π RSS feed
লোকে নাকি বলে প্রমাণ করেছে আমি irrational আর transcendental! :)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মেডিকেল কলেজঃ গত দুদিনে যেমন দেখলাম
    গতকাল, শুক্রবার দুপুরে গেছিলাম মেডিকেল কলেজ। যখন পৌঁছালাম, ওখানে বেশ কিছু লোক – যদিও সব মিলিয়ে দুশোর বেশী নয় অবশ্যই – পরিচিত মুখও দেখা গেল কিছু। কাবেরী বসু ছিল, অমিত দত্ত দা ছিলেন, কোয়েল, দেবিকা, আরো কয়েকজন। অরিজিত গুহ চলে এল আরেকটু পরেই। শুভদীপ অবশ্য তখন ...
  • জবা ফুল গাছ সংশ্লিষ্ট গল্প
    সেদিন সন্ধ্যায় দেখলাম একটা লোক গেইটের কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। বয়স আনুমানিক পঞ্চাশের উপরে। মাথায় পাকা চুল, পরনে সাধারণ পোষাক। আমার দিকে চোখ পড়তেই লোকটি এগিয়ে এলো।আমি বারান্দায় ছিলাম। নেমে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কাকে চাচ্ছেন?লোকটি নরম কন্ঠে বলল, আমি আপনাদের কয়েক ...
  • আবার কাঠুয়া
    ধর্ষণের মামলায় ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্টের মুখ বন্ধ খাম পেশ করা হল আদালতে। একটা বেশ বড় খাম। তাতে থাকার কথা চারটে ছোট ছোট খামে খুন হয়ে যাওয়া মেয়েটির চুলের নমুনা। ঘটনাস্থল থেকে সিট ওই নমুনাগুলো সংগ্রহ করেছিল। সেগুলোর ডি এন এ পরীক্ষাও করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু ...
  • ওই মালতীলতা দোলে
    ২আহাদে আহমদ হইলমানুষে সাঁই জন্ম নিললালন মহা ফ্যারে পড়ল সিরাজ সাঁইজির অন্ত না পাওয়ায়।এক মনে জমিতে লাঙল দিচ্ছিল আলিম সেখ। দুটি জবরজঙ্গী কালো মোষ আর লোহার লাঙল। অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে। আজকাল আর কেউ কাঠের লাঙল ব্যবহার করে না। তার অনেক দাম। একটু দূরে আলিম সেখের ...
  • শো কজের চিঠি
    প্রিয় কমরেড,যদিও তুমি আমার একদা অভিভাবক ছিলে, তবুও তোমায় কমরেড সম্মোধন করেই এই চিঠি লিখছি, কারন এটা সম্পূর্নভাবে রাজনৈতিক চিঠি। এই চিঠির মারফত আমি তোমায় শো কজ জানাচ্ছি। তুমি যে রাজনীতির কথা বলে এসেছো, যে রাজনীতি নিয়ে বেচেছো, যে রাজনীতির স্বার্থে নিজের ...
  • ক্যালাইডোস্কোপ ( ১)
    ক্যালাইডোস্কোপ ১। রোদ এসে পড়ে। ধীরে ধীরে চোখ মেলে মানিপ্যান্টের পাতা। ওপাশে অশ্বত্থ গাছ। আড়াল ভেঙে ডেকে যায় কুহু। ঘুমচোখ এসে দাঁড়ায় ব্যালকনির রেলিং এ। ধীরে ধীরে জেগে ওঠা শহর, শব্দ, স্বরবর্ণ- ব্যঞ্জন; যুক্তাক্ষর। আর শুরু হল দিন। শুরু হল কবিতার খেলা-খেলি। ...
  • শেষ ঘোড়্সওয়ার
    সঙ্গীতা বেশ টুকটাক, ছোটখাটো বেড়াতে যেতে ভালোবাসে। এই কলকাতার মধ্যেই এক-আধবেলার বেড়ানো। আমার আবার এদিকে এইরকমের বেড়ানোয় প্রচণ্ড অনীহা; আধখানাই তো ছুটির বিকেল--আলসেমো না করে,না ঘুমিয়ে, বেড়িয়ে নষ্ট করতে ইচ্ছে করে না। তো প্রায়ই এই টাগ অফ ওয়ারে আমি জিতে যাই, ...
  • পায়ের তলায় সর্ষে_ মেটিয়াবুরুজ
    দিল ক্যা করে যব কিসিসে কিসিকো প্যার হো গ্যয়া - হয়ত এই রকমই কিছু মনে হয়েছিল ওয়াজিদ আলি শাহের। মা জানাব-ই-আলিয়া ( বা মালিকা কিশওয়ার ) এর জাহাজ ভেসে গেল গঙ্গার বুকে। লক্ষ্য দূর লন্ডন, সেখানে রানী ভিক্টোরিয়ার কাছে সরাসরি এক রাজ্যচ্যুত সন্তানের মায়ের আবেদন ...
  • ফুটবল, মেসি ও আমিঃ একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন (পর্ব ৩)
    ফুটবল শিখতে চাওয়া সেই প্রথম নয় কিন্তু। পাড়ার মোড়ে ছিল সঞ্জুমামার দোকান, ম্যাগাজিন আর খবরের কাগজের। ক্লাস থ্রি কি ফোর থেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়তাম হি-ম্যান আর চাচা চৌধুরীর কমিকস আর পুজোর সময় শীর্ষেন্দু-মতি নন্দীর শারদীয় উপন্যাস। সেখানেই একদিন দেখলাম ...
  • ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি
    অনেক সকালে ঘুম থেকে আমাকে তুলে দিল আমার ভাইঝি শ্রী। কাকা দেখো “ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি”। একটু অবাক হই। জানিস তুই, কাকে বলে ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি? ক্লাস এইটে পড়া শ্রী তার নাকের ডগায় চশমা এনে বলে “যে বৃষ্টিতে ইলিশ মাছের গন্ধ বুঝলে? যাও বাজারে যাও। আজ ইলিশ মাছ আনবে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

সুর অ-সুর

π

এখন কত কূটকচালি !
একদিকে এক ধর্মের লোক অন্যদের জন্য বিধিনিষেধ বাধাবিপত্তি আরোপ করে চলেছে তো অন্যদিকে একদিকে ধর্মের নামে ফতোয়া তো অন্যদিকে ধর্ম ছাঁটার নিদান। দুর্গাপুজোয় এগরোল খাওয়া চলবে কি চলবে না , পুজোয় মাতামাতি করা ভাল না খারাপ ,পুজোর মত রিগ্রেসিভ ব্যাপারের সাথে কোনভাবে জুড়ে যাওয়া উচিত কি অনুচিত, উমার শ্বশুরবাড়ি থেকে আসার মত পিতৃতান্ত্রিক ব্যাপার নিয়ে আহ্লাদ আমোদ করা ঠিক না ভুল, পুজো নিয়ে, ঠাকুরদেবতা নিয়ে ইয়ার্কি মারা অনুভুতিতে আঘাত নাকি নয়, আঘাত হলেও কিছু আসে যায় নাকি যায়না, পুজো আসলে কার, বাঙালি না হিন্দু বাঙ্গালির, এতসব বাগবিতণ্ডা পড়তে শুনতে দেখতে দেখতে আবার সেই কথাই মনে হচ্ছিল। সেই বসিরহাটের দাঙ্গার সময় যা মনে হয়েছিল। কিছুদিন আগে কাগজের লেখাতে কিছু লিখেওছিলাম সেসব কথা। লিখেছিলাম, বারণের লিস্ট পর্বতসমান করতে থাকলে তা ডিঙ্গিয়ে রোজের চলাফেরাই কিন্তু বিষম দায় হয়ে যাবে। ভেবেই দেখুন না, এই ধর্মানুভূতিতে আঘাত লেগে যেতে পারে বলে সবকিছু বন্ধ করার যুক্তিতে তাহলে লোকজনের গরু, শু‍য়োর খাওয়াও বন্ধ করে দিতে হয়, খাজুরাহো, কোনারক, মুঘল মিনিয়েচর পেন্টিং এ ঘোমটা কিম্বা বোরখা পরিয়ে দিতে হয়, মা বাবা শিক্ষক গুরুকে ঈশ্বর, আল্লা বলা বন্ধ করে দিতে হয়, কুমারসম্ভবের পাতায় দেবদেবীদের রমণদৃশ্য বর্ণনায় কালোকালি ফেলতে হয়, ,হুসেনের নগ্ন সরস্বতীকে বস্ত্রদান করতে হয়। এগুলো যদি আপনি না করে থাকেন, এবং অন্য কেউ করলে তার বিরোধিতা যদি আপনি কোন একটি ক্ষেত্রেওকরে থাকেন, তো আজ আপনার এই ধর্মানুভূতিকে ফুলের ঘাটুকুও লাগানো যাবেনা টাইপের আতুপাতু দাবি কিন্তু স্ববিরোধী এবং সেহেতু অযৌক্তিক হয়ে যাচ্ছে। আজকের গরুরমাংস খেলে অন্যের দাঙ্গা করার মত সমস্যা আবসার্ডিটির ধূসর সীমানা টপকে কাল গরুকে মা না বলে গরু ডাকা নিয়েও সমস্যা হতে কতক্ষণ !
আর ঠিক সেরকমই সমস্যাজনক ধর্মাচরণ বা ধর্মকে বর্জন করার দাবিটিও। ধর্ম বা ধার্মিক মানেই সমস্যার, এই বাঁশটি না থাকলে আর কোন বেসুরো বাঁশি বাজারই সমস্যা থাকছে না বলে যাঁরা বলছেন, তাঁরা কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে মাথাব্যথার রোগে মাথা কাটার অবাস্তব এবং বিলকুল ভুল নিদানটি হাঁকছেন। কারণ, এই ইন্ডিয়ার মধ্যে আছে এক অন্য ভারত। এদেশে, বিশেষতঃ অর্থনৈতিক কি সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা শ্রেণীতে, জীবনে ধর্ম মিশে আছে ওতপ্রোতভাবে। আচারবিচার পালাপার্বণের লোকায়ত ধর্ম, যাপন আর সংস্কৃতির তিনগাছি মিশে যে বিনুনি বাঁধা তার একটি গাছি উপড়ানো কি সহজ ?
আর উপড়ানোর প্রয়োজনীয়তা কি সত্যিই আছে? কারণ সেখানে কতটা আছে মেলামেশা নিয়ে গোঁড়ামি , কতটা আছে ভিন্নের প্রতি বিদ্বেষ ? যদি না প্রোথিত হয়। যদি না খুঁচিয়ে বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রেও এর প্রতিষেধক বা প্রতিরোধক্ষমতা আছে এই লোকায়ত জীবনচর্যার মধ্যেই। তাই যিনি নিজে এখান থেকে বেরোতে চান না, তাঁকে কেন ছিন্নমূল করা ?
সত্যিই এই ধর্ম ছেড়ে দেবার কথাগুলো প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরলে কেমন একটা অবাস্তব লাগে ! ট্রাইবাল গ্রামেও। এবারে কিছু কথা রেকর্ড করেছিলাম, ক্যামেরার কার্ড করাপ্ট হয়ে গিয়ে .bn ফাইল হয়ে গেছে, খুলছেনা। মোবাইলে যা আছে, আপলোড করে দেব।
মশা, ম্যালেরিয়া নিয়ে বকবক করছি, তার মধ্যেই সমানে এসে টানাটানি, কী না, দেবতা দেখতে যেতে হবে। প্রথমে তো বুঝিনি। পরে বুঝলাম, স্বপ্নে দেবতা পেয়েছেন। ৩০ না চল্লিশটা। তো, সে নিয়ে প্রচণ্ড উত্তেজিত।গ্রামের অনকেই। ওটাই এখন মূল দ্রষ্টব্য। আমাকে ম্যালেরিয়া নিয়ে বোঝাতে হলে আগে আমাকে এইসব দেখে শুনে বুঝে আসতে হবে। ভক্তিভরে প্রণামও। অন্ততঃ অশ্রদ্ধা দেখানোর তো প্রশ্নই নাই। তবে এটা , একান্ত ব্যক্তিগত মত, যে যা কিছু অন্যের ক্ষতি করছেনা, আমাকে মানতে বাধ্য করছেনা, তাকে নিজে অবিশ্বাস করি বলে অশ্রদ্ধা করে কোন চতুর্বর্গ লাভ হবে কি ? হ্যাঁ, আমাকে দেখতে বাধ্য করাটাকে কতটা চাপাচাপি ভাবব, সেটা ভেবে দেখার বিষয়, কিন্তু সেদিন তালেগোলে একথা সেকথা, আর কাজেকম্মে আমি কাটিয়ে দিয়ে পেরেছিলাম। আমার টিমের লোকজন গেছিল যদিও, সে তাদের ইচ্ছাতেই। তারা ধার্মিক মানুষ, দেবতা পাওয়া গেছে শুনলে ভক্তিভরেই দেখে আসেন।
কত গল্প শুনছিলাম। ত্রিপুরার জনজাতিদের খুব বড় পার্বণ , চৈত্র সংক্রান্তিতে গড়িয়া পূজা। আগে একদিন, এখানে না কোথায় তর্ক হচ্ছিল না, আদিবাসীদের লোকায়ত ধর্ম হিন্দু ধর্মের থেকে অনেক আলাদা, হিন্দু ধর্ম বলা যাবেনা। আমি কিন্তু এসব এলাকায় যত জায়গায় কথা বলেছি, তা বিশেষ মনে হয়নি। নিজেদের মতন লোকাচার অনেক কিছুই আছে। কিন্তু দেখলাম, নিজেদের হিন্দুই বলেন। অন্ততঃ এখন। ইতিহাস যা হয়ে থাক।
বাড়ি বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় দেবতাকে নিয়ে, নাচ , গান করে, বাদ্যি বাজিয়ে, কয়েকটা দল বেঁধে বেঁধে। এ পাহাড় থেকে ও পাহাড়ে। বড়মুড়ার পাহাড় পেরিয়ে চলে যান আঠারোমুড়ার কোলে, এই ধনসিং , সুধীরামে তো এই গুরুধনের লোকজন লংতরাই পেরিয়ে চলে যান মনু , ছামনুতে। রিয়াং , জামাতিয়া, ত্রিপুরী, দেববর্মা, সবার উৎসবেই নিয়মকানুনের কিছু এদিক ওদিক। এমনইই তারিখেরও। কিন্তু এর বাড়ি ওরা, ওদের বাড়ি তারা, এমনি চলেই। আর বাড়ি যাওয়া মানেই দলকে খেতে দিতে হবে। সেটাই তো মজা, সেটাই তো আনন্দ।
আর এও দেখলাম, মুসলিম, খ্রীএষ্টান, কাউকে নিয়ে কোন বিদ্বেষ নেই। এখানে তো ট্রাইবালদের মধ্যে মুসলিম প্রায় দেখিই না, কিন্তু খ্রীশ্টান আছেন। এই গড়িয়া পুজোর সময়ই তাঁরা কী করেন, জিগাচ্ছিলাম। না পুজোয় সরাসরি অংশ নেন না, কিন্তু দেখেন। এঁদের বাড়ি যাওয়া হয়না , কিন্তু ঐ নাচ গান দেখে মজা তাঁরাও নেন। কারণ পুজো তো আদতে আনন্দ উৎসবই। এই পুজো না হলে কেউই গিয়ে জুমে থাকতে শুরু করেন না।

এটা কিন্তু বারেবারে দেখছি। এই অর্থনৈতিক কি সামাজিক পিছিয়ে পড়া অংশে ধর্ম যদি ওতপ্রোতভাবে অনেক বেশি মিশেও থাকে ( ধরে নিলাম, অন্য অংশে তুলনায় কম। তুলনায় বলছি, কারণ এঁদের মধ্যে সেভাঅবে কোন নিয়ম না মানা, একেবারে ঘোষিত আস্তিক, তেমন দেখিনি), কিন্তু সেখানে অন্যের সাথে না মেশা নিয়ে গোঁড়ামি , অন্যের প্রতি বিদ্বেষ কম আছে। যদি না প্লান্টেড হয়। যদি না বিষ ঢুকিয়ে খুঁচিয়ে তোলা হয়। সেক্ষেত্রেও অনেকেই তাকে রেজিস্ট করতে পারেন। এইবার দিল্লি গিয়ে বেশ কিছু অটূয়ালার সাথে কথা হল, ট্রেনে নানা জনের সাথে কথা বলেও বারবার তাই মনে হচ্ছিল।

ও, বলা হয়নি। এই গ্রামটায় ঢোকার মুখেই প্রধানের বাড়ি। আশেপাশে আরো কিছু ঘর। দুটো বাড়িতে খুব উঁচু উঁচু পতাকা লাগানো। লাল পতাকা।
ভেবেছিলাম, লাল পার্টির পতাকা।
হ্যাঁ, এঁরা লাল পার্টিই করেন, এখনো। সাম্প্রদায়িকতাকে বেশ আপত্তিকর মনে করেন দেখলাম। বিজেপিকেও।
তো, জিগেশ করতে বললেন, এ পতাকা আমাদের দেব্তার পতাকা। এও স্বপ্নে পাওয়া। যেমন ঐ ছাব্বিশ ফুট পতাকাটা, স্বপ্নে ছাব্বিশ ফুট বানানোর নির্দেশই ছিল।
স্বপ্নে পাওয়া লাল পতাকা প্রচুর হাওয়ায় প্রচুর উঁচুতে পতপত করে উড়ছিল।
তবে দুই লালে কোন বিরোধ নেই। বিরোধের জায়গা আছে, তাই জানেন বা ভাবেন বলে মনে হল না।
এও আমাদের দেশই। কিম্বা এই আমাদের দেশ।
এরকমই তো লাগে আজকাল।

আজ মহালয়া। মহালয়া মানে ধর্ম, পূজা, আচার বিচার ? সে হবে কারো কাছে।আমার কাছে মহালয়া মানে সুর। নিজের আর ভোরভোর উঠে শোনাটোনা হয়না। অবশ্য কোনদিনই বা উঠতাম। উঠে চালিয়ে তো দিত মা। আধো ঘুমে আধো জেগে যে কথা সুরগুলো ঢুকে পড়ত, একসাথে ঘোর তৈরি করে দিয়ে যেত। সেই সুর। আর অ-সুরের পালানোর পালা।
আগমনীর পালা।
এই আগমনীটা খুব প্রিয় ছিল। খুব গাইতাম।
এই গান নজরুলের। নজরুল ইসলামের। ভাবতে ভাল লাগে, এটাও আমার দেশ।

https://www.youtube.com/watch?v=U4dZomKmXH0

শেয়ার করুন


Avatar: সুস্মিতা সেন গুপ্ত

Re: সুর অ-সুর

খুব ভালো লাগলো। তোমার লেখা পড়ে খুব ইচ্ছে হয় তোমার সঙ্গে খানিক ঘোরার। সে সুযোগ থাকলে বোলো।
Avatar: de

Re: সুর অ-সুর

ভালো লাগলো -

গানটা আমারো খুবই প্রিয় -

ভারতে ধর্ম আর লোকায়ত আচার-বিচার বড্ড বেশী মিলে মিশে আছে - বাদ দেওয়া মুশকিল -
Avatar: aranya

Re: সুর অ-সুর

ভাল লেখা
Avatar: Rabaahuta

Re: সুর অ-সুর

হিন্দু ধর্মের মধ্যে বলা যাবে কিনা এইটা খুব কনফিউজিং আর ইন্টারেস্টিংও - শৈব শাক্ত বৈষ্ণব সবার একটা হিন্দু ধৰ্ম নামের ঠোঙায় ঢুকে যাওয়ার প্রসেস, এইটা শেষ হয়নি। সেটাকে ভালো মন্দ বলার ব্যাপার নয়, কিন্তু শেষ হয়নি। পাইয়ের লেখাতেই পড়েছিলাম এখন ত্রিপুরা লোক বলে গড়িয়া দেবতা গণেশের রূপ (অবতার?) - এই ব্যাপারটা মনে হয় না আগে ছিল; যবে থেকে গড়িয়া ঠাকুরের পুজো তখন কি পাহাড়ের লোক গনেশের নাম জানতো? কি জানি। ছোটবেলায় তো শুনিনি; গণপা নামে গনেশ পুজো হয় কোথায় এইরকম একটা কি ছিল। তাহলে কি ধৰ্ম? নাম ছিল না হয়তো, অনেক আগে যখন লোক আকাশ রোদ পাহাড় এইসব ঠাকুরকে মান্য করত, ওরা কি ধর্মের নাম দিয়েছিল? আস্তে আস্তে বোঙ্গাদেবতা টাড়বারো হিন্দু দেবদেবী হয়ে যান, মাইক বাজিয়ে পুজো হয়, শহরে টাকা ওড়ে। ভূমিসন্তান রাজারা সূর্যবংশ চন্দ্রবংশে পরিচয় খুঁজে মূলধারায় বাসা নেন। ভালোমন্দ কিছু না, যাত্রাটা - ইন্টারেস্টিং। আগ্রাসন না আদান প্রদান - সংখ্যালঘু না জমজমাট সেটা তর্ক, কিন্তু লৌকিক ধৰ্মগুলি স্বতন্ত্র বাঁচলে বহুত্ত্ববাদ পুষ্ট হতো - ভালোই হত বোধয়। একটা মূল ধারার (বা যেমনি হোক, মূল ধারা কি? বেশী লোক?) ধৰ্ম বেশী পেশী ফোলানোর থেকে তো ভালো।

ইনফ্যাক্ট এইখানে একটা জিনিস মনে হয়, ব্যক্তিগত ভাবে সাংগঠনিক ধর্মের প্রবল বিরোধী হয়েও, এই বিরোধীতা কি আদতে এই ছোট ধারা গুলোর ক্ষতি করছে বেশী? আধুনিকতা রেজিস্ট করতে না পেরে মূল ধারায় মিশছে?

না বোধয়।

অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য হয়ে গেল, লেখাটা চমৎকার, যথারীতি।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন