সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • লড়াকু ভীমরতি
    লড়াকু ভীমরতিঝুমা সমাদ্দার- কেমন লাগে ? এইবার ? পই পই করে বলেছিলুম , "ওরে ,আমায় জ্বালাসনি , আমায় জ্বালাসনি । রেগে গেলে কিন্তু আমি বাপের কুপুত্তুর ।" তা না, তেনারা নাকি আমায় টেষ্ট করে দেখবেন , আমি তাঁদের গাইদের গর্ভিনী করবার উপযুক্ত কি না !! হুঁঃ !! কী আমার ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # চার
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • ভূমিকম্পে বেরিয়ে আসে অজগর সাপ
    “আপনি কি স্বাধীনতা কী বুঝেন?”ভদ্রলোক আমার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটি করলেন।আমি বললাম, “বুঝব না কেন? স্বাধীনতা হচ্ছে নিজের মত থাকার বা কিছু করতে পারার সুযোগ।”ভদ্রলোক সামান্য হেসে ফেললেন। তিনি তার মুখভর্তি খোঁচা খোঁচা কাঁচাপাকা দাড়ি হালকা চুলকাতে চুলকাতে ...
  • বিজাতীয় ভীমরতি
    বিজাতীয় ভীমরতি ( বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বাবু' অবলম্বনে )ঝুমা সমাদ্দারজনমেজয় কহিলেন,হে মহর্ষে! আপনি কহিলেন যে, কলিযুগে রিয়্যালিটি শো নামে একপ্রকার জয়ঢাক পৃথিবীতে আবির্ভূত হইবেন। তাঁহারা কি প্রকার জয়ঢাক হইবেন এবং পৃথিবীতে আবির্ভুত হইয়া কি কার্য্য ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # তিন
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • সেনাবাহিনী ও মানবাধিকার
    বেশ কিছুদিন আগে গুরুচন্ডা৯ সাইটের একটা লেখার সূত্রে আলোচনা হচ্ছিল, সেনাবাহিনীর অত্যাচার নিয়ে আমরা এত কিছু বলি, কিন্তু তারা নিজেরা কী পরিবেশে থাকেন, কী সমস্যার সামনে দাঁড়ান, তা কখনোই তেমনভাবে আলোচিত হয় না। সেনাবাহিনীতে (পুলিশ, বি এস এফ বা বিভিন্ন আধা ...
  • আমার আকাশ
    আমার আকাশঝুমা সমাদ্দারএক টুকরো আকাশ ছিল আমার । দূ..উ..রে , ওই যে মাঠ…. মাঠের ও পারে সেই যে গাছটা …. কি যেন নাম ছিল সে গাছটার ….কি জানি…. কোনো নাম ছিল কি গাছটার ? কোনোদিন জানতাম কি তার নাম ? ….না, জানতাম না বোধহয় । জানতে চাই-ই নি কোনো দিন…. ওটা তো আমার গাছ ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # দুই
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • অ-খাদ্য ভীমরতি
    অ-খাদ্য ভীমরতিঝুমা সমাদ্দারযত্ত আদিখ্যেতা আর ন্যাকামো । যেন চা দিয়ে পরোটা খেতে এতই খারাপ , হোলোই বা তা একখান পরোটা । আমাদের গরিব বেচারা দেশ , কতো কতো লোকের বলে এ-ই জোটে না । কি চাই ? না বাটার, জ্যাম, আচার ! আহা ! আল্হাদে মরে যাই । আবার দুপুরে ডাল-রুটি ...
  • কারফিউ
    [এক-এগারোর (২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি) পর সেনা সমর্থিত অস্বাভাবিক তত্ত্ববধায়ক সরকার সারাদেশে বিক্ষোভ দমনে কারফিউ জারি করেছিল। এর দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছিল সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্র, দিনমজুরসহ সাধারণ জনতাকে। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে সে সময়ের একটি ব্লগ নোট। ...

সড়া অন্ধ অছি

সুকান্ত ঘোষ

বেশ কিছু বছর আগে Dateline NBC কতৃপক্ষ তাদের প্রতিবেদক যোস ম্যানকিউিজ ডেকে বলল, খুড়ো, একটা স্টোরী যে তোমাকে বানাতে হবে – এবং এমন ভাবে বানাতে হবে যাতে পাবলিক হালকা চমকে বলে ওঠে তাই তো, তাইতো এবং আলতো করে বলে কি দিলে গুরু! যোস খুড়ো ভাবছেন এবং ভাবছেন কি স্টোরী করা যায় – একদিন সন্ধ্যাবেলা বাড়িতে টিভিতে সিনেমা দেখতে বসে ইউরেকা বলে চিৎকার করে উঠলেন। গিন্নী ‘ইউরেকা’ শব্দ শুনে ছুটে এসে প্রথমেই এসশিওর করে নিলেন যোসে দিগম্বর কিনা – তারপর বাতচিৎ করে বুঝতে পারলেন এই ইউরেকার কারণ তিনি টপিক খুঁজে পেয়েছেন স্টোর

আরও পড়ুন...

জলধরবাবুর ভবিষ্যদ্দর্শন

ন্যাড়া

[
জলধরবাবুকে যারা চেনেন না, তাদের জন্যে -
<http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=9&pid=content/bulbulbhaja/1208670233203.htm#.UkUW9j_IanE>



<http://www.guruchandali.com/blog/2013/10/25/1382657543822.html>
]

ভাগ্যের ফেরে জলধরবাবু আবার পরভূমে নিজবাসী। সেও নয়-নয় করে আজ তিন বছর হতে চলল। আবার সেই সিলিকন ভ্যালি। আবার সেই হাঁপ-ধরানো ঊর্ধশ্বাস। আবার সেই জিনিসের দাম দেখে খাবি। আবার সেই চাকরি নট হবার ভয়। সাড়ে তিন বছর যে সময় দিয়ে

আরও পড়ুন...

মেমোরিজ ইন মে

অবন্তিকা

এখন, মানে ঠিক এখনই, এই মুহূর্তে, এই সাবলীল দিবসাবসানে, তোমার পাশে কিছুক্ষণ বসতে ইচ্ছে করল l যদিও তুমি জানো এই ইচ্ছেটা সাময়িক l অথবা দীর্ঘমেয়াদী কোনও বিপর্যয়ের পূর্বাভাস l যেমন জানো, গন্তব্যগামী বড় রাস্তা পেরোতে গিয়ে কাল পটাং করে ছিঁড়ে যাবে প্রিয় হলুদ কালো স্লিপারের স্ট্র্যাপ l দাঁড়িয়ে পড়ব, বিড়ম্বিত হবো, মুহূর্তকাল, অথবা গোটা ব্যাপারটা খুব স্মার্টলি হ্যান্ডল করে সেফটিপিনওয়ালা চটিসমেত চড়ে বসব ওলা-মিনির সবজেটে সিটে l সবটাই নির্ভর করবে সেইদিন, সেই মুহূর্তটার ওপর l ওই কেব্লে যাওয়া, ওই স্মার্টনেস – সব

আরও পড়ুন...

ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি

Tathagata Dasmjumder

কিরে অনন্যা, তোকে তো চেনাই যাচ্ছেনা, চোখে লেন্স, চুলে রঙ।
- হ্যাঁ রে, চুলটা করালাম কাল পার্লারে, লেন্সটা কদিন আগে কিনেছি, কয়েকদিন প্র্যাকটিস করার পরে আজই প্রথম পরলাম।
- -
- কিন্তু তোর গায়ের রঙের সাথে চুলটা তাও ঠিক আছে, কিন্তু কটা চোখটা ঠিক মানাচ্ছেনা, যতই হোক, শ্যামবর্ণ রঙের সাথে কটা চোখটা ঠিক....
- - ন্যাচারাল নয় বলছিস?
- - হ্যাঁ রে
- - কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার কি জানিস, যাদের কটা চোখ, তারা কিন্তু মনুষ্যইতিহাসের অধিকাংশ সময় তারা কিন্তু কালোই ছিল।
- - ধুস, কি যে বলিস, নী

আরও পড়ুন...

স্বচ্ছ ভারত - ১

Prativa Sarker

স্বচ্ছ ভারত ----১

"দিল্লি তেরা উজারনা,আউর ফির উজারকে বসনা
ওহ দিল হ্যায় তুনে পায়া,সানি নেহি হ্যায় যিসকা"।

"নষ্ট থেকে সৃষ্টি শহর আবার আবার
তুলনাহীন এমন হৃদয় আর বলো কার !"

দুটো ভাষায় যে শায়েরিটি সিংহ হৃদয় দিল্লী শহরের কথা বলে, সেই শহরটি রাজধানী হবার সুবাদে স্বচ্ছ ভারতের পীঠস্থান । স্বচ্ছতা তো শুধু রাস্তাঘাট পরিষ্কার, আলো অথবা আকাশ-ফোঁড়া কংক্রিট পিলার নয়, মানুষে মানুষে ভালোবাসা আর সদ্ভাবনাও বটে। সেই স্বচ্ছতায় কি পিছিয়ে পড়লো দিল্লি ? এই উর্দু শায়েরিটির সৌজন্যে ?
আরও পড়ুন...

ভাতের থালায় লুকিয়ে আছে সাদা শয়তান

Gautam Mistri

ইংরেজী ভাষায় একটা প্রবচন আছে – “The whiter the bread, the sooner you’re dead”, অর্থাৎ রুটি (প্রকারান্তরে ভাত) যত সাদা হবে আপনি তত তাড়াতাড়ি মারা যাবেন। ভাত সাদা হবে নাতো কি লাল হবে? ভ্রূ কুচকে গেলেও প্রস্তাবটা তেমনই। কিছু কিছু দেশে লাল ভাতের কদর সাদা ভাতের চেয়ে বেশী। চীনদেশে ও থাইল্যান্ডে লালভাতের চাহিদা আছে। শ্রীলঙ্কায় পাঁচতাড়া হোটেলেও ভাত চাইলে লালভাতই পাওয়া যাবে। অন্যান্য তৃণভোজী প্রানীরা ঘাসপাতা বেছে খেলেও শস্যদানা এযাবৎ আস্তই খেয়ে এসেছে, এখনও তাই খায়। বেশী বুদ্ধিমান প্রানী হিসেবে মা

আরও পড়ুন...

মা-মাটি-মানুষের সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

বাজে খবর

আজ রেড রোডে মা-মাটি-মানুষের সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে। বারাক ওবামা ভ্লাদিমির পুতিন সহ বিশ্বের বড় বড় নেতারা কাল থেকেই আসতে শুরু করেছেন নবান্নের ছাদে বানানো অস্থায়ী হেলিপ্যাড ব্যবহার করে। শোনা যাচ্ছে হলোগ্রাফিক প্ল্যানচেট করে রবীন্দ্রনাথকেও আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে এই ঐতিহাসিক সভা উপলক্ষে আসা ভিনগ্রহী এলিয়েনদের স্পেসশিপের ধোঁয়ায় ময়দানের গাছপালার যাতে ক্ষতি না হয় তার জন্য পরিবেশবিদরা আন্দোলন শুরু করেছেন বলে সূত্রের খবর। যদিও এর উত্তরে জিম থেকে এক্সারসাইজ করে ব

আরও পড়ুন...

তুঙ্গনাথ

Manash Nath

আমাদের পৃথিবীতে ক্যালেন্ডারের হিসাবে দিন চলে মাস চলে ইয়ার এন্ডিং আসে চলে যায়। স্কুলে স্কুলে গরমের ছুটি পড়ে। সরকারি বাবুরা উইকএন্ডে কবিগুরুর শান্তিনিকেতন যায়। আরেকটা পৃথিবী চলে চাঁদের হিসাবে। মাথার উপর ঝুলে থাকা বুড়ি চাঁদটার দিকে আমরা তাকিয়ে ওঠার অবসর না পেলেও সেই পৃথিবী চলে তার কমাবাড়ায়। চিৎ হয়ে পড়ে থাকা এই ভারতবর্ষের মাথার উপর সটান দাঁড়িয়ে থাকা হিমালয় ;কুমায়ুন আর গাড়োয়াল এই দুই পাহাড়ি এলাকা নিয়ে উত্তরাখণ্ড,যাকে সবাই বলে দেবভূমি।
তা অক্ষয় তৃতীয়াতে চাঁদ যখন বাঁকা কাস্তের মত ধারালো হয়ে

আরও পড়ুন...

গদির মালিক

অভিষেক ভট্টাচার্য্য

তারা পলিটিক্যালি কারেক্ট মানুষ।

তাদের আড্ডা ছিল মরিচঝাঁপি ছাড়িয়ে, পূর্ব-পশ্চিম দুই পাকিস্তান নাড়িয়ে, আমলাশোলের ধারে, ঝান্ডার ছায়ার তলায়। ছেলেবেলায় যখন তাদের আঙুলে কালি ওঠেনি তখন থেকে তারা দেখে আসছে সেই আদ্যিকালের গণতন্ত্র। সে যে কোথাকার কোন তন্ত্র সে খবর কেউ জানে না, কিন্তু সবাই বলে, 'গণতন্ত্র'।

যত সব বিপ্লবী ছেলে-মেয়ে, কলেজে বই খুলে যারা মোটে বসতে চায় না, গণতন্ত্রের হাতে কর্পোরেটি নোটের ফড়ফড়ানি শুনে শুনে তাদেরও জিভে জল আসে —

পেটমোটা মানিব্যাগ, গোটা নোট, মোটা নোট

আরও পড়ুন...

কোচ নম্বর ৬ রঞ্জন রায় 2010/2

Ranjan Roy

কোচ নম্বর ৬ রঞ্জন রায়

ঘড়ির কাঁটা বোধহয় সাড়ে আটটার ঘর ছাড়িয়েছে। ভাবতে ভাবতে সুপ্রকাশ হিরো হোন্ডার অ্যাকসিলেটর সামান্য কমিয়ে বাঁহাতের কব্জি মুড়ে ঘড়ি দেখার চেষ্টা করলো।
হ্যাঁ, আটটা বেয়াল্লিশ, আর দুটো মোড় পেরোলেই---।
পিলে-চমকানো প্রেসার হর্ন বাজিয়ে গা ঘেঁষে বেরিয়ে গেলো দুটো বাইক আর বিচ্ছিরি ব্রেক কষে পাশে থামলো এক মারুতি সুইফ্ট।
---- ক্যা আংকল, তব সে সাইড মাংগ রহা হুঁ, কান পে জু নহী রেঙ্গা? বাদ মে শিকায়ত করোগে কি পিছেসে ঠোক দিয়া!
সুপ্রকাশ কিছু বলার আগেই পেছনে

আরও পড়ুন...

জেগে ওঠ (সম্পূর্ণ বইটা একত্রে)

Arin Basu

মুখবন্ধ:
গত এক বছর ধরে জ্যাক কেরুয়াকের "wake up" নামে বুদ্ধজীবনী ও সুরঙ্গমা সূত্রের ওপর লেখা একটি বইয়ের অনুপ্রেরণায় একটি বই লিখেছি। পুরো একত্রিত অবস্থায় আপনাদের জন্য এখানে তুলে রাখলাম। এক বছরের গবেষণা, একটু একটু করে লেখা। বাংলায় এর আগে হয়ত বুদ্ধদেবের জীবনী নিয়ে লেখা হয়েছে, বৌদ্ধ ধর্ম নিয়েও লেখা হয়েছে (রাহুল সাংকৃত্যায়ন, বাণী বসু (মৈত্রেয় জাতক), শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা), তথাপি যেটা নিয়ে সেভাবে লেখা হয়নি সেটা বৌদ্ধ সূত্র নিয়ে, থেরাবাদ বৌদ্ধধর্ম নিয়ে, থেরিগাথা নিয়ে। আশা করব আপনারা পড়বেন,

আরও পড়ুন...

সাহেব

সুকান্ত ঘোষ

সামাদ সাহেবের কাছে ওই বইটা থাকার কোন কথাই ছিল না – অন্তত তেমনটাই অনেক দিন পরে ভাবতে বসে যুক্তিজাল বিছিয়ে দেখেছি। অথচ তখন এমন কিছু অসম্ভব লাগে নি ব্যাপারটা বা অন্যভাবে বলতে গেলে এই সব নিয়ে ভাবার কোন সময় ছিল না আমাদের। এর থেকে বরং ময়রাদের চাঁদু যখন সাহেবের কোন এক আলমারীর ঘোঁজ থেকে এক পিস ডেবোনিয়ার ম্যাগাজিন উদ্ধার করল – ব্যাপারটা অনেকটা স্বাভাবিক এবং সঙ্গতিপূর্ণ বলেই আমারা রায় দিয়েছিলাম।

নিমো স্টেশন থেকে নেমে ‘ঠাকুরঝি’ নামক পুকুর পাড় দিয়ে হেঁটে গ্রামে ঢোকার ঠিক সামনের বাড়িটাই সামাদ সাহেবে

আরও পড়ুন...

চক্রব্যুহে অভিমন্যু

dd


দ্রোণপর্বে, এটা একটা প্রায় নিত্তনৈমিত্তিক রুটিন ছিলো যে দুর্য্যোধন হয় সরাসরি না হয় অন্যদেরকে নিয়ে দ্রোণকে গালমন্দ করতেন। দুর্যোধন সারাক্ষনই দ্রোণের কাছে খেদোক্তি করতেন,নালিশ করতেন। এই ১৩ দিবসেও ব্যতিক্রম নয়। দুর্যোধন দ্রোণের কাছে আগের দিন রাত্রেই গিয়ে বললেন "আমরা আপনার বধমধ্যে পরিগনিত হইয়াছি ; কেন না আপনি যুধিষ্ঠিরকে সমীপস্থ দেখিয়া আজিও গ্রহন করিলেন না"। দ্রোণ খুব লজ্জা পেয়ে গেলেন।বললেন ,আরে না না। “আমি সব সময়েই তোমাদের প্রিয়কার্য্যসাধনার্থ নিরন্তর যত্নবান”। কোন ভাবে অর্জুনকে যুধিষ্ঠিরের ক

আরও পড়ুন...

তৃণমূলের বিপুল বিজয় এর নেপথ্যে

souvik ghoshal

আমাদের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি যা তাতে একটা বড় অংশের মানুষের সামনে সামান্য ডোলই অনেকখানি এবং সেটুকু পাওয়ার বাস্তবতাকে তারা হাতছাড়া করতে চাইবেন না। ক্ষমতায়ন বা এমপাওয়ারমেন্ট এর জটিল দীর্ঘমেয়াদী ও কষ্টকর ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি ছেড়ে অনেকেই তাই ডোল রাজনীতি বেছে নেন। বিশেষ করে নির্বাচনের সময়। কিন্তু মমতা ক্ষমতায় আসার পর প্রথম থেকেই এটা করে গেছেন এবং মূলত এটাই করে গেছেন। এই ডোল দেবার কনসিস্টেন্সি এবং বিচিত্র ধরনের ডোল দেওয়ার প্রক্রিয়া পদ্ধতি উদ্ভাবন তার রাজনীতির একটা নিশ্চিত আদলকে তুলে ধরেছে এবং জনগণের কাছে

আরও পড়ুন...

নিট- ডালভাত না বিরিয়ানি?

Anik Chakraborty

‘একটা ঘুমের ওষুধ বলবি বাবা? প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেল ছেলেটা ঘুমোয়নি ঠিক করে, পড়াশুনোও তো করতে পারছে না কিছুই’

পাড়ার এক কাকুর ফোন। আমাকে যতটা স্নেহ করেন, আমি প্রায় তার কাছাকাছিই স্নেহ করি তাঁর ছেলে প্রবীরকে—এ বছরের রাজ্যের ছিয়াত্তর হাজার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন। গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকের সাথেই একবার জয়েন্ট দিয়েছিল—মেডিক্যালে দু’হাজারের আশেপাশে র‍্যাঙ্কও আসে—সিদ্ধান্ত নেয় আবার একবার বসবে জয়েন্টে। পাড়াতেই ছোট্ট ভুষিমাল দোকান বাবার, ছেলে স্বপ্ন দেখে স্টেথো গলায় ঝুলিয়ে পাড়ার সব

আরও পড়ুন...

বইনী

একক

বাড়ি খুঁজছি তখন । অপশন তিনটে । পাহাড়ের ওপর । নদীর ধার । বাজার । পাহাড়ের টং এ বাড়ি নেওয়া চাপের । নিজের গাড়ি নেই । তোর্সা নদীর ধারে নিলে অনেকটা হেঁটে এসে তবে ট্যাক্সি স্ট্যানড , কাজেই চলো মার্কেট এরিয়া । ইমিডিএট বস জিগমে ওয়াংদি কথা দিলো চিন্তা কোরনা অত , তোমার হোটেলে থাকার আয়ু তো আরও একুশ দিন আছে , আমি দেখে দেবো বাড়ি ; চলো বিয়ার খাই ।

অতএব আমরা রোজ আপিসের পরে বিয়ার খাই । তোর্সা নদীর ধারে নাইট ক্যাম্প ও হয়ে গ্যালো একদিন , বাড়ি খোঁজা আর হলনা । প্রমাদ গুনলুম । একদিন ইচ্ছে করে জিগমের সামনেই

আরও পড়ুন...

সর্বস্বান্ত

শর্মিষ্ঠা নাহা

#সর্ব

অদ্যকার দিবস আমার জীবনে এক পরম আনন্দের দিবস হইতেই পারিত। অদ্য বৈকালে সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজ প্রাঙ্গণে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমার সপত্নী( প্রয়াত স্বামীর পঞ্চম পক্ষীয় বিধবা) নয়নতারা দেবী ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম অনুসারী শ্রীযুক্ত প্রভাসচন্দ্র দত্ত মহাশয়ের সহিত পুনর্বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়িলেন। বিধবা বিবাহ হইলেও উহা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হইল। রাঙাদিদি নয়নতারা সদ্যবিবাহিত পতির সহিত শ্বশুরালয়ে গমন করিলেন। নিকট ভবিষ্যতে তিনি পতির সহিত বিলাত যাত্রা করিবেন।
আজ হইত

আরও পড়ুন...

নৌকাডুবির পরে।

Prativa Sarker

বাঙালি এখন রাজনীতি খাচ্ছে, প্রাতঃক্রিয়ায় ত্যাগ করছে, দিবা এবং মধ্যরাতের স্বপ্নেও হানা দিচ্ছে লাল,সবুজ, গেরুয়া।
এই রঙিন দিগন্তেু ঘাসফুলের আগুন জ্বালিয়ে হাজির আবার ফলাফলের সমীক্ষা। ফলে, আমি স্বপনে রয়েছি ভোর,/ সখী, আমারে জাগায়ো না ---এখন এইই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত।
তাই শান্তিপুর ডুবু ডুবু, নদে ভেসে যায় গোছের (ভক্তিরসে নয়, ক্ষতির খতিয়ানে) আবহাওয়াতেও আমাদের মোটে হেলদোল নেই। এতো আর তেমন শহর নয়, গ্রাম্যমেলা থেকে ফেরার পথে নেহাতই দুর্ঘটনা। একটু আহা উহু , উদ্ধার কাজ কেন দেরীতে তাই নিয়ে একটু রাগ। ব্য

আরও পড়ুন...

Detective Story --2010

Ranjan Roy

ধিন-তা-ধিনা, পাকা নোনা—A Detective Story.
-----------------------------
( ডিঃ কোন রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে আহত করা উদ্দেশ্য নহে, কোন চরিত্রের সঙ্গে মিল প্রতীত হইলে উহা নেহাৎই কাকতালীয়।)

১)
মহাশিবরাত্রির সকাল। রায়পুর শহরের ফুলচৌক থেকে আর গাড়ি এগুতে পারছে না। বিশাল ট্র্যাফিক জ্যাম। পাঁচটাকা ভাড়ার সওয়ারি অটোতে মাঝবয়েসি ভদ্রলোক খিঁচিয়ে ওঠেন।
--- কি মুশকিল! আমাকে রোগীর খাবার নিয়ে সরকারী হাসপাতাল যেতে হবে। পেশেন্ট সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে, আজ জেনারেল ওয়ার্ডে দেবে। তার আগে আমাকে বিল

আরও পড়ুন...

আমাদের জন্য...সব আমাদের জন্য...

অভিষেক ভট্টাচার্য্য

যে যাই বলুক ভাই, বাংলা সাহিত্যের সবচে' বড় ক্ষতি করেচেন মাইরি দাড়িদাদুই! এম্নি লিখেচেন যে আজও বাঙালী তেনার গন্ডি ছেড়ে বেরোতে পারেনি। যে যেমনই লিখুক না কেন রে ভাই, সাহিত্যের ব্যাপারে বাঙালীর উৎকর্ষের মাপকাঠি হলেন সেই আদি ও অকৃত্রিম রবীন্দ্রনাথ। এক্কেরে মোহিনীমোহন কাঞ্জিলাল এন্ড সন্সের মত। কোনো শাখা নেই! এদিকে দক্ষিণেশ্বরের কালীঠাকুর, ওদিকে গীতাঞ্জলীর রবিঠাকুর। আহা, আমার ইয়ে ইয়ে তো কী, রবীন্দ্রনাথ নোবেল! গুরুদেব গো! আরো হাজার বছর তোমায় ধুয়ে জল খাবো গো আমরা! তিরিশ কোটি সন্তানেরা, হে মুগ্ধ দাড়িদা / চ

আরও পড়ুন...

ট্যামট্যামদের ভোট

ফরিদা

চৌমাথায় একটি নড়বড়ে প্যাকিঙ বাক্সের ওপর কোনোমতে দাঁড়িয়ে নিজেকে ব্যালান্স করতে করতে বক্তৃতা দিচ্ছেন জরি ননি। সামনে পাহারারত নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক। নিয়মমত এই বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটপ্রচারের সাত দিনের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি স্ট্রীটকর্ণার মিটিং করতেই হবে বিরোধী প্রার্থীকে। প্রথম পাঁচদিন জরি ননি কাটালেন খেলাধুলো করে খেয়ে দেয়ে আয়েশ করে। আর মাঝে মাঝে হা হুতাশ করছেন
– আর ক-দিন বাকি – ওরে বাবা পাঁচ পাঁচটা মিটিং – কবে করব – আমার কী হবে। কী কুক্ষণে যে সেবার নৈহাটি বেড়াতে গিয়ে তিনমাসের জায়গা

আরও পড়ুন...

গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

ঈশান

গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে

আরও পড়ুন...

সিনেমাওয়ালা প্রসঙ্গে

Parichay Patra

এলিসিও সুবিয়েলার ‘ডোণ্ট ডাই উইদাউট টেলিং মী হোয়ার ইউ আর গোয়িং’ এ বন্ধ হতে বসা এক মুভি থিয়েটারের প্রোজেকশনিস্টের সঙ্গে দেখা হয় এক আপাত অশরীরী নারীর, যে এসেছে তার অতীত কোন এক জন্ম থেকে, যে জন্মে তারা দুজনে ছিল টমাস আলভা এডিসনের সহযোগী, সিনেমার জন্মরহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। সুবিয়েলার ছবিটিও সিনেমার তথাকথিত ১০০ বছর চলাকালীন সময়েই করা। অথবা সাই মিং-লিয়াং এর ‘গুডবাই, ড্রাগন ইন’। তাইপেইয়ের বন্ধ হতে বসা সে মুভি থিয়েটারে শেষ শোতে চলে ষাটের দশকের জনপ্রিয় মার্শাল আর্টস ছবি ‘ড্রাগন ইন’, আর সেই হণ্টেড থিয়েটার

আরও পড়ুন...

ছায়ামানুষ

অভিষেক ভট্টাচার্য্য

ফ্ল্যাটটা কেনার পরে সুদীপের চেয়ে শাশ্বতীই যে বেশি খুশি সেটা ওর হাবভাবেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। অবশ্য সুদীপও যে খুশি হয়নি তা নয়। সাজানো-গোছানো বড় বড় দু'টো বেডরুম, একটা গেস্টরুম, একটা ডাইনিং কাম কিচেন আর অ্যাটাচড্ বাথরুম। সদ্য বিবাহিত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত একটা দম্পতি বাসস্থান হিসেবে আর কী চাইতে পারে এর বেশি? ঝকঝকে মার্বেলের মেঝে, ঘরের দেওয়ালে চমৎকার হাল্কা সবুজ রঙের প্লাস্টিক পেইন্ট, বড় বড় জানালা দিয়ে আলো আর হাওয়া আসছে অনবরত। তোফা! শুধু একটাই মাইনাস পয়েন্ট - ফ্ল্যাটটা রেললাইনের কাছে হওয়ায় উত্তরদিকের জানা

আরও পড়ুন...

গার্হস্থ্য হিংসা আর আমার দেশ

Prativa Sarker

আমার ছোটবেলার পাহাড় ঘেঁষা মফস্বলের বাড়িতে একটা প্রাচীন লোহার সিন্দুক ছিল। ডালার ওপর একটা ফ্ল্যাট পদ্মফুল। তার মাঝে সরু একটি নিখুঁত কাটা আয়তক্ষেত্র । চাবিটাও তিনসেরি। মাঝে মাঝে যখন খোলা হতো, মনে পড়তো আলিবাবার খুল যা সিম সিম। ছোঁবার যো ছিল না,ঐ ডালা হাতে পড়লে থ্যাঁতলানো টিকটিকি। শুধু একবার কয়েন, অলংকার,দলিল নামিয়ে পরিষ্কার করার সময় মায়ের লেখা একটা একটা লুকোনো চিঠি আবিষ্কার করেছিলাম। রুলটানা কাগজে গোটা গোটা অক্ষর, প্রাপক আমার বাবা,-----" আমার গায়ের রঙ কালো বলে অনেক লাঞ্ছনা সইতে হয়। আবার মেয়ে হলো, ত

আরও পড়ুন...

বৃহন্নলার বিনোদনবৃত্তি: আলো ক্রমে আসিতেছে?

অবন্তিকা

“দিদি কিছু দিয়ে যা l” “না পারবো না l” “কেন পারবি না?” “কেন ভিক্ষা করছেন?” “ভিক্ষে করি না, নাচগান করে পয়সা কামাই l” কথোপকথন শেষ হওয়ার আগেই সবুজ সংকেতে শহরের অন্যতম ব্যস্ত রাজপথ দ্রুত গতিশীল হয়ে পড়ে l জমকালো হলদেটে শাড়ি পরিহিত রোগাসোগা চেহারার মানুষটি সামান্য গলা তুলে বলে যান, “চোখে গগল্স পরবি আর গরিবকে দুটো টাকা দিতে পারবি না?”

একাধিক কালো চশমা ছিল, বা, আছে l দীর্ঘ দীর্ঘ সময়কাল ধরে l কিছু সামাজিক কালো চশমা, যার মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে কিছুটা ফিকে বলে প্রতীতি হতে পারে l মনে হতে পারে, দে

আরও পড়ুন...

নিট্যতা সূত্র- নিট পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি সেমিনার

Anik Chakraborty

গ্রামবাংলার ছেলেমেয়েদের শিরদাঁড়ায় যতটা সহ্যশক্তি থাকে, তার অনেক বেশি থাকে পাল্টা লড়াইয়ের জেদ। লড়াইয়ের মাঠ প্রস্তুত, দেখা যাক কে শেষ কথা বলে…

NEET নিয়ে প্রায় একমাসব্যপী টালবাহানার পরে মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট গত 9 তারিখ শেষমেষ জানিয়ে দিল WBJEEM হচ্ছে না, তবে সবাই NEET2 দিতে পারবে। আমি গত 30 তারিখেই বলেছিলাম যে আর যাই হোক না-হোক, WBJEEM হচ্ছে না। এই ডিসিশানে সমস্ত পরীক্ষার্থী মাঝদরিয়ায় গিয়ে পড়লেও সবচেয়ে বেশি হাবুডুবু খাচ্ছে রাজ্যের অসংখ্য বাংলা মিডিয়ামের ছাত্রছাত্রীরা। একদিকে কী পড়বে না-পড়ব

আরও পড়ুন...

মরিচঝাঁপি ঃ- সমবেত বিস্মৃতি

Debabrata Chakrabarty


“The struggle of man against power is the struggle of memory against forgetting” Milan Kundera

আজ থেকে ৩৭ বছর পূর্বে ১৩ই মে ১৯৭৯ মরিচঝাঁপি অপারেশনের "ফাইনাল অ্যাসল্ট" শুরু হয় এবং ১৬ই মে ১৯৭৯ পশ্চিমবঙ্গ সরকার গর্বের সাথে ঘোষণা করেন -অবশেষে মরিচঝাঁপি উদ্বাস্তু শূন্য । বিদেশী শক্তির দালাল ,ভারতের পবিত্র অখণ্ডতা ভঙ্গকারী এই সব হতচ্ছাড়া জবরদখল কারীদের উচ্ছেদের অবশেষে কোন বিজয় উৎসব অথবা পাচতারা হোটেলে পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল কিনা অজানা । তবে এই বিষয়টি এতোই ক্ষুদ্র

আরও পড়ুন...

এই তো হেথায় কুঞ্জছায়ায় স্বপ্ন 'মধু'র মোহে

Sumeru Mukhopadhyay


বলে লাভ নেই, ভদ্দোরলোকের কুঞ্জ দোষ ছিল। কথায় কথায় জোকার দিয়েছেন, কুঞ্জবন অযথা শিহরিত বা ফালতু হম্বি তম্বি কুঞ্জ সাজাও গো, কুঞ্জের মাঝে কে গো রাধে, কে গো রাধে/ ললিতায় বলে রাধার বন্ধু আসিয়াছে। তাই আমাদের কল্পনায় এই কুঞ্জ খুব নম নম ভাব করে করে ফেললে হবে না, লতা পাতা, ফুল, ফল, পাখি, ছোট্ট ছোট জীব ঘুরছে, উড়ছে এমনই এক দেশ তৈরি করা হবে, শ্রীরাধিকার বাড়ির গায়ে। এ যেন সঙ্গীত সাবানের বুদবুদে রং উড়িয়ে সুরের গায়ে চিনির দানার মত কথা সাজাচ্ছেন, খাঁটি জহুরি। সখি গো একা কুঞ্জে বসে আমি পথ পানে চাইয়া/ নড়িলে

আরও পড়ুন...

ইটটি ওয়ে ইটটি চা লে চা লে ....

একক

মিং গা সি মো ?

ঙ্গা গী সোনম ইন । খো গী ?

দেব । গা তে লা মো ?

ট্রাসিগাং !

ওহ তাই এত রূপ । টিকালো নাক আর জ লাইন দেখেই অবশ্য আন্দাজ পেয়েছিলুম ইনি লিম্বুনি নন । কিন্তু দু -চার কথার পরে আমার জংখার স্টক ফুরিয়ে আসে । একসেন্ট তুলে নেওয়া তো খুব সহজ কিন্তু ভাষা শিখে উঠতে পারিনি এত দ্রুত । শব্দভান্ডার খুবই সীমিত । সোনম বুঝতে পারে এবং ইংলিশে আলাপ চালিয়ে যায় । আলাপ বলতে অবশ্য হাসি বেশি কথা কম । ইউনিভার্সিটির পাট চুকিয়ে সে এখন থিম্পুর একটা সেকেন্ডারী ইস্কুলে পড়ায় । টি

আরও পড়ুন...

কেন মুণ্ডা ভাষাচর্চা বাংলা ভাষার গবেষকের জন্য আজকে অত্যন্ত জরুরী ?

souvik ghoshal

যারা সাঁওতালী মুণ্ডারী প্রভৃতি ভাষা সম্পর্কে এবং বিস্তারিতভাবে অস্ট্রোনেশিয়ান ভাষাগুলি সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য ইন্টারনেট এ সহজলভ্য এই অসামান্য বইটি। অতি বিস্তারিত এবং আধুনিক গবেষণার সমস্ত ফসল এতে পাওয়া যাবে।

https://books.google.co.in/books?id=xwSjBQAAQBAJ&printsec=frontcover&dq=The+Handbook+of+Austroasiatic+Languages&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true

সাম্প্রতিক বাংলা ভাষা নিয়ে যে সমস্ত গবেষণা হচ্ছে তাতে দেখা যাচ্ছে বাংলা ভাষার ওপর মুণ্ডা ভাষার প্রভাব (মুণ্ডারী,

আরও পড়ুন...

সাঁওতালি ভাষা ও বাংলা ভাষা

souvik ghoshal

বিভিন্ন জটিল বিমিশ্রনের মধ্য দিয়ে আমরা যখন অষ্ট্রিক থেকে ক্রমে ক্রমে প্রোটো বাঙ্গালি বা আদি বাঙ্গালিতে রুপান্তরিত হলাম, ততদিনে আমাদের অষ্ট্রিক ভাষায় ভোট-বর্মী, দ্রাবির ও সংস্কৃত-প্রাকৃত বহু শব্দ যুক্ত হয়ে গেছে। পরবর্তীতে যতই আমরা বাঙ্গালি হয়েছি, আমাদের বাংলা ভাষায় অষ্ট্রিক সাঁওতালি শব্দাবলী ততই সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। তার পরও বহু শব্দ এখনও আমরা বাংলায় ব্যবহার করি, যা মূলগত ভাবে সাঁওতালি শব্দ। পরিহাসের বিষয় হলো সাঁওতাল শব্দটি নিজেই সংস্কৃতজাত, সাঁওতালদের নিজেদের আখ্যা হলো খেরওয়াল বা খেরওয়ার। বৃহত্তর

আরও পড়ুন...

উত্তর পূর্ব ভারতের সিনো টিবেটান ভাষাগুলি

souvik ghoshal

উত্তর পূর্ব ভারত বাঙালির ভ্রমণের অন্যতম গন্তব্যস্থল। সিকিম এর চিরকালীন টান, আসাম বা অমিত লাবণ্যর শেষের কবিতার শিলং/মেঘালয় এর নস্টালজিয়া ছাড়িয়ে অরুণাচল, মণিপুর, মিজোরামেও পাড়ি দিচ্ছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। গোটা উত্তর পূর্ব ভারত জুড়েই প্রচলিত সিনো টিবেটান ভাষাবংশের বিভিন্ন ভাষা। আসুন সেগুলির বংশ গোত্র নিয়ে কিছু খবর জানা যাক।
সিনো টিবেটান – সিনো টিবেটান ভাষাবংশের দুটি মূল শাখা হল তাই চীনা ও ভোট বর্মী। তাই চীনা শাখা থেকে চীনা, তাই (থাইল্যান্ড/শ্যামদেশের ভাষা), কারেন ইত্যাদি জন্ম নিয়েছে। এই শাখার কোনও

আরও পড়ুন...

সাঁওতালি ভাষার কিছু বৈশিষ্ট্য

souvik ghoshal

অস্ট্রিক – অস্ট্রিক ভাষাবংশের ভাষাগুলি পৃথিবীর একটি বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রচলিত। এর বেশ কয়েকটি শাখা আছে। ভারতের আদিম অধিবাসী, যাদের আমরা আদিবাসী বলে জানি, তারা এরকম এক শাখার কয়েকটি ভাষায় কথা বলে। সাঁওতাল, মুণ্ডারী, হো, শবরদের ভাষা অস্ট্রিক ভাষাবংশের অন্তর্ভূক্ত।
অস্ট্রিক ভাষাবংশের প্রধান দুই শাখা হল অস্ট্রোনেশীয় (বা মালয়ী-পলিনেশীয়) এবং অস্ট্রো এশিয়াটিক। বর্তমান ভাষাবিদদের অনেকে অবশ্য এই দুই শাখাকে আলাদা ভাষাবংশ বলেই গণ্য করতে চান। অস্ট্রোনেশীয় (বা মালয়ী পলিনেশীয়) শাখাটির ভাষাগুলির মধ্যে আছে

আরও পড়ুন...

ভোররঙের পৃথিবী

উদয়ন ঘোষচৌধুরি


সে প্রায় গতজন্মের গপ্পো। চিন্টু তখন হাপপ্যান্টুলে। বিকেলগুলো পাড়ার লাইব্রেরিতে ঝুঁকে কাটিয়ে দ্যায় সে, যে সময় বাকিরা ফুটবল আর কোচিং পিটছে। কলকাতা থেকে আসতেন যে লাইব্রেরিয়ান যুবতী, ছিপছিপে শাড়ি ও চশমা; টয়লেটে যাতায়াতের পথে আশ্চর্য দেখতেন এক ব্রণওলা ক্যাবলা কিশোর, ফ্যালফেলিয়ে রয়েছে অন্ধকার হতে থাকা টেবিলের ওপর। চিন্টু কখনওই কোনও দেবতা ছিল না। পেট-পিঠ মিশে যাওয়া কোমরের খাঁজে সে সময় সে প্র্যাকটিস করত বই-ঝাড়া শিল্প। আর এমনই এক সোনালি গোধূলিতে সে ঝেড়েছিল একটা পত্রিকা। 'যষ্টিমধু' নাম; পাতায় পাতায় হ

আরও পড়ুন...

হৃদরোগে আঞ্জিওপ্লাস্টি ও বাইপাস অপারেশনের প্রহসন

Gautam Mistri

সুন্দরবনের বাসিন্দা, বছর চল্লিশের এক ভদ্রমহিলা বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। স্থানীয় চিকিৎসকের চিকিৎসায় মন্দ ছিলেননা। তার দুশ্চিন্তাগ্রস্ত পরিবারবর্গ তাদের প্রিয় আত্মীয়ার রোগমুক্তির জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে বেশ কিছুটা সময় নিলো। মিডিয়া আর বিজ্ঞাপনের দৌলতে, আজকাল চিকিৎসা বিষয় উপদেশ কেবলমাত্র পারিবারিক চিকিৎসকের উপর নির্ভরশীল নয়। এঁরা কলকাতায় এলেন। কাগুজে বিজ্ঞাপনে আর রাস্তার মোড়ের হোর্ডিংয়ে রোগমুক্তির মূল্য দেওয়াই থাকে। বিজ্ঞাপনে এঁরা আরও জানতে পারলেন, দেরী মোটেই করা যাবেনা। নিজেদের এই প্র

আরও পড়ুন...

ভারতের আদিবাসীদের ভাষা

souvik ghoshal

ভারতের আদিবাসীদের ভাষা বা অ-ইন্দো ইউরোপীয় ভারতীয় ভাষা প্রসঙ্গে



ভারতে প্রচলিত ভাষাগুলি চারটি ভাষাবংশে ছড়ানো। সেগুলি হল - ১) অষ্ট্রিক ২) দ্রাবিড় ৩) ভোট চিনীয় বা সিনো টিবেটান ৪) ইন্দো ইউরোপীয়ান । এই ভাষাবংশগুলির মোট ভাষার সংখ্যা অবশ্য অসংখ্য, যার অধিকাংশই ভারতে প্রচলিত নয়।

১) অস্ট্রিক – অস্ট্রিক ভাষাবংশের ভাষাগুলি পৃথিবীর একটি বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রচলিত। এর বেশ কয়েকটি শাখা আছে। ভারতের আদিম অধিবাসী, যাদের আমরা আদিবাসী বলে জানি, তারা এরকম এক শাখার কয়েকটি ভাষায় কথা বলে। স

আরও পড়ুন...

অধ্যাপক‚ দেবদূতী ও একটা কোড

Kaushik Ghosh

অধ্যাপক.....

আজ সারাটা দিন প্রায় ফাঁকাই আছে| থার্ড পিরিয়ডে একটা ক্লাস আছে শুধু, তারপর একটি ছাত্রী আসবে| মেজর প্রজেক্টের টপিক নিয়ে কিছু আলোচনা আছে| টপিক ঠিকই করা আছে‚ শুধু কি ভাবে কাজটা এগোবে তার একটা আইডিয়া দিয়ে দিতে হবে মেয়েটিকে| মাস ছয়েক সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে কাজ| তাই খুব বেশি স্ক্র্যাচ থেকে কাজ করালে চলবে না| নিজের তৈরি যে প্রোটোকলটা আছে সেটাকেই একটু ইম্প্রোভাইজ করিয়ে দিলেই হবে| ব্যাচেলর লেভেলের কাজ‚ পি এইচ ডি তো নয়‚ ওতেই মোটামুটি চলে যাবে| কিছু স্টাডি মেটিরিয়ালের সাথে প্রোটোকলের

আরও পড়ুন...

প্রতিবাদে ঢাকি সর্বাঙ্গ (শেষাংশ)

শর্মিষ্ঠা নাহা



আজ কোনও বিশেষ তিথি নয়। তবু বিকেল হতে না হতেই চন্ডিকাপুরে রাধামাধবের মন্দিরপ্রাঙ্গণে বহিরাগত মানুষের ঢল। রিসর্টের গ্যারেজ গাড়িতে ভর্তি। কিন্তু কই, তারা তো এল না! কখন আসবে তারা?
উত্তেজনা চাপতে না পেরে রাধারাণি স্বপ্নলোক রিয়েলটি এস্টেটমুখো হলেন। প্রত্যয়ী- জয়স্মিতা ওখানকার ফ্ল্যাটেই থাকে।
মন্দির কর্তৃপক্ষ যেন আগে থেকেই এত অতিথির আগমনবার্তা জানতেন। তড়িঘড়ি মন্দিরপ্রাঙ্গণ বিশেষভাবে সাজানোর ব্যবস্থা করলেন। মূল সান্ধ্য অনুষ্ঠান ঠাকুরদালান থেকে সরিয়ে না

আরও পড়ুন...

dd

dd

কুরুক্ষেত্রের শেষ প্রহর


সতেরোদিন যুদ্ধের শেষে কর্ণের মৃত্যু হলে ,অন্ততঃ সেদিনে, সাময়িক ভাবে হলেও কৌরব সেনানীদের মনোবল ভেঙে পরেছিলো। সেনারা ছুটছিলো ,পালাচ্ছিলো। আতংকিত স্ট্যাম্পিডে মারা যাচ্ছিলো মানুষ। হাতীর ধাক্কায় রথ,রথের ধাক্কায় ঘোড়া আর ঘোড়ার ধাক্কায় পদাতি চুর্ন হচ্ছিলো, আঘাত পচ্ছিলো। একা দুর্যোধন, তিনিই কুরুপক্ষের শেষ মানুষ, যিনি তখনো দাঁড়িয়ে ছিলেন। চেষ্টা করছিলেন নিজের সেনানীদের উদ্বুদ্ধ করতে।

এবং সেই ভাঙা বিকেলে রক্তাক্ত রণভুমিতে তিনি তখনো আগ্রাসী,তখনো আক্রমনাত্মক, ত

আরও পড়ুন...

প্রতিবাদে ঢাকি সর্বাঙ্গ (প্রথম অংশ)

শর্মিষ্ঠা নাহা

প্রতিবাদে ঢাকি সর্বাঙ্গ
- শর্মিষ্ঠা নাহা

রাধামাধবের মন্দিরে বিগ্রহের পায়ে মাথা রেখে বসে আছেন রাধারাণী দেবী। মনটা বড় খারাপ। পরণের কাপড়ে, চাদরে এখনও সেই আহত মেয়েটির রক্ত লেগে আছে।ধর্মস্থানে এত বড় একটা অনাচার ঘটে গেল, কেউ এতটুকু টুঁ শব্দটি করল না।
প্রায় সত্তর বছর হল এই চন্ডিকাপুরের বাসিন্দা তিনি। সেই ছোট্টবেলায় অভাবের তাড়নায় বাবা মা এই মন্দিরের চত্বরে ছেড়ে দিয়ে গিয়েছিল ভগবানের ভরসায়। চন্ডিকাপুর তখন গন্ডগ্রাম। মন্দিরের পুরোহিত বিজয় গোস্বামী একাকী পিতা

আরও পড়ুন...

তিনদুয়ারী

সুকান্ত ঘোষ

বছর ছয়েক আগে ‘কৌরব’ পত্রিকার পক্ষ থেকে একটি ‘যৌথকবিতা’ সংখ্যা প্রকাশ করা হবে ঠিক করা হয় এবং সেই সংখ্যায় লেখার জন্য আমিও ঘটনাচক্রে আমন্ত্রণ পাই। যৌথ কবিতা অর্থে, এক বা একাধিক কবি মিলে কোন এক কবিতা লেখা। যৌথ-কবিতা ব্যাপারটা খুব যুগান্তকারী কিছু না হলেও, নিদারুণ চর্চিতও নয় বাজারে। বিদেশী তাও কিছু কাজ হয়ে থাকলেও বাংলা কবিতায় আমার জানা মতে খুব একটা বিশাল কিছু চর্চা হয় নি। তো সেই অনুরোধ পেয়ে আমার এক প্রফেসরের কথা মনে পড়ে গেল – কারণ আমি ভাবতাম, প্রফেসরের সেই ব্যাখ্যার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের ভারতীয় হি

আরও পড়ুন...

অবান্তর স্মৃতির ভিতর

Manash Nath

"অবান্তর স্মৃতির ভিতর,আছে
তোমার মুখ অশ্রু ঝলোমলো
লিখিও, উহা ফিরত চাহো কিনা। "
                    সকাল সকাল উঠে পড়তে পারে সে এইটুকুই যা ভালো। রাতের জমাট ভারি ধোঁয়াশা তখনো ঝুলে থাকে গলিগুলোর উপরে। হলুদ ভেপার আলোগুলোর ভিতরে মরা পোকাদের গাদা থেকে চুঁইয়ে আসা আলোর সাথে আকাশটা পরিষ্কার হতে থাকে। গলির পর গলি টপকে দ্রুতপায়ে বাসরাস্তায় উঠে আসতে চায় সে। খোলা ড্রেনের পাশে শুয়ে থাকা ঘুমন্ত কুকুরগুলোকে সাবধানে পেরিয়ে গলির মুখ থেকেই লক্ষ্য করে ধর্মতলা থেকে ছাড়া দিনের প্রথম বাসটি ফিরে
চলে গেলো

আরও পড়ুন...

সবার ওপর স্ক্রিনশট সত্য?

Soumit Deb


সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে দুটি পোস্ট শিহরণ তুলেছে। দুটি স্ক্রিনশট বেসিক্যালি। দুজন ভদ্রমহিলার প্রোফাইল থেকে নেওয়া। দুটির মর্মার্থ মোটামুটি এক। তারা মনে করেন সত্যজিৎ রায় ওভাররেটেড ও বাজে সিনেমা বানান। তাদের মধ্যেই একজন আবার এই ধারণা পোষণ করেন যে অস্কারটা সত্যজিৎ রায়ের না পেয়ে দেবের পাওয়া উচিত ছিলো।

কিন্ত কারোর তো মনে হতেই পারে, দেবকে ভালো লাগতেই পারে সত্যজিৎ রায়ের চেয়ে বেশি। তার পূর্ণ অধিকার আছে সেটা শেয়ার করবার নিজের দেওয়ালে। এতে কোনো অন্যায় নেই। হ্যাঁ আপনি অবাক হলেও নেই। এবা

আরও পড়ুন...

ব্যোমকেশ, ফেলুদা ও মগজাস্ত্র

শারদ্বত

সত্যজিৎকে নিয়ে আমরা কথা বলতে ভালোবাসি। আমরা খুবই সামান্য মানুষ। উচ্চাকাঙ্ক্ষা-স্বপ্ন-পরিশ্রম-লক্ষ্য সবই ছোটমাপের করে গড়ে নিই আমরা, তাই চারপাশে কেউ একটা অসাধ্য-সাধন করে বসলে আমরা তাঁর মতো হওয়ার পরিশ্রম না করে পুজো করতে শুরু করে দিই তাঁকে। শর্টকাট। কিন্তু এই পোস্ট সেজন্য নয়, সেই পুজো-সমালোচনার বাইরে কয়েকটা কথা বলতে ইচ্ছে হল। যাদবপুরে শেষ সেমেস্টারে স্পেশাল পেপার ছিল 'গোয়েন্দা-সাহিত্য'। সেই ক্লাসগুলোয় আমরা কিছু আলোচনা করতাম শম্পাদি-কাফিদার সঙ্গে। সেই সময়ের আলোচনা আর নিজস্ব চিন্তা থেকে তুলে আনা কিছু

আরও পড়ুন...

শ্বেত শুভ্র বিষ (দ্বিতীয় পর্ব) - বিষতুল্য চিনি

Gautam Mistri

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি আপ্তবাক্য স্মরনীয়ঃ- পাঁচটি সাদা বিষ থেকে দূরে থাকুন।

(১)প্যাকেটবন্দি পরিশোধিত নুন, (২)চিনি, (৩)দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, (৪) সাদা সরু ও চকচকে পালিশ করা চাল এবং (৫) সাদা আটা,ময়দা ও তার থেকে ঘরে প্রস্তুত করা রুটি অথবা বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা বিস্কুট, পাউরুটি, কেক, কুকিজ ইত্যাদি অসংখ্য বেকিং করা খাবার। দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা চিনি নিয়ে।

আমি চিনি গো চিনি তোমারে...দুঃখজনকভাবে চিনি আমাদের সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।আত্মীয়ব

আরও পড়ুন...

অথ-ভোট-কথা:পাগল

priyak mitra

     পাড়ায় তৃণমূলের দেওয়াল হয়েছে কয়েকবছর হল। তেরো বছর টানা প্রবাসে কাটিয়ে পাড়ায় ফিরে পাড়াটাকে কেমন অচেনা এবং অভিমানী লাগছে সৌম্যর। রাস্তাঘাট,দোকানপাটের চরিত্র পাল্টেছে। তবে মানুষজনের চরিত্র যে বিশেষ পাল্টেছে এমন নয়।  রণেনজ্যাঠা আগের মতই কাঁটাপুকুরের রকে বসে ফুট কাটেন এবং লোকে আগের মতই তাকে পাত্তা দেয়না।  ভদ্রলোকের বয়স বেড়েছে স্বাভাবিক নিয়মে,ফুট কাটার অভ্যেসটা যায়নি। দুনিয়াসুদ্ধু সকলেই ভুল,ঠিকের হদিশটা একমাত্র উনি জানেন-এই ভাবটা আর গেল না। কেউ পূর্বদিকে যেতে চাইলে উনি তাকে দক্ষিণ-পশ্চিমে যেতে উ

আরও পড়ুন...

বুদ্ধিজীবি

অভিষেক ভট্টাচার্য্য

- দোহাই মিস্টার মিটার! হাপনি এরুকম কোরবেন না! হামার নুকসান হোয়ে যাবে, বেওসার খেতি হোয়ে যাবে!
- হ্যাঁ, তা তো যাবেই। আপনি জাল ওষুধের কারবার করবেন, বেবিফুডে ভেজাল দেবেন আর আমি আপনাকে ছেড়ে দেব?
- শুনেন মিস্টার মিটার! কেতো টাকা চাই হাপনার বোলেন। হামি চেক লিখে দিচ্ছি। আভি!
- টাকার লোভ যে আমার নেই সে তো আপনি আগেই দেখেছেন, মগনলালজী। ওসব বলে ফেলু মিত্তিরকে চুপ করানো যায় না।
- তো কী চাই বলেন? মেয়েছেলে? কলগার্ল? হামি সোব ইন্তেজাম কোরিয়ে দিব, হোটেল ভি ঠিক কোরিয়ে দিব, হাপনি গিয়ে স্রিফ কাম কোর

আরও পড়ুন...