Sakyajit Bhattacharya RSS feed

Sakyajit Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আমার প্রতিবাদের শাড়ি
    আমার প্রতিবাদের শাড়িসামিয়ানা জানেন? আমরা বলি সাইমানা ,পুরানো শাড়ি দিয়ে যেমন ক্যাথা হয় ,গ্রামের মেয়েরা সুচ সুতো দিয়ে নকশা তোলে তেমন সামিয়ানাও হয় । খড়ের ,টিনের বা এসবেস্টাসের চালের নিচে ধুলো বালি আটকাতে বা নগ্ন চালা কে সভ্য বানাতে সাইমানা টানানো আমাদের ...
  • টয়লেট - এক আস্ফালনগাথা
    আজ ১৯শে নভেম্বর, সলিল চৌধুরী র জন্মদিন। ইন্দিরা গান্ধীরও জন্মদিন। ২০১৩ সাল অবধি দেশে এটি পালিত হয়েছে “রাষ্ট্রীয় একতা দিবস” বলে। আন্তর্জাতিক স্তরে গুগুল করলে দেখা যাচ্ছে এটি আবার নাকি International Men’s Day বলে পালিত হয়। এই বছরই সরকারী প্রচারে জানা গেল ...
  • মার্জারবৃত্তান্ত
    বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে ...
  • বসন্তবৌরী
    বিল্টু তোতা বুবাই সবাই আজ খুব উত্তেজিত। ওরা দেখেছে ছাদে যে কাপড় শুকোতে দেয়ার একটা বাঁশ আছে সেখানে একটা ছোট্ট সবুজ পাখি বাসা বেঁধেছে। কে যেন বললো এই ছোট্ট পাখিটার নাম বসন্তবৌরী। বসন্তবৌরী পাখিটি আবার ভারী ব্যস্তসমস্ত। সকাল বেলা বেরিয়ে যায়, সারাদিন কোথায় ...
  • সামান্থা ফক্স
    সামান্থা ফক্সচুপচাপ উপুড় হয়ে শুয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়েছিলাম। মাথায় কয়েকশো চিন্তা।হস্টেলে মেস বিল বাকি প্রায় তিন মাস। অভাবে নয়,স্বভাবে। বাড়ি থেকে পয়সা পাঠালেই নেশাগুলো চাগাড় দিয়ে ওঠে। গভীর রাতের ভিডিও হলের চাম্পি সিনেমা,আপসু রাম আর ফার্স্ট ইয়ার কোন এক ...
  • ইংরাজী মিডিয়ামের বাংলা-জ্ঞান
    বাংলা মাধ্যম নাকি ইংরাজী মাধ্যম ? সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি? অনেক বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিতে! তারপরেও সংশয় যেতে চায় না। ঠিক করলাম, না কি ভুলই করলাম? উত্তর একদিন খানিক পরিস্কার হল। যেদিন একটি এগার বছরের আজন্ম ইংরাজী মাধ্যমে পড়া ছেলে এই ...
  • রুশ বিপ্লবের ইতিহাস
    রুশ বিপ্লবের ইতিহাসরাশিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের বিষয়টিকেই বলা হয় রুশ বিপ্লব। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’ সময়পর্বের মধ্যে এই বিপ্লবের চূড়ান্ত পর্বটি সংগঠিত হয়েছিল।অবশ্য দুনিয়া কাঁপানো এই দশ ...
  • হিজিবিজি
    শীত আসছে....মানে কোলকাতার শীত আর কি। কোলকাতার বাইরে সব্বাই শুনে যাকে খিল্লি করে সেই শীত। অবশ্য কোলকাতার সব কিছু নিয়েই তো তামাশা চলে আজকাল, গরীব আত্মীয় বড়লোকের ড্রয়িংরুমে যেমন। তাও কাঁথার আরামের মতোই কোলকাতার মায়া জড়িয়ে রাখে, বড় মায়া হে এ শহর ছাড়িয়ে মাঠ ...
  • আমার কালী....... আমিও কালী
    কালী ঠাকুরে আমার খুব ভয়। গলায় মুন্ডমালা,হাতে একটা কাটা মুন্ডু থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে, একটা হাড় জিরজিরে শেয়াল তা চেটে চেটে খাচ্ছে, হাতে খাঁড়া, কালো কুস্টি, এলো চুল,উলঙ্গ দেহ, সেই ছোট বেলায় মন্ডপে দেখে এমন ভয় পেয়েছিলাম সেই ভয় আমার আজও যায়নি। আর আমার এই কালী ...
  • নভেম্বর ২০১৭
    ষাট বা সত্তর সম্পর্কে প্রত্যক্ষজ্ঞান নেই, তবে আশির দশক মোটামুটিভাবে ছিল শ্রেণীসংগ্রামের যুগ। মানে ভারতের বামঘরানার লোকজনের চিন্তনে। ফ্রান্সে ১৯৬৮ সালের বিপ্লব প্রচেষ্টা তখন অতীত। সেসব উত্তাল সময়ে অদ্ভুত তত্ত্বের জন্ম হয়েছে জানা ছিল। কিন্তু সেগুলো খায় না ...

আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

Sakyajit Bhattacharya

যখন কার্গিল যুদ্ধ বাঁধে আমি তখন সবে মাধ্যমিক দিয়েছি। কিন্তু মাঝেমাঝে এটা ওটার কারনে স্কুলে যাই। সেই সময় যুদ্ধের ফান্ড বিষয়ে স্কুলে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সরকারী স্তর থেকে না হলেও সম্ভবত শিক্ষকেরা নিজেরাই এগিয়ে এসেছিলেন এবং ছাত্রদের কাছে আবেদন করেছিলেন ডোনেট করতে। আমি টাকা দিইনি। না, সেই বয়েসে দেশদ্রোহ যুদ্ধোন্মাদনা এসব ভারী ভারী চিন্তার বশবর্তী হইনি। দিইনি, কারণ বাবা যে কুড়ি বা তিরিশ টাকা দিয়েছিলেন সেটা আমি নিজেই সরিয়ে ফেলেছিলাম বিড়ি-সিগারেট খাব বলে।


যে শিক্ষক ইনিশিয়েটিভটা নিয়েছিলেন তিনি ইতিহাসের প্রবীণ মাস্টারমশাই। সেই মাস্টারমশাই আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “তুমি টাকা দেবে না?” আমি বলেছিলাম “না স্যার। আমার টাকা খরচ হয়ে গেছে”। উনি তখন আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, “বড় হয়ে যদি তোমার কাছে অনেক টাকা হয়, তখন কি তুমি টাকা দিতে?” আমি একটু ভেবে মাথা নেড়ে বলেছিলাম “না”। উনি মুচকি হেসে আর কিছু না বলে পরেরজনের কাছে চলে গেছিলেন।


সেই মাস্টারমশাই সাতজন্মেও কমিউনিজমের ধারকাছ মাড়াননি। বরং বেশ ওল্ড স্কুল ছিলেন। বাড়িতে দুবেলা পুজোআচ্চা করতেন। ক্লাসে ছাত্রদের মরাল ভ্যালুজ নিয়ে লেকচার দিতেন। সরস্বতীপুজোর মন্ত্রের ব্যুৎপত্তি বোঝাতেন। কিন্তু তবু তাঁর মুখের ওপর “না” বলতে পেরেছিলাম কারণ তিনি-ই প্রথম শিখিয়েছিলেন ডিসেন্ট কতখানি গুরূত্বপূর্ণ। নিজে ওল্ড স্কুল এবং কনজারভেটিভ হয়েও তিনি ক্লাসে ডিবেট করাতেন। আমাদের উৎসাহ দিতেন তিনি যা বলেছেন তাকে চ্যালেঞ্জ করতে।


আমার আরেক মাস্টারমশাই ছিলেন যিনি তাঁর ছাত্রজীবনে অতিবাম রাজনীতি করার কারনে দশবছর জেল খেটেছিলেন। তিনি প্রথম আমার হাতে গোর্কী, টলস্টয়, শলোখভ তুলে দেন। তাঁর ডিপ্রেসনের বিকেলগুলিতে অনর্গল আমার কাছে গল্প বলে যেতেন নিজের উত্তাল যৌবনের দিনগুলির। তাঁর কাছে এরকম এক বর্ষার বিকেলে বসে শুনেছিলাম, যাদুগোড়াতে তাঁরা যখন মুভ করছেন, সেই অঞ্চলের এক পাগলের গল্প। সেই পাগলটি তাঁদের সাথে অনেকটা রাস্তা একসাথে হেঁটে গিয়েছিল। তারপর কি ভেবে নিজের মনেই একদিন উধাও হয়ে যায়।


সেই পাগলটিকে গ্রামের সকলে ক্ষেপাত। তার গায়ে ছেড়ে দিত লাল পিঁপড়ে। পুকুরে স্নান করতে নামলে পেছন থেকে অতর্কিতে এসে তার মাথা জলের মধ্যে চেপে ধরত। সে ভয় পেয়ে চেঁচাত। উন্মত্ত অসহায় আক্রোশে মুঠোমুঠো ধুলোবালি ছুঁড়ত তার নির্যাতনকারীদের দিকে। সকলে তাকে দেখে খ্যা খ্যা করে হাসত। ভিক্ষে করতে বেরলে পাগলকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে তার পয়সা নিয়ে পালিয়ে যেত ছেলেপুলের দল। পাগল তখন অসহায়ের মত হাত পা ছুঁড়ত। তার মুখ দিয়ে স্পষ্ট আওয়াজ বেরত না। স্বরযন্ত্রে গোলমাল ছিল। শুধু লালা গড়াত, আর দুর্বোধ্য কিছু শব্দ বেরিয়ে আসতে চাইত প্রাণপণে। মাস্টারমশাই যখন সেই পাগলটির গল্প করছিলেন, আমি দেখেছিলাম যে তিনি কাঁদছেন। বাইরে তখন আকাশ কালো হয়ে ছায়া ঘনিয়ে এসেছে। আর প্রায়ান্ধকার ঘরে বসে এক প্রাক্তন বিপ্লবী কাঁদছেন আর বলছেন “সেই পাগল আমাদের সংগে যখন হাঁটছিল তখন কি ভাবছিল বলতে পারো?” আমি চুপচাপ বসেছিলাম।


কয়েক বছর আগে গলফ-ক্লাবে এক বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলাম। বড়লোকদের ব্যাপারস্যাপার। প্রচুর গাড়ি আসছে, সুসজ্জিত নিমন্ত্রিতরা, তাঁদের মার্জিত কথা, চলন-বলন সব-ই ভীষণ পলিশড। খুব হালকা স্বরে কোথাও বিলায়েত খাঁ বাজছিল। এরকম পরিবেশে আমার বিশেষ কিছু করার ছিল না বলে একা বসে বসে থামস-আপ খাচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল পাশেই এক বাবা-মা-ছেলের পরিবার। পোষাক-আশাক, হাঁটাচলার ভংগী জানিয়ে দিচ্ছে যে তারা একটু নিম্ন-মধ্যবিত্ত। সম্ভবত দুরসম্পর্কের আত্মীয়তার কারণে নিমন্ত্রণ পেয়েছিল। ছেলেটির দশ বারো বছর বয়েস। তারা তিনজন কুন্ঠিত ভাবে বসে ছিল এককোণে। কেউ তাদের সাথে বিশেষ কথা বলছিল না। ছেলেটার মনে হয় ইচ্ছে ছিল একটু চারপাশ ঘুরে ঘুরে দেখবে কিন্তু তার মা চোখের শাসনে আটকে রাখছিলেন। একসময় চাপাগলায় ভদ্রমহিলাকে বলতে শুনলাম “কেউ কথা বলছে না। চলো বেরিয়ে এগরোল খেয়ে বাড়ি চলে যাই”। ভদ্রলোক মাথা নাড়লেন “না না এসব করতে যেও না। মন্টুদারা দুঃখ পাবে। তাড়াতাড়ি খেয়ে নিই।”।


তারপর খাবার ডাক পড়ল। ব্যুফে সিস্টেম। বোঝাই যাচ্ছে তাঁরা এসবে অভ্যস্ত নন। বিশেষ করে বাচ্চাটি। অনভ্যস্ত হাতে তার প্লেটে খাবার তুলে দিচ্ছিলেন মা। আশেপাশে সকলে তখন নিজেদের মধ্যে কথাবার্তায় ব্যস্ত। কেউ এদের দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না। খাওয়া শেষের ঠিক মুখে বাচ্চাটি চামচ দিয়ে আইসক্রিম তুলতে গিয়ে সেটা স্লিপ করে গেল। অসতর্কতার বশে কাঁচের প্লেট সশব্দে পড়ল হাত থেকে কার্পেটের ওপর। সকলে নিজেদের মধ্যে কথা থামিয়ে ভুরু কুঁচকে তাকালেন এই দিকে। যেন এই প্রথম সচেতন হলেন যে তাঁদের পরিমণ্ডলে এই তিনজন-ও আছে। আর ঘরভর্তী সেই সুশিক্ষিত সুসজ্জিত নারী-পুরুষের সম্মিলিত দৃষ্টির মুখে দাঁড়িয়ে ছেলেটির মুখ অপমানে লজ্জায় কালো হয়ে গেল। ঠোঁট থরথর করে কাঁপছে। মাথা নিচু। প্রাণপণে সামলাতে চাইছে ঠিকরে আসা চোখের জল। সে ওইটুকু বয়েসেই বুঝে গিয়েছিল কেউ তাদের সম্মান করে না। তারা এই বিয়েবাড়িতে একটা জলজ্যান্ত এমব্যারাসমেন্ট। আমি নির্নিমেষে সেই ছেলেটিকে দেখেছিলাম। তার বন্ধ চোখ, তার কাঁপতে থাকা ঠোঁট, তার সারা শরীর বেয়ে চুঁইয়ে পড়া অপমানকে দেখেছিলাম।



না স্যার, দেশ আমার মা নয়। ঠাকুমাও নয়। দেশ মানে আমার কাছে কিছু স্মৃতি, নিজের জায়গা, নিজের পাড়া আর কয়েকটা অপমানিত মানুষের মুখের থেকে বেশি কিস্যু না। এমনকি সত্যি কথা বলতে গেলে দেশ মানে আমার কাছে আফজল গুরু, শর্মিলা চানু বা স্মৃতি ইরাণিও নয় কারণ এদের আমি দেখিই নি। দেশ মানে সম্ভবত আমার পাড়া, আদিগংগার ধার, শ্মশান, যাদবপুরের আড্ডা, নন্দন, লিটল ম্যাগ, আর কিছু মানুষ- এসবের বাইরে আর কিছু বুঝিও নি এতদিন। আর সেইজন্যে পাকিস্তানকে ঘেণ্ণা করতে পারি না। কারণ জীবনে একজন-ও পাকিস্তা্নি দেখিনি। আজ যখন আপনারা হুংকার ছাড়েন “ভারতমাতাকে সম্মান না করলে পাকিস্তানে চলে যাও”, “কাটুয়ারা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক”, “যে আমার দেশ আর জওয়ানদের অসম্মান করবে তাদের হাত পা চিরে ফেলা হবে”, তখন সেই অমার্জিত বন্য দেশপ্রেম দেখে ভয় লাগে। আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?



রমাপদ চৌধুরীর একটা গল্প ছিল। নাম “ভারতবর্ষ”। স্মৃতি থেকে যদ্দুর মনে পড়ে-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে একটা গ্রামে মিলিটারিরা সেদ্ধ ডিম দিত আর তা নেবার জন্য দলে দলে মানুষ মিলিটারিদের ট্রেনের দিকে প্রতি সকালবেলায় ছুটে যেত। একমাত্র গ্রামপ্রধান বাদে। সে সকলকে বাধা দিত। যেতে দিত না। বলত “ওতে ইজ্জত নাই”। গল্পের শেষে প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষের সময়ে একদিন দেখা গেল অন্য সকলের সঙ্গে সেই গ্রামপ্রধান বুড়োও ছুটে আসছে মিলিটারি ট্রেনের দিকে। সেদ্ধ ডিমের জন্য দুইহাত বাড়িয়ে।


রমাপদ লিখেছিলেন “সেদিন সকলেই ডিমসেদ্ধ পেয়েছিল কিন্তু আমাদের গ্রাম খুব গরীব হয়ে গিয়েছিল”।


যতদিন আমাকে কেউ দেশপ্রেমিক হতে বলেনি, নিজেকে অন্য অনেক দেশের মানুষদের তুলনায় খুব ভাগ্যবান এবং ঐশ্বর্য্যশালী লাগত। আজ আমরা সকলে জাতীয়তাবাদী ডিমসেদ্ধর লোভে ছুটে চলেছি। আর আমার গোটা দেশ এক লহমায় খুব গরীব হয়ে গেছে।








মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 19 -- 38
Avatar: ranjan roy

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

ফরিদা,
লাখ কথার এক কথা বললেন।
Avatar: মনোজ ভট্টাচার্য

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

শাক্যজিতের এই লেখাটা আরও প্রচার হওয়া উচিৎ । কারন এই একই দেশপ্রেমী দেশ তো আমি অনেক ছোটো থেকেই দেখে এসেছি । কখনো তা দেশপ্রেমের নামে - কখনো তা ধর্মের নামে !

ওআগ দ্য ট্যাগ নামে একটা সিনেমা হয়েছিল । নিজেদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে সন্দিহান হলেই সেই কৌশল ব্যবহার করা হয়ে থাকে । - অনেকটা - মানুষ যখন চেঁচায় খাদ্য খাদ্য - সীমান্তে বেজে ওঠে যুদ্ধের বাদ্য !

শুধু এই দেশেই নয় - যুগে যুগে অনেক দেশেই - দেশপ্রেমী ও দেশদ্রোহী দুটো লেবেল ব্যবহার করা হয়ে এসেছে । শাসকশ্রেনীর পছন্দসই না হলেই - দেশদ্রোহী লেবেল পরে যাবে ! - যুক্তিবাদীর কোনও স্থান নেই সেখানে !

মনোজ


Avatar: sch

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

লেখাটা খুব তীব্র, একদম চাবুকের মতো আঘাত করছে। কিন্তু একটা প্রশ্ন মনে এল - মানে হয় তো খুবই অপ্রাসঙ্গিক এবং হাস্যকর - তাও।
যখন ছেকেটির হাত থেকে প্লেটটা পড়ে গেল - শাক্যজিৎ এগিয়ে গিয়ে ওর হাতে প্লেটটা তুলে দিয়ে হেসে বললেন না কেন - আরে কোন ব্যাপার না - এরকম আমারও হ'ত তোমার মতো বয়েসে। সাবধানে ধরে রেখো।
আমার লেখাটা পড়েও আপ্নারা ওই ঘরভর্তি লোকগুলোর মতো তাকিয়ে ভুরু কোঁচকাবেন - কি সব আজে বাজে কথা বলে জাটীয়তাব্দের রসভংগ।
কিন্তু আমি হেসে বলতে পারব - অভ্যেস নেই তো ফসকে গেছিল
মানে তাতে কি
Avatar: S

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

sch এর সাথে একমত। দেশ বলতে যদি কিছু থাকে ঐ লোক্গুলো ই আমার দেশ। ঐ লোক গুলো ই আমার দেশের ৭০%। ঐ লোক গুলোর অবস্থা ভালো না হলে দেশের উন্নতি অসম্ভব। আর ওদেরকে বাদ দিলে আমার নিজের পরিচয়ও অনেকটা ঝাপসা হয়ে ওঠে।
Avatar: Div0

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

লেখাটা পড়ছিলাম। পরিস্থিতিগুলো খুব চেনা লাগার কারণেই কিনা জানি না, নিজের সঙ্গে রিলেট করতে পারলাম। শাক্যকে ধন্যবাদ এটা লেখার জন্য।

আর অনেক সময় নিজের সম্পৃক্ততা দিয়ে অন্য কোনও কিছু ঢেকে না দেওয়াই ভালো, আমার মতে। যেমন সস্পৃহ লক্ষ্য করে গেল শাক্য এখানে। ছেলেটার ওই অভিজ্ঞতাটুকুর প্রয়োজন ছিল হয়ত। ওর ওই চরম অপমানকর বৃত্তের মধ্যে আচমকা পা-বাড়িয়ে ঘটনার প্রবাহে বদল না-আনাটাই জরুরি ছিল হয়ত এখানে। এটা আমার মনে হওয়া। যেমন আমাদের একেবারে নিজস্ব কিছু কিছু জিনিষ। নিজের শিক্ষা, নিজের নিজের যুদ্ধ।
Avatar: cm

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

sch এর প্রশ্ন আমার মনেও জেগেছিল তবে রসভঙ্গের আশঙ্কায় লিখিনি।

শাক্যর ব্যবহারের জাস্টিফিকেশন ও এসেছে প্রত্যাশামত। অ্যাসোশিয়েশন হইল গিয়া কিওয়ার্ড। তা শাক্যর ব্যবহারই হোক আর তার ব্যাখ্যা।
Avatar: sopatt

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

এখানে দু চার জন ভাবছেন ছেলেটিকে প্লেট তুলে দিয়ে দুটো মিষ্টি কথা বললে হয়তো প্রপার কাজ হত ।

এনারা মনে হয় এখনো আধুনিক মনন ও চিন্তাশিল বুদ্ধিজীবী দের গভীর চেতনা ও মর্মশীলতা কে অনুভব করতে পারেন নি

পুরো ব্যাপারটা চোখের সামনে ঘটতে দিয়ে বাড়ি ফিরে ঠান্ডা মাথায় ভেবে সপ্তাহান্তে সময় করে গুরুর মাধ্যমে এই যে সামাজিক সমস্যার উপাখ্যান করে বেদনাদায়ক কঠিন কষাঘাতে পাঠকের আত্মচেতনার বিকাশ ঘটানোর সুকঠিন প্রচেষ্টা , তার মূল্যায়ন সবাই করতে পারবেনা এটাই স্বাভাবিক

ছেলেটি হয়ত চারদিকে তাকিয়ে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকা লোকেদের মধ্যে লেখক কে আলাদা করে নিতে না পেরে তেনাকেও সেই তথাকথিত বুর্জোয়া গোষ্ঠির লোক বলে ধরে নিল , কোনদিন জানতে পারবে কি? সেই দলে এমন একজন ছিলেন যিনি সেই সময় নিজের প্লেট এর বিরিয়ানি চিবোতে চিবোতে বা নলি হাড় চুষতে চুষতে পুরো ব্যাপারটএকে গুরুর টেবিল এ সমাজচেতনার ধারালো করাত দিয়ে পোস্ট মর্টেমএর এক কঠিন নিশব্দ প্রতিজ্ঞা করলেন ?
Avatar: sch

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

দূর মশাই - আপনি কিচ্ছু জানেন না - ওই সব গলফ গ্রীনের বিয়ে বাড়িতে বিরিয়ানি দেয় না -ও তো আজকাল গ্রামের বাড়িতেও দেয়। ওখানে রিসোট্টো বা আরোজ ডি লিসা বা অন্য কিছু দেয় আমরা যার নাম জানি না। বিরিয়ানি কি দেবে!!! গলফ গ্রীনের অভিজাত বিয়েবাড়িতে। না জেনে টেনে লিখে ফেলেন
Avatar: আপনারা

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

খুবই রসিক।
Avatar: sopatt

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

একদম একমত এর থেকেও একমত , আরে দাদা, জেনে লেখা, তাও গুরু তে? ওই সোনার কি যেন আমসত্ব আর কাঁঠালের কি যেন পাথর বাটি (সেটাও জানিনা) বলেনা?
তবে দাদা আপনার খবরের সুত্র পাল্টান, আমার কাছে একদম পাক্কা খবর আছে, ডাক রিলোত্তে এন ক্রুতে আর বলান্গেরে আর ক্রীয়লে রেমুলাদে মেনু তে ছিল, আরে রিস্অত্ত, দি লিসা এসব তো আজকাল বিশ্বকর্মা পুজোর দুপুরেও পত্যেক পাড়ায় হয়
Avatar: S

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

ধুর কোলকাতার গল্ফ ক্লাবের চার্জ অনেক বেশি। জিমের মেম্বারশিপ ২৫০০০ পুলের মেম্বারশিপ ২০০০০। এরা এখনো এগুলোকে প্রিমিয়াম সার্ভিস ভাবে?
Avatar: dc

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

বিয়েবাড়িতে বা রেস্টুরেন্টে চামচে, কাপ এসব পড়ে যাওয়া কিন্তু বেশ কমন ব্যাপার। আমার নিজেরই যে কতোবার হয়েছে! ঃ( আগে আমিও লজ্জা পেতাম, এখন স্মার্টলি আবার কুড়িয়ে নি। অন্য কারুর প্লেট পড়ে গেলে তুলেও দি, আমার হাত খালি থাকলে, বা ওয়েটারদের কাউকে ডেকে দি।
Avatar: sch

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

আমাদের প্রত্যেকের একটা চেনা ভারতবর্ষ আছে। সেই ভারতবর্ষ আমাদের দেশ। তাকে আমরা ভালোবাসি। আজ কর্পোরেশানের লোক এসে আমার বাড়ির সামনের বাগানটা কেবল লাইজ পাতার জন্য খুঁড়ে তছনছ করে দিয়ে যদি চলে যায় খুব রাগ হয়। সেইরকমই আমাদের দেশের যে সব জায়গায় আমরা গেছি - যে সব জায়গা ভালো লেগেছে , যে সব জায়গার মানুষের সঙ্গে কথা বলে আলাপ হয়েছে - তাদের ওপর কেউ আক্রমণ করছে, তাদের কেউ আঘাত করছে শুনলে রাগ হয়। আর অখনই একটা বায়াসড ফিলীং তৈরী হয়। সেটান নাম দেশাত্মবোধ

যতক্ষণ এই দেশাত্মবোধ কাউকে মার্জিনালাইজ করে না, শুধু নিজের বায়াসকে সমর্থন করে যায়; কোনো সমস্যা মনে হয় না। সমস্যা হয় যখন অন্যকে শত্রু মনে করতে শুরু করে আর তাকে আক্রমণ করতে ইন্সপায়ার করে , ঠিক তখন ।

anecdotal experience এ দেশ ডিফাইন করতে গেলে খুব সমস্যা । DRDOর অনুরাগ শ্রীবাস্তব আই এস আই গেটের সামনে দাঁড়িয়ে খুব বিরক্ত হয়ে বলেছিল "why all the private buses in Kolkata have a mosque like picture in the backside, I feel I am in Karachi". সত্যি কোনোদিন খেয়ালও করি নি। মাসের মধ্যে বেশ কিছুটা সময় সাবমেরিনে কাটায় অনুরাগ, তার এক মাত্র কাজ শত্রুপক্ষের কোড দিক্রিপ্ট করা - আর সেই শত্রুপক্ষ পাকিস্তান। তার কাছ থেকে এর থেকে বেশী কিছু কি আশা করা যায়? তাকে বোঝানো যেতে পারে যে বাসের বডি রঙ করে যারা বেশীরভাগই গরীব মুসলমান - তাদের শিম্পচেতনায় একটা মসজিদের আকৃতির ্মিনারের ছবি খুব স্বভাবিক, এটা একজন হিন্দু আঁকলে মন্দির হয় - খুব আলাদা কিছু হতে পারেনা । তবে মনে হয় না তাতে খুব লাভ হবে।

শ্রীনগরের চারপাশের কিছু অঞ্চলে অল্প সময় কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। ঠিক শহরও না - গ্রামও না - যাকে বলে perimheral area. সময়টা খুব শান্ত আর অশান্তের মাঝামাঝি। একদিন লাল চকের কাছে একটা জায়গা ক্রস করে যাবার আধ ঘন্টা বাদে ব্লাস্ট হল, কেউ মারা গেল না - অল্প স্বল্প জখম। কিন্তু মিলিটারি পূরো দমে নেমে পড়ল। জ্যামারের দৌলতে বাড়িতে ফোণ করা যাচ্ছে না। ইরিটেশান একটা জায়গা ক্রস করে গেছে - অসহায়তা রাগে কনভার্টেড । টেররিস্টদের বাপ -বাপান্ত করা হচ্ছে -স্থানীয় সঙ্গীটি সরকারী কর্মচারী - বুঝতে পারছেন রাগের কারণ। শেষ-মেষ যখন খবর পাঠানো সম্ভব হল - বিনীত অনূরোধ করলেন কাছের একটা জায়গায় যেতে।

কোনো টুরিস্ট স্পট না । জিরো ব্রিজ থেকে নেমে চিনারের অল্প জঙ্গল পার হয়ে একটা কবরখানা - পুলিশের গুলিতে সে যব "টেরসিস্ত" মারা গেছেন তাদের শেষ শয্যা। কোনো নাম লেখা নেই - শুধু একটা করে সাদা ফলক। দু'চারটে ঘটনা শোনালেন - ওই যেরকম আমরা সুন্দর মলাটের বিশ্লেষণী ইঙ্গরেজী বইতে পড়ে থাকি - kashmir an insite story জাতীয় বইগুলো/ মিলিটারীর ঘোর বিরোধী তিনি - কিন্তু ভারত রাষ্ট্রের না । জিজ্ঞেস করেছিলাম পাকিস্তানে গেলে কি ভালো থাকবেন ? মুখের বিস্ময় দেখে লজ্জা পেয়েছিলাম । বলেছিলেন -ম্যায় সরকারী নোকর হুঁ। গভর্ণমেন্ট সে পাগার লেতা হুঁ। পাকিস্তান মে কিঁউ যাউ?" ফেরার পথে প্রশ্ন করেছিলেন -"আপনাদের কলকাতায় যদি আপনার অফিসের উল্টোদিকে একটা সাঁজোয়া গাড়ি সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকত, আপনার কেমন লাগত। আপনি জানের ওটা কিন্তু আপনার সুরক্ষার জন্য। " না উত্তর দিত পারি নি।

এই সাজাদ ওয়ানি বা অনুরাগ শ্রীবাস্তব, দুজনেরই কিন্তু একটা করে দেশ আছে। শুধু তার সংজ্ঞা মেলে
দেশ চালান। এই লোকগুলোকে সরিয়ে দিলেই আমার আপনার সবার দেশের সংজ্ঞা মিলে যাবে।


Avatar: S

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

আচ্ছা ইস্কুলে ছোটোবেলায় কিছু শেখানো যায়্না?
Avatar: ranjan roy

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

sch,
আপনার কথা বুঝতে পারছি।
Avatar: sch

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

চশমা হারিয়ে গেছে - এবং চোখের পাওয়ার বেড়েছে হঠাৎ করে - এই অবস্থায় লেখার দুর্বুদ্ধি মাথায় এল কেন কে জানে -অনেক টাইপোস আছে - ক্ষমা চেয়ে নিলাম
Avatar: sch

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

*শেষ প্যারায় যা লিখতে দেয়েছিলাম

এই সাজাদ ওয়ানি বা অনুরাগ শ্রীবাস্তব, দুজনেরই কিন্তু একটা করে দেশ আছে। শুধু তার সংজ্ঞা মেলে না। আসল সমস্যা সেই সব মানুষকে নিয়ে যারা দেশ চালান, আইন বানান আর দেশভক্তির সংজ্ঞা তৈরী করে দেন। এই লোকগুলোকে সরিয়ে দিলেই আমার আপনার সবার দেশের সংজ্ঞা মিলে যাবে।
Avatar: aranya

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

শাক্য-র লেখা আমার ভাল লাগে। এই লেখাটাও ভাল লাগল।

'উমর, কানহাইয়া আমার ভাইয়ের মতন' - এই লাইন-টা পড়লাম, শাক্য-র একটা পোস্টে।

রাজীব হায়দার, অভিজিৎ, আরও ব্লগার যারা বাংলাদেশে খুন হয়েছেন, তাদের সম্বন্ধে এমন কোন লেখা বা মন্তব্য শাক্য-র কলম থেকে পেলে ভাল লাগত।

তবে, কার কাকে আপন লাগবে সেটা প্রত্যেকের নিজস্ব ব্যাপার, তাও ঠিক।
Avatar: বাজে খবর

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

না, অভিজিৎ বা রাজীবের মৃত্যু নিয়ে খারাপ লাগা আছে। কিন্তু তাদের সাথে একাত্মবোধটা আসে না। সলিডারিটি জানাতে পারি, আইডেন্টিফাই করতে পারি না।

যেহেতু উমর বা কানহাইয়ার সাথী একাত্মবোধ করতে পারি তাই পৃথিবীর সব ঘটনার সাথেই করতে হবে, এরকম দাবী আমার ঠিক বলে মনে হয় না। এটা ভীষণভাবে ব্যক্তিবিশেষের ওপর নির্ভরশীল। উমর বা কানহাইয়ার ব্যাপারটা আমি খুব পার্সোনালি নিয়েছি। সেইজন্য হয়ত রিঅ্যাক্ট বেশি করছি। অভিজিৎ বা রোহিত বা শর্মিলা চানুর ক্ষেত্রে সেই পার্সোনাল ব্যাপারটা আসে না।
Avatar: শাক্যজিৎ

Re: আপনাদের দেশের চেহারা তো দেখলাম-আমার দেশ তাহলে কোথায় যাবে?

সরি ওপরের লেখাটা আমার। ভুল আইডি দিয়ে লগড ইন ছিলাম বলে ছড়িয়েছি :)

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 19 -- 38


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন