Ramiz Ahamed RSS feed

Ramiz Ahamed এর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মন ভালো নেই
    ভালোবাসায় আদর আসে,সোহাগ আসে,মন ভেঙে যাওয়া আসে, যন্ত্রণা আসে, বিরহ জেগে থাকে মধুরাতে, অপেক্ষা আসে, যা কখনো আসেনা, তার নাম 'জেহাদ'। ভালোবাসায় কোনো 'জেহাদ' নেই। ধর্ম নেই অধর্ম নেই। প্রতিশোধ নেই। এই মধ্যবয়সে এসে আজ রাতে আমার সেই হারিয়ে যাওয়া বাংলা কে মনে ...
  • ৯০তম অস্কার মনোনয়ন
    অনেকেই খুব বেশি চমকে গেলেও আমার কাছে খুব একটা চমকে যাওয়ার মত মনে হয়নি এবারের অস্কার মনোনয়ন। খুব প্রত্যাশিত কিছু ছবিই মনোনয়ন পেয়েছে। তবে কিছু ছবি ছিল যারা মনোনয়ন পেতে পারত কোন সন্দেহে ছাড়াই। কিন্তু যারা পাইছে তারা যে যোগ্য হিসেবেই পেয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা ...
  • খেজুরবটের আত্মীয়তা
    খুব শান্তি পাই, যখন দেখি কালচারগুলো মিলে যাচ্ছে।বিধর্মী ছেলের হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছো শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। দুটি হাত ছোঁয়া সংবেদী বিন্দুতে ঘটে যাচ্ছে বনমহোৎসব। দুটি ভিন্ন ধর্মের গাছ ভালোবাসার অক্সিজেন ছড়িয়ে দিচ্ছে। যেন খেজুর বটের অপার ...
  • ম্যাসাজ - ২
    কবি অনেকদিন হতেই “জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা” বলে আশ্বাস দিয়ে এলেও ছোটবেলায় হালকা ডাউট ছিল কবি কোন ধনের কথা বলেছেন এবং ফেলা অর্থে কোথায় ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন? ধন যে ফ্যালনা জিনিস নয়, সেটা আবার নিমোর ছেলেদের থেকে ভালো কে বুঝত! কিন্তু সেই নিয়ে কাব্যি ...
  • মম দুঃখ বেদন....
    সেদিন, অঝোর ধারে কাঁদতে কাঁদতে বাবার চেয়ারের হাতল ধরে মেঝেতে বসে পড়েছি। দৃশ্যত শান্ত বাবা, খানিকক্ষণ কাঁদার সুযোগ দিলেন। এ দুটি বাক্যে ভেবে নেবার কোনো কারণই নেই, বাবা আর আমার সম্পর্ক অতি সুমধুর ও বোঝাপড়ার। বরং তার অব্যবহিত কয়েক মাস আগে পর্যন্তও উত্তপ্ত ...
  • হিন্দু স্কুলের জন্মদিনে
    হিন্দু স্কুলের জন্মদিনেআমাদের স্কুলের খেলার মাঠ ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল একটা উঠোন, একটা লাল বেদী আর একটা দেবদারু গাছ। ওই লাল বেদীটায় দাঁড়িয়ে হেডস্যার রেজাল্ট বলতেন। ওই উঠোনটায় আমরা হুটোপাটি আর প্রেয়ার করতাম। আমাদের ইস্কুলের প্রেয়ার ছিল জনগনমন। তখনো ...
  • জার্মানী ডাইরী-১
    পরবাস পর্ব:অদ্ভুত একটা দেশে এসে পড়েছি! এদেশের আকাশ সবসময় মেঘাচ্ছন্ন.. সূর্য ওঠেই না বললে চলে! হয় বৃষ্টি নয়তো বরফ!!বর্ষাকাল আমার খুবই প্রিয়.. আমি তো বর্ষার মেয়ে, তাই বৃষ্টির সাথে আমার খুব আপন সম্পর্ক। কিন্তু এদেশের বৃষ্টিটাও বাজে! এরা অতি সন্তর্পণে ঝরবে! ...
  • মাতৃরূপেণ
    আমার বাবাকে জীবনকালে , আমার জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে, থানায় যেতে হয়েছিলো একবারই। কোনো অপরাধ করায় পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো তা নয়, নিছক স্নেহের আকুল টান বাবাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলো 'মামা'দের মাঝে। 2007 সাল। তখন এপ্রিল মাস। 14ই মার্চ ঘর ছেড়ে মাসতুতো বোনের বাড়ী চলে ...
  • খাগায় নমঃ
    মাঘ এলেই মনে পড়ে শ্রীপঞ্চমীর বিকেলে অপু বাবার সাথে নীলকন্ঠ পাখি দেখতে বেরিয়েছিল।নিজে ও রোজকার রুটিন বদলে ফেলতাম পুজোর দিনপনেরো আগে। স্কুল থেকে রোজ বিকেলে বাড়ি ফিরে খুঁটিয়ে দেখতাম উঠোনের আমগাছটায় মুকুল এলো কিনা, আর গাঁদার চারায় কতগুলো কুঁড়ি এলো, তারপর ...
  • হেলেন
    এমন হয়, প্রায়শই হয়। কথাবার্তায় উঠে আসে কোনও কোনও নাম। আমাদের লেখকের ক্ষেত্রেও তাই হলো। লেখক ও তার বন্ধু হাসানুজ্জামান ইনু সেইদিন রাত আটটা ন’টার দিকে জিন্দাবাজারে হাঁটছিলেন। তারা বাদাম খাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে রিকাবিবাজার যাবেন, ও সেখানে গুড়ের চা খাবেন।তখন ...

গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

সংখ্যাসংকট

Ramiz Ahamed Rudro

তখন বোধহয় কাঁপা কাঁপা হাতে স্লেটে খড়ি দিয়ে অ আ লিখতে শুরু করেছিলাম, সাথে ঘাস ,পাতা, সাপ ব্যাঙ হিজিবিজি লিখতে লিখতে একদিন মা শিখিয়েছিল ত্রিনয়ন,দশভুজ, আর একটু কারিকুরি দিয়ে তৈরী হয় দুর্গাঠাকুর। তার পাশে খড়ি দিয়ে বাবার এঁকে দেওয়া দুষ্টু অসুর।

তারপর ওয়াটারবটল গলায় ঝুলিয়ে বাবামায়ের হাত ধরে একটা নতুন দেশে গিয়েছি, যেখানে পদবী বিহীন বন্ধুরা রোজ রোজ ব্যাগ পেতে অপেক্ষা করেছে।

অতিশৈশবের গন্ডি পেরোনো, অ্যাডমিশন টেস্টের কড়াকড়ি সামলে
মিশনারী স্কুলের অনুশাসনের তলায় ভীতদৃষ্টিতে পেঁয়াজ, রসুন, আমিষের আঁচড় বাঁচানো বেড়াজাল টপকে টিফিনবক্স পেতে জমেছে বন্ধুদের বৈঠকী, বক্স উপচে পড়া পাটিসাপটা, লুচি, চিড়ের পোলাও এর রূপকথাগুলোর সাথে সাথে জেনেছি অক্ষৌহিনী সেনা কারা,  কৌমুদী গদা আসলে কার,  মেঘের আড়ালে মেঘনাদের যুদ্ধ,  আর অহল্যার পাথর হয়ে যাওয়ার গল্প। তারপর যত্ন নিয়ে ধরে ধরে সংস্কৃত হরফে শ্লোক লিখতে শিখেছি।

বাড়িতে মা পড়তে দিয়েছে রঙিন ছবিওয়ালা বাইবেলের গল্প, যার পাতায় পাতায় কল্পনার বুননের মতো,  আদম-ইভ, যাকোব-যোহন, মরিয়ম-দানিয়েল আর নোয়ার নৌকারা ভেসে বেড়িয়েছে, আবার বাবার সাথে কোরানের বঙ্গীয় অনুবাদের মতো বই নিয়ে ও বাড়ি ফিরেছি।

মনখারাপেরা এসে জমা হয়, যখন প্রফেসরের দোল দিওয়ালি দুর্গাপুজোর ভীড়ে............. নাহ!  ঈদটা নেই। তার মাঝে বন্ধুদের মনে করানো সিমাইয়ের প্রত্যাশা।
কলেজে ডিপার্টমেন্টে চেটেপুটে নেওয়া স্বাদ, গন্ধ। ওদের এগিয়ে দেওয়া স্যান্ডউইচ, নুডলস, ফ্রায়েডরাইসের মিশেল।

আবার কলেজ চ্যাপেলে আমায় হাসিমুখে ওয়েলকাম করে ওরশীপ টিমের মেম্বাররা, বাইবেল উপহার দেয়। অপলক হয়ে  শুনি যীশুর গল্প। আত্মোৎসর্গ , ক্ষমা করার গল্প।
প্যান্ডেলে দুর্গাঠাকুর দেখে বের হতে হতে যে অনুভূতিটা হয়, 'ভালো রেখো, মা'। ঈদের নামাজে সেজদা যাওয়ার সময় ও মনে হয় আল্লাহ শুধু শান্তির কথা বলেছেন, বলেছেন সমর্পিত হতে।

সিল্যুয়েট দেখতে পাই........
কাঁপা কাঁপা হাতে ফুলের কুচি, বেলপাতা
........বীণাপুস্তক রঞ্জিত হস্তে।
 নিস্তারপর্বের ভোজ, প্রভু টিফিনবক্স খুলে পরোটা
 আর আলুভাজা ভাগ করছেন।
কামড়ানো আপেলের ভাগ বসানো উপবীতধারী বন্ধুর মুখ,
এর বাইরেটুকু ভীষণ অন্ধকার!


শেয়ার করুন


Avatar: রৌহিন

Re: সংখ্যাসংকট

সুন্দর। এসেন্স
Avatar: aranya

Re: সংখ্যাসংকট

বাঃ। ভাল লাগল এই লেখা
Avatar: জি

Re: সংখ্যাসংকট

বেশ লাগল


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন