ঈশান RSS feed

আর কিছুদিন পরেই টিনকাল গিয়ে যৌবনকাল আসবে। :-)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • লড়িয়ে দেবেন না, প্লিজ
    পদ্মাবতী ডিবেটের সূত্রে একটা কথা চার পাশে শোনা যাচ্ছে, যে এ সব পদ্মাবতী ইত্যাদি দেশের আসল ইস্যু নয়। এই মুহূর্তে দিল্লির কৃষক বিক্ষোভটাই দেশের সমস্যা, সেখান থেকে নজর ঘোরাতেই রাষ্ট্র ও মিডিয়া পদ্মাবতীর মত উল্টোপাল্টা ফিল্মি ইস্যু বানানোর কারসাজি করছে। আমি ...
  • আজকের নাটক -পদ্মাবতী
    পরের পর নাটক আসতেই থাকে আজকাল। গল্প সাধারণ, একটা জনগোষ্ঠীর গরিষ্ঠ অংশের অহংকে সুড়সুড়ি দেওয়া প্লট। তাদের বোঝান যে বাকিরা ও তাদের পূর্বপুরুষেরা লুঠতরাজ করে তোমাদের লাট করে দিয়েছিল, আজই সময় হয়েছে বদলা নিয়ে নাও, নয়ত কাল আবার ওরা তোমাদের শেষ করে দেবে। এই নাটক ...
  • বেশ্যাদ্বার
    বেশ্যাদ্বার (প্রথম পর্ব)প্রসেনজিৎ বসুরামচন্দ্র দুর্গাপুজো করছেন। রাবণবধের জন্য। বানরসেনা নানা জায়গা থেকে পুজোর বিপুল সামগ্রী জোগাড় করে এনেছে। রঘুবীর পুজো শুরু করেছেন। ষষ্ঠীর বোধন হয়ে গেছে। চলছে সপ্তমীর মহাস্নান। দেবীস্বরূপা সুসজ্জিতা নবপত্রিকাকে একেকটি ...
  • অন্য পদ্মাবতী
    রাজা দেবপালের সহিত দ্বন্দ্বযুদ্ধে রানা রতন সিংয়ের পরাজয় ও মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ রাজপুরীতে পঁহুছানোমাত্র সমগ্র চিতোরনগরীতে যেন অন্ধকার নামিয়া আসিল। হায়, এক্ষণে কে চিতোরের গরিমা রক্ষা করিবে? কেই বা চিতোরমহিষী পদ্মাবতীকে শত্রুর কলুষ স্পর্শ হইতে বাঁচাইবে? ...
  • আমার প্রতিবাদের শাড়ি
    আমার প্রতিবাদের শাড়িসামিয়ানা জানেন? আমরা বলি সাইমানা ,পুরানো শাড়ি দিয়ে যেমন ক্যাথা হয় ,গ্রামের মেয়েরা সুচ সুতো দিয়ে নকশা তোলে তেমন সামিয়ানাও হয় । খড়ের ,টিনের বা এসবেস্টাসের চালের নিচে ধুলো বালি আটকাতে বা নগ্ন চালা কে সভ্য বানাতে সাইমানা টানানো আমাদের ...
  • টয়লেট - এক আস্ফালনগাথা
    আজ ১৯শে নভেম্বর, সলিল চৌধুরী র জন্মদিন। ইন্দিরা গান্ধীরও জন্মদিন। ২০১৩ সাল অবধি দেশে এটি পালিত হয়েছে “রাষ্ট্রীয় একতা দিবস” বলে। আন্তর্জাতিক স্তরে গুগুল করলে দেখা যাচ্ছে এটি আবার নাকি International Men’s Day বলে পালিত হয়। এই বছরই সরকারী প্রচারে জানা গেল ...
  • মার্জারবৃত্তান্ত
    বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে ...
  • বসন্তবৌরী
    বিল্টু তোতা বুবাই সবাই আজ খুব উত্তেজিত। ওরা দেখেছে ছাদে যে কাপড় শুকোতে দেয়ার একটা বাঁশ আছে সেখানে একটা ছোট্ট সবুজ পাখি বাসা বেঁধেছে। কে যেন বললো এই ছোট্ট পাখিটার নাম বসন্তবৌরী। বসন্তবৌরী পাখিটি আবার ভারী ব্যস্তসমস্ত। সকাল বেলা বেরিয়ে যায়, সারাদিন কোথায় ...
  • সামান্থা ফক্স
    সামান্থা ফক্সচুপচাপ উপুড় হয়ে শুয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়েছিলাম। মাথায় কয়েকশো চিন্তা।হস্টেলে মেস বিল বাকি প্রায় তিন মাস। অভাবে নয়,স্বভাবে। বাড়ি থেকে পয়সা পাঠালেই নেশাগুলো চাগাড় দিয়ে ওঠে। গভীর রাতের ভিডিও হলের চাম্পি সিনেমা,আপসু রাম আর ফার্স্ট ইয়ার কোন এক ...
  • ইংরাজী মিডিয়ামের বাংলা-জ্ঞান
    বাংলা মাধ্যম নাকি ইংরাজী মাধ্যম ? সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি? অনেক বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিতে! তারপরেও সংশয় যেতে চায় না। ঠিক করলাম, না কি ভুলই করলাম? উত্তর একদিন খানিক পরিস্কার হল। যেদিন একটি এগার বছরের আজন্ম ইংরাজী মাধ্যমে পড়া ছেলে এই ...

যাদবপুর, হয়েছে টা কী

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

মিডিয়ায় কোনো খবর নেই, কারণ ভোরবেলায় ঘটেছে ঘটনাটি। যাদবপুরের কিছু ছেলেমেয়েকে লিখতে বলেছিলাম, তারা স্বভাবতই আন্দোলনে ব্যস্ত। ওদিকে লোকজন জানতে চাইছেন, হয়েছে টা কি। মূলত আন্দোলনকারীদের ফেসবুক পাতা থেকে তথ্যগুলি তুলে দিলাম। ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে, থাকলে শুধরে দেবেন। সংশোধন বা নতুন কোনো খবর থাকলে মন্তব্য করবেন। সবকিছু এক জায়গায় থাক। আর অন্য কাউকে জানাতে হলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আমি ব্লগে এইসব লিখিনা, কিন্তু কী করা যাবে, ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি।


আগস্ট ২৮ -- যাদবপুরের উৎসব 'সংস্কৃতি ' চলাকালীন ইতিহাসের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী কিছু ছাত্রের হাতে নিগৃহীত হন বলে অভিযোগ। 'ইউথ কি আওয়াজ' এ সৃষ্টি দত্ত চৌধুরির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগকারিণী বাথরুমের অভাবে ছেলেদের হস্টেলে ঢুকেছিলেন, তাঁর এক 'বহিরাগত' পুরুষবন্ধুর সঙ্গে। বেরোনোর সময় হস্টেলের একদল ছেলে কটুক্তি করে। বচসা হয়, এবং, টেনে নিয়ে যাওয়া হয় হস্টেলের ভিতরে। পুরুষবন্ধুকে মারা হয়। মেয়েটিকে মারধন ও নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ।

আগস্ট ২৯ -- মেয়েটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। ভিসির সঙ্গে মিটিং হলে তিনি জানান, বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে হলে ১৫ দিন সময় লাগবে। ততদিন নিরাপত্তাজনিত কারণে যেন মেয়েটি কলেজ থেকে দূরে থাকেন।

সেপ্টেম্বর ১ -- ছাত্রীটি যাদবপুর থানায় এফ-আই-আর করেন।

সেপ্টেম্বর ৩ -- ছাত্র-ছাত্রীরা একটি সাধারণসভা করে ডিন অফ স্টুডেন্টের কাছে একটি ডেপুটেশন দেয়। সেখানে একটি "নিরপেক্ষ" তদন্ত কমিটির দাবী করা হয়। তদন্ত কমিটির মধ্যে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, একজন মানবাধিকার কর্মী থাকবেন, এরকম সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবও দেওয়া হয়। সাতদিনের মধ্যে এই অনুযায়ী কাজ করে সকলকে অবহিত করারও দাবী জানানো হয়।

সেপ্টেম্বর ৫ -- ছাত্রছাত্রীরা যাদবপুর থানা পর্যন্ত একতি মিছিল করে। মেয়েটি ইতিমধ্যেই হামলাকারী বলে অভিযুক্তদের একজনকে চিহ্নিত করেন। পুলিশ জানায় ব্যবস্থা নিতে আরও কিছু সময় লাগবে।

সেপ্টেম্বর ৮ -- এ-আই-পি-ডাব্লিউ-এ ও সাধারণ ছাত্রদের একটি প্রতিনিধিদল প্রো-ভিসি কাছে যান। কিন্তু কোনো খবর পান না। একটি মিছিল হয় ক্যাম্পাসে। আইসিসি (ইনটারনাল কমপ্লেন কমিটি) থেকে কলা বিভাগ ছাত্র সংসদের প্রতিইধি পদত্যাগ করেন। আইসিসি সদস্যদের আটকে রাখা হয়।

সেপ্টেম্বর ৯ -- বাংলা সংবাদপত্র 'এই সময়' এ আইসিসির একজন সদস্যের বয়ান প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ছাত্রছাত্রীরা একটি সাধারণ সভা ডাকে। যেহেতু ঘটনাটা পুরোটাই সিসিটিভির আওতায় ঘটেছে, তাই সিসিটিভির ফুটেজ দেখিয়ে অভিযোগের প্রমাণ দাবী করা হয়।

সেপ্টেম্বর ১০ -- অরবিন্দ ভবনের সামনে ধর্ণা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৬-- রাত ১০ টা -- পুলিশ, র‌্যাফ, এবং শাসকদলের লোকজন জড়ো হয় ক্যাম্পাসে। বড়ো গন্ডগোলের আশঙ্কায় ছাত্রছাত্রীরা ফেসবুকে সকলকে জড়ো হবার আহ্বান জানান। পুলিশকে জানানো হয় ভিসি একটি বিবৃতি দিলেই তাঁরা এলাকা ছাড়বেন। পুলিশ ভিসির সঙ্গে দেখা করতে যায়।

সেপ্টেম্বর ১৬-- রাত ১১ টা -- প্রেসিডেন্সির একটি দল যাদবপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ছাত্ররা জানান, সংঘর্ষ শুধু সময়ের অপেক্ষা। পুলিশ শুধু প্রেসের এলাকা ছাড়ার অপেক্ষা করছে।

-------------------

সেপ্টেম্বর ১৭-- ভোর ২ টো -- পুলিশ সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে ক্যাম্পাসে আবার প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পরেই আক্রমন শুরু হয়। লাঠি চলে। মারধোর করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় কিছু ছাত্রকে। গ্রেপ্তারও হন কিছু ছাত্র। সঠিক সংখ্যা বলা মুশকিল। ছাত্রদের পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, ৩৬ জন হাসপাতালে।, ৪০ জন গ্রেপ্তার।

সেপ্টেম্বর ১৭-- ভোর ৪ টে -- ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস বয়কটের ডাক দিয়েছেন। খুব সম্ভবত ভিসির পদত্যাগও দাবী করেছেন।


হ্যাঁ, এটা খুবই ছোটো এবং খাপছাড়া বিবরণী হল। মূল সূত্র ছাত্রদের এই পাতাটিঃ https://www.facebook.com/studentsagainstcampusviolence

এখানে নজর রাখুন।


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13]   এই পাতায় আছে 233 -- 252
Avatar: হি হি

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

প্রায় সব প্রচলিত চ্যানেলেই আজ যাদবপুর। যে যার নিজের মত করে দেখাচ্ছে, যদিও তার মধ্যে ফোকাস বাংলায় বার বার দেখিয়েছে, শাসকদলের আজকের রোড শো ফ্লপ। যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের অনেকেই ছাত্র বা ছাত্রী নন, জানেনও না কেন এসেছেন।

রীতিমত প্রশ্ন করে করে এটা প্রমাণও করে ছাড়ল' ২৪ ঘণ্টা। আর প্লাস-এ একা সৌমিত্র দস্তিদারকে কোনঠাসা করে রাখলেন সঞ্চালক এবং টিএমসির মনোজবাবু। টাইম্‌স্‌ নাউ বললো সেদিনের মহামিছিলে যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীরা ছিল কুড়ি শতাংশ। পুলিশ যখন সেই রাতে ঢোকে তখনও আশি শতাংশ অন্য কলেজের ছিল, যারা এই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিল, কিন্তু কিছু অ্যারোগ্যাণ্ট ছাত্রছাত্রীদের জন্য সমস্যা তৈরী হয় :-)।

স্টার আনন্দ বা সুমনের প্রোগ্রাম, সত্যি বলছি, খুব একটা নিতে পারি না। যদিও নিগৃহীতা মেয়েটির বাবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে মন্তব্য দেওয়া বা আজকের টিএমসিপির মিছিলে যোগ দেওয়াকে ভালোই বিশ্লেষণ করেছে।

বায়াস্‌ড্‌ মন্তব্য ভাবলে কিছু করার নেই, কিন্তু আজ ২৪ ঘণ্টার প্রোগ্রাম অঞ্জনের সঞ্চালনায় সবচেয়ে ভালো হয়েছে। হয়ত' আগে দেখিয়েছিল, জানি না, কিন্তু বাড়ি ফেরার পর অনেক রাতে শুরু হ'য়ে এই কিছুক্ষণ আগে শেষ হ'ল, যাদবপুর-এর উপর ২৪ ঘণ্টার আপনার রায় বা ওরকম কিছু অনুষ্ঠান, যাতে উপস্থিত ছিলেন ওম প্রকাশ, রীতেশ তিওয়ারী, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, (আরো দুজন ছিলেন, যাঁদের নাম মনে করতে পারছি না) এবং ছিল যাদবপুরের অরুণিমা মিত্র , উদ্দালক ভট্টাচার্য্য এবং সম্ভবতঃ এখানকার সবচেয়ে বেশী অ্যাক্টিভ মেয়ে 'পাই'। (বেঠিক হলে মাফ চাই)

বিতর্কিত সংযোজনঃ
জানি না, এই মন্তব্যটা কেন ওকে করা হয়েছে -
*****
21 September 2014 13:39:52 IST 114.32.170.194 (*) #
pi দেবী গুলিয়ে দেওয়া তো আছেই সেটা ছারা রাজনীতি চোলবে না যে। আপনিও তার বোরে ছারা কিচু নন।
(এই ‘বোরে’ যদি বানানভেদে দাবার ‘বোড়ে’ হয়, তাহলে হজ্‌মোলা খাই গে। মন্তব্যটি যিনি করেছেন, তিনি যদি সেই বার্লিনের ব্যক্তিই হন, তাহলে বিষমও খেতে হবে)
আমি ভুল বুঝে বা পড়ে থাকলে আগাম মাফ চাইলাম।

পুনশ্চঃ প্রোগ্রামটা হয়ত এখন আবার দেখাচ্ছে। কিন্তু আমার দেখার উপায় নেই। এবার ঘুমোতেই হবে....
Avatar: Parichay Patra

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

যারা কলকাতা টিভির ফুটেজ দেখেছেন এবং দেখে দ্বিধায় পড়েছেন তাদের জন্য এই পোস্ট। কলকাতা টিভির রাজনৈতিক আনুগত্য প্রসঙ্গে যাচ্ছি না, সেটা সবাই জানেন।কিন্তু লক্ষ্য করুন ফুটেজে পুলিশের মারের দৃশ্যগুলি আদপেই নেই, সেগুলি এডিট করে বাদ দেওয়া হয়েছে। দেবর্ষি নামক ছেলেটি ধাক্কা খেয়ে পুলিশের গায়ে পড়ায় পুলিশের চশমা খুলে গেল। বলা হল পুলিশকে চড় মারছে। ভিসির গাড়ির ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে গেল, অথচ বলা হচ্ছে আনএডিটেড। উত্তেজিত, প্রহৃত ছেলেমেয়েদের সামনে ক্যামেরা নিয়ে গিয়ে তাদের উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া, গালিগালাজ রেকর্ড করা হল। সর্বোপরি, ২-১ জন মহিলা পুলিশকে দেখিয়ে বলা হল দেখুন মহিলা পুলিশ আছেন।আর দেখুন বারবার বলা হচ্ছে যে "নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করি আমরা, (এই আমাদের একটিমাত্র সুখ/ভিসির গাছে গায় যে দোয়েলপাখি, তাহার গানে আমার নাচে বুক।") আর যেখানে বলা হচ্ছে ভাংচুর নয়, ভাংচুর নয়, সেখানে ভাষ্যকার নীরব। অন্যত্র সক্রিয়। টিভির তো উচিত ফুটেজটাই প্রদর্শন, সেখানে এই ভয়েস ওভার মন্তব্যের কি প্রয়োজন? যা সিনেমায় হলে আমরা সিনেমা চর্চার ছাত্ররা বলি authorial intervention? আরও মারাত্মক একটি মেয়ে ক্যামেরার সামনে চার অক্ষরের শব্দ বলছেন, বলছেন বুকে হাত দিচ্ছে পুলিশ। এতে কি প্রতিক্রিয়া হল? অর্থাৎ যে মেয়ে চার অক্ষরের শব্দ বলেন তার বুকে হাত দেওয়াই যায়, সে সহজলভ্যা? আর আমার দু পায়ের ফাঁকে একটি বাড়তি মাংসপিণ্ড আছে বলে (যেটা থাকার জন্য আমি দায়ী নই) আমি চার অক্ষরের শব্দ বলতে পারি? আর যেহেতু আমি সেটা বলিনা অতএব আমি 'মেয়েলি' বা 'নপুংসক'? প্রিয় তৃণমূল, gender violence শুধুই ক্যাম্পাসের ঘরে ঢুকিয়ে গায়ে মদ ঢেলে দেওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়।
Avatar: Parichay Patra

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

গতবছর হরিমোহন কলেজের ভোটে এক বয়স্ক পুলিশ অফিসার নিহত হন তৃণমূলের লোকেদের গুলিতে। তাঁর পরিবারের লোকেরা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী একটু দেখুন, পুলিশের বন্দুক নেই পাবলিক বন্দুক হাতে ঘুরছে। গতকাল মহানায়ক দেবের কেন্দ্রে দুষ্কৃতীদের হাতে প্রহৃত হলেন পুলিশের লোকেরা এবং গরিব হোমগার্ডকে গুলি করে মারা হল। কাগজে পড়লাম বড়বাবু বললেন "আমরা পুলিশ, আমাদের মারছিস কেন?" উত্তরে তারা বড়বাবু সহ সবাইকে বাঁশপেটা করল। কি আর করা যাবে? পুলিশের স্পেশাল বাহিনী তো ছাত্রদের মারার কাজে ব্যস্ত।কাজেই পুলিশ জোকারে পরিণত হয়েছে।
Avatar: Parichay Patra

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

বন্ধুগণ, এইমাত্র জানা যাচ্ছে এক নির্ভীক 'ছাত্রী' জীবন বিপন্ন করে শঙ্কুদেবের মিছিলে চলতে চলতেই আমাদের আন্দোলনকে অজান্তেই সমর্থন করে ফেলেছেন। যখন মিছিলের 'ছাত্র' দের জিজ্ঞেস করছিল ২৪ ঘণ্টা যে কেন এসেছ, এবং তারা কেউই বলতে পারছিল না, তখন এই 'ছাত্রী' বলেছেন "যাদবপুরে আজ বহিরাগত উপাচার্যরা নৈরাজ্য চালাচ্ছে, তাই এসেছি।" এতো নির্ভেজাল সত্য, আমাদেরই কথা।
Avatar: সিকি

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

বেসুর অধ্যাপক সুকান্ত দাসের পোস্ট -

অধ্যাপক অভিজিত চক্রবর্তী। এ লেখাটা আপনার জন্য।

আপনি আমাকে হয়তো মনে করতে পারবেন না। আমি যখন বেসুর ছাত্র, আপনি সিনিয়র অধ্যাপক। ডিপার্টমেন্ট ভিন্ন হওয়াতে আপনার সাথে আমার মোলাকাত সেভাবে হয়নি। যখন বেসুতে চাকরি করতে ঢুকে আপনার সহকর্মী হলাম, তখনও কথা হয়নি। আপনি কথা খুব কম বলতেন। কিন্তু আমি আপনাকে অন্যভাবে চিনেছিলাম। আপনি বেসুর ভবঘুরে কুকুরদের প্রতিদিন বিস্কুট খাওয়াতেন। মনে আছে আপনার? আমার ভালো লাগত। পশুপ্রেমিক। এমন লোকেরা তো নরম মনের হন, মানবিক হন!

২০০৫ থেকে ২০০৮-এর বেসুর কথা আপনার মনে পড়ে? মারামারি-দাঙ্গা ছাত্র অসন্তোষ প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। তখন বেসুর ভিসি ছিলেন ডঃ নিখিল রঞ্জন ব্যানার্জিয়া। সিইএসসি-র ম্যানেজার ছিলেন; কোনোদিন শিক্ষকতা করেননি। যদিও ছিলেন সিপিএমের অত্যন্ত কাছের লোক। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা বলতাম বিশ্ববিদ্যালয় ভিসির অফিস থেকে নয়, সিপিএমের পার্টি অফিস থেকে চালিত হয়। তখন তো ব্যানার্জিয়া সাহেবকে পার্টির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, এমনকি পার্টি অফিস উদ্বোধনেও দেখা যেত। কিভাবে সমস্ত কাজে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালন থেকে নিয়োগ, পদোন্নতি সমস্ত ক্ষেত্রে পার্টি নিয়ন্ত্রন করত, মনে আছে? আর ছাত্রদের মধ্যে বিভাজন তৈরীর কৌশল? একই অপরাধ করল ২জন ছাত্র (যেমন ধরুন প্রকাশ্যে মদ্যপান/মাতলামো করা, পরীক্ষায় চিটিং করা – কিছু মনে পড়ছে?), কিন্তু শাস্তির সময় দেখে নিতে হবে কেউ শাসক দলের ছাত্র সংগঠন করে কিনা, করলে ভিন্ন ব্যাবস্থা! আমরা চোখের সামনে দেখলাম, কিভাবে ছাত্রদের মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হোল। একজন কারখানার ম্যানেজার যেভাবে শ্রমিকদের শায়েস্তা করেন আরকি। পরে শুনেছিলাম, পার্টির ইচ্ছা বেসুতে এসএফআই ছাত্র ইউনিয়ন দখল করুক।

ওসব দিনগুলোতে তো পুলিশ নিয়মিত টহল দিত ক্যাম্পাসে। পুলিশকে নিয়ে অনেক গল্প, হস্টেল ফাঁকা করা থেকে শুরু করে ছেলেমেয়েদের গ্রেপ্তার করা, সে থাক। কিন্তু সেদিনটার কথা আপনাকে স্মরণ করাবো, যেদিন পুলিশ আপনার ডিপার্টমেন্টের ক্লাসরুমে ঢুকে সব তছনছ করল। তারিখটা খেয়াল নেই, ২০০৮-এর কোনো একদিন হবে। সেদিন আমার ডিপার্টমেন্টেও তুমুল গণ্ডগোল, আমরা কয়েকজন সেটা নিয়েই ব্যস্ত। দুপুরে খবর পেলাম আপনার ডিপার্টমেন্টে পুলিশ ছেলেমেয়েদের ক্লাসরুমে আটকে রেখেছে! দুপুর গরিয়ে যাচ্ছে, ছেলেমেয়েরা ক্ষিদেতে ছটফট করছে, আর পেচ্ছাব চেপে রাখতে পারছে না, কিন্তু পুলিশ ঘর থেকে বেরোতে দিচ্ছে না! কেন? ওদের কাছে খবর আছে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সন্ত্রাসবাদী মাওবাদী সমাজবিরোধীরা লুকিয়ে আছে! স্মরণ করুন অভিজিৎ বাবু, আর একবার স্মরণ করুন সেদিনের কথা। আমার মনে আছে, আপনার ডিপার্টমেন্টের অনেক অধ্যাপক উন্মাদের মতো আচরণ করছেন, প্রায় কেঁদে ফেলছেন, কিন্তু পুলিশ-কর্তৃপক্ষের মন গলছে না। আপনি কী কী করেছিলেন আমি জানি না, কথা কম বলতেন তো, কিন্তু সেদিন পুলিশ-কর্তৃপক্ষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলেও জানি না বা তেমন মনে হয় নি। সেদিন বিকেলে যখন ভিসি মিটিং ডাকলেন, আমরা ফেটে পড়লাম ভিসির এই কৃতকর্মের জন্য। কিন্তু আমাদের অবাক করে কিছু সিপিএম কর্মী তর্ক করেছিলেন (হ্যাঁ, তারা সিপিএম কর্মীই, ‘শিক্ষাকর্মী’ তাদের মুখ্য পরিচয় নয়), সমাজবিরোধীদের মোকাবিলা করতে হলে তো পুলিশ লাগবেই! ভিসি আইহল-এর স্টেজে বসে আছেন, আর এই যুক্তি শুনে মিচকি হাসছেন! আমি এখোনো সেই হাসি দেখেত পাই। আপনার ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপকেরা চেঁচিয়েছেন, আমিও চেঁচিয়েছি মাইক্রোফোন হাতে, কিন্তু আক্ষেপ, সেদিন ব্যারিকেড ভেঙ্গে গলাধাক্কা দিয়ে ভিসিকে বলতে পারিনি, আমার ছাত্রদের আমরা বুঝে নেব কিন্তু আপনি বেড়িয়ে যান।

আজ আপনি এটা কী করলেন, অভিজিৎ বাবু! সেই একই নাটকের পুনরাবৃত্তি। এবং সেই একই অভিযোগ! সেদিন যেমন সিপিএম বলত এসব গন্ডগোলের মুলে বহিরাগতরা, মাওবাদী-তৃণমুলীরা, আপনিও তেমন কথা বললেন! তৃণমূল যে সিপিএমের উত্তরসূরি, সেটা আমরা বুঝি; আর আপনি বোঝালেন সেদিনের বেসুর ভিসির প্রকৃত উত্তরসূরি আপনি।

ছাত্ররা আপনাকে হত্যা করতে পারতো? একজন শিক্ষক হয়ে, বেসুর সেই উত্তাল দিনের সাক্ষী হয়ে এতবড় কথা বলতে পারলেন! যদি তাই হয়, তাহলে জেনে রাখুন ভিসি অভিজিৎ চক্রবর্তী, শিক্ষক অভিজিৎ চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়েছে।

ধিক্কার জানাই আপনার কৃতকর্মকে, আপনাকে। এতবড় জল্লাদ কিকরে হয়ে গেলেন যে একবারের জন্যেও দুঃখ প্রকাশ করলেন না! আমরা জানি আপনার পেছনে শাসকের স্নেহময় হাত রয়েছে, কিন্তু তাইবলে এতটা ঔদ্ধত্ব! সেদিন আলিমুদ্দিনের লম্বা হাত বেসুর ভিসিকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলো। আজ কিন্তু কালীঘাট আপনাকে রক্ষা করতে পারবে না।
Avatar: ঈশান

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

এসব আমি জানিইনা। আর আমি কিনা বিই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র? সুকান্তরা এসব পাবলিকই করেননি কেন?

এঁকে কেউ ডিটেলে লিখতে বলতে পারেন?
Avatar: E না C

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

ধন্যবাদ সুকান্ত। আমিও অন্য একটা থ্রেডে পোস্ট করেছি।

Avatar: E না C

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

NRBanerjea was appointed VC of BECollege (Deemed University) with effect from 1st September 2004. As par the MoA and Bye Laws of BEC(DU) he didn't fulfill eligibility requirements for the post. He became VC on 1-9-2004 and the Institute was converted to a State University under the BESU Act 2004 w.e.f. 2-9-2004.
Avatar: ঈশান

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

আপনারা দুজনেই একটু বড়ো করে, মানে প্রবন্ধের মতো বিই কলেজের ঘটনাটা লিখুন না। লোকের তো জানাও উচিত।

ওদিকে রোশনারার আপডেট দেখলাম রাজাবাজার নিয়ে। সেটা শেয়ার করা যায় কিনা বুঝতে পারছিনা। জিগিয়ে দেখি, অসুবিধে না থাকলে পোস্ট করে দেব।
Avatar: a

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

সুকান্তবাবু, লিখলে, দুপক্ষের কথা ঠিক্ঠাক লিখবেন।
সোজা কথা সোজা করে বলুন তোঃ বেসুর শিক্ষকদের ভিতর পলিটিক্ষ কবে ছিল না? আপনি তার থেকে মুক্ত তো?
একটা সিম্পুল কোশ্ন করিঃ এই যে বল্লেন "পরে শুনেছিলাম, পার্টির ইচ্ছা বেসুতে এসএফআই ছাত্র ইউনিয়ন দখল করুক।" কোথা থেকে শুনলেন যদি বলেন বড় বাধিত হই।
Avatar: Indranath Sinha

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

সুকান্ত যা বলার বলবে, তার আগে আমিই বলি। বেসুর শিক্ষকদের ভিতর পলিটিক্স ছিল, আছে এবং সম্ভবত থাকবে। কিন্তু শিক্ষক রা একক বা গোষ্ঠীভুক্ত হয়ে চাকরী ক্ষেত্রে রাজনীতি করেন সেটা এক জিনিস আর শিক্ষক বা উপাচার্য ছাত্রদের সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন সেটা অন্য। উপাচার্য বা রেজিস্ট্রারের চেয়ারে বসে ছাত্রদের প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ না করলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো অসম্ভব, এটা আমি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। আপনি গান্ধীবাদীই হোন বা মার্ক্সবাদী আপনার মতবাদ আপনাকে পক্ষপাতিত্বের শিক্ষা দেয় না, আপনি পক্ষপাত দেখাবেন যদি আপনি ধান্দাবাজ হন। নিখিল ব্যানার্জি কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির চাটুকারিতা করতে গিয়ে বি ই কলেজের সর্বনাশ করেছেন। আসলে যোগ্যতা থাকলে সে চাটুকার হয় না। উদাহরণ অধ্যাপক শংকর সেন। তিনি মর্যাদার সঙ্গে যাদবপুরের উপাচার্যর কাজ করেছেন। পরবর্তী কালে মন্ত্রীত্বেও সফল। সে মন্ত্রীত্ব স্বেচ্ছায় ছেড়ে এসেছেন। অন্যদিকে নিখিল ব্যানার্জী। কোন ছাত্র কি রঙের জামা পরে সেটাই ছিল তার মুখ্য বিবেচ্য। ফল ছাত্র বিবাদ এবং তার ফলে এক ছাত্রের মৃত্যু।
একটি উদাহরণ দিই। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে কোন অপরাধে কি শাস্তি হবে তা বিধিবদ্ধ আছে। এই ভদ্রলোক সেই বিধি ভেঙ্রগেছেন অবহেলায়। সেমিস্টার পরীক্ষায় এক ছাত্র দুটি বিষয়ে অসদুপায় অবলম্বন করতে গিয়ে ধরা পরে। নিয়ম অনুযায়ী সে ফেল (ছটি পেপার ক্যান্সেল)। কিন্তু এই ভদ্রলোক 'মানবতার খাতিরে' সাস্তি কমিয়ে ছেলেটিকে ওই দুটি বিষয়ে সাপ্লিমেন্টারি দিয়ে দিলেন। এরকম কত উদাহরণ চান? জানিয়ে রাখি যে তিনি আয়ারল্যান্ডের এক ভূমাফিয়া (ক্রসবেঞ্চার লর্ড), যার বিদ্যার ঝুলিতে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের বি এ ডিগ্রী ছাড়া কিছু নেই, তাকে BESUর DSc (honoris causa) দিয়েছিলেন। আমার ঝুলি উপুর করলে তা অনেকের অস্বস্তির কারণ হবে।
Avatar: Indranath Sinha

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

সুকান্ত যা বলার বলবে, তার আগে আমিই বলি। বেসুর শিক্ষকদের ভিতর পলিটিক্স ছিল, আছে এবং সম্ভবত থাকবে। কিন্তু শিক্ষক রা একক বা গোষ্ঠীভুক্ত হয়ে চাকরী ক্ষেত্রে রাজনীতি করেন সেটা এক জিনিস আর শিক্ষক বা উপাচার্য ছাত্রদের সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন সেটা অন্য। উপাচার্য বা রেজিস্ট্রারের চেয়ারে বসে ছাত্রদের প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ না করলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো অসম্ভব, এটা আমি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। আপনি গান্ধীবাদীই হোন বা মার্ক্সবাদী আপনার মতবাদ আপনাকে পক্ষপাতিত্বের শিক্ষা দেয় না, আপনি পক্ষপাত দেখাবেন যদি আপনি ধান্দাবাজ হন। নিখিল ব্যানার্জি কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির চাটুকারিতা করতে গিয়ে বি ই কলেজের সর্বনাশ করেছেন। আসলে যোগ্যতা থাকলে সে চাটুকার হয় না। উদাহরণ অধ্যাপক শংকর সেন। তিনি মর্যাদার সঙ্গে যাদবপুরের উপাচার্যর কাজ করেছেন। পরবর্তী কালে মন্ত্রীত্বেও সফল। সে মন্ত্রীত্ব স্বেচ্ছায় ছেড়ে এসেছেন। অন্যদিকে নিখিল ব্যানার্জী। কোন ছাত্র কি রঙের জামা পরে সেটাই ছিল তার মুখ্য বিবেচ্য। ফল ছাত্র বিবাদ এবং তার ফলে এক ছাত্রের মৃত্যু।
একটি উদাহরণ দিই। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে কোন অপরাধে কি শাস্তি হবে তা বিধিবদ্ধ আছে। এই ভদ্রলোক সেই বিধি ভেঙ্রগেছেন অবহেলায়। সেমিস্টার পরীক্ষায় এক ছাত্র দুটি বিষয়ে অসদুপায় অবলম্বন করতে গিয়ে ধরা পরে। নিয়ম অনুযায়ী সে ফেল (ছটি পেপার ক্যান্সেল)। কিন্তু এই ভদ্রলোক 'মানবতার খাতিরে' সাস্তি কমিয়ে ছেলেটিকে ওই দুটি বিষয়ে সাপ্লিমেন্টারি দিয়ে দিলেন। এরকম কত উদাহরণ চান? জানিয়ে রাখি যে তিনি আয়ারল্যান্ডের এক ভূমাফিয়া (ক্রসবেঞ্চার লর্ড), যার বিদ্যার ঝুলিতে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের বি এ ডিগ্রী ছাড়া কিছু নেই, তাকে BESUর DSc (honoris causa) দিয়েছিলেন। আমার ঝুলি উপুর করলে তা অনেকের অস্বস্তির কারণ হবে।
Avatar: a

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

একজনক্কে খিস্তি মেরে গুরুতে পোস্ট করাই জায়, বিশেষত তিনি যখন আত্মপক্ষ সমর্থন করতে আসবেন না। সেটা আপনার রুচির পরিচয়।
সেকথা থাক। বিক্কলেজে শিক্ষকদের একাংশ পক্ষপাতিত্ব করেছে স্টুডেন্টদের রাজনীতির রং দেখে, এ আমার নিজের চোখ দেখা। সুতরাং এই কমেন্টগুলো জাস্ট মরাল হাইগ্রাউন্ড নেওয়া।
তবে, ঝুলি উপুড় করুন প্লিজ।
Avatar: anirban

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

অ-কে। একটি আন্দোলনকে যেমন করে হোক এসে গাল দিয়ে যাওয়া এবং মিথ্যা প্রচার করা (এই সাইটেই আছে ) আপনারও রুচি এবং স্বার্থের পরিচয়। যাদবপুরে গতবার মারার সময় বিমান বসু বলেছিলেন ছাত্ররাই পুলিশকে মেরে্ছে। আজকে যখন শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ - সেই প্রতিবাদে গলা মেলানোর সাহস নেই - শুধু কিছু আনফাউন্ডেড গালাগাল দিয়ে কিছুই করতে পারবেন না। অবশ্য এর মধ্যে দল বদলে আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করলে সেটা প্রকাশ্যে বললেই সুবিধা হয়। আর যার বিষয়ে এই কথাগুলো বলা তাঁকে ওঁকে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে কে বারণ করেছে?

ইন্দ্রনাথ বাবুকে, অনেক ধন্যবাদ খুব সোজাসুজি এই কথাগুলো বলার জন্য। তখনকার শাসকের / পার্টির কথা এতদিন ধরে শুনেছি। বরং ওঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কথাটাই শুনেছি। অন্য ভয়েস-গুলোকে উঠে আসতেই দেওয়া হয় নি। এই সরকারও একই রকম নীতি নিয়েছে। আপনি সরাসরি তাঁর বিরুদ্ধে বলছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
Avatar: Indranath Sinha

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

a কে> খিস্তি মারলাম? মাত্র দুটি ঘটনার উল্লেখ করেছি। অস্বীকার করছেন? আর তিনি কেন 'আত্মপক্ষ সমর্থন করতে আসবেন না'। আসতে বলুন। নয়ত আপনারা তাঁর সমর্থনে এগিয়ে আসুন। তবে 'হোককেলানো' গোছের বিরধীতায় নামলে আমি পারবো না। হার স্বীকার করে নেব।
ভাবছি লিখব। ২০০৫ থেকে ২০০৯ এর ঘটনাগুলো আমার চোখ দিয়ে যা দেখেছি সেভাবে লিখব। একটু সময় চাই।
Avatar: Indranath Sinha

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

আবার a কে> আপনি লিখেছেন 'বিক্কলেজে শিক্ষকদের একাংশ পক্ষপাতিত্ব করেছে স্টুডেন্টদের রাজনীতির রং দেখে, এ আমার নিজের চোখ দেখা'। নিজের চোখে বিক্কলেজ দেখেছেন (সময়কাল?), দু চারটে ঘটনা বলুন।
Avatar: a

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

অনির্বানকেঃ ভাই তোমাদের আন্দোলনকে যেমনভাবে গাল দিয়ে যাওয়া বা তা বিরুদ্ধে প্রচার করার কোন সদুদ্দেশ্য আমার নেই। কিপ ইট আপ।

প্রসঙ্গত এন আর বিকে কোনভাবে ডিফেন্ড করা আমার দায় নয়। আমি বিন্দুমাত্র উৎসাহী নই উনি কি করেছিলেন বা করেননি তাতে। কিন্তু একজন লোককে ওয়ান সাইডেডলি নিন্দে করে গেলে, এবং উইদাউট প্রুফ, সেটার প্রতিবাদ করতেই হবে।

Avatar: প্রুফ রীডার

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

প্রুফ দেবে কে? প্রুফের যুক্তিগ্রাহ্যতা কে নিরূপিত করবে? গ্রহণীয়তাই বা কে কে করবে, যখন মন্তব্যগুলোই পোলারাইজ্‌ড্‌।

Avatar: Indranath Sinha

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

মহান NRB র পদত্যাগ চেয়ে একটি গণভোট হয়। শতকরা চুরাশি ভাগ শিক্ষক পদত্যাগ চেয়েছিলেন। একটা লিমেরিক শুনেছিলাম

"শুধু গোটা চোদ্দ
তোমার বরাদ্দ
শতকেতে চুরাশি
চাইছেন কাশীবাসি
হও তুমি অদ্য"
Avatar: কল্লোল

Re: যাদবপুর, হয়েছে টা কী

অগমীকাল, রবিবার ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬.৩০এ ব্যাঙ্গালোর টাউন হল থেকে মিছিল হবে কাব্বন পার্ক পর্যন্ত। সকলে চলে এসো/অসুন/অসিস।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13]   এই পাতায় আছে 233 -- 252


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন