সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • তোত্তো-চান - তেৎসুকো কুররোয়ানাগি
    তোত্তো-চানের নামের অর্থ ছোট্ট খুকু। তোত্তো-চানের অত্যাচারে তাকে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে। যদিও সেই সম্পর্কে তোত্তো-চানের বিন্দু মাত্র ধারনা নেই। মায়ের সঙ্গে নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য সে চলছে। নানা বিষয়ে নানা প্রশ্ন, নানান আগ্রহ তার। স্টেশনের টিকেট ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্য প্রথম ভাগের উৎসব শেষ। এরপরে দীপাবলি। আলোর উৎসব।তার সাথে শব্দবাজি। আমরা যারা লিভিং উইথ অটিজমতাদের ক্ষেত্রে সব সময় এই উৎসব সুখের নাও হতে পারে। অটিস্টিক মানুষের ক্ষেত্রে অনেক সময় আওয়াজ,চিৎকার, কর্কশ শব্দশারীরিক ...
  • সিনেমা দেখার টাটকা অভিজ্ঞতা - মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি
    চট করে আজকাল সিনেমা দেখতে যাই না। বাংলা সিনেমা তো নয়ই। যদিও, টেলিভিশনের কল্যাণে আপটুডেট থাকা হয়ে যায়।এইভাবেই জানা যায়, এক ধাঁচের সমান্তরাল বাংলা ছবির হয়ে ওঠার গল্প। মধ্যমেধার এই রমরমার বাজারে, সিনেমার দুনিয়া আলাদা হবে, এমন দুরাশার কারণ দেখিনা। কিন্তু, এই ...
  • কিংবদন্তীর প্রস্থান স্মরণে...
    প্রথমে ফিতার ক্যাসেট দিয়ে শুরু তারপর সম্ভবত টিভিতে দুই একটা গান শোনা তারপর আস্তে আস্তে সিডিতে, মেমরি কার্ডে সমস্ত গান নিয়ে চলা। এলআরবি বা আইয়ুব বাচ্চু দিনের পর দিন মুগ্ধ করে গেছে আমাদের।তখনকার সময় মুরুব্বিদের খুব অপছন্দ ছিল বাচ্চুকে। কী গান গায় এগুলা বলে ...
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অনন্ত কুয়ার জলে...

Tim

কাচের জানলা সারসার। আলো কোথাও জ্বলে, কোথাও ঢিমে আঁচে নিভন্ত। জানলার মুখোশের আড়ালে জীবন। ফুটন্ত চায়ের মত, শুকিয়ে আসা আধাসবুজ ডালের মত। দেওয়ালির আলো মেখে সারারাত ভিজে পুড়ে ওঠা নক্ষত্রের মত। সেই জানলায় ছায়া পড়ে, অনন্তের। "অনন্ত কুয়ার জলে চাঁদ পড়ে আছে।"

যে সমুদ্র শ্বাস নেয় তার কাছে সবাই ফকির। প্রচন্ড এক মাথাপাগল লোকের মত, সে শাসায়। মেঘ করে এলে সে লাফিয়ে নাচে, মেঘ সরে গেলে ভিজে ভিজে সে মাতাল ঝিমোয়। পাড়ার কাঁচাপাকা চুল, নোংরা জামার সংকর প্রজাতির মানুষটার মত। সে মাতাল না, মদ কেনবার পয়সা ও ধ্বক

আরও পড়ুন...

চার অধ্যায়

Rana Alam

প্রথম অধ্যায়

কোরপান শা এবং একটি মশার গপ্পো।

ধরা যাক,আপনি আপনার দিকে ধাবমান একটি মশাকে এক থাপ্পড়ে মারলেন।পেনাল কোড যাইই বলুক না ক্যানো,আপনি জানেন যে আপনার কিস্যু হবেনা কারণ আপনি প্রমাণ করে দেবেন যে মশাটি আপনার দোতলায় বিনা অনুমতিতে ইভনিং ওয়াক কি বাণিজ্যিক চুক্তিতে সাইন করতে নয় বুক পকেটে আণবিক অস্ত্র নিয়ে আপনাকে মারতে আসছিল আর ওই মশাটি পেনাল কোডের খরচা বহন করতে পারবেনা,বিচার তো অনেক পরের কথা।

অতএব সার,ওই মশাটার যে মরাটাই ভবিতব্য ছিল তা আমি আপনি ভালোই জানি আর রোজ কত এরকম

আরও পড়ুন...

জাত-ধর্ম-লিঙ্গ নিয়ে দু-চার কথা যা আমি জানি

মোহর


বলতে গেলে সে অনেক কথা। আর আমাকে যারা জানে তারা সবাই বলবে, একে দিয়ে কিসসু হবার নয়, বেহদ্দ আলসে। তবু দু-চার কথা পষ্টাপষ্টি বলে রাখাই ভালো, যা দিনকাল পড়েছে! চুপ করে থাকলে লোকে পরে পড়া ধরতে চায়! সেদিন আবার কে একজন বললেন, বেড়াল-গিরি করে করে কি আর ওর সময় আছে? সে কথাটাও নেহাত ফ্যালনা নয়।

হ্যাঁ, কথা গুলোর দু-একটা হিন্দু-মুসলমান নিয়ে তো বটেই, জাত-পাত, ছেলে-মেয়ে, শ্রোডিঙ্গার ইকোয়েসন, এল্লাহাবাদ এক্সিবিসন -- সেসব ও আসতে পারে। অবিশ্যি সে আমার কলি-বেলা র কথা, তখন তো কেউ বোঝেনি এ বেটি পদ্ম নয়, ঘ

আরও পড়ুন...

এ্যালিস! এ্যালিস! তুমি বিম্বিত হয়ো জোছনাতে - ১৩

সুকান্ত ঘোষ

আমার যাদুর ঝাঁপি, আমার জমানো পুঁজিপাটা
তাতে আর কিছু নেই, আছে শুধু মায়াবীমুকুর
আমার সে আর্শিটা চিরতরে তোমাকে দিলাম
এ্যালিস! এ্যালিস! তুমি বিম্বিত হয়ো জোছনাতে...

আমাদের যাদুর ঝাঁপিতে এ্যালিস ছিল না –তখনো আমরা ঠাকুমাদের কাছ থেকে ব্রহ্মদত্যি শুনছি, কন্ধকাটা ভূত দেখতে পাচ্ছি রাতের বেলায় কলতলার কাছে সজনে গাছটায়, ব্যাঙ্গমা-ব্যঙ্গমি নিয়ে সন্দহের দোলচালে ভুগছি। আমাদের এ্যালিস ছিল না – আমাদের চারপাশে ছিল মলি, মিঠু, শম্পা, কেয়া সহ ফ্রক পড়ে বড় হতে থাকা আরো অনেকে। সব সমতল ছিল তখনো, প্রায়

আরও পড়ুন...

আজি গুরুগৃহবাস সমাপ্ত আমার

Sumeru Mukhopadhyay

ছেড়ে চলে যেতে হবে, কিমাকার এই মাংসল পৃথিবী, আজি গুরুগৃহবাস সমাপ্ত আমার। পৃথিবীর পরিখা বরাবর হাঁটছে দুই আচ্ছন্ন পাফরমার, যেন ঘড়ির দুটি কাঁটার ইশারা, তারা এদিক ওদিক ছুটে যায়, উদবাস্তু জ্যামিতি যেমন হয়, আর দিঘীভরা জল করে টলমল। জলঘড়ি। উদ্ভ্রান্ত সেই আদিম যুগের শুরু যেখানে, কেন মুখপানে চেয়ে আছ গো মা, নীলগাইটি এসে দাড়ায়, যে কদাচ নীল ছিল না। আকাশ ছিল, জল ছিল, অবকাশও ছিল বিস্তর হাঁটাহাঁটির মাঝে, সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় আমাদের ঘড়ির কাঁটারা নিজে নিজে ঘুরত, নন্দন দুই নিচে জলতল ক্রমশ উঠত, মোবাইল বাজত, চাই মিং-ল

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ... (৩০তম পর্ব)

Rana Alam



ক্লাস সেভেনের ঘরে ইংরেজি পড়াচ্ছি।কি একটা বিচ্ছিরি গ্রামাটিক্যাল কোশ্চেন ধরেছি যা আমাকে ইস্কুল লাইফে ক্যানো এখনো ধরা হলে যে বই না দেখে পারতুম না তা নিয়ে কুণাল ঘোষের ঘোষিত আত্মহত্যার মতই কোনো সংশয় নেই।তা আমিই যখন পারতুম না তখন আমার ছাত্র ছাত্রীরাই বা পারবে ক্যানো? ভালো ছেলে মেয়েগুলো একে একে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। তা দেখে আমি একটু হেসে বললাম, ‘একে একে নিভিছে দেউটি’, তারপর সামনের বেঞ্চে বসা ওসামা’র দিকে তাকিয়ে বললুম,
‘এর মানে কি জানিস?’
মানে টা ওর জানার কথা নয়।আমি এম্নিই জিজ্ঞেস করেছিলাম।

আরও পড়ুন...

লাল নীল বাড়ি ও তপতী

মোহর



বজ্র

সারাদিনে আমার কাজ বলতে তিনটে। এক, স্টেশন রোডে অটো নিয়ে গুলতানি; দুই, সাড়ে চারটে থেকে সাড়ে ছটা সরযূবালা কলেজ থেকে স্টেশন কলেজ থেকে স্টেশন ফেরি; আর তিন, রাত সাড়ে দশটায় সূর্যসমকে স্টেশন থেকে কোলপাঁজা করে নীলবাড়ির দোতলায়। প্রথম দুটো না করলেও চলে যেত। পততি আমাকে ছ'হাজার দেয় মাসে। সূর্যসম-ও মাঝে মাঝে দু'একশো ভুল করে বার করে দেয়। ঘাড় জড়িয়ে ঝুঁকে দাঁড়ায় যাতে ওর নিখুঁত খাঁজকাটা থুতনি, যাকে চিবুক-ই বলা উচিৎ, আমার কাঁধে বিঁধতে থাকে।

"এই যে তুই, বুঝলি, শালা অটো চালাস, অট

আরও পড়ুন...

কী দেখতে যাও দিল্লি-লাহোর...

I

NH 31 C থেকে রাস্তাটা ডানদিকে বেঁকে যায়। সরু, ছোট্ট রাস্তা। ধুলো-ওড়ানো । শুকনো হলং নদীর ওপরে একটা কাঠের ব্রীজ আছে। সেই ব্রীজ পেরিয়ে মাদারিহাট ট্যুরিস্ট বাংলো। কাঠের ব্রীজ চোখে এলেই-আর ঐ লাল-নীল পতাকাগুলো,- ঘরে ফেরার শান্তি হয়। অথচ এর আগে একবারই তো এসেছি। মাত্রই একবার। আসলে জঙ্গল। ডুয়ার্স। তবে বাংলোটাকেও বড় ভালো লেগে গেছিল।
এবার এসেছি কড়া দুপুরের মধ্যে। প্রথমবার, মনে পড়ে, সকাল তখনও নরম ছিল। এবার পাহাড় থেকে নেমে আসা। কোলাখাম থেকে লাভা এসে একপ্রস্থ দাঁড়িয়ে থাকা। পাহাড়ী ড্রাইভাররা কেউই সমতলে

আরও পড়ুন...

মৎস্য শিকার ও শিকারী বৃত্তান্ত

সুকান্ত ঘোষ

মাছ ধরার সাথে আমার সম্পর্ক মোটামুটি ডিকুরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ডিকুরি হল আমার বাড়ির পাশের পুকুর যার অন্য পাড়ে আমাদের যৌথ পরিবারের পুরানো বাড়ি। সেই অর্থে ডিকুরির একদিকে আমার বাল্যকাল আর অন্যদিকে কৈশোর সহ যৌবন। আমাদের নিমো গ্রামের অন্য পুকুর গুলি ছিল - পচাগেরে, বিশ্বেসদের ডোবা, হাজরাদের ডোবা, বামুনগেড়ে, বড় বামনা, ছোট বামনা, লালতেগড়ে, জুঙগিইতে, চেয়ো, ঠাকুরঝি এই সব। গাঁয়ের সীমানায় আছে পূবে গরাঙ্গে, পশ্চিমে বনধারা, উত্তরে ত্রিশূল ও দক্ষিণে পদ্‌দেরে। বলাই বাহুল্য এই সব পুকুরের নামকরণের ইতিহাস আমরা ক

আরও পড়ুন...

টুকরো- টাকরা

Ramkrishna Bhattacharya

উহ্যনাম পণ্ডিত

====================

আজকাল, ভোরের দিকে শরীরটা শিন শিন করে অল্প ঠাণ্ডায় । কুয়াশা না পড়লেও, বেশ একটা মায়াবী পরিবেশ ।

গলির ঢোকার মুখটাতে, কালভার্ট নতুন করে তৈরি হয়েছে- হরির দোকান ঘেঁসে । একটা ক্রংকিটের স্ল্যাব জোগাড় করে, তার নীচে ইট দিয়ে, দোকানের সামনে বসার জায়গা তৈরি করেছে হরি ।

ষ্টোভে সাঁ সাঁ করে জল ফুটছে । এখনও সে রকম চাতাল রা আসে নি ।

নাগের বাজারের দিক থেকে রিক্সা করে এসে, একজন নামলেন, দোকানের সামনে ।

সায়েবী পোষাক পরণে, তবে

আরও পড়ুন...