সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মন্দিরে মিলায় ধর্ম
    ১নির্ধারিত সময়ে ক্লাবঘরে পৌঁছে দেখি প্রায় জনা দশেক গুছিয়ে বসে আছে। এটা সচরাচর দেখতাম না ইদানীং। যে সময়ে মিটিং ডাকা হ’ত সেই সময়ে মিটিঙের আহ্বাহক পৌঁছে কাছের লোকেদের ফোন ও বাকিদের জন্য হোয়া (হোয়াটস্যাপ গ্রুপ, অনেকবার এর কথা আসবে তাই এখন থেকে হোয়া) গ্রুপে ...
  • আমাদের দুর্গা পূজা
    ছোটবেলায় হঠাৎ মাথায় প্রশ্ন আসছি্ল সব প্রতিমার মুখ দক্ষিন মুখি হয় কেন? সমবয়সী যাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম সে উত্তর দিয়েছিল এটা নিয়ম, তোদের যেমন নামাজ পড়তে হয় পশ্চিম মুখি হয়ে এটাও তেমন। ওর জ্ঞান বিতরন শেষ হলো না, বলল খ্রিস্টানরা প্রার্থনা করে পুব মুখি হয়ে আর ...
  • দেশভাগঃ ফিরে দেখা
    রাত বারোটা পেরিয়ে যাওয়ার পর সোনালী পিং করল। "আধুনিক ভারতবর্ষের কোন পাঁচটা ঘটনা তোর ওপর সবচেয়ে বেশী ইমপ্যাক্ট ফেলেছে? "সোনালী কি সাংবাদিকতা ধরল? আমার ওপর সাক্ষাৎকার মক্সো করে হাত পাকাচ্ছে?আমি তানানা করি। এড়িয়ে যেতে চাই। তারপর মনে হয়, এটা একটা ছোট্ট খেলা। ...
  • সুর অ-সুর
    এখন কত কূটকচালি ! একদিকে এক ধর্মের লোক অন্যদের জন্য বিধিনিষেধ বাধাবিপত্তি আরোপ করে চলেছে তো অন্যদিকে একদিকে ধর্মের নামে ফতোয়া তো অন্যদিকে ধর্ম ছাঁটার নিদান। দুর্গাপুজোয় এগরোল খাওয়া চলবে কি চলবে না , পুজোয় মাতামাতি করা ভাল না খারাপ ,পুজোর মত ...
  • মানুষের গল্প
    এটা একটা গল্প। একটাই গল্প। একেবারে বানানো নয় - কাহিনীটি একটু অন্যরকম। কারো একান্ত সুগোপন ব্যক্তিগত দুঃখকে সকলের কাছে অনাবৃত করা কতদূর সমীচীন হচ্ছে জানি না, কতটুকু প্রকাশ করব তা নিজেই ঠিক করতে পারছি না। জন্মগত প্রকৃতিচিহ্নের বিপরীতমুখী মানুষদের অসহায় ...
  • পুজোর এচাল বেচাল
    পুজোর আর দশদিন বাকি, আজ শনিবার আর কাল বিশ্বকর্মা পুজো; ত্রহস্পর্শ যোগে রাস্তায় হাত মোছার ভারী সুবিধেজনক পরিস্থিতি। হাত মোছা মানে এই মিষ্টি খেয়ে রসটা বা আলুরচপ খেয়ে তেলটা মোছার কথা বলছি। শপিং মল গুলোতে মাইকে অনবরত ঘোষনা হয়ে চলেছে, 'এই অফার মিস করা মানে তা ...
  • ঘুম
    আগে খুব ঘুম পেয়ে যেতো। পড়তে বসলে তো কথাই নেই। ঢুলতে ঢুলতে লাল চোখ। কি পড়ছিস? সামনে ভূগোল বই, পড়ছি মোগল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ। মা তো রেগে আগুন। ঘুম ছাড়া জীবনের কোন লক্ষ্য নেই মেয়ের। কি আক্ষেপ কি আক্ষেপ মায়ের। মা-রা ছিলেন আট বোন দুই ভাই, সর্বদাই কেউ না ...
  • 'এই ধ্বংসের দায়ভাগে': ভাবাদীঘি এবং আরও কিছু
    এই একবিংশ শতাব্দীতে পৌঁছে ক্রমে বুঝতে পারা যাচ্ছে যে সংকটের এক নতুন রুপরেখা তৈরি হচ্ছে। যে প্রগতিমুখর বেঁচে থাকায় আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠছি প্রতিনিয়ত, তাকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, "কোথায় লুকোবে ধু ধু করে মরুভূমি?"। এমন হতাশার উচ্চারণ যে আদৌ অমূলক নয়, তার ...
  • সেইসব দিনগুলি…
    সেইসব দিনগুলি…ঝুমা সমাদ্দার…...তারপর তো 'গল্পদাদুর আসর'ও ফুরিয়ে গেল। "দাঁড়ি কমা সহ 'এসেছে শরৎ' লেখা" শেষ হতে না হতেই মা জোর করে সামনে বসিয়ে টেনে টেনে চুলে বেড়াবিনুনী বেঁধে দিতে লাগলেন । মা'র শাড়িতে কেমন একটা হলুদ-তেল-বসন্তমালতী'...
  • হরিপদ কেরানিরর বিদেশযাত্রা
    অনেকদিন আগে , প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে এই গেঁয়ো মহারাজ , তখন তিনি আরোই ক্যাবলা , আনস্মার্ট , ছড়ু ছিলেন , মানে এখনও কম না , যাই হোক সেই সময় দেশের বাইরে যাবার সুযোগ ঘটেছিলো নেহাত আর কেউ যেতে চায়নি বলেই । না হলে খামোখা আমার নামে একটা আস্ত ভিসা হবার চান্স নেই এ ...

যদি....

Rajat Subhra Banerjee



যদি,
ইলিশ মাছের আমেজ পেতুম কল্মীশাকে,
তবে,
“জয় মা” ব’লে জাপ্টে নিয়ে রাম বাবাকে,
মাংস ছেড়ে পালিয়ে যেতুম হরিদ্বারে,
ফলার খেয়ে তৃপ্তি পেতুম গঙ্গা পারে।

যদি,
শিক-কাবাবের গন্ধ পেতুম কুমড়ো ভাতে,
তবে,
জৈন হ’য়ে কল্পসুতো বাগিয়ে হাতে
দিগম্বরের মূর্তি ধরে ডাইনে বামে
আস্থা চ্যানেল ভরিয়ে দিতুম যোগ ব্যায়ামে।

যদি,
চিংড়ি মাছের মস্তি পেতুম থানকুনিতে,
তবে,
নিমাই সেজে ঢোল বাজাতুম ডানকুনিতে,
চুল কামিয়ে দু’চোখ বুজে “কেষ্ট” ব’লে

আরও পড়ুন...

" বাপ নে দিয়া হোগা মিউজিক।"

শিবাংশু

হাজার হোক, গোবিন্দমাণিক্যের রক্ত ; নির্ভেজাল রাজরক্ত, তা নিয়ে তো কারো সন্দেহ নেই । কী আর করা যাবে ? খুড়ো-ভাইপোর লড়াইয়ে ইঁটকাঠের সিংহাসনটা হয়তো হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিলো । কিন্তু মানুষের হৃদয়ে যে সিংহাসন পাতা তাতে পিতা-পুত্র, দুজনেরই বাঁধা মৌরসিপট্টা । নয়তো পিতার কবে একশো পেরিয়ে গেছে, আর পুত্র আজ পঁচাত্তর । চোখের সামনে তাঁরা আর নেই । কিন্তু ছড়িয়ে আছে তাঁদের সুরসাম্রাজ্যের নিসর্গ পত্তন । তাঁরা আজও রাজপুত্র ।
-------------------------------
সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম । কিন্তু লড়াই করে অর্জন করতে

আরও পড়ুন...

ছোটদের গল্প

Prakalpa Bhattacharya

ছোটদের জন্যে একটা গল্প লেখার ফরমাশ করলেন এক ভদ্রলোক।
ছোটদের জন্যে লিখতে আমার খুব ভাল লাগে, তাই এককথায় রাজীও হয়ে গেলাম। সবে একটা খসড়া করতে বসেছি, ফোন এল, “দাদা শুরু করেছেন?”
-“হ্যাঁ, এই তো, বসেছি।”
-“ইয়ে, কী নিয়ে লিখবেন ভেবেছেন কিছু?”
-“ভাবছিলাম একটু গাছপালা, প্রকৃতির মধ্যে বড় হওয়া, এই সব নিয়ে। এগুলো তো আজকাল...”
-“হ্যাঁ সেই ভাল, তবে জন্তু জানোয়ার নিয়ে লিখুন। আমাদের একজন ইলাস্ট্রেটর আছে, খুব ভালো জন্তু জানোয়ার আঁকতে পারেন।”
-“ওহ, আচ্ছা, তাই হবে।”
মনে মনে বললাম জানোয়ার।

আরও পড়ুন...

দল্লী-রাজহরার জনস্বাস্থ্য আন্দোলন ও শহীদ হাসপাতাল

Punyabrata Goon

পরিবারে বিভিন্ন প্রজন্মের ছয়জন সচ্ছল ডাক্তারকে দেখে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম...। মেডিকাল কলেজে ঢোকার পর মেডিকাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসন নতুন স্বপ্ন দেখতে শেখালো...ডা নর্মান বেথুন, ডা দ্বারকানাথ কোটনিসের মতো ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন...। কিন্তু কোথায় যাব? কোথায় স্পেনের জনগণের ফ্রাংকো-বিরোধী আন্দোলন, কোথায় চীনের মুক্তিযুদ্ধ? নিকারাগুয়ায় সান্দিনিস্তা সরকারের এক প্রতিনিধির কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলাম নিকারাগুয়ায় কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করে, তার উত্তর এলো না। অবশেষে ডাক্তারী পাস

আরও পড়ুন...

রিফার, প্রেম, যৌনতা, মুক্তি....(প্রাপ্তমনস্কদের জন্য)

Animesh Baidya

অজান্তেই হৃদয়ের গভীরে ফেলে রেখে গেছো তোমায়।
এত দিন এক সাথে আছি, তাই হয়তো আজকাল
তুমিও আমার বাধ্য হয়ে গেছো খুব।
এখন তোমায় নিজের মতো করে দেখতে পারি,
আঙুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে তোমায় ভালোবাসতে পারি।
তুমি এখন আমার হৃদয়ের গভীরে ঝোলার মধ্যে থাকা পোষা বেড়াল।

আজকাল সম্পূর্ণ দিনের শেষে যখন একা একা হই,
যখন আমার স্নায়ুগুলো নিয়ম মেনে মেনে একদম ক্লান্ত,
তখন আমি তোমায় ঝোলা থেকে বার করি।
পরম আদরে হাতের ঠিক তালুতে এনে রাখি।
তোমার সাথে খুনসুটি করি।
আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দেখি, না

আরও পড়ুন...

অটো, টোটো এবং লাদেন

Avik Mukherjee

অটোঃ এই তুই সামলে যা।
টোটোঃ তুমি মুখ সামলে কথা বল।
অটোঃ কেন রে? আমি তোকে ভালভাবেই তো বোঝালাম!
টোটোঃ আমি তোমাকে ‘তুমি’ বলছি আর তুমি আমাকে তুইতোকারি করছ।
অটোঃ দেখ এ লাইনে তুই জুনিয়র আছিস, তাই ওটা কোনও ম্যাটার না।
টোটোঃ না ম্যাটার করে আমার কাছে। তুমি যা কাজ কর আমিও একই কাজ করি। তাহলে এই ভেদাভেদ কেন? কেন আমাকে হ্যারাস করছ?
অটোঃ এই আমি তোকে হ্যারাস করতে যাব কেন?
টোটোঃ তাহলে এই যে জনস্বার্থ মামলা করা? এটা কি?
অটোঃ সে আমি করিনি, যে করেছে সে অটো চালায়ও না। তাকে গিয়ে বলগে

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ...(২৫ তম পর্ব)

Rana Alam

( আমার ভাগ্নে,অরণি’র জন্য আজকের পর্ব টা থাকলো)

আমার নিজের বিদ্যে বুদ্ধি নিয়ে শুধু আপনাদের নয়,আমারো বিস্তর সন্দেহ আছে।আমার বিদগ্ধ মাস্টার মশাইএরা অবশ্যি এ সত্য আগেই জানতেন।তাই,তারা সারাজীবন ‘গাধা-গোরু’ ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত করে গেছেন।আর ক্যানোই বা করবেন না,পরীক্ষার খাতা পত্তরে আমি যেসব নমুনা লিখে আসতুম,তা থেকে আর কিইবা ভালো ধারণা করা যায়।সেই যে পিতা-পুত্রের বয়সের অঙ্ক ছিল।পুত্রের বয়স বেরোলো পঞ্চাশ আর পিতার বয়স পঁচিশ।স্যার কান পাকড়ে কি করে পুত্রের বয়স পিতার বয়সের ডবল হয় তা জানতে চাইছিলেন।

আরও পড়ুন...

বেণীমাধব যখন আলিমুদ্দিন: একটি প্যারোডি

Animesh Baidya

আলিমুদ্দিন, আলিমুদ্দিন, বিপ্লব কবে পাবো?
আলিমুদ্দিন, তুমি কি আর মানুষের কথা ভাবো?
আলিমুদ্দিন, বিপ্লব বাঁশি তমাল তরুমূলে
বাজিয়েছিলে, আমি তখন মাধ্যমিক ইস্কুলে।
ছোট থেকেই এসএফআই করি, শ্রেণী সংগ্রাম,
ভোটে তখন রিগিং করো, আগুনের নন্দীগ্রাম।
আমি তখন অবাক হই, লজ্জায় হই লাল,
আনলে কুমির আলিমুদ্দিন, কাটলে তুমি খাল।

আলিমুদ্দিন, আলিমুদ্দিন, আদর্শ তো ভালো,
ভাবনা জুড়ে জ্বলেছিল সমাজতন্ত্রের আলো।
তোমার জন্য এক দৌড়ে ব্রিগেড ময়দানে,
আলিমুদ্দিন, আমার বাবা কাজ করে

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ... ( ২৪ তম পর্ব)

Rana Alam

কাল সন্ধেতে আমার ভাই অর্ক বাড়ি ঢুকে বলল,
‘দাদা,ছেলেদের সুরক্ষার স্বার্থে বহরমপুরের রাস্তায় সুন্দরী মেয়েদের বোরখা পরে ঘোরাফেরা করা উচিত’।
আমি বই পড়ছিলাম।চোখ তুলে বললাম,
‘হঠাত এইরকম তালিবানি ফতোয়া?’
নিজের হাতের সদ্য কাটা দাগ দেখিয়ে অর্ক বলল,
‘নাহলে এরকম অ্যাকসিডেন্ট হবে। রাস্তাঘাটে এত সুন্দরী মেয়ে ঘুরলে তাদের দিকেই চোখ পড়ে।মোহনের মোড়ে এক নীল সালোয়ার খোলা চুলে যাচ্ছিল। এক নজরে প্রেমে পড়ে হাঁ করে চেয়ে রইলুম।সামনে আগুয়ান সাইকেলটাকে দেখতে পেলুম না।ধড়াম করে পড়ে গেলুম’।
আমি বললাম

আরও পড়ুন...

অনলাইন

Avik Mukherjee


অনলাইন
অভীক মুখোপাধ্যায়
‘ধুস! এর চেয়ে ফ্লাইট – এ আসাই ভাল ছিল।’ একরাশ বিরক্তি ফুটে ওঠা মুখের প্রতিচছবি হাতে ধরা ট্যাবের স্ক্রীন – এ ফুটে উঠল অভিষেক – এর। দোষটা তারই। কি মরতে যে এই শিয়ালদা দুরন্ত এক্সপ্রেসের থ্রী-টীয়ার – এ আসার শখ জাগল তার? মনে হয় না টু-টীয়ার – এ বার্থ খালি হয়ে তার সিট টা আপগ্রেডেড হবে। সামনের বার্থের বিচ্ছু ছেলেটা এতো জ্বালাচ্ছে যে ল্যাপটপ- টাও অন করা গেল না। গাজিয়াবাদ পেরোনোর পর যখন ও ল্যাপটপ অন করতে গেল ছেলেটা এমন এসে হামলে পড়ল, যে ভেঙে যাবার ভয়ে ওটা রুকস্যা

আরও পড়ুন...

গু-গা-বা-বা ফিরে এল

Abhijit

স্থানঃ জম্বুদ্বীপের রাজ সভাগৃহ,
কালঃ পরশুর আগের দিন

মহারাজা, তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম!
মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম।

- বাংলাদেশ? তা শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী?
- সেলাম বলেছে, নির্ঘাত অনু। বল ব্যাটারা সত্যি করে, কি মতলবে এসেছিস?

মোরা সাধা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে যাই,

- দেশে দেশে? মানে আন্তরজাতিক চক্রান্ত? তা কে পাঠিয়েছে, পাকিস্তান না চায়না? মাতৃভাষা কি?
মোদের নিজের ভাষা ভিন্ন আর ভাষা জানা নাই।
- তা ভালো, তবে সংস্কৃতটা শিখে নিও। ওটা এখন থেক

আরও পড়ুন...

বছর পরে ফিরে দেখা

Salil Biswas

[এই লেখাটি আরও পরে এখানে দেব ভেবেছিলাম। কিন্তু, এক, আমি তথা আমরা সকলের মতামত চাই, নিজেদের বুঝে নিতে; দুই, এই লেখাটি অন্য নামে, কিছুটা অন্য রূপে ‘শ্রমজীবী স্বাস্থ্য’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছে, কাজেই এখানে তা দিয়ে দেওয়া যায়। তাছাড়া, শুধু বিবরণ পড়তে আপনাদের সারাক্ষণ ভালো লাগবে না, সেটা স্বাভাবিক। আপনাদের অনুরোধ, এই লেখাটি এবং অন্য যা লিখব পড়ে, খোলাখুলি মতামত জানাবেন। সোজা আমাকে লিখুন এই ঠিকানায় – bissal@rediffmail.com . আপনাদের অকৃপণ উপদেশ আমাদের সঠিকতর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।]


শ্রমজীবী বিদ্

আরও পড়ুন...

আবার লিখেছি, আবার

অবন্তিকা

জ্বর বাঁধানোর যাবতীয় অপচেষ্টায় লেটার মার্ক্স সমেত পুনরায় উত্তীর্ণ l বিশদ ব্যাখ্যায় যাবো না l কারণ যারা ভোররাতে ঘুমুতে যাবার আগে চান, ভিজে চুলে ঠান্ডা মেঝেয় গড়াগড়ি, বৃষ্টিতে ছাতাহীনতা-জাতীয় নিয়মমাফিক জীবনে আশৈশব অভ্যস্ত, তারা চটজলদি বুঝেই যাবেন এসবের মাহাত্ম্য l আর যারা বুঝবেন না, তারা ছোট ছিলেন, ছোট থাকবেন ও মার কথা শুনে সস্তা সাবান মেখে কাটিয়ে দেবেন জীবন l

জ্বর নিয়ে ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিতে অ্যাত্তো লেখা, যে রোগ নয়, লক্ষণ, আর মাধব নিদান অথবা চরক সংহিতাতে তো আরোই অ্যাত্তো অ্যাত্তো l অথচ য

আরও পড়ুন...

ছত্তিসগড়ের আঁকিবুকি

Ranjan Roy


ছত্তিসগড়ের আঁকিবুকি
তোলা দাঈ বুলা্থে!

না:, মানতেই হবে ভাগ্য বলে কিছু একটা আছে; নইলে এই বাজারে পাশ করতেই চাকরি! কয়জনের জোটে?আমি রায়পুরের বড়ইপাড়ার মনবোধি দেবাংগন, মাত্তর তিনমাস আগে আইটিআই থেকে ড্রাফটসম্যানের পরীক্ষা পাশ করেছি আর গতকাল পিয়ন এসে টেলিগ্রামটা দিয়ে গেল!
কোরবা জেলার আদিবাসী এলাকায় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। বিশাল ভান্ডার। সেইখানে একটি আধা সরকারী সংস্থায় চাকরি। সার্ভে চলছে, ফিল্ড অফিসে কাজ। মাইনে আহামরি কিছু নয়।তবু মন্দ কি!
খবরটা পরিচিত মহলে

আরও পড়ুন...

ওরা দুজন

Abhijit

ওরা দুজন

(একটি অত্যন্ত ছোটগল্প)

ওদের দুজনের যেমন ঝগড়া, তেমনি ভাব। সারাক্ষন খুনসুটি লেগেই আছে। তার ওপর যখন মারামারি লাগে, তখন প্রায় পুলিশ ডাকতে হয় থামানোর জন্য। অথচ একজনকে ছাড়া অন্যজনের দিন চলে না। মনে হয় যেন এক জনের জন্যই অন্যকে বানানো হয়েছে।
দুজনের মধ্যে যে বড়, তার বয়স নব্বই ছুঁই ছুঁই, যে ছোট সে প্রায় কিশোর, প্রথমজনের নাতির বয়সি। বড়র দিন কাটে ছবি এঁকে, লেখালেখি করে, দাবা খেলে আর রাজা-উজির মেরে, ছোটজন বনে বাদাড়েই বেশি স্বচ্ছন্দ।

বড়জন ভাবেন, আহা আমার এক দিন ছিল, য

আরও পড়ুন...

যতকিঞ্চিত ... ( ২৩ তম পর্ব)

Rana Alam

আমার ভাই,অর্ক রোজ সকালে তানপুরা নিয়ে গলা সাধে। আমি সেসময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমোই।কিন্তু সকলেই তো এত ভাগ্যবান হয় না। অনেকেরই সকালে কাজ থাকে,তাদের অর্কের গানের গুঁতো সহ্য করতে হয়।

আজ সকালে অর্ক দেখছি মুখটা মমতা ব্যানার্জি’র মত করে বসে আছে।পাশের বাড়ির কাকীমাই নাকি মূল কারণ।তা এই কাঁচা বয়সে কাকীমার বয়সী কেউ যদি চিত্তবিকারের কারণ হয় তাহলে তা চিন্তার বিষয় বৈকি।ভ্লাদিমির নবোকভ কে বই এর তাকে সামনের দিকে রাখাটাই কাল হল কিনা ভাবতে যাচ্ছিলুম।এমন সময় জানতে পারলুম ব্যাপারটা নেহাতই সাঙ্গীতিক।

আরও পড়ুন...

সত্তরের কালি

Suddha Satya


ঢ্যামকুড়কুড় ঢ্যামকুড়কুড় ঢ্যামকুড়কুড়...

ক্যাথারিনের ল্যাপটপ বেজে চলেছিল। ঘরের আলোটা দিনের বলে কৌণিক দেখতে হচ্ছে স্ক্রীন। কৌণিক কত কিছুই দেখার! স্ক্রীণের দেওয়াল পেরিয়েই ক্যাথারিনের ঝুলকো বুকগুলো। সাদা মেয়ের বুকের উপরের অংশটা বাদামী, নিচের ব্রা খিল দেওয়া অংশটা সাদা, যেটা এখন দেখা যাচ্ছে। ঢাক বাজছে থেকে বুক বাজছে থেকে ক্যাথির বুক বাজাবে অনিন্দ্য অব্দি গিয়ে বাক্যটা তুরীয় দশা প্রাপ্ত হয়। তখন বাক্যটাকে ভেঙে নিতে হয় ছাতের মতোন। ছোট ছোট হাতুড়ির ঘায়ে বারান্দার উপরের ছাতটা না ভাঙলে ফ্ল্যাটের

আরও পড়ুন...