souvik ghoshal RSS feed

souvik ghoshalএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • শো কজের চিঠি
    প্রিয় কমরেড,যদিও তুমি আমার একদা অভিভাবক ছিলে, তবুও তোমায় কমরেড সম্মোধন করেই এই চিঠি লিখছি, কারন এটা সম্পূর্নভাবে রাজনৈতিক চিঠি। এই চিঠির মারফত আমি তোমায় শো কজ জানাচ্ছি। তুমি যে রাজনীতির কথা বলে এসেছো, যে রাজনীতি নিয়ে বেচেছো, যে রাজনীতির স্বার্থে নিজের ...
  • ক্যালাইডোস্কোপ ( ১)
    ক্যালাইডোস্কোপ ১। রোদ এসে পড়ে। ধীরে ধীরে চোখ মেলে মানিপ্যান্টের পাতা। ওপাশে অশ্বত্থ গাছ। আড়াল ভেঙে ডেকে যায় কুহু। ঘুমচোখ এসে দাঁড়ায় ব্যালকনির রেলিং এ। ধীরে ধীরে জেগে ওঠা শহর, শব্দ, স্বরবর্ণ- ব্যঞ্জন; যুক্তাক্ষর। আর শুরু হল দিন। শুরু হল কবিতার খেলা-খেলি। ...
  • শেষ ঘোড়্সওয়ার
    সঙ্গীতা বেশ টুকটাক, ছোটখাটো বেড়াতে যেতে ভালোবাসে। এই কলকাতার মধ্যেই এক-আধবেলার বেড়ানো। আমার আবার এদিকে এইরকমের বেড়ানোয় প্রচণ্ড অনীহা; আধখানাই তো ছুটির বিকেল--আলসেমো না করে,না ঘুমিয়ে, বেড়িয়ে নষ্ট করতে ইচ্ছে করে না। তো প্রায়ই এই টাগ অফ ওয়ারে আমি জিতে যাই, ...
  • পায়ের তলায় সর্ষে_ মেটিয়াবুরুজ
    দিল ক্যা করে যব কিসিসে কিসিকো প্যার হো গ্যয়া - হয়ত এই রকমই কিছু মনে হয়েছিল ওয়াজিদ আলি শাহের। মা জানাব-ই-আলিয়া ( বা মালিকা কিশওয়ার ) এর জাহাজ ভেসে গেল গঙ্গার বুকে। লক্ষ্য দূর লন্ডন, সেখানে রানী ভিক্টোরিয়ার কাছে সরাসরি এক রাজ্যচ্যুত সন্তানের মায়ের আবেদন ...
  • ফুটবল, মেসি ও আমিঃ একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন (পর্ব ৩)
    ফুটবল শিখতে চাওয়া সেই প্রথম নয় কিন্তু। পাড়ার মোড়ে ছিল সঞ্জুমামার দোকান, ম্যাগাজিন আর খবরের কাগজের। ক্লাস থ্রি কি ফোর থেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়তাম হি-ম্যান আর চাচা চৌধুরীর কমিকস আর পুজোর সময় শীর্ষেন্দু-মতি নন্দীর শারদীয় উপন্যাস। সেখানেই একদিন দেখলাম ...
  • ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি
    অনেক সকালে ঘুম থেকে আমাকে তুলে দিল আমার ভাইঝি শ্রী। কাকা দেখো “ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি”। একটু অবাক হই। জানিস তুই, কাকে বলে ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি? ক্লাস এইটে পড়া শ্রী তার নাকের ডগায় চশমা এনে বলে “যে বৃষ্টিতে ইলিশ মাছের গন্ধ বুঝলে? যাও বাজারে যাও। আজ ইলিশ মাছ আনবে ...
  • দুখী মানুষ, খড়ের মানুষ
    দুটো গল্প। একটা আজকেই ব্যাংকে পাওয়া, আর একটা বইয়ে। একদম উল্টো গল্প, দিন আর রাতের মতো উলটো। তবু শেষে মিলেমিশে কি করে যেন একটাই গল্প।ব্যাংকের কেজো আবহাওয়া চুরমার করে দিয়ে চিৎকার করছিল নীচের ছবির লোকটা। কখনো দাঁত দিয়ে নিজের হাত কামড়ে ধরছিল, নাহলে মেঝেয় ঢাঁই ...
  • পুরীযাত্রা
    কাল রথের মেলা। তাই নিয়ে আনন্দ করার বয়স পেরিয়ে গেছে এটা মনে করাবার দরকার নেই। তবু লিখছি কারণ আজকের সংবাদপত্রের একটি খবর।আমি তাজ্জব কাগজে উকিলবাবুদের কান্ডকারখানা পড়ে। আলিপুর জাজেস কোর্ট ও পুলিশ কোর্টে প্রায় কোন উকিলবাবু নেই, দু চারজন জুনিয়র ছাড়া। কি ...
  • আমার বন্ধু কালায়ন চাকমা
    প্রথম যৌবন বেলায় রাঙামাটির নান্যাচরের মাওরুম গ্রামে গিয়েছি সমীরণ চাকমার বিয়েতে। সমীরণ দা পরে শান্তিচুক্তি বিরোধী ইউপিডিএফ’র সঙ্গে যুক্ত হন। সেই গ্রুপ ছেড়েছেন, সে-ও অনেকদিন আগের কথা। এরআগেও বহুবার চাকমাদের বিয়ের নিমন্ত্রণে গিয়েছি। কিন্তু ১৯৯৩ সালের শেষের ...
  • শুভ জন্মদিন শহীদ আজাদ
    আজকে এক বাঙ্গালি বীরের জন্মদিন। আজকে শহীদ আজাদের জন্মদিন। মাগফার আহমেদ চৌধুরী আজাদ। মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার কিংবদন্তীর ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য, রুমির সহযোদ্ধা এবং অবশ্যই অবশ্যই মোসাম্মাৎ সাফিয়া বেগমের সন্তান। শহীদ আজাদ হচ্ছেন এমন একজন মানুষ যার কথা বলতে গেলে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

souvik ghoshal

প্রথম পর্ব -

উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তালিকা
-------------------------------------
পূর্ব ও মধ্য ভারতীয় ভাষাগুলির মধ্যে
বাংলা – প্যারীচাঁদ মিত্র, বঙ্কিমচন্দ্র, রমেশচন্দ্র সেন,
ওড়িয়া – উমেশচন্দ্র সরকার (পদ্মমালী -১৮৮৮), রামশঙ্কর রায় (বিবাসিনী-১৮৯১/৯২), গোপাল বল্লভ দাস (ভীমা ভুইনা- ১৮৯৮), ফকীরমোহণ সেণাপতি (দু মাণ আঠ গুণ্ঠ-১৮৯৭, মামু-১৯১৩, লাছামা-১৯১৪, প্রায়শ্চিত- ১৯১৫)
অসমীয়া – এ কে গার্ণি (কামিনীকান্তর চরিত্র – ১৮৭৭), পদ্মাবতী দেবী ফুকোনোনি (সুধর্মার উপাখ্যান-১৮৮৪), লক্ষীনাথ বেজবড়ুয়া (পদুম কুনওয়ারী-১৮৯০), পদ্মনাথ গহৈন বড়ুয়া (ভানুমতী-১৮৯১, লাহোরি-১৮৯২), রজনীকান্ত বরদোলুই (মিরি জিয়োরি-১৮৯৪, মনোমাটি-১৯০০, তাম্রেশ্বরীর মন্দির- ১৯২৬, রোহদোই লিগিরি-১৯৩০),
হিন্দি – শ্রী নিবাস দাস (রণধীর প্রেমকাহিনী – ১৮৭৪, পরীক্ষাগুরু-১৮৮২), ঠাকুর জগমোহন দাস (শ্যাম স্বপ্না-১৮৮৫), বালকৃষ্ণ ভট্ট (নূতন ব্রহ্মচারী-১৮৮৬), অযোধ্যা সিং উপাধ্যায় (ঠেঠ হিন্দি কা ঠাঠ-১৮৯৯)
উর্দূ – নাজির আহমেদ (মিরাজ উল উরুস-১৮৬৯, বানাত উন নাস-১৮৭২, তাবাত উন নুশো-১৮৭৪, ইবন উল ওয়াকত-১৮৮৮), সৈয়দ আহমেদ (খুরশেদী-১৮৮৬), আব্দুল হালিম শারার (মালিক আল আজিজ ভারজানা-১৮৮৮, হাসান ঔর অ্যাঞ্জেলিনা-১৮৮৯), মানসুর মোহানা-১৮৯০, কোয়াইস ঔর লুবনা-১৮৯১, ফ্লোরা ফ্লোরিন্দা-১৮৯৯), মহমদ মির্জা রুসভ (উমরাওজান আদা-১৮৯৯)
পশ্চিম ও উত্তর ভারতীয় ভাষাগুলির মধ্যে
মারাঠী – বাবা পদ্মনজী (যমুনা পর্যটন-১৮৫৭), সদাশিব রিসবুড় (মঞ্জু ঘোষ – ১৮৬৮), জর্ভেকর (বিচিত্রপুরী -১৮৭০), গুঞ্জিকর (মোচনগড় – ১৮৭১), পট্টবর্ধন (হাম্বির রাও আনি পুতলাবাঈ – ১৮৭৩), রহাল কর (নারায়ণ রাও আনি গোদাবরী – ১৮৭৯), নাগেশ বাপ্ট (শম্ভুজী মহারাজ-১৮৭৯), শিরভলকর (পাণিপথচা মোকাবলা-১৮৯৩)
পাঞ্জাবী – ভাই বীর সিং (সুন্দরী-১৮৯৮, শতরম্ভ কাউর-১৯০০)
সিন্ধি – প্রীতম দাস (আজীব বাত-১৮৯২)
গুজরাতী – নন্দশঙ্কর (করণ ঘেলো-১৮৬৬), তালিয়ার খান (রত্নলক্ষী -১৮৮১), রামনায়ক মেহতা (ভানুমতী-১৮৮২), গোবর্ধন ত্রিপাঠী (সরস্বতীচন্দ্র – চার খণ্ড – ১৮৮৭ থেকে ১৯০০), ইছারাম (টিপু সুলতান-১৮৮৮), জ ব মরিহবান (নিমক হারাম-১৮৯৬)
দক্ষিণ ভারতীয় ভাষাগুলির মধ্যে
তামিল – বেদনায়কম পিল্লাই (প্রতাপ মুদালিয়র চরিত্রম – ১৮৭৯, সুগুন সুন্দরী-১৮৮৭)), মুত্তেস্বামী পিল্লাই (পদ্মিনী চপা-১৮৮৬), গুরুস্বামী শর্মা (পিরেম কলাবতীয়ম-১৮৯৩), রাজম আইয়ার (কমলামপাল চরিত্রম – ১৮৯৬), এ মাধবাইয়া (পদ্মাবতী চরিত্রম-১৮৯৮), অরুণাচল আইয়ার (নীলা-১৯০০)
তেলেগু – নরহরিশেট্টি গোপালকৃষ্ণমা (শ্রী রঙ্গরাজ চরিত্র-১৮৭২), কাণ্ডুকুরী বীরাসলিঙ্গম (রাজশেখর চরিত্র-১৮৮০), অ পন্ধ কমু (মঞ্জুরাণী বিজয়ম-১৮৯২), শুভারাভু লেক (প্রণয়মহিমা-১৮৯৪), গোপালরাও (ত্রিবিক্রম বিলাসম-১৮৯৫), লক্ষ্মী নরসিমহা (হেমলতা-১৮৯৭)
কন্নড় – গ ল ভীমরাও (চন্দ্রপ্রভা হল কাদম্বরীয়ু-১৮৯৬), গুলবাত্তি বেঙ্কটরাও (ইন্দিরা বাঈ-১৮৯৯), বোলারু বাবু রাও (বাগদেবী – ১৯০৫)
মালয়লম – অজ্ঞাত লেখকের ঘাতক বধর্ম(১৮৭৭), র র নাইক (কালপুরুষ-১৮৮৬), সি ভি রমন পিল্লাই (মার্তণ্ড বর্মা-১৮৯১, ধর্মরাজা -১৯১৩, রামরাজা বাহাদুর-১৯১৮-১৯), চান্দু মেনন (ইন্দুলেখা-১৮৮৯, সারদা-১৮৯২), পোথেরু কুনহামবু (সরস্বতী বিজয়ম-১৯৯৩), যোশেফ মুলিইল (সুকুমারি-১৮৯৭)
ইংরাজী ভাষার ভারতীয় উপন্যাস - বঙ্কিমচন্দ্র (রাজমোহন’স ওয়াইফ -১৮৬৪)।


শেয়ার করুন


Avatar: অ

Re: উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

বঙ্কিমেরও আগে বাংলায় ইউরোপিয়ান ধাঁচে উপন্যাস লিখেছিলেন এক শ্বেতাঙ্গীনি। ১৮৫৩.এনা ক্যাথারিন মুলেন।ফুলমণি ও করুণার বিবরণ।এনার বাবা ছিলেন মিশনারি। শ্রীরামপুরে থাকতেন।বাড়িতেই বাংলা শেখেন।
কিন্তু কথা হচ্ছে উপন্যাস আমরা কাকে বলবো? গদ্যে রচিত প্লট সম্বলিত আখ্যান?
নাকি উপস্থাপিত যেকোনো ন্যাস কর্ম? উপস্থাপিত বিন্যাস আর নভেলকে আজ আমরা একই ভাবি।তবে দুটোই কি এক?
রামায়ণ বা বৃহৎকথা বা আরব্য রজনী কেন উপন্যাস বলবো না?
Avatar: Arindam

Re: উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

রামায়ণ / মহাভারত /বৃহৎকথা তো কাব্য । সংস্কৃত সাহিত্যে উপন্যাস বা গদ্য সেভাবে নেই। "গদ্যে রচিত প্লট সম্বলিত আখ্যান" - বোধহয় উপন্যাসকে সঠিক্ভাবে সংজ্ঞায়িত করা।
Avatar: অ

Re: উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

তাহলে কাব্যাপন্যাস হয় না? গদ্যই প্যারামিটার? আখ্যান বিন্যস্ত হয়ে উপস্থাপনা হলেই কিন্তু উপন্যাস।সেইটাই ব্যুৎপত্তি।
Avatar: Atoz

Re: উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল---জয় গোস্বামীর লেখা কাব্যোপন্যাস ।
Avatar: অ

Re: উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

তাই জন্যেই তো বলছি। গদ্য প্যারামিটার হতে পারেনা। যদি বলি দেবদেবী নয় সামাজিক আখ্যান,প্লট তাহলেও পুরোটা মেলেনা। দেবতাকে চরিত্র বানিয়ে উপন্যাস দিব্যি হতে পারে।
আসলে 'প্রথম উপন্যাস' এই চিহ্নায়নের পেছনেও সেই ইউরোপের নভেল হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা থাকছে কলোনীর সাহিত্যের।
নইলে মঙ্গলকাব্য কাব্যোপন্যাস নয় ক্যানো?
Avatar: অ

Re: উনিশ শতকের ভারতীয় উপন্যাস : একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন

তাই জন্যেই তো বলছি। গদ্য প্যারামিটার হতে পারেনা। যদি বলি দেবদেবী নয় সামাজিক আখ্যান,প্লট তাহলেও পুরোটা মেলেনা। দেবতাকে চরিত্র বানিয়ে উপন্যাস দিব্যি হতে পারে।
আসলে 'প্রথম উপন্যাস' এই চিহ্নায়নের পেছনেও সেই ইউরোপের নভেল হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা থাকছে কলোনীর সাহিত্যের।
নইলে মঙ্গলকাব্য কাব্যোপন্যাস নয় ক্যানো?


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন