Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সংস্কৃত বাংলা ভাষার জননী নয়, সাঁওতালী ভাষার কাঠামোতেই বাংলা ভাষার বিকাশ
    বাংলা ভাষা একটি মিশ্র ভাষা। তার মধ্যে বৈদিক বা সংস্কৃত ভাষার অবদান যেমন আছে, তেমনি আছে খেরওয়াল বা সাঁওতালী সহ বেশ কিছু মুণ্ডা ভাষার অতি গুরূত্বপূর্ণ অবদান। বাংলা ভাষার জননী হিসেবে কেবল সংস্কৃত আর্য ভাষার দাবি সম্বলিত যে মিথটি গড়ে উঠেছিল – সেই দাবিকে ...
  • রক্তকরবী, অল্প কথায়
    মানুষের স্বতস্ফুর্ততা যখন মরে যায় তখন যন্ত্রে আর মানুষে তফাত থাকে কই! একটা ঘোর মেক্যানিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে আবর্তিত হয় তার দৈনিক যাপন, বাকি সমাজের সাথে সম্পর্ক হয় অ্যালগোরিদিমিক্যাল। কাজের সূত্রে সে কথা বলে আবার ঢুকে যায় নিজের মৃত চামড়ার খোলসে।ঠিক যেন এই ...
  • একাত্তরের দিন গুলি
    কোন এক পড়ন্ত বিকেলে আমরা ঢাকার রাস্তায় কণিকা নামের একটা বাড়ি খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে। আসলে আমরা খুঁজছিলাম একটা ফেলে আসা সময়কে। একটা পরিবারকে। যে বাড়িটা আসলে ব্লাইন্ড লেনের এক্কেবারে শেষ সীমায়। যে বাড়ির গলি আঁধার রাতে ভারী হয়েছিল পাকিস্তানী ...
  • #পুরোন_দিনের_লেখক-ফিরে_দেখা
    #পুরোন_দিনের_লেখক-ফি...
  • হিমুর মনস্তত্ত্ব
    সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যারিশমাটিক চরিত্র হিমু। হিমু একজন যুবক, যার ভালো নাম হিমালয়। তার বাবা, যিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন; তিনি ছেলেকে মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। হিমুর গল্পগুলিতে হিমু কিছু অদ্ভুত কাজ করে, অতিপ্রাকৃতিক কিছু শক্তি তার আছে ...
  • এক অজানা অচেনা কলকাতা
    ১৬৮৫ সালের মাদ্রাজ বন্দর,অধুনা চেন্নাই,সেখান থেকে এক ব্রিটিশ রণতরী ৪০০ জন মাদ্রাজ ডিভিশনের ব্রিটিশ সৈন্য নিয়ে রওনা দিলো চট্টগ্রাম অভিমুখে।ভারতবর্ষের মসনদে তখন আসীন দোর্দন্ডপ্রতাপ সম্রাট ঔরঙ্গজেব।কিন্তু চট্টগ্রাম তখন আরাকানদের অধীনে যাদের সাথে আবার মোগলদের ...
  • ভারতবর্ষ
    গতকাল বাড়িতে শিবরাত্রির ভোগ দিয়ে গেছে।একটা বড় মালসায় খিচুড়ি লাবড়া আর তার সাথে চাটনি আর পায়েস।রাতে আমাদের সবার ডিনার ছিল ওই খিচুড়িভোগ।পার্ক সার্কাস বাজারের ভেতর বাজার কমিটির তৈরি করা বেশ পুরনো একটা শিবমন্দির আছে।ভোগটা ওই শিবমন্দিরেরই।ছোটবেলা...
  • A room for Two
    Courtesy: American Beauty It was a room for two. No one else.They walked around the house with half-closed eyes of indolence and jolted upon each other. He recoiled in insecurity and then the skin of the woman, soft as a red rose, let out a perfume that ...
  • মিতাকে কেউ মারেনি
    ২০১৮ শুরু হয়ে গেল। আর এই সময় তো ভ্যালেন্টাইনের সময়, ভালোবাসার সময়। আমাদের মিতাও ভালোবেসেই বিয়ে করেছিল। গত ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে নবমীর রাত্রে আমাদের বন্ধু-সহপাঠী মিতাকে খুন করা হয়। তার প্রতিবাদে আমরা, মিতার বন্ধুরা, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সোচ্চার হই। (পুরনো ...
  • আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি- ২
    আমি দেখতে পাচ্ছি আমাকে বেঁধে রেখেছ তুমিমায়া নামক মোহিনী বিষে...অনেক দিন পরে আবার দেখা। সেই পরিচিত মুখের ফ্রেস্কো। তখন কলেজ স্ট্রিট মোড়ে সন্ধ্যে নামছে। আমি ছিলাম রাস্তার এপারে। সে ওপারে মোহিনিমোহনের সামনে। জিন্স টিশার্টের ওপর আবার নীল হাফ জ্যাকেট। দেখেই ...

বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বন্ধু...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আজ আমার বন্ধুর গার্ল ফ্রেন্ডের গায়ে হলুদ। আগামি কাল বিয়ে। যদি হিসেব নিকেশ ঠিক থাকত তাহলে এই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমরা। বিশেষ করে আমি। আমি তাদের সম্পর্কের মাঝে এত উতপ্রত ভাবে জরিয়ে ছিলাম যে এখন ভাবতে অবাক লাগে। প্রেমে ঝগড়া থাকবেই আর আমি এই জীবনে প্রেমের ফাঁদে না পরেও দারুন ভাবে জানতাম এই দুইজনের কল্যাণে। যে কোন এক তরফ থেকে নোটিস পেতাম অন্য জন কি কি জঘন্য কাজ তার সাথে করেছে, কত বড় অন্যায় তার সাথে হয়েছে। আমার দায়িত্ব ছিল অপর পক্ষ কে বুঝিয়ে নতি স্বীকার করানো যে সে আসলেই মারাত্মক অন্যায় করে ফেলেছে, এমন ভুল ইহ জীবনে আর হবে না। আমার আসলে বেশি কিছু করার থাকত না। কোনমতে দুজন কে সামনা সামনি করেতে পারলেই খেলা শেষ হয়ে যেত বেশির ভাগ সময়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনেক প্রেমিক প্রেমিকারা প্রেম করত। আমার বন্ধু থাকত রাজশাহি। সেখান থেকে মাঝে সাঝে আসত ঢাকা। ওর প্রেমিকার সাথে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রেম সেও করত। তবে কাব্বাব মে হাড্ডি হিসেবে থাকতাম আমি। কখন চট করে একটু ঘুরে আসতে হবে তা আমি জানতাম। আর তাই কোনদিন আমার উপস্থিতি ওদের প্রেমে বাঁধা সৃষ্টি করেনি। আমার বন্ধুর প্রেমিকা রান্না করে নিয়ে আসত হল থেকে। প্লেট আসত তিনটা, একটা আমার জন্য। ওদের প্রেম আমি বাদ দিয়ে কতটুকু তা আসলে চিন্তার বিষয়।
তাই বলছিলাম দারুন ভাবে ওই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমি। কড়া ঝাড়ি দিতাম ডেকারেশনের লোকদের। ওমন ক্যাটকেটে হলুদ কাপড় কেন লাগিয়েছে বিয়ের প্যান্ডেলে তার জন্য এমন হুলুস্থুল করতাম যে মেয়ের বাবা এসে আমাকে শান্ত করত। মেয়ের বান্ধবি, আত্মীয় স্বজন যারা আছে তারা অবাক হয়ে আমাকে দেখত। যদিও ছেলে আর মেয়ের বাসা খুব কাছাকাছি। বন্ধু বৃত্ত প্রায় একই আমাদের। কিন্তু ওর কলেজের, ওর আবৃতির গ্রুপের সাঙ্গপাঙ্গদের বুঝিয়ে দিতাম না আমি কে!! মেয়ের ভাই বাবা মা ছেলের বাড়ির কোন কিছু জানতে আমাকে ধরত, আমাকে বলত, একটু ফোন করে জেনে নিবা বাবা, ওরা হলুদে কয়জন আসছে? আমি বলতাম, দেখছি, জানাচ্ছে আপনাদের।
বর নিয়ে যখন আসতাম তখন তো আমাদের দড়ি দিয়ে বেধে রাখার মত অবস্থা করে ফেলতাম। আমি সামাল দিতাম সব। কম বয়সিদের ধমক দিয়ে চুপ করাতাম। দেন মোহর নিয়ে আমি বিজ্ঞ মতামত দিতাম। আমি জানি আমার বন্ধু এই ব্যাপারে ওর অভিবাকদের বলে দিত, এগুলা ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাস করো না তো, শরিফ যা বলবে তাই!! দুই পক্ষের মুরুব্বিরা খুঁজে বের করত আমাকে। আমি তখন হয়ত ব্যস্ত কনে বাড়ির সঙ্গিত রুচি নিয়ে। দুই চারটা কথা শুনাচ্ছি তাদের কে।
এভাবেই, এভাবেই আমি মিশে থাকতাম যদি হত ওই বিয়েটা। কিন্তু ওই যে বললাম, যদি সব হিসাব নিকাশ ঠিক থাকত। আচমকা এক দিন শুনলাম আমার বন্ধু রাজশাহীতে মারা গেছে। আমি ঢাকার ফার্মগেট থেকে দৌড়াচ্ছিলাম সে দিন। যেন দৌড় দিয়ে রাজশাহি যাওয়া যাবে!! যার আজকে বিয়ে তাকে কোন উল্লুক জানি ফোন করে জানিয়ে দিয়েছিল যে আমার বন্ধু মারা গেছে। ও পাগলের মত ফোন করে যাচ্ছে আমাকে। ফোন ধরতেই চিৎকার!!!
ওই মেয়ে অনেক চেষ্টা করেছে বিয়ে না করে একা একা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু পরিবার আর সমাজ অতটা আধুনিক হয়ে সারেনি আজো। তাই যোগ্য দেখে এবং একজন অসম্ভব ভাল মানুষ কে বিয়ে করার জন্য রাজি হয়ে গেছে। আর আমি সেই বিয়ের গায়ে হলুদের স্টেজে সাজানোর কাজ তাদারকি করছিলাম, করতে করতেই হুড়মুড় করে নানা স্মৃতি এসে আঁকড়িয়ে ধরল আমাকে। চুপ করে চলে এসেছি, বাসায় বসে লিখতে শুরু করলাম।
এখন পর্যন্ত কেউ ফোন দিয়ে খোঁজো নেয়নি যে আমি কোথায়? আমি কেন নাই গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে? অথচ আমি না থাকলে বিয়েই হবে না এমন কথা ছিল একদিন!! জীবন দারুন বিচিত্র, হায় বিচিত্র আমরা সবাই।

শেয়ার করুন


Avatar: m

Re: বন্ধু...

বানান ভুল গুলো চোখে লাগছে, উতপ্রত -> ওতপ্রোত, ফাঁদে না পরেও -> ফাঁদে না পড়েও, রাজশাহি -> রাজশাহী, প্রেমে বাঁধা -> প্রেমে বাধা, ওমন ক্যাটকেটে -> অমন ক্যাটকেটে, সঙ্গিত -> সঙ্গীত। আরও আছে, একটু দেখে নেবেন।
Avatar: pi

Re: বন্ধু...

এসব লেখা পড়ে কী বলি, অস্বস্তি হয়। ভাল থাকার চেষ্টা করুন।
Avatar: Muhammad Sadequzzaman Sharif

Re: বন্ধু...

দুঃখিত। বানান গুলো খেয়াল করা উচিত ছিল আমার। আসলে যখন লিখছিলাম তখন চোখ ছিল ঝাপসা আমার।
যা মনে আসছিল তাই লিখে গেছি, দ্বিতীয়বার পড়েও দেখিনি। তাই প্রচুর বানান ভুল হয়ে গেছে। এখানে সম্ভবত সংশোধনের কোন সুযোগ নাই। থাকলেও আমার জানা নাই। আমি ক্ষমা প্রার্থী।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন