সে সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আমিরুলের নির্দেশ ছাত্র মিছিলে লাঠি, গুলি, টিয়ার শেল চার্জ করা হত।

আগ্রহের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
Avatar: aranya

Re: রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

'একটা একটা ঠোলা ধরো / সকাল বিকেল নাস্তা করো' - এটা কিন্তু হুমায়ুন আহমেদ-এর লেখাতেও পেয়েছি।

বিপ্লব, এবার কলকাতা বইমেলায় চলে আসুন। গুরু ভাই-বোনদের সাথে একটা লাইভ ভাট হয়ে যাক
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

অরণ্য,

ওরকম খুচরো শ্লোগান হতেই পারে। আমি কিন্তু বলছি গুরুতর শ্লোগানের কথা। ওই শ্লোগানটিই আমরা এভাবে বলতাম:

" একটা দুইটা শিবির ধরো/সকাল বিকাল নাস্তা করো"!

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ভেতর মৌলবাদী জামাত-ছাত্র শিবির বিরোধী আন্দোলনও চলছিল।

নিমন্ত্রণের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন