অবন্তিকা RSS feed

দিবারাত্রির চব্য

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বাম-Boo অথবা জয়শ্রীরাম
    পর্ব ১: আমরাভণিতা করার বিশেষ সময় নেই আজ্ঞে। যা হওয়ার ছিল, হয়ে গেছে আর তারপর যা হওয়ার ছিল সেটাও শুরু হয়ে গেছে। কাজেই সোজা আসল কথায় ঢুকে যাওয়াই ভালো। ভোটের রেজাল্টের দিন সকালে একজন আমাকে বললো "আজ একটু সাবধানে থেকো"। আমি বললাম, "কেন? কেউ আমায় ক্যালাবে বলেছে ...
  • ঔদ্ধত্যের খতিয়ান
    সবাই বলছেন বাম ভোট রামে গেছে বলেই নাকি বিজেপির এত বাড়বাড়ন্ত। হবেও বা - আমি পলিটিক্স বুঝিনা একথাটা অন্ততঃ ২৩শে মের পরে বুঝেছি - যদিও এটা বুঝিনি যে যে বাম ভোট বামেদেরই ২ টোর বেশী আসন দিতে পারেনি, তারা "শিফট" করে রামেদের ১৮টা কিভাবে দিল। সে আর বুঝবও না হয়তো ...
  • ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনঃ আদার ব্যাপারির জাহাজের খবর নেওয়া...
    ভারতের নির্বাচনে কে জিতল তা নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা খুব একটা মাথা না ঘামালেও পারি। আমাদের তেমন কিসছু আসে যায় না আসলে। মোদি সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ, অন্য দিকে কংগ্রেস বহু পুরানা বন্ধু আমাদের। কাজেই আমাদের অত চিন্তা না করলেও সমস্যা নেই ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৪
    আম তেলবিয়ের পরে সবুজ রঙের একটা ট্রেনে করে ইন্দুবালা যখন শিয়ালদহ স্টেশনে নেমেছিলেন তখন তাঁর কাছে ইন্ডিয়া দেশটা নতুন। খুলনার কলাপোতা গ্রামের বাড়ির উঠোনে নিভু নিভু আঁচের সামনে ঠাম্মা, বাবার কাছে শোনা গল্পের সাথে তার ঢের অমিল। এতো বড় স্টেশন আগে কোনদিন দেখেননি ...
  • জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৯
    আমি যে গান গেয়েছিলেম, মনে রেখো…। '.... আমাদের সময়কার কথা আলাদা। তখন কে ছিলো? ঐ তো গুণে গুণে চারজন। জর্জ, কণিকা, হেমন্ত, আমি। কম্পিটিশনের কোনও প্রশ্নই নেই। ' (একটি সাক্ষাৎকারে সুচিত্রা মিত্র) https://www.youtube....
  • ডক্টর্স ডাইলেমা : হোসেন আলির গল্প
    ডক্টর্স ডাইলেমা : হোসেন আলির গল্পবিষাণ বসুচলতি শতকের প্রথম দশকের মাঝামাঝি। তখন মেডিকেল কলেজে। ছাত্র, অর্থাৎ পিজিটি, মানে পোস্ট-গ্র‍্যাজুয়েট ট্রেনি। ক্যানসারের চিকিৎসা বিষয়ে কিছুটা জানাচেনার চেষ্টা করছি। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, এইসব। সেই সময়ে যাঁদের ...
  • ঈদ শপিং
    টিভিটা অন করতেই দেখি অফিসের বসকে টিভিতে দেখাচ্ছে। সাংবাদিক তার মুখের সামনে মাইক ধরে বলছে, কতদূর হলো ঈদের শপিং? বস হাসিহাসি মুখ করে বলছেন,এইতো! মাত্র ছেলের পাঞ্জাবী আমার স্যুট আর স্ত্রীর শাড়ি কেনা হয়েছে। এখনো সব‌ই বাকি।সাংবাদিক:কত টাকার শপিং হলো এ ...
  • বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
    ‘কেন? আমরা ভাষাটা, হেসে ছেড়ে দেবো?যে ভাষা চাপাবে, চাপে শিখে নেবো?আমি কি ময়না?যে ভাষা শেখাবে শিখে শোভা হবো পিঞ্জরের?’ — করুণারঞ্জন ভট্টাচার্যস্বাধীনতা-...
  • ফেসবুক সেলিব্রিটি
    দুইবার এস‌এসসি ফেইল আর ইন্টারে ইংরেজি আর আইসিটিতে পরপর তিনবার ফেইল করার পর আব্বু হাল ছেড়ে দিয়ে বললেন, "এই মেয়ে আমার চোখে মরে গেছে।" আত্নীয় স্বজন,পাড়া প্রতিবেশী,বন্ধুবান্ধ...
  • বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
    ‘কেন? আমরা ভাষাটা, হেসে ছেড়ে দেবো?যে ভাষা চাপাবে, চাপে শিখে নেবো?আমি কি ময়না?যে ভাষা শেখাবে শিখে শোভা হবো পিঞ্জরের?’ — করুণারঞ্জন ভট্টাচার্য স্বাধীনতা-পূর্ব সরকারি লোকগণনা অনুযায়ী অসমের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষাভাষী মানুষ ছিলেন বাঙালি। দেশভাগের পরেও অসমে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

সীসা হো ইয়া দিল হো

অবন্তিকা

শিরোনামটা ঝাড়া l জনৈক ফেসবুকিয়ার দেওয়াল থেকে l ম্যাগিতে অত্যধিক সীসা ও আজিনামোতো ব্যবহারের ফলে যে তুলকালাম চলছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, বলা বাহুল্য তার প্রতিক্রিয়া l এর চেয়ে অ্যাপ্ট আর কিছু এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না l

এক বছর হল ম্যাগি খাওয়া বন্ধ করেছি l বন্ধ মানে বন্ধই l স্টমাকের অবস্থা বেশ কিছুদিন যাবৎ শোচনীয় l মানে, অ্যাপ্যারেন্টলি আমাকে দেখে পেটমোটা মনে হলেও আদতে আমি বেশ পেটরোগা লোক, আর পাঁচটা বাঙালির মতই l কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সাপের পাঁচ পা (মা উবাচ) দেখে ফেলার দরুণ রোজ রোজ বাড়ি থেকে ফলমূল বা রুটি-চচ্চড়ি টিফিন নিয়ে যাওয়াটা একপ্রকার বিলাসিতা মনে করতাম l আসলে তো বনমালীদার ক্যান্টিনে দলবল মিলে চলত ডুবো তেলে ভাজা পেঁয়াজি, আলুর চপ, বা বেগুনি সহযোগে ফিস্টি l মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়লে বেশ সামন্ততান্ত্রিক মেজাজে- হে বন্ম্যালীইইইই, আলু কা পরাঠা বানাও জলদি- বলে হাঁক পাড়ত কোনো না কোনো স্যার l ময়দা অবশিষ্ট থাকলে আমরাও দু’এক পিস সাঁটিয়ে দিতাম l আমাদের কলেজ-ক্যান্টিনটা সরাসরি সরকারি হাসপাতালের আওতাভুক্ত ছিল না l বনমালীদা দশ বছরের জন্য লিজ নিয়েছিল l ফলে খাবারের দাম যে আহামরি সস্তা ছিল তা নয় l ক্লাসের শেষে সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বনমালীদার বউ আমাদের জনা চারেকের দলটাকে আসতে দেখলেই বলত- না না আজ অন্যকিছু হবে না, এই চারজনের জন্য আমি আবার লুচি ভাজতে পারব না l যেন একান্নবর্তী পরিবারের বড় পিসিমা কচিকাঁচাদের আবদারে নেহাতই অতিষ্ট হয়ে গজগজ করে চলেছে ! আমাদের হট্টগোল শুনে বনমালীদা তাদের ছাউনি দেওয়া এক চিলতে শোয়ার জায়গা থেকে হাই তুলতে তুলতে বেরিয়ে আসত l ওহ তোমরা ! পেঁয়াজি ভেজি দিলি হবা নি? আমরা বলতাম- হবে হবে, শুধু জম্পেশ করে মুড়ি মেখে দিও সঙ্গে l ওড়িয়া বংশদ্ভুত বনমালী পরামাণিক ইয়াব্বড় ভুঁড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে হাহা করে হাসত l হাউসস্টাফশিপের সময় ফের কলেজ-হাসপাতাল চত্বরে এলাম l মধ্যে এক বছর প্রায় কোনো যোগাযোগ ছিল না এদের কারও সাথে l এসে দেখলাম বনমালীদারা চলে গেছে l এসেছে সুব্রত l তার বিরাট বড় একটা ফ্রিজ আছে l সেখানে কোল্ডড্রিংকের বড় বড় বোতল থাকে l ক্যান্টিনটাও বেশ সাজিয়েছে যত্ন করে l অসময়ে টিফিন চাইলে সুব্রত সবাইকে ম্যাগি বানিয়ে দেয় l প্যাকেটের ম্যাগি, কৌটোর ম্যাগি, যার যা চাই l আমাদের ওই পেটুক-পার্টি আর কখনওই ঢেলে-সাজানো ক্যান্টিনে বসে সাহস করে ‘বাড়ির খাবারের আবদার’ করে উঠতে পারেনি l

তা কি দিয়ে শুরু করেছিলাম যেন? আমি এখন আর ম্যাগি খাই না l আরে এখন খাই না বলে কি কখনও খেতাম না? আমাদের বাড়িতে ম্যাগি একটু ম্লেচ্ছই ছিল, স্বীকার করছি l দুমিনিটে যা রান্না করা যায়, তা ঠিক পাতে দেওয়ার মতো না বলে বাবা মনে করত l তাই মা ওটাকে বাঙালির চাউমিন স্টাইলে বানাত l অর্থাৎ সঙ্গে বিবিধ সবজি (মাঝে মাঝে কুচোনো পটল, কুমড়ো, এসবও পড়ত, প্লিজ হাসবেন না), ডিম অথবা চিকেন l ‘নিরামিষ’ ম্যাগি বানালে মা নামানোর আগে আধ চামচ মাখন ফেলে দিত l আর সেটা গলে গিয়ে যে স্বর্গীয় ব্যাপারটা দাঁড়াত তা ভাষায় প্রকাশ করা দুঃসাধ্য l স্কুল থেকে ফিরে হপ্তায় একদিন আমার ওই অভিনব ম্যাগিটা চাইই চাই l খাওয়ার একটা নির্দিষ্ট জেশ্চারও ছিল l সবুজ স্কার্ট- সাদা শার্ট- চুলে ঝুঁটি বাঁধা (পরে সেটা বিনুনী হয়েছিল অবিশ্যি)- পায়ে একপাটি মোজা- সামনে টিনটিন- হাতে ম্যাগি l মানে টিনটিনের জায়গায় হাঁদাভোঁদা হলেই কিন্তু ম্যাগি তার স্বকীয়তা হারাতে পারত, এমনকি একপাটি মোজা দুপাটি হলেও l দাদা আমার আধ ঘন্টা পরে স্কুল থেকে আসত l ঢুকেই দেখত আমি টিনটিনে বিহ্বল, আর সেই সুযোগে এক খাবলা ম্যাগি তুলে নিয়ে ধাঁ l গোটা স্কুলজীবনে এ ঘটনার ব্যত্যয় ঘটেনি l

২০০৪ সাল l আমি মাস ছয়েক হল কলেজে ঢুকেছি l দাদার আমেরিকা যাওয়ার তোড়জোড় চলছে জোর কদমে l একটা পাল্টে যাওয়া বিকেলেবেলা l সেদিনই ভিসা কনফার্ম হয়েছে ওর l আমি ক্লাস করে ফিরতে, মা ভেতরের ঘর থেকে বলল ক্যাসারোলে ম্যাগি রাখা আছে l যাদবপুরের স্টুডেন্টরা গিটার ব্যাপারটাকে সংক্রামিত রোগের মতো আপন করে নেয় l যথারীতি দাদাও ফার্স্ট ইয়ারে ভাঁড় ভেঙে গিটার কিনেছিল l এখন গান কম, আর ‘প্রিংপ্রিং’ (এটা বাবার অভিধান থেকে আমদানিকৃত) বেশি হচ্ছে l আমি একটা বড়সর বোওলে ম্যাগি নিয়ে চেয়ারে বসে ঠ্যাং দোলাচ্ছি l দাদা বিদেশ যাবে বলে পরিবারে বেশ কিছুদিন ধরেই ফিসফাস শুরু হয়েছিল- যে, এই যাচ্ছে আর ফিরবে না, কেউ কেউ বলছিল- না না বাবা মার প্রতি কি একটা দায়িত্ববোধ নেই ! আমার কিছুই মনে হচ্ছিল না l ইচ্ছে হলে ফিরবে না ইচ্ছে হলে নয় ! মাত্র তো বাইশ ঘন্টার মামলা ! বরং বছর বছর এলে কত পুতুল আসবে, চকোলেট আসবে ! হঠাৎ কী মনে করে দাদা একটা অন্যরকম সুর বাজাতে শুরু করল l রবীন্দ্রসঙ্গীত l আরে এটা তখুব চেনা গান ! আমার যাবার বেলায় পিছু ডাকে/ ভোরের আলো মেঘের ফাঁকে ফাঁকে... উপলব্ধি হতেই হু হু করে কান্না পেল l দাদা কিংকর্তব্যবিমূঢ ! ওকি রে তুই কাঁদছিস কেন ! আমি বোকার মতো বললাম- কই আজ তো আমার থেকে ম্যাগি নিলি না ! দাদা বলল- তাই বলে তুই কাঁদবি !

কলি ওর বোনকে ছেড়ে মেদিনীপুর থেকে কোলকাতায় এসেছিল l কলি মানে কল্যাণ l আমার থেকে এক মাসের বড়, দু ইঞ্চি বেঁটে, অন্তত দশ কেজি কম ওজন, আর মাথায় বিস্তর টাক l কলেজে ওইই বোধ হয় আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিল l দুজনের একটা কমন ব্যথার জায়গা ছিল আমাদের l কেটে যাওয়া কৈশোর প্রেম l কলি থাকত কলেজস্কোয়ারের একটা বয়েজ হোস্টেলে l আমরা প্রায়শ শ্যামবাজার থেকে ৫ নম্বর ট্রাম ধরে কলেজস্ট্রিট যেতাম l রাস্তায় কলি আমাকে ‘হাতি যায় উড়ে সারা আকাশ জুড়ে’-র মতো কুত্সিত অথবা ‘বৃষ্টি পড়ে ঘাসে ট্রামলাইনের পাশে’- জাতীয় মন কেমন করা ছড়া শোনাত l আমরা ইতিউতি ঘুরতাম, বই দেখতাম, প্যারামাউন্টে একটা ডাব শরবত (ওটাই সবচেয়ে দামি ছিল, অগত্যা...) নিয়ে দুজনে ভাগাভাগি করে খেতাম l তারপর কোনোদিন কলি আমাকে সেন্ট্রাল এভিনিউ অবধি ছাড়তে আসত ফের, বা বেশিরভাগ সময় হোস্টেলে ঢুকে যেত, আর আমি বাস বা মেট্রোয় চড়ে বসতাম l থার্ড সেমেস্টারের অব্যবহিত আগে কলি লাইব্রেরি থেকে ‘রাত ভর বৃষ্টি’ তুলল l এক রাতে শেষ করে আমার হাতে চালান l সামনে পরীক্ষা l নিকুচি করেছে l এক রাতে আমারও শেষ l এ বই পড়তে পড়তে থামা যায় না l পরদিন কলেজে কেউ কারো সাথে কথা বলছি না l ব্রেকে বেরিয়ে পড়লাম l একটা ভিড় ট্রামে উঠে কলেজস্কোয়ার l মা টিফিনে ম্যাগি বানিয়ে দিয়েছিল l ভাগ করে খাবো ভেবে কাঠবেড়ালি আঁকা বাক্সটা খুলে পাশে রেখেছিলাম l আসলে আমরা জলের দিকে তাকিয়ে বসেছিলাম দুজনেই l আর মাথার ভেতর গিজগিজ করছিল বুদ্ধদেব বসু l

সেদিন এক বয়জ্যেষ্ঠ বন্ধু বলছিল- তিরিশের পর মানুষের অতীত তৈরি হতে শুরু করে, বুঝতে পারবি নিজে l আমি ভাবছিলাম- পার্ট অফ ‘এজ থার্টি ট্রানজিশন’ l দেড় হপ্তা বাদে তিরিশ হয়ে যাবে l ফেসবুকে ম্যাগির পোস্ট দেখতে দেখতে এই এত্তকিছু মনে পড়ে গেল দুম করে l অতীত... হালকা হালকা, রিনরিনে, একটা মন খারাপের মতো অতীত... না?


751 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 14 -- 33
Avatar: aranya

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

সুন্দর লেখা
Avatar: সুকি

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

ভালো লাগল লেখা -

আরো জেনে ভালো লাগল যে ২০০৪-২০০৫ সাল নাগাদও ‘রাত ভর বৃষ্টি’ পড়ে তরুণ-তরুণী আন্দোলিত হয়েছে। আমি ভাবতাম যে এই সব বইয়ের দিন শেষ হয়ে গেছে অনেকদিন হল!
Avatar: Aniket

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

ভারি সুন্দর লেখা, মন ছুঁয়ে যায়।
Avatar: kabir

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

Aaj sokale uthe abr ghumiye porechilm. Bristir jhaptai ghum vhanglo. Ipsita'r share theke apnar lekha ta porlam.. din ta onno vabe suru holo. Khuub valo hyeche... maggie er motoi molayem..
Avatar: শিবাংশু

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

আমি ম্যাগি প্রজন্মের ন'ই। কখনও খাইনি। তবু লেখাটা স্পর্শ করলো....
Avatar: abantika

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

সে আপনি কোথায় থাকেন? আমি যাবোওওওওওও! এইসব জায়গায় ঠাকুর দেব্তা পাওয়া ফাওয়া যায়!
Avatar: se

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

অবন্তিকা, এই ম্যাগীর অফিসটা জার্মানীতে, আমি থাকি একটু দূরে সুইটজার্ল্যান্ডে। চলে আসুন সপরিবারে। সাদর আমন্ত্রন জানালাম। ঠাকুর দেবতা আছে কিনা জানিনা। খুঁজতে হবে মনে হচ্ছে।
Avatar: Pobitro

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

দারুন হয়েছে ঃ)
Avatar: i

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

অবন্তিকার যে কটি লেখা পড়েছি -সবকটিই অতীব সুখপাঠ্য, লেখার ফ্লো দুর্দান্ত। এই লেখাটিও তাই।
আর লেখা পড়ে পাঠকেরও স্মৃতিচারণ-লেখাটির এই তো সব থেকে বড় প্রাপ্তি...
Avatar: কল্লোল

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

আর একটা টই খুলতে ইচ্ছে হলো না। তাই এখানেই দিলাম।
বাংলা কাগজগুলোতে ম্যাগীস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। মুল সুরটা - কতো ভেজাল, রং করা তরকারী, ইউরিয়াভাজা মুড়ি তো খাচ্ছি, ম্যাগী কি দোষ করলো।

Avatar: lcm

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

ম্যাগি নুড্‌লস্‌ তো ছিল নেমব্র্যান্ড, অনেকে চাউমিন বা নুড্‌ল্‌স্‌ বলতই না - ম্যাগি নামেই চিনত। ঐ, ডকুমেন্ট জেরক্স করে আনার মতন।
Avatar: dc

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

এই কথাটাই বাড়ির লোকজনদের বুঝিয়ে পারছি না - যেখানে আমাদের সমস্ত খাবার থেকে জল, বাতাস সবেতে দূষণ, সেখানে হঠাৎ ম্যাগি নুডলসের পেছনে পড়া কেন বাবা? সকালে উঠে চা পাউরুটি কলা থেকে শুরু করে দুপুরে রুটি সব্জি, রাতে ভাত, সমস্ত খাবারে তো বিষাক্ত জিনিষে ভর্তি! দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, কোল্ড ড্রিংকস, চিপস, আইসক্রিম, চকোলেট, কিসে ভেজাল নেই? এদিকে বাড়িতে ফর্মান জারি হয়েছে ম্যাগি নুডল খাওয়া চলবে না! জিগ্যেস করলাম, তাহলে ম্যাগির সস, পাস্তা, মশলার কিউব, এগুলো চলবে? কোন উত্তর পেলাম না ঃ-(
Avatar: PM

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

হঠাৎ ম্যাগীর পেছনে লাগা আর একটি ভারতীয় নামকরা কোম্পানীর ম্যাগীর প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যন্ড লন্চ করা ---- এই দুটো ঘটনা কোয়েন্সাইড করায় একটু অস্বস্থি হচ্ছে। ম্যাগি মার্কেট থেকে রিকল করায় ঐ প্রতিদ্বন্দ্বী সংম্স্থার বাজারের শেয়ার বাড়ানোর মোক্ষম সুযোগ করে দিয়েছে। কদিন আগেও এরা একটা নুডল্সের ব্রান্ড নেম নিয়ে কোর্টে শিং নাড়িয়ে মারামারি করছিলো। নেসলের এই নতুন বে-ইজ্জতিতে কর্পোরেট রাইভালারীর কোনো ভুমীকা আছে কিনা কে জানে? ম্যাগির ৭৫ % মারকেট শেয়ার কমানোর জন্য এর থেকে ভালো সুযোগ আর হয় না।

যদিও এক্ষেত্রে ঘটনাক্রম উপভোক্তাদের উপকার-ই করেছে তাতে সন্দেহ নেই।



Avatar: dc

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

অন্যান্য ব্র্যান্ড আর প্রোডাক্টও পরীক্ষা করতে শুরু করেছে। সত্যি সত্যি যদি কোয়ালিটি কন্ট্রোল করার চেষ্টা করে তাহলে তো অবশ্য খুবই ভালো, প্রায় রামরাজ্যে থাকার মতো ব্যাপার হবে।


http://m.ndtv.com/india-news/maggi-controversy-fssai-orders-testing-of
-other-fast-food-brands-769727

Avatar: abantika

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

কল্লোলদা বা যে কেউ আরেকটা টই খুলে ফেলতেই পারেন কিন্তু. এটা তো ঠিক ম্যাগি নিয়ে লেখা নয়, ম্যাগিকে উপলক্ষ করে কিঞ্চিত স্মৃতিচারণ. :)
Avatar: Soumyadeep Bandyopadhyay

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

পুরো ম্যাগাত্মক হইসে



Avatar: অভ্র

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

এরকম গুছিয়ে (বা অগুছিয়ে) লিখলে ফেলে আসা জীবনটাকে কত কাব্যময় মনে হয়। কিন্তু জীবনটা তো জাস্ট নরমাল ওয়েতে চলে,সেখানে সবকিছু এরকম সুন্দর নাটকীয় স্ক্রীপ্টেড ফ র্মে থাকেনা। আসলে বর্ত মানটাকে যখন অতিবাহিত করা হয় তখন সেটার "মেমরিক শিরশিরানি"টা ফিল করা যায়না, পরে ওগুলকেই আহামরি বা এরকম "রিনরিনে" লাগে...্
Avatar: -

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

সীসারই ভালো নাম অভ্র, না?
Avatar: researcher

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

১।অবন্তিকার লেখাটি সুখপাঠ্য ও গতিময়।আই জেমন বলেছেন।
২। আলোচনাপ্রসঙ্গে-
ম্যাগিতে সীসা বা সীসার কোন যৌগ মেশানো / ব্যবহার করা হয় না,সীসা নানাভাবে পরিবেশ(জল,মাটি ইত্যাদি) থেকে মিশে যায়।
http://www.huffingtonpost.in/2015/06/05/eat-hot-lead_n_7516200.html


Avatar: de

Re: সীসা হো ইয়া দিল হো

অভ্র তো মাইকা - সীসা লেড -

খুব খিদে পেলে অপটু হাতে বানিয়ে ফেল্লেও ম্যাগী খাওয়া যেতো - সেটা অবশ্য বড়ো বেলায় বাড়ীর বাইরে আসার পর। আমাদের বাড়িতে ম্যাগী আসতো না ছোটবেলায়, অতোগুলো লোকের জন্য ম্যাগী কেনার পয়সা হয়ে উঠতো না। একটাকায় তখন চাউচাউ বলে একটা চাওমিন পাওয়া যেতো। ডিম, সবজী দিয়ে ওইটাই বেশী হোতো। তাও কখনোসখনো। বাকী সময় ওই চিঁড়ে, মুড়ি, খই, রুটি ইঃ দিয়েই জলখাবার হোতো।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 14 -- 33


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন