ঈশান RSS feed

আর কিছুদিন পরেই টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসবে। :-)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # তিন
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • সেনাবাহিনী ও মানবাধিকার
    বেশ কিছুদিন আগে গুরুচন্ডা৯ সাইটের একটা লেখার সূত্রে আলোচনা হচ্ছিল, সেনাবাহিনীর অত্যাচার নিয়ে আমরা এত কিছু বলি, কিন্তু তারা নিজেরা কী পরিবেশে থাকেন, কী সমস্যার সামনে দাঁড়ান, তা কখনোই তেমনভাবে আলোচিত হয় না। সেনাবাহিনীতে (পুলিশ, বি এস এফ বা বিভিন্ন আধা ...
  • আমার আকাশ
    আমার আকাশঝুমা সমাদ্দারএক টুকরো আকাশ ছিল আমার । দূ..উ..রে , ওই যে মাঠ…. মাঠের ও পারে সেই যে গাছটা …. কি যেন নাম ছিল সে গাছটার ….কি জানি…. কোনো নাম ছিল কি গাছটার ? কোনোদিন জানতাম কি তার নাম ? ….না, জানতাম না বোধহয় । জানতে চাই-ই নি কোনো দিন…. ওটা তো আমার গাছ ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # দুই
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • অ-খাদ্য ভীমরতি
    অ-খাদ্য ভীমরতিঝুমা সমাদ্দারযত্ত আদিখ্যেতা আর ন্যাকামো । যেন চা দিয়ে পরোটা খেতে এতই খারাপ , হোলোই বা তা একখান পরোটা । আমাদের গরিব বেচারা দেশ , কতো কতো লোকের বলে এ-ই জোটে না । কি চাই ? না বাটার, জ্যাম, আচার ! আহা ! আল্হাদে মরে যাই । আবার দুপুরে ডাল-রুটি ...
  • কারফিউ
    [এক-এগারোর (২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি) পর সেনা সমর্থিত অস্বাভাবিক তত্ত্ববধায়ক সরকার সারাদেশে বিক্ষোভ দমনে কারফিউ জারি করেছিল। এর দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছিল সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্র, দিনমজুরসহ সাধারণ জনতাকে। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে সে সময়ের একটি ব্লগ নোট। ...
  • মুকুলমামার পক্ষীপ্রেম
    মুকুলমামার পক্ষীপ্রেমঝুমা সমাদ্দার“আ..আ.. আঃ ! ওইর'ম কইরা কেউ চাটনি খায় ? কিসুই শিখে নাই মাইয়াডা। চাটনির মইধ্যে গন্ধরাজ লেবুখান চিইপ্যা 'ল , হঁ , এইবার লবন দে , আরও দে , এক্কেরে বোগ্দা মাইয়াডা । এইবার একটুখানি আঙ্গুলে লইয়া সাইট্যা খাইয়া দ্যাখ , কেমন ? ” ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # এক
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা কয়েকটি ভাগে এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা ...
  • নীলমাধবঃ একটি বিকল্প নিমপুরাণ
    নীলমাধব বৃদ্ধ হয়েছেন। নিজে গোলযোগ সইতে পারেন কি না, জানিনা। তবে তাঁকে নিয়ে অভ্রভেদী কোলাহল শুরু হয়েছিলো সেই কবে। উনিশ বছর পরে কায়াপলট হবে দেবতার। তাই গত বছর তিনেক ধরে সাজো সাজো প্রস্তুতি চলেছিলো চারদিকে। পুরীর জগন্নাথদেবের নবকলেবর হলো গত বছর রথযাত্রার ...
  • হার্টলেস
    হার্টলেসসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্পমানসীর খোলা বুকদুটো অনিমেষের চোখের জলে ভেসে যাচ্ছিল। অরগ্যাজম ব্যাপারটা যে প্রায় পুরোটাই মানসিক ব্যাপার। তিনবছর আগে দু'জনে এই সময়টুকু শুধু বরাদ্দ করে রেখেছিল। হলে হবে, নাহলে অ্যাডপশন। ডাঃ কৌস্তভ মিত্রের ফার্টিলিটি ...

গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

ঈশান

গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে, সে জন্য আগাম মার্জনা।
প্রথমে গুরু কিভাবে বই ছাপে, এবং কেন ছাপে, সে নিয়ে দুই লাইন। প্রথম থেকেই আমাদের বই করার উদ্দেশ্যটা ছিল, সস্তা এবং পুষ্টিকর, যে কারণে চটি বই নামক ধারণাটির জন্ম। চটি নামটা একদম ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়েছিল। চটি মানে স্রেফ সরু না, ‘চটি’ বলতেই বাঙালির অবচেতনে একটা বটতলার অনুষঙ্গ চলে আসে। ছাপা ও বাঁধাই সহ সেই অনুষঙ্গটা খুঁচিয়ে তোলার জন্যই বইয়ের নাম চটি। সচেতনভাবেই। বস্তুত মলয় রায়চৌধুরির একটা বইয়ের ভূমিকায় এরকম লেখাও হয়েছিল, ‘লেখক চেয়েছিলেন একটি বটতলার বই, আমরা ছেপেছি চটি’। বলাবাহুল্য উদ্ধৃতিটা হুবহু না, এখন আর খুঁজে বার করে দেখতে ইচ্ছে করছেনা, কিন্তু বিষয়টা এটাই। পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।
তা, এই স্টেটমেন্টটা আমরা রেখেছি। তাতে নানারকম সমস্যা হয়েছে। অন্তত একটি বড়ো পুস্তক চেন, আমদের বই রাখেননি। কারণ, একটা বইয়ের দাম যদি মিনিমাম তিনশো (বা চারশো ব পাঁচশো) টাকা না হয়, তাহলে তাঁদের প্রফিট মার্জিন বিশেষ থাকেনা। লার্জ স্কেলে অল্প প্রফিটে জিনিসপত্র বেচলে কেন শেষপর্যন্ত বেশি প্রফিট হবেনা, এই যুক্তিজাল তাঁদের মাথায় নেই। তো, এটা জেনেই খেলতে নামা হয়েছিল। কিছু বিকল্প আউটলেট ভাবা হয়েছে এবং হচ্ছে। তার মধ্যে বইমেলাটা সবাই জানেন, কিন্তু আরও বেশ কিছু আউটলেট, তালিকায় জমা হচ্ছে। সেসব যথাসময়ে ও স্থানে প্রকাশ্য।
তা, এই সমস্যাটা আমাদের জানা ছিল। কিন্তু খুব সাম্প্রতিককালে আরও কিছু সমস্যা দেখা গেল, যেগুলো আগে থেকে ভাবা যায়নি। সমস্যাটার ফোকাল পয়েন্ট একটাই। যে, গুরুর জনপ্রিয়তাকে অনেকেই তাঁদের নিজেদের মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। এর গোটা দুই তিন উদাহরণ আছে। শেষ থেকে শুরু করা যাক। আমাদের বইপত্রের জনপ্রিয়তা, যেকোনো কারণেই হোক, ভালো। কারণ বলতে লেখক আছেন, লেখার মান আছে, আমাদের প্রচার আছে, এবং অবশ্যই পাঠকের বিশ্বাস আছে, যে আমরা যা করি বেছেই করি। বই গছিয়ে দেবার জন্য করিনা। ফলে অনেকেই এসে বাঞ্চে বই নিয়ে যান। এবং বইপত্র শেষ হয়ে যায়, পাবলিসিটিও হয়। তা, সাম্প্রতিককালে দেখা গেল, এক লেখকের এরকম কিছু বই আমাদের বিপণনে জনপ্রিয় হবার পর, একটি তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলল, যে, তারা তাঁর রচনাবলী ছাপবে। সে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু সঙ্গে সাবক্লজ এই, যে, তাঁর আর কোনো লেখা, এমনকি যেগুলো আমরা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে ফেলেছি, সেগুলোও আমরা আর ছাপতে পারবনা। ফলে, বস্তুত জিনিসটা দাঁড়াবে এই, যে, বিপণনটি আমরা করলাম, কিন্তু এরপরে আগ্রহী পাঠককে পাঁচগুণ দাম দিয়ে সেই বই কিনতে হবে অন্য প্রকাশনা থেকে। পাঠকসংখ্যা নিশ্চয়ই বিপণনের কারণে কিছু বাড়বে। কিন্তু আমরা যে উদ্দেশ্যে বইটি ছাপছিলাম, উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। এটা আমরা আটকাতে পারিনি, কারণ আমরা কোনো লেখকের কোনোরকম স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হোক, এই চুক্তি করিনা। কিন্তু বই প্রিন্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে ন্যূনতম শর্তাবলী আরোপ করার কথাই ভাবা হচ্ছে।
দ্বিতীয় ঘটনাটি (কালানুক্রমিকভাবে সেটা অবশ্য আরও আগে ঘটেছে) আরও বিস্ময়কর। আমাদের কাছে একটি পত্রিকা ‘অন্য যৌনতা’র একটি লেখা ছাপবে বলে অনুমতি চেয়েছিল, আমরা বলেছিলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে ছাপতে পারেন। কার্যত দেখা গেল এক গাদা লেখা ছেপে বসে আছেন, এবং কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার নেই। এটা ছিল একটা পত্রিকা, এবং তারপর, আরও বিস্ময়কর, যে, একজন নামী প্রকাশক, সেটাকে বই বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা অনুমতি চাননি, আমাদের জানানও নি। হয়তো ইনফর্মেশন ছিলনা, তাও হতে পারে, জানা নেই। তা, আমরা জানার পর আপত্তি জানিয়ে এসেছি। বইটা ছাপা হয়েছে বলেও শুনিনি। হয়তো অসদুদ্যেশ্য কিছু ছিলনা, শুধুই যোগাযোগের অভাব ছিল। সেটা আমাদের জানা নেই। কিন্তু আমাদের দিক থেকে ঘটনাটা হল, যে, আমরা একটি উদ্যোগ নেব, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করব, কম দামে পাঠকের হাতে তুলে দেব, আর সেটাকে বিনা আয়াসে মলাটে বেঁধে কেউ তিনগুণ দামে বিক্রি করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি ছাড়া, এতে করে ‘সস্তায় চটি বই’ কনসেপ্টটি চূড়ান্ত ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমরা হচ্ছি।
এইগুলো আমার দিক থেকে মনে হছে, অন্য কিছু না, শর্টকাটের প্রসেস। ‘বইয়ের বিক্রি হয়না’, অভিযোগটা যে জায়গা থেকে আসে। বইয়ের দাম প্রচুর বাড়িয়ে চট করে লাভ করে নেবার ধারণাটা যে জায়গা থেকে আসে। এবং অন্য উদ্যোগের ফল থেকে ঝট করে লাভ করে নেবার ইচ্ছেটা(কখনও অনৈতিকভাবেই) যেখান থেকে আসে। প্রচুর পাবলিকেশন হলে সমস্যা নেই। যত বই ছাপা হয়, তত ভালো। কিন্তু ছাপার এবং স্বল্পমেয়াদি লাভ করার বাসনায় পাঠকসংখ্যা কমিয়ে বাংলা বইয়ের অন্তর্জলী যাত্রার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কেউ বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছনোর কষ্টসাধ্য কাজটা করছেননা। গুরু এত বছর ধরে যে নেট ওয়ার্কটার পিছনে সময় দিয়ে যাচ্ছে। উল্টোদিকে তৈরি নেটওয়ার্কটা ব্যবহার করে পুশ সেল টেল করে ঝটিতি কর্ম সমাধা করছেন। যেটুকু পাঠকবেস তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে, অত্ঃপর কামড়াকামড়ি হবে। এর বাইরে যে বিরাট আন এক্সপ্লোরড এলাকা পড়ে আছে, সেদিকে কোনো নজরই নেই কারো।
আমরা এই শর্টকাটের পদ্ধতিটা কখনও নিইনি। এই বারো বছর ধরে আমরা লড়ে গেছি। শূন্য থেকে শুরু করে। আজ পর্যন্ত অন্য জায়গা থেকে যেকটি লেখা আমরা নিয়েছি, প্রতিটি, অনুমতিসাপেক্ষে। এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার সমেত। একটিও ব্যতিক্রম নেই। জয়া মিত্রের একটি অনুবাদ লেখা আমরা প্রকাশ করেছিলাম। আমেরিকান প্রকাশকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে (আসলে ডলারে কিনতে হয়েছিল), দেরি হওয়ায় জয়াদিকে দুঃখ দিয়ে আমরা বই প্রকাশ গোটা একবছর পিছিয়ে দিই। ফলে আমাদের দিক থেকে এই শর্টকাটটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। লেখার অনুমতি নেওয়া, সৌজন্য স্বীকার, নেটে হোক বা বইয়ে, আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদুটো উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব ঘটেছে। সেটা কাম্য না। আমরা নিজেরা এগুলো মেনে চলি, অন্যরাও মেনে চলবেন, প্রত্যাশা করি। যেকোনো জায়গায়, এর অন্যথা হলে, আমরা যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেব।
তো, এইগুলো হল বাহ্যিক সমস্যা। আভ্যন্তরীন কিছু গপ্পোও আছে। কিছু সমস্যা, কিন্তু পরিকল্পনা। মূলত যেগুলোর জন্য এই লম্বা এবং বোরিং লেখার অবতারণা। প্রথমে সমস্যাটা বলি। সেটা গুরুর মডেল সংক্রান্ত। মডেল বলতে চটি বই, ইত্যাদি, যেটা আগেই ব্যাখ্যা করলাম। আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।
দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপারেও সাহায্য চাইব। সেটি আর্থিক নয়। একটা গুরুচন্ডালি লেখক-পাঠক সমবায় তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। তেমন কিছু না, একটি মেলিং লিস্ট। সেখানে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা বইগুলি নিয়ে নানা প্রোমোশানে একটু সাহায্য করবেন। টুকটাক আর কি। এটাও বেশ জরুরি কাজ, কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম নেই। কেউ আগ্রহী থাকলে জানাবেন।
আমার/আমাদের দিক থেকে মডেল এটাই। চটি পাঠকের কাছে পৌঁছনোর একটা পন্থা। পাঠকসংখ্যা বাড়ানো, পাঠকের কাছে বই নিয়ে যাওয়া, এই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। চটি একটা উপায়। চটি ছাপব, দরকার হলে অন্য পন্থাও নেব। কিন্তু পাঠকের বেস বাড়ানোর অবস্থান থেকে এই মুহূর্তে সরছিনা। বিষয়টায় আগ্রহী হলে জানান। অন্য কোনো মতামত থাকলেও অবশ্যই জানান। সেই জন্যই এই লেখা জনারণ্যে প্রকাশ করা। কীভাবে কী করা হয়, ভাবা হয়, ভাবা হচ্ছে, এই নিয়ে নানা স্পেকুলেশন, প্রচার, অপপ্রচার নানাদিকে হচ্ছে। আমাদের দিক থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হল। কোনো প্রশ্ন করার থাকলে এখানেই করে ফেলুন। অন্য কোনো স্পেকুলেশনে কান দেবেননা। নানা জায়গায় নানা কথাবার্তা হয়, সেসব আমাদের কানেও আসে। কিন্তু ওতে গুরুত্ব দেবেননা। আমরাও দিইনা। যাকে বলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মাপ করে দিই। :-)

পুঃ যাঁরা যোগাযোগ করতে আগ্রহী, guruchandali@gmail.com এ একটা মেইল ঠুকে রাখতে পারেন। এখানে জানালে বা মেসেজ করলেও হবে।

পুঃ পুঃ ভবিষ্যতে গুরুর একটি নোটিসবোর্ড ব্লগ হবে। এখনও নেই, লেখাটাতেও প্রচুর 'আমি', আমি ' আছে, ঠিক নৈর্ব্যক্তিক নোটিস না। তাই ব্যক্তিগত ব্লগেই থাক। কিন্তু আহ্বানটা গুরুর দিক থেকেই।


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7]   এই পাতায় আছে 111 -- 130
Avatar: h

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

হাহাহা হাহা --- আসলে আমি বলার কে। মানুষ যা করবে করবে। আর করবে প্রকাশনা সংস্থা। হাহাহাহাহা সি এম, এটা হেবি দিয়েছো। যেটা এক লাইনে বলা যেত, সেটা বলতে পারিনি, বই যারা পড়ে তারা কমিউনিটি আপডেট নিয়া করবে টা কি। বিভিন্ন লোক বই লিখবে, অন্যান্য বিভিন্ন লোক ছাপাবে, বেচবে, আমরা পড়ব বা পড়বা না। এত ঝক্কি পোসায় না ;-) হাহাহা হাহা --- আসলে আমি কিসুই বলার কে।
Avatar: ঈশান

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

"আমরা" মানে গুরু নয়। কপিরাইট সংক্রান্ত সমস্যা হবার পর এটা নিয়ে স্পষ্ট করেই কথা হয়েছিল। মহীন আমার অত্যন্ত প্রিয় দল, প্রায় প্রত্যেকের সঙ্গেই সুসম্পর্ক আছে, কিন্তু কপিরাইট সংক্রান্ত ডিসপিউট ও তার সমাধান তাঁরাই করেছেন, ও নিয়ে আমার বা গুরুর আলাদা করে কোনো ভূমিকা আছে বা থাকার জায়গা আছে বলেও আমার মনে হয়না।

এই ব্যাপারটা আলাদা করে লিখছি, কারণ, এটা আমরা অত্যন্ত সিরিয়াসলি নিয়ে থাকি। জয়া মিত্রর একটি অনুবাদ আমরা প্রকাশ করেছি, তার জন্য রাইট রীতিমতো ডলার মূল দিয়ে আমেরিকান পাবলিশারের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে। বাংলা বই একটা অনুবাদ করে অনেকেই ছেপে দেয়, আমরা সেটা করিনি, সেজন্য এক বছর পিছিয়ে গেছে প্রকাশ, জয়াদি দুঃখও পেয়েছিলেন, তবুও করা হয়নি। এছাড়াও এখনও পর্যন্ত অন্য জায়গার যেকটি লেখা গুরুতে প্রকাশ করা হয়েছে, অনুবাদে বা সরাসরি, সব কটার অনুমতি নেওয়া হয়েছে, এবং ঋণ স্বীকার করা হয়েছে।

এই বিষয়টা শুধু কপিরাইটের এমন না। এথিক্সেরও। কপিরাইট থাকুক বা না থাকুক, স্রষ্টার একটা স্বীকৃতি প্রাপ্য বলে মনে করি। যেমন কল্লোল দাশগুপ্তের লেখা বই কেউ রাধারমন সমাদ্দারের লেখা বলে ছেপে দিলে আপত্তি করব। সে কপিরাইট থাকুক, না থাকুক। কপিরাইট যদি নাও হয়, এটা সম্মানের প্রশ্ন। ডেকোরামের প্রশ্ন।
Avatar: ঈশান

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

আর হ্যাঁ, আরেকটা কথা। যা ঘটছে, এবং ঘটে চলেছে, সে তো পাবলিক ডোমেনেই হচ্ছে। চোখের আড়ালে কিছু না। জবাবে গুরু কিছু করতে পারে এবং কোনো একসময় ক্ষমতা-টমতা হয়ে উঠতে পারে, ইত্যাদি স্পেকুলেশনের বদলে যা ঘটছে তা নিয়ে যথাস্থানে এবং যথাসময়ে "প্রতিবাদ" টা করলে ভালো হত।
Avatar: i

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

আলোচনার মধ্যে ঢুকছি না। ১৫ই জানুয়ারির আমার দ্বিতীয় পোস্টে আরো দু লাইন লেখা উচিত ছিল। সেজন্য পুরোনো পোস্টটি পুনর্লিখন করছি।
**********************************************************
দেখুন একদম ভিতরের কথা জানি না , জানার কথাও নয়। আমার সঙ্গে সরাসরি কথা হয়েছিল অন্য প্রকাশনীর একজনের সঙ্গে, ব্যক্তিগত মেইলে এবং সম্ভবতঃ ওয়াটস্যাপে। তিনি কিন্তু একবারও বিরুদ্ধ কথা, প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলেন নি। কী কথা হয়েছিল, আমার বক্তব্য কী ছিল সে সব এই সুতোয় অপ্রাসঙ্গিক।
অথচ এর পরে কিছু কথা কানে আসেও। সে সবের নিশ্চয়ই কোথাও কোনো ভিত্তি রয়েছে।

আমার মনে হয় এখানে এভাবে আবছা আবছা কুয়াশা কথায় ভুল বোঝাবুঝি বাড়বে। এদিক ওদিক ভিত্তিহীন কথা উড়বে । হয়তো কিছু বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যাবে চিরতরে। নিজেরা মুখোমুখি বসে আপনারা কথা বলে নিন না। দুটি প্রকাশনীই বাংলা ভাষায় বই বের করবেন। যুদ্ধু করে লাভ আছে?
*******************************************************
কিছু উত্তর পাই দিয়েছেন সেদিনই। গুরুচন্ডালি ভুল বোঝাবুঝি বাড়িয়ে চলেছে এরকম কোনো বক্তব্য বা আমার মূল বক্তব্যে এরকম কোনো নিহিতভাব ছিল না। এখনও নেই। মাঝখানে যত লোক ঢুকবে, দু পক্ষের বিরোধ মেটার সম্ভাবনা তত কমবে। এটাই সেদিন মনে হয়েছিল। আজও সেরকমই ভাবছি।
বাংলা ভাষায় প্রকাশনার স্বার্থে , এই সব ঝামেলা দ্রুত মিটুক। দুটি প্রকাশনী ভালো লেখা প্রকাশ করে চলুক।
Avatar: কল্লোল

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

"এই বিষয়টা শুধু কপিরাইটের এমন না। এথিক্সেরও। কপিরাইট থাকুক বা না থাকুক, স্রষ্টার একটা স্বীকৃতি প্রাপ্য বলে মনে করি। যেমন কল্লোল দাশগুপ্তের লেখা বই কেউ রাধারমন সমাদ্দারের লেখা বলে ছেপে দিলে আপত্তি করব। সে কপিরাইট থাকুক, না থাকুক। কপিরাইট যদি নাও হয়, এটা সম্মানের প্রশ্ন। ডেকোরামের প্রশ্ন।"
আমারও ঠিক এটাই বলার ছিলো। কেউ কেউ এই সুতোয় কপিরাইট ও মামলার কথা তুলেছিলেন - তাই সে বিষয়ে আমার অস্বাচ্ছন্দের কথা জানিয়েছি।

Avatar: pi

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

বারবার ক্ষমতা দেখনোর কথা আসছে। গুরু ব্যতীত অন্যত্র বের করা নিতে চাপে কথা। কেন আসছে জানিনা। একটা দুটো কথা তাই স্পশ্ট করতে বাধ্য হচ্ছি।

গুরুর নিয়মিত লেখলেখি কেউ অন্য কোন প্রকাশন এর থেকে বই বের করলে তো কেউ বলেনি করা যানেনা। এমনকি গুরুতে টই ব্লহ বুবুভ বা ম্যাগে প্রকাশিত লেখাও গুরুর উল্লেখ সহ বা ছাড়াও অন্যত্র বস বই হয়ে বেরিয়েছে বা বেরোচ্ছে।
আলোচ্য প্রকাশন থেকেও, গুরুর টই বা ব্লগে বেরোনো লেখা। এমনকি যে লেখক গুরু থেকে বই নিয়ে , যাহোক এনিয়ে এত লেখার সময় নেই এখন।

তো, সে নিয়েও বা আর কী করা হয়েছে ? এমনকি গুরুতে প্রকাশিত লেখাও গুরু থেকে বেরোনোর জন্য অনেকাম্শে তৈরি হয়ে যাবার পরেও অদ্ভুত কোন কারণ দেখিয়ে অন্য প্রকাশনা থেকে বের করে গুরুর স্টল থেকে গুরুর বইয়ের মতই বা তার থেকেও বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। এও হয়েছে।

আর সে নিয়ে গুরুতে কিছু লেখাও হয়নি , ভদ্রতাবশত বহু ডেকোরাম লন্ঘন নিয়েও কিছু লেখা হয়নি। অনেক খারাপ লাগা সত্ত্বেও। কিন্তু বারবার উল্টো অভিযোগ এলে হয়তো কিছু বলতে হয় বা বললে ভাল হত বা হয় মনে হচ্ছে।


Avatar: Lama

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

এখানে একটা কথা বলে রাখা প্রাসঙ্গিক মনে করছি। গুরু বা অন্য কোনো প্রকাশনা সংস্থা থেকে বই বার করা বা না করা নিয়ে গুরু বা অন্য কোনো সংস্থা থেকে কেউ আমাকে অন্তত চাপ দেয় নি।

তবে, আমার প্রথম বই বার করার খবরটা প্রকাশ্যে আসার ঠিক পরেই ফেক প্রোফাইল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ত করে আমার লেখক পরিচয় নিয়ে ব্যঙ্গ করা এবং মামলা মোকদ্দমার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেগুলো যাঁরা করেছেন তারা কোনোভাবেই গুরু বা অন্য কোনো সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নন বলেই আমার ধারণা। সম্ভবত এঁরা এসব করেছেন নিছক মজা দেখার জন্য (বা ন্য কোনো ভুল বোঝাবুঝি থেকে), কিন্তু এসবের ফলে আমার মানসিক শান্তি যথেষ্ট বিঘ্নিত হয়েছে এবং আর লিখতে ইচ্ছে করছে না।

যিনি মামলা করবেন বলেছেন তিনি সত্যিই যদি তা করেন তাহলে আইনী পথে সেটার মোকাবেলা করব, আর যদি না করেন, আমার মানসিক শান্তিভঙ্গ এবং চরিত্রহননের জন্য আমিই আইনি ব্যবস্থা নেবার কথা ভাবছি। আইনকানুনঘটিত ব্যাপারে এর বেশি আর বলব না, তবে এইটুকু বলি- এসব মামলা মোকদ্দমার সঙ্গে গুরুর কোনো সম্পর্ক নেই।

আমার এই অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার জন্য গুরু বা অন্য কোনো সংস্থা দায়ী নয় এবং বিরক্তি ও তজ্জনিত লেখালিখিতে বিতৃষ্ণা একান্তই আমার ব্যক্তিগত।
Avatar: d

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

ওগুলো হিংসে করে করেছে লামা। ওগুলোকে খুব একটা পাত্তা দিতে নেই। আর লিখতে গেলে একটু নির্লিপ্তি দরকার হয়।
ওগুলো পাতি কাটিয়ে দাও।

অর্ধশতাব্দী সত্যি সত্যি পার করলে এগুলো ঝেড়ে ফেলতে শিখে যেতে বাছা :-D
Avatar: d

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

হ্যাঁ আইনগত ব্যপারটা সেভাবেই ডীল কর। কিছু জিনিষ কড়া হাতেই হ্যান্ডল করতে হয়।
Avatar: ক্যাম্পা কোলা

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

বাবা গো। এত কিছু হয়! এই ডায়নামিক্স বোঝার চেয়ে বরম চেষ্টা করলে নিউরাল নেটওয়ার্ক বুঝে ফেলবো।
Avatar: Rit

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

কোলা দা,
:D
Avatar: Lama

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

অর্ধশতাব্দী নিয়ে লোকজন বেজায় আওয়াজ দিচ্ছে। "প্রায় অর্ধশতাব্দী" লেখা উচিত ছিল। অর্ধশতাব্দী হতে এখনো পাঁচ বছর বাকি :)
Avatar: সিকি

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

আমিও কাল থেকে "প্রায় অর্ধশতাব্দী" লিখব। আর মাত্র দশ বছর বাকি।
Avatar: avi

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

কুড়ি বছর বাকি থাকলে কী লেখা যায়? প্রা প্রায়?
Avatar: dd

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

নাঃ, এই ফেক প্রোফাইল করে হুমকি টুমকি দেওয়া এইসব রাগ, দ্বেষ, হিংসে থেকে নয়। সেসব থেকে অ্যাতো উৎসাহো হয় না। এটা একেবারে পাগোলের লক্ষণ। অহৈতুকী বাঁদরামী।

এরকম ঘটনা আগেও হয়েছে। গুচতেই।

ল্লামা না পেশাদার গোইন্দা ছিলে? তো দ্যাখো না, নানান কম্প্যুটারোয়লাদের হেল্প নিয়ে এইবাঁদরটাকে চেনা যায় কি না?
Avatar: pi

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

আমি তো আবার ভাবছি , কিছু নাম ধাম দেওয়া লোকজনের দেওয়ালে ফোরামে নাম না দিয়ে স্ল্যাণ্ডারিং নিয়ে কী করা উচিত ? যেগুলোর পিছনে আরো অন্য লোকজন থাকে, তাদের নিয়ে ? এটা তো এখন এক নতুন খেউড় কালচারের ট্রেন্ড !
Avatar: de

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

একটি নিষ্পাপ প্রশ্ন -
লামার বই কোথা থেকে বেরোচ্ছে? বইমেলায় যাওয়া হবে না এবার - পরে কলেজস্ট্রীটে খোঁজ নিতাম!
Avatar: de

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

কুড়ি বছর বাকিতে - প্রায়োর্দ্ধর্দ্ধশতাব্দী -

তাতে কষ্ট হলে শিশু শতাব্দী বল্লেও হবে -
Avatar: তাতিন

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

লামাদার নামে মামলা তো ৯ঋকাল বা গুরু থেকে হচ্ছে না। ভাষাবন্ধন থেকে হচ্ছে শুনেছি।
Avatar: Rit

Re: গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

তাতিন দা হলো ডেভিল'স অ্যাডভোকেট।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7]   এই পাতায় আছে 111 -- 130


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন