Sakyajit Bhattacharya RSS feed

Sakyajit Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • জ্যামিতিঃ পর্ব ৬ (শেষ পর্ব)
    http://bigyan.org.in...
  • বাউন্ডুলে পিঁপড়ের গল্প
    *********বাউণ্ডুলে পিঁপড়ের গল্প*******মহারাজ গল্প টল্প লেখেন না, যা দেখেন তাই। তা আমার সাথে সেদিন এক মক্কেলের মুলাকাত হয়েছিলো, নচ্ছারটা যদিও আমায় নানান কু কথা বলেছে, তাও বন্ধুত্বের খাতিরের ওর কথা গুলো বলে গেলাম। 'এই শোন একটা গাড়ি আসছে বুঝলি একটু চমকাবি ...
  • ১৯৪৬, এক ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বছর
    সদ্য তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে।ফ্যাসিস্ট বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে।পৃথিবীর ইতিহাসে এক যুগসন্ধিক্ষণ।পৃথিবী জুড়ে সব মানুষের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। যারা যারা যুদ্ধে নিজের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তারাও এই বিভৎসতার শেষে হাপ ছেড়ে বেঁচেছে।সারা পৃথিবীর ...
  • যৌননির্যাতন সম্পর্কে কিছু কথা যা আমি বলতে চাই
    মিডিয়া ট্রায়ালের পর শুরু হয়েছে এক নতুন ফেনোমেনন সোশ্যাল মিডিয়া ট্রায়াল। সবার কী সুন্দর বিচার, ফাঁসি, জেল, সব কিছুর নিদান দিয়ে দেন। নির্ভয়া কান্ডের পর গোটা ফেসবুক জুড়ে ফাঁসির জন্য কী প্রচণ্ড চিৎকার। শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিত, একটা গোটা জাত ফাঁসি চায়, ...
  • ডারউইন
    মশাদের জগতে একটা বেশ মজার ঘটনা ঘটে চলেছে। ধরুন প্রথম যখন মশা মারবার জন্যে মানুষ কোন কীটনাশক আবিষ্কার করলো। সেই সময় যত মশা ছিলো তার মধ্যে ৯৫% এর ওপর এই কীটনাশক কাজ করে। বাকি ৫% এর ওপর করে না। এবার কীটনাশক আবিষ্কারের আগে এই ৫%কে সেই ৯৫% এর সাথে প্রতিযোগীতা ...
  • রংচুগালা: বিপন্ন আদিবাসী উৎসব
    [ওই ছ্যাড়া তুই কই যাস, কালা গেঞ্জি গতরে?/ছেমড়ি তুই চিন্তা করিস না, আয়া পড়ুম দুপুরে/ হা রে রে, হা রে রে, হা রে রে…ভাবানুবাদ, গারো লোকসংগীত “রে রে”।]কিছুদিন আগে গারো (মান্দি) আদিবাসী লেখক সঞ্জিব দ্রং আলাপচারিতায় জানাচ্ছিলেন, প্রায় ১২৫ বছর আগে গারোরা আদি ...
  • মুক্ত বাজার
    নরেন্দ্র মোদী নিশ্চয় খুশি হয়েছেন। হওয়ারই কথা। প্রধানমন্ত্রী’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ভারতবর্ষের ১০০ জন ধনকুবের’দের ক্রমাঙ্কে টানা দশ বছর শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছেন। গত বছরে, রেকর্ড হারে, ৬৭% সম্পত্তি বাড়িয়ে, আজ তিনি ৩৮০০ কোটি ডলারের মালিক। ...
  • আমরহস্য
    শহরে একজন বড় পীরের মাজার আছে তা আপনি জেনে থাকবেন, পীরের নাম শাহজালাল, আদি নিবাস ইয়ামন দেশ। তিনি এস্থলে এসেছিলেন এবং নানাবিদ লৌকিক অলৌকিক কাজকর্ম করে অত্র অঞ্চলে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। গত হয়েছেন তিনি অনেক আগেই, কিন্তু তার মাজার এখনো জাগ্রত। প্রতিদিন দূর ...
  • সিনেমার ডায়লগ নিয়ে দু চার কথা
    সাইলেন্ট সিনেমার যুগে বাস্টার কিটন বা চার্লি চ্যাপ্লিনের ম্যানারিজমের একটা বিশেষ আকর্ষন ছিল যেটা আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। চোখে মুখের অভিব্যক্তি সংলাপের অনুপস্থিতি পূরণ করার চেষ্টা করত। আর্লি সিনেমাতে ডায়লগ ছিল কমিক স্ট্রীপের মত। ইন্টারটাইটেল হিসাবে ...
  • সিঁদুর খেলা - অন্য চোখে
    সত্তরের দশকের উত্তর কলকাতার প্রান্তসীমায় তখনো মধ্যবিত্ততার ভরা জোয়ার. পুজোরা সব বারোয়ারি. তবু তখনো পুজোরা কর্পোরেট দুনিয়ার দাক্ষিণ্য পায় নি. পাড়ার লোকের অর্থ সাহায্যেই মা দুর্গা সেজে ওঠেন তখনো. প্যান্ডাল হপিং তখন শুরু হয়ে গেছে. পুজোর সময় তখনই মহঃ আলি ...

শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

Sakyajit Bhattacharya

মালদা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে পুকুরিয়া থানার অন্তগর্ত গোবরজনা এলাকায় অবস্থিত গোবরজনার প্রাচীন কালী মন্দির। অষ্টাদশ শতকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির বিরুদ্ধে লড়বার সময়ে এক রাতে ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরাণী কালিন্দ্রী নদী দিয়ে নৌকা করে ডাকাতি করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ এক বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে তাঁদের নৌকো আটকায়। অস্থায়ী শিবির করে আস্তানা নেয় ডাকাতদল। সেখানে স্বপ্নাদেশ পান ভবানী পাঠক। স্বপ্নে তাঁকে মা কালী কালিন্দ্রী নদীর ধারে জঙ্গলের মধ্যে পূজো করতে আদেশ দিয়েছিলেন। সেই থেকে শুরু হয়েছিল কালীপুজো, যেটি ভবানী পাঠকের পুজো নামে খ্যাত। শোনা যায়, পরবর্তী বছরগুলিতে কম্পানির বিরুদ্ধে বড় কোনও অপারেশনের আগে ভবানী পাঠক নাকি এখানে পুজো দিয়ে আসতেন। স্বপ্নাদেশ পেয়ে এখানে পুজো দিয়ে এসেছিলেন মজনু শাহও।


আমাদের পাড়া, মানে সিরিটি মুচিপাড়া অঞ্চলের এক ছোট্ট নির্জন কালী মন্দির আছে, যার পুরোহিত গণেশ ভটচাজ এককালে নক্সাল করতেন। পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীয়া থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেন। পাকেচক্রে কালী মন্দিরের পুরুত হয়ে যান। সন্ধেবেলা বিড়ি জ্বালিয়ে দরদভরা কণ্ঠে গান ধরতেন, আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল। মন্দিরের পাশের ঝুপড়িতে থাকতেন। খাওয়া দাওয়া পাশের হোটেলেই। কিন্তু যেটা বলার, গণেশ ভট্চাজের সেই সাধের কালী মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে শিবঠাকুরের ছবির গা ঘেঁসে আরেকটা ছবি ঝুলত। এক রংজ্বলা বিবর্ণ কিন্তু অম্লান হাসির যুবকের ফটো। যুবকের নাম চে গুয়েভারা।


নক্সাল কিংবদন্তী এখানেই শেষ নয়। সিরিটি শ্মশানের পাশে আছে এক বড় ঝিল। টালিগঞ্জ ফাঁড়ি হয়ে মহাবীরতলা থেকে কলাবাগান আসার আগে বাঁদিকে মোষ রাখার বিশাল খাটাল যা বহুদিন পরিত্যক্ত হয়ে আছে। সত্তরের দশকে খাটালে কয়েকটি ছেলে লুকিয়ে ছিল । গোয়ালারা পুলিশে খবর দিয়ে দেয়। খাটাল থেকে বার করে এনে ঝিলের পাশে নিয়ে গিয়ে পুলিশ বলেছিল “যা”। পালাতে শুরু করলেই পেছন থেকে গুলি। ঝিলেই ডুবিয়ে দিয়েছিল বডি। শোনা যায়, সেই ঝিলে নাকি এক লুকনো কালীমুর্তিও আছে যা বিশেষ বিশেষ অমাবস্যার রাতে জলের উপর উঠে আসে। আর বাকি সময়টুকুতে জলের নিচে সেই নক্সাল ছেলেদের লাশ বুক দিয়ে আগলে রাখেন করাল কালী।


অনেক বছর আগে কর্মসূত্রে একবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়েছিল। কাজের শেষে বন্ধু, যে তখন সবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেছে, সে অনুরোধ করল পরের দিন তার গ্রামের বাড়ি ঘুরে যেতে। বাড়িতে ঢোকার সময়ে দেখেছিলাম, পাড়ার ধার ঘেঁসে যে মাজার চলে গেছে, তার পাশের এক তেঁতুলগাছের তলায় বসে স্থানীয় কালিমন্দিরের পুরোহিত আর মাজারের পিরের প্রবল তর্ক (পরিচয় পরে জেনেছিলাম) । বাড়ির মধ্যেও সেই উত্তেজিত চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ ভেসে আসছিল। একটু বাদে কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করাতে বন্ধুর বাবা বললেন "তর্ক বেঁধেছে মা কালী কবিরাজী না কি হাকিমী কোন উপায়ে ভক্তের রোগ সারান ।" মাজারের পির কেন এই নিয়ে মাথা ঘামাবেন সে বিষয়ে ঈষৎ বিস্ময় প্রকাশ করাতে ভদ্রলোক হেসে উত্তর দিলেন "প্রতি পূর্ণিমাতে এই মাজারে অঞ্চলের গরীব মানুষ এসে মোমবাতি জ্বালিয়ে যায়। হিন্দুরাও আসে, কারোর চাকরির জন্যে সুতো বেঁধে যায়, কেউ রোগ নিরাময়ের প্রার্থনা, আবার কারোর সন্তানকামনা। মাজারের পেছনেই কালিমন্দির। যারা মাজারে মাথা ঠোকে, ফেরবার সময়ে কালিমন্দিরেও মানত করে যায়। এবার যাদের রোগ সেরে যায়, তাদের কেউ ভাবে মাজারে মাথা ঠোকার জন্য সেরেছে, আর কেউ ভাবে মা কালীর আশির্বাদে। সেই কারণে কেউ মাজারে নতুন চাদর দেয়, কেউ আবার পুজো দেয় মন্দিরে। কার দাবী যে আসল সেই তর্কের আর মীমাংসা হয় না। পুরোহিতের দাবি মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি কবিরাজি শিখেছেন। আর পিরের দাবী, তাঁর পরদাদা বলে গিয়েছিলেন যে মায়ের মুর্তি বহু বছর আগে এই ডিহি মসজিদপুরের পাশের যে খালবিল জলা, সেখানে ভেসে উঠেছিল। এক হাকিম রাত্রিবেলা শৌচকর্ম করতে গিয়ে মা-কে তুলে আনেন, নিজের কাছে রাখেন, এবং মৃত্যুর আগে মাজারের পাশে মন্দির বানিয়ে মা-কে সেখানে প্রতিষ্ঠা করে যান। সেই কারণে রোগ নিরাময়ের কৃতিত্বটা হেকিমি দাওয়াইয়ের প্রাপ্য"।


সন্ধ্যে হয়ে আসছিল। শাঁখের আওয়াজ ভেসে আসছিল এ বাড়ি ও বাড়ি থেকে। তুলসিতলায় প্রদীপ জ্বালাচ্ছিল বাড়ির একটি বৌ। আশেপাশের জংলী ফুল, গাছ্পালা, মৃদুমন্দ হাওয়া আর ঘেঁটু আকন্দ বুনো লেবুর গন্ধে মাটির রাস্তা ম ম করছিল। ফিরে আসবার সময়ে দেখলাম, কালীমন্দিরের টিমটিমে হলুদ বাল্বের আলোতে বসে বসে পুরোহিতমশাই ঝিমোচ্ছেন, আর ঘসঘসে গলাতে আকাশবাণী চলছে পাশের রেডিও থেকে। পিরসাহেব মাজার ঘিরে মোমবাতি বসাচ্ছিলেন, একটা এসে মন্দিরের সিঁড়িতে জ্বালিয়ে রেখে গেলেন। পুরুতমশায় ফিরে তাকালেন কী না খেয়াল করলাম না, গাড়ির ড্রাইভার বারে বারে যাত্রা শুরুর তাগাদা দিচ্ছিল।



না, আমাদের এখানে আলাদা করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা চেঁচিয়ে বলতে হয় না। এখানে কালী মুর্তির পাশে চে গুয়েভারার ফটো ঝুলিয়ে রাখে নক্সাল পুরুত। এখানে কম্পানির বিরুদ্ধে লড়তে যাবার আগে মজনু শাহ কালিমন্দিরে পুজো দিয়ে আসেন । কবিরাজ আর হাকিমের ভূতের দিনভর ঝগড়ার শেষে মাজারের একটা বাড়তি মোমবাতি অপেক্ষা করে থাকে, মন্দিরের সিঁড়িতে বসবে বলে। এখানে, মানে এই বাংলায়। এই বাংলা মনে রাখে ভবানী পাঠকের কালীর কথা। মুনশী বরকতউল্লার গল্প। দেবী গৃহবাসিনী হয়ে যান কিন্তু ভবানী পাঠক মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন। ভবানী পাঠক মরে যান কিন্তু মা কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে মজনু শাহ উঠে দাঁড়ান। মজনু শাহ ফিরবেন , লড়বেন এবং মরবেন । কিন্তু তাতেই তাঁর অবসান নয়। তাঁর ভূত তবুও দাপিয়ে বেড়াবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অন্দরে অন্দরে। তাঁর আরাধ্যা করাল কালী হৃৎকম্প তুলে দেবে হেস্টিংস কর্নওয়ালিশ আর তাঁদের তল্পিবাহক জগৎচাঁদ শেঠ বিড়লাদের বুকে। এবং ভবানী পাঠক, মজনু শাহ আর গণেশ ভটচাজরা লড়েই যাবেন শেষ অবধি। এমনকি শত্রু যদি উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব মণিপুর দিয়ে ঘিরে ধরে, তার পরেও।



১৯৪২ সালে জার্মান নাট্যকার বেরটল্ট ব্রেশট একটা নাটক লিখেছিলেন, দ্য ভিশন অফ সিমন মাসার। মজনু শাহকে যেরকম কালিমূর্তি স্বপ্নাদেশ দিয়েছিল যুদ্ধে যাবার, নাৎসি পদানত গ্রামের অতি সরল বালিকা সিমোন মাসারকে তেমনই মাঝে মাঝে দেবদূত এসে খোয়াব দেখিয়ে যেত। জোয়ান অফ আর্কের মত। তাকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করত।


সিমোনঃ শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও কি লড়তে হবে?
দেবদূতঃ আজ রাত্রে কি বাতাস বইবে?
সিমোনঃ হ্যাঁ।
দেবদূতঃ আঙিনায় একটা গাছ আছে না?
সিমোনঃ হ্যাঁ, পপলার গাছ।
দেবদূতঃ বাতাসের ঝাপটায় তার পত্রমর্মর শোনা যায়?
সিমোনঃ হ্যাঁ, স্পষ্ট শোনা যায়।
দেবদূতঃ তাহলে শত্রু যুদ্ধ জয় করলেও লড়ে যেতে হবে।



মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4]   এই পাতায় আছে 44 -- 63
Avatar: কল্লোল

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

পিটি। শেষ থেকে আসি।
উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা দামী লুঙ্গী ব্যবহার করতেন। কেন কাছা দিয়ে ধুতি পরতেন না? লক্ষণীয় "উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা" তারা নিজেদের হিন্দুদের থেকে আলাদা করতে চাইতেন তাই। এর মধ্যেও কোন ধর্মীয় বিধান নেই। আর একটি কারন, যেহেতু পশ্চিমা মুসলমানেরা লুঙ্গী ব্যবহার করতেন, আর চিরকালই এদের "সচ্চা" মুসলমান বলে ধরেন বাঙ্গালী উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা তাই এই অনুকরণ। কোন হাদিস বা কোরানে লুঙ্গী পরার কথা বলা নেই।

তুমি লিখেছো - "জ্যোতি বসু, বুদ্ধ ভটচায ইত্যাদি প্রভৃতিরা প্রতিনিয়ত তাদের পোশাকের মাধ্যমে তাদের উচ্চ জাতের কথা মনে করিয়ে দিতেন। সেই হিসেবে তো তারাও কমুনিস্ট হওয়ার যোগ্য নন।"
এটা তো খুবই সত্য। এনারা নিজেদের উচ্চ্জাতের ভদ্রলোক বলেই দাবী করতেন। একমাত্র অশোক মিত্রই গোটাগোটা করে বলেছিলেন তিনি ভদ্রলোক নন, কমিউনিস্ট। তারা কমিউনিস্ট ছিলেন কি ছিলেন না, সেটা যার যার রাজনৈতিক অবস্থান থেকে তার তার বিচার করার কথা। তবে এদেশে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্ব (সবকটি) চিরকালই উচ্চশ্রেণীর ভদ্রলোকেদের হাতে, সে নিয়ে বহু কথা হয়ে গেছে। কিন্তু কাছা দিয়ে ধুতি পরা কোনভাবেই ধর্মীয় বিধান নয়। কোন বেদ বেদান্ত, উপনিষদ, গীতা, মনুস্মৃতি, কোন টিকা-ভাষ্যে হিন্দুত্ব প্রমাণ করার জন্য,কাছা দিয়ে ধুতি পরার কথা বলা নেই। কিন্তু পৈতে নেবার কথা অবশ্যই আছে। ব্রাহ্মণ পুরুষ হলেই পইতে নিতে হবে। নয়তো সে ব্রাহ্মণ নয়। শিখ পুরুষ হলেই পঞ্চ ক ধারণ করতে হবে, নয়তো সে শিখ নয়।মুসলমান পুরুষ হলেই তাকে সুন্নত করতে হবে, নয়তো সে মুসলমান নয়। এগুলো যারা পালন করে ও নিজেদের কমিউনিস্ট বা মার্কসবাদী বলে তারা অবশ্যই ভন্ড।
তখনকার সিপিএমের বাস্তববোধের সাথে পৈতে, পঞ্চ ক, সুন্নত করার কোন সম্পোক্কো নাই। তারা নকশালদের মতো চল চল বিপ্লব কত্তে যাই বলে দিগবিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে দৌড়ায় নি। একথা আমি নতুন কিছু বলছি না। আমি লিখিতভাবে ছাপার অক্ষরে বলেছি - চারুবাবু, সরোজ দত্ত আর সুশীতল রায়চৌধুরী ছাড়া সব নলশাল নেতাদের সাথেই জেলে আলাপ হয়েছিলো। ভাগ্যিস এরা সফল হননি। এরা কেউই, নিজেদের প্রদেশ বা জেলার নেতা হবারও যোগ্য ছিলেন না। ভারতীয় বিপ্লব তো অনেক দূরের বিষয়।
আমার চোখে ঠুলি নেই, তাই সাদা চোখেই এগুলো দেখতে পাই। চোখে ঠুলি থাকলে পঞ্চ ক, পৈতে সুন্নত এগুলো মান্য করা কমিউনিস্ট যে ভন্ড, সেটা দেখতে পাওয়া যায়।
আমার নাকি একটা বিশেষ দলের উপর অন্ধ বিতৃষ্ণা আছে। থাকলে এগুলো লিখতে পারতাম না। থাকলে শাক্যর লেখা ভালো লাগতো না।
Avatar: PT

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

"যেহেতু পশ্চিমা মুসলমানেরা লুঙ্গী ব্যবহার করতেন, আর চিরকালই এদের "সচ্চা" মুসলমান বলে ধরেন বাঙ্গালী উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা তাই এই অনুকরণ।"
পুব আর পশ্চিম বাংলা মিলিয়ে ধর্মের সঙ্গে পোশাক ও আচার এমনই মিশে গিয়েছে যে ব্যবহারিক জীবনে কোনটা করলে সেকুলার থাকা যায় বা যায় না সেটা বোঝা মুশকিল। এই নিয়ে আর তক্ক করার কোন জায়গা নেই কেননা কল্লোলদা নিজেই জানিয়ে দিচ্ছে ধর্ম আর পোশাকের সম্পর্কটা কি করে তৈরি হয়। অন্যত্রও হয়। এই যেমন কল্লোলদা আর আমি দুজনেই হিন্দু বাঙালী পরিবারের সন্তান বলেই "জল" বলি, "পানি" বলিনা।
আমার এক মুস্লিম বন্ধু (বাবা পাকিস্থানের) জানিয়েছিলেন যে মুসলমান পুরুষের নিম্নাঙ্গের পোশাক হাঁটু না ঢাকলে সেটা অমুসলমানি!! আর শাড়িও অমুসলমানি.....কারণটা লিখতে সঙ্কোচ হচ্ছে....কল্লোলদার সঙ্গে দেখা হলে বলবখন।

"এনারা নিজেদের উচ্চ্জাতের ভদ্রলোক বলেই দাবী করতেন।" দাবী করতেন? জ্যোতি ও বুদ্ধদেব? সত্যি?
এর চাইতে মনগড়া মশালাদার কোন বাক্য এমনকি কল্লোদার কাছ থেকেও এর আগে শুনেছি বলে মনে পড়েনা।

"`কিন্তু কাছা দিয়ে ধুতি পরা কোনভাবেই ধর্মীয় বিধান নয়।"
কল্লোলদা বেদ-উপনিষাদ ইত্যাদি সব পড়েই এইসব বলছে। এ ব্যাপারে আমার পান্ডিত্য শুন্যের নীচে। তাই গুগুল জ্যেঠুর শরণাপন্ন হলাম। যেখান থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি সেটার রিলায়েবিলিটিও জানা নেই। কিন্তু বাল্যকালে ধার্মিক মানুষজনের কাছে এইরকমই কিছু একটা শুনেছিলাম বটেঃ
The other is called ‘Pancha Kachcham'( five fold tuck in) , which is prescribed by the Sastras for House holders........
.........The other is called ‘ Pancha Kachcham'( five fold tuck in) , which is prescribed by the Sastras for House holders(Unmarried should not wear in this style)
It indicates that one is married.
Panchakacha is , now a days worn by the Hindus, during functions, both for auspicious and inauspicious)
In fact it should be worn daily.
Panchakacha style wrapping is reported to preserve the electrical/magnetic forces in the Human Body and does not earth it,as the wrapped cloth is fully connected at all ends with no loose ends.
Kaccha means the part of cloth that is tucked to the back, in between the legs. The Pancha Kaccha has five folds of cloth in the kaccha and the nine-yards saree, doesn’t have a fold.

***The kacha style of dressing (where in the saree or the dhoti is worn in the style that ultimately is similar to a pair of pants) has been made compulsory for the married lot because-
#1 To indicate that you are married and you shouldn’t even remotely dream of having a crush on the married guy/girl
#2 To conserve the positive sexual energy that drains out via the moolaadhaara.. Now don’t ask me why, but looks like another subtle energy source gets wasted via the moolaadhara and the Kacha helps conserve all the reproductive energy."
https://ramanan50.wordpress.com/2012/03/13/how-to-wear-a-dhoti-indian-
pancha-kacha-and-regular-style-videos/


অথবাঃ
In some regions, a silk dhoti is tucked at five places on the waist. These five places are the symbols of the five cosmic elements, the Absolute Earth, the Absolute Water, the Absolute Fire, the Absolute Air and the Absolute Ether. The folds of a silk dhoti are tucked at the place of the navel. With tucking of the folds of a dhoti, the five vital energies solidified at the centre of navel region are activated. They are related to the five cosmic elements. The folds tucked at the place of a navel emit the frequencies associated with the Universe and the five cosmic elements in the environment as per the need.
https://ariseohindu.wordpress.com/2010/09/09/why-is-silk-dhoti-and-upa
rana-worn-on-religious-occasions/

(কল্লোদা আবার ধরে নিও না যে এসবে আমার বিশ্বাস আছে!!)

"তখনকার সিপিএমের বাস্তববোধের সাথে পৈতে, পঞ্চ ক, সুন্নত করার কোন সম্পোক্কো নাই।"
একটা দল মানুষের সমর্থনে বাঁচে। তখনকার বিস্তর সিপিএম করা লোক পৈতে গায়ে, পাগড়ি বেঁধে, সুন্নৎ করিয়ে হাজারে, হাজারে, লাখে, লাখে সিপিএমকে সঙ্গ দিয়েছে বলে সিপিএম বেঁচে ছিল আর এখনো ঐ কারণেই অবশিষ্ট আছে। এরা কল্লোলদার মত পন্ডিত নয়। তাই "পঞ্চ ক, পৈতে সুন্নত এগুলো মান্য করা কমিউনিস্ট যে ভন্ড" সেটা তারা মনে করেনা।
Avatar: কল্লোল

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

এরে কয় এঁড়ে তক্কো।
যে লিংক দুটি দিয়েছো তাতে কোন সূত্র নাই। শুধু বলা আছে শাস্ত্রে এমন বলা আছে। কোন শাস্ত্র? তাও বলা নেই। এতো পঞ্জিকার ইং সংস্করণ। শেষে এসব বিজেপি মার্কা লিংকের আশ্রয় নিয়ে হলো??
যাগ্গে ধুতি বা লুঙ্গী পড়ার কলাকৌশল কোন ধর্মের বিধান নয়। কিন্তু পৈতে বা পঞ্চ ক বা সুন্নত ধর্মের বিধান যা না মানলে হিন্দু বা শিখ বা মুসলমান হয় না। সেগুলো যারা মানে আবার নিজেদের মার্ক্সবাদী বলে তারা ভন্ডই।
ধর্মীয় অনুসঙ্গ আর ধর্মীয় বিধান দুটি আলাদা বিষয়। কেউ পানি বলে কেউ জল তাই দিয়ে সে ধর্ম মানে কি মানে না তার বিচার হয় না। কেউ একগ্লাস পানি চাইলে তিনি যেমন মুসলমান ধর্ম মানা মানুষ হয়ে যান না, তেমনি কেউ এক গ্লাস জল চাইলে তিনিও হিন্দু ধর্ম মানা মানুষ হয়ে যান না।
পিটি কি ভাবে জল খেতে চায় জানতে ইচ্ছে হয়।
পিটির মতে "একটা দল মানুষের সমর্থনে বাঁচে। তখনকার বিস্তর সিপিএম করা লোক পৈতে গায়ে, পাগড়ি বেঁধে, সুন্নৎ করিয়ে হাজারে, হাজারে, লাখে, লাখে সিপিএমকে সঙ্গ দিয়েছে বলে সিপিএম বেঁচে ছিল আর এখনো ঐ কারণেই অবশিষ্ট আছে।"
আমি মনে করি উল্টোটা। ঐসব মানুষদের সমর্থন থাকে সুখের সময়, বিপদের দিনে তারাই পাল্টি খায়। আজ যেমন খেয়েছে।
একটা ছোট্ট উদাহরণ। আগে পাড়ায় পাড়ায় গণশক্তি সাঁটা থাকতো, আজ যেমন জাগো বাংলা থাকে। এখন বলবে তিনোরা লাগাতে দেয় না, লাগালে ছিঁড়ে ফেলে। কিন্তু এটা একেবারে অবিমিশ্র সত্য নয়। আমি রোজ সকালে হাঁটতে গিয়ে দেখি লেক গার্ডেন্সের লেভেল ক্রসিং এর কাছে একজন মানুষ রোজ গণ শক্তি লাগান পরম মমতায়। ওনাকে দেখে শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। উনি হয়তো সামান্য একজন কর্মী, ওখানেই চায়ের দোকানে প্রায়ই আড্ডা মারতে দেখি। এই মানুষগুলোই একটা বাম দলকে বাঁচিয়ে রাখেন - ঐ সুখের দিনের টিকি-দাড়ি-পৈতে-সুন্নতওয়ালারা নয়।

Avatar: PT

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

এঁড়ে তক্ক তুমিও চালাচ্ছ কল্লোলদা। শাস্ত্রে লেখা নেই এটাও তুমি কোন সূত্র থেকে বলছ সেটা জানাও নি।
আমি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে পুজো-পাঠের সঙ্গে কাছা ইত্যাদির বিস্তর ও নিবিড় সম্পর্ক আছে।

"ধর্মীয় অনুসঙ্গ আর ধর্মীয় বিধান দুটি আলাদা বিষয়।"
যাক কল্লোলদার খুঁটি নড়েছে। ঈশ্বরবাবু কাউকে কি করে ডেকে বলেন যে তাঁর অনুগামীরা পাগড়ি বাঁধবে না ল্যাঙট জড়িয়ে থাকবে? সুন্নতের শুরু কি ইসলামের হাত ধরে নাকি যেখানে ইসলামের শুরু সেখানে ঐ সামাজিক প্রথা বহু আগে থেকেই চালু ছিল?

"লেভেল ক্রসিং এর কাছে একজন মানুষ রোজ গণশক্তি লাগান পরম মমতায়। ওনাকে দেখে শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। উনি হয়তো সামান্য একজন কর্মী, ওখানেই চায়ের দোকানে প্রায়ই আড্ডা মারতে দেখি।"
ওঁকে জিগিয়ে দেখোঃ
দুগ্গোপুজোয় সন্তানের জন্যে নতুন জামা কেনেন কিনা......
ব্রাহ্মণ হলে ছেলের পৈতে দিয়েছেন কিনা.........
শাস্ত্রাচার মেনে জাত মিলিয়ে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন কিনা......
মহরমে অংশ নেন কিনা.....
ছেলের সুন্নৎ করিয়েছেন কিনা.....
বেশীর ভাগ উত্তরেই তিনি "হ্যাঁ" বলবেন বোধহয়। তারপরে তাঁকে ভণ্ড বলে এস, কেমন?

আমার কাজের দিদি, যে কিনা সততই "সিপিএমে ছাড়া কাউরে ভোট দিবনি" বলে, আজকে নীলের উপোস করে শিবের মাথায় জল ঢেলে এসেছে। তাকে আজ বিকেলে আমি জানাব যে সে একজন "ভ্ন্ড"!!
Avatar: কল্লোল

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

পিটি। সুন্নতের শুরু ইসলামে নয়। ইহুদীরাও সুন্নত করায়। কিন্তু ইসলামে ও ইহুদী ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী সুন্নত না করালে সেই পুরুষ ইহুদী বা মুসলমান বলে মান্য হবেন না। ঠিক যেমন হিন্দু ব্রাহ্মণ পুরুষের পৈতে না হলে সে হিন্দু ব্রাহ্মণ বলে মান্য হয় না। তেমনই পঞ্চ ক ধারন না করলে সে শিখ হিসাবে মান্য হয় না।
হিন্দু ধর্মের শাস্ত্রে ধুতু পরা নিয়ে বিধান নাই। থাকলে দক্ষিন ভারতীয় হিন্দুরাও ওভাবেই ধুতি পরতো। কিন্তু উপনয়ন সারা ভারতের হিন্দু ব্রাহ্মণদেরই হয়। কোন ব্যাতয় নাই।
জল-পানি, কাছা দিয়ে বা কাছা ছাড়া এগুলো ধর্মীয় বিধান নয়, বড়জোর অনুসঙ্গ, তাও অনেকক্ষেত্রে আঞ্চলিক আচারও বটে।
তাই পৈতে-পঞ্চ ক-সুন্নত মানলে সে মার্কসবাদী হয় না। সেটা দাবী করলে সে ভন্ড।
সিপিএমকে ভোট দিলে সে মার্কসবাদী হয়ে যায় - এরকম যুক্তি সিপিএমদের কাছেই আশা করা যায়।
আমার এই ক্ষুদ্র জীবনে বহু বহু মার্কসবাদী দেখেছি নানা রংএর। তাদের অনেকেই কোন ধর্মীয় আচার মানেন না। ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে-শ্রাদ্ধ-অন্নপ্রাশন কোনটাই করেন নি। একজনকে ভালোভাবে জানি। তার নাম বিকাশ ভট্টাচার্য। আবার অনেকে মানেন। নিজের বিয়ে করেছেন আচার না মেনে। মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন আচার মেনে। সেক্ষেত্রে মেয়ের ইচ্ছের ব্যাপার ছিলো। নিজে সেই বিয়েতে কোন ধর্মীয় আচারের সাথে থাকেন নি।
কিন্তু যারা নিজেদের মার্কসবাদী বলেন ও ধর্মীয় বিধান পালন করেন, তারা ভন্ডই।

Avatar: PT

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

"হিন্দু ধর্মের শাস্ত্রে ধুতু পরা নিয়ে বিধান নাই। "
আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে এই ব্যাপারে তুমি কিস্যু জাননা।

"জল-পানি, কাছা দিয়ে বা কাছা ছাড়া এগুলো ধর্মীয় বিধান নয়, বড়জোর অনুসঙ্গ, তাও অনেকক্ষেত্রে আঞ্চলিক আচারও বটে।"
এট মেনে নিলে কোন তক্কও থাকে না আর। ঐজন্যেই সেকুলর পাগড়ি ও কাছা সম্ভ্বব।

"মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন আচার মেনে। সেক্ষেত্রে মেয়ের ইচ্ছের ব্যাপার ছিলো। নিজে সেই বিয়েতে কোন ধর্মীয় আচারের সাথে থাকেন নি।"
এটা আরেকজনের চোখে ভ্ণ্ডামি লাগতে পারে!!

According to the CDC, roughly 80% of American men are circumcised.
একজন মুসলমান কমরেড সন্তানের সুন্নৎ করিয়ে দাবী করতেই পারেন যে সিটি সেকুলার সুন্নৎ।

তোমাকে কোনদিন এইধরণের এঁড়ে ও ভুলভাল তক্ক করতে দেখিনি এর আগে।
Avatar: সিকি

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

অসম্ভব বিরক্তিকর।

শোনেন, শিখ হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চ ক ধারণ না করলেও চলে। এমনকি পঞ্চ ক ধারণ করা শিখের ছানাও ওগুলো ধারণ না করতে পারে, এবং তার পরেও শিখ থাকে।

ন্যান, আবার টুইডল ডি টুইডল ডাম শুরু করেন।
Avatar: সিকি

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

ওটা ব্যাপটিজম যার মাধ্যমে একজন শিখ , সর্দার হয়। যেমন বামুনের বাচ্চাও পৈতে না হলেও বামুনই থাকে। পৈতে হলে দ্বিজ হয়।
Avatar: PT

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

এই যুক্তিতে কেউ কিছু না করলেও, হিঁদুর ব্যাটা হিঁদু ও মোছোলমানের ব্যাটা মোছলমান থাকে। সেকুলারিসমে বিশ্বাস কিংবা ধর্মে অবিশ্বাস একটি ব্যক্তিগত অবস্থান মাত্র। দুগ্গোপূজোতে নতুন জামা পরে দুগ্গাঠাকুর দেখে বেড়ালেই কেউ ধর্মবিশ্বাসী হয়ে যায় না।
Avatar: dc

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

আর দুর্গাপুজোতে স্টল খুলে মার্ক্সবাদী সাহিত্য বিক্রি করেও বামপন্থায় অবিচল থাকা যায়।
Avatar: কল্লোল

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

পঞ্চ ক ও পৈতে থেকে বিষয়টা পাগড়ী ও কাছায় এসে ঠেকেছে। কাছা ও পাগড়ী কোন ধার্মের বিধান নয়। এমনকি শিখেদের পাগড়ী পঞ্চ ক এর মধ্যে পড়ে না।
কাছা দিয়ে ধুতি পড়া কোন শাস্ত্রে আছে জানালে আলোকিত হতাম। শুধুই শাস্ত্রে আছে বল্লে ব্যাপারটা ঠগবাজ জ্যোতিষিদের মতো হয়ে যায়।

Avatar: T

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

এই পরস্পরের কাছা নিয়ে টানাটানি করে যান আপনারা। ওদিকে শত্রুরা মহানন্দে ম্যাচ জিতছে।
Avatar: কাঁথি

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

কিন্তু সেদিন যে শুনলাম বামেরা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে,পার্টি অফিস গুলো আগেরমতো কলরবমুখর !
Avatar: dc

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

অ্যাই ওপরের পোস্টটা কিন্তু আমি করিনি :d
Avatar: T

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

যা দেখেছি, তার ভিত্তিতেই বলেছি। কানগুলো আরো খাড়া করে শুনতে থাকুন।
Avatar: :-)

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

বিভিন্ন ফেবুগ্রুপে সাবস্ক্রাইব করলেই নানা ছোটখাট নির্বাচনে বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর খবর পাবেন। ছোটছোট সোসাইটির মিটিং, তবে ঘুরছে। এখানে সে সব খবর দেবার মানে হয়না তাই দিইনা।
Avatar: :-))

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

আশায় বাঁচে ...
Avatar: Atoz

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

একেবারে যাকে বলে কাছাখোলা চাঁছাছোলা অবস্থা। ঃ-)
Avatar: শাক্যজিৎ

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

হ্যাঁ কল্লোলদা, ইমান ও নিশান poRechhi। আমি এমনিতেও গৌতম ভদ্র-র ফ্যান
Avatar: কল্লোল

Re: শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

নিম্নবর্গএর ইতিহাস জোগাড় করে নে। দারুন সব লেখা আছে।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4]   এই পাতায় আছে 44 -- 63


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন