সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সুরের ভুবনে
    সুরের ভুবনেসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্পদশইঞ্চির স্কার্টটা হাঁটুর চার আঙুল ওপরেই শেষ হয়ে গেছে। লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যাচ্ছিল পরমার। কোনরকমে হাঁটুতে হাঁটু চেপে মেক-আপ রুমে দাঁড়িয়েছিল সে। দীপ্তি ওকে বোঝাচ্ছিল।: দ্যাখ, আমাদের কাছে এই একটাই মূলধন, আমাদের গান। এই ...
  • আমেরিকা, আমি এসে গেছি
    আমেরিকা, আমি এসে গেছিআসলে কী --------------অ্যাকচ...
  • আতঙ্কিত ভীমরতি
    আতঙ্কিত ভীমরতিঝুমা সমাদ্দারপরিস্কার দেখতে পাচ্ছি দু' দু'খানা ইন্ডিয়া। দেশের ভিতর দেশ ।একখানা দেশ শপিংমলে গিয়ে খুঁজে খুঁজে ঢেঁকিছাঁটা চাল ( না হে , দিশী নাম নয় , নাম তার ‘ব্রাউন রাইস’), কিউয়ি-স্ট্রবেরীর মতো সাত-বাসী বিদেশী ফল(গাছ-পাকা পেয়ারা-কামরাঙায় ...
  • হালাল বইমেলায় হঠাৎ~
    অফিস থেকে দুঘণ্টা আগে ছাড়া পেয়েই ছুট। ঠিক দুবছর পর একুশের বইমেলায়। বলবেন, কেন? সে এক মেলা উত্তর, না হয় এইবেলা থাক। আপাত কারণ একটাই, অভিজিৎ নাই!ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলেই মধুর কেন্টিনের কথা মনে পড়ে। অরুনের চায়ের কাপে চুমুক দিতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সেখানে ...
  • নিলামওয়ালা ছ'আনা
    নিলামওয়ালা ছ'আনাসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / ছোটগল্পপাঁচতারা হোটেলটাকে হাঁ করে তাকিয়ে দেখছিল সুদর্শন ছিপছিপে লম্বা ছেলেটা। আইপিএল-এর অকশান হবে এই হোটেলেই দুদিন পর। তারকাদের পাশাপাশিই সেদিন ভাগ্যনির্ণয় হবে ওর মতো কয়েকজন প্রায় নাম না জানা খেলোয়াড়ের। পাঁচতারায় ঢোকার ...
  • এক যে ছিল
    ১অমাবস্যা-পূর্ণিমা নয়, বছরের এপ্রিল-মে মাস এলেই জয়েন্টের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়ে হরেরাম। গত তিন বছর ধরে এটি হচ্ছে। ক্রনিক রোগ বাঁধলো নাকি! হরেরামের চিন্তা হয়। অথচ চিকিৎসার তো কোনো ত্রুটি নেই। ...
  • পিরীতি রীতি
    পিরীতি রীতিঝুমা সমাদ্দার- কি বইলছিস রে , সহর যাক্যে ইসব তু কি সিখ্যে আইসেছিস , বট্যে ? একদিন চগ্লেট দিব্যে , একদিন পুত্যুল দিব্যে, একদিন কিস কইরব্যেক, একদিন জড়াইঞঁ ধইরব্যেক - ই কি ইনিস্টলমিন পিরিতি 'ট হইঞঁছ্যে ন' কি ? সাত দিন ধইরে ই সব কইরব্যে , আর ...
  • নগরকাকের গল্প
    নগরকাকের গল্প১শামসোজ্জোহা বাসায় এসেই খবর পেয়েছে তার স্ত্রী ও কন্যা একসাথে কাক হয়ে উড়ে গেছে। এটি কোন ভালো খবর না। খারাপ খবর। খারাপ খবরে শামসোজ্জোহার মন খারাপ হল। সে একহাতে জ্বলন্ত সিগারেট রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগল কী করা যায়।দূরে শাহজালাল(র) এর ...
  • পরিস্থিতি
    হিঞ্জেওয়াড়ি ফেজ - ৩ : রাত ৯.৩০----------------...
  • বাংলা ভাষার উৎস সন্ধানে অস্ট্রো এশিয়াটিকের দিকে ফিরুন
    বাংলা ভাষা একটি মিশ্র ভাষা। তার মধ্যে বৈদিক ভাষার অবদান যেমন আছে, তেমনি আছে খেরওয়াল বা সাঁওতালী ভাষার অবদান। আমরা আর্য থেকে উদ্ভূত হয়ে বিভিন্ন মিশ্রণের মধ্যে দিয়ে আজকের চেহারায় এসেছি, এরকম না বলে আমরা অস্ট্রো এশিয়াটিক গোষ্ঠী থেকে উদ্ভূত হয়ে বিভিন্ন ...

রাষ্ট্রীয় অজুহাত

Animesh Baidya

আসলে জানি রাষ্ট্রশক্তির একই রকম ভাষা,
বয়ান সবই বদলে যায় উলটে গেলে পাশা।
রাষ্ট্রশক্তি সরল শিশু, আসল দোষ তো ওদের,
ওরাই শুধু জ্বালায় আগুন মিথ্যে প্রতিশোধের।
রাষ্ট্র জানি আঘাত করে না, আত্মরক্ষা করে,
অনিচ্ছেতে তার হাতে তাই কিছু মানুষ মরে।
ওরাই বরং বানিয়ে রাখে নারী শিশুর ঢাল,
সবই এক, হামাস কিংবা মাওবাদীদের চাল।
রাষ্ট্র জানি নিরীহ ভীষণ, শুধুই চায় শান্তি,
ওরাই বরং ছড়িয়ে দেয় লোকের মনে ভ্রান্তি।
রাষ্ট্র কখনও রক্ত চায় না, আসলে সে শুদ্ধ,
ওদের জন্যই বাধ্য হয়ে রাষ্

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত... (২৬ তম পর্ব)

Rana Alam

বহরমপুরে বাস স্ট্যান্ডের কাছে ফেমাস সার্কাস এসেছে।তা নিয়েই সন্ধেবেলা সায়ন্তিকাদের বাড়িতে আলোচনা হচ্ছিল।সায়ন্তিকা’র বাবা অফিস থেকে ফিরলেন এবং আমাকে দেখে অ্যামন মুখ করলেন যেন বারাক ওবামার মেয়ের সাথে পুতিনের ছেলে ইলোপ করেছে।তারপর বললেন,
‘আরে তুমি এখানে?’
আর ঠিক কোথায় থাকা আমার উচিত ছিল তা কিন্তু সত্যিই জানা ছিল না( যদিও সুহৃদ দের মতে লুম্বিনী’ই আমার আসল জায়গা),তাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে জিজ্ঞেস করলুম,
‘ক্ক্যানো বলুন তো?’
‘না,বাইরে শুনলুম যে ফেমাস সার্কাসের হাতি’টাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্

আরও পড়ুন...

অপর এবং আপন

Animesh Baidya

সালোনি এবং খুমুকচাম সঞ্জিতা চানু।

দুটো নাম লিখলাম। দুজনেই সম্প্রতি খবরের শিরোনামে। প্রথমজন এই কদিন আগে রাজধানীর রাজপথে খুন হওয়া এক যুবক। আর দ্বিতীয়জন এক যুবতী যিনি কমনওয়েল্থ গেমসে সোনা জিতে সবার উপরে তুলে ধরেছেন ভারতের পতাকা।

দুজনেই মণিপুরের বাসিন্দা। প্রথমজন 'চিঙ্কি' আর দ্বিতীয়জন ভারতের গর্ব। প্রথমজন 'অপর' আর দ্বিতীয়জন 'আপন'। প্রথমজন 'অন্যরকম' দেখতে এবং 'অন্য রকম' সংস্কৃতির মানুষ বলে তাকে অবলীলায় রাস্তায় ফেলে মেরে খুন করে দেওয়া যায়। আর দ্বিতীয় জনের সাফল্যে ভারতীয় হিসেবে গর্ব

আরও পড়ুন...

কমলাদি

Salil Biswas

এটি একটি পূর্ব-প্রকাশিত গল্প। ‘নবান্ন’ পত্রিকায়। সনতারিখ মনে নেই। এই মুহূর্তে দরকারও নেই। অবশ্য এটাকে শুধু ‘গল্প’ বললে ভুল হবে হয়ত। যা ঘটেছিল (বা বলা ভালো, যা ঘটেছিল ত্তার যতটা আমার মনে আছে) তাই লিখেছিলাম। মাঝে মাঝে ফাঁকফোকর ভরে দিয়েছিলাম কল্পনা থেকে। নামগুলো পাল্টে নিয়েছিলাম। তাছাড়া, ঘটনা যেমন ঘটে তেমন লিখে ফেললে কেমন যেন ম্যাড়মেড়ে লাগে। ঘটনা তো শিল্প মেনে ঘটে না। তাই রংগুলোকে একটু চড়িয়ে নিতে হয়, একটু সীবনশিল্পের আশ্রয় নিতে হয়। এখানেও তাই করা হয়েছে। তবে তেমন বেশি নয় সেই মিশ্রণের পরিমাণ। আর একটা

আরও পড়ুন...

আমাকে তুই আনলি কেন....

শিবাংশু

ফিরিয়ে নে…

https://www.youtube.com/watch?v=6yvbhZryhg0

মাতৃগর্ভেই মানুষের প্রথম সমুদ্রদর্শন । নোনাজলের স্বাদগন্ধ অনেকটা রক্তের মতো । অনঙ্গ অন্ধকারে হাত মেলে, পা ছড়িয়ে, অন্ধকারের মতো শীতল চোখ ছুঁয়ে ছুঁয়ে মায়ারুধির শ্যাওলা মেখে পৃথিবীতে নেমে আসা । ক্রমশঃ ট্রেনের বাঁশির স্বরে বেড়া ভাঙার আর্তকান্না, আমায় তুই আনলি কেন, ফিরিয়ে নে .......


." কোমল বাতাস এলে ভাবি, কাছেই সমুদ্র ! তুই তোর জরার হাতে কঠিন বাঁধন দিস । অর্থ হয়, আমার যা-কিছু আছে তার অন্ধকার নিয়ে নাইতে নামলে স

আরও পড়ুন...

ট্রাফিক সিগনালে দুটো শিশু.......

Animesh Baidya

আজ পড়ন্ত বিকেলে গড়িয়াহাট থেকে অটো করে যাদবপুর ফিরছি। বসেছিলাম সামনে, চালকের পাশে। গোলপার্কের কাছে যথারীতি আটকালাম ট্রাফিক সিগনালে। আমার সামনে একটি দামী চার চাকার গাড়ি দাঁড়িয়ে। দেখতে পাচ্ছিলাম সেই গাড়ির পেছনের সিটে দুজন। এক মহিলা এবং একটি দু-তিন বছরের শিশু। অনুমান করা যায় মা আর শিশু। শিশুটি গাড়ির খোলা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে। মা ধরে আছে তাকে। শিশুটি অবাক বিষ্ময়ে তাকিয়ে দেখছে আমাদের প্রিয় শহর। তার ছটফটে দুটো ছোট ছোট হাত খেলে বেড়াচ্ছে খোলা জানালার কাছে। সে যেন প্রাণপনে আঁকড়ে ধরতে চাইছে পড়ন্ত

আরও পড়ুন...

পশ্চিমবঙ্গঃ চিকিৎসা পরিষেবা ও সরকারী নীতি

Punyabrata Goon

স্বাস্থ্য মানে কেবল চিকিৎসা-পরিষেবা নয়, কিন্তু রোগীর চিকিৎসা করে এমন একজন চিকিৎসক হিসাবে আমি পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসা-পরিষেবা, বিশেষত সরকারী চিকিৎসা পরিষেবাতেই আমার আলোচনা সীমিত রাখব।

২০১১-এ নতুন সরকার গঠনের পর থেকে স্বাস্থ্য দপ্তরের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতে, তাই সরকারী নীতি-নির্ধারণে স্বাস্থ্য যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে, এমনটাই আশা করা যায়।

• ২০১২-র ফেব্রুয়ারী মাসে সরকারী ডাক্তারদের জেনেরিক নামে ওষুধ লিখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে জেনেরিক প্রেসক্রিপশন শুরু করা হয়

আরও পড়ুন...

ranjan roy

Ranjan Roy


কাজ প্রায় শেষ।এর মধ্যে রায়পুর ও কোরবা থেকে সায়েবরা তিন দফায় এসে সরেজমিনে সব বুঝেসুঝে গিয়েছেন। আর দিন সাতেকের মধ্যে পাততাড়ি গোটাতে হবে। আগামী দিনের ডেরা? সম্ভবতঃ বাংগো নদীর পাড়ে সতরেঙ্গা অজগরবাহার প্রোজেক্ট এলাকায়।কাজটা নাকি বেশ বড়। তাই টিম বড় হবে, তবে আমি ও চ্যাটার্জি একসঙ্গেই থাকবো।তার আগে বাড়ি যাবো।
কয়দিন হল রোজ রাত্তিরে বেড়াতে যাচ্ছি, চ্যাটার্জির কথামত পায়ে গামবুট, হাতে টর্চ। এ সময় নাকি সাপেদের ঘুম ভাঙে!চ্যাটার্জির হাতে আবার একটা বেঁটে লাঠি, অনেকটা এদেশের গয়লাদের মত।এতোল বেত

আরও পড়ুন...

গাজা-র প্রতিবাদ ঘিরে শোরগোল এবং মৌনতা বিষয়ক শেষ কিছু কথা

Animesh Baidya

এই তো কিছু দিন আগের কথা। পার্ক-স্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডের পরের কথা। বিশিষ্ট নাট্যকার এবং এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ওই মন্তব্যটা মনে আছে আশা করি সকলের। তিনি সব ধর্ষণকে এক করে না দেখে তার প্রেক্ষিত দেখার কথা বলেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়ে অনেক হৈ-চৈ হয়েছিল। ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলাম আমরা। কি ছিল আমাদের বক্তব্য? ধর্ষণ, ধর্ষণই। সে ক্ষেত্রে প্রেক্ষিতের প্রশ্ন আসাটাই নিরর্থক। এবং এই ঘটনার প্রতিবাদ করা যে কোনও মানুষেরই কর্তব্য। এখানে রাজনীতি খোঁজাটাও ঘৃণ্য। রাজনীতির পরিচয় দূরে

আরও পড়ুন...

গাজা: প্রতিবাদ, সমর্থন এবং ভিন্ন কিছু কথা....

Animesh Baidya

গাজা নিয়ে ক্রমাগত আলোচনায় কয়েকটি জিনিস স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এবং তা ভীতিপ্রদ। প্রতি মুহূর্তে আবিষ্কার করছি মৌলবাদের নতুন নতুন মাত্রা। গত রাতে একটি লেখা লিখেছিলাম। স্পষ্ট বক্তব্য, গাজায় মৃতদের নিয়ে প্রতিবাদ করছি যখন, তখন পৃথিবীর নানান প্রান্তে ঘটে যাওয়া মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদীদের হাতে খুনের বিষয়গুলোতেও সোচ্চার হওয়া উচিত। এবং কোনও একটা মঞ্চে আমরা এই সব ধরনের হত্যার বিরোধিতাই করতে পারি। কারণ, ঘটনাগুলো সবই মানবতা-বিরোধী এবং মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। তাতে অনেকেই সমর্থন করেছেন এবং অনেকেই তার বিরোধিতা করেছেন। একট

আরও পড়ুন...

কুপরিবাহী

Indrani



পরিতোষের ধারণা ছবিটা বাতিঘরের। বাতিঘর আর লাইটহাউজ দুটো শব্দই ওর মনে এসেছিল ছবিটা প্রথম দেখার সময়। আসলে ছবিটা পরিতোষ রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেছিল। এদেশে আসার পরে, চেয়ার,টেবিল, সোফা, টিভি, খেলনা,বই সাইডওয়াকে ডাঁই করে ফেলে রাখতে দেখত পরিতোষ। কখনও একটা কাগজে খুব বড় করে লেখা থাকত ফ্রী , কখনও এমনিই পড়ে থাকতে দেখত। কাউন্সিলের গাড়ি তুলে নিয়ে যেত। একবার একটা আনকোরা নতুন প্যারাম্বুলেটর আর কট পড়ে থাকতে দেখেছিল পরিতোষ। সেটা ছিল প্রসন্নর বাড়ির গেস্ট পার্কিংএর পাশের ময়লা ফেলার জায়্গা। প্রসন্ন ওর স

আরও পড়ুন...

বিশ্বকাপ: আবেগের সাতকাহন

Animesh Baidya

বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখানোর ফাঁকে একটা অদ্ভুত সুন্দর ছবি দেখিয়েছিলেন ক্যামেরাম্যান। সূর্যাস্তের গলে যাওয়া সোনার মতো মায়াবী রঙ আকাশ বেয়ে নামছে। আর আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছেন যীশু। এক সময় ক্যামেরার অদ্ভুত সুন্দর অবস্থানের ফলে তৈরি হল আরও একটা অদ্ভুত সুন্দর ফ্রেম। যীশু যেন বাড়িয়ে দেওয়া দু হাত দিয়ে আগলে রাখছেন ওই মায়াবী সূর্যটাকে। পরম আবেগে, পরম মমতায়।

বিশ্বকাপ শেষ হলো। শেষ হলো আবেগের উৎসব। বরাবর আর্জেন্টিনা আর নেদারল্যান্ডসের সমর্থক। আকাশী, সাদা আর কমলা রঙে ডুবে থাকা আমার বিশ্বকাপ স্

আরও পড়ুন...

বিশ্বকাপ, ধর্ষণ, মৌলবাদ.....কয়েকটি কথা

Animesh Baidya

আমাদের গভীরে লুকিয়ে থাকা মৌলবাদ আসলে সব থেকে বেশি প্রকাশিত হয় আবেগের হাত ধরে। অমাদের সচেতন স্বত্ত্বায় পলিটিকাল কারেক্টনেসের দায়ে আমরা নিজেদের প্রতিনিয়ত সভ্য এবং সুশীল বলে বিজ্ঞাপিত করতে ভালোবাসি। আমাদের সচেতন স্বত্ত্বা একদম গলা পর্যন্ত পোশাকে ঢাকা যুক্তিবাদী আমি। কিন্তু আবেগ আমাদের অবচেতনকে অজান্তেই সামনে টেনে আনে। পোশাকের আড়াল সরিয়ে ক্রমশ স্পষ্ট করে তোলে আমাদের নগ্নতা। আর বিশ্বকাপ ফুটবল যেহেতু আবেগের উদযাপন, তাই এই সময়ে যুক্তির বাইরের আমাদের মৌলবাদী নগ্ন স্বত্ত্বাটাও প্রকাশ পায়। আমাদের অসচেতন

আরও পড়ুন...

" বাপনে দিয়া হোগা মিউজিক"-২

শিবাংশু

একটা ছবি তৈরি হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে, নাম ' ফান্টুস'। বড়ো কত্তা সুর দিয়েছিলেন এই ছবিটিতে । অনেকের মনে থাকবে " ইয়েহ দর্দভরা অফসানা"। তিনি প্রায় একই সময়ে এই ছবিটি আর 'প্যাসা'র সুরও করছিলেন । 'প্যাসা'তে বড়োকত্তার অনুমতি নিয়ে গুরু দত্ত পঞ্চমকে বলেছিলেন হার্মোনিকায় ব্যাকস্কোর তৈরি করতে । পঞ্চমের তখন ষোলো বছর বয়স । তিনি তো রীতিমতো পুলকিত হয়ে প্রত্যেকদিন নানা সুরের প্যাটার্ন তৈরি করছেন । দিনের শেষে সেগুলো বাবাকেও শোনান । ১৯৫৬তে 'ফান্টুস" মুক্তি পায় । তা বড়োকত্তা পুত্রকে নিয়ে ছবিটি দেখতে গেছেন । তখনই পঞ্চম

আরও পড়ুন...

‘বেণীমাধব যখন বুদ্ধিজীবি: একটি প্যারোডি’

Animesh Baidya

কিছু দিন আগে ‘বেণীমাধব যখন আলিমুদ্দিন: একটি প্যারোডি’ নামে একটি প্যারোডি কবিতা লিখেছিলাম। সেটি নিয়ে কেউ কেউ উচ্ছ্বাস দেখানোয় উৎসাহিত হয়ে (খাঁটি ভাষায় বলতে গেলে বার খেয়ে) ফের আরেকটি প্যারোডি কবিতা। মূল কবিতা সেই আগেরটাই। জয় গোস্বামীর ‘মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয়’। এখানে বেণীমাধব হল কিছু বুদ্ধিজীবি। যারা এক সময় বাম অপশাসনের বিরুদ্ধে পরিবর্তন চেয়ে পথে নেমেছিলেন। শাসকের পরিবর্তন এলো। কিন্তু অপশাসনের কোনও পরিবর্তন এলো না। খুন, ধর্ষণ, বিরোধীদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, হুমকি, শাসকদলের বিরোধিতা করলে তাকে হে

আরও পড়ুন...

সাক্ষাৎকারঃ কথাবার্তার ব্যাপারে আমি খুব সংযমী

বাজে খবর

সাম্প্রতিক একটি মেগা হিটের পর টালিগঞ্জের মেগাতারকা গুণধর পাল ছুটি কাটাতে আছেন আত্মগোপনে। সেই হাইড-আউট থেকে বেরিয়ে এসে ফ্লুরিজের ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসেছিলেন কেবলমাত্র "বাজে খবর" এর সঙ্গে কথা বলবেন বলে। রইল গুণধর পালের এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ। একমাত্র "বাজে খবর"এ।

-------------------------------
http://s12.postimg.org/enaxvbx7x/gablu.png
চিরশিশু গুণধর। ফাইলচিত্র।
-------------------------------

বাজে খবরঃ লাস্ট যখন আপনার ইন্টারভিউ করেছিলাম সেটা ছিল আহেলি তে। এ বার আপনার স

আরও পড়ুন...

আঁধারে মলিন হল

Salil Biswas

কালো একটা ছায়া পড়ে আছে গোটা উপত্যকা জুড়ে। প্রতি মুহূর্তে বন্দুকের নল ক্রূঢ় দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে মানুষের দিকে। তুমি আতঙ্কবাদী, তুমি ভারতবিরোধী, তুমি ভারতের পক্ষে, তুমি দেশদ্রোহী, তুমি পাকিস্তানের পক্ষে, তুমি পাকিস্তানবিরোধী, তুমি দেশদ্রোহী, তুমি আমার শত্রু। তোমাকে শায়েস্তা রাখতে হবে।
ভূস্বর্গের অসামান্য নৈসর্গিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে থাকে ভীতির বাতাবরণে। শুধু প্রহরীদের নয়, তথাকথিত জঙ্গিদেরও কম ভয় পায় না মানুষ।
আমার খেরোর খাতার মূল বিষয় থেকে একটু সরে এসে লিখছি এটা। অল্প ক’টা কথা।
আমি এ

আরও পড়ুন...

পাগলা দাদু

Rajat Subhra Banerjee

“ইরিব্বাবা, ইরিব্বাবা,” বলেই দাদু লাফ মারেন;
তারপরেতেই চুলকে কনুই ফোঁশফোঁশিয়ে হাঁফ ছাড়েন!
ওমনি আবার ডাইনে ঘুরে চমকে ওঠেন কাক দেখে,
তাইতে কেমন তৃপ্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নাক ডেকে!

ঘন্টা পাঁচেক ঘুমিয়ে নিয়ে ওঠেন হঠাৎ খাট ছেড়ে,
আনিয়ে খাবার গিলতে থাকেন গপ-গপিয়ে, পাত পেড়ে;
খাবার খেয়েই ঢেঁকুড় তুলে, বাহান্ন বার কান মলে
ধর্মতলার রাস্তা ধরে হন-হনিয়ে যান চলে।

ওই যেখানে সবাই বসে ধর্ণা দিয়ে গান শোনে,
সেই সেখানে গিয়েই দাদু নাক খুঁটে যান আনমনে;
ওমনি হঠাৎ সামনে ঝুঁক

আরও পড়ুন...