Muradul islam RSS feed

www.muradulislam.me

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মন ভালো নেই
    ভালোবাসায় আদর আসে,সোহাগ আসে,মন ভেঙে যাওয়া আসে, যন্ত্রণা আসে, বিরহ জেগে থাকে মধুরাতে, অপেক্ষা আসে, যা কখনো আসেনা, তার নাম 'জেহাদ'। ভালোবাসায় কোনো 'জেহাদ' নেই। ধর্ম নেই অধর্ম নেই। প্রতিশোধ নেই। এই মধ্যবয়সে এসে আজ রাতে আমার সেই হারিয়ে যাওয়া বাংলা কে মনে ...
  • ৯০তম অস্কার মনোনয়ন
    অনেকেই খুব বেশি চমকে গেলেও আমার কাছে খুব একটা চমকে যাওয়ার মত মনে হয়নি এবারের অস্কার মনোনয়ন। খুব প্রত্যাশিত কিছু ছবিই মনোনয়ন পেয়েছে। তবে কিছু ছবি ছিল যারা মনোনয়ন পেতে পারত কোন সন্দেহে ছাড়াই। কিন্তু যারা পাইছে তারা যে যোগ্য হিসেবেই পেয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা ...
  • খেজুরবটের আত্মীয়তা
    খুব শান্তি পাই, যখন দেখি কালচারগুলো মিলে যাচ্ছে।বিধর্মী ছেলের হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছো শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। দুটি হাত ছোঁয়া সংবেদী বিন্দুতে ঘটে যাচ্ছে বনমহোৎসব। দুটি ভিন্ন ধর্মের গাছ ভালোবাসার অক্সিজেন ছড়িয়ে দিচ্ছে। যেন খেজুর বটের অপার ...
  • ম্যাসাজ - ২
    কবি অনেকদিন হতেই “জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা” বলে আশ্বাস দিয়ে এলেও ছোটবেলায় হালকা ডাউট ছিল কবি কোন ধনের কথা বলেছেন এবং ফেলা অর্থে কোথায় ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন? ধন যে ফ্যালনা জিনিস নয়, সেটা আবার নিমোর ছেলেদের থেকে ভালো কে বুঝত! কিন্তু সেই নিয়ে কাব্যি ...
  • মম দুঃখ বেদন....
    সেদিন, অঝোর ধারে কাঁদতে কাঁদতে বাবার চেয়ারের হাতল ধরে মেঝেতে বসে পড়েছি। দৃশ্যত শান্ত বাবা, খানিকক্ষণ কাঁদার সুযোগ দিলেন। এ দুটি বাক্যে ভেবে নেবার কোনো কারণই নেই, বাবা আর আমার সম্পর্ক অতি সুমধুর ও বোঝাপড়ার। বরং তার অব্যবহিত কয়েক মাস আগে পর্যন্তও উত্তপ্ত ...
  • হিন্দু স্কুলের জন্মদিনে
    হিন্দু স্কুলের জন্মদিনেআমাদের স্কুলের খেলার মাঠ ছিল না। থাকার মধ্যে ছিল একটা উঠোন, একটা লাল বেদী আর একটা দেবদারু গাছ। ওই লাল বেদীটায় দাঁড়িয়ে হেডস্যার রেজাল্ট বলতেন। ওই উঠোনটায় আমরা হুটোপাটি আর প্রেয়ার করতাম। আমাদের ইস্কুলের প্রেয়ার ছিল জনগনমন। তখনো ...
  • জার্মানী ডাইরী-১
    পরবাস পর্ব:অদ্ভুত একটা দেশে এসে পড়েছি! এদেশের আকাশ সবসময় মেঘাচ্ছন্ন.. সূর্য ওঠেই না বললে চলে! হয় বৃষ্টি নয়তো বরফ!!বর্ষাকাল আমার খুবই প্রিয়.. আমি তো বর্ষার মেয়ে, তাই বৃষ্টির সাথে আমার খুব আপন সম্পর্ক। কিন্তু এদেশের বৃষ্টিটাও বাজে! এরা অতি সন্তর্পণে ঝরবে! ...
  • মাতৃরূপেণ
    আমার বাবাকে জীবনকালে , আমার জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে, থানায় যেতে হয়েছিলো একবারই। কোনো অপরাধ করায় পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো তা নয়, নিছক স্নেহের আকুল টান বাবাকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলো 'মামা'দের মাঝে। 2007 সাল। তখন এপ্রিল মাস। 14ই মার্চ ঘর ছেড়ে মাসতুতো বোনের বাড়ী চলে ...
  • খাগায় নমঃ
    মাঘ এলেই মনে পড়ে শ্রীপঞ্চমীর বিকেলে অপু বাবার সাথে নীলকন্ঠ পাখি দেখতে বেরিয়েছিল।নিজে ও রোজকার রুটিন বদলে ফেলতাম পুজোর দিনপনেরো আগে। স্কুল থেকে রোজ বিকেলে বাড়ি ফিরে খুঁটিয়ে দেখতাম উঠোনের আমগাছটায় মুকুল এলো কিনা, আর গাঁদার চারায় কতগুলো কুঁড়ি এলো, তারপর ...
  • হেলেন
    এমন হয়, প্রায়শই হয়। কথাবার্তায় উঠে আসে কোনও কোনও নাম। আমাদের লেখকের ক্ষেত্রেও তাই হলো। লেখক ও তার বন্ধু হাসানুজ্জামান ইনু সেইদিন রাত আটটা ন’টার দিকে জিন্দাবাজারে হাঁটছিলেন। তারা বাদাম খাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে রিকাবিবাজার যাবেন, ও সেখানে গুড়ের চা খাবেন।তখন ...

গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

নগরকাকের গল্প

Muradul islam

নগরকাকের গল্প


শামসোজ্জোহা বাসায় এসেই খবর পেয়েছে তার স্ত্রী ও কন্যা একসাথে কাক হয়ে উড়ে গেছে। এটি কোন ভালো খবর না। খারাপ খবর। খারাপ খবরে শামসোজ্জোহার মন খারাপ হল। সে একহাতে জ্বলন্ত সিগারেট রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগল কী করা যায়।

দূরে শাহজালাল(র) এর দরগার মসজিদের উচু মিনারে নিচের রাস্তার দিকে তাকিয়ে বসেছিল এক নগরকাক। তারও মন খারাপ । তার মন খারাপের কারণ জানতে যেতে হবে একটু দূর...কিছু আগের ঘটনায়......

শহরের কাকদের তখন জমজমাট অবস্থা। এখানে সেখানে সব খানে প্রচুর কাক। কাকদের সম্মিলিত উড্ডয়নে মাঝে মাঝে সন্ধ্যায় আকাশ কালো হয়ে যেত। একেবারে কুচকুচে কালো। সূর্যের আলো আসার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।

তখন নগরবাসীরা নিজ নিজ ঘরে বৈদ্যতিক বাতি জ্বালাত। জিন্দাবাজার পয়েন্টস্ত দোকানপাট গুলো রাত্রিকালীন যেসব বাতির আলোতে আলোকজ্জ্বল হয়ে উঠে সেসব বাতিতে আলোকিত হয়ে উঠত। লোকেরা বলত, আইজ তাড়াতাড়ি রাইত অই গেল।

কেউ কেউ বলত, গ্লোবাল ওয়ার্মিং।

তখনকার কথা। সেই সময়ে আব্দুল মজিদের বাড়ির পাশের ডোবার লাগোয়া ছোট তালগাছের গর্তে কয়েকটি মাছরাঙা বাসা বেধেছিল। আব্দুল মজিদ যেতে আসতে মাছরাঙাদের দেখত এবং ভাবত এরা এখানে কী করে।

একদিন আব্দুল মজিদ ভোরবেলা উঠে ডোবার ধারে গিয়েছিল কোন একটা কাজে। তখন তার চোখে পড়ে মাছরাঙাদের বাসা। সে বাসাটি ভেঙে ফেলে এবং তিনটি মাছরাঙা ধরে এনে তার বউকে বলে, তেল দিয়া ভাইজা ফেলো।

আব্দুল মজিদের বউ বলে, পাখি ভাজা গুনার কাজ।

আব্দুল মজিদ বলে, এরা বদ পাখি। বদ পাখি মানুষ খাবে না তো কী করবে।

আব্দুল মজিদের বউ এবং আব্দুল মজিদের কথা কাটাকাটি হয় পনেরো মিনিট। তারপর কোন একটা কারণে আব্দুল মজিদের বউ পাখিগুলো ভাজতে রাজি হয়। কারণটা এখানে অপ্রাসঙ্গিক এবং এতে পাঠকের মনে হতে পারে আব্দুল মজিদ একজন নারী নির্যাতক, সেই কারণে কারণটি উহ্য থাকল।

পাখি ভাজার পর আব্দুল মজিদের সামনে যখন আনা হল তখন দেখা গেল কুচকুচে কালো তিনটি বস্তু পড়ে আছে।

দেখতেই ঘেন্না লাগে এমন। কিন্তু যেহেতু এটি পাখির মাংস এবং যেহেতু বউয়ের সাথে এর জন্য কথা কাটাকাটি করতে হয়েছে তাই এর একটু অংশ ভেঙে মুখে দিল আব্দুল মজিদ। তারপর থেকে আব্দুল মজিদ একটি কালো কুচকুচে নগরকাকে পরিণত হয় এবং শহরের যাবতীয় কাকেরা দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন শহরে মাত্র কাক ছিল একটাই। এবং সে আব্দুল মজিদ।

আব্দুল মজিদ উচু উচু বিল্ডিং এর ছাদে, মসজিদের মিনারে বসে থাকত রাস্তার দিকে তাকিয়ে। সারাদিন সারারাত সঙ্গীহীন কাটিয়ে সে করুণ সুরে ডাকত। তার ডাক নগরের দেয়ালে দেয়ালে প্রতিহত হয়ে, অজস্র কর্ণকুহর পরিভ্রমণ করে হারিয়ে যেত বেশিরভাগ সময়। খুব কম সময় কেউ একজন তার ডাক লক্ষ্য করে উপরে তাকাত, সামান্য চোখের সাহায্যে খোঁজাখোজি করে আবিষ্কার করত উচু তে, খুব উচুতে মায়াবি চোখ নিয়ে বসে আছে এক নগরকাক।

এই গেল আব্দুল মজিদ তথা মাজারের মসজিদের মিনারে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকা নগরকাকের কথা।

বাকী রইল শামসোজ্জোহার স্ত্রী ও কন্যার কাহিনী। সেই কাহিনীর সাথে নিশ্চয়ই আব্দুল মজিদের কোন সংশ্রব আছে। কারণ গণিতের হিসাব মতে শহরে তখন কাকের সংখ্যা তিনঃ

আব্দুল মজিদ
শামসোজ্জোহার স্ত্রী
শামসোজ্জোহার কন্যা

এই তিন কাকের প্রধান কাক আব্দুল মজিদ। অতএব, বাকী দুই কাকের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। এবং যেহেতু আর কোন সূত্রে শামসোজ্জোহার স্ত্রী কন্যার কাক হওয়ার কাহিনী জানা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই, যেহেতু শামসোজ্জোহা সিগারেট হাতে নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে মন খারাপ নিয়ে অতএব, গল্পের মূল কাহিনী জানতে অবশ্যই নগরের প্রধান কাক আব্দুল মজিদের উপর নির্ভর করা ছাড়া আর কিছু করার নেই।।

আব্দুল মজিদের দিকে লক্ষ রাখতে গিয়েই প্রথম আবিষ্কৃত হয় আব্দুল মজিদ দিনের সব সময় উচু উচু বিল্ডিংয়ের ছাদে বা মসজিদের মিনারে বসে থাকে না। সে দুপুরবেলা, যখন আকাশে সূর্য প্রবল উত্তাপে আসীন, তখন আব্দুল মজিদকে কোন উচু বিল্ডিং বা মিনারে বসে থাকতে দেখা যায় না। তখন সে একা একা ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়ায়। মানুষের ঘর বাড়ির আশেপাশে। মানুষের কাছাকাছি।

মানুষেরা কাক দেখে কিছু মনে করে না। তারা বুঝতে পারে না শহরে তখন মাত্র একটাই কাক। তারা মনে করে কাকের সংখ্যা অনেক কমেছে তবে কমলেও মোটামোটি সংখ্যায় তারা আছে। এছাড়া মানুষের এত সময় কোথায় কাকশুমারী করার।

অতএব, আব্দুল মজিদ তাদের কাছে গেলেও কেউ আগ্রহ নিয়ে তাকাত না।বিকেলে আবার যখন রোদ পড়ে যেত তখন আব্দুল মজিদ উচু বিল্ডিং বা মিনারের ছাদে বসে থাকত।





স্ত্রী ও কন্যা হারিয়ে শামসোজ্জোহা হাতে জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। এই তাকানোই হয়ত তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। অথবা হতে পারে তা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সঠিক কাজ, কেননা ভুল এবং সঠিকতা একটা আপেক্ষিক ব্যাপার।

শামসোজ্জোহা আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রথম লক্ষ করে আকাশ আসলে সুন্দর। একটু পর পর পরিবর্তন হয়। আকাশের সৌন্দর্য পুরনো হয় না। সে তখন একদৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। সে এমন মুগ্ধ হয়ে আকাশ দেখছিল যে সে তার চোখের পাতাও ফেলছিল না। তার কালো চোখের মণিতে প্রতিবিম্বিত হচ্ছিল এক গুচ্ছ নীল আকাশ।

সে চোখের মণির প্রতিবিম্বিত অংশেই প্রথম দেখা যায় দুটি কালো কাক উড়ে যাচ্ছে। কিন্তু সত্যিকার আকাশে তাকিয়ে দেখা গেল কোন কাক নেই। শামসোজ্জোহার চোখের মণিতে কাক কীভাবে এল তা গল্পের মূল চিন্তার বিষয়ে পরিণত হওয়ার পর এক অযৌক্তিক ব্যাখ্যা দাড় করানো হয়, হয়ত শামসোজ্জোহা তার স্ত্রী এবং কন্যাকে অত্যধিক ভালোবাসত, তাদের কাক হয়ে যাওয়ায় সে মনে অনেক দুঃখ পেয়েছে, তার মনের ভিতরের আকাশে তাই ঘোরপাক খাচ্ছে তার স্ত্রী ও কন্যা, কিন্তু যেহেতু তারা এখন কাক হয়ে গেছে তাই তাদের মানুষ ছবির পরিবর্তে কাক ছবিই ভেসে উঠছে।

এই ব্যাখ্যা অবৈজ্ঞানিক এবং অযৌক্তিক হলেও এর চেয়ে উৎকৃষ্ট কিছু পাওয়া না যাওয়ার বদৌলতে এটিই স্থির থাকল।

এই যখন অবস্থা ছিল তখন শহরের প্রধান কাক আব্দুল মজিদকে ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে উড়ে আসতে দেখা গেল। সে শামসোজ্জোহার মাথার চারপাশে চক্রাকারে ঘুরতে লাগল এবং তারস্বরে কা কা বলে চেঁচাতে লাগল।

তবুও শামসোজ্জোহার মোহ ভাঙল না। সে মন্ত্রমুগ্ধের মত আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল। তখন নগরের প্রধান কাক আব্দুল মজিদ শামসোজ্জোহার নাকের উপর বসল। নাকের উপর, ধারালো নখের উপর ভর করে বসে সে শামসোজ্জোহার কালো চোখের দিকে ঘাড় কাত করে তাকিয়ে দেখল ওখানে নীল আকাশ দেখা যায়।

প্রধান নগরকাক আব্দুল মজিদ মনোযোগ দিয়ে তাকাতেই দেখতে পেল শামসোজ্জোহার চোখের আকাশে কাক উড়ছে। সঙ্গীবিহীন কাক আব্দুল মজিদের কালো চোখ আনন্দে চকচক করে উঠল। সে কোন কিছু না ভেবে শামসোজ্জোহার চোখে ঠোকর দিয়ে কাকগুলোকে মুক্ত করে দিতে চাইল।

শামসোজ্জোহার চোখ মুহুর্তেই রক্তাক্ত হয়ে উঠল, রক্তাক্ত হয়ে উঠল প্রধান নগরকাক আব্দুল মজিদের কালো ঠোট।

রক্তের লাল রঙে বিচলিত আব্দুল মজিদ লাফ দিয়ে সরে গেল। শূন্যে ভাসতে ভাসতে শামসোজ্জোহার চক্ষুহীন কোঠরে কয়েকবার দৃষ্টি নিক্ষেপ করে সে উড়াল দিল আকাশে।

চোখহীন শামসোজ্জোহা ঠিক আগের মতই আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল। বোঝা গেল, চোখ থাকা না থাকায় তার কোন সমস্যা হচ্ছে না।

এরপর থেকে নগরে দেখা যেত তিনটি কাক একসাথে ঘুরছে।



শেয়ার করুন


Avatar: i

Re: নগরকাকের গল্প

দারুণ লাগল।একদম অন্যরকম ভাবনা, লেখা। আবারও পড়ব।
Avatar: T

Re: নগরকাকের গল্প

ভালো লেগেছে।
Avatar: d

Re: নগরকাকের গল্প

বাহ ভালো


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন