সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • তোত্তো-চান - তেৎসুকো কুররোয়ানাগি
    তোত্তো-চানের নামের অর্থ ছোট্ট খুকু। তোত্তো-চানের অত্যাচারে তাকে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে। যদিও সেই সম্পর্কে তোত্তো-চানের বিন্দু মাত্র ধারনা নেই। মায়ের সঙ্গে নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য সে চলছে। নানা বিষয়ে নানা প্রশ্ন, নানান আগ্রহ তার। স্টেশনের টিকেট ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য প্রথম ভাগের উৎসব শেষ। এরপরে দীপাবলি। আলোর উৎসব।তার সাথে শব্দবাজি। আমরা যারা লিভিং উইথ অটিজমতাদের ক্ষেত্রে সব সময় এই উৎসব সুখের নাও হতে পারে। অটিস্টিক মানুষের ক্ষেত্রে অনেক সময় আওয়াজ,চিৎকার, কর্কশ শব্দশারীরিক ...
  • সিনেমা দেখার টাটকা অভিজ্ঞতা - মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি
    চট করে আজকাল সিনেমা দেখতে যাই না। বাংলা সিনেমা তো নয়ই। যদিও, টেলিভিশনের কল্যাণে আপটুডেট থাকা হয়ে যায়।এইভাবেই জানা যায়, এক ধাঁচের সমান্তরাল বাংলা ছবির হয়ে ওঠার গল্প। মধ্যমেধার এই রমরমার বাজারে, সিনেমার দুনিয়া আলাদা হবে, এমন দুরাশার কারণ দেখিনা। কিন্তু, এই ...
  • কিংবদন্তীর প্রস্থান স্মরণে...
    প্রথমে ফিতার ক্যাসেট দিয়ে শুরু তারপর সম্ভবত টিভিতে দুই একটা গান শোনা তারপর আস্তে আস্তে সিডিতে, মেমরি কার্ডে সমস্ত গান নিয়ে চলা। এলআরবি বা আইয়ুব বাচ্চু দিনের পর দিন মুগ্ধ করে গেছে আমাদের।তখনকার সময় মুরুব্বিদের খুব অপছন্দ ছিল বাচ্চুকে। কী গান গায় এগুলা বলে ...
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

লংকাকাণ্ড

Parthasarathi Giri

লংকা আমার বেঁচে থাকার একটি প্রয়োজনীয় রসদ।

লংকা একটি খাদ্যবস্তু, বলা ভালো খাদ্যোপাদান। মশলা। টেস্ট-এনহান্সার। কিন্ত লংকা আমার কাছে বাঁচার অস্ত্র।

খুব ছোটোবেলায় ভাতের মধ্যে ঢুকিয়ে কাঁচালংকা খেতে দেখে বাবা সটান জিজ্ঞেস করেছিল, তুই কি মিষ্টি স্বাদ পেতে চাস লংকা খেয়ে?
না।
নুন থেকে নোনতা স্বাদই চাস তো?
হ্যাঁ।
তাহলে ঝালের জন্যই যদি লংকা খাওয়া, তবে ঢেকেঢুকে খাচ্ছিস কেন?
তো?
বাবা এক গরাস ভাত খেয়ে স্ট্রেট একটা কাঁচালংকা চিবিয়ে খেয়ে ফেলল। আমরা, মা দিদি আমি হাঁ। বাব

আরও পড়ুন...

দক্ষিণের কড়চা

Parthasarathi Giri

দক্ষিণের কড়চা
••••••••••••••••••

প্রতি অমাবস্যায় সনাতনের ঋতুস্রাব হয় এবং দুয়েক দিন আগে পিছে করে সনাতন একসময় পূর্ণচাঁদেও ঋতুমান হয়।
এটা সনাতনের সোজাসুজি বিশ্বাস। এর প্রমাণ সম্পর্কে সে সচেতন। সনাতন যদিও কাউকেই এতদিন নিজের এই ব্যাতিক্রমী বৈশিষ্টটি বলেনি, বলাবাহুল্য লোকলাজ ও সংকোচে। এও ঠিক যে, সনাতন এটিকে ব্যাতিক্রম হিসেবে ভাবেনা।
রোজ সকালে শুঁটকিপোড়া দিয়ে পান্তাভাত খেয়ে যেভাবে মাতলার পাড় ধরে ধরে এক কুড়ি দু কুড়ি কাঁকড়া ঝাঁকিতে ভরে গঞ্জের হাটে ফড়েকে দিয়ে আসে, মাসিক ঋতুস্নানও তা

আরও পড়ুন...

রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

বিপ্লব রহমান

জেনারেল এরশাদ সরকার বিরোধী ছাত্র-গণআণ্দোলনের উত্তাল দিন। প্রতিদিনই ছাত্র মিছিলে পুলিশী হামলা হচ্ছে, গুলি হচ্ছে। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে প্রতিদিনই ঝরছে রক্ত। এরকমই একটি দিন ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বরের সকাল সাড়ে ৯টা। স্থান মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার প্রবেশপথগুলোতে কড়া দাগা-পুলিশী প্রহরা। ঘোষিত ছাত্র-গণসমাবেশ যেন কিছুতেই সফল হতে না পারে, সে জন্য ঢাবি’র ছাত্র-ছাত্রীদের পরিচয়পত্র দেখে তবেই ক্যাম্পাসে ঢোকার অনুমতি মিলছে। বুয়েট, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ, তেঁজগা কলেজ, আইডিয়াল

আরও পড়ুন...

ভালোবাসা পেলে

ফরিদা

যেতে পাই না আসতে পাই না
কাঁপন লাগে তাই
চুল্লীর কাছে গত গ্রীষ্মের
গল্প বলতে যাই......


নেহাৎ কিছুই নেই এখন, না তাতে আক্ষেপ করছি না। বরং জানি এই না-থাকাটা অনেক জরুরী। একটা কাদার তাল, একটা সাদা পাতা, বেশ একটা মিনিট চল্লিশের নির্ঝঞ্ঝাট অবকাশের তুলনা কমই আছে। কিছু না থাকলেই সব থাকে, মানে যা খুশি তাই। মানে একটা শব্দ, যাকে কারও পাশে বসাই, যে কোনও চিন্তা ভাবনা ঘটকালি, কাঠপুতুল ঘরজামাই যেই হোক ভালো লাগে। তার আগে অবশ্য জানলা খুলতে হয়, হাওয়া আসতে দিতে হয়, ফুটতে দিতে হয় ভাবনার সম্প

আরও পড়ুন...

সুমনা এবং...

সেখ সাহেবুল হক

চার বছরের শিশুর সহপাঠীর উপর ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। খবরটা শুনে বারবার মনে হচ্ছিলো ক্লাস ফোর হলেও ব্যাপারটা কি বিশ্বাস করতে পারা যায়!

ছোটবেলা থেকে প্রচুর অল্পবয়সে পেছোনপাকা ছেলে দেখেছি। কামড়ে দেওয়া, জামাকাপড় টেনে খুলে দেওয়া, অনুসন্ধিৎসু হয়ে বিপরীত লিঙ্গের প্রাইভেট পার্টে হাত দেওয়ার প্রবনতা বা দেখে অবাক হওয়ার ঘটনা অনেকসময় নজরে এসেছে। তাইবলে ধর্ষণ! ‘ধর্ষণ’ শব্দটা লিখতেই রুচিতে বাধছে।

সুমনা আমার বান্ধবী। বাড়িতে টাকাপয়সার টানাটানি না থাকলেও নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশ

আরও পড়ুন...

বেশ্যাদ্বার

Prosenjit Bose

বেশ্যাদ্বার (দ্বিতীয় পর্ব)
প্রসেনজিৎ বসু

"কেন !? কেন এখন সমুদ্রলঙ্ঘন আর সম্ভব নয় ঋক্ষরাজ ?" রাম ও হনুমানের যৌথ প্রশ্নে জাম্বুবান বলতে শুরু করেন -- "প্রভু রঘুবীর ! অবধান করুন। দেবীপূজার লগ্ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আপনার বিজয়কামনায় দেবগণও নিজ-নিজ লোকে দুর্গারাধনারত, যাতে সকলের মিলিত প্রার্থনায় মহেশ্বরী আশু প্রসন্না হন। বরুণদেবও যথারীতি সমুদ্রগর্ভে দেবীপূজা করছেন। এমতাবস্থায় হনুমান যদি সমুদ্র ডিঙোতে যায়, তাহলে তা দেবীমণ্ডপ-লঙ্ঘনের মহাপাপে পরিণত হবে। চণ্ডিকা অবধারিতভাবেই কুপিতা হয়ে হ

আরও পড়ুন...

লড়িয়ে দেবেন না, প্লিজ

Simool Sen

পদ্মাবতী ডিবেটের সূত্রে একটা কথা চার পাশে শোনা যাচ্ছে, যে এ সব পদ্মাবতী ইত্যাদি দেশের আসল ইস্যু নয়। এই মুহূর্তে দিল্লির কৃষক বিক্ষোভটাই দেশের সমস্যা, সেখান থেকে নজর ঘোরাতেই রাষ্ট্র ও মিডিয়া পদ্মাবতীর মত উল্টোপাল্টা ফিল্মি ইস্যু বানানোর কারসাজি করছে। আমি এই ধরনের গোদা বাইনারি সেট করে কৃষক ও পদ্মাবতী দু' তরফকে লড়িয়ে দেওয়ার বিরোধী। বরং দু' ধরনের সমস্যারই একটা নিজস্ব চরিত্র রয়েছে, যা কাজে লাগালে সামগ্রিক লড়াই অনেক জোরদার হয়ে ওঠে।

প্রথমে কৃষকদের বিক্ষোভের প্রশ্নে আসা যাক। সম্প্রতি যোগেন্দ্

আরও পড়ুন...

আজকের নাটক -পদ্মাবতী

ফরিদা

পরের পর নাটক আসতেই থাকে আজকাল। গল্প সাধারণ, একটা জনগোষ্ঠীর গরিষ্ঠ অংশের অহংকে সুড়সুড়ি দেওয়া প্লট। তাদের বোঝান যে বাকিরা ও তাদের পূর্বপুরুষেরা লুঠতরাজ করে তোমাদের লাট করে দিয়েছিল, আজই সময় হয়েছে বদলা নিয়ে নাও, নয়ত কাল আবার ওরা তোমাদের শেষ করে দেবে। এই নাটক জনপ্রিয়, কারণ এতে বলা হচ্ছে তুমি ও তোমরা হলে গিয়ে ধোওয়া তুলসীপাতা, সব দোষ ওদের। দিনের পর দিন মাসের পর মাস ধরে গত আড়াই বছর ধরে এই একমুখী প্রচার চালান খুব কঠিন কাজ নয় যখন মিডিয়া ব্যবসায়ের অধিকাংশ সেই নাট্যকারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল।
<

আরও পড়ুন...

বেশ্যাদ্বার

Prosenjit Bose

বেশ্যাদ্বার (প্রথম পর্ব)
প্রসেনজিৎ বসু

রামচন্দ্র দুর্গাপুজো করছেন। রাবণবধের জন্য। বানরসেনা নানা জায়গা থেকে পুজোর বিপুল সামগ্রী জোগাড় করে এনেছে। রঘুবীর পুজো শুরু করেছেন। ষষ্ঠীর বোধন হয়ে গেছে। চলছে সপ্তমীর মহাস্নান। দেবীস্বরূপা সুসজ্জিতা নবপত্রিকাকে একেকটি মন্ত্রে একেকটি দ্রব্য দিয়ে স্নান করাচ্ছেন রাম। নদীজলে, শঙ্খজলে, গঙ্গাজলে স্নান হল। উষ্ণজলে, গন্ধজলে, শুদ্ধজলে স্নান হল। কুশজলে, পুষ্পজলে, ফলজলে স্নান হল। শিশিরজলে, সাগরজলে,ওষধিজলে স্নান হল। তীর্থজলে, বৃষ্টিজলে, ঝর্ণাজলে স্নান হল।

আরও পড়ুন...

অন্য পদ্মাবতী

Abhijit Majumder

রাজা দেবপালের সহিত দ্বন্দ্বযুদ্ধে রানা রতন সিংয়ের পরাজয় ও মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ রাজপুরীতে পঁহুছানোমাত্র সমগ্র চিতোরনগরীতে যেন অন্ধকার নামিয়া আসিল। হায়, এক্ষণে কে চিতোরের গরিমা রক্ষা করিবে? কেই বা চিতোরমহিষী পদ্মাবতীকে শত্রুর কলুষ স্পর্শ হইতে বাঁচাইবে?

গত দশদিবস যাবত আলাউদ্দিন চিতোরকে অবরুদ্ধ করিয়া রাখিয়াছেন। জনশ্রুতি এই যে চিতোর নহে, চিতোর রানীকে হস্তগত করাই তাহার মনোগত অভিপ্রায়। অবরোধের কারণে দূর্গনগরীতে ঘোর খাদ্যসংকট, শিশু বৃদ্ধেরা ক্রন্দনরত, নগরবাসীর মুখ শুষ্ক, সৈনিকগণ রনক্লান্ত

আরও পড়ুন...

আমার প্রতিবাদের শাড়ি

Alpana Mondal

আমার প্রতিবাদের শাড়ি

সামিয়ানা জানেন? আমরা বলি সাইমানা ,পুরানো শাড়ি দিয়ে যেমন ক্যাথা হয় ,গ্রামের মেয়েরা সুচ সুতো দিয়ে নকশা তোলে তেমন সামিয়ানাও হয় । খড়ের ,টিনের বা এসবেস্টাসের চালের নিচে ধুলো বালি আটকাতে বা নগ্ন চালা কে সভ্য বানাতে সাইমানা টানানো আমাদের গ্রাম দেশে রীতি । আমার মা এ ব্যাপারে এক্সপার্ট । পুরানো , রঙ ওঠা ,ছেঁড়া দু একটা শাড়ি এদিক ওদিক কেটে হাতে সেলাই করে তিনি এমন সাইমানা বানিয়ে দেবেন যা দেখে আচ্ছা আচ্ছা দর্জি চমকে যাবে ।

আমি তখন গাজিপুরে আলুর গুদাম তৈরির কাজে জোগাড়ে

আরও পড়ুন...

টয়লেট - এক আস্ফালনগাথা

ফরিদা



আজ ১৯শে নভেম্বর, সলিল চৌধুরী র জন্মদিন। ইন্দিরা গান্ধীরও জন্মদিন। ২০১৩ সাল অবধি দেশে এটি পালিত হয়েছে “রাষ্ট্রীয় একতা দিবস” বলে। আন্তর্জাতিক স্তরে গুগুল করলে দেখা যাচ্ছে এটি আবার নাকি International Men’s Day বলে পালিত হয়। এই বছরই সরকারী প্রচারে জানা গেল এটি নাকি World Toilet Day বা বিশ্ব শৌচালয় দিবস।

এ একই জিনিস করা হয়েছে ২ রা অক্টোবর কে স্বচ্ছ ভারত দিবস বানিয়ে। খেয়াল করলে দেখা যায় সেই স্বচ্ছ ভারত দিবসের প্রথম দিনের পোস্টারে গান্ধীজী স্পষ্ট। পরের দিকে শুধু সেই লোগোর চশমাট

আরও পড়ুন...

মার্জারবৃত্তান্ত

শক্তি দত্তরায় করভৌমিক

বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে খাবো। বেড়ালকে খেতে দিলে বেড়াল নাকি প্রার্থনা করে গেরস্ত কাণা হোক আমি চুরি করে প্রাণ ভরে খাবো। হতে পারে এটা বিড়াল-বিদ্বেষীদের অপপ্রচার। তবে বেড়ালের চৌর্যবৃত্তি সুবিদিত। তবুও এই সেদিনও দেখেছি ডাকসাইটে গৃহকর্তা খেতে বসেছেন, তাঁর দাপটে নাতি পুতিরা সিঁটি

আরও পড়ুন...

বসন্তবৌরী

শক্তি দত্তরায় করভৌমিক

বিল্টু তোতা বুবাই সবাই আজ খুব উত্তেজিত। ওরা দেখেছে ছাদে যে কাপড় শুকোতে দেয়ার একটা বাঁশ আছে সেখানে একটা ছোট্ট সবুজ পাখি বাসা বেঁধেছে। কে যেন বললো এই ছোট্ট পাখিটার নাম বসন্তবৌরী। বসন্তবৌরী পাখিটি আবার ভারী ব্যস্তসমস্ত। সকাল বেলা বেরিয়ে যায়, সারাদিন কোথায় কোথায় যেন ঘোরে। বিকেল বেলা বাড়ী ফিরেই ঢুকে পড়ে বাঁশের খোদলে। এতো তার কি কাজ কে জানে।
বিল্টু তোতা বুবাই এদিকে পাখির জন্যে ছোট বাটিতে করে কেউ ছোলা কেউ চাল কেউ টুকরো করে কাটা ফল কি পাউরুটির টুকরো এনে জড়ো করে রাখে ছাদের কোণে। বসন্তপাখি ওসব খায়না।

আরও পড়ুন...

সামান্থা ফক্স

Malay Bhattacharjee

সামান্থা ফক্স

চুপচাপ উপুড় হয়ে শুয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়েছিলাম। মাথায় কয়েকশো চিন্তা।হস্টেলে মেস বিল বাকি প্রায় তিন মাস। অভাবে নয়,স্বভাবে। বাড়ি থেকে পয়সা পাঠালেই নেশাগুলো চাগাড় দিয়ে ওঠে। গভীর রাতের ভিডিও হলের চাম্পি সিনেমা,আপসু রাম আর ফার্স্ট ইয়ার কোন এক শক্তপোক্ত ছানার হাতে ফাইন করে বেটে দেওয়া গাঁজা। মাসের সাত দিনের মাথায় বাড়িতে পোস্ট কার্ড, " পড়াশোনার চাপ বেড়েছে, একটু দুধ ডিমান্ড করিতেছে মগজ, ক্যাম্পাস এর মধ্যেই ভজুয়ার গরুর চাষ আছে। ওর তিনটি গরু এবং একটি পাতকুয়া সমগ্র ক্যাম্পাস এ মাসে মাসে

আরও পড়ুন...

ইংরাজী মিডিয়ামের বাংলা-জ্ঞান

Swati Ray

বাংলা মাধ্যম নাকি ইংরাজী মাধ্যম ? সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি? অনেক বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিতে! তারপরেও সংশয় যেতে চায় না। ঠিক করলাম, না কি ভুলই করলাম? উত্তর একদিন খানিক পরিস্কার হল। যেদিন একটি এগার বছরের আজন্ম ইংরাজী মাধ্যমে পড়া ছেলে এই লেখাটা ধরিয়ে দিল ... কিছু বানান ভুল সংশোধন করে দিতে হয়েছে অবশ্য। বাকীটা পাঠকই বলুন। ...

লক নেসের দানব
- শ্রুতকল্যাণ দে
আমার নাম শ্রুত। আমার পেশাটি একটু অদ্ভুত।আমি একজন ক্রিপ্টোজুলজিস্ট। আমি আর আমার বন্ধু রবার্টো দুজনে একসঙ্গে

আরও পড়ুন...

রুশ বিপ্লবের ইতিহাস

souvik ghoshal

রুশ বিপ্লবের ইতিহাস
রাশিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের বিষয়টিকেই বলা হয় রুশ বিপ্লব। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’ সময়পর্বের মধ্যে এই বিপ্লবের চূড়ান্ত পর্বটি সংগঠিত হয়েছিল।
অবশ্য দুনিয়া কাঁপানো এই দশ দিনের পরেও বিপ্লবীদের সাথে নানা ধরনের বিরোধী শক্তির গৃহযুদ্ধ বজায় ছিল বেশ কয়েক বছর। অন্যদিকে এই বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি চলেছিল বেশ কয়েক দশক ধরে। ফলে রুশ বিপ্লব বা নভেম্বর বিপ্লব (পুরনো ক্যালেন্ডার অনুসারে একে একসময় অক্টোবর বিপ্লব বলা হত)

আরও পড়ুন...

হিজিবিজি

ঋক আর কিছুনা

শীত আসছে....মানে কোলকাতার শীত আর কি। কোলকাতার বাইরে সব্বাই শুনে যাকে খিল্লি করে সেই শীত। অবশ্য কোলকাতার সব কিছু নিয়েই তো তামাশা চলে আজকাল, গরীব আত্মীয় বড়লোকের ড্রয়িংরুমে যেমন। তাও কাঁথার আরামের মতোই কোলকাতার মায়া জড়িয়ে রাখে, বড় মায়া হে এ শহর ছাড়িয়ে মাঠ রাস্তা সব খানেই ছড়িয়ে থাকে টুক করে তুলে আনিলেই হয়। অন্য বড় শহরে রাজ্যে প্রদেশেও এরকমই মায়া ছড়িয়ে থাকে হয়ত আমি জানি না আসলে। ঘুরতে গিয়ে না, কোনো জায়গায় না থাকলে তো তার সঙ্গে বোঝাপড়া তৈরী হয়না, যে সম্পর্কে খালি মন রাখা থাকে, ঝগড়াঝাঁটি রাগারাগি চলে ন

আরও পড়ুন...

আমার কালী....... আমিও কালী

Alpana Mondal



কালী ঠাকুরে আমার খুব ভয়। গলায় মুন্ডমালা,হাতে একটা কাটা মুন্ডু থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে, একটা হাড় জিরজিরে শেয়াল তা চেটে চেটে খাচ্ছে, হাতে খাঁড়া, কালো কুস্টি, এলো চুল,উলঙ্গ দেহ, সেই ছোট বেলায় মন্ডপে দেখে এমন ভয় পেয়েছিলাম সেই ভয় আমার আজও যায়নি। আর আমার এই কালী ভীতির কথা আমার পরিবারের সবাই জানতো। ছোটবেলায় খুব জলে তেলাতাম- আপনাদের ভাষায় সাঁতার কাটতাম।আমি সুন্দরবনের মেয়ে,পেটের থেকে সাঁতার শিখে আমাদের জন্ম হয় তার ওপর বাড়ির লাগোয়া বড় খাল- পারলে সারাদিন সেখানেই থাকি। এদিকে বাড়ির বড় মেয়ে,মা জনমজুর খ

আরও পড়ুন...

নভেম্বর ২০১৭

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

ষাট বা সত্তর সম্পর্কে প্রত্যক্ষজ্ঞান নেই, তবে আশির দশক মোটামুটিভাবে ছিল শ্রেণীসংগ্রামের যুগ। মানে ভারতের বামঘরানার লোকজনের চিন্তনে। ফ্রান্সে ১৯৬৮ সালের বিপ্লব প্রচেষ্টা তখন অতীত। সেসব উত্তাল সময়ে অদ্ভুত তত্ত্বের জন্ম হয়েছে জানা ছিল। কিন্তু সেগুলো খায় না মাথায় দেয় তা নিয়ে কারো বিশেষ মাথাব্যথা ছিলনা। সত্তরের দশকে সোভিয়েতকে সাম্রাজ্যবাদী বলা হয়েছিল, তাও কারো অজানা ছিলনা, কিন্তু সেসব খুব জোরেসোরে বলার লোকটোক ছিলনা। তখন বিশ্বশান্তির চ্যাম্পিয়ন ব্রেজনেভের যুগ। 'সোভিয়েত দেশ' আর 'সোভিয়েত নারী' দেখ উচ্ছ্

আরও পড়ুন...

বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের জন্য আকুল আবেদন !!

Muhammad Sadequzzaman Sharif

বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আমরা আসলে তৈরি না এই ধরনের মাধ্যমের জন্য। বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষার নামে আল্লাই জানে কি শিখে শিক্ষিত হচ্ছে। তথাকথিত শিক্ষিতদের বাহিরে আরও আছে আরও বিশাল আরেক অশিক্ষিত সমাজ। যাদের কাছে সব চেয়ে বড় জ্ঞানী হচ্ছে এলাকার লম্বা দাড়ি আর টাকনুর উপরে পায়জামা পড়া মসজিদের ইমাম সাহেব। এদের সবার হাতেই ফেসবুক। এইটা আসলে কি, খায় না মাথায় দেয় তার সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা না থাকা সত্যেও এই বিশাল জনগোষ্ঠী এই মাধ্যম ব্যবহার করে চলছে। আর তাদের খেসারত দিতে হচ্ছে সমাজের

আরও পড়ুন...

ক্যামেরা উবাচঃ

Rabimba Karanjai

কিছুদিন আগে "cal comm" এর এক দৈনন্দিন থ্রেড এ বিশাল আলোচনা চলছিলো মোবাইল নিয়ে। কম মোবাইল ভালো, কোনটা ভালোনা, iPhone ছাড়া কেন জীবন বৃথা।ওয়ান প্লাস এর চেয়ে ভালো কোনো ফোন পৃথিবীতে হতেই পারেনা, মাই( ছি ছিঃ ) ফোন কত ভালো ইত্যাদি।এসবের মধ্যে অবধারিত ভাবে ক্যামেরা এর ছবি comparison এর কথা চলেই এলো. এবং যথারীতি আমি ঘরের খেয়ে বোনের মোষ তাড়ানোর জন্যে সেখানে হাজির হয়ে বলতে গেলাম গুগল এর pixel এদের মধ্যে সেরা।
এবং যা হয়ে থাকে। হৈ হৈ রৈ রৈ করে সবাই তেড়ে এলো যে কেন ওয়ান প্লাস ভালো নয়.
(পুরো থ্রেড টা

আরও পড়ুন...

লালন-বৃত্তান্ত

Sakyajit Bhattacharya

তারপর বুড়ো রিকশওয়ালা হারাণ সাঁপুই বিড়িতে টান দিয়ে বলল "তো, লালনের গায়ে ছিল বাঘের মত বল। এমনিতে বেঁটেখাটো। আমাদের রিকশ-স্ট্যান্ডেই বসে থাকত সারাদিন, টাক মাথা, মাঝে মাঝেই সর্দি কাশি জ্বরে ভুগত খুব। কিন্তু যখন রাগ করত, বা মদ খেয়ে মাতলামি, মাইরি বলছি বাবু, ওকে দেখে আমার ভয় হত। এই বুঝি কাউকে খুন করে ফেলবে, অথবা রাগের চোটে মাথার শিরা ছিঁড়েই মরবে বুঝি বা। তখন ওকে থামায় সাধ্য কার। যেন একটা সুন্দরবনের কেঁদো বাঘ সটান দাঁড়িয়ে লেজ আছড়াচ্ছে, পৃথিবী দুভাগ হল বলে!"

ছেলেটার শুনতে ইচ্ছে করছিল না এসব।

আরও পড়ুন...

গুরুর হুগলি অভিযান

রৌহিন

অবশেষে সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে হা রে রে করিয়া আসিয়া পড়িল সেই শুভদিন – সিকির বইএর উদ্বোধন। ইচ্ছেডানায়, সর্ষেদানায়। যেমন নামের ছিরি, তেমনি প্রচ্ছদের, তেমনি বিষয়বস্তুর, তেমনি তার চলনের – শা – (ইয়ে থুড়ি, গালি দেওয়া নিষেধ আছে) মানে ভালোর তো একটা লিমিট থাকে নাকি? সেই যে একজন লোক ছিল না – যে সবেতেই খুঁত ধরতে ওস্তাদ ছিল – যত ভালই হোক, কিছু না কিছু খুঁত ঠিক বার করতই – তা একবার ঈশ্বর (মানে হ্যাঁ – তিনিই আর কি) একটি মানুষকে একদম সর্বাঙ্গসুন্দর, মানে যাকে আমরা সাদা বাংলায় পারফেক্ট বলে থাকি আর কি, সেরকম এ

আরও পড়ুন...

ভালোমানুষির ফাঁদ

সেখ সাহেবুল হক

ভালোমানুষির ফাঁদ
------------------------------------------------------------
প্রায় মাসখানেক আগে থেকেই পরিকল্পনাটা চলছিলো মেজোর মাথায়। আর মা এবং টাকলুও ব্যাপারটায় মদত দিচ্ছিলো। প্রায় সারাবছরই বাড়ির আশেপাশে আহত পশুপাখির আনাগোনা থাকেই। তাদের ধরে সুস্থ করা না পর্যন্ত মেজোর নিস্তার নেই।

শালিখটা রোজ আসতো আমাদের উঠোনের পেয়ারা গাছটার নিচে। পাখিদের জন্য মুড়ি, খুদ ইত্যাদি ছড়ানোই থাকে। অন্য পাখিদের মতোই সেও খুঁটে খেতো। কিন্তু আর পাঁচটা পাখির থেকে এই শালিখটা আলাদা। কোনো দুর্ঘটনাজনিত কারণে

আরও পড়ুন...