Somnath Roy RSS feed

Somnath Royএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নীলতিমি
    সিলেবাসডোবায় বেশ একখানা কাঁটাসর্বস্ব পদ্ম ফুটত পরীক্ষার নামে, ফি বছর। সুখ অবশ্যি বেশি গিজগিজ করলে, গুপ্ত বিষফোঁড়ার মত 'মিনি'পরীক্ষা কখনো সখনো কপালে টোকা মেরে যেত, বছরের বাকি সময়েও। কোয়ার্টারলি, হাফ ইয়ার্লি। কখনো বা 'সারপ্রাইজ' অ্যাবস্ট্র‍্যাক্ট নাউন, ...
  • পারফিউম
    এত প্রশ্ন আমাকে আগে কেউ করেছে কিনা আমার ঠিক মনে পড়ল না। সেই প্রশ্ন কর্তাদের লিষ্টে অন্তর্ভুক্ত আছেঃ১। অ্যালাপ্যাথি ডাক্তার।হোমিওপ্যাথি ডাক্তার নয় কিন্তু – তাদের আবার বিরাট রেঞ্জের প্রশ্ন ক্ষেপণের স্বভাব আছে। আমাদের নিমো বাস স্ট্যান্ডের নারাণ ডাক্তার আমার ...
  • বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#2
    [৩] যাদুবিদ্যা ও ধর্মপৃথিবীর সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মই প্রথম যুগে এই ম্যাজিক সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু কেন? আসুন, এবার আমরা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি। সমাজ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে দেখা যাবে, ধর্মের উদ্ভবের সময়কালের সাথে এই যাদুবিদ্যার আর্থসামাজিক ...
  • আমার বাবার বাড়ি
    আমাদের যাদের বয়েস স্বাধীনতার বয়েসের পাশাপাশি তারা ছোটবেলায় প্রায়ই একটা অদ্ভুত প্রশ্নের মুখোমুখি হতাম, দেশ কই? উত্তরে যে দেশের নাম বলার রীতি ছিলো যেমন ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, নোয়াখালী সব ছিলো ভারতের ম্যাপের বাইরে সবুজ এলাকায়। আবার সদ্যস্বাধীন দেশে আমরা খুব ...
  • পরীবালার দিনকাল
    ১--এ: যত তাড়াতাড়িই কর না কেন, সেই সন্ধ্যে হয়ে এলো ----- খুব বিরক্ত হয়ে ছবির মা আকাশের দিকে একবার তাকাল, যদি মেঘ করে বেলা ছোট লেগে থাকে৷ কিন্তু না: আকাশ তকতকে নীল, সন্ধ্যেই হয়ে আসছে৷ এখনও লালবাড়ির বাসনমাজা আর মুনি দের বাড়ি বাসন মাজা, বারান্দামোছা ...
  • বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#1
    আধুনিক বিজ্ঞানে বস্তুর গতির রহস্য বুঝতে গেলেই বলের প্রসঙ্গ এসে পড়ে। আর দু এক ধাপ এগোলে আবার শক্তির কথাও উঠে যায়। সেই আলোচনা আজকালকার ছাত্ররা স্কুল পর্যায়েই এত সহজে শিখে ফেলে যে তাদের কখনও একবারও মনেই হয় না, এর মধ্যে কোনো রকম জটিলতা আছে বা এক কালে ছিল। ...
  • আমার বাবা আজিজ মেহের
    আমার বাবা আজিজ মেহের (৮৬) সেদিন সকালে ঘুমের ভেতর হৃদরোগে মারা গেলেন।সকাল সাড়ে আটটার দিকে (১০ আগস্ট) যখন টেলিফোনে খবরটি পাই, তখন আমি পাতলা আটার রুটি দিয়ে আলু-বরবটি ভাজির নাস্তা খাচ্ছিলাম। মানে রুটি-ভাজি খাওয়া শেষ, রং চায়ে আয়েশ করে চুমুক দিয়ে বাবার কথাই ...
  • উপনিষদ মহারাজ
    একটা সিরিজ বানাবার ইচ্ছে হয়েছিলো মাঝে। কেউ পড়েন ভালোমন্দ দুটো সদুপদেশ দিলে ভালো লাগবে । আর হ্যা খুব খুব বেশী বাজে লেখা হয়ে যাচ্ছে মনে হলে জানাবেন কেমন :)******************...
  • চুনো-পুঁটি বনাম রাঘব-বোয়াল
    চুনো-পুঁটি’দের দিন গুলো দুরকম। একদিন, যেদিন আপনি বাজারে গিয়ে দেখেন, পটল ৪০ টাকা/কেজি, শসা ৬০ টাকা, আর টোম্যাটো ৮০ টাকা, যেদিন আপনি পাঁচ-দশ টাকার জন্যও দর কষাকষি করেন; সেদিনটা, ‘খারাপ দিন’। আরেক দিন, যেদিন আপনি দেখেন, পটল ৫০ টাকা/কেজি, শসা ৭০ টাকা, আর ...
  • আগরতলা নাকি বানভাসি
    আগরতলা বানভাসি। দামী ক্যামেরায় তোলা দক্ষ হাতের ফটোগ্রাফ বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছে ফেসবুকের ওয়াল। দেখছি অসহায়ের মতো সকাল, দুপুর বিকেল, রাত হোল এখন। চিন্তা হচ্ছে যাঁরা নীচু এলাকায় থাকেন তাঁদের জন্য। আমাদের ছোটবেলায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হোত হাওড়া নদীর বুক ভরে উঠতো ...

নববর্ষ কথা

Somnath Roy

খ্রিস্টীয় ৬২২ সালে হজরত মহম্মদ মক্কা থেকে ইয়াথ্রিব বা মদিনায় যান। সেই বছর থেকে শুরু হয় ইসলামিক বর্ষপঞ্জী ‘হিজরি’। হিজরি সন ৯৬৩ থেকে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু করেন মুঘল সম্রাট আকবর। হিজরি ৯৬৩-র মহরম মাসকে ৯৬৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাস ধরে শুরু হয় ‘ তারিখ ই ইলাহি’, যে বর্ষপঞ্জীর উদ্দেশ্য ছিল বাংলার কৃষিবর্ষকে হিসেবে রেখে খাজনা আদায়ের দিনগুলি নির্ধারণ করা। বাংলার আকাশে তারা দেখে মাস নির্ধারণ করা হত। হিজরির চান্দ্রমাসের চলনকে ধরে রেখে তারা-ঝিকমিকি মাসগুলিকে পঞ্জিকায় ঢুকিয়ে ফেলেন ফারসি-ভাষী জ্যোতির্বিদ ফাতুল্লাহ সিরাজি। যেহেতু মৌসুমী বায়ু সেই আমলে সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি মেনে বইত, চাষের দিন গোণার বছর সৌরমাসেই হতে হত। তাই হিজরি মাসের স্ট্রাকচারের মধ্যে এক-দুদিন যোগ বিয়োগ করে ৩৬৫ দিনে বছর করা হয়।

সংক্রান্তির দিনগুলিকে সম্ভবত খাজনা আদায়ের জন্যে ধার্য করা ছিল, তাই কোথাও সেদিন ভাত রান্নার সময় হত না। মানুষ চিঁড়ে মুড়ি খেয়ে, চালের গুঁড়োর রুটির ওপর নারকেল আর গুড় ফেলে খেয়ে খাজনার ফসল নিয়ে বেরিয়ে পড়ত। সমাজ নিজের মতন করে নিয়ম করে ফেলেছিল খাজনার মাসগুলি হাতে টাকাপয়সার টান থাকে, তাই বিয়ে -শাদি সেইসময় না ফেলতে, কিম্বা বাড়ির আশ্রিতদের ভাদ্র চৈত্রে বের না করে দিতে। আর কৃষিবর্ষের ধারা মেনে তার পার্বণ-উৎসবগুলি বঙ্গাব্দের মাসের হিসেবে দিব্যি পড়তে থাকল। এমন কী বিশ্বকর্মা পুজো কিম্বা নীলষষ্ঠীর ব্রতে চান্দ্র তিথির হিসেবও আর লাগল না, সৌরবৎসরের দিন ধরেই কাজ চলতে লাগল।

তো, হিন্দু বাঙালিও গত চারশ আশি বছর ধরে হজরত মহম্মদের মদিনা যাওয়ার দিন হিসেব করে পয়লা বৈশাখে কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে এসেছে। এবং ইসলামি শাসন বাংলায় এভাবেই ক্রিয়া করেছে। ইসলামের আধার একভাবে থাকল তো বটেই, কিন্তু বাকি লোকের হিন্দুয়ানি তাতে দিব্যি খাপ খেয়ে গেল। আর খাবেই না কেন? সবাই-ই তো চাষীর বাড়ির ছেলেমেয়ে। নিয়মরীতিগুলো তৈরিও হয়েছে শস্যের সমৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে।

এরপরে প্রভু জয় শ্রীরামের কৃপায় ইস্লামি শাসনের অবসান ঘটল, এলো ইংরাজ। অলরেডি তারা বন্দুকের নলের ডগায় ধর্ম উঁচিয়ে স্থাপন করে এসেছে আমেরিকা মহাদেশে। তার ওপর আড়াই মাসের বাচ্চা শিল্পবিপ্লবের জন্য তখন কাঁচামাল লুঠ করার ভীষণ দরকার। ভারতে শস্যের সমৃদ্ধি, ফসলের বণ্টন নিয়ে তাদের খুব থোড়াই মাথাব্যথা ছিল। তারা ব্যবস্থা দেখল যাতে অনবচ্ছিন্নভাবে এদেশের সম্পদ তাদের দেশে যেতে থাকে। ফলে কৃষিবর্ষ-টর্ষ মাথায় উঠল। মৌসুমী বায়ুর চলন নিয়ে ভাবার দরকারও থাকল না তাদের। চাপিয়ে দেওয়া হল এদেশের রীতিনীতি-বৃষ্টিবাদলের সঙ্গে সাযুজ্যহীন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। মাথায় উঠল শস্যের সম্নৃদ্ধিও। খাদ্যশস্য কমিয়ে অর্থকরী শস্যের চাষ হল। পর পর মন্বন্তর নেমে আসতে লাগল বাংলার বুকে। এদিকে মন্বন্তর পেরিয়েও যাতে বাংলার থেকে লুঠের মাল যুদ্ধব্যবসার পুঁজি যোগায় সেইসব লক্ষ্য রাখা হল। চাষীর ঘরের অনাহার থেকে পুঁজি বাড়ল, শিল্পায়ন হল ইউরোপে আর তার উচ্ছিষ্ট পেল নগর কলকাতা। সেখানে বঙ্গাব্দের আর দরকার পড়ে না। ইস্লামি শাসন থেকে বেরিয়ে আমরা ক্রিশ্চান শাসনে ঢুকেছি। আমাদের রোববার ছুটির দিন। মাঝ-পৌষে (বঙ্গাব্দ মেনে যখন বাড়িতে শুভকাজ হয়না) আমাদের হ্যাপি নিউ ইয়ার। আমাদের মৌসুমী বায়ুর দরকার পড়ে না।

তবু, মুসলমানি অভ্যেস মেনে হজরত মহম্মদের মদিনা যাওয়ার উৎসবে গতকাল একটু ভালো খাওয়া দাওয়া করলাম আমরা, নতুন স্যান্ডোগেণজি পরলাম। কেউ কেউ জুলুসে-মঙ্গলযাত্রা হাঁটলাম। কালীমন্দিরে পুজো দিতেও গেলাম কেউ কেউ।


Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: নববর্ষ কথা

এতো কান্ড! জেনে ভালো লাগলো। তবে তথ্য সূত্র থাকলে আরো ভালো হতো।

চলুক।
Avatar: Somnath Roy

Re: নববর্ষ কথা

তথ্যসূত্র ইন্টারনেটে খুব সহজে পাওয়া যায়। আলাদা করে কোনও স্পেসিফিক বই মেনশন করছিনা। তবে আকবর যে তারিখ ই ইলাহী চালু করেন সেটা নিয়ে ঐটিহাসিক মহলে দ্বিমত নেই। অল্টারনেটিভ তত্ত্বগুলো- শশাঙ্ক বা লক্ষণসেন-এর শুরু করা বঙ্গাব্দ থীওরি খুব সহজেই ভুল প্রমাণ করা যায়।
Avatar: rss

Re: নববর্ষ কথা

ধন্যবাদ। এই তথ্যগুলি ভীষণ কাজে লাগবে। আরো জগদ্দলভাবে বিক্রমী সংবৎ গিলিয়ে দোবো।
Avatar: তবু

Re: নববর্ষ কথা

তবু, এই লেখার ডিডাকশনগুলোর পেছনের তথ্যগুলো থাকুক। লিংক হিসেবেই।
Avatar: Somnath Roy

Re: নববর্ষ কথা

RSS-- <3
Avatar: এলেবেলে

Re: নববর্ষ কথা

সোমনাথবাবু বঙ্গাব্দের ক্রমবিকাশের বিষয়টি চমৎকার তুলে ধরেছেন । তবুও লেখাটিতে সম্ভবত হালকা চালে কথা বলার জন্য দু’টি জায়গায় সামান্য তথ্যপ্রমাদ ঘটেছে যা খানিকটা অপ্রত্যাশিত ।

প্রথমত উনি লিখেছেন — “ ৯৬৩-র মহরম মাসকে ৯৬৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাস ধরে শুরু হয় ‘তারিখ ই ইলাহি’…হিজরির চান্দ্রমাসের চলনকে ধরে রেখে তারা-ঝিকমিকি মাসগুলিকে পঞ্জিকায় ঢুকিয়ে ফেলেন ফারসি-ভাষী জ্যোতির্বিদ ফাতুল্লাহ সিরাজি” । আদতে তা মোটেই নয় কারণ ফতেউল্লাহ সিরাজি কিন্তু নতুন ক্যালেন্ডারটি চালু করার সময় চান্দ্রমাসের আরবীয় মডেল ব্যবহার করেননি, করেছিলেন পারস্য মডেল যা শকাব্দের মতোই সৌরমাসভিত্তিক ছিল । হিজরির মহরমের সাথে বৈশাখ মাসকে মিলিয়ে নতুন বছরের প্রথম মাস হিসেবে নির্দিষ্ট করা ছাড়া উনি আর কোথাও চান্দ্রমাসের চলনকে মান্যতা দেননি । আদিতে তারিখ-ই-ইলাহির মাসগুলো ছিল যথাক্রমে ফারওয়াদিন, আর্দি, ভিহিসু, খোরদাদ, তির, আমার্দাদ, শাহরিয়ার, আবান, আযুর, দাই, বহম এবং ইস্কান্দার মিজ যা পঞ্জিকায় ঢোকানোর কোনও প্রশ্নই ছিল না । যদিও পরবর্তী ঠিক কোন্‌ সময়ে মাসগুলোর নাম বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ইত্যাদিতে পরিবর্তিত হয়ে যায় সে ব্যাপারে ঐতিহাসিকরা নির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারেন নি ।

দ্বিতীয়ত ওঁর মতে — “এরপরে প্রভু যিশুর কৃপায় ইস্লামি শাসনের অবসান ঘটল,এলো ইংরাজ ।… চাপিয়ে দেওয়া হল এদেশের রীতিনীতি-বৃষ্টিবাদলের সঙ্গে সাযুজ্যহীন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার”। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এ দেশের কেন কোনও দেশের বৃষ্টিবাদলের সাথেই সম্পর্কযুক্ত ছিল না ! খ্রিস্টানদের অন্যতম উৎসব ইস্টার-এর দিন নির্ধারণ ছিল এর মূল উদ্দেশ্য এবং এর তত্ত্বাবধানে ছিলেন ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগরি । এটি কার্যকর হয়েছিল ১৫৮২ সালের ১৫ই অক্টোবর এবং তার পাক্কা ১৭০ বছর পর প্রোটেস্ট্যান্ট ইংল্যান্ড ১৭৫২ সালে তা চালু করে । অনেক আগে এই ক্যালেন্ডার পর্তুগাল বা ফ্রান্স তাদের দেশে চালু করলেও ভারতে তা চাপিয়ে দেয়নি । তাই এই কৃতিত্ব ইংরেজদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বোধ হয় ঠিক নয় ।

এ প্রসঙ্গে আরও বলার যে কতিপয় উগ্র ‘দেশপ্রেমী’ বঙ্গাব্দ প্রবর্তনের কৃতিত্ব কিছুতেই আকবরকে না দিয়ে ‘হিন্দু’ শশাঙ্ককে দিতে উঠেপড়ে লেগেছেন । তাঁদের মোক্ষম উত্তর দিয়ে গেছেন ঐতিহাসিক ব্রতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় । ‘বঙ্গ,বাঙ্গালা ও ভারত’-এ তিনি লিখেছেন, “এই মতের স্বপক্ষে কিছু বলতে গেলে প্রথমেই প্রমাণ করতে হবে যে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে এক স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বা অন্তত ঐ সময়ে স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেছিলেন । এর কোনও নিশ্চিত প্রমাণ নেই, যদিও সপ্তম শতাব্দীর প্রথমভাগে তাঁর রাজত্ব সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য আমাদের আছে।... শশাঙ্কের রাজ্যের সর্বাপেক্ষা বিস্তৃত সীমানার মধ্যে তাঁর পরবর্তীকালীন এক হাজার বৎসরের মধ্যে তারিখ যুক্ত যে বিরাটসংখ্যক লেখা আবিষ্কৃত হয়েছে সেগুলিতে বঙ্গাব্দ ব্যবহারের চিহ্নই নেই” ।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন