সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মসলিন চাষী
    ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, বিষয়টা আপনাদের কাছে হয়ত বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে না, কিন্তু তা সত্য এবং এক অতি অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যে আমি পড়ে গেছি ও এর থেকে নিস্তারের উপায় কী তা আমার জানা নেই; কিন্তু শেষপর্যন্ত আমি লিখে যাচ্ছি, যা থাকে কপালে, যখন আর কিছু করা ...
  • সিরিয়ালচরিতমানস
    ‘একটি বনেদি বাড়ির বৈঠকখানা। পাত্রপক্ষ ঘটকের সূত্রে এসেছে সেই বাড়ির মেয়েকে দেখতে। মেয়েকে আনা হল। বংশপরম্পরা ইত্যাদি নিয়ে কিছু অবান্তর কথপোকথনের পর ছেলেটি চাইল মেয়ের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে। যেই না বলা, অমনি মেয়ের দাদার মেজাজ সপ্তমে। ছুটে গিয়ে বন্দুক এনে ...
  • দেশ এবং জাতীয়তাবাদ
    স্পিলবার্গের 'মিউনিখ' সিনেমায় এরিক বানা'র জার্মান রেড আর্মি ফ্যাকশনের সদস্যের (যে আসলে মোসাদ এজেন্টে) চরিত্রের কাছে পিএলও'র সদস্য আলি ঘোষনা করে - 'তোমরা ইউরোপিয়ান লালরা বুঝবে না। ইটিএ, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, আইরিশ রিপাব্লিকান আর্মি, আমরা - আমরা সবাই ...
  • টস
    আমাদের মেয়েবেলায় অভিজ্ঞান মেনে কোন মোলায়েম ডাঁটির গোলাপ ফুল ছিলনা যার পরিসংখ্যান না-মানা পাঁচটাকা সাইজের পাপড়িগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে সিরিয়ালের আটার খনি আর গ্লিসারিনের একটা ইনডাইরেক্ট প্রোপরশন মুখে নিয়ে টেনশনের আইডিয়ালিজম ফর্মুলায় ফেলবো - "He loves me, he loves ...
  • সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা
    গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ ...
  • সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা
    গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ ...
  • গো-সংবাদ
    ঝাঁ চকচকে ক্যান্টিনে, বিফ কাবাবের স্বাদ জিভ ছেড়ে টাকরা ছুঁতেই, সেই দিনগুলো সামনে ফুটে উঠলো। পকেটে তখন রোজ বরাদ্দ খরচ ১৫ টাকা, তিন বেলা খাবার সঙ্গে বাসের ভাড়া। শহরের গন্ধ তখনও সেভাবে গায়ে জড়িয়ে যায় নি। রাস্তা আর ফুটপাতের প্রভেদ শিখছি। পকেটে ঠিকানার ...
  • ফুরসতনামা... (পর্ব ১)
    প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি।আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিলনা। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, ...
  • কাঁঠালবীচি বিচিত্রা
    ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, ...
  • মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি
    মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। ...

প্যাসেজ টু হেভেন (পর্ব-৬)

Maskwaith Ahsan

মহানায়ক ও পাখীবৃত্তান্ত
বেহেশতে এসে দেবুদা সারাক্ষণ ইভেন্ট করে বেড়ায়। আজ এই হয়েছে তো কাল সেই। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় শরত বাবুর ফেসবুক আইডিতে মেসেজ পাঠান, দেবুর হয়েছেটা কী! শরতবাবু উত্তর দেন, গান্ধীজীর ব্যামো।

দেবু বেহেশতের সাম্যবাদী ও কাম্যবাদী দলের বাইরে একটি থার্ড ফোর্স তৈরী করতে চায়। দলে জনপ্রিয় লোকদের ভেড়ানোর জন্য দিনরাত ছুটে বেড়ায় জনপ্রিয়দের পেছনে। শরতবাবু ফোন করে ধমক দেন, দেবু তোমার কী খেয়ে দেয়ে কাজ নেই। পার্বতীর সঙ্গে বিয়ের জন্য এতো যে আকুল হয়েছিলে; রোজরাতে এসে ঘ্যান ঘ্যান করতে,

আরও পড়ুন...

হকার সঙ্গমে

সুকান্ত ঘোষ

ভারতবর্ষে যদি রেলে যাতায়াতকে কেবল পরিবহন বলে কেউ ভাবেন তা হলে তিনি নির্ঘাত বিশাল একটা ভুল করে বসেন না জেনেই। ভারতে রেলে যাতায়াতের দার্শনিক নাম হল – রেলযাত্রা। যে কোন তীর্থ যাত্রার মত গুঁতো গুঁতি, না বেঁচে ফিরে আসার ভয়, সব খুইয়ে বসার আশঙ্কা এই সব সারক্যাষ্টিক জিনিস পত্র যদি বাদও দিই, তাহলে আমাদের রেলকে ‘যাত্রা’য় উন্নীত করতে যাদের অবদান অনৈস্বীকার্য তারা হল ট্রেনের ‘হকার’ এবং তাদের প্রতি আমাদের সমাজিক স্নেহ।

ভারত থেকে বিদেশে এসে যখন প্রথমদিকে কেউ কেউ ট্রেনে চাপেন তা হলে বিশাল একটা ঝটকা

আরও পড়ুন...

শৈশবঃ কয়েক ফালি রোদ আর আমার না পাওয়া গভীর অন্ধকার

Animesh Baidya

রহস্যের সঙ্গে ভালো থাকার একটা সম্পর্ক আছে বলেই মনে হয়। রহস্য, কৌতুহল জীবনকে রঙীন করে তোলে। তাই হয়তো শৈশব এতো প্রিয় সময়। যতো বড় হয়েছি সব ততো ফর্মুলায় বসে গিয়েছে আর হারিয়ে গিয়েছে রঙের বৈচিত্র্য। আজ একটু শৈশব যাপন করা যাক।

ছোটবেলায় গোটা পৃথিবীটাই ছিল রহস্যে মোড়া। বাড়ির মধ্যে সব থেকে রহস্যের ছিলো টেলিভিশন বস্তুটা। ছবি কী ভাবে আকাশে ভেসে ভেসে এসে টিভির মধ্যে ঢোকে!! অ্যান্টেনার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম কতো দিন। দেখার চেষ্টা করতাম ছবি ভেসে আসতে দেখা যায় কি না। আরেকটা জিনিস হতো, আমি

আরও পড়ুন...

জয়ের ষষ্টি

Parichay Patra

জয় গোস্বামী ষাট বছরে পা দিলেন। প্রতিদিন, যেখানে তিনি এই মুহূর্তে চাকরিরত, ব্রাত্য বসুকে দিয়ে একটি প্রবন্ধ লিখিয়েছে কদিন আগে। এর বেশি আর কিছু কোথাও দেখা যাচ্ছে না। দেখা যাওয়ার খুব বেশি কারণও নেই, কবির রাজনৈতিক পরিচিতি প্রবল হয়ে উঠেছে এবং কবিতা অনেকদিন আগেই তাঁকে ছেড়ে গেছে বলাই ভাল। এক কবিবন্ধু, যিনি একদা জয়ের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন, বলেছিলেন প্রায় একদশক আগেই যে জয় আর লিখতে পারছেন না এবং এক ধরনের অস্বস্তিতে ভুগছেন। ১৯৭৬ এ ক্রিসমাস ও শীতের সনেটগুচ্ছ বেরিয়েছিল, আলোকবর্ষ দূরত্বের মনে হয় এখন। জয়দের আগের প্র

আরও পড়ুন...

চিন্টুর মুম্বাইদর্শন

উদয়ন ঘোষচৌধুরি


শিবাংগী বলেছিল, এ শহরে ডিসেম্বরেও ফ্যান চালাতে হয়। হাঁ করেছিল চিন্টু। হাঁ-করা তার পুরনো অভ্যেস। হাভাতে এক শহরতলীর হাঘরে, উঠে এসেছে ধ্যাবড়া এক চাকরি নিয়ে। চাকরিটা তার ‘ধ্যাবড়া’ মনে হয়, প্রায়ই যখন আগাগোড়া বাংলা মিডিয়মকে অনুবাদ আর উচ্চারণ গার্গল করে টিম কনফারেন্সে স্লাইড-শো’র আঁচে ট্যাঁস ভাষায় ডেমো দিতে হয়। এই ‘ট্যাঁস’-টাও এত হুহু বদলে চলেছে, সেটাও সে সাঁতরে ধরার চেষ্টা করে। প্রাথমিক মোলাকাতে লোকজন এমন ভাব দ্যাখায়, যেন ‘হাই বাডি’ বলে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। সঙ্গে ‘হট’, ‘খিউল’ (ইয়ে, কুল), ‘ওয়াও’-এর গুঁ

আরও পড়ুন...

প্যাসেজ টু হেভেন (পর্ব-৫)

Maskwaith Ahsan

গোলটেবিলে হুমায়ুন ও তার তোতাকাহিনী
হেভেনে দেবুদা একটি তৃতীয় শক্তি গড়ার জন্য মরিয়া। সাম্যবাদী বনাম কাম্যবাদী দুই রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে একটা রাজনৈতিক দল তার চাই-ই চায়। রাজনীতির নেশা চন্দ্রমুখীর প্রতি ভাললাগার মতই দেবুদাকে আকর্ষণ করে। তাই এমন কাউকে দরকার যে জনপ্রিয়; যার মধ্যে মানুষকে বশ করার ক্ষমতা আছে; তবেই না তৃতীয় চুমুকের প্রয়োজনীয়তা সহজে বুঝবে বেহেশতবাসী।

দেবুদা হুমায়ুনের বাসায় পৌঁছে যান ভোর বেলা। হুমায়ুন ফেসবুকে চেক করছিলেন লোকজন তাকে মনে রেখেছে নাকি এ কেবলি পন্ডশ্রম হলো। মেনিমুখো

আরও পড়ুন...

তেলেভাজা ও আমাদের দামোদরীয় সভ্যতা

সুকান্ত ঘোষ

প্রত্যেক বাঙালীর সাথেই কোন না কোন নষ্টালজিক তেলেভাজা ও এগরোলের দোকানের নাম লেগে থাকে। বাঙালীও যে ব্যবসা বোঝে (প্রফুল্ল রায় মহাশয় বেঁচে থাকলে কি খুশীই না হতেন) এই তথ্য যাচাই হত ওই সব এগরোলের দোকানগুলির প্লেসমেন্ট দেখে। বেশীরভাগ এগরোলের ঠ্যালাই স্টেশন বা বাসস্ট্যাণ্ডের পাশে খাড়াই থাকত। মেমারীতে এগরোল শিরোপার লড়াইটা সীমাবদ্ধ ছিল লক্ষ্মী ও গণেশের মধ্যে। লক্ষ্মী স্টেশন বাজার এবং গণেশ বাসস্ট্যাণ্ড। আমি নিজে লক্ষ্মীদার এগরোল খেয়েই মানুষ – তিনটাকা থেকে শুরু করে আজ ১৪ টাকায় এসে ঠেকেছে প্রায় কুড়ি বছরের ব্

আরও পড়ুন...

আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি? পর্ব তিন। এককের উত্তর।

Salil Biswas

ক’দিন আগে একজন শিক্ষাব্রতী (ভুল ভাববেন না, উনি কিন্তু সত্যি বিশেষ ভালো, পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান এবং ছাত্রপ্রিয় মানুষ) বলেছিলেন (বা বলে ফেলেছিলেন) আমরা (শ্রমজীবী বিদ্যালয়) ওদের অনেক কিছু দিই কিন্তু ওরা ...
কথাটা শুনে অনেকগুলো প্রশ্ন মাথায় কিলবিল করতে লাগল। সেগুলো লিখে রাখলাম। সব শিক্ষাব্রতীকে দেব এগুলো। ইভেন অ্যাট দ্য রিস্ক অব সাউনডিং পন্টিফিকাল ... আমার নিজেরও আত্মা তল্লাশী দরকার।

একক, এবারে আপনার কথাগুলো এক এক করে আলোচনা করি।

১) সেট অফ এথিক্স

এথিক্স তো বটেই। আজকাল আ

আরও পড়ুন...

হৃদয় বুঝেছে অনুপম

উদয়ন ঘোষচৌধুরি


বুকের বাঁ দিকে একটা মাছ তড়পায়। মাঝে-মাঝেই। তড়পানি থামাতে বেরিয়ে পড়া এদিক-ওদিক। কখনও কখনও ঠিকও থাকে না। সেটাই হল এবারও। হাওড়া থেকে রাতের ট্রেনে। সাতসকালে আদ্রা। কোথায় যাব, জানি না। ব্যাগ পিঠে হাঁটছি। দূরে জয়চণ্ডী পাহাড়। শেষ মাঘের নরম কুয়াশা। শান্ত রাস্তা। দু পাশের বিস্তীর্ণ ফাঁকা মাঠ বড় ঝিল চিরে চলে গেছে সোজা। ডান দিকটা পূব। জয়চণ্ডীগড় স্টেশন। কুসুম রঙের জামায় ঈশ্বর উঠছেন। কাঁধে বাপির আলতো টোকা। ইশারায় দেখি, হাইটেনশন লাইনের ওপর আশ্চর্য নীল পাখিটা। কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই। নিজের মনে দেখছে নিজের সকা

আরও পড়ুন...

চলে গেলেন অভিজিত দাস

Salil Biswas

অভিজিত দাস। অনেকেই নামটা চিনবেন না। যে নাম চিনবেন তা হল জয়ন্ত জোয়ারদার। 'এভাবেই এগোয়' লিখেছিলেন যিনি। 'বুক মার্ক' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লিখেছিলেন এক অর্থে প্রথম পরিবেশ-উপন্যাস 'ভূতনি দিয়ারা'। আরও অনেক ছোটগল্প।
প্রস্ট্রেট ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ১৬ তারিখ গভীর রাতে মৃত্যু এল। নিজেকে মনে করতেন বিপ্লবের পদাতিক সেনানী। তাই ্লিখেছিলেন আত্মজীবনী 'ফুটপ্রিন্টস অব এ ফুটসোলজার"।
থেমে গেল পদাতিকের পায়ের শব্দ।

আরও পড়ুন...

প্যাসেজ টু হেভেন (পর্ব-৪)

Maskwaith Ahsan

জায়নিস্টস কুয়ো ভাদিস!
হেভেনে মর্ত্যের দুঃসংবাদে এলার্ম বাজে। মাঝরাতে এলার্মের শব্দে দেবুদার ঘুম ভাঙ্গে। কী ব্যাপার কী ঘটলো! জানা দরকার। পার্বতী তখনো জেগে। কিউ কী শাস ভি কাভি বউ থি দেখছে। সুতরাং টিভির চ্যানেল চেঞ্জ করতে চাইলে মুখ ঝামটা খেতে হবে। হঠাত ফোন আসে। পারুর মা ইনসমনিয়ার রোগী। তাই রাতদুপুরে পারুকে ফোন করে। ইতং বিতং গল্প করে। এই সুযোগে সিএন এন খুলে দেখে সমস্যা প্যালেস্টাইনে। কিন্তু সিএনএন যেহেতু জায়নিস্টদের মিডিয়া; আসল খবর পাওয়া কঠিন। বাধ্য হয়ে ফেসবুকে লগ ইন করে। সেখানেও হাজারটা ন্যারেট

আরও পড়ুন...

রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

অবন্তিকা

পার্থ ডিম-কলা-পাউরুটি দিয়ে প্রাতরাশ খেয়েছেন, পার্থ দাঁত মাজার জন্য দামি টুথপেস্ট চেয়েছেন, পার্থ রবীন্দ্রসঙ্গীতের বই নিয়েছেন কিন্তু সংবাদপত্র হাতে নেন নি – সম্প্রতি জানলাম l পার্থ কে, আপামর বাঙালিকে আর এই মুহূর্তে বলে দিতে হবে না l আপাতত এটুকু মনে করিয়ে দেওয়া জরুরি, তিন নম্বর রবিনসন স্ট্রিটের পার্থ দে স্বীকৃতভাবে একজন মনোরোগী l স্বয়ং মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাই পরীক্ষা করে এ কথা জানিয়েছেন l তর্কের খাতিরে বলা যেতেই পারে, যেকোনো ধর্ষক, যেকোনো খুনী এক একজন মনোরোগী, সুতরাং মনোরোগের দোহাই দিয়ে অপরাধকে লঘু করা

আরও পড়ুন...

শ্রমজীবী হাসপাতাল ও নিপীড়িতের শিক্ষা - কিছু উত্তর

Salil Biswas

অনেকে অনেক প্রশ্ন করেছেন। একে একে আলোচনা করে সম্ভাব্য উত্তর রাখব পাঠকের সামনে। এখানে দীপাঞ্জন রায় চৌধুরীর একটি লেখা দিলাম। কি উত্তর পাবেন হয়ত।

মূলত দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী ও সলিল বিশ্বাসের কথোপকথন
বিজ্ঞান শিক্ষার পদ্ধতি ঃ মূলত দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী ও পারমিতা আঢ্যের মধ্যে আলোচনা

“হিরন্ময়েন পাত্রেণ সত্যস্যাপিহিতং মুখম
তত্ত্বং পুষন্নপাভৃণু সত্যধর্মায় দৃষ্টয়ে...” ঈশাবাস্য উপনিষদ

পাউলো ফ্রেইরে-কে যেমন বুঝেছিলাম এবং বুঝি নি

পাউলো ফ্রেইরে নিপীড়িতের শিক্ষা

আরও পড়ুন...

এক বিমর্ষ শয়তান, যে একটু বাঁচতে চেয়েছিল

উদয়ন ঘোষচৌধুরি


নেহাতই ছাপোষা। বউ-বাচ্চা নিয়ে জেরবার। ঘাউরা-মার্কা চোখমুখ। ভুরুটা প্রায়সময়ই কুঁচকে। তেমন কোনও প্রতিভা নেই, তেমন কোনও দক্ষতা নেই যে, সংসারটা হেসেখেলে চালাবে। কিস্যু কি নেই? একেবারেই? আছে! আখাম্বা একটা পুরুষাঙ্গ। যেটা উচ্ছ্রিত হলে লোকটা পুরো যন্ত্র বনে যায়। শুধু সেটাকেই চালনা ছাড়া অন্য কোনও কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। হ্যাঁ, এরকমটাই তো দরকার ঝাঁঝালো পুরুষালি পর্নো বানাতে। আর হলও তাই। পরিত্যক্ত গ্যারেজে, পুলসাইডে, বাইকে ঠেস দিয়ে, ঝলসানো আলোর নিচে রগরগে সেট বানিয়ে তৈরি হতে থাকল গোছা গোছা থকথকে কামার্ত

আরও পড়ুন...

আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি? পর্ব দুই -- ‘ম’ যা লিখেছেন এবং আমার প্রতিক্রিয়া

Salil Biswas

প্রথমেই বলে নেবো, আমি এখানে ও অন্যত্র যা লিখছি তার সবই শ্রমজীবী বিদ্যালয় (আমার ব্লগ পড়লে এবিষয়ে প্রায় সব প্রাথমিক ঘটনাক্রম জানতে পারবেন), এবং অতীতে অন্য কিছু জায়গাতে একই ধরণের কর্ম-প্রয়োগে সঞ্চিত সদর্থক ও নঞর্থক অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। সেই কারণে আমার সব বক্তব্যই শ্রমজীবী বিদ্যালয় সংক্রান্ত পরিস্থিতিকে জড়িয়েই বলা হচ্ছে।
প্রধানত, দুটি বই থেকে আমাদের অভিজ্ঞতা আহরণ-প্রচেষ্টার সূত্রপাত। “আপনাকে বলছি স্যার ।। বারবিয়ানা স্কুল থেকে” আর পাউলো ফ্রেইরের লেখা “পেডাগজি অব দ্য অপ্রেসড”, “কালচারাল অ্যাকশন ফর

আরও পড়ুন...

অন্দরমহলে অনুরূপ

ফরিদা

কিছুদিন ধরেই একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। কী যেন একটা নেই, মানে ছিল, এখন হারিয়ে যেতে বসেছে এমন একটা কিছু বোধ আসছিল বারবার। একটা ক্ষোভ। ঠিক ধরা পড়ছিল না, সামনে আসতে পারছিল না – কী যেন একটা হারাতে বসেছে সে। সে মানে অনুরূপ বিশ্বাস।
একটা রাগ হচ্ছিল তার। হারিয়েছে, হারিয়ে যাচ্ছে কিছু একটা – ঠাহর করা যাচ্ছে সেটা কিন্তু ঠিক সেটা কী তা বোঝা যাচ্ছে না। এ এক অদ্ভুত অস্বস্তি। আকাশের অনেক উঁচু থেকে বিন্দু বিন্দু শূন্যতা নেমে আসছে তার চারধারে – অন্ধকারের মতো। ঠিক অন্ধকার নয়, অন্ধকার কখনো আকাশ থেকে নামে না।

আরও পড়ুন...

প্যাসেজ টু হেভেন (পর্ব-৩)

Maskwaith Ahsan

পলিটিক্যাল প্রিভিউ
হেভেনে সময় শান্তিতেই কাটে। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যে লায়লা-মজনু, দেবদাস-পার্বতী, রোমিও- জুলিয়েটকে পুনর্মিলিত করেছেন; সেখানে নিত্যদিন খুটখাট লেগেই আছে। এদের প্রতিদিনের দাম্পত্য কলহ এমন একটা রূপ পরিগ্রহ করেছে যে; সৃষ্টিকর্তা রীতিমত ‘প্রেম’ বিষয়টি পুনর্ভাবনার প্রকল্প নিয়েছেন। গান্ধীজী এই প্রকল্প প্রধান। বিশেষজ্ঞ নিয়ে ভাবনা নেই; নেহেরু আছেন। বঙ্গবন্ধু এই কমিটিতে থাকতে রাজি হননি। বলেছেন, বরং কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে নিন। কবি মানুষ; এগুলো বোঝেন ভালো। লায়লা- পার্বতী- জুলিয়েটের পিতার ন

আরও পড়ুন...

আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

Salil Biswas

যে কোনো শিক্ষকের ক্ষেত্রেই একথাগুলো প্রযোজ্য, বিশেষ করে প্রযোজ্য শ্রমজীবীর শিক্ষাব্রতীদের (আমার নিজের তো বটেই) সম্পর্কে।

এই প্রশ্নগুলো/কথাগুলো মাথায় এল বলে লিখে ফেললাম। আপনাদের কী মনে হয় জানতে পারলে একটা আলোচনা করা যেতে পারে।

১) আপনি কি বাচ্চাদের অপছন্দ করেন? যে বয়সের বাচ্চাদের আপনি পড়ান তাদের মধ্যে থাকার সময় আপনি কি আনন্দ পান? না কি বিরক্ত বোধ করেন?

২) যে বিষয়টি আপনি পড়ান তা কি আপনার ভালো লাগে, না কি, ক্লান্তিকর মনে হয়? ‘বিষয়টি কেন পড়ান’, জিগ্যেস করলে আপনি এই উত্তরগুল

আরও পড়ুন...

রূপ-রুবারু (৫)

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

টিমের সঙ্গে গতকাল কথা হয়ে গেছিল। ওরা বলে দিয়েছিল, এখানেই আজ এসে পৌঁছবে। দশটা নাগাদ অনেকটা নিশ্চিন্তে আমরা হাঁটতে বেরোই। ক্ষেত পেরিয়ে গ্রাম ছাড়িয়ে পাহাড়ি হরিয়ালির ভেতর দিয়ে এলোমেলো চলতে চলতে এসে পড়ি পিণ্ডারের গায়ে একটা তেকোনা দ্বীপ-মতো জায়গায়। বাংলো টাইপের কন্সট্রাকশন উঠছে। জনাদুই মিস্ত্রি পাথর ভাঙছে। জানতে পারি, নতুন একটা সরকারি হাসপাতাল হচ্ছে। অনেকটা জমি জুড়ে, বেশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে। হাসপাতাল তো হচ্ছে, ওষুধ-ডাক্তার? মিস্ত্রিদের, দেখলাম, সে বিষয়ে মাথাব্যথা নেই। ঢাল বরাবর এগোতে থাকি। প্রচুর ছাগল নিয়ে ত

আরও পড়ুন...

ওপেন টি সম্পর্কে দু-এক কথা

Parichay Patra

ওপেন টি বায়োস্কোপ দেখলাম। কেন দেখলাম সে একটা প্রশ্ন, বিশেষ করে আমার সিনেফাইল বন্ধুরা আমার এমন আলু আলুবখরা, জল এবং জলপাইময় বিচরণ দেখে সপ্রশ্ন হন মাঝে মাঝেই। আমি বলি আহা, অমন তো হয়েই থাকে, আগের দিন লিসানদ্রো অ্যালনসোর ‘লিভারপুল’ দেখলাম, আর পরের দিন সন্ধের অবসরে ওপেন টি। আমাদের ইউটিউবে ছাড়া দেখার সুযোগ নেই, ফলে অন্য সকলের দেখে নানা তর্ক তুলে ফেলার পরে আমার কথা বলতে বসা। এমনিতে এই নস্টালজিয়া ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে আমার ইমোশনাল আইডেন্টিফিকেশনের সম্ভাবনা কমই, শুধু এই জন্য নয় যে আমি একজন পেশাদার সিনেমা আলো

আরও পড়ুন...

ফাইভ ফ্রুটস্‌ এ ডে

সুকান্ত ঘোষ

আমি ইংল্যাণ্ডে থাকাকালীন ওখানকার সরকার এক ক্যাম্পেন চালু করেছিল – Five Fruits a Day। ব্রিটিশ ছেলেছোকরাদের ক্রমশঃ খারাপ থেকে নিকৃষ্ট হয়ে যাওয়া রুখতেই সেই প্রচার। তবে যে দেশে দুই হাত অন্তর ফ্রাই, কেবাপশপ আর বার্গারের দোকান এবং যেখানে ফল কিনতে গেলে দুই মাইল দূর দূর সুপারমার্কেটে যেতে হয় সেখানে এই ক্যাম্পেন কতটা সার্থকতা লাভ করবে তা বোঝার জন্য পরিসংখ্যানবিদ হবার দরকার নেই। আমাদের ইউনিভার্সিটির ফুডকর্ণারগুলিতে ছবি লাগানো হল ফলের – আপেল, কলা, লেবু, আঙ্গুর ইত্যাদি। দোকানদার প্রায় সবুজ কলা কিনে ঝুড়িতে র

আরও পড়ুন...

সীসা হো ইয়া দিল হো

অবন্তিকা

শিরোনামটা ঝাড়া l জনৈক ফেসবুকিয়ার দেওয়াল থেকে l ম্যাগিতে অত্যধিক সীসা ও আজিনামোতো ব্যবহারের ফলে যে তুলকালাম চলছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, বলা বাহুল্য তার প্রতিক্রিয়া l এর চেয়ে অ্যাপ্ট আর কিছু এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না l

এক বছর হল ম্যাগি খাওয়া বন্ধ করেছি l বন্ধ মানে বন্ধই l স্টমাকের অবস্থা বেশ কিছুদিন যাবৎ শোচনীয় l মানে, অ্যাপ্যারেন্টলি আমাকে দেখে পেটমোটা মনে হলেও আদতে আমি বেশ পেটরোগা লোক, আর পাঁচটা বাঙালির মতই l কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সাপের পাঁচ পা (মা উবাচ) দেখে ফেলার দরুণ রোজ রোজ বাড়ি থেকে ফলমূ

আরও পড়ুন...

রূপ-রুবারু (৪)

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

এবারে ধরেছি ঢালু। মাঝেমধ্যে অল্প চড়াই। হালকা গাছগাছালি আর প্রচুর পাখি। বেশিরভাগেরই নাম জানি না। দেখলাম আকাশে পাক খাচ্ছে খানদুই হিমালয়ান ঈগল। ক্যাঁক্যাঁ করে মাত করছে ঝাঁক ঝাঁক টিয়া। সবুজ আর কমলা কাঠঠোকরা। উসকোখুসকো ঝুঁটিয়ালা সিপাহি বুলবুল। হলুদ ঠোঁটের ময়না। লম্বা লেজওলা ট্রিপাই, ম্যাগপাই। অসংখ্য খুদে পাখির দল নালিশে আর উস্তমখুস্তমে ভরিয়ে তুলেছে ঝোপঝাড়। কিছুটা দূর থেকে আমাদের মাপছে কালোমুখের হনুমান বাহিনী। একেকটার মোটা আর বাঁকা ল্যাজ দেখেই ‘রামায়ণ’-এর ওপর বিশ্বাস বেড়ে যায়। দুয়েকটা ফটো তোলার পর মনে

আরও পড়ুন...

জ্যামিতি: পর্ব ১

Swarnendu Sil

http://bigyan.org.in/ ওয়েবসাইটে জ্যামিতির বনিয়াদ নিয়ে আমার এই লেখাটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে...
এখানে লেখাটা একই ভাবেই দিলাম... আমার ব্যক্তিগত অনুরোধ, আমার লেখাটা না পোষালেও ওয়েবসাইট টায় ঘুরে আসতে ভুলবেন না...

আজ প্রথম পর্ব, যা ৪ঠা নভেম্বর, ২০১৪ ( ইংরাজি সন) এ প্রকাশিত হয়েছিল...
http://bigyan.org.in/2014/11/04/jyamitir_gorar_katha/


জ্যামিতির গোড়ার কথা : ইউক্লিড থেকে রীমান ( প্রথম পর্ব )


জ্যামিতি আমরা সকলেই কমবেশি পড়েছ

আরও পড়ুন...

এই অবস্থায় ডাক্তার কিভাবে নীতিনিষ্ঠ থাকতে পারেন?

Punyabrata Goon

চিকিৎসক-জীবনে আমি যে দুটো জনস্বাস্থ্য কর্মসূচীতে কাজ করেছি সেই শহীদ হাসপাতাল ও শ্রমিক-কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নৈতিকভাবে চিকিৎসা-পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। যে ডাক্তার-বন্ধুরা আমার মতো কোনও গণসংগঠনের সঙ্গে থেকে ডাক্তারী করেন না, তাঁদের নীতিনিষ্ঠ থাকার কথা বললে অনেক সময় বলেন—প্রাইভেট প্র্যাকটিশ করে বা প্রাইভেট হাসপাতালে কাজ করে নীতিনিষ্ঠ থাকা যায় না। সত্যিই কি তাই?! একজন ব্যক্তিগত ভাবে কতোটা সৎ থাকতে পারেন আর কিভাবে?

কোথায় চেম্বার করবেন?
অনেক ডাক্তার ওষুধের দোকানে চেম্বার করে

আরও পড়ুন...

রূপ-রুবারু (৩)

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

ফরিদা খানুম যতই বলুন ‘আজ যানে কি জিদ না করো...’ – একবার বেরিয়ে পড়লে, অন্তত এইরকম রাস্তায়, যেকোনও দিকে এগোতেই হয়। সকালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, বাকিরা এগিয়ে যাক বলওন্তজির সঙ্গে – চন্দ্রানীর দেখভাল করতে আমি থেকে যাব ধাকুরিতেই। তারপর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা। বাকিদের ফিরে আসতে এখনও সাত-আটদিন লাগবে। ততদিন বাঘেশ্বর ফিরে আমরা অন্য কিছু জায়গা ট্রাই করতে পারি। টুকরো কথার পরামর্শে, রুটি-তরকারি খেয়ে ও বেঁধে, একে একে সকলে যখন পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নিচের জঙ্গলের রাস্তায় মুছে গ্যালো – ধাকুরির খোলা মাঠ আর অপার আকাশের মাঝে

আরও পড়ুন...

কাদম্বরীর ফিল্মি বাক্স

Sayantani Putatunda

অত্যন্ত ভয়ে ভয়ে ‘কাদম্বরী’ দেখিলাম। একা দেখি নাই অবিশ্যি। সঙ্গে পাড়ার হুলো মস্তানটিকে লইয়া গিয়াছিলাম। কেন? লোকমুখে শুনিয়াছি উহার নাকি একটি ‘আনলাইসেন্সড রিভলবার’ আছে। একেই ‘বম্বকেস’ বাবুর বম্ব খাইয়া হিরোশিমা-নাগাসাকির মত ‘থ’ কেস খাইয়া বসিয়াছি। তাহার পর ‘কাদম্বরী’র সাইড এফেক্টে কী হইবে কে জানে। গঙ্গা যদি কোলে তুলিয়া না লন্‌, তবে হুলোর রিভলবারই সই! ‘মরিব মরিব সখী, নিশ্চয়ই মরিব-ও-ও-ও-ও...!’
ইয়ে, মানে সব ফিলিমকে খারাপ বলিলে লোকে আমাকে নিন্দুক বলিবে। তাই ‘কাদম্বরী’কে খারাপ বলিব না! ভালোই হইয়াছে। ব

আরও পড়ুন...

রূপ-রুবারু (২)

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

সকাল সাতটায় চাড্ডি ম্যাগি গিলে আমাদের যাত্রা হল শুরু। সঙ ছাড়িয়ে এলোমেলো ঘরবাড়ি নদীর ধার ঝোপঝাড় ধরে হাঁটা। পাহাড়মালা আর গাছেদের গায়ে গায়ে সকালের ছিটে এসে পড়ছে। প্রতিটি স্তরে খেলা করছে মহারশ্মিছোঁয়া। ক্ষেতে কাজ করছে বেশিরভাগ মেয়েরাই। যদিও হাল দেওয়ার কাজটা পুরুষরাই করছে। মেয়েরাই, দেখলাম, গরু ও মোষের পাল নিয়ে চরাতে চলেছে পাহাড়ের ঢালে। ছেলেদের, দেখলাম, ছাগলের পাল সামলাতে। (ছাগলরা কি নারীশাসন মানতে অনিচ্ছুক? কে জানে!) সব্জি বলতে, সাধারণত, রাইশাক আর প্রায় সিমের সাইজের বিনস। রাই থেকে যে মশলা ও তেল হয়, ত

আরও পড়ুন...

মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল-এটলেটিকো - খেলা স্রেফ খেলা নয়

Garga Chatterjee

পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল আমাদের চেতলা পাড়া থেকে রাসবিহারী মোড় যাওয়ার অটো রুটেই। জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের রক্ত পতাকাগুলি নেমে আসতে শুরু করলো। তার জায়গায়ে এলো মা-মাটি-মানুষের নিশান। এখুন-ও সেগুলি উড্ডীন। এই পথেই এক-কালে বসত বিরাট রথের মেলা। চলত ১৪ দিন। এখুন সে ঐতিহ্যশালী মেলা চেতলা ব্রিজের নীচে নির্বাসিত। পরিসরে ১০ বছর আগের তুলনায় এক দশমাংশ-ও নয়। সে যাই হোক, বর্ষাস্নাত এক সন্ধ্যায় আমি রাসবিহারী মোড়ের অটোর জটলার দিকে গেলাম। দেখি কয়েকটা অটো-তে এক নতুন পতাকা। ব্রেজিল দেশের। এই পতাকা ব

আরও পড়ুন...

'বাঁকা' লেজ 'সোজা' করার ঘরোয়া টোটকা

পিকু

অ্যাদ্দিনে মোক্ষম অস্তরটা সামনা-সামনি চলে এল। 'বাঁকা' ছেলে-মেয়েদের 'সোজা' করতে এর চেয়ে ভাল উপায় আর কীই বা ছিল? তাতে এত হইচই হল্লাগোল্লার কী আছেটা শুনি? সেই কবে থেকেইতো বিভিন্ন 'বিদঘুটে অসুখ' সারাতে মাঝে মাঝে বাড়ির লোকজন 'সংশোধনী ধর্ষণ' করেই আসছে। আজ না হয় খবরের কাগজওয়ালাগুলোর হেব্বি পিনিক জেগেছে, আর তাই নিয়ে পাতা ভরিয়েছে। আর ফেসবুক করনেবালাদের দেখ! জীবনে লোকের পিছনে কাঠি করা ছাড়া বিশেষ কোনও কাজই নেই ,তাই এখন এই আদ্দিকালের খবর শেয়ার করার ধুম পড়েছে। আরে বাপ, ঘরের ছেলে, মেয়ে বিগড়োলে সামলাবেটা কে?

আরও পড়ুন...

প্যাসেজ টু হেভেন (পর্ব-২)

Maskwaith Ahsan

সুঁতোর টান নেই, অথচ ঘুড্ডি আছে
বেহেশতে সৃষ্টিকর্তা চেষ্টা করেছেন জগতে সমাজের চাপে এক হতে না পারা প্রেমাত্মাদের সাত পাকে বেঁধে দিতে। দেবদাস-পার্বতী, লায়লা-মজনু, রোমিও-জুলিয়েটের বিয়ে হয়েছে। সুন্দর একটা বাসা, বিরহ ভাতা সবই পাচ্ছেন তারা।

লায়লা মেয়েটা ভালো। তবে সামান্য কালো। এ কারণে মজনুর চোখ পড়েছে ব্রিজিত বার্দোর দিকে। আর ব্রিজিত জানেন কী ভাবে মজনুদের লেজে খেলাতে হয়। লায়লার সবই ভালো;কিন্তু মেয়েটা একেবারেই ঢং ঢাং জানে না। কেমন বোন বোন লাগে মজনুর কাছে। অন্যদিকে ব্রিজিত যেন লরেলাই, যাদু হ

আরও পড়ুন...

রূপ-রুবারু (১)

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

বন্ধুগুলোই জুটেছে সর্বনেশে! বছরে মিনিমাম বারতিনেক পাহাড় বা জঙ্গল। পাড়ার লোকেদের কানাকানি, ওরা না কি বাড়ি ফেরে জামা কাচার জন্যে! শুকিয়ে গেলেই ফের ফুড়ুৎ! পেটের দায়ে নানান শহরে আমি তো নিজেকেই গুঁজে রাখতে ব্যস্ত। অম্বল হাঁপানি ল্যাদচূড়ামণি আমি লোকাল ট্রেনে কোথাও যেতে হলে একসপ্তা ভাবি। তবে হ্যাঁ, হাঁটতে ভালবাসি। খানকতক হাইকিং করা আছে। যা জোটে, খেয়ে ফেলতে পারি। ও, টানা পাঁচদিন হেঁটে অমরনাথ মেরে দিয়েছিলাম বছরদেড়েক আগে। সুতরাং গর্বে আমার বাঙালি-খাঁচা ধকাসপকাস। ২০১২-য় বাপি যেদিন ফোনে বলল, এবারে সুন্দরডোঙ

আরও পড়ুন...

বঙ্গদর্শন

Garga Chatterjee

খণ্ডিত বঙ্গের দুই অংশ – ছোট ভাই পশ্চিমবঙ্গ ও বড় ভাই পূর্ব্ববঙ্গ। এই দুই বঙ্গ মিলেই আবহমানকালের বাংলাদেশ – যদিও ১৯৭১-এর পর তা মূলতঃ পূর্ব্ববঙ্গের জাতিরাষ্ট্রের‘অফিসিয়াল’ নামে পরিণত হয়েছে। নিজেকে বাংলাদেশ নামে ডাকার অধিকার পশ্চিমবঙ্গের বড় অংশই ছেড়ে দিয়েছে। সেটা দুঃখজনক। নিজের নাম স্বেচ্ছায় কেন কেউ নিজে থেকেই ভুলে যাবে, তা আমার বোধগম্য নয়। তো সে যাই হোক, এতটাই আত্মবিস্মৃত আমরা যে বাংলাদেশ নামটির পুরো অধিকারটাই আমরা তুলে দিয়েছি পূর্ব্ববঙ্গের হাতে। খন্ড-বঙ্গের ছোট খন্ড আমরা। এই খন্ড ভাব আর

আরও পড়ুন...