ঈশান RSS feed

আর কিছুদিন পরেই টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসবে। :-)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মসলিন চাষী
    ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, বিষয়টা আপনাদের কাছে হয়ত বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে না, কিন্তু তা সত্য এবং এক অতি অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যে আমি পড়ে গেছি ও এর থেকে নিস্তারের উপায় কী তা আমার জানা নেই; কিন্তু শেষপর্যন্ত আমি লিখে যাচ্ছি, যা থাকে কপালে, যখন আর কিছু করা ...
  • সিরিয়ালচরিতমানস
    ‘একটি বনেদি বাড়ির বৈঠকখানা। পাত্রপক্ষ ঘটকের সূত্রে এসেছে সেই বাড়ির মেয়েকে দেখতে। মেয়েকে আনা হল। বংশপরম্পরা ইত্যাদি নিয়ে কিছু অবান্তর কথপোকথনের পর ছেলেটি চাইল মেয়ের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে। যেই না বলা, অমনি মেয়ের দাদার মেজাজ সপ্তমে। ছুটে গিয়ে বন্দুক এনে ...
  • দেশ এবং জাতীয়তাবাদ
    স্পিলবার্গের 'মিউনিখ' সিনেমায় এরিক বানা'র জার্মান রেড আর্মি ফ্যাকশনের সদস্যের (যে আসলে মোসাদ এজেন্টে) চরিত্রের কাছে পিএলও'র সদস্য আলি ঘোষনা করে - 'তোমরা ইউরোপিয়ান লালরা বুঝবে না। ইটিএ, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, আইরিশ রিপাব্লিকান আর্মি, আমরা - আমরা সবাই ...
  • টস
    আমাদের মেয়েবেলায় অভিজ্ঞান মেনে কোন মোলায়েম ডাঁটির গোলাপ ফুল ছিলনা যার পরিসংখ্যান না-মানা পাঁচটাকা সাইজের পাপড়িগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে সিরিয়ালের আটার খনি আর গ্লিসারিনের একটা ইনডাইরেক্ট প্রোপরশন মুখে নিয়ে টেনশনের আইডিয়ালিজম ফর্মুলায় ফেলবো - "He loves me, he loves ...
  • সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা
    গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ ...
  • সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা
    গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ ...
  • গো-সংবাদ
    ঝাঁ চকচকে ক্যান্টিনে, বিফ কাবাবের স্বাদ জিভ ছেড়ে টাকরা ছুঁতেই, সেই দিনগুলো সামনে ফুটে উঠলো। পকেটে তখন রোজ বরাদ্দ খরচ ১৫ টাকা, তিন বেলা খাবার সঙ্গে বাসের ভাড়া। শহরের গন্ধ তখনও সেভাবে গায়ে জড়িয়ে যায় নি। রাস্তা আর ফুটপাতের প্রভেদ শিখছি। পকেটে ঠিকানার ...
  • ফুরসতনামা... (পর্ব ১)
    প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি।আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিলনা। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, ...
  • কাঁঠালবীচি বিচিত্রা
    ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, ...
  • মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি
    মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। ...

বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

কথা দুখানা।

১। শীত এসে গেল, তাই গুরুর মোচ্ছবও শুরু হয়ে গেল নিয়মমাফিক। ২৪শে ডিসেম্বর, শনিবার, ক্যাফে কবীরায় গুরুর ঠেক। ঠিক দুক্কুর বেলা। হিসেব মতো উপলক্ষ একটা আছে। বিপুল দাসের নতুন বই, "কামান বেবি" র উদ্বোধন হবার কথা ওই দিন। হবে শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের ততটা-নতুন-নয় বই "অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত" নিয়ে আলোচনা। এছাড়াও টুকটাক পোস্টার টোস্টার বাজারে ছাড়ার ফলে অনেকেই জেনে গেছেন, যে, গুরু প্রকাশ করতে চলেছে একটি বইয়ের সিরিজ, "এক ব্যাগ নব্বই"। অন্য কিছু না, শাক্য রচিত নব্বইয়ের নস্টালজিয়ায় নষ্ট হয়ে আমাদের দুর্মতি জেগেছিল চাঁদ ছোঁবার। একটি ব্যাগে পুরো দেবার ইচ্ছে ছিল সম্পূর্ণ নব্বইয়ের দশককে। লজিস্টিক্সের কারণে সেটা সম্ভব না হওআয়, অগতির গতি কবিরা। নব্বইয়ের দশকের পরিচিত ও অপরিচিত এক ঝাঁক কবিদের বই বেরোচ্ছে এক সঙ্গে। কবি পিছু একটি করে চটি বই। সব বইয়েরই নামধাম আলাদা। তবে পাওয়া যাবে একটি ব্যাগে। এই ক্যাশ ক্রাইসিসের জমানায় ব্যাগভর্তি করে নব্বই বাজার করে নিয়ে যাবার যথেষ্ট সুবিধে দিচ্ছে কোম্পানি। এই ব্যাগটি সেদিন পাওয়া যাবেনা অবশ্য, কিন্তু হুল্লোড় তাঅতে আটকায়না, থাকতে পারেন কবিরাও।

এছাড়াও গুরু আরও কিছু বইও প্রকাশ করতে চলেছে। দুই বাংলার পরিচিত-অপরিচিত নবীন-প্রবীণ গল্পকারদের গল্প এবং সাক্ষাৎকার সহ প্রকাশিত হতে চলেছে একটি বিরাটাকায় সংকলন। উদ্যোগে গুরুচন্ডালি ও গল্পপাঠ। সম্পাদনার বড় দায়িত্বে অমর মিত্র। দুই বাংলা মিলিয়ে এ জাতীয় কাজ হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বই হয়ে বেরোচ্ছে গুরুর জনপ্রিয় কলাম "বস্টনে বং গে", পুণ্যব্রত গুণের উদ্যোগে প্রকাশিত হচ্ছে, "সকলের জন্য স্বাস্থ্য" শীর্ষক একটি সংকলন। এছাড়াও বেরোচ্ছে এই অধমের একটি বই, "বৃহৎ ন্যানোপুরাণ"। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল এবারের শারদীয়া প্রতিদিনে।

এই শেষ কটি বইও থাকবেনা হুল্লোড়ে। তবু বলা হল, কারণ, মোচ্ছব তো সবে শুরু। বই টইয়ের জন্য আস্ত বইমেলা পড়ে আছে, জাস্ট মোচ্ছবের জন্য শনিবার চলে আসুন ক্যাফে কবীরায়। যাদবপুর এইট বিতে। ফেসবুকে একটি ইভেন্ট পেজ খোলা হয়েছে। তার লিংক দেওয়া গেল নিচেঃ
https://www.facebook.com/events/1705037513140055/


২। দ্বিতীয় পয়েন্টটি হল, এই, যে, গুরুর কোনো শাখা নাই। আলাদা করে এটা লেখার দরকার ছিলনা। কিন্তু এই বইপ্রকাশের বাজারে একটি জন্মোন্মুখ প্রকাশনার বিবিধ কাজকর্মে নানা মহলে একটা কনফিউশন তৈরি হয়েছে। প্রকাশনাটি নানাবিধ সহযোগিতা চেয়ে বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু তার নামে, কোনো অজ্ঞাত কারণে, গুরুচন্ডা৯র সঙ্গে মিল থাকার জন্য, এবং অন্যান্য আরও নানা কারণে (বিশেষ করে ঠিকানার অপ্রত্যাশিত সাযুজ্যের কারণে) , অনেকেই প্রকাশনাটিকে গুরুচন্ডালির অংশ বলে ভাবছেন। প্রকাশনার উদ্যোক্তাদের দিক থেকেই ব্যাপারটা পরিষ্কার করে দেওয়া উচিত। কিন্তু সেটা হচ্ছে কিনা জানা না থাকায়, খুব স্পষ্ট করে গুরুচন্ডা৯র পক্ষ থেকে বলে রাখা হচ্ছেঃ
ক। গুরুচন্ডা৯র কোনো শাখা নেই। গুরুচন্ডা৯র একটিই ওয়েবসাইট আছে। ফেসবুকে গুরুচন্ডা৯র একটিই গ্রুপ আছে। একটিই পেজ আছে (এর বাইরে গুরুচন্ডা৯র বইয়ের কিছু পেজ আছে, সেগুলো এখানে ধরলাম না)।
খ। সহায়তা বা অন্য কোনো কারণে গুরুচন্ডা৯র পক্ষ থেকে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, অবশ্যই "গুরুচন্ডা৯র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে" -- এটা স্পষ্ট করেই বলা হয়।
গ। অতএব কোনো কারণে অন্য কোনো প্রকাশনা বা গোষ্ঠীকে গুরুচন্ডা৯ ভেবে ফেলবেন না।

সক্রিয়ভাবে এবং জেনেবুঝে কেউ অন্য কোনো প্রকাশনা করতে চাইলে, বা যুক্ত থাকতে চাইলে, গুরুচন্ডা৯র কোনো বক্তব্য থাকার কথা নয়, নেই ও। কিন্তু অনুগ্রহ করে অন্য কিছুকে গুরুচন্ডা৯ বা তার শাখা ভেবে ফেলার আগে একটু খোঁজখবর করে নিন। কারণ, প্রথমেই যেটা স্পষ্ট করে বলেছি, গুরুচন্ডা৯র কোনো শাখা নেই।



Avatar: pi

Re: বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

'এই আশ্চর্য্য পৃথিবীতে কাটামুণ্ডুর চোখ দিয়ে অসহায় কামনার অশ্রু গড়িয়ে যায়। লোলচর্মা বৃদ্ধা স্বপ্ন দেখেন নেশাধরানো বুনো গন্ধের কালো ঘোড়া তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে পা ঠুকে বলে উঠবে, ‘কামান বেবি!’ শ্যাওলাজড়ানো প্রাচীন কচ্ছপের ঘোলাচোখে রহস্যময় আনন্দ খেলা করে যায়। এই রহস্যজড়ানো মায়াম্যাজিকের ভুবনে তাতু সরকার নতুন শব্দ খুঁজে বেড়ায়। মন্ত্রের মত উচ্চারণ করে চলে নতুন শেখা শব্দদের। লেখক নিজেও কি এই উপন্যাসে প্রায় খনিশ্রমিকের অধ্যাবসায় নিয়ে মাটি ছেনে নতুন নতুন শব্দ তুলে আনেন নি? এই রোদেপোড়া বাতাস, পাখিবিহীন সংসার, এই মায়ামেঘ, হলদে চাঁদ, গরম বাতাসের ভেতর দিয়ে দেখা ভাঙা ঘরবাড়ি এবং সর্বোপরি নব-আবিষ্কৃত শব্দের দল, এই সবকিছু নিয়েই গড়ে উঠেছে এক জাদু-আখ্যান। গুরুচণ্ডা৯ থেকে প্রকাশিত বিপুল দাসের এই নতুন উপন্যাস আসলে জাদুবাস্তবতার আড়ালে এক আধুনিক পথের পাঁচালির আখ্যান নির্মাণের দিকে এগিয়ে গেছে, যেখানে ঘরপালানো বালক আবার উৎসের দিকে যাত্রা শুরু করে, হারিয়ে যাওয়া ঘুড়ি খুঁজে নেয় নিজস্ব ঠিকানা।'

২৪ তরিখ কাফে কবীরায় আসছে, 'কামান বেবি।

প্রচ্ছদ ঃ দেবরাজ গোস্বামী
প্রচ্ছদ সহায়তাঃ সায়ন কর ভৌমিক
দৃশ্যসূত্রঃ পাবলো পিকাসোর 'bulaphaaiTaar'



https://s24.postimg.org/n732v7zit/kaman_beby_3.jpg
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

পুস্তক মোচ্ছবে ঢাকা থেকে মনে মনে আছি। ফেসবুক ইভেন্টে খবর কিছুটা আগেই পেয়েছিলাম।

যদি ঢাকায় সব বই না হোক, গুরুর কিছু বই কেনার সুযোগ থাকতো! কোনো প্রকাশককে পরিবেশক করা গেলে খুব ভাল হয়। আর এই অধমের ব্যক্তিগত যোগাযোগও ক্রমেই কমে আসছে।

অথবা অনলাইনে গুরুর বই প্রাপ্তির কোনো সুযোগ।

গুরুচণ্ডালীর শাখা নেই-- সংবাদটিও দরকারি, সাময়িক বিভ্রান্তির উত্তাপ বেশ টের পাচ্ছি। তবে কি না, বেলা শেষে গুরুচণ্ডালী একটাই!

জ্জয় গুরু!
Avatar: ঈশান

Re: বইপ্রকাশ মোচ্ছব ইত্যাদি

এই কনফিউশনটা সর্বত্র তৈরি হচ্ছে। এমনকি বইমেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজনের মধ্যেও। সেটা হচ্ছে, ওই নাম ও ঠিকানার সাযুজ্যের জন্য। যদিও এর ইতিহাস, ভূগোল কোনোটা সম্পর্কেই আমি বা আমরা একেবারেই অবহিত নই, ছিলামওনা এবং একটুও জড়িত না। এবার, জনে জনে গিয়ে বলা তো সম্ভব না, যে আমাদের কোনো সহোদরা সংগঠন নাই। দেখি ফেবুতেও একটা স্টেটাস দিয়ে দেব।

ঢাকার ব্যাপারটা কী করা যায় জানিনা। দুই বাংলার মধ্যে ফিজিকাল যোগাযোগ এত ক্ষীণ। এরকম না হলেই ভালো হত। কিন্তু হয়েছে যখন, আর কী করা যাবে।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন