Zarifah Zahan RSS feed

Zarifah Zahanএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আমার প্রতিবাদের শাড়ি
    আমার প্রতিবাদের শাড়িসামিয়ানা জানেন? আমরা বলি সাইমানা ,পুরানো শাড়ি দিয়ে যেমন ক্যাথা হয় ,গ্রামের মেয়েরা সুচ সুতো দিয়ে নকশা তোলে তেমন সামিয়ানাও হয় । খড়ের ,টিনের বা এসবেস্টাসের চালের নিচে ধুলো বালি আটকাতে বা নগ্ন চালা কে সভ্য বানাতে সাইমানা টানানো আমাদের ...
  • টয়লেট - এক আস্ফালনগাথা
    আজ ১৯শে নভেম্বর, সলিল চৌধুরী র জন্মদিন। ইন্দিরা গান্ধীরও জন্মদিন। ২০১৩ সাল অবধি দেশে এটি পালিত হয়েছে “রাষ্ট্রীয় একতা দিবস” বলে। আন্তর্জাতিক স্তরে গুগুল করলে দেখা যাচ্ছে এটি আবার নাকি International Men’s Day বলে পালিত হয়। এই বছরই সরকারী প্রচারে জানা গেল ...
  • মার্জারবৃত্তান্ত
    বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে ...
  • বসন্তবৌরী
    বিল্টু তোতা বুবাই সবাই আজ খুব উত্তেজিত। ওরা দেখেছে ছাদে যে কাপড় শুকোতে দেয়ার একটা বাঁশ আছে সেখানে একটা ছোট্ট সবুজ পাখি বাসা বেঁধেছে। কে যেন বললো এই ছোট্ট পাখিটার নাম বসন্তবৌরী। বসন্তবৌরী পাখিটি আবার ভারী ব্যস্তসমস্ত। সকাল বেলা বেরিয়ে যায়, সারাদিন কোথায় ...
  • সামান্থা ফক্স
    সামান্থা ফক্সচুপচাপ উপুড় হয়ে শুয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়েছিলাম। মাথায় কয়েকশো চিন্তা।হস্টেলে মেস বিল বাকি প্রায় তিন মাস। অভাবে নয়,স্বভাবে। বাড়ি থেকে পয়সা পাঠালেই নেশাগুলো চাগাড় দিয়ে ওঠে। গভীর রাতের ভিডিও হলের চাম্পি সিনেমা,আপসু রাম আর ফার্স্ট ইয়ার কোন এক ...
  • ইংরাজী মিডিয়ামের বাংলা-জ্ঞান
    বাংলা মাধ্যম নাকি ইংরাজী মাধ্যম ? সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি? অনেক বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিতে! তারপরেও সংশয় যেতে চায় না। ঠিক করলাম, না কি ভুলই করলাম? উত্তর একদিন খানিক পরিস্কার হল। যেদিন একটি এগার বছরের আজন্ম ইংরাজী মাধ্যমে পড়া ছেলে এই ...
  • রুশ বিপ্লবের ইতিহাস
    রুশ বিপ্লবের ইতিহাসরাশিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের বিষয়টিকেই বলা হয় রুশ বিপ্লব। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’ সময়পর্বের মধ্যে এই বিপ্লবের চূড়ান্ত পর্বটি সংগঠিত হয়েছিল।অবশ্য দুনিয়া কাঁপানো এই দশ ...
  • হিজিবিজি
    শীত আসছে....মানে কোলকাতার শীত আর কি। কোলকাতার বাইরে সব্বাই শুনে যাকে খিল্লি করে সেই শীত। অবশ্য কোলকাতার সব কিছু নিয়েই তো তামাশা চলে আজকাল, গরীব আত্মীয় বড়লোকের ড্রয়িংরুমে যেমন। তাও কাঁথার আরামের মতোই কোলকাতার মায়া জড়িয়ে রাখে, বড় মায়া হে এ শহর ছাড়িয়ে মাঠ ...
  • আমার কালী....... আমিও কালী
    কালী ঠাকুরে আমার খুব ভয়। গলায় মুন্ডমালা,হাতে একটা কাটা মুন্ডু থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে, একটা হাড় জিরজিরে শেয়াল তা চেটে চেটে খাচ্ছে, হাতে খাঁড়া, কালো কুস্টি, এলো চুল,উলঙ্গ দেহ, সেই ছোট বেলায় মন্ডপে দেখে এমন ভয় পেয়েছিলাম সেই ভয় আমার আজও যায়নি। আর আমার এই কালী ...
  • নভেম্বর ২০১৭
    ষাট বা সত্তর সম্পর্কে প্রত্যক্ষজ্ঞান নেই, তবে আশির দশক মোটামুটিভাবে ছিল শ্রেণীসংগ্রামের যুগ। মানে ভারতের বামঘরানার লোকজনের চিন্তনে। ফ্রান্সে ১৯৬৮ সালের বিপ্লব প্রচেষ্টা তখন অতীত। সেসব উত্তাল সময়ে অদ্ভুত তত্ত্বের জন্ম হয়েছে জানা ছিল। কিন্তু সেগুলো খায় না ...

ফাতেমা

Zarifah Zahan

ফাতেমা। আম্মির কাজে হাত লাগায় যে, যাকে আমি 'আপা' বলি, তার মেয়ে। ক্লাস সেভেনে পড়ে। মা দু'বাড়ি কাজ করে আর বাবা ভ্যান চালায়। ভাই-বোন-বাপ-মা মিলিয়ে জনা পাঁচেকের সংসার।
গেল মাসে, সেই আপার হঠাৎ পেটে ব্যথা। ডাক্তার জানালো, অ্যাপেন্ডিক্স। পয়সা-কড়ি , সবাই মিলে জোগাড়ও হল। ঝামেলা বাঁধল, বাড়ি নিয়ে আসার পর। একার সংসার, আপাই এতদিন দায়িত্ব নিয়ে বারান্দায় ন্যাতা দিয়েছে, কুটোটা কেটেছে, বাসন-কোসন সব পাট পাট করে মেজে, তুলে রেখেছে শোবার ঘরের তাকে। এখন ডাক্তারের দাওয়াই, দু'মাসের বেডরেস্ট, কারণ ইতিমধ্যেই বাড়ি ফিরে স্বভাবদোষে না হোক মায়ারমোহে তিনি টিউবওয়েল চেপে আর বাসনের ঝনঝনানির ক্যাচ সামলে কাটার জায়গাটিতে পুঁজ বাধিয়ে বসেছেন। অতএব, বাড়ির কাজ কে দেখে ! শেষমেশ, সেভেনের ফাতেমা'র তলব পড়ল। এমনিতেই তার বইয়ের অক্ষরগুলো দেখলে বুঝম্ভুল পায়, সবকটা যেন শিরদাঁড়া টান করে গাছতলায় ঘাপটি মেরে আছে, ও যেই 'কানামাছি ভোঁ ভোঁ' বলে বন্ধু খুঁজতে পা'টা ফেলবে, ওমনি সবকটা খ্যাঁক। এখন তো আরোই সুযোগ। বেশ 'তোরা এখানে বস, আমি আসছি' বলে বেমালুম পগারপাড়ের মাহেন্দ্রক্ষণ। যেই ভাবা সেই কাজ। তরকারি কাটতে আর বাসন মাজতেই সে দুপুর গড়িয়ে বিকেল দেখাল আর ইস্কুলের ঘন্টিও এই সুযোগে চড়াৎ করে মেলায় বাঁশি কিনতে হাওয়া...দিনের পর দিন।

বেচারির সুখের দিনের সুষুপ্তিতে দু'হপ্তাতেই জল ঢালল আব্বু। রোজ সকালে বই খাতা নিয়ে আমাদের বাড়িখানার মুখদর্শন না করলে কপালে দুঃখ আছে, ঘোষণা হলো। অতএব, গুটি গুটি পায়ে তিনি এলেন। মা ফাতেমা। বিজ্ঞান পড়তে ভালোবাসেন তাই জীববিজ্ঞানের বইটির কান ধরে হিড়হিড় টেনেই পড়তে শুরু করলেন, "ব্যাঙের পোশিকতন্ত্র"
- "কী তন্ত্র?"
- "পোশিক তন্ত্র"
- "তাই লেখা আছে এটা?"
এইবারে সে পুবের বিশাল চাঁদের মতো চোখে তাকিয়ে থাকলো আব্বুর দিকে। আব্বু আবার নরম স্বরে জিজ্ঞেস করলো,
- "এটা আজ প্রথম পড়ছিস?"
-" না , পেরাইভেট ছ‍্যার পড়িয়েছেলো। "
- "কোন স্যার? সে তোকে পোশিকতন্ত্র শিখিয়েছে?"
আবার চুপ। ভয় পেয়েছে বেচারি। নির্ঘাৎ ভাবছে, গাছতলায় বসা অক্ষরগুলো এবার দৈত্য হয়ে পেটেই পুরে নেবে, গোটা ওকে। এবার আমি বললাম,
-"কীরে? বল? কোন স্যার? স্কুলে পড়ায়নি?"
খানিক সাহস পেল বোধহয়।
-" ইসকুলে আবার পড়ায় নাকি! উই কলপাড়ে বাড়ি, চারশো টাকা ল্যায়, উই ছ্যার। একন আর যাইনে।"
-"আচ্ছা, ওটা পৌষ্টিকতন্ত্র। বল দেখি, এবার।"

প্রথম দিন তার জিভ থেকে 'পৌষ্টিকতন্ত্র' বের করতেই প্রায় হাঁস আর ফাঁসের আমার গলদঘর্মদশা। পরেরদিন ঠিকই করেছিলাম, বইয়ের প্রথম থেকে পড়াব।প্যারাগ্রাফ বেছে পড়তে দিলাম। এবারে অবস্থা এক্কেবারে মালগাড়ি। প্রথম অক্ষর পড়ে তো নিজের চেনা শব্দ সে অক্ষর দিয়ে যা শুরু হতে পারে ভেবে আন্দাজে সেটাই বসায়, ও কার আর ঔ কারের ব্যাপারটা, মশারির ভেতর থেকে ফিকে বাল্বের আলোয় চেনা দেওয়াল আর চীনের প্রাচীরের গ্লুকোন-ডি গোলা করে গুলে খেয়েছে; সব মিলিয়ে UNESCO ঘোষিত শ্রেষ্ঠ দেশ ভারতের মতোই হাল মা'জানের। এই পাশ-ফেল ন্যাপথালিন দিয়ে তাকে তুলে কন্যা তো ক্লাস সেভেন দেখে ফেলেছে তবে নিজের নামটাও তিনবারের চেষ্টায় লেখা ছাড়া বাপ-মা কারো নামই সে লিখতে পারেনা। অগত্যা, বর্ণপরিচয় ভরসা। ভাই ক্লাস টু'য়ে পড়ে, তার আছে সে বই। বললাম, "কাল থেকে ঐ বইটা নিয়ে আসবি।"

টানা দশদিনের চেষ্টায় দু'অক্ষরের শব্দগুলো একবারে পড়তে পারছে ফাতেমা। ও কার আর ঔ কারও ঘষটে ঘষটে মশারি সরিয়ে নেমেছে। নামতা আগেই পারত, তবে কাল শেখানোর পর দিব্যি পাঁচডিজিটের তিনটে করে সংখ্যাও যোগ করে ফেলেছে। কিন্তু বিয়োগ জানেনা এখনও। ৩৭ থেকে ৮ বাদ দিতে বললে, টানা পনেরো মিনিট ধরে আঙুল গুনেছে ৩৭ অব্দি, তারপর বাঁ হাত দিয়ে ডান হাতের দাগ, যতদূর পর্যন্ত ৩৭ হয়েছিল, তার উল্টো দিক থেকে গুনে গুনে ঠিক ৮ কমিয়ে বলতে পেরেছে, বিয়োগফল ২৯। এটাও সেই ছ্যারই শিখিয়েছে। কোন প্রাইমারি স্কুলে পড়েছিলি জানতে চাইলে বলে, সিঁথিপাড়া। সে স্কুলে নাকি আটখানা মাস্টার আছে আর ক্লাসে গোটা তিরিশেক করে ছেলেপুলে।

যাক গে, আজ দেশলাইকাঠি নিয়ে বিয়োগ শিখিয়েছি। সাতটা কাঠি থেকে তিনটে নিয়ে নে, ক'টা থাকল? এবার ঐ তিনটে কাঠি আবার জুড়ে দে, কত হলো? আব্বুও আসরে নেমে পড়েছে কোমর বেঁধে।
পরের মাসে পরীক্ষা। এবারকার মতো বাই ডিফল্টওয়ালা হার্ডল টপকালেও ওর নাইনে ব্যাগপত্তর গোছানো আটকাবোই, আটকাতেই হবে।

শুধু আপার কথা ভাবলে খারাপ লাগে, "ও যে বলেছেলো, সব পারে! আটখান খাতা কিনগে দিসি। দু'টো দু'টো করে। একটা ইসকুলের, একটা পেরাইভেটের। একেকটা কুড়ি টাকা কইর‍্যে। চারশো টাকা পেরাইভেটে দিসি, ৭ মাস। ইসকুলে মাস্টার কিছু বলেনা বলে, পড়া ধইল‍্যে।"
একটা ফাতেমাকে ঠিক পাশ করাতে পারব, কিন্তু স্কুলে স্কুলে এরকম আর কত ফাতেমা আছে কে জানে!


Avatar: ন

Re: ফাতেমা

লেখাটা দারুণ। ফাতেমাদের সংখ্যা যেন আর না বাড়ে, সেটাই দেখা উচিৎ, আমাদের সবার।
Avatar: pi

Re: ফাতেমা

স্কুলে স্কুলে এরকমই দশা। আগে লিখেছিলাম বোধহয়, ক্লাস সিক্ষ সেভেন নিয়েও আমারো এমনিই অভিজ্ঞতা।

ফাতেমাদের স্কুল কি সরকারি , মিউনিসিপাল?

আমি প্রাইভেট স্কুল, পাশ ফেল ওয়ালা মুম্বইয়ের স্কুলেও এই দশা দেখেছি। সেখানে অবশ্য পড়তে পারে। তাও আবাঅর ইংরাজিতে। কিন্তু কিছুই মানে বোঝেনা। কারণ সবই মুখস্থ।
Avatar: জারিফা

Re: ফাতেমা

হ্যাঁ দি, সরকারি স্কুল। আর মিড ডে মিল খেতে দেওয়া ছাড়া মফস্বলের গ্রাম ঘেঁষা দিকের প্রাইমারি স্কুলগুলোতে আর কোনো কাজ নেই, পড়াশোনা অষ্টরম্ভা, নিজে পাড়ার প্রাইমারি স্কুলেই দেখেছি। কোনো বেসিক কনসেপ্টই তৈরি হয়নি ওর, যোগ বিয়োগ যে মুদিখানার দোকান বা বাজারে গিয়ে ওকে করতে হবে পরে, সেটাও বললে বুঝতে পারছে না।

বেসরকারি স্কুলেও সবাই যদি সুযোগ পেয়েও মুখস্থ বিদ্যার দিকে ঝোঁকে, তাহলে সত্যিই কিছু বলার নেই।
Avatar: রাণা আলম

Re: ফাতেমা

ঈপ্সিতা দি, গুরুতে ট্যাগ না করলে লেখাটা এড়িয়ে যেত। সাবলীল লেখা। আসলে লিটারেসি বিষয়টা খুব স্পষ্ট নয় আমাদের দেশে। এইট অব্দি পড়লে সে টেকনিক্যালি এলিমেন্টারি এডুকেশন কমপ্লিট করে ফেলছে। কিন্তু আদতে সেই লিটারেসি তার কতটা কাজে লাগছে সেইটে দেখা হয়না। ফাংশনাল লিটারেসি এদেশে চেক করা হয়না। অনেক আগের, ওই ২০১১-১২ হবে, একটা ডেটা দেখেছিলাম, তাও কতটা প্রামাণ্য জানিনা, ওই মেরেকেটে ৩০% মতন লোক নিজের অক্ষর জ্ঞান কে ব্যবহার করতে পারে।
Avatar: রাণা আলম

Re: ফাতেমা

আর ইয়ে, সরকারী প্রাইমারি স্কুলে ক্যানো পড়াশুনো হয়না তার অনেক কারণ আছে। মিড ডে মিল খুব জরুরী। ওটা বাদ দেওয়া যাবেনা। পরিকাঠামো এখনও পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নাম কে ওয়াস্তে হয়। লিখলে মহাভারত লিখতে হয়। কিন্তু ফার্স্ট ইয়ারের খাতা দেখা শেষ হয়নি। অতএব মহাভারত মূলতুবি রইলো।
Avatar: অঙ্কুর

Re: ফাতেমা

বাস্তব। তাও তো এদের চেষ্টা আছে। এদিকে শহুরে বাবা মায়েরা কেবল মার্কসের পিছনে ছোটে। ছেলে মেয়ে কিছু শিখল কি না জানার দরকার নেই,মার্কস না এলে স্যারের বিদায়, মার্কস এলে থ্যাংকলেস জব।
Avatar: অ

Re: ফাতেমা

পাওলো ফ্রেইয়ারের পেডাগগি অফ দা অপ্রেসড মনে করিয়ে দিলো এই বাস্তব অভিজ্ঞতার বর্ণনা।
শিক্ষা সংক্রান্ত এই বর্ণনা গুলো মন খারাপ করিয়ে দেয়।প্রচন্ড রকমের বাস্তব বলেই এড়িয়ে যাওয়া যায়না।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন