San Gita RSS feed

San Gitaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কাজের লোক ও আমরা
    বাণী বসু অলকানন্দা রায়রা খুব চিন্তিত। তার সাথে আনন্দবাজার। এবং আমরা। গৃহশ্রমিক (মানে কাজের লোকেরা) ইউনিয়ন বানিয়েছে। এইবার শুরু হবে গৃহস্থদের হয়রানি। এই কাজের লোকগুলো মাসে চার দিন ছুটি দাবী করেছে। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে একদিন। যেমন আমার আপনার থাকে আর কি। ...
  • আলী ও কাঠবিড়ালী
    একশাফাকাত আলী অনেক আগে গ্রাম ছেড়েছিলেন। এখন ষাটোর্ধ্ব বয়সে তিনি আবার গ্রামে ফিরলেন। না ফিরে উপায় ছিল না। শহুরে দুনিয়ার অবস্থা ভালো না। যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি চারিদিকে। বিশ্ব পরিস্থিতিও খারাপ, একেক দেশ তাদের মানববিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে উন্মত্ত শিং উঁচানো ...
  • শীঘ্রই বের হতে যাচ্ছে সফল ক্যান্সার প্রতিশেধক, অপেক্ষা হিউম্যান ট্রায়ালের
    খুব সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জগতে পাওয়া গেছে এক অবাক করা সাফল্য। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এরকম একটি ক্যান্সার প্রতিষেধক কে ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া গেছে। আর তাই এখন একে মানুষের উপর প্রয়োগ করার চিন্তা করা হচ্ছে। এই বছরেরই ৩১ ...
  • কে পাচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ? শুনে নেয়া যাক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ভবিষ্যদ্বাণী...
    বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে, আর সবাই তাদের নিজেদের ভবিষ্যদ্বাণী দেয়াও শুরু করেছে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে কিছু কিছু ভবিষ্যৎবাণী করা অনেকটা সহজ যেমন ধরুন আজকের ব্রাজিল বনাম কোস্টারিকা ম্যাচ কে জিতবে, অথবা এখন যে ম্যাচটা চলছে সেটা কি ড্রাগ হবে নাকি হবে না। এর চাইতে ...
  • আমার লেখা অনুবাদ করার সময় এসে গেছে – ছফা [পুনর্পাঠ]
    নয়ের দশকে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে জেনারেল এরশাদ সরকারের পতন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সেই রক্তাক্ত আন্দোলনের শ্লোগানার, কমরেডের লাশ ও লিটিল ম্যাগের ভুত মাথার ভেতর বয়ে বেড়ানোর কালে সাংবাদিকতার প্রথম পাঠে মুখোমুখি হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল কয়েক গুনিজনের। তারা ছিলেন আমাদের ...
  • কুলীন ব্রাহ্মণের কন্যা, বিবাহ বণিক এবং রবার্ট মার্টনের সমাজচিন্তা
    ব্রাহ্মণদের বহুবিবাহ প্রথার জন্য প্রায় উনবিংশ শতক পর্যন্ত বাঙ্গালী সমাজ কলঙ্কিত ছিল। পশ্চিমবঙ্গ বা রাঢ় অঞ্চলে ব্রাহ্মণের অভাবের কারণে একাদশ শতাব্দীতে উত্তর ভারতের কনৌজ থেকে বাংলায় ৫টি গোত্রের ব্রাহ্মণকে আনা হয় বলে জানা যায়। এরাই বাংলায় কুলীন ব্রাহ্মণ নামে ...
  • ওয়াতন তেরে লিয়ে
    এখানে সবুজের ছড়াছড়ি। সবুজ মাঠের শেষে, সবুজ টিলার দল মাথা তুলতে তুলতে মিশে গেছে ধোঁয়ার মতো দলমা পাহাড়ে। আগে ছিল ঘন জঙ্গল। তখন নাম ছিল জারাগোড়া। হাতিদের দেশ। মাঝে মাঝে কয়েক ঘর আদিবাসীর ঝুপড়ি। খানিকটা চাষের জমি। আর তাদের ঘিরে ঘন শালের বন। তারপর জানা গেল এ ...
  • ট্রেড ওয়ার ও ট্রাম্প শুল্ক নিয়ে কিছু সাধারণ আলোচনা
    বর্তমানে আলোচনায় আসা সব খবরের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিলিয়ন ডলার মূল্যের উপর কঠিন শুল্ক বসিয়ে দিয়েছে, যাদের মধ্যে ডিশ ওয়াশার থেকে শুরু করে এয়ারক্রাফট টায়ার সবই আছে। চায়না অনেক দিন ধরেই এই হুমকির মুখে ...
  • নারীবাদ নিয়ে ইমরান খানের বক্তব্য ও নারীবাদে মাতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক
    সম্প্রতি একটা খবর পড়লাম। পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ এর নেতা ও পাকিস্তান দলের সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান বলেছেন, তিনি পশ্চিমাদের থেকে আমদানি করা নারীবাদ সমর্থন করেন না। তার নারীবাদকে সমর্থন না করবার কারণও তিনি জানান, তার মতে নারীবাদ মাতৃত্বের মর্যাদাকে ছোট ...
  • রেনবো জেলি: যেমন লাগলো দেখে.....
    ইপ্সিতা বলল, রিভিউ লেখ। আমি বললাম, আমি কি সিনেমা বুঝি নাকি? ইপ্সিতা বলল, যা দেখে ভাল লাগল তাই লেখ। আমি বললাম, তবে তাই হোক।সিনেমা র নাম, রেনবো জেলি। ইউটিউবে ট্রেলার দেখেই বড্ড ভাল লাগল। তাই রিলিজ করার পরের দিনই আমার চারবছুরের কন্যে সহ আমি হলমুখী।টাইটেল ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

পুঁটিকাহিনী ৯- মাতা-কন্যা সংবাদ

San Gita


মাতৃদেবীকে পুঁটিরাণী বিলক্ষণ বুঝিয়া চলে। প্রবল ব্যাক্তিত্বময়ী এবং সর্বকর্মনিপুণা মাতৃদেবী পুঁটিকে বেশ চাপে ফেলিয়া দেন যখন তখন। মাতার অভিযোগ মিথ্যা নহে- ফাঁকিবাজ পুঁটিরাণী কী প্রকারে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইত বা একাধিক দপ্তরে কী প্রকারে তাহার কর্মসংস্থান হইল, এই সবের ব্যাখ্যা আজও মাতার যুক্তিবুদ্ধির বাহিরে। এখন পরিণত বয়সেও পুঁটি সাংসারিক কর্মে নিতান্তই অপটু, সন্তানাদি মানুষ করায় তাহার অদক্ষতার সীমাপরিসীমা নাই, তাহার ঘরদোর ছবির মত একেবারেই নহে, তাহার দ্বাদশবর্ষীয় পুত্র মাতার চক্ষুর দিকে চাহিয়া পরবর্তী কার্যকলাপ পরিকল্পনা করা দূরস্থান, তুড়ি মারিয়া নিজ মাতার সিদ্ধান্ত উড়াইয়া দেয়, পুঁটিরাণী নিরুপায় হইয়া কাঁদিতে বসে, পুঁটির পরিচারিকাগণ মন্দ নহে, তবে তাহারা যাহা পারে করে, পুঁটি তাহার নাতিউচ্চ নাসিকা উহাদের কার্যে গলাইতে যায় না, যাহা পাইতেছে তাহাতেই সে মহা সন্তুষ্ট, যে সময় পুত্র ও পরিবারের পিছনে ব্যয় করিলে সোনার সংসার হইতে পারিত, সেই মূল্যবান সময় পুঁটি নিজের খামখেয়ালীপনায় অপচয় করে, পুত্র উচ্ছন্নে যাইতে বসিয়াছে, পুঁটি অপ্রয়োজনীয় বস্তুসামগ্রী, খাদ্যদ্রব্য এবং পরিধেয় কিনিয়া বাড়ি বোঝাই করিতেছে, অথচ সেগুলির কোনরূপ যত্ন নাই, শীর্ণকায় পুত্রকে নানারূপ সুস্বাদু রান্না করিয়া খাওয়ায় না, একবাক্যে কী করিয়া যে পুঁটি অর্থহীন দিনাতিপাত করিতেছে, তাহা ভাবিলে মাতার রক্তচাপ উর্ধ্বমুখী হইয়া পড়ে, পুঁটি তাঁহার আত্মজা কিনা ঘোর সন্দেহ হইতে থাকে।

মাতা নিজকন্যার গুণপনার কাহিনী কন্যাসহ চারিপার্শ্বের কাহাকেও বলিতে কার্পণ্য করেন নাই কোনদিন, তথাপি পুঁটি অবিচল, মাতার জামাতা সহিষ্ণুতার পরাকাষ্ঠা, পুঁটির শ্বশ্রূমাতা মোটের উপর সন্তুষ্ট। তদুপরি, মাতার বাক্যের উত্তরে অর্বাচীন, উদ্ধত পুঁটি বলিয়া থাকে যে, থালা-চামচ গুণিয়া-গাঁথিয়া রাখিবার জন্য তাহার জন্ম হয় নাই, শ্বশ্রূমাতা বধূর বুদ্ধিমত্তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং শ্বশ্রূমাতার পুত্র পুঁটিকে আরো অধিক দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করিতে উৎসাহ দিয়া থাকে বলিয়া শোনা যায়। দেখিয়া শুনিয়া মাতার দৃঢ় বিশ্বাস জন্মাইল, ইহাই ঘোর কলিকালের লক্ষণ!

পুঁটির পক্ষে একমাত্র স্বস্তি এই যে, পিতা অকারণেই চিরকাল কন্যাগর্বে মহা গর্বিত এবং মাতার মতে, পিতা জগৎসংসারে পুঁটি অপেক্ষা অধিকতর অচল। প্রত্যহ মাতার নিকট তাঁহার অপটুতা নবনবরূপে ধরা দিতেছে। ফলতঃ, পিতাকে লইয়া মাতা এতই ব্যতিব্যস্ত যে চক্ষুর অন্তরালে থাকিয়া পুঁটি যে আরো কত বিশৃংখল হইল, নিয়মিত সেই সন্ধান লওয়া তাঁহার পক্ষে সম্ভব হইয়া উঠে না।

অপরদিকে, পুঁটি শ্বশ্রূমাতার বেজায় ভক্ত হইয়া উঠিয়াছে, মাতার নিকট কোন এক সময় কথাপ্রসঙ্গে বলিয়াছে যে, শ্বশ্রূমাতা তাহার জীবনচর্যায় কোন অভিযোগ তোলেন না, তাহার সকল চপলতায় প্রবল প্রশ্রয় দেন, বিপণী হইতে প্রত্যাবর্তনের কালে পুঁটির হস্তে রাশিকৃত সম্ভার দেখিয়া ভ্রূকুঞ্চন তো করেনই না, কী পরিমাণ অর্থনাশ হইল, জানিতে চান না পর্যন্ত! শুনিয়া মাতা অভিমানী হইয়া পড়িলেন- তাঁহার মনে হইল যে, পুঁটি মাতৃস্নেহের অবশেষে এই প্রতিদান দিল, মাতার কার্যে এখন সে খুঁৎ দেখিতে পায়, শ্বশ্রূমাতার স্নেহে সে ধরাকে সরা জ্ঞান করিয়া নিজমাতাকে পর করিতে চায়। হায়!! পুঁটি এই বিশ্লেষণের কিছুই জানিল না! মাতা স্থির করিলেন যে, তিনি কন্যার প্রতি কর্তব্য অবশ্যই করিবেন, কিন্তু তাহার কোন কার্যে আর বিচলিত হইবেন না, কন্যার নিকট কোন কিছুর মূল্য জানিতে চাইবেন না। নূতন গৃহক্রয়ের কালে মাতা সর্বপ্রকার সাহায্য করিলেও গৃহের মূল্য জানিতে চাহিলেন না, নানা ব্যস্ততায় তাহা পুঁটির নজর এড়াইয়া গেল। কিন্তু গোল একটা বাঁধিল। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন কেহ কেহ মাতার নিকট নূতন গৃহের মূল্য কীরূপ জানিতে চাহিলে মাতা বলিতে পারিলেন না এবং জানিয়াও বলিতেছেন না এই অভিযোগে অভিযুক্ত হইলেন। মাতা ক্ষুণ্ন হইলেন বৈকি!

আশার কথা এই যে, গৃহসন্ধানহেতু পুঁটির একা একা নগরের এপ্রান্ত ওপ্রান্ত চষিয়া বেড়ানো, এমনকি প্রয়োজনে মধ্যস্থ ব্যক্তিবর্গের দ্বিচক্রযানে চড়িয়া বসিয়া দৌড়াদৌড়ি দেখিয়া মাতার সেই পুরাতন সন্দেহের কিঞ্চিৎ নিরসন হইয়াছে। তবে মাতার ধারণা, নূতন গৃহে থাকিবার কালে পুঁটি "সংসার" কথাটির অর্থ সম্যক বুঝিবে। কার্যকালে দেখা গেল, তাঁহার ধারণাই সত্য। পুঁটি পরপর বাড়ির দলিল, একখানি বারোহাজারী চেক ও নিজ প্যানকার্ড হারাইল ও সেই কাঁদুনিতে চারিপার্শ্বের লোককে অস্থির করিয়া তুলিল। নিজ ভবিষ্যৎবাণী মিলিলেও মাতা কন্যার দুরবস্থায় অনেক চেষ্টা করিয়াও খুশী হইতে পারিলেন না। কী করিয়া পুনরায় সেগুলি পাওয়া যায়, তাহা লইয়া বিস্তর জলঘোলার পর একে একে তাহারা গৃহে স্ব-স্ব-স্থানে পুনরাবিস্কৃত হইল। পুঁটি নিজেই চমৎকৃত হইয়া গেল। সকলে কহিল, পুঁটি বড়ই কর্মনিপুণা, তাহারা পূর্বেই জানিতেন যে, উহার কিছু হারাইতেই পারে না। মাতা মনের রাগ মনে চাপিয়া চুপ করিয়া রহিলেন।

আজকাল মাতা আর কন্যার কুকীর্তির সংবাদ পান না, নিশ্চয় কন্যা জামাতাকে টিপুনি দিয়া রাখিয়াছে! জামাতা বাবাজীবন ভাল ছেলে, তবে কিনা সাংসারিক কার্যে পুঁটিরই কাছাকাছি। কাজেই স্ত্রীকে তিরস্কারও খুব একটা করিতে পারে না। সময় পাইলেই গোঁজামিলের সংসারে তালা লাগাইয়া বাক্স-প্যাঁটরা বাঁধিয়া পুঁটি অ্যান্ড কোং ঘুরিতে বাহির হইয়া পড়ে, পুত্রের ভবিষ্যৎচিন্তা বা টাকাপয়সার চিন্তা উহাদের বিন্দুমাত্র আছে বলিয়া মনে হয় না। আবার কিছু ছানাপোনা যোগাড় করিয়া নাটক ইত্যাদি করানোতেও পুঁটির প্রবল আগ্রহ!! ঘরের খাইয়া বনের মোষ তাড়ানো আর কাহাকে বলে!

সম্প্রতি মাতার কানে আসিয়াছে, পুঁটির 'কাব্য'রোগ দেখা দিয়াছে। সময় পাইলেই এখন সে দুই-চার ছত্র লিখিয়া নেয়। বাল্যকাল হইতে এযাবৎকালের নানা স্মৃতির উপর রঙ চড়াইয়া সে যা লেখে, কিছুসংখ্যক বন্ধু তাহাদের অবসরকালে নাকি সেগুলি পড়িয়াও থাকে। কর্মক্ষেত্রের সকল কার্য সমাধা করিয়া যতটুকু সময় উদ্বৃত্ত হয়, তাহা যে সংসার এবং পুত্রের জন্য অপ্রতুল, তাহা জানিয়াও পুঁটি কি ভ্রমবশতঃ এই সকল উঞ্ছবৃত্তিতে মাতিয়া আছে, তাহা মাতার পরিণত মস্তিষ্কের পক্ষেও বোঝা দুঃসাধ্য! মাতা মনে মনে কন্যার মুন্ডপাত করিতে করিতে পুঁটির মুখমন্ডলে রোমের সম্রাট নীরোর ছবি দেখিতে পান, আর আপনারা, পাঠককুল? কী দেখেন আপনারা?

©sangitaghoshdastidar

শেয়ার করুন


Avatar: কান্তি

Re: পুঁটিকাহিনী ৯- মাতা-কন্যা সংবাদ

এই রচনা পাঠান্তে আমি একান্ত ভাবে কামনা করিতেছি, পুঁটির উদ্যত কলম হইতে আরো, আরো এইরূপ রক্ত পলাশ ঝরিয়া পড়ুক।
Avatar: a

Re: পুঁটিকাহিনী ৯- মাতা-কন্যা সংবাদ

সাধু সাধু বলে ঠিক পরিত্রিপ্তি হয় না, বলতে ইচ্ছা করে নাজুক
Avatar: avi

Re: পুঁটিকাহিনী ৯- মাতা-কন্যা সংবাদ

ক্যাবাত, এনকোর, নাজুক, সোনার কীবোর্ড, মেডেল দেব, তনখা বঢ় জায়েগা তুমহারি, সাধু সাধু।
Avatar: সিকি

Re: পুঁটিকাহিনী ৯- মাতা-কন্যা সংবাদ

তুললাম।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন