রৌহিন RSS feed

রৌহিন এর খেরোর খাতা। হাবিজাবি লেখালিখি৷ জাতে ওঠা যায় কি না দেখি৷

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • অভিজ্ঞতার ঝুলি
    আমাদের পাশের পাড়ায় একটা কালিপুজো হত আদর্শ বালক সঙ্ঘের নামে।আমার জন্মের বহু আগে থেকে সেই পাড়ার কাকা জ্যাঠারা তারা যখন বালক ছিল সেই সময়ে ওই পুজোটা চালু করে।সেই জন্যই নাম ছিল আদর্শ বালক সঙ্ঘ বা এবিএস।তো বালকরা কালের নিয়মে কৈশোর পার করে যৌবনে উপনীত হল, তাতেও ...
  • বৃত্ত
    ১)এখনসকাল থেকেই বাড়িটায় হুলুস্থুলু, কি না কাজের লোক হার চুরি করে ধরা পড়েছে। "গত দুবছর ধরে তোকে খেতে পরতে দিচ্ছি, কাজ করতেও শিখিয়েছি, তার এই প্রতিদান?"ঘোষগিন্নীর গলাটা প্রায় পাড়ার মুখ থেকে শোনা যাচ্ছিল।"আসলে বৌদি, ছেলেটার অপারেশন করতে হবে, তোমাকে তো বলেছি, ...
  • অভিজ্ঞতার ঝুলি
    বারো তেরো বছর আগেকার কথা।তখন হৈ হৈ করে দুর্গা পুজো কালি পুজোর চাঁদা তুলতাম।একবার হয়েছে কি যে যে বাড়ির কোটাগুলো ছিল সেই সব কটা বাড়ির চাঁদা তোলা হয়ে গেছে।হাতে আরো কয়েকদিন সময়ও আছে।তো নতুন মার্কেট ধরার জন্য আমরা পাড়া থেকে একটু দূরে গেলাম।যদি কিছু চাঁদা আরো ...
  • অভিজ্ঞতার ঝুলি
    বারো তেরো বছর আগেকার কথা।তখন হৈ হৈ করে দুর্গা পুজো কালি পুজোর চাঁদা তুলতাম।একবার হয়েছে কি যে যে বাড়ির কোটাগুলো ছিল সেই সব কটা বাড়ির চাঁদা তোলা হয়ে গেছে।হাতে আরো কয়েকদিন সময়ও আছে।তো নতুন মার্কেট ধরার জন্য আমরা পাড়া থেকে একটু দূরে গেলাম।যদি কিছু চাঁদা আরো ...
  • বিসর্জন
    বিসর্জনঝুমা সমাদ্দারপড়ে রইল রাফখাতার শেষ পৃষ্ঠার এলোমেলো আঁকিবুকি... হলুদ প্লাস্টিকের ঝুটো দুল... চুলের তেলের গন্ধওয়ালা মাথার বালিশ...বেলতলার লাল কাঁকুড়ে পথ ... পড়ে রইল স্কুল ... আমগাছের নীচের বাঁধানো বেদী... পড়ে রইল হাসি-গল্প- ঝগড়া- খুনসুটি... বেগুনী ...
  • জ্যামিতিঃ পর্ব ৩
    http://bigyan.org.in...
  • বেতারে ‘অপারেশন সার্চলাইট'
    #MyStory #WarCrime #Joy71 #FFবিপ্লব রহমান, ঢাকা: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কারফিউ জারি করে বিদ্রোহ দমন করার নামে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, এর সামরিক অভিধা ছিল— ‘অপারেশন সার্চলাইট’। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে মুক্তিকামী ...
  • জ্যামিতি: পর্ব ২
    http://bigyan.org.in...
  • আমি যারে ভালবাসি, তারে আবার বাসি না...
    আটের দশকে এসএসসি পরীক্ষার পর আমার স্কুলের বন্ধুরা কেউ স্পোকেন ইংলিশ, কেউ বেসিক ইংলিশ, কেউ বা শর্টহ্যান্ড-টাইপরাইট...
  • চড়াই ঠাকুমা
    আজকে তো বিশ্ব চড়াই দিবস। এই প্রসঙ্গে আমার ছোট বেলার চেনা চড়াইদের কথা মনে পড়ছে। অসমে তখন ব্রিটিশ আমলের বাংলো বাড়ী নেই নেই করে ও ছিলো। ঠান্ডা গরমে সমান আরামের হতো বলে সেগুলোর এবং অন্য অনেক বাড়ীর চাল হতো সোনালী খড়ের, আঞ্চলিক ভাষায় আমরা বলতাম ছনের চাল। এরকম ...

মৌলিক নিষাদ

রৌহিন

“এই এক আশ্চর্য সময়।
যখন আশ্চর্য বলে কোন কিছু নেই।
যখন নদীতে জল আছে কি না আছে
কেউ তা জানে না।
পিতামহ, আমি এক আশ্চর্য সময়ে বেঁচে আছি।
যখন আকাশে আলো নেই,
যখন মাটিতে আলো নেই,
যখন সন্দেহ জাগে, যাবতীয় আলোকিত ইচ্ছার উপরে
রেখেছে নিষ্ঠুর হাত পৃথিবীর মৌলিক নিষাদ – এই ভয় ।”
হ্যাঁ ভয়। আমার সন্ততির জন্য। আমার নিজের জন্য। প্রিয়জনদের জন্য। অপ্রিয়জনদের জন্যও। ভয় ছাড়া আর কী অনুভব করতে বা পারি? যখন আমার চারিদিকে পরিচিত অপরিচিত অসংখ্য মানুষ, বন্ধু-স্বজন সকলকে দেখি এক অদ্ভুত উন্মাদনায় মেতে উঠতে। চেনা ছক, চেনা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, পরিচিত ফাঁদ, বহু আলোচিত – তবু আমরা বারবার তাতে সাবস্ক্রাইব করি। এই আত্মহত্যার উন্মাদনা আতঙ্ক ছাড়া আর কী বা ডেকে আনতে পারে?
সুস্থ অবস্থায় আলোচনায় আজ এই ২০১৬ সালে দাঁড়িয়ে কোন শুভবোধসম্পন্ন মানুষই যুদ্ধ চান না। যুদ্ধের অর্থনীতি, নিরীহ মানুষের মৃত্যু এবং কোন সমাধানের অপ্রাপ্তি, অস্ত্র-ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য স্বার্থভোগীদের মুনাফা – ইত্যাদি সবই আলোচিত হয়, এবং এসবের উর্ধে শুধু মানবতার খাতিরেই যুদ্ধকে নেগেট করা হয়। স্বাভাবিকভাবে। স্বতঃস্ফুর্তভাবে। কিন্তু আমাদের এই দেশে কয়েকবছর অন্তর অন্তর – “যখনই অমিল হয় বস্ত্র ও খাদ্য” – এই সব স্বাভাবিক যুক্তি বুদ্ধি কিভাবে যেন ভেসে চলে যায় – পাকিস্তানের সংগে যুদ্ধের নামে। এই এক অমোঘ সংকেত – কী সহজে শত্রু নিধনের নামে মানব হত্যাকে, যুদ্ধের মত একটা ঘৃণ্য বিষয়কে কতগুলো বস্তাপচা রেটোরিক আর ক্লিশে দিয়ে জাস্টিফাই করিয়ে দেওয়া যায়। কতবার যে উচ্চারিত হতে শুনলাম – “ওরা এসে আমাদের মেরে যাবে আর আমরা শুধু আলোচনা করে যাব?” কিম্বা “বাছাধনেরা এইবার টের পাচ্ছে” বা “এত ঢাকঢাক গুড়গুড়ের কী আছে – ব্যটাদের উচিৎ শিক্ষা তো দেওয়াই দরকার” – এরকম অসংখ্য মন্তব্য – আর সেই সঙ্গে হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক জুড়ে নির্বোধ কিছু জোকস। কী ভয়ঙ্কর আস্ফালন!
এই রেটোরিকগুলোর উত্তর দিতে আর ইচ্ছা করে না – তবু প্রায় সব্বাই যখন বলতে থাকে, বলতেই থাকে – একটা পালটা প্রশ্ন করার সাধ জাগে – সত্তর বছরে তিন তিনটে পুরোদস্তুর এবং সাত-সাড়ে সাতশো যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব করার পরেও এই যে শত্রুকে শায়েস্তা করা গেল না, এই যুদ্ধে হঠাৎ সে শায়েস্তা হয়েই যাবে এমন মনে করার খুফিয়া কারণটা কি? নাকি আপনারাই মনে করেন আপনাদের পরম প্রিয় ভারতীয় সেনা আগের যুদ্ধগুলো যথেষ্ট মন প্রান দিয়ে লড়েনি? জেতার তেমন চেষ্টা না করে গট আপ খেলেছিল? যদি তা না হয়ে থাকে, মেনে নিতে অসুবিধা কোথায় যে যা বলে নিজেদের রক্ত গরম করছেন, সেটা আসলে মিথ্যা স্তোক মাত্র? এভাবে সমস্যার বিন্দুমাত্র সমাধান হবে না? এই যুদ্ধ, কোয়ার্টার হোক বা হাফ বা ফুল, সার্জিকাল বা মেডিসিনাল – এর পরেও সীমান্তের ওপার থেকে এবং এপার থেকেও জঙ্গীরা আসবে, সেনা ক্যাম্পে হামলা করবে, কিছু সৈনিক মরবে? সাধারণ মানুষের মিছিলে গুলি চলবে? গুপ্ত এবং প্রকাশ্য হত্যা হবে? আরো বহুবার ভারত পাক সীমান্তে? এই যুদ্ধ থেকে কী পাবেন ভারতীয় দেশপ্রেমিকেরা? একজ্যাক্টলি কী? অর্গ্যাজম?
কবীর সুমন লিখেছিলেন “সীমান্তে দুই দেশের সিপাই দেশপ্রেমের দিনমজুর”। তারা মজুরী খাটে আর তাদের সেই মজদুরিকে গ্লোরিফাই করে আমরা, ভদ্রলোকেরা নিজেদের ইগো সন্তুষ্ট করি। এপার ভাবে পাকিস্তানকে দারুণ শিক্ষা দেওয়া গেল, ওপার ভাবে আব ভারত কো সবক সিখায়া। কেউ কাউকে শিখাতে পারে না কিছুই, শুধু পরস্পর পরস্পরকে টেনে নামায়। দিনমজুরেরা প্রাণের দায়ে লড়ে যায়, আর ভদ্দরলোকেরা গ্যালারিতে বসে হস্তমৈথুন করে। কারণ তাদের ঘরে শেল এসে পড়ে না। তাদের সন্তানকে মিলিটারী রাতের অন্ধকারে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করে না। তাদের পিতা রাতে রুটি আনতে গিয়ে বুকে বুলেট নিয়ে না হয়ে যায় না। আমার সন্তানকে আমি শিখিয়ে যাই – যুদ্ধ টুদ্ধ খারাপ, মানুষ মারা খারাপ – তবে ইতি পাকিস্তান বলে একটা কথা আছে – ওটা থাকলে সব খারাপ ভালো হয়ে যায়।
“পিতামহ, তোমার আকাশ নীল – কতখানি নীল ছিল?
আমার আকাশ নীল নয় –
পিতামহ, তোমার হৃদয় নীল – কতখানি নীল ছিল?
আমার হৃদয় নীল নয়।
আকাশের, হৃদয়ের যাবতীয় বিখ্যাত নীলিমা
আপাতত কোনো-এক স্থির অন্ধকারে শুয়ে আছে”



মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 5 -- 24
Avatar: Atoz

Re: মৌলিক নিষাদ

ভানুয়াতু সেই দ্বীপটা না? যেটা অনেকদিন আগেই নাকি ডুবে যাবার কথা ছিল?
Avatar: sch

Re: মৌলিক নিষাদ

পালাবেন কেন একক? বেঁচে থাকা কি খুব জরুরী। তার চেয়ে যতক্ষণ বেঁচে আছেন এনজয় করুন এসব না ভেবে। আমার ধারণা আপনি এরকম কিছু করে ফেলতে পারেন যে কোনো দিন
https://www.facebook.com/ajplusenglish/videos/802775749863934/

কিংবা এরকম কিছু
http://www.boredpanda.com/man-feeds-80-homeless-dogs-michael-baines-th
ailand/


আমরা পারব না - কিন্তু আপনি পারবেন। তাই কোথায় পালাতে হবে নিয়ে ভাববেন না ।
আর নিতান্ত কো্থায় না হলে হা ভ্যালি তো আছেই। পালানোর ভালো জায়গা
Avatar: dd

Re: মৌলিক নিষাদ

ভানুয়াতু তো আর নেই। সেই ১৯৮৪ সালেই জলে ডুবে মরে গেছে। সবাই জানে।

হ্যাঁ, রৌহিনের বক্তব্য ভালো।

আসলে এক দলেরা যুদ্ধু চাই যুদ্ধু চাই বলে চিল চেঁচিয়ে যায় আর অন্য দিকে মুম্বাই,পাঠানকোট, খাগরাগর ইস্তক সবই - "এ ত্তো সাজানো ঘটনা। অন্যদেরকে বোকা বানাতে পেরেছে, তা বলে আমাদেরও পারবে? হাঃ। সামনেই ইলেকশন না?" - এই দুই দলকে মুই চাড্ডী না তুই চাড্ডী সিন্ড্রোম থেকে দূরে রাখতে হয়।
Avatar: রৌহিন

Re: মৌলিক নিষাদ

আর কতটা রক্ত ঝড়ালে রাজা তুষ্ট হয়?
Avatar: Robu

Re: মৌলিক নিষাদ

খাগরাগড় নিয়ে কিন্তু প্রচুর ওপেন প্রশ্ন আছে।
এই লেখাটা ভাল।
Avatar: 0

Re: মৌলিক নিষাদ

এই আশ্চর্য অন্ধকার সময়ে এই বক্তব্যগুলো আলোর মতন লাগে।
যুদ্ধ-হিংসার সব উচিত-অনুচিতের, ন্যায়-অন্যায়ের সব বিচার-বিশ্লেষণের মধ্যে থেকেও এই ঝকঝকে আলোর মতন ভাবনাগুলো যেন কেউ ভাবতে না ভুলে যাই।
মাধ্যমিকের সময় উইলফ্রেড আওয়েনের লেখা একটা যুদ্ধবিরোধী কবিতা খুব প্রিয় ছিল - "Send Off" :

“... So secretly, like wrongs hushed-up, they went.
They were not ours :
We never heard to which front these were sent. ...
... A few, a few, too few for drums and yells,
May creep back, silent, to still village wells
Up half-known roads.”
Avatar: 0

Re: মৌলিক নিষাদ

sorry, correction : ** "The Send-off"
Avatar: রৌহিন

Re: মৌলিক নিষাদ

একটা ভালো যুদ্ধবিরোধী লেখা খুঁজছিলাম ওই রেটোরিকগুলোর উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে। এই পেলাম। বড় 'ক' একটা।
Avatar: রৌহিন

Re: মৌলিক নিষাদ

কি বিপদ ! মন্তব্যটা করলাম আমি, প্রতিভা সরকার। চলে গেল রৌহিনের নামে !
Avatar: ম্যাক্সিমিন

Re: মৌলিক নিষাদ

ভালো লাগলো খুবই। 'ইতি পাকিস্তান বলে একটা কথা আছে – ওটা থাকলে সব খারাপ ভালো হয়ে যায়' এই লাইনটা মোক্ষম।
Avatar: b

Re: মৌলিক নিষাদ

০,
মাধ্যমিক নয়, উচ্চমাধ্যমিক। কারণ মাধ্যমিক তো লার্নিং ইংলিশ (ধরে নিচ্ছি আপনার আমার এক বোর্ড)।
তবে ওয়েন এর সবচেয়ে নিষ্ঠুর কবিতা বোধ হয় এইটা। টুকে দিলাম, নোট সমেত।

Bent double, like old beggars under sacks,
Knock-kneed, coughing like hags, we cursed through sludge,
Till on the haunting flares(2) we turned our backs
And towards our distant rest(3) began to trudge.
Men marched asleep. Many had lost their boots
But limped on, blood-shod. All went lame; all blind;
Drunk with fatigue; deaf even to the hoots(4)
Of tired, outstripped(5) Five-Nines(6) that dropped behind.

Gas!(7) Gas! Quick, boys! – An ecstasy of fumbling,
Fitting the clumsy helmets(8) just in time;
But someone still was yelling out and stumbling,
And flound'ring like a man in fire or lime(9) . . .
Dim, through the misty panes(10) and thick green light,
As under a green sea, I saw him drowning.
In all my dreams, before my helpless sight,
He plunges at me, guttering,(11) choking, drowning.
If in some smothering dreams you too could pace
Behind the wagon that we flung him in,
And watch the white eyes writhing in his face,
His hanging face, like a devil's sick of sin;
If you could hear, at every jolt, the blood
Come gargling from the froth-corrupted lungs,
Obscene as cancer, bitter as the cud(12)
Of vile, incurable sores on innocent tongues,
My friend, you would not tell with such high zest(13)
To children ardent(14) for some desperate glory,
The old Lie; Dulce et Decorum est
Pro patria mori.(15)

Wilfred Owen
Thought to have been written between 8 October 1917 and March, 1918
Notes on Dulce et Decorum Est

1. DULCE ET DECORUM EST - the first words of a Latin saying (taken from an ode by Horace). The words were widely understood and often quoted at the start of the First World War. They mean "It is sweet and right." The full saying ends the poem: Dulce et decorum est pro patria mori - it is sweet and right to die for your country. In other words, it is a wonderful and great honour to fight and die for your country.

2. Flares - rockets which were sent up to burn with a brilliant glare to light up men and other targets in the area between the front lines (See illustration, page 118 of Out in the Dark.)

3. Distant rest - a camp away from the front line where exhausted soldiers might rest for a few days, or longer

4. Hoots - the noise made by the shells rushing through the air

5. Outstripped - outpaced, the soldiers have struggled beyond the reach of these shells which are now falling behind them as they struggle away from the scene of battle

6. Five-Nines - 5.9 calibre explosive shells

7. Gas! - poison gas. From the symptoms it would appear to be chlorine or phosgene gas. The filling of the lungs with fluid had the same effects as when a person drowned

8. Helmets - the early name for gas masks

9. Lime - a white chalky substance which can burn live tissue

10. Panes - the glass in the eyepieces of the gas masks

11. Guttering - Owen probably meant flickering out like a candle or gurgling like water draining down a gutter, referring to the sounds in the throat of the choking man, or it might be a sound partly like stuttering and partly like gurgling

12. Cud - normally the regurgitated grass that cows chew usually green and bubbling. Here a similar looking material was issuing from the soldier's mouth

13. High zest - idealistic enthusiasm, keenly believing in the rightness of the idea

14. ardent - keen

15. Dulce et decorum est pro patria mori - see note 1 above.


Avatar: দ্রি

Re: মৌলিক নিষাদ

সবচেয়ে বড় আয়রনি হল, যেই আওয়েন লিখেছিলেন, 'The old Lie; Dulce et Decorum est Pro patria mori', কবিতা লেখার পর তিনি যুদ্ধে যান, বীরবিক্রমে লড়েন, এবং মারা যান। যুদ্ধক্ষেত্রে এত বীরত্ব দেখিয়েছিলেন, যে তাঁর মরণোত্তর পদোন্নতিও হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। তাঁর মৃত্যুর চিঠি যেদিন পরিবার পায়, সেদিনই বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।
Avatar: b

Re: মৌলিক নিষাদ

জীবনী ও এদিক সেদিক থেকে যেটা পড়লাম, ওয়েনের এই ট্রান্সফরমেশন হয়েছিলো তাঁর অধীনে থাকা সৈন্যদের প্রতি কামারেডারি থেকে।

কি বলব? আজকাল দ্বিচারিতা, হিপোক্রিট ইত্যাদি কথাগুলো খুব ফ্যাশনেবল।

আওয়েনের মা আরেক কবিকে ১৯২০ সালে যে চিঠিটা লিখেছিলেন, সেটাও পড়ে ফেলা যাকঃ

It is nearly two years ago, that my dear eldest son went out to the War for the last time and the day he said goodbye to me—we were looking together across the sun-glorified sea—looking towards France with breaking hearts—when he, my poet son, said these wonderful words of yours... ‘when I leave, let these be my parting words: what my eyes have seen, what my life received, are unsurpassable’. And when his pocket book came back to me—I found these words written in his dear writing—with your name beneath.


Avatar: দ্রি

Re: মৌলিক নিষাদ

জিগফ্রিদ সাসুন?

না আমি এটাকে ঠিক দ্বিচারিতা হিসেবে দেখি না। আর আওয়েনের কবিতাকে ঠিক 'যুদ্ধবিরোধী' ক্যাটেগরিতে ফেলি না। আমদের যুদ্ধবিরোধিতা ছোটবেলায় যুদ্ধবিরোধী গান শুনে। আর সিনেমা দেখে। যুদ্ধের কোন রিয়েল এক্সপিরিয়েন্স আমাদের নেই। আওয়েন, অন দা আদার হ্যান্ড, যুদ্ধবিরোধী তো ননই, বরং প্রোফেশানাল যোদ্ধা। কবিতা তাঁর সেকেন্ডারী অকুপেশান। আওয়েনের যুদ্ধের কমেন্টারী খুব ডিটেল্‌ড, মোটামুটি ডিসপ্যাশানেট। এবং ভীষণভাবে ফার্স্ট হ্যান্ড।

এই ব্রুটাল অথেন্টিসিটিটা কোথায় যেন হিট করে।
Avatar: দ্রি

Re: মৌলিক নিষাদ

আর বিশ্বযুদ্ধ যে কত ধরণের মানুষকে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে ফেলেছিল সেটাও ঠাওর করা যায়।

আর Dulce et Decorum est Pro patria mori। এই লাইনটা থেকে বোঝা যায় রোমান এলিটরা ফুটসোলজারদের কিরকম পোলিটিকো-পোয়েটিক গ্যাস খাইয়ে এত বড় এম্পায়ার বানিয়েছিলেন।


Avatar: b

Re: মৌলিক নিষাদ

দ্রি, না।রবিবাবু।
লাইনগুলো বলি? বাংলায়?

"যাবার বেলা এই কথাটি বলে যেন যাই।
যা দেখেছি যা পেয়েছি তুলনা তার নাই ।
এই জ্যোতিঃসমুদ্র-মাঝে যে শতদল পদ্ম রাজে
তারি মধু পান করেছি ধন্য আমি তাই"

দাদুর খাজা হতে খাজাতর ইংরিজির মধ্যেও নিশ্চয় একটা এক্স ফ্যাক্টর কিছু ছিলো, ইউরোপের যুদ্ধমধ্যবর্তী জেনারেশনের কাছে। ওয়ারশ ঘেটোতে এক অনাথ আশ্রমের পরিচালক দারুণ দুঃসময়ের মধ্যে ছেলেমেয়েদের দিয়ে ডাকঘর অভিনয় করিয়েছিলেন। অড্রে হেপবার্নের প্রিয় কবিতা ছিলো মানসী কাব্যগ্রন্থের "অনন্ত প্রেম" (তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি..)। চরম উন্নাসিক উইটগেনস্টেইন "রাজা ও রাণী"-র রেফারেন্স আনছেন।


টই হাইজ্যাক হল বলে। পালাই।





Avatar: দ্রি

Re: মৌলিক নিষাদ

অ্যাঁ! কিন্তু অনুবাদে জ্যোতি নেই, সমুদ্র নেই, পদ্ম নেই, মধু নেই -- ধ্যাৎ।

তবে মনে হয় আওয়েনের জন্য 'হোয়াট মাই লাইফ রিসিভড, আর আনসারপাসেব্‌ল'ই ভালো। শেল-শকড হওয়ার পর এত শতদল, মধু হয়ত নিতে পারতেন না।
Avatar: Robu

Re: মৌলিক নিষাদ

এই যুগে এসে, আমার মত অদীক্ষিত পাঠকের কিন্তু ইঙ্গরেজিটা অনেক ভাল লাগছে।
Avatar: b

Re: মৌলিক নিষাদ

প্রথম দুটো লাইনের অনুবাদ তো।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: মৌলিক নিষাদ

কি ভয়ংকর দেশপ্রেমের নিষ্ঠুরতা! ওদিকে অস্ত্রের বাজার কিন্তু বেশ চড়া...

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 5 -- 24


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন