Kaushik Ghosh RSS feed

Kaushik Ghoshএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বেতারে ‘অপারেশন সার্চলাইট'
    #MyStory #WarCrime #Joy71 #FFবিপ্লব রহমান, ঢাকা: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কারফিউ জারি করে বিদ্রোহ দমন করার নামে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, এর সামরিক অভিধা ছিল— ‘অপারেশন সার্চলাইট’। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে মুক্তিকামী ...
  • জ্যামিতি: পর্ব ২
    http://bigyan.org.in...
  • আমি যারে ভালবাসি, তারে আবার বাসি না...
    আটের দশকে এসএসসি পরীক্ষার পর আমার স্কুলের বন্ধুরা কেউ স্পোকেন ইংলিশ, কেউ বেসিক ইংলিশ, কেউ বা শর্টহ্যান্ড-টাইপরাইট...
  • চড়াই ঠাকুমা
    আজকে তো বিশ্ব চড়াই দিবস। এই প্রসঙ্গে আমার ছোট বেলার চেনা চড়াইদের কথা মনে পড়ছে। অসমে তখন ব্রিটিশ আমলের বাংলো বাড়ী নেই নেই করে ও ছিলো। ঠান্ডা গরমে সমান আরামের হতো বলে সেগুলোর এবং অন্য অনেক বাড়ীর চাল হতো সোনালী খড়ের, আঞ্চলিক ভাষায় আমরা বলতাম ছনের চাল। এরকম ...
  • মানবজনম
    পঁচিশ লক্ষ বছর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকা, দিনালেদি নদীর উপত্যকামাহর প্রসবকাল আসন্ন, তাই তাকে আর খাদ্যসংগ্রহে যেতে হয়না। গোষ্ঠীবদ্ধ জীব হওয়ার এই একটা বড় সুবিধা, তার ওপর আবার মাহ দলপতির সঙ্গিনী, তাই আগত শিশু এবং শিশুর মায়ের খাদ্যাভাব হয়না। একটা পাথরের ছায়ায় ...
  • বিজেপি আর এস এস : হিন্দুত্বের রাজনীতি হিন্দুত্বের নেটওয়ার্ক
    হিন্দু মহাসভা আর এস এস জনসঙ্ঘ বিজেপি - হিন্দুত্ববাদ ও তার ইতিহাস------------৩ অক্টোবর ২০১৪, বিজয়া দশমীর দিনটাতে একটা বিশেষ ঘটনা ঘটল। সেদিন বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দূরদর্শনের মতো সরকারী প্রচারমাধ্যমে ‘জাতির উদ্দেশে’ ...
  • তাজপুরের এলিয়েন
    এক ফেসবুক বন্ধু সদ্য তাজপুর গিয়ে এক অদ্ভুতদর্শন প্রাণী দেখেছিল, তারই কথায় এই লেখার অবতারনা।ছোটবেলায় ভ্যাকসিন নিয়েছেন তো? জানেন কি তার সাথে পঁয়তাল্লিশ কোটি বছরের ইতিহাস লুকিয়ে আছে। অবাক হচ্ছেন? অবাক হবেন না। চলুন আগে একটু তাজপুর ঘুরে আসি।একটু এলিট বাঙালী ...
  • গান-ভাষী
    গান-ভাষীঝুমা সমাদ্দারকানের পেছনে এক ঝলক ঠান্ডা ঠান্ডা মিষ্টি গন্ধের হাওয়ার ঝাপটা । হাল্কা …. শুকনো… মিহি ধুলো ওড়ানো । 'লছমনন্ ঝুউলা’... 'লছমনন্ ঝুউলা’... বলে গেল হাওয়াটা , তিন্নির কানে কানে, ফিস ফিস করে । কেমন সুন্দর নাম ! উচ্চারণ করলেই যেন বাজনা বাজে ! ...
  • কালিকাপ্রসাদ বেঁচে থাকবেন
    কালিকাপ্রসাদের প্রয়াণের পর প্রায় সপ্তাহ ঘুরে গেল, এখনও ঘটনার শক কাটছে না। এরকম নয় যে আমি তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনতাম, কিন্তু শিল্পী, বিশেষতঃ একজন সঙ্গীত শিল্পী, যাঁর কন্ঠ আমাদের জীবনের বিভিন্ন ওঠাপড়ার মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তাঁর চলে যাওয়ায় ...
  • অ্যাটম গল্প
    অ্যাটম গল্প ১ ********************...

কনভোকেশন

Kaushik Ghosh

অধ্যাপক

সকাল থেকে চলছে বটে! তবে শুধু সকাল থেকেই বা বলি কেন - গত এক সপ্তাহ ধরে যা চলছে! আজ কনভোকেশন| বেলা তিনটেতে শুরু‚ কিন্তু তার আগে ঊনকোটি চৌষট্টি কাজ রয়েছে| এডুকেশন মিনিস্টার আসছেন চিফ গেস্ট হয়ে| রাজ্যপাল তো রয়েইছেন| দুজনের সাথেই থাকবে গোটা পাঁচেক লেজুড়| আর এই সকলকে অভ্যর্থনার দায়িত্ব এই রামুর| এটা একটা চাকরি! শালা‚ এসেছিলাম ছাত্র পড়াতে আর করছিটা কি? লোকে শুনলে থুতু দেবে| দেয়ও| কিন্তু কিছু করার নেই| পনের বছর হতে চলল; এখন অন্য কোনো চাকরিও কেউ দেবে না|
সারা বছর ধরে লেগেই রয়েছে এই সব ফালতু কাজ| পড়াশুনা সব চুলোয় গেছে| পেটের দায়ে বড় দায়| কিছু করার নেই|

একটু আগেই কথা হল রাজ্যপালের ও এস অডি'র সাথে| এখনো এক ঘন্টা লাগবে আসতে| যাই‚ গেটের বাইরে গিয়ে একটা সিগারেট খেয়ে আসি|

-আরে দাদা‚ কহাঁ চলে ?
নিউক্লিয়ারের হিতেশ|

-চল‚ তুঝে সিগ্রেট পিলাকে লাঁউ|
-চলিয়ে|

রাজ্যপালের ঝামেলাটা একরকম মিটলো‚ এবার একবার শিক্ষামন্ত্রীর লেজুরটিকে ফোন লাগিয়ে দেখি|

শিক্ষামন্ত্রী! "হিরক রাজার দেশে"র ডিভিডি টা আছে বাড়িতে‚ যাওয়ার সময় ম্যাডামকে গিফট করে দিই| রগড় হবে!

- হাঁ সন্তোষ জী‚ ঘোষ বোল রহা থা লক্ষ্মণগড় সে| কঁহা তক পঁহুচে আপ লোগ?

- "......."

-কোই নহি জী‚ আরাম সে আইয়ে| ম্যাডাম কো মেরে তরফ সে প্রণাম বোলিয়েগা|


শালা..... এখনো জয়পুরেই রয়েছে! কি করে শুরু হবে অনুষ্ঠান তিনটের সময়? কি যে দরকার এই সব নেতা-মন্ত্রীদের ডাকার‚ কে জানে! মূর্খের দল‚ তারা আবার অন্যকে ডিগ্রী দেবে!
এবার ডীন কে দিই এই সুখবরটা!




দেবদূতী

একবার পার্লারে যেতে হবে| বেশি কিছু না‚ হাল্কা টাচ আপ| উগ্র সাজ আমার কোনো দিনই ভালো লাগে না, আর তাছাড়া এটা কনভোকেশন - পার্টি নয়| গতকাল রাতে এসে পৌঁছেছি| বন্ধুরা আরো একদিন আগেই এসে গেছিলো| আমারো সেই দিনই আসার কথা ছিলো‚ কিন্তু অফিসে লাস্ট মোমেন্ট একটা কাজ এসে গেল| টিকিট ক্যান্সেল করাতে হলো শেষ মুহূর্তে |

বম্বে শহরটা বেশ! ভীষণ প্রাণবন্ত| সারাটা দিন যেন লোকে ছুটছে| অনেকের হয়ত সেটা ভালো লাগে না‚ আমার কিন্তু দারুণ লাগে! সারা সপ্তাহ কাজ করার পর উইক এন্ডে সী বিচে চলে এসো| ওই হট্টমেলার মাঝে একটা ভেলপুরি নিয়ে একা একা চুপ চাপ সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে বেশ লাগে| কি করে যে সময় কেটে যায় বোঝাই যায় না!

সত্যি‚ ভাবতেই অবাক লাগে! এই সেদিন বন্ধুদের সাথে রাত জেগে সেমিস্টারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম‚ স্যারের কাছে প্রজেক্ট‚ পেপার‚ কন্ফারেন্স - আর আজকে বম্বে| যোধপুর থেকে এই লক্ষ্মণগড় - কতই বা দূরত্ব! কিন্তু জন্মে থেকে ক্লাস টুয়েলভ অবধি যোধপুরের জীবনটা ছিলো একরকম - নি:শ্চিন্ত‚ ভাবনাহীন | তারপর চার বছর এখানকার জীবনটা আরেক রকম| দায়িত্ব আছে‚ কিন্তু স্বাধীনতা ও আছে| আর বম্বে তে থাকতে থাকতে তো সত্যি মনে হয় যেন বড় হয়ে গেছি! অফিসের প্রজেক্টের চাপ নিজেকে একাই সামলাতে হয়| ফাইন্যাল ইয়ারের প্রজেক্ট নয় যে স্যরের সাহায্য পাওয়া যাবে| রান্নাবান্না অবশ্য করতে হয়না‚ পেয়িঙ গেস্ট থাকার এই সুবিধে| রোজ পোয়াই থেকে মালাড ওয়েস্ট যাতায়াত| বারো কিলোমিটার রাস্তা যেতে সময় লাগে এক ঘন্টা| মারাত্মক ট্র্যাফিক!

কিন্তু তবু যেন ভালো লাগে জীবনটা| এই যে বাড়ির থেকে একা একা এত বড় শহরে থেকে লড়াই করছি রোজ - এটা খুব উপভোগ করি! মাথার ওপর ছাতা ধরার কেউ নেই‚ পাপা‚ স্যর- কেউ না - এটা ভাবলে ভীষণ গর্ব হয়!

তবে সত্যিই যেটা মিস করি‚ তা হলো এই ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসটাকে| কত কিছুর সাক্ষী এই ক্যাম্পাস| গতকাল রাতে এসেছি| রেজিস্ট্রেশন কমিটি থেকে টুয়েলফথ স্ট্রীটের এই নতুন হস্টেলটায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে| আমি যে হস্টেলটায় থাকতাম‚ সেটায় এখন জুনিয়ররা থাকে| দেখতে গেছিলাম কালকেই| অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো| একই ঘর‚ কিন্তু অন্য মানুষ থাকার কারনে নিজেরই খুব অচেনা ঠেকছিলো| মনেই হচ্ছিলোনা যে এই ঘরেই আমি গত চারটে বছর কাটিয়েছি| মায়ের কথা মনে হচ্ছিলো| মা বলে‚ সজাওয়াট সে কমরা বদলতা হ্যায়; বদল যাতা হ্যায়|
খুব সত্যি কথা|

গতকাল রাতে সবাই মিলে ক্যাম্পাসের রাস্তায় হেঁটে বেড়াচ্ছিলাম| স্টুডেন্ট থাকার সময় রাত নটা বাজলেই দৌড়তে দৌড়তে ঢুকতে হতো হস্টেলে| এখন সে সব বাধা নিষেধ নেই! ভাবতেই অবাক লাগছিলো| ক্যাম্পাসের রাস্তার ধারের বেঞ্চ গুলোতে বসে গল্প করতে করতে হারিয়ে যাচ্ছিলাম পুরোনো দিন গুলোতে| যারা অফিস থেকে ছুটি পায়নি‚ আসতে পারেনি কনভোকেশনে‚ তাদের জন্য চলছিলো হা-হুতাশ| কখনো বা এমনিই চুপচাপ বসে ছিলাম - স্ট্রীট লাইটের আলো গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে এসে পড়ছিলো আমাদের মুখে|

পুরোনো দিন! মাত্র তো আট মাস আগে ছেড়ে গেছি যায়গাটাকে‚ কিন্তু তবু মনে হচ্ছে পুরোনো দিন| এই তো সেদিনের কথা সব‚ কিন্তু তবু যেন অনেক দূরের‚ ধরা ছোঁয়ার বাইরের|

এসে থেকে স্যরকে একবারো ফোন করা হয়নি| ইচ্ছে করেই করিনি| আজ একেবারে কনভোকেশন গাউনটা পরেই দেখা করবো স্যরের সাথে| হি ইজ আ গ্রেট মোটিভেটর| ফাইন্যাল ইয়ারের প্রজেক্টটার ওপরে লেখা পেপারটা একসেপ্ট হয়ে গেছে একটা SCI জার্নালে| আমার কোনো ক্লাসমেটের এই এচিভমেন্ট নেই - বিটেক লেভেলে সায়েন্স সাইটেশন ইনডেক্সড পাব্লিকেশন| এ সবই স্যরের জন্য| তবে তার জন্য প্রচুর মেহনৎ করতে হয়েছে| ওহ‚ কি খাটনিটাই না খাটিয়েছিলেন স্যর শেষ এক বছর! এখনো একটা জয়েন্ট কাজ করছি স্যরের সাথে| এই কাজটা করতে করতে মনে মনে ফিরে আসা যায় এই কলেজে| পোয়াইতে নিজের ঘরটাতে বসে রাতের বেলায় যখন এই কাজটার জন্য কোড লিখি‚ তখন আমি যেন নিজের মনেই চলে আসি এই লক্ষ্মনগড়ে|
আট মাস পরে আজ স্যরের সাথে দেখা হবে|

কি বলবেন স্যর দেখা হলে?




অধ্যাপক ও দেবদূতী

বাঁচা গেছে! আপদ গুলো ক্যাম্পাস থেকে বিদেয় হয়েছে| ডিগ্রী দেওয়ার পালা শেষ হওয়ার আগেই মশাইরা কেটেছেন| অন্য কোথাও অন্য কারুর মাথা খেতে গেলো বোধহয়! এখন ভিসির ভাষণ |

অডিটোরিয়ামের বাইরেটায় এসে ভালো লাগছে| ওহ‚ একটা ঢপের কাজ শেষ হলো! আরে বাবা‚ ডিগ্রী পাবে স্টুডেন্টরা - সেখানে এই গাধা গুলোকে ডাকার কোনো মানে হয়! এদের চক্করে সকাল থেকে পুরোনো ছাত্রদের সাথে দেখাই করা হলো না! এখনো সবাই ভেতরে| ভিসির জ্ঞানগর্ভ ভাষণ শুনে বোর হচ্ছে বোধহয়! ক্যাফেটেরিয়া গিয়ে একটা কফি খেয়ে আসি|

ভারি সুন্দর বানিয়েছে নতুন এই ক্যাফেটেরিয়াটা| হাল্কা করে কেনি জি চালিয়েছে| বোসের স্পীকার গুলোতে খেলছে ভালো মিউজিকটা| এবার একটু কড়া কফি খেলে মাথাটা ছাড়বে| কটা দিন যা গেলো!

ব্যাটারা তিনটের প্রোগ্র্যাম সাড়ে তিনটেয় শুরু করলো| তারপর হ্যানা ত্যানা করতে করতে পুরো প্রোগ্র্যামের সাইকেলটাই লেট চলতে লাগলো| ছ'টা বেজে গেলো| শীতের দিন| বাইরে অন্ধকার নেমে গেছে| ক্যাফেটেরিয়ার তিন দিকের দেওয়াল কাঁচের| আলো গুলো সব জ্বেলে দিয়েছে| এতক্ষণে বোধহয় সব মিটে গেছে| কার আবার ফোন এলো?

-আরে‚ তুম! কঁহা হো?
- আপ কঁহা হো স্যর?
-ইন নিউ ক্যাফে
- আইল বি দেয়ার ইন নো টাইম! প্লীজ ওয়েট ফর মি!

সকাল থেকে মেয়েটাকে ফোনই করা হয়নি| যা যাচ্ছিলো! খুব ভালো কাজ করেছিলো প্রজেক্টে! তার পরেও একটা কাজ দিয়েছিলাম‚ অফিস সামলে সে কাজও করছে| নাহ‚ টেনাসিটি আছে মেয়েটার| কটা দিন চাকরি করে নিয়ে GREতে বসবে ঠিক করেছে| শী হ্যাজ রিসার্চ মেটিরিয়াল ইন হার| ওর হবে|

এই ক'বছরে খুব ভালো একটা বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে ওর সাথে| বোঝাপড়া ঠিক না হলে এক সাথে কাজ করা যায় না|

-হ্যালো স্যার!
-হো! ইউ লোক গ্রেট ইন দিস রোব|
- থ্যাঙ্কস স্যর!
- কনগ্রাটাস!

স্যারের হাতের তালুটা গরম|

-হোয়্যার হ্যাড ইউ বিন সিন্স মর্নিঙ? আই ওয়জ লুকিঙ ফর ইউ|
- আই থট অফ মিটিঙ ইউ উইথ দিস রোব অন|
-দ্যাটস গ্রেট! বাট গেট মি টু মোর রোবস|
- আই উড স্যার! ডেফিনিটলি!
-গুড! বতাও কিয়া লোগে|
- যো আপ কহেঁ স্যর!
-অরে‚ ইটস ইওর ডে! বতাও‚ বতাও!
- আ স্ট্রবেরি শেক উড বি ওকে|

স্যার একটা ক্রীম কালারের স্যুট পড়েছেন| ভেতরের চেকস আর পার্পল টাই| গায়ের রঙটা পুড়ে গেছে খানিকটা| কাউন্টারের লোকটার সাথে কি এত কথা বলছেন স্যর? এতক্ষণ লাগে অর্ডার দিতে!

-অওর বতাও| কাটিঙ অওর বড়া পাও মাস্ট বি ইওর স্টেপল ফুড বাই নাও?
-নাআআহ! উওহ ভি কোই খানে লায়েক চিজ হুই! হাউ আর ইউ স্যার?
- একদম বড়িয়া! তুম সুনাও| মন লগ গয়া না বম্বে মে?
- জী নহি|
-ফিলিঙ হোম সিক?
-নট রিয়েলি..
- দেন?
-কুছ নহি| আই যাস্ট মিস দিস প্লেস|
- ইউ নো সামথিঙ‚ পিপল রিয়েলি ডোন্ট মিস দ্য প্লেস| দে মাইট থিঙ্ক দ্যাট ওয়ে‚ বাট দে ডোন্ট|
-ফির?
-দে মিস দ্য পিপল| হোয়ট ইউ আর মিসিঙ ইন বোম্বে আর দ্য পিপল হিয়ার ইন লক্ষ্মণগড়|


দ্যাটস হোয়াই হি ইজ আ গুড টিচার! হি নোজ ইট অল! বন্ধুদের চলে যেতে বলেছি হস্টেলে| আজ রাতের বাসেই যোধপুর ফিরবো| তার আগে স্যারের সাথে একবার কথা বলে যেতে চেয়েছিলাম| হি ইজ সাচ আ গুড কমিউনিকেটর! সামনের মানুষটার মন না বুঝলে ভালো কমিউনিকেটর হওয়া যায়না|

স্যর সোজা আমার দিকেই তাকিয়ে আছেন| গোঁফের ফাক দিয়ে দেখা যাচ্ছে ওঁনার ট্রেড মার্ক স্মিত হাসি| চোখ দুটো চশমার পেছনে ভীষন শান্ত|

- ডু ইউ নো সামথিঙ?
-কিয়া স্যর?
- লাইফ ইজ বিউটিফুল এন্ড ইউ নীড টু মুভ অন|
- জী স্যর|
- হমে ভী অব চলনা চাহিয়ে| খুশ রেহনা|




অধ্যাপক

রাতের দিকে ব্যালকণিতে বসে থাকতে খুব ভালো লাগে| এই ছোট জনপদটা ঘুমিয়ে পরে তাড়াতাড়ি| শীতের দিন‚ তাই আরো শান্ত চারিদিক| একটা রাতচরা পাখি ডাকতে ডাকতে উড়ে গেল|

হীম পড়ছে| মাথাটা মুড়ে নিলে হত| থাকগে! একটা সিগারেট ধরাই| কাজ কম্ম সব মিটলো একরকম| বেশ রিল্যাক্সড লাগছে|

হাত ঘড়িটা বলছে প্রায় এগারোটা বাজে| এতক্ষণে মেয়েটা বাসে উঠে গেছে নিশ্চয়ই|

হ্যাভ আ সেফ জার্নি|



আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন