সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ট্রিনিটি
    ট্রিনিটিসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্পসিড একটু নড়েচড়ে বসে মাথা চুলকে বলল, পিকুদা, মোটা মাথায় কিস্সু ঢুকছে না। একটু বুঝিয়ে বলো। একদিকে এক বিশাল কৃষ্ণ গহ্বর, অপরদিকে একটি সুপারনোভা। মাঝের জায়গাটাই আপাতত স্বর্গের বর্তমান ঠিকানা। তারই একপাশে এক সবুজ প্রশস্ত ...
  • এবং আফস্পা...
    (লেখাটি আঁকিবুকি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।)২১শে ফেব্রুয়ারী,১৯৯১। কাশ্মীরের কুপওয়াড়া জেলার কুনান পোসপোরা গ্রামে ইন্ডিয়ান আর্মি সন্দেহভাজন উগ্রপন্থীদের খোঁজে ঢোকে।পুরুষ ও নারীদের আলাদা করা হয়।পুরুষদের অত্যাচার করা হয় তদন্তের নামে। আর সেই রাতে ১৩ থেকে ৮০ ...
  • মন্টু অমিতাভ সরকার
    পর্ব-৩স্নেহের বরেণ, মানিকচকের বাজারসরকার মারফৎ সংবাদ পেলাম তোমার একটি পুত্র সন্তান হয়েছে। বংশের পিদিম জ্বালাবার লোকের যে অভাব ছিল তা বুঝি এবার ঘুঁচলো। সঙ্গে একটি দুঃসংবাদে হতবাক হলাম।সন্তান প্রসবকালে তোমার স্ত্রী রানীর অকাল মৃত্যু। তুমি আর কি করবে বাবা? ...
  • পুঁটিকাহিনী ৮ - বাড়ি কোথায়!!
    একটা দুষ্টু পরিবারের বাড়িতে পুঁটিরা ভাড়া থাকত। নেহাত স্কুল কাছে হবে বলে বাড়িটা বাছা হয়েছিল, নইলে খুবই সাদামাটা ছিল বাড়িটা। ২৭৫ টাকা ভাড়ায় কেজি টুতে ঐ বাড়িতে চলে আসে পুঁটিরা। ও বাড়ির লোকেরা কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে বড্ড ঝগড়া করত, যার মধ্যে নাকি খারাপ খারাপ ...
  • WannaCry : কি এবং কেন
    "স্টিভেন সবে সকালের কফি টা হাতে করে নিয়ে বসেছে তার ডেস্ক এ. রাতের শিফট থাকলে সব সময়েই হসপিটাল এ তার মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে। উপরন্তু রেবেকার সাথে বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ঝগড়া টাও তার মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। বাড়ি ফিরেই আজ তার জন্যে কিছু একটা ভালো কিছু ...
  • কাফিরনামা...(পর্ব ২)
    আমার মতন অকিঞ্চিৎকর লোকের সিরিজ লিখতে বসা মানে আদতে সহনশীল পাঠকের সহ্যশক্তিকে অনবরত পরীক্ষা করা ।কোশ্চেনটা হল যে আপনি কাফিরনামা ক্যানো পড়বেন? আপনার এই দুনিয়াতে গুচ্ছের কাজ এবং অকাজ আছে। সব ছেড়ে কাফিরনামা পড়ার মতন বাজে সময় খুদাতলা আপনাকে দিয়েছেন কি? ...
  • #পুঁটিকাহিনী ৭ - ছেলেধরা
    আজ পুঁটির মস্ত গর্বের দিন। শেষপর্যন্ত সে বড় হল তাহলে। সবার মুখে সব বিষয়ে "এখনও ছোট আছ, আগে বড় হও" শুনে শুনে কান পচে যাবার জোগাড়! আজ পুঁটি দেখিয়ে দেবে সেও পারে, সেও কারো থেকে কম যায় না। হুঁ হুঁ বাওয়া, ক্লাস ফোরে কি আর সে হাওয়া খেয়ে উঠেছে!! রোজ মা মামনদিদি ...
  • আকাটের পত্র
    ভাই মর্কট, এমন সঙ্কটের সময়ে তোমায় ছাড়া আর কাকেই বা চিঠি লিখি বলো ! আমার এখন ক্ষুব্বিপদ ! মহামারি অবস্থা যাকে বলে । যেদিন টিভিতে বলেছে মাধমিকের রেজাল্ট বেরোবে এই সপ্তাহের শেষের দিকে, সেদিন থেকেই ঘরের পরিবেশ কেমনধারা হাউমাউ হয়ে উঠেছে। সবার আচার-আচরণ খুব ...
  • আকাটের পত্র
    ভাই মর্কট, এমন সঙ্কটের সময়ে তোমায় ছাড়া আর কাকেই বা চিঠি লিখি বলো ! আমার এখন ক্ষুব্বিপদ ! মহামারি অবস্থা যাকে বলে । যেদিন টিভিতে বলেছে মাধমিকের রেজাল্ট বেরোবে এই সপ্তাহের শেষের দিকে, সেদিন থেকেই ঘরের পরিবেশ কেমনধারা হাউমাউ হয়ে উঠেছে। সবার আচার-আচরণ খুব ...
  • মন্টু অমিতাভ সরকার
    পর্ব-২ঝাঁ-চকচকে শহরের সবচেয়ে বিলাসবহুল বহুতলের ওপরে, সৌর বিদ্যুতের অসংখ্য চাকতি লাগানো এ্যান্টেনার নীচে, একটা গুপ্ত ঘর আছে। সেটাকে ঠিক গুপ্ত বলা যায় কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকতে পারে। যাহা চোখের সামনে বিরাজমান, তাহা গুপ্ত হয় কেমনে? ভাষা-বিদ্যার লোকজনেরা চোখ ...

যদি....

Rajat Subhra Banerjee



যদি,
ইলিশ মাছের আমেজ পেতুম কল্মীশাকে,
তবে,
“জয় মা” ব’লে জাপ্টে নিয়ে রাম বাবাকে,
মাংস ছেড়ে পালিয়ে যেতুম হরিদ্বারে,
ফলার খেয়ে তৃপ্তি পেতুম গঙ্গা পারে।

যদি,
শিক-কাবাবের গন্ধ পেতুম কুমড়ো ভাতে,
তবে,
জৈন হ’য়ে কল্পসুতো বাগিয়ে হাতে
দিগম্বরের মূর্তি ধরে ডাইনে বামে
আস্থা চ্যানেল ভরিয়ে দিতুম যোগ ব্যায়ামে।

যদি,
চিংড়ি মাছের মস্তি পেতুম থানকুনিতে,
তবে,
নিমাই সেজে ঢোল বাজাতুম ডানকুনিতে,
চুল কামিয়ে দু’চোখ বুজে “কেষ্ট” ব’লে

আরও পড়ুন...

" বাপ নে দিয়া হোগা মিউজিক।"

শিবাংশু

হাজার হোক, গোবিন্দমাণিক্যের রক্ত ; নির্ভেজাল রাজরক্ত, তা নিয়ে তো কারো সন্দেহ নেই । কী আর করা যাবে ? খুড়ো-ভাইপোর লড়াইয়ে ইঁটকাঠের সিংহাসনটা হয়তো হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিলো । কিন্তু মানুষের হৃদয়ে যে সিংহাসন পাতা তাতে পিতা-পুত্র, দুজনেরই বাঁধা মৌরসিপট্টা । নয়তো পিতার কবে একশো পেরিয়ে গেছে, আর পুত্র আজ পঁচাত্তর । চোখের সামনে তাঁরা আর নেই । কিন্তু ছড়িয়ে আছে তাঁদের সুরসাম্রাজ্যের নিসর্গ পত্তন । তাঁরা আজও রাজপুত্র ।
-------------------------------
সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম । কিন্তু লড়াই করে অর্জন করতে

আরও পড়ুন...

ছোটদের গল্প

Prakalpa Bhattacharya

ছোটদের জন্যে একটা গল্প লেখার ফরমাশ করলেন এক ভদ্রলোক।
ছোটদের জন্যে লিখতে আমার খুব ভাল লাগে, তাই এককথায় রাজীও হয়ে গেলাম। সবে একটা খসড়া করতে বসেছি, ফোন এল, “দাদা শুরু করেছেন?”
-“হ্যাঁ, এই তো, বসেছি।”
-“ইয়ে, কী নিয়ে লিখবেন ভেবেছেন কিছু?”
-“ভাবছিলাম একটু গাছপালা, প্রকৃতির মধ্যে বড় হওয়া, এই সব নিয়ে। এগুলো তো আজকাল...”
-“হ্যাঁ সেই ভাল, তবে জন্তু জানোয়ার নিয়ে লিখুন। আমাদের একজন ইলাস্ট্রেটর আছে, খুব ভালো জন্তু জানোয়ার আঁকতে পারেন।”
-“ওহ, আচ্ছা, তাই হবে।”
মনে মনে বললাম জানোয়ার।

আরও পড়ুন...

দল্লী-রাজহরার জনস্বাস্থ্য আন্দোলন ও শহীদ হাসপাতাল

Punyabrata Goon

পরিবারে বিভিন্ন প্রজন্মের ছয়জন সচ্ছল ডাক্তারকে দেখে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম...। মেডিকাল কলেজে ঢোকার পর মেডিকাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসন নতুন স্বপ্ন দেখতে শেখালো...ডা নর্মান বেথুন, ডা দ্বারকানাথ কোটনিসের মতো ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন...। কিন্তু কোথায় যাব? কোথায় স্পেনের জনগণের ফ্রাংকো-বিরোধী আন্দোলন, কোথায় চীনের মুক্তিযুদ্ধ? নিকারাগুয়ায় সান্দিনিস্তা সরকারের এক প্রতিনিধির কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলাম নিকারাগুয়ায় কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করে, তার উত্তর এলো না। অবশেষে ডাক্তারী পাস

আরও পড়ুন...

রিফার, প্রেম, যৌনতা, মুক্তি....(প্রাপ্তমনস্কদের জন্য)

Animesh Baidya

অজান্তেই হৃদয়ের গভীরে ফেলে রেখে গেছো তোমায়।
এত দিন এক সাথে আছি, তাই হয়তো আজকাল
তুমিও আমার বাধ্য হয়ে গেছো খুব।
এখন তোমায় নিজের মতো করে দেখতে পারি,
আঙুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে তোমায় ভালোবাসতে পারি।
তুমি এখন আমার হৃদয়ের গভীরে ঝোলার মধ্যে থাকা পোষা বেড়াল।

আজকাল সম্পূর্ণ দিনের শেষে যখন একা একা হই,
যখন আমার স্নায়ুগুলো নিয়ম মেনে মেনে একদম ক্লান্ত,
তখন আমি তোমায় ঝোলা থেকে বার করি।
পরম আদরে হাতের ঠিক তালুতে এনে রাখি।
তোমার সাথে খুনসুটি করি।
আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে দেখি, না

আরও পড়ুন...

অটো, টোটো এবং লাদেন

Avik Mukherjee

অটোঃ এই তুই সামলে যা।
টোটোঃ তুমি মুখ সামলে কথা বল।
অটোঃ কেন রে? আমি তোকে ভালভাবেই তো বোঝালাম!
টোটোঃ আমি তোমাকে ‘তুমি’ বলছি আর তুমি আমাকে তুইতোকারি করছ।
অটোঃ দেখ এ লাইনে তুই জুনিয়র আছিস, তাই ওটা কোনও ম্যাটার না।
টোটোঃ না ম্যাটার করে আমার কাছে। তুমি যা কাজ কর আমিও একই কাজ করি। তাহলে এই ভেদাভেদ কেন? কেন আমাকে হ্যারাস করছ?
অটোঃ এই আমি তোকে হ্যারাস করতে যাব কেন?
টোটোঃ তাহলে এই যে জনস্বার্থ মামলা করা? এটা কি?
অটোঃ সে আমি করিনি, যে করেছে সে অটো চালায়ও না। তাকে গিয়ে বলগে

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ...(২৫ তম পর্ব)

Rana Alam

( আমার ভাগ্নে,অরণি’র জন্য আজকের পর্ব টা থাকলো)

আমার নিজের বিদ্যে বুদ্ধি নিয়ে শুধু আপনাদের নয়,আমারো বিস্তর সন্দেহ আছে।আমার বিদগ্ধ মাস্টার মশাইএরা অবশ্যি এ সত্য আগেই জানতেন।তাই,তারা সারাজীবন ‘গাধা-গোরু’ ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত করে গেছেন।আর ক্যানোই বা করবেন না,পরীক্ষার খাতা পত্তরে আমি যেসব নমুনা লিখে আসতুম,তা থেকে আর কিইবা ভালো ধারণা করা যায়।সেই যে পিতা-পুত্রের বয়সের অঙ্ক ছিল।পুত্রের বয়স বেরোলো পঞ্চাশ আর পিতার বয়স পঁচিশ।স্যার কান পাকড়ে কি করে পুত্রের বয়স পিতার বয়সের ডবল হয় তা জানতে চাইছিলেন।

আরও পড়ুন...

বেণীমাধব যখন আলিমুদ্দিন: একটি প্যারোডি

Animesh Baidya

আলিমুদ্দিন, আলিমুদ্দিন, বিপ্লব কবে পাবো?
আলিমুদ্দিন, তুমি কি আর মানুষের কথা ভাবো?
আলিমুদ্দিন, বিপ্লব বাঁশি তমাল তরুমূলে
বাজিয়েছিলে, আমি তখন মাধ্যমিক ইস্কুলে।
ছোট থেকেই এসএফআই করি, শ্রেণী সংগ্রাম,
ভোটে তখন রিগিং করো, আগুনের নন্দীগ্রাম।
আমি তখন অবাক হই, লজ্জায় হই লাল,
আনলে কুমির আলিমুদ্দিন, কাটলে তুমি খাল।

আলিমুদ্দিন, আলিমুদ্দিন, আদর্শ তো ভালো,
ভাবনা জুড়ে জ্বলেছিল সমাজতন্ত্রের আলো।
তোমার জন্য এক দৌড়ে ব্রিগেড ময়দানে,
আলিমুদ্দিন, আমার বাবা কাজ করে

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ... ( ২৪ তম পর্ব)

Rana Alam

কাল সন্ধেতে আমার ভাই অর্ক বাড়ি ঢুকে বলল,
‘দাদা,ছেলেদের সুরক্ষার স্বার্থে বহরমপুরের রাস্তায় সুন্দরী মেয়েদের বোরখা পরে ঘোরাফেরা করা উচিত’।
আমি বই পড়ছিলাম।চোখ তুলে বললাম,
‘হঠাত এইরকম তালিবানি ফতোয়া?’
নিজের হাতের সদ্য কাটা দাগ দেখিয়ে অর্ক বলল,
‘নাহলে এরকম অ্যাকসিডেন্ট হবে। রাস্তাঘাটে এত সুন্দরী মেয়ে ঘুরলে তাদের দিকেই চোখ পড়ে।মোহনের মোড়ে এক নীল সালোয়ার খোলা চুলে যাচ্ছিল। এক নজরে প্রেমে পড়ে হাঁ করে চেয়ে রইলুম।সামনে আগুয়ান সাইকেলটাকে দেখতে পেলুম না।ধড়াম করে পড়ে গেলুম’।
আমি বললাম

আরও পড়ুন...

অনলাইন

Avik Mukherjee


অনলাইন
অভীক মুখোপাধ্যায়
‘ধুস! এর চেয়ে ফ্লাইট – এ আসাই ভাল ছিল।’ একরাশ বিরক্তি ফুটে ওঠা মুখের প্রতিচছবি হাতে ধরা ট্যাবের স্ক্রীন – এ ফুটে উঠল অভিষেক – এর। দোষটা তারই। কি মরতে যে এই শিয়ালদা দুরন্ত এক্সপ্রেসের থ্রী-টীয়ার – এ আসার শখ জাগল তার? মনে হয় না টু-টীয়ার – এ বার্থ খালি হয়ে তার সিট টা আপগ্রেডেড হবে। সামনের বার্থের বিচ্ছু ছেলেটা এতো জ্বালাচ্ছে যে ল্যাপটপ- টাও অন করা গেল না। গাজিয়াবাদ পেরোনোর পর যখন ও ল্যাপটপ অন করতে গেল ছেলেটা এমন এসে হামলে পড়ল, যে ভেঙে যাবার ভয়ে ওটা রুকস্যা

আরও পড়ুন...

গু-গা-বা-বা ফিরে এল

Abhijit

স্থানঃ জম্বুদ্বীপের রাজ সভাগৃহ,
কালঃ পরশুর আগের দিন

মহারাজা, তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম!
মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম।

- বাংলাদেশ? তা শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী?
- সেলাম বলেছে, নির্ঘাত অনু। বল ব্যাটারা সত্যি করে, কি মতলবে এসেছিস?

মোরা সাধা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে যাই,

- দেশে দেশে? মানে আন্তরজাতিক চক্রান্ত? তা কে পাঠিয়েছে, পাকিস্তান না চায়না? মাতৃভাষা কি?
মোদের নিজের ভাষা ভিন্ন আর ভাষা জানা নাই।
- তা ভালো, তবে সংস্কৃতটা শিখে নিও। ওটা এখন থেক

আরও পড়ুন...

বছর পরে ফিরে দেখা

Salil Biswas

[এই লেখাটি আরও পরে এখানে দেব ভেবেছিলাম। কিন্তু, এক, আমি তথা আমরা সকলের মতামত চাই, নিজেদের বুঝে নিতে; দুই, এই লেখাটি অন্য নামে, কিছুটা অন্য রূপে ‘শ্রমজীবী স্বাস্থ্য’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছে, কাজেই এখানে তা দিয়ে দেওয়া যায়। তাছাড়া, শুধু বিবরণ পড়তে আপনাদের সারাক্ষণ ভালো লাগবে না, সেটা স্বাভাবিক। আপনাদের অনুরোধ, এই লেখাটি এবং অন্য যা লিখব পড়ে, খোলাখুলি মতামত জানাবেন। সোজা আমাকে লিখুন এই ঠিকানায় – bissal@rediffmail.com . আপনাদের অকৃপণ উপদেশ আমাদের সঠিকতর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।]


শ্রমজীবী বিদ্

আরও পড়ুন...

আবার লিখেছি, আবার

অবন্তিকা

জ্বর বাঁধানোর যাবতীয় অপচেষ্টায় লেটার মার্ক্স সমেত পুনরায় উত্তীর্ণ l বিশদ ব্যাখ্যায় যাবো না l কারণ যারা ভোররাতে ঘুমুতে যাবার আগে চান, ভিজে চুলে ঠান্ডা মেঝেয় গড়াগড়ি, বৃষ্টিতে ছাতাহীনতা-জাতীয় নিয়মমাফিক জীবনে আশৈশব অভ্যস্ত, তারা চটজলদি বুঝেই যাবেন এসবের মাহাত্ম্য l আর যারা বুঝবেন না, তারা ছোট ছিলেন, ছোট থাকবেন ও মার কথা শুনে সস্তা সাবান মেখে কাটিয়ে দেবেন জীবন l

জ্বর নিয়ে ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিতে অ্যাত্তো লেখা, যে রোগ নয়, লক্ষণ, আর মাধব নিদান অথবা চরক সংহিতাতে তো আরোই অ্যাত্তো অ্যাত্তো l অথচ য

আরও পড়ুন...

ছত্তিসগড়ের আঁকিবুকি

Ranjan Roy


ছত্তিসগড়ের আঁকিবুকি
তোলা দাঈ বুলা্থে!

না:, মানতেই হবে ভাগ্য বলে কিছু একটা আছে; নইলে এই বাজারে পাশ করতেই চাকরি! কয়জনের জোটে?আমি রায়পুরের বড়ইপাড়ার মনবোধি দেবাংগন, মাত্তর তিনমাস আগে আইটিআই থেকে ড্রাফটসম্যানের পরীক্ষা পাশ করেছি আর গতকাল পিয়ন এসে টেলিগ্রামটা দিয়ে গেল!
কোরবা জেলার আদিবাসী এলাকায় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। বিশাল ভান্ডার। সেইখানে একটি আধা সরকারী সংস্থায় চাকরি। সার্ভে চলছে, ফিল্ড অফিসে কাজ। মাইনে আহামরি কিছু নয়।তবু মন্দ কি!
খবরটা পরিচিত মহলে

আরও পড়ুন...

ওরা দুজন

Abhijit

ওরা দুজন

(একটি অত্যন্ত ছোটগল্প)

ওদের দুজনের যেমন ঝগড়া, তেমনি ভাব। সারাক্ষন খুনসুটি লেগেই আছে। তার ওপর যখন মারামারি লাগে, তখন প্রায় পুলিশ ডাকতে হয় থামানোর জন্য। অথচ একজনকে ছাড়া অন্যজনের দিন চলে না। মনে হয় যেন এক জনের জন্যই অন্যকে বানানো হয়েছে।
দুজনের মধ্যে যে বড়, তার বয়স নব্বই ছুঁই ছুঁই, যে ছোট সে প্রায় কিশোর, প্রথমজনের নাতির বয়সি। বড়র দিন কাটে ছবি এঁকে, লেখালেখি করে, দাবা খেলে আর রাজা-উজির মেরে, ছোটজন বনে বাদাড়েই বেশি স্বচ্ছন্দ।

বড়জন ভাবেন, আহা আমার এক দিন ছিল, য

আরও পড়ুন...

যতকিঞ্চিত ... ( ২৩ তম পর্ব)

Rana Alam

আমার ভাই,অর্ক রোজ সকালে তানপুরা নিয়ে গলা সাধে। আমি সেসময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমোই।কিন্তু সকলেই তো এত ভাগ্যবান হয় না। অনেকেরই সকালে কাজ থাকে,তাদের অর্কের গানের গুঁতো সহ্য করতে হয়।

আজ সকালে অর্ক দেখছি মুখটা মমতা ব্যানার্জি’র মত করে বসে আছে।পাশের বাড়ির কাকীমাই নাকি মূল কারণ।তা এই কাঁচা বয়সে কাকীমার বয়সী কেউ যদি চিত্তবিকারের কারণ হয় তাহলে তা চিন্তার বিষয় বৈকি।ভ্লাদিমির নবোকভ কে বই এর তাকে সামনের দিকে রাখাটাই কাল হল কিনা ভাবতে যাচ্ছিলুম।এমন সময় জানতে পারলুম ব্যাপারটা নেহাতই সাঙ্গীতিক।

আরও পড়ুন...

সত্তরের কালি

Suddha Satya


ঢ্যামকুড়কুড় ঢ্যামকুড়কুড় ঢ্যামকুড়কুড়...

ক্যাথারিনের ল্যাপটপ বেজে চলেছিল। ঘরের আলোটা দিনের বলে কৌণিক দেখতে হচ্ছে স্ক্রীন। কৌণিক কত কিছুই দেখার! স্ক্রীণের দেওয়াল পেরিয়েই ক্যাথারিনের ঝুলকো বুকগুলো। সাদা মেয়ের বুকের উপরের অংশটা বাদামী, নিচের ব্রা খিল দেওয়া অংশটা সাদা, যেটা এখন দেখা যাচ্ছে। ঢাক বাজছে থেকে বুক বাজছে থেকে ক্যাথির বুক বাজাবে অনিন্দ্য অব্দি গিয়ে বাক্যটা তুরীয় দশা প্রাপ্ত হয়। তখন বাক্যটাকে ভেঙে নিতে হয় ছাতের মতোন। ছোট ছোট হাতুড়ির ঘায়ে বারান্দার উপরের ছাতটা না ভাঙলে ফ্ল্যাটের

আরও পড়ুন...