Alpana Mondal RSS feed

Alpana Mondalএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • পুঁটিকাহিনী ৬ - পারুলদি পর্ব
    পুঁটির বিয়ের আগে শাশুড়িমা বললেন যে, ওবাড়ি গিয়ে পুঁটিকে কাজকম্মো বিশেষ করতে হবে না। ওমা! তাও আবার হয় নাকি! গিয়ে কিন্তু দেখা গেল, সত্যিই তাই। পুঁটি সপ্তাভর আপিস করে আর সপ্তাহান্তে মাসতুতো-মামাতো দেওর-ননদ জুটিয়ে দিনভর আড্ডা- অন্তাক্ষরী-তাস খেলা এ সব করে। ...
  • গরু ও মানুষের বিবরণ
    সেই সময়ের গল্পটা আপনাদের আজ বলা প্রয়োজন, কারণ আজ হয়ত সেই সময়ের চেয়ে পূর্বের বা পরের একটা সময়, যখন আপনি এই গল্পটা পড়ছেন, এটিকে আপনার ভুল বুঝার যথেষ্ট অবকাশ আছে, কারণ লিখিত বক্তব্য লিখিতই এবং তা যেসব বক্তব্য তৈরি করে ক্ষেত্রবিশেষে তা এতই স্বাধীন হয়ে যায় যে ...
  • নামসংকীর্তন কহে নরোত্তম দাস
    সাধনপদ্ধতি হিসাবে কীর্তনের প্রয়োগ সম্ভবতঃ ভক্তিধর্মের উত্থানের একদম গোড়ার দিক থেকেই। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনাতেও সমবেতভাবে আধ্যাত্মিক গান গাওয়ার প্রচলন ছিল (উদাঃ চর্যাগীতি)। বাংলায় বিভিন্ন আকর গ্রন্থে (চৈতন্যমঙ্গল, চৈতন্য চরিতামৃত) ‘সংকীর্তনদাতা’ বা ...
  • টুকরোটাকরা ৬
    ১৯৫১ সালে অশোক কুমারের আহ্বানে সারা দিয়ে বম্বে টকিজের ব্যানারে নিউ থিয়েটার্স ছেড়ে বিমল রায় তার ইউনিটের একাংশ নিয়ে বম্বে চলেছেন হিন্দি সিনেমা বানাবেন বলে।ইউনিটের সদস্যরা হচ্ছেন প্রধান সহকারী অসিত সেন,এডিটর হৃষিকেশ মুখার্জি, পল মহেন্দ্র, চিত্রনাট্যকার এবং ...
  • সরদার বেগম
    সরদার বেগম১৯৩৪ সাল। লুধিয়ানার এক আদালতে ১৩ বছরের একটা ছেলেকে জজসাহেব জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কার সঙ্গে থাকতে চাও আব্দুল হায়ি?ছেলেটা শুধু একবার ঘৃণার দৃষ্টিতে তাকাল তার পিতার দিকে, তারপর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো অপরূপ সুন্দরী সরদার বেগমের ত্রস্ত চাহনির জবাবে দৃঢ় কণ্ঠে ...
  • "....... , ল্লুক আস...."
    "....... , ল্লুক আস...."ঝুমা সমাদ্দার।মনে পড়ছে, বেশ কিছুদিন আগে একটা ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখেছিলাম।আফ্রিকার ইথিওপিয়ার মুরসি উপজাতির মানুষজনের উপরে ডকুমেন্টারি তৈরী করতে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন কিছু ভিনদেশী মানুষজন।সেখানকার মহিলাদের উর্ধাঙ্গ সম্পূর্ণ অনাবৃত ...
  • পুঁটিকাহিনী ৫- সখী যাতনা কাহারে বলে
    ক্লাস সেভেনে উঠে পুঁটির মধ্যে আমূল পরিবর্তন এল। আগে ছিল চুপচাপ, শান্ত ধরণের- এখন হয়ে দাঁড়াল দুর্দান্ত! আগে বাড়িতেও গল্পের বইতে মুখ ডুবিয়ে বসে থাকত, কারো বাড়ি গিয়েও চুপচাপ গল্প শুনত বা যা হাতের কাছে পেত, পড়ে ফেলত। গল্পের বইয়ের নেশা কমেনি মোটেই, তবে দেখা ...
  • টুকরোটাকরা_৫
    'শো ম্যান অফ দ্যা মিলেনিয়াম' এমনি এমনি হওয়া যায় না।সব তো আর হরলিক্স নয় যে লোকে রাজ কাপুরকে এমনি এমনি খাবে।রাজ কাপুর নিজেও হয়ত জানতেন না সিনেমার প্রতি তার দায়বদ্ধতা কোন জায়গায় নিয়ে গেছেন উনি।সেটা যারা তার সাথে কাজ করেছে তারাই বলতে পারে।তার লিপে কেউ যদি ...
  • ।। ধর্ম সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদ: কিছু কথা।। চার
    [মধ্য প্রদেশের এক দলিত অধ্যুষিত গ্রামে মেয়ের বিয়েতে ঢোল না বাজিয়ে ব্যান্ড বাজানোর অপরাধে গ্রামের একমাত্র কুয়োর জলে কেরসিন ঢেলে দিয়েছে গ্রামের উচ্চবর্ণের মাতব্বররা। আইসিস সন্ত্রাসীদের মতো এক কোপে গলা না কেটে সঙ্ঘু সন্ত্রাসীরা এই ভাবে সহনশীল পদ্ধতিতে গলা ...
  • পুঁটিকাহিনী 8 - পিউকাহিনী বলাই ভাল
    পিউকে মনে আছে তো আপনাদের? পিউ এক ছুটির দিন বিকেলে পুঁটির বাড়ির খাটে বসে জমিয়ে গল্প ধরল। "জানো তো কাকু, আমার না খুব ইচ্ছে আমার শ্বশুর ডাক্তার হোক!" ঘরে পিন পড়লেও শোনা যায়, এমন নীরবতা নেমে এল। নব্বইয়ের দশকে কোন উনিশ বছরের মেয়ে যে বন্ধুর বাবার সামনে নিজের ...

জমে থাকা কথামালা ......

Alpana Mondal


আমি আলপনা সেই ছোটবেলা থেকে ভদ্রলোকের কি ভাবে আমাদের দেখে তা হাড়ে হাড়ে জানি । কাজের লোকেরা যেন মানুষ নয় -তাঁদের সারাবছর একটা বা দুটি ফ্রকেই জীবন কাটানোর কথা । এক কাপ চায়ে দুটো বাসী রুটি ডুবিয়ে সকালের খাওয়া । বেলা তিনটে তে বেঁচে যাওয়া ডাল তরকারী দিয়ে দুপুরের খাওয়া । বড় লোকেদের একটুতেই হাঁচি কাশি সর্দি পেট খারাপ হতেই পারে আর আমাদের সারা বছর টাটা স্টিলের মত মজবুত থাকার কথা , আমাদের আবার পেটব্যাথা,মাথাব্যাথা জ্বর হয় কি করে ? আসলে এইসব কাজ ফাঁকি দেওয়ার বাহানা ।

টিকিয়াপাড়ার জয়সোয়াল পরিবারের রান্নাঘরের পাশেই একটা স্কুল ছিল ,রান্না ঘরের জানলা দিয়ে সকালের প্রার্থনা ,উচ্চ সূরে নামতা ,মাস্টারের বেতের শব্দ ,পড়াশুনা প্রায় সবই শোনা যেত -আমি তখন গ্যাসের টেবিল হাতে পাইনা ,একটা টুলে ভর দিয়ে দাঁড়াতে হত কেটলি নামানো ,রুটি করা ইত্যাদি কাজে । সকাল দশটা বাজলেই আমি আর রান্নাঘর থেকে নড়তাম না । কান খাড়া করে শুনতাম স্কুলের প্রার্থনা , নামতা ,পড়াশুনা মানে যতদূর শোনা যায় -আর মুখস্ত করতাম মনে মনে । বৌদি ডাকলে খুব রাগ হত ,ডাকার আর সময় নেই -সবে ৯ ঘরের নামতা শুনছিলাম । আমার তো আর ছাত্রবন্ধু কেনা হয়ে ওঠেনি তাই পাশের স্কুলের পড়ানো শুনে শুনে শেখার চেষ্টা করতাম । একদিন মালিক লক্ষ করলেন -আলপনা সকাল দশটা থেকে রান্নাঘরে টুলের ওপর দাঁড়িয়ে জানলার ধারে করেটা কি ? আমি তখন ওদের সাথেই স্কুলের প্রার্থনা গাইছি । দাদা’র হয়ত মনে হল আচ্ছা আমাদের মেয়েটা রোজ সকালে ড্রেস পড়ে স্কুলে যায় ,আলপনাই তাকে স্কুলের জন্য রেডি করে ,ন্যাকামো করলে চড় থাপ্পড়ও লাগায় -তা এই বয়েসে তারও তো স্কুলে যাওয়ার কথা আর দুপুরের দিকে এমন কোন বাড়ির কাজও তো থাকেনা । দাদা একদিন আমার বই খাতা স্কুলের ব্যাগ এমনকি একটা ড্রেসও কিনে আনলেন ।

আমি আনন্দে ভেসে যাচ্ছি -আমিও পড়ব ।জানলা দিয়ে নয় ক্লাসে বসে সকলের সাথে একসাথে পড়াশুনা শিখবো । সারা সন্ধে বেলা পূরানো খবরের কাগজ দিয়ে বই খাতা সব যত্ন করে মলাট দিলাম ,চুলে কষে তেল লাগালাম কালকে বেণী করতে হবেনা ? পর দিন দাদা আমায় স্কুলে ভর্তি করে দিলেন । সরকারী স্কুল মাইনে বোধহয় কিছুই ছিলোনা -আমি কি আনন্দে স্কুলে যেতে শুরু করলাম । এদিকে বৌদির মুখ ভার -কাজের লোকের আবার পড়াশুনা কি , তাকে নিয়ে এত আদিখ্যেতা কেন ,ভাগ্যিস আমি ছোট ছিলাম নয়ত আমাকে নিয়ে হয়ত অন্য সন্দেহ দানা বাঁধত । এক সপ্তাহ বোধ হয় ঠিক ঠাক স্কুলে গিয়েছিলেম তার পর থেকেই শুরু হোল অত্যাচার । দাদা দোকানে’র জন্য বেড়িয়ে গেলে আমি যখন স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরি হতাম তখনই বৌদি ব্যাগ কেড়ে নিয়ে আলমারিতে তুলে রেখে আমাকে দোকানে পাঠাতো এটা সেটা আলতু ফালতু জিনিষ কিনতে -আমি একছুটে দোকান করে বাড়িতে এলে আবার অন্য কাজ - এক কাপ চা বানিয়ে আনত ,চিনি কম দিবি -স্কুলে প্রথম ক্লাস ,দ্বিতীয় ক্লাস এই করে টিফিনের ঘণ্টা পড়ে যেত আমার স্কুল ব্যাগ আর আলমারি থেকে বেরতোনা । দাদাকে আমি কোনদিন বলিনি ,আমার আর স্কুলে যাওয়া হয়ে ওঠেনি কেন । একবার বলেছিলাম আমার পড়াশুনা ভালো লাগেনা -বৌদিও তো আমার মালিক তার নামে নালিশ তো করা উচিৎ নয় বলুন ।

কয়েকদিন যাবত কিছু ঘটনায় আবার সেই ১৭ বছর আগেকার ঘটনা মনে পড়ে গেল -আমি তো আর কাজ ফাঁকি দিয়ে স্কুলে যেতাম না ,বি এ ,এম এ পাশ করবারও কোন স্বপ্ন ছিলোনা , একটু স্কুলে যেতে দিলে কি এমন ক্ষতি হত -আসলে বড় লোকেরা এরকমই তাঁরা আমাদের মত ছোটলোকদের সামান্য উন্নতি ,একটু সুখ সহ্য করতে পারেনা । আমরা লেবার মানুষ তো নই । ২৯ সে নভেম্বর ২০১৬ সাল থেকে আমি লোকের বাড়ি বাসুন মাজা ,রান্না করবার কাজ ছেড়ে দিয়েছি , নূতন কাজ শিখেছি আমাকে একজন উৎসাহ দিয়েছেন , স্বপ্ন দেখিয়েছেন ,হাত ধরে পাঁক থেকে বেরোনার রাস্তা দেখিয়েছেন ,ট্রেনিং দিয়েছেন এমনকি কিছু আর্থিক সাহায্যও করেছেন । আমি আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করেও সেই কাজে জুটেছি । নিজের কাজ , নিজের স্বাধীনতা , নিজের মত করে চিন্তা করে সকলকে সাথে নিয়ে একসাথে বড় হওয়ার , কিছু করবার স্বপ্ন । কিন্তু সেই উন্নতি ,সেই স্বপ্ন যে অনেকের পছন্দ নয় তা আমি বুঝিনি । আমি কেন মলিন চুড়িদার না পড়ে জিনস পরি , প্লাস্টিকের চটির বদলে সস্তার বাটার জুতো ? আমার বাবার অসুখ হলে কেন আমি একটু বড় হাসপাতালে দেখাতে যাই , ওভারটাইম করে রাত হয়ে গেলে কেন আমাকে মাঝে মাঝে গাড়ি করে স্টেসানে ছেড়ে দেওয়া হয় । আমি কি আসলে কাজ করি না অফিসে নোংরামি , না পেটে ব্যাথা হওয়ার অজুহাতে অফিস কাটি । আমাকে কেন এত সুবিধা দেওয়া হয় ? ২ তারিখে মাস মাইনে কেন পাই ? আমাদের তো এগুলো প্রাপ্যই নয় -বাবার বা নিজের অসুখ হলে সরকারী হাসপাতাল বা হাতুড়ে ডাক্তার ছেড়ে অরবিন্দ সেবা কেন্দ্র কেন ? এত শত প্রশ্ন যে শিক্ষিত সভ্য মানুষের মনে মনে জমে থাকতে পারে সেই বিষয়ে আমার কোন ধারনাই ছিলোনা ।

আসলে সেই যুগ যুগান্ত থেকে আমাদের মত ছোটলোকেরা যদি একটু ভালো থাকার চেষ্টা করে , সমস্ত ঘেন্না’র জবাবে তাঁদের জেদ যদি আমাদের মত মানুষদের বিন্দুমাত্র উন্নতি ঘটায় ভদ্রলোকেরা সেই উন্নতি কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারেনা । ছেলে হলে হয় অসৎ পথে রোজগার করেছে আর মেয়ে হলে তো কথাই নেই নিশ্চয়ই বাবু ধরেছে । সেই প্রশ্ন জমতে জমতে দু একদিন আগে হটাৎ ফেটে পড়ল -আমাকে যিনি উৎসাহ দিয়ে ,প্রশ্রয় দিয়ে নূতন জগতের পথে নিয়ে এসেছেন তার পরিবার বিনা কারনে , বিনা প্ররোচনায় আমার কাজের জায়গায় এসে চূড়ান্ত চিৎকার সমেত অপমান শুরু করলেন । ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয়না যার মধ্যে অন্যতম । আমি অনেকক্ষণ ধৈর্য রেখেছি কিন্তু রাগে অপমানে মাথা যখন ছিঁড়ে যাচ্ছে আমিও দু চার কথা বলেছি -হয়ত আমার অন্যায় হয়েছে তিনি আমার বয়েসে বড় ,আমার অত্যন্ত প্রিয় ,শ্রদ্ধার মানুষের স্ত্রী ,তাকে আমিও সন্মান করি কিন্তু কি করব বলুন ? সেই ছোটবেলা থেকে অপমান সহ্য করতে করতে আর ক্ষমতা নেই এখন আর আমি কাউকে ভয় করিনা ,মুখ বুজে চুপ করে কিল খাওয়ার দিন শেষ । আমি যদি কোন অন্যায় করি মেনে নেব কিন্তু অকারণে অপমান আর সহ্য করবোনা । আমরা এখন সেই কোণঠাসা বিড়ালের দল যে আত্মরক্ষায় বাঘের টুঁটি কামড়ে ধরতে ভয় পায়না ।

এই লেখা প্রকাশ হওয়ার পরে হয়ত আমার কাজ চলে যেতে পারে । আমার সদ্য দেখা স্বপ্ন চুরমার হয়ে যেতে পারে -কেননা সত্য সহ্য করা সকলের পক্ষে সম্ভব নয় । হয়ত আমায় আবার বাসুন মাজা ,লোকের বাড়ি কাজ করার জগতে ফিরে যেতে হবে -অশিক্ষিত আমি তো আর কোন কাজ জানিনা । কিন্তু কি করব বলুন বারবার ভাবি শিক্ষিত ভদ্রলোক মানুষেরা নিশ্চয়ই মানসিক ভাবে উদার হবেন -কিন্তু বারবার দেখি স্কুল কলেজের পড়া মানুষকে মানুষ বানায়না , বরং শিক্ষার গর্ব তাঁদের আত্মার মাপ ছোট করে দেয় ।

আমরা ছোটলোক ,অশিক্ষিতের দল আপনাদের সাথে আমাদের হাজার মাইলের ফারাক ইহজন্মে আর মেটার নয় ।


Avatar: kihobejene

Re: জমে থাকা কথামালা ......

prarthona kori apnar shopno ta jeno na bhaange ... r shopno dekte thakun thik beriye ashben ...
Avatar: Suhasini

Re: জমে থাকা কথামালা ......

আল্পনা, তোমার লেখার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এই লেখাটা পড়ে খারাপ লাগল তোমার জন্য। সমস্যা জটিল, তবে কিনা কোনও বাধাই অলংঘনীয় নয়। আরও একটা নতুন প্যাটার্ন তৈরী হোক বরং।
Avatar: de

Re: জমে থাকা কথামালা ......

আলপনা, খারাপ লাগলো লেখাটা পড়ে। জানিনা কিভাবে, তবুও যদি কোন সাহায্য দরকার হয় জানাবেন।
Avatar: 0

Re: জমে থাকা কথামালা ......

"...বারবার দেখি স্কুল কলেজের পড়া মানুষকে মানুষ বানায়না , বরং শিক্ষার গর্ব তাঁদের আত্মার মাপ ছোট করে দেয়..."
Avatar: Alpana Mondal

Re: জমে থাকা কথামালা ......

একটা কথা - আমাকে 'আপনি' বলবেন না । আর আমার অভ্যেস আছে -স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন ভেঙ্গে যাওয়ার । যিনি আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন ,হাত ধরে পাঁক থেকে বেরোনার রাস্তা দেখিয়েছেন ,ট্রেনিং দিয়েছেন আর্থিক সাহায্য করেছেন ,লিখতে শিখিয়েছেন তিনি এখনো আমার পাশে আছেন -তাকে দেখে আমার এখনো বিশ্বাস অটুট আছে -সব মানুষ সমান নন ।
Avatar: শেসে

Re: জমে থাকা কথামালা ......

আলপনা তোমার স্বপ্ন সফল হবে আর কলমও সচল
থাকবে | তোমার জীবনকথা যিনি তোমাকে লিখতে শিখিয়েছেন, তাঁকেও আমার সশ্রদ্ধ অভিবাদন | পারিবারিক প্রতিকুলতাকে অতিক্রম করে তিনি এখনো তোমার পাশে আছেন এইটা জানার পর তাঁর সম্পর্কে আমারো শ্রদ্ধা আরো বেড়ে গেল | বুঝলাম মল, মূত্র আর বীর্য ত্যাগের বাইরে আরো কিছু ত্যাগ করার মানুষরা এখনো বেঁচে আছেন |
Avatar: Titir

Re: জমে থাকা কথামালা ......

এ বড় শক্ত লড়াই। বারবার হার না মেনে এগিলে চলো নতুন পথে। তোমার স্বপ্ন সফল হোক এই প্রার্থনা করি।
Avatar: Du

Re: জমে থাকা কথামালা ......

দুই ক্ষেত্রেই মহিলারাই বাধার সৃষ্টি করলেন আরেকজনের একটু উন্নতির পথে -'নিজে মেয়ে হয়ে লজ্জিত হলাম দেখে।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন