Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...
  • পটাকা : নতুন ছবি
    মেয়েটা বড় হয়ে গিয়ে বেশ সুবিধে হয়েছে। "চল মাম্মা, আজ সিনেমা" বলে দুজনেই দুজনকে বুঝিয়ে টুক করে ঘরের পাশের থিয়েটারে চলে যাওয়া যাচ্ছে।আজও গেলাম। বিশাল ভরদ্বাজের "পটাকা"। এবার আমি এই ভদ্রলোকের সিনেমাটিক ব্যাপারটার বেশ বড়সড় ফ্যান। এমনকি " মটরু কে বিজলী কা ...
  • বিজ্ঞানের কষ্টসাধ্য সূক্ষ্মতা প্রসঙ্গে
    [মূল গল্প - Del rigor en la ciencia (স্প্যানিশ), ইংরিজি অনুবাদে কখনও ‘On Exactitude in Science’, কখনও বা ‘On Rigour in Science’ । লেখক Jorge Luis Borges (বাংলা বানানে ‘হোর্হে লুই বোর্হেস’) । প্রথম প্রকাশ – ১৯৪৬ । গল্পটি লেখা হয়েছে প্রাচীন কোনও গ্রন্থ ...
  • একটি ঠেকের মৃত্যুরহস্য
    এখন যেখানে সল্ট লেক সিটি সেন্টারের আইল্যান্ড - মানে যাকে গোলচক্করও বলা হয়, সাহেবরা বলে ট্র্যাফিক টার্ন-আউট, এবং এখন যার এক কোণে 'বল্লে বল্লে ধাবা', অন্য কোণে পি-এন্ড-টি কোয়ার্টার, তৃতীয় কোণে কল্যাণ জুয়েলার্স আর চতুর্থ কোণে গোল্ড'স জিম - সেই গোলচক্কর আশির ...
  • অলৌকিক ইস্টিমার~
    ফরাসী নৌ - স্থপতি ইভ মার একাই ছোট্ট একটি জাহাজ চালিয়ে এ দেশে এসেছিলেন প্রায় আড়াই দশক আগে। এর পর এ দেশের মানুষকে ভালোবেসে থেকে গেছেন এখানেই স্থায়ীভাবে। তার স্ত্রী রুনা খান মার টাঙ্গাইলের মেয়ে, অশোকা ফেলো। আশ্চর্য এই জুটি গত বছর পনের ধরে উত্তরের চরে চালিয়ে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বন্ধু...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আজ আমার বন্ধুর গার্ল ফ্রেন্ডের গায়ে হলুদ। আগামি কাল বিয়ে। যদি হিসেব নিকেশ ঠিক থাকত তাহলে এই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমরা। বিশেষ করে আমি। আমি তাদের সম্পর্কের মাঝে এত উতপ্রত ভাবে জরিয়ে ছিলাম যে এখন ভাবতে অবাক লাগে। প্রেমে ঝগড়া থাকবেই আর আমি এই জীবনে প্রেমের ফাঁদে না পরেও দারুন ভাবে জানতাম এই দুইজনের কল্যাণে। যে কোন এক তরফ থেকে নোটিস পেতাম অন্য জন কি কি জঘন্য কাজ তার সাথে করেছে, কত বড় অন্যায় তার সাথে হয়েছে। আমার দায়িত্ব ছিল অপর পক্ষ কে বুঝিয়ে নতি স্বীকার করানো যে সে আসলেই মারাত্মক অন্যায় করে ফেলেছে, এমন ভুল ইহ জীবনে আর হবে না। আমার আসলে বেশি কিছু করার থাকত না। কোনমতে দুজন কে সামনা সামনি করেতে পারলেই খেলা শেষ হয়ে যেত বেশির ভাগ সময়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনেক প্রেমিক প্রেমিকারা প্রেম করত। আমার বন্ধু থাকত রাজশাহি। সেখান থেকে মাঝে সাঝে আসত ঢাকা। ওর প্রেমিকার সাথে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রেম সেও করত। তবে কাব্বাব মে হাড্ডি হিসেবে থাকতাম আমি। কখন চট করে একটু ঘুরে আসতে হবে তা আমি জানতাম। আর তাই কোনদিন আমার উপস্থিতি ওদের প্রেমে বাঁধা সৃষ্টি করেনি। আমার বন্ধুর প্রেমিকা রান্না করে নিয়ে আসত হল থেকে। প্লেট আসত তিনটা, একটা আমার জন্য। ওদের প্রেম আমি বাদ দিয়ে কতটুকু তা আসলে চিন্তার বিষয়।
তাই বলছিলাম দারুন ভাবে ওই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমি। কড়া ঝাড়ি দিতাম ডেকারেশনের লোকদের। ওমন ক্যাটকেটে হলুদ কাপড় কেন লাগিয়েছে বিয়ের প্যান্ডেলে তার জন্য এমন হুলুস্থুল করতাম যে মেয়ের বাবা এসে আমাকে শান্ত করত। মেয়ের বান্ধবি, আত্মীয় স্বজন যারা আছে তারা অবাক হয়ে আমাকে দেখত। যদিও ছেলে আর মেয়ের বাসা খুব কাছাকাছি। বন্ধু বৃত্ত প্রায় একই আমাদের। কিন্তু ওর কলেজের, ওর আবৃতির গ্রুপের সাঙ্গপাঙ্গদের বুঝিয়ে দিতাম না আমি কে!! মেয়ের ভাই বাবা মা ছেলের বাড়ির কোন কিছু জানতে আমাকে ধরত, আমাকে বলত, একটু ফোন করে জেনে নিবা বাবা, ওরা হলুদে কয়জন আসছে? আমি বলতাম, দেখছি, জানাচ্ছে আপনাদের।
বর নিয়ে যখন আসতাম তখন তো আমাদের দড়ি দিয়ে বেধে রাখার মত অবস্থা করে ফেলতাম। আমি সামাল দিতাম সব। কম বয়সিদের ধমক দিয়ে চুপ করাতাম। দেন মোহর নিয়ে আমি বিজ্ঞ মতামত দিতাম। আমি জানি আমার বন্ধু এই ব্যাপারে ওর অভিবাকদের বলে দিত, এগুলা ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাস করো না তো, শরিফ যা বলবে তাই!! দুই পক্ষের মুরুব্বিরা খুঁজে বের করত আমাকে। আমি তখন হয়ত ব্যস্ত কনে বাড়ির সঙ্গিত রুচি নিয়ে। দুই চারটা কথা শুনাচ্ছি তাদের কে।
এভাবেই, এভাবেই আমি মিশে থাকতাম যদি হত ওই বিয়েটা। কিন্তু ওই যে বললাম, যদি সব হিসাব নিকাশ ঠিক থাকত। আচমকা এক দিন শুনলাম আমার বন্ধু রাজশাহীতে মারা গেছে। আমি ঢাকার ফার্মগেট থেকে দৌড়াচ্ছিলাম সে দিন। যেন দৌড় দিয়ে রাজশাহি যাওয়া যাবে!! যার আজকে বিয়ে তাকে কোন উল্লুক জানি ফোন করে জানিয়ে দিয়েছিল যে আমার বন্ধু মারা গেছে। ও পাগলের মত ফোন করে যাচ্ছে আমাকে। ফোন ধরতেই চিৎকার!!!
ওই মেয়ে অনেক চেষ্টা করেছে বিয়ে না করে একা একা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু পরিবার আর সমাজ অতটা আধুনিক হয়ে সারেনি আজো। তাই যোগ্য দেখে এবং একজন অসম্ভব ভাল মানুষ কে বিয়ে করার জন্য রাজি হয়ে গেছে। আর আমি সেই বিয়ের গায়ে হলুদের স্টেজে সাজানোর কাজ তাদারকি করছিলাম, করতে করতেই হুড়মুড় করে নানা স্মৃতি এসে আঁকড়িয়ে ধরল আমাকে। চুপ করে চলে এসেছি, বাসায় বসে লিখতে শুরু করলাম।
এখন পর্যন্ত কেউ ফোন দিয়ে খোঁজো নেয়নি যে আমি কোথায়? আমি কেন নাই গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে? অথচ আমি না থাকলে বিয়েই হবে না এমন কথা ছিল একদিন!! জীবন দারুন বিচিত্র, হায় বিচিত্র আমরা সবাই।

21 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: m

Re: বন্ধু...

বানান ভুল গুলো চোখে লাগছে, উতপ্রত -> ওতপ্রোত, ফাঁদে না পরেও -> ফাঁদে না পড়েও, রাজশাহি -> রাজশাহী, প্রেমে বাঁধা -> প্রেমে বাধা, ওমন ক্যাটকেটে -> অমন ক্যাটকেটে, সঙ্গিত -> সঙ্গীত। আরও আছে, একটু দেখে নেবেন।
Avatar: pi

Re: বন্ধু...

এসব লেখা পড়ে কী বলি, অস্বস্তি হয়। ভাল থাকার চেষ্টা করুন।
Avatar: Muhammad Sadequzzaman Sharif

Re: বন্ধু...

দুঃখিত। বানান গুলো খেয়াল করা উচিত ছিল আমার। আসলে যখন লিখছিলাম তখন চোখ ছিল ঝাপসা আমার।
যা মনে আসছিল তাই লিখে গেছি, দ্বিতীয়বার পড়েও দেখিনি। তাই প্রচুর বানান ভুল হয়ে গেছে। এখানে সম্ভবত সংশোধনের কোন সুযোগ নাই। থাকলেও আমার জানা নাই। আমি ক্ষমা প্রার্থী।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন