সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মসলিন চাষী
    ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, বিষয়টা আপনাদের কাছে হয়ত বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে না, কিন্তু তা সত্য এবং এক অতি অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যে আমি পড়ে গেছি ও এর থেকে নিস্তারের উপায় কী তা আমার জানা নেই; কিন্তু শেষপর্যন্ত আমি লিখে যাচ্ছি, যা থাকে কপালে, যখন আর কিছু করা ...
  • সিরিয়ালচরিতমানস
    ‘একটি বনেদি বাড়ির বৈঠকখানা। পাত্রপক্ষ ঘটকের সূত্রে এসেছে সেই বাড়ির মেয়েকে দেখতে। মেয়েকে আনা হল। বংশপরম্পরা ইত্যাদি নিয়ে কিছু অবান্তর কথপোকথনের পর ছেলেটি চাইল মেয়ের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে। যেই না বলা, অমনি মেয়ের দাদার মেজাজ সপ্তমে। ছুটে গিয়ে বন্দুক এনে ...
  • দেশ এবং জাতীয়তাবাদ
    স্পিলবার্গের 'মিউনিখ' সিনেমায় এরিক বানা'র জার্মান রেড আর্মি ফ্যাকশনের সদস্যের (যে আসলে মোসাদ এজেন্টে) চরিত্রের কাছে পিএলও'র সদস্য আলি ঘোষনা করে - 'তোমরা ইউরোপিয়ান লালরা বুঝবে না। ইটিএ, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, আইরিশ রিপাব্লিকান আর্মি, আমরা - আমরা সবাই ...
  • টস
    আমাদের মেয়েবেলায় অভিজ্ঞান মেনে কোন মোলায়েম ডাঁটির গোলাপ ফুল ছিলনা যার পরিসংখ্যান না-মানা পাঁচটাকা সাইজের পাপড়িগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে সিরিয়ালের আটার খনি আর গ্লিসারিনের একটা ইনডাইরেক্ট প্রোপরশন মুখে নিয়ে টেনশনের আইডিয়ালিজম ফর্মুলায় ফেলবো - "He loves me, he loves ...
  • সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা
    গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ ...
  • সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা
    গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ ...
  • গো-সংবাদ
    ঝাঁ চকচকে ক্যান্টিনে, বিফ কাবাবের স্বাদ জিভ ছেড়ে টাকরা ছুঁতেই, সেই দিনগুলো সামনে ফুটে উঠলো। পকেটে তখন রোজ বরাদ্দ খরচ ১৫ টাকা, তিন বেলা খাবার সঙ্গে বাসের ভাড়া। শহরের গন্ধ তখনও সেভাবে গায়ে জড়িয়ে যায় নি। রাস্তা আর ফুটপাতের প্রভেদ শিখছি। পকেটে ঠিকানার ...
  • ফুরসতনামা... (পর্ব ১)
    প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি।আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিলনা। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, ...
  • কাঁঠালবীচি বিচিত্রা
    ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, ...
  • মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি
    মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। ...

ইন্দ্রাণী মুখার্জী অথবা অ্যান ইন্ডিয়ান ট্র্যাজেডি

Sakyajit Bhattacharya

নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্মালেও ক্লাইডের উচ্চাকাংখা ছিল দেখার মতন। চার্চের কাজে নিযুক্ত ধর্মভীরু বাবা মা কে সে অপছন্দ করত মন থেকে। সে চাইত ঝকঝকে গাড়ি, চোখজুড়নো ভিলা, অঢেল টাকা আর চারপাশে সুন্দরী নারীদের ভিড়। বিশের শতকের গোড়ার দিকের আমেরিকাতে, যুদ্ধোত্তর ফাটকা বাজারে শেয়ার খাটিয়ে হঠাৎ বড়লোকদের এবং পুঁজীর দর্পে রক্তচক্ষু ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টদের চারণভূমি আমেরিকাতে অথবা মধ্য ও নিম্নবিত্তের লাগামছাড়া অ্যাসপিরেশনের স্বর্গরাজ্য আমেরিকাতে দাঁড়িয়ে ক্লাইড বুঝেছিল এই এনিথিং-ক্যান-হ্যাপেন-এর রাজ্যে তাকে লড়ে নিতে

আরও পড়ুন...

অন্য মেয়েটা

শিবাংশু

-অন্য মেয়েটা'কে সবাই ভিলেন কেন মনে করে? সে তো অনেক রিস্ক নিয়ে ভালোবাসতে চেয়েছিলো। অনেক বেশি আবেগ নিয়ে তার আঁকড়ে ধরা.....বিয়ে করতে কী লাগে? একটা নোটিস, দু'চারশো টাকা, একটা সইকরা কাগজ....
-বড্ডো উত্তেজিত হয়ে পড়েছো... কফি খাবে? আরেকটা?
-তুমি এড়িয়ে যাচ্ছো....
-কে জানে... কাছে আসার জন্য দূরে যেতে হয় বোধ হয়...
-ঐ সব শেষের কবিতা টাইপ ডায়ালগ দিও না... অসহ্য লাগে...
-অসহ্য কী লাগে? কাকে লাগে? মানুষ'কে? বিয়ে'কে? না নিজেকে....?
-তোমাকে.... তোমার এই সো কল্ড দায়িত্ব, দায়িত্ব মার্কা ম

আরও পড়ুন...

bhay

dd

ভয়

ধড়মড় করে উঠে বসলো অজয়। ভয়ার্ত চিৎকার করে উঠলো। নিমেষে ঘুম ভেঙে গেলো দীপার।
"ক্কি ?" উৎকন্ঠায় গলা বসে গেছে দীপার "কি হোলো?"
"শুনতে পাচ্ছো?"
"পাচ্ছি" দীপা বলে। একটা শব্দ। ঠিক চেনা যাচ্ছে না। কারুর আওয়াজ। কোনো দুর্বোধ্য ভাষায় কেউ বিড় বিড় করছে। না, মনে হচ্ছে গান গাইছে। কান পেতে শোনে দীপা। কেউ যেন অনেক দুরে চেঁচিয়ে উঠলো। অজয়ের বুকে কান পাতে। হৃতপিন্ডের ধুকধুক আওয়াজের
সাথেই অস্ফুট একটা হাসি। শুনতে পায়।
"আমার বুকের মধ্য থেকে। কেউ। কিছু। কথা বলছে।"
দীপা উত্তর দেয় না

আরও পড়ুন...

নারী-ধর্ষণ সম্পর্কে দু’চার কথা যা আমরা জানি অথবা জানিনা

অবন্তিকা

[কেন 'নারী-ধর্ষণ' তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, তাই প্রথমেই শিরোনাম সম্পর্কে আত্মপক্ষ সমর্থনে বলে রাখি, যেহেতু ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি ধর্ষণ ব্যাপারটা জেন্ডার-নিউট্রাল একটা ইস্যু, যেহেতু ভারতে ধর্ষণের সংজ্ঞার আরও আরও পরিমার্জন কাম্য বলে মনে করি, আর এই লেখাটা কেবলমাত্র মহিলাদের ধর্ষণ প্রসঙ্গেই একটা ওভারভিউ, তাই এ হেন নাম l
লেখাটা প্রাথমিকভাবে লিখেছিলাম মার্চ মাসে, রাণাঘাট কাণ্ড ও সুজেটের মৃত্যুর অব্যবহিত পর l একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের কারণে শেষমেষ হ

আরও পড়ুন...

শাক্যজিতদার মতামত/পোস্ট খণ্ডন

Parichay Patra

শাক্যদার মত খণ্ডন করার কথা অনেকদিন ধরেই বলেছি। শাক্যদার এতাবধি সবচেয়ে বিতর্কিত পোস্ট ছিল অভিজিৎ রায়ের হত্যার কিছুদিন পরে করা। সেখানে মূল অভিযোগ ছিল নিজের রচনায় পশ্চিমের নিও-এথিজমকে অবিকৃতভাবে কার্যত অনুবাদ করেছেন অভিজিৎ সহ নানাজন, সেটি তাঁদের দেশের পক্ষে উপযুক্ত কিনা তা না ভেবেই, এবং পশ্চিমের এই নিও-এথিজমের তল্পিবাহক হয়ে তাঁরা আদতে সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থই রক্ষা করছেন, নিজেদের জ্ঞানত বা অজান্তে যাই হোক না কেন। আমি বরাবর বলে এসেছি শাক্যদা যে সমস্যা প্রসঙ্গ তুলছেন সেটি একটি তাত্ত্বিক সমস্যা, তাকে

আরও পড়ুন...

তমোঘ্ন কেন বাড়াবাড়ি করল না?

Sakyajit Bhattacharya

প্রেসিডেন্সীর আন্দোলন এবং ব্রা কেসে মজা লাগল লোকজনের প্রতিক্রিয়া দেখে। কিভাবে ব্যাপারটাকে হ্যান্ডল করতে হয় জানেই না। এইখানে আমাদের দেখার চোখ এখনো যে পরিণত হয়নি তার আবার প্রমাণ পাচ্ছি। তিনখানা কমন রিঅ্যাকশন দেখলাম।

১। এই সব ফালতু কাজ করে আন্দোলনের মেইন ইস্যু থেকে চোখ ঘুরিয়ে দেওয়া হল।
উত্তরে বলার, এই কাজটা হল বলেই আন্দোলনটা সর্ব-ভারতীয় মিডিয়াতে খবর হল। নাহলে মমতা ব্যানার্জীর রাজ্যে পুলিশ এবং/অথবা তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ছাত্র পেটানোর সংস্কৃতি এতই গা-সওয়া হয়ে যাচ্ছিল যে আর কেউ মাথাই ঘামাত

আরও পড়ুন...

গল্পের মতো

অবন্তিকা

http://s24.postimg.org/98ut0lo8l/keya.jpg

“The group's early productions were mainly adaptations of non-Indian plays… In the late 1970s, first Asit Bandopadhyay and then Ajitesh Bandopadhyay left the group. With Rudraprasad Sengupta as the main director, a new era started, and Nandikar turned from a pure performance-oriented theatre group to an organisation with a wide range of projects…” (Nandikar: Wikipedia)

পৃথিবীর কোনও ইতিহাস পক্ষপাতহীন নয় l হতে পারেনা l যে বা যারা সেই ইতিহ

আরও পড়ুন...

বিউটি এ্যান্ড দি ব্রেন - ততসহ একালের কবিতা

সুকান্ত ঘোষ

আমি নিজের দিক থেকে কিছু বেশ পুরানো এবং বহুল প্রচলিত কথা ভাবছিলাম – এই যে ‘আর্ট’ (এখানে ধরা যাক কবিতা) তার সফলতা ঠিক কতটা বা কিভাবে নির্ভর করা উচিত যে পড়ছেন (বা যে দেখছেন) তাঁর উপর? এই প্রসঙ্গে V.S. Ramachandran এর লেখা “The Tell-Tale Brain” বইটির সপ্তম পরিচ্ছদে খুব সুন্দর আলোচনা আছে – “Beauty and The Brain – The Emergence of Aesthetics”. একটি বিখ্যাত উদাহরণ আছে, যেখানে বলা হচ্ছে শিল্পী Marcel Duchamp আর্ট গ্যালারীতে একটি প্রসাব করার চিনামাটির পাত্রগুলি ঝুলিয়ে রেখেছিলেন এই দাবী করে যে, “আমি বল

আরও পড়ুন...

জনগণমন

dilip ghosh

চাকরি করার সময়, অফিসে ফ্ল্যাগ তুলে একটু সিঙ্গাড়া মিষ্টি খেয়েই প্রশাসক হিসেবে দেশভক্তির যথেষ্ট প্রমান দেওয়া যেত। চাকরির একটা নির্দিষ্ট ধাপের পর থেকে স্বাধীনতা দিবসে বিকেলে মাননীয় রাজ্যপাল চা পানের নিমন্ত্রণের একটা কার্ড পাঠাতেন, তবে ঐ অত আমলার ভীড়ে এক আধজন কে দেখা না গেলে বুঝতে পারবেন না বলে অনেক সময়েই…বুঝলেন না ……হে…… হে ।

বছর ষোল আগে হঠাৎ নেমন্তন্য করলেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষকরা, ওঁদের আচার্য পল্লীর আবাসনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এটা এড়ানো মুশকিল, আমার পুত্র তখনো মিশ

আরও পড়ুন...

মারণী ফন্দি?

রৌহিন

মৃত্যুদন্ড থাকা উচিৎ কি উচিৎ নয় এ নিয়ে বিভিন্ন থ্রেডে আলোচনা চলছে। কিছু ধর্মান্ধ লোক স্বভাবতঃই কোন যুক্তি তর্কের ধার ধারেন না শুধু ভাবাবেগের বেগ আর গলার (প্রয়োজন হলে কবজি বা অস্ত্রেরও) জোরে সব কিছু প্রমাণ হয়ে গেছে মার্কা স্টেটমেন্ট ছাড়েন। তাদের কিছু বোঝাতে আর বিরক্ত লাগছে। কিন্তু সবাই তা নন। কিছু মানুষ যুক্তি দিয়েছেন – এবং তাদের সঙ্গে এই আলোচনাটা হওয়া জরুরী মনে করি। আলোচনায় ঢোকার আগে আমার বায়াসটুকু জানিয়ে রাখা জরুরী – আমি সামগ্রিকভাবে মৃত্যুদন্ডের বিরোধী – সে ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী হোক বা ইয়াকুব মেমন

আরও পড়ুন...

দৃশ্য(ম) দর্শন

তাপস দাশ

ডিসক্লেমারঃ দৃশ্যম আর্গুএবলি টাবুর সবচেয়ে খারাপ অভিনয়ের সিনেমা। এত্ত চান্স পেয়ে এত্ত ঝুল – চোখে দেখা যায় না মাইরি! কী খারাপ ভাবে ঘুরছিল, ঘোরাচ্ছিল চোখ।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------
সিনেমার সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ইন্টারেস্টিং কথা ছিল টাব্বুর জবানিতেই। ভিস্যুয়াল কেন এবং কী ভাবে মস্তিষ্কে এবং মননে তার ট্রেস রেখে যায়, এ নিয়ে একটা মোটা ডায়ালগ আমরা শুনতে পাই। যেটা খুব জরুরি – এমনি তত্ত্ব হিসেবেও এবং ফিল্ম

আরও পড়ুন...

সংহতির রাজনীতি – গাজা থেকে আইসিস

Garga Chatterjee

গণহত্যার ফলে যখন মানুষ মারা যায়, তখন ‘সন্তান মোর মার’ গোছের ভাবনার একটা দাম আছে। কিন্তু কত মানুষ মরলো, সেই সংখ্যার বিচার-ও একদম ফেলনা নয়। তাই তো চোরাগোপ্তা হাজারো হত্যার মাঝেও জ্বলজ্বল করে কলকাতা ৪৬, নোয়াখালি ৪৬, পাঞ্জাব ৪৭, বরিশাল ৫০, দিল্লী ৮৪, গুজরাট ২০০২। গণহত্যা বা জেনোসাইড কথাটিও ঠিক যত্রতত্র ব্যবহারের জিনিস নয়। পৃথিবীর বুকে থাকার অধিকার আছে সকলের। একটি বিশেষ জনগোষ্ঠী নিকেষ হবার উপক্রম হলে শুধু কটা মানুষ হারিয়ে যায় না। হারিয়ে যায়ে পৃথিবীকে ও জীবনকে দেখার একটি প্রণালী। হারিয়ে যা

আরও পড়ুন...

পোড়ামাংস, কুকুর, হাতঘড়ি, অন্যান্য

উদয়ন ঘোষচৌধুরি


[ অনেক জায়গায়তেই দেখি ‘কবিতা কেন লিখি?’-র ওপর কাঁড়ি কাঁড়ি পাতা খরচ। যদি এটাই কাউন্টার হয়ে যায়? যদি বলা হয় ‘কেন পড়ি?’ সত্যিই তো, আমি কেন পড়ি কবিতা? ]

এই যে চারপাশে তাপ্পি-মারা জীবন – ওই যে লোকটা, প্রচুর তেল মেরেও প্রোমোশনের গুড়টা পিঁপড়ে চেটে নিল বলে, মুখ গোঁজ করে আছে অফিসে; ওই যে ছেলেটা, টিউশনির টাকায় মাসে একদিন মুরগির মুরোদ হয় না বলে, প্রেমিকা বলেছে ‘ধুত্তোর’; ওই যে বুড়োটা, উদাস ব্যালকনিতে অপেক্ষা করছে ছেলের বউ কখন সিরিয়াল-শেষে এক কাপ চা বানিয়ে দেবে; ওই যে বউটা, লেডিস স্পেশালে ঝুলত

আরও পড়ুন...

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি...

Sinjini Sengupta

বাংলাদেশ নিয়ে, কেন জানিনা, চিরকালই মনের মধ্যে একটা ফ্যান্টাসি ছিল। তার একটা কারণ সম্ভবত ছোটবেলা থেকে পাড়ায় ক্লাবে বা আড্ডায় ওই বাঙ্গাল-ঘটি, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান, ইলিশ-চিংড়ি বা পদ্মা-গঙ্গা (প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়, ইলিশের স্বাদ বিষয়ক) নিয়ে নিয়মিত খুনসুটি আর ঝগড়াঝাঁটি। আর তাছাড়া বয়স্ক লোকজন কখনো জিগ্যেস করলে নিয়মমাফিক চেনা উত্তরটা দিয়ে দেওয়া, যে হ্যাঁ, আমার বাবা মা দু'পক্ষই আদতে ও'দেশের, আর অতঃপর "ওদেশের কোথায়?"-এর উত্তরে হেথায় ও সেথায়, ইত্যাদি।

বাংলাদেশ ছুঁয়ে দেখিনি কোনদিন। টাকি থেকে নদীর

আরও পড়ুন...

মজন্তালি সরকার aka John!

Sinjini Sengupta

জন আমাদের হিরো ছিল।

জনের ব্যাপার সাপারই আলাদা ছিলো। জন কাউকে ভয় পেতনা, গ্রাহ্যও করত না বিশেষ। ওর হাঁটাচলার ভঙ্গিই ছিল সবার থেকে আলাদা। মানে, ওর চলার রাস্তায় ধরুন যদি কেউ এসে পড়ে, রাস্তা ছেড়ে সরে দাঁড়ানোর দায়টা অবশ্যই তার; জন বড়জোর দেরি দেখলে ঘাড় তুলে একটা শীতল দৃষ্টি নিক্ষেপ করে অসন্তোষ প্রকাশ করবে মাত্র।

জনের জীবনে তাড়াহুড়ো, টেনশন, ইন্সিকিউরিটি, এসবের কন্সেপ্ট একেবারেই ছিল না। ওর হাবভাব, চলার গতি, তাকানো ধরন, বসার পোজ, সবই ছিল সুস্থির, আত্মবিশ্বাসী। ও ঘরে ঢুকে একবার ঘাড় ঘুরিয়ে

আরও পড়ুন...

Epitaph

Sinjini Sengupta


- তুমি সুখ উপলব্ধি করেছ?

- করেছি তো।

- সত্যি বলছ?

- সত্যিই!

- তাহলে বলো, কেমন সে অনুভূতি? কেমন, সুখ?

- সে বড় অদ্ভুত। বলে বোঝাব কি করে?

- না, তবু বলো আমায়।

- বেশ। ওই যে বললাম, অদ্ভুত? তাইই। কোন গন্ধ- বর্ণ - স্বাদ হয়না সুখের। না বিন্দুর মতো স্থির, না নদীর মতো বহমান। আবার, না ঝর্নার মতো চঞ্চল! না এঁদো পুকুরের জলের মতো বদ্ধ। বরং, বলতে পারো, দিঘীর মতো! গভীর, ভিতরে গিয়ে বাজে। তল পাওয়া যায়না!



- আরও বলো আমায়, আরও বলো!

আরও পড়ুন...

ফাঁসিচক্র

তির্যক

এই বিতর্কটা চলবেই, কারণ আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে আর যারই অভাব থাক অপরাধীর কোনও অভাব নেই আর মাঝে মাঝেই তাদের ফাঁসীকাঠের দিকে পাঠাতেই হয়। তখনই আমাদের এই অনিবার্য তক্কাতক্কিতে ঢুকে পড়তে হয়। এখানে আপনাকে একটা পক্ষ নিতেই হবে, দিনের শেষ আপনি মৃত্যুদন্ডের পক্ষে অথবা বিপক্ষে, কোনো মাঝামাঝি অবস্থান নেই। আমরা সদ্য একটা ফাঁসিচক্র সামলে উঠলাম, ঘুলিয়ে উঠল আমাদের থিতিয়ে পড়া মতামত গুলো। আপাততঃ আমাদের সামনে কেউ নেই, তাই আসুন এই সুযোগে নিজেদের যুক্তি ও আবেগগুলো নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরি। এখানে নিরপেক্ষ মানে পক্ষবিহীন

আরও পড়ুন...