সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় RSS feed

আর কিছুদিন পরেই টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসবে। :-)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কালচক্রের ছবি
    বৃষ্টিটা নামছি নামছি করছিল অনেকক্ষন ধরে। শেষমেশ নেমেই পড়ল ঝাঁপিয়ে। ক্লাশের শেষ ঘন্টা। পি এল টি ওয়ানের বিশালাকৃতির জানলার বাইরে ধোঁয়াটে সব কিছু। মেন বিল্ডিং এর মাথার ওপরের ঘড়িটা আবছা হয়ে গেছে। সব্যসাচী কনুই দিয়ে ঠেলা মারল। মুখে উদবেগ। আমারও যে চিন্তা ...
  • এয়ারপোর্টে
    ১।আর একটু পর উড়ে যাবভয় করেকথা ছিল কফি খাবফেরার গল্প নিয়েকত সহজেই না-ফিরেফুল হয়ে থাকা যায়যারা ফেরে নি উড়ার শেষেতাদের পাশ দিয়ে যাইভয় আসেকথা আছে কফি নেব দুজন টেবিলে ফেরার পর ২।সময় কাটানো যায়শুধু তাকিয়ে থেকেতোমার না বলা কথাওরা বলে দেয়তোমার না ছুঁতে পারাওরা ...
  • ভগবতী
    একদিন কিঞ্চিৎ সকাল-সকাল আপিস হইতে বাড়ি ফিরিতেছি, দেখিলাম রাস্তার মোড়ের মিষ্টান্নর দোকানের সম্মুখে একটি জটলা। পাড়ার মাতব্বর দু-চারজনকে দেখিয়া আগাইয়া যাইলাম। বাইশ-চব্বিশের একটি যুবক মিষ্টির দোকানের সামনের চাতালে বসিয়া মা-মা বলিয়া হাপুস নয়নে কাঁদিতেছে আর ...
  • শীতের কবিতাগুচ্ছ
    ফাটাও বিষ্টুএবার ফাটাও বিষ্টু, সামনে ট্রেকার,পেছনে হাঁ হাঁ করে তেড়ে আসছে দিঘাগামী সুপার ডিলাক্স।আমাদের গন্তব্য অন্য কোথাও,নন্দকুমারে গিয়ে এক কাপ চা,বিড়িতে দুটান দিয়ে অসমাপ্ত গল্প শোনাব সেই মেয়েটার, সেই যারজয়া প্রদার মত ফেস কাটিং, রাখীর মত চোখ।বাঁয়ে রাখো, ...
  • তঞ্চক প্রবঞ্চক - একটি নাটক দেখার অভিজ্ঞতা
    ন্যায় কী? মর‍্যালিটিই বা কী?বিশুদ্ধবাদীদের মতে, কিছু শাশ্বত সত্যি তো থাকবেই, এবং কিছু শাশ্বত মানবিক নীতিবোধ। যেমন, চুরি কোরো না, লোক ঠকিয়ো না বা মানুষ মেরো না।কিন্তু, একজন মানুষ যদি লোক ঠকায়, মানুষকে শোষণ করে, অত্যাচার করে - তাকে পাল্টা ঠকানো, বা তাকে ...
  • কুহু কেকা ডাকে
    নিমো গ্রামের বাকি ছেলেদের মতন আমারও হৃদয়ে আপন করে নেবার ক্ষমতা ভালোই ছিল। কিন্তু একটা জিনিস বাদ দিয়ে, আর সেটা আমি অনেক পরে বুঝতে পেরেছিলাম – সেগুলি ছিল সো কলড্‌ প্রফেশ্যানাল লাইফে ‘সফট স্কিল’ জাতীয় ট্রেনিং। আগে এমন ট্রেনিং-এর শুরুতে বেশ ফালতু টাইপের জিনিস ...
  • মায়ের কাজ
    আমি একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত স্বনির্ভর মহিলা। অন্য পরিচয় আমি একজন স্কুল পড়ুয়া শিশুর মা। রাজনীতিতে আগ্রহ থাকলেও সক্রিয়ভাবে কখনো কিছু করে ওঠা হয়নি। তবে বামপন্থী বাড়িতে বড় হবার সুবাদে শ্রেণী সংগ্রাম শব্দবন্ধটির সঙ্গে বেশ পরিচিত। যত বয়স বাড়ছে তত বেশি করে ...
  • ক্রিকেট ক্রিকেট
    আমি না ক্রিকেটে ওপেন করতাম আর উইকেট-কিপিং করতাম। এবং স্কুল-পাড়া লেভেলে খুব খারাপ করতাম না। সিএবির ইন্টার-স্কুল ক্রিকেট - যাকে সামার ক্রিকেট বলা হত - সেই টুর্নামেন্টে একবছর শুধু খেলিইনি, একটি গুরুত্বপূর্ন ম্যাচে ক্রিটিকাল টাইমে মিড-অনে দাঁড়িয়ে একটি ...
  • ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৪)
    'একটা কোনো দেশকে ছাড় দিলেই হয়ে গেল- আর দেখতে হবে না; সবাই মিলে একেবারে 'দাও' দাও' বলে চীৎকার জুড়ে দেবে'- ৪৩'এর ১০ই মার্চ ওয়ার ক্যাবিনেটের এক মেমোতে মন্তব্য করবেন চার্চিল, কলোনিগুলিতে যুদ্ধকালীন খাদ্যসরবরাহ নিয়ে কথা বলছিলেন তখন তিনি-'আমাদের ...
  • ফেসবুক সাহিত্য
    মুখস্থ বিদ্যাটা বরাবরের কম। তবুও ক্লাস সেভেনে হেগেমেতে কোনরকমে শক্তির সংজ্ঞাটা মুখস্থ করেছিলাম -- শক্তি অবিনেশ্বর, ইহার সৃষ্টি বা বিনাশ নেই, শক্তি এক শক্তি থেকে অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় মাত্র । সংজ্ঞাটিকে এবার ফেসবুকে পোষ্ট করা কোনো আপাত "মৌলিক" লেখার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

কথা দুখানা।

১। শীত এসে গেল, তাই গুরুর মোচ্ছবও শুরু হয়ে গেল নিয়মমাফিক। ২৪শে ডিসেম্বর, শনিবার, ক্যাফে কবীরায় গুরুর ঠেক। ঠিক দুক্কুর বেলা। হিসেব মতো উপলক্ষ একটা আছে। বিপুল দাসের নতুন বই, "কামান বেবি" র উদ্বোধন হবার কথা ওই দিন। হবে শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের ততটা-নতুন-নয় বই "অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত" নিয়ে আলোচনা। এছাড়াও টুকটাক পোস্টার টোস্টার বাজারে ছাড়ার ফলে অনেকেই জেনে গেছেন, যে, গুরু প্রকাশ করতে চলেছে একটি বইয়ের সিরিজ, "এক ব্যাগ নব্বই"। অন্য কিছু না, শাক্য রচিত নব্বইয়ের নস্টালজিয়ায় নষ্ট হয়ে আমাদের দুর্মতি জেগেছিল চাঁদ ছোঁবার। একটি ব্যাগে পুরো দেবার ইচ্ছে ছিল সম্পূর্ণ নব্বইয়ের দশককে। লজিস্টিক্সের কারণে সেটা সম্ভব না হওআয়, অগতির গতি কবিরা। নব্বইয়ের দশকের পরিচিত ও অপরিচিত এক ঝাঁক কবিদের বই বেরোচ্ছে এক সঙ্গে। কবি পিছু একটি করে চটি বই। সব বইয়েরই নামধাম আলাদা। তবে পাওয়া যাবে একটি ব্যাগে। এই ক্যাশ ক্রাইসিসের জমানায় ব্যাগভর্তি করে নব্বই বাজার করে নিয়ে যাবার যথেষ্ট সুবিধে দিচ্ছে কোম্পানি। এই ব্যাগটি সেদিন পাওয়া যাবেনা অবশ্য, কিন্তু হুল্লোড় তাঅতে আটকায়না, থাকতে পারেন কবিরাও।

এছাড়াও গুরু আরও কিছু বইও প্রকাশ করতে চলেছে। দুই বাংলার পরিচিত-অপরিচিত নবীন-প্রবীণ গল্পকারদের গল্প এবং সাক্ষাৎকার সহ প্রকাশিত হতে চলেছে একটি বিরাটাকায় সংকলন। উদ্যোগে গুরুচন্ডালি ও গল্পপাঠ। সম্পাদনার বড় দায়িত্বে অমর মিত্র। দুই বাংলা মিলিয়ে এ জাতীয় কাজ হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বই হয়ে বেরোচ্ছে গুরুর জনপ্রিয় কলাম "বস্টনে বং গে", পুণ্যব্রত গুণের উদ্যোগে প্রকাশিত হচ্ছে, "সকলের জন্য স্বাস্থ্য" শীর্ষক একটি সংকলন। এছাড়াও বেরোচ্ছে এই অধমের একটি বই, "বৃহৎ ন্যানোপুরাণ"। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল এবারের শারদীয়া প্রতিদিনে।

এই শেষ কটি বইও থাকবেনা হুল্লোড়ে। তবু বলা হল, কারণ, মোচ্ছব তো সবে শুরু। বই টইয়ের জন্য আস্ত বইমেলা পড়ে আছে, জাস্ট মোচ্ছবের জন্য শনিবার চলে আসুন ক্যাফে কবীরায়। যাদবপুর এইট বিতে। ফেসবুকে একটি ইভেন্ট পেজ খোলা হয়েছে। তার লিংক দেওয়া গেল নিচেঃ
https://www.facebook.com/events/1705037513140055/


২। দ্বিতীয় পয়েন্টটি হল, এই, যে, গুরুর কোনো শাখা নাই। আলাদা করে এটা লেখার দরকার ছিলনা। কিন্তু এই বইপ্রকাশের বাজারে একটি জন্মোন্মুখ প্রকাশনার বিবিধ কাজকর্মে নানা মহলে একটা কনফিউশন তৈরি হয়েছে। প্রকাশনাটি নানাবিধ সহযোগিতা চেয়ে বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু তার নামে, কোনো অজ্ঞাত কারণে, গুরুচন্ডা৯র সঙ্গে মিল থাকার জন্য, এবং অন্যান্য আরও নানা কারণে (বিশেষ করে ঠিকানার অপ্রত্যাশিত সাযুজ্যের কারণে) , অনেকেই প্রকাশনাটিকে গুরুচন্ডালির অংশ বলে ভাবছেন। প্রকাশনার উদ্যোক্তাদের দিক থেকেই ব্যাপারটা পরিষ্কার করে দেওয়া উচিত। কিন্তু সেটা হচ্ছে কিনা জানা না থাকায়, খুব স্পষ্ট করে গুরুচন্ডা৯র পক্ষ থেকে বলে রাখা হচ্ছেঃ
ক। গুরুচন্ডা৯র কোনো শাখা নেই। গুরুচন্ডা৯র একটিই ওয়েবসাইট আছে। ফেসবুকে গুরুচন্ডা৯র একটিই গ্রুপ আছে। একটিই পেজ আছে (এর বাইরে গুরুচন্ডা৯র বইয়ের কিছু পেজ আছে, সেগুলো এখানে ধরলাম না)।
খ। সহায়তা বা অন্য কোনো কারণে গুরুচন্ডা৯র পক্ষ থেকে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, অবশ্যই "গুরুচন্ডা৯র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে" -- এটা স্পষ্ট করেই বলা হয়।
গ। অতএব কোনো কারণে অন্য কোনো প্রকাশনা বা গোষ্ঠীকে গুরুচন্ডা৯ ভেবে ফেলবেন না।

সক্রিয়ভাবে এবং জেনেবুঝে কেউ অন্য কোনো প্রকাশনা করতে চাইলে, বা যুক্ত থাকতে চাইলে, গুরুচন্ডা৯র কোনো বক্তব্য থাকার কথা নয়, নেই ও। কিন্তু অনুগ্রহ করে অন্য কিছুকে গুরুচন্ডা৯ বা তার শাখা ভেবে ফেলার আগে একটু খোঁজখবর করে নিন। কারণ, প্রথমেই যেটা স্পষ্ট করে বলেছি, গুরুচন্ডা৯র কোনো শাখা নেই।


76 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: pi

Re: বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

'এই আশ্চর্য্য পৃথিবীতে কাটামুণ্ডুর চোখ দিয়ে অসহায় কামনার অশ্রু গড়িয়ে যায়। লোলচর্মা বৃদ্ধা স্বপ্ন দেখেন নেশাধরানো বুনো গন্ধের কালো ঘোড়া তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে পা ঠুকে বলে উঠবে, ‘কামান বেবি!’ শ্যাওলাজড়ানো প্রাচীন কচ্ছপের ঘোলাচোখে রহস্যময় আনন্দ খেলা করে যায়। এই রহস্যজড়ানো মায়াম্যাজিকের ভুবনে তাতু সরকার নতুন শব্দ খুঁজে বেড়ায়। মন্ত্রের মত উচ্চারণ করে চলে নতুন শেখা শব্দদের। লেখক নিজেও কি এই উপন্যাসে প্রায় খনিশ্রমিকের অধ্যাবসায় নিয়ে মাটি ছেনে নতুন নতুন শব্দ তুলে আনেন নি? এই রোদেপোড়া বাতাস, পাখিবিহীন সংসার, এই মায়ামেঘ, হলদে চাঁদ, গরম বাতাসের ভেতর দিয়ে দেখা ভাঙা ঘরবাড়ি এবং সর্বোপরি নব-আবিষ্কৃত শব্দের দল, এই সবকিছু নিয়েই গড়ে উঠেছে এক জাদু-আখ্যান। গুরুচণ্ডা৯ থেকে প্রকাশিত বিপুল দাসের এই নতুন উপন্যাস আসলে জাদুবাস্তবতার আড়ালে এক আধুনিক পথের পাঁচালির আখ্যান নির্মাণের দিকে এগিয়ে গেছে, যেখানে ঘরপালানো বালক আবার উৎসের দিকে যাত্রা শুরু করে, হারিয়ে যাওয়া ঘুড়ি খুঁজে নেয় নিজস্ব ঠিকানা।'

২৪ তরিখ কাফে কবীরায় আসছে, 'কামান বেবি।

প্রচ্ছদ ঃ দেবরাজ গোস্বামী
প্রচ্ছদ সহায়তাঃ সায়ন কর ভৌমিক
দৃশ্যসূত্রঃ পাবলো পিকাসোর 'bulaphaaiTaar'



https://s24.postimg.org/n732v7zit/kaman_beby_3.jpg
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

পুস্তক মোচ্ছবে ঢাকা থেকে মনে মনে আছি। ফেসবুক ইভেন্টে খবর কিছুটা আগেই পেয়েছিলাম।

যদি ঢাকায় সব বই না হোক, গুরুর কিছু বই কেনার সুযোগ থাকতো! কোনো প্রকাশককে পরিবেশক করা গেলে খুব ভাল হয়। আর এই অধমের ব্যক্তিগত যোগাযোগও ক্রমেই কমে আসছে।

অথবা অনলাইনে গুরুর বই প্রাপ্তির কোনো সুযোগ।

গুরুচণ্ডালীর শাখা নেই-- সংবাদটিও দরকারি, সাময়িক বিভ্রান্তির উত্তাপ বেশ টের পাচ্ছি। তবে কি না, বেলা শেষে গুরুচণ্ডালী একটাই!

জ্জয় গুরু!
Avatar: ঈশান

Re: বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

এই কনফিউশনটা সর্বত্র তৈরি হচ্ছে। এমনকি বইমেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজনের মধ্যেও। সেটা হচ্ছে, ওই নাম ও ঠিকানার সাযুজ্যের জন্য। যদিও এর ইতিহাস, ভূগোল কোনোটা সম্পর্কেই আমি বা আমরা একেবারেই অবহিত নই, ছিলামওনা এবং একটুও জড়িত না। এবার, জনে জনে গিয়ে বলা তো সম্ভব না, যে আমাদের কোনো সহোদরা সংগঠন নাই। দেখি ফেবুতেও একটা স্টেটাস দিয়ে দেব।

ঢাকার ব্যাপারটা কী করা যায় জানিনা। দুই বাংলার মধ্যে ফিজিকাল যোগাযোগ এত ক্ষীণ। এরকম না হলেই ভালো হত। কিন্তু হয়েছে যখন, আর কী করা যাবে।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন