সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • রংচুগালা: বিপন্ন আদিবাসী উৎসব
    [ওই ছ্যাড়া তুই কই যাস, কালা গেঞ্জি গতরে?/ছেমড়ি তুই চিন্তা করিস না, আয়া পড়ুম দুপুরে/ হা রে রে, হা রে রে, হা রে রে…ভাবানুবাদ, গারো লোকসংগীত “রে রে”।]কিছুদিন আগে গারো (মান্দি) আদিবাসী লেখক সঞ্জিব দ্রং আলাপচারিতায় জানাচ্ছিলেন, প্রায় ১২৫ বছর আগে গারোরা আদি ...
  • মুক্ত বাজার
    নরেন্দ্র মোদী নিশ্চয় খুশি হয়েছেন। হওয়ারই কথা। প্রধানমন্ত্রী’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ভারতবর্ষের ১০০ জন ধনকুবের’দের ক্রমাঙ্কে টানা দশ বছর শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছেন। গত বছরে, রেকর্ড হারে, ৬৭% সম্পত্তি বাড়িয়ে, আজ তিনি ৩৮০০ কোটি ডলারের মালিক। ...
  • আমরহস্য
    শহরে একজন বড় পীরের মাজার আছে তা আপনি জেনে থাকবেন, পীরের নাম শাহজালাল, আদি নিবাস ইয়ামন দেশ। তিনি এস্থলে এসেছিলেন এবং নানাবিদ লৌকিক অলৌকিক কাজকর্ম করে অত্র অঞ্চলে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। গত হয়েছেন তিনি অনেক আগেই, কিন্তু তার মাজার এখনো জাগ্রত। প্রতিদিন দূর ...
  • সিনেমার ডায়লগ নিয়ে দু চার কথা
    সাইলেন্ট সিনেমার যুগে বাস্টার কিটন বা চার্লি চ্যাপ্লিনের ম্যানারিজমের একটা বিশেষ আকর্ষন ছিল যেটা আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। চোখে মুখের অভিব্যক্তি সংলাপের অনুপস্থিতি পূরণ করার চেষ্টা করত। আর্লি সিনেমাতে ডায়লগ ছিল কমিক স্ট্রীপের মত। ইন্টারটাইটেল হিসাবে ...
  • সিঁদুর খেলা - অন্য চোখে
    সত্তরের দশকের উত্তর কলকাতার প্রান্তসীমায় তখনো মধ্যবিত্ততার ভরা জোয়ার. পুজোরা সব বারোয়ারি. তবু তখনো পুজোরা কর্পোরেট দুনিয়ার দাক্ষিণ্য পায় নি. পাড়ার লোকের অর্থ সাহায্যেই মা দুর্গা সেজে ওঠেন তখনো. প্যান্ডাল হপিং তখন শুরু হয়ে গেছে. পুজোর সময় তখনই মহঃ আলি ...
  • অন্য রূপকথা
    #অন্য_রূপকথা পর্ব এক একদেশে এক রানী ছিল। সেই রানীর রাজ্যে কত ধন, কত সম্পত্তি। তাঁর হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, আর গাড়িশালে খানকয়েক রোল্স রয়েস আর মার্সিডিজ বেন্জ এমনিই গড়াগড়ি যেত। সেই রাজ্যের নাম ছিল সুবর্ণপুর। যেমন নাম, তেমনি দেশ। ক্ষেতে ফলত সোনার ফসল, ...
  • ফাতেমা
    ফাতেমা। আম্মির কাজে হাত লাগায় যে, যাকে আমি 'আপা' বলি, তার মেয়ে। ক্লাস সেভেনে পড়ে। মা দু'বাড়ি কাজ করে আর বাবা ভ্যান চালায়। ভাই-বোন-বাপ-মা মিলিয়ে জনা পাঁচেকের সংসার। গেল মাসে, সেই আপার হঠাৎ পেটে ব্যথা। ডাক্তার জানালো, অ্যাপেন্ডিক্স। পয়সা-কড়ি , সবাই মিলে ...
  • একটা অর্ধ-সমাপ্ত গল্প
    পর্ব ১।ঘুম ভাঙতেই পাশ ফিরে মা, বাবা আর ছোট্ট ভাইটাকে একবার দেখে নিল ডোডো। সবাই ঘুমোচ্ছে। খাট থেকে আস্তে করে নেমে, ঘরের বাইরে চলে এল। ঘরটা থেকে বেরোলে ডান হাতে আরেকটা বেডরুম। এটার দরজা বন্ধ। সেটা পেরোলে একটা খুব ছোট্ট গলি দিয়ে ডাইনিঙ রুম। গলিটার একটা ...
  • ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ
    নুরুন্নবী ভাবিয়া যায়। আমি নতুন ভাষায় কথা বলব। নতুন ভাষায় তুই তাই করে কথা বলব নামীদামী লোকের লগে। কবিতা বলব, গান লেখব, ইচ্ছা হইলে অশ্রাব্য কুকথা লেইক্ষা টেইক্ষা ভরাইয়া ফেলব। কিন্তু কেউ বুঝতে পারবে না। নুরুন্নবী ভেতরে ভেতরে উৎসাহ পায়। পানি খাওয়ার গ্লাসের ...
  • তার বিজলি সে পতলে...
    কলকাতায় বন্ধু যারা ছিলেন তারা হয় শহর ছেড়েছেন, নয় বন্ধুত্ব, কেউ কেউ দুটোই। শেষ বন্ধু যারা থেকে গেছেন তাদের সঙ্গে মাঝে মাঝে ফোনে কথা হত। মনে আছে মনাশে থাকার সময় একবার পুজোয় তাঁদের ফোন পেলাম, এবং আমি যে জঙ্গলে থাকতাম সেখানে যে পুজো ইত্যাদি হয়না, আমি যে মোটের ...

গণিত, সৌন্দর্য্য ও অমরত্ব

সুকান্ত ঘোষ

আমি গণিতবিদ নই – কিন্তু গণিত ভালোবাসি। গণিতজ্ঞদের দিকে তাকাই সম্ভ্রমের চোখে – আর ঠিক এই কারণেই পাশের গ্রামে ফিরোজ, বন্ধু সুমন এরা ছিল আমার ঈর্ষা মিশ্রিত বিষ্ময়ের পাত্র। তাই এই লেখা শুরু করার আগেই সাফাইটা গেয়ে দিই – বলে রাখি যে এই প্রবন্ধ কোন নতুন তথ্য দেবার জন্য নয়, নয় কোন গালভরা গবেষণার গল্প বলার জন্য। এটা নিছকই সেই সব তথ্য, ঘটনা আর নাম সমৃদ্ধ, যা অনেক সময় আমরা খেয়াল করি না। অর্থাৎ ধরুন আপনি নিজের জামাটি রোজ পড়েন, কিন্তু সেই জামায় কয়টা বোতাম আছে তা কখনো খেয়াল করেছেন কি? এই লেখাও তেমন হবে আর কি!

আরও পড়ুন...

কালিজিরা

Kulada Roy

জুলিয়াস ওলুওকুন কদিন ধরে বলছে, রায়, তুমি কি কালোঞ্জি চেনো?
আমি চিনিনা। শুনে জুলিয়াস অবাক হয়। বলে, পাকিস্তানীরা চেনে। ইন্ডিয়ানরাও চেনে। তুমিই চেনো না। এটা কোনো কথা হল?
কথা যাতে হয় সেকারণে কদিন বাঙালী, ইন্ডিয়ান আর পাকিস্তানী গ্রোসারীতে ঘুরে ঘুরে কালোঞ্জি খুঁজলাম। সবজি মাণ্ডিতে বোন বেনকে জিজ্ঞেস করতেই সে একটা বোতল বের করে দিল। বলল, এই নেও তোমার কালোঞ্জি।
বোতলের চেহারাটা ভালই। মুখটা ভালো করে আটকানো। বাইরে লেবেল আটো। পরিস্কার ইংরেজীতে লেখা কালোঞ্জি। এই জিনিসটি জুলিয়াস খেতে চায়। হাসি পেল।

আরও পড়ুন...

খুব সংক্ষেপে ঘটনাক্রম – যেখান থেকে শুরু স্কুলের পথচলা – লিখে দিয়েছেন কৃশানু মিত্র

Salil Biswas

১। দীর্ঘদিন ধরে শ্রমজীবী হাসপাতাল প্যারামেডিক্যাল শিক্ষাদানে সফল ভূমিকা নিয়েছিল। কিন্তু ডক্টরস অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স নিয়ে চিন্তাভাবনা থাকলেও তা প্রয়োগে নিজেদেরই দ্বন্দ্ব ছিল, যা কাটিয়ে উঠতে আমাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।
২। এই বিষয়ে প্রথম মিটিং হয় ২০১২ সালে নভেম্বর মাসে। মিটিঙে অংশগ্রহণ করেন ডাক্তার গৌরীপদ দত্ত, দীপাঞ্জন রায়চৌধুরী, ডাক্তার তাপস ভট্টাচার্য, শুভাশীষ মুখার্জি ও বিশিষ্ট আরো কিছু ব্যক্তিবর্গ। মিটিং হয় শ্রমজীবী বেলুড় হাসপাতালে।
৩। কেজি টু পিজি ভাবনার কথা আমরা আগেই ঘোষণা করেছিলাম, কি

আরও পড়ুন...

আমাদের শিশুরা কী পড়ছে?

Biplob Rahman

প্রশ্নটি প্রথম তোলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাবেরী গায়েন। গুমট গরমের পর বিকেলে এক ঝলক স্বস্তির বৃষ্টির সময় কাবেরী আপা মনে করিয়ে দেন শৈশবের সেই মায়াময় শিশুপাঠ:

"বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান,
শিব ঠাকুরের বিয়ে হল তিন কন্যা দান।
এক কন্যা রাঁধেন বাড়েন এক কন্যা খান,
এক কন্যা রাগ করে বাপের বাড়ি যান।"

এই শিশুপাঠে শিব ঠাকুরকে তিনটি কন্যা দান করার কথা বলা হচ্ছে, অর্থাৎ কি না তিন-তিনটি স্ত্রী! এর উপস্থাপনাটি এতোই নিরীহ যে, যেন এটি ঠাকুর মশাইয়ের প্রাপ্য এবং এটি

আরও পড়ুন...

বাসুকির ব্যথা

শিবাংশু

বাসুকির ব্যথা
-------------------

তখন সবে সন্ধে দশটা বাজছে ।

সারাদিন সূর্যের চুয়াল্লিশ ডিগ্রি উষ্ণতার স্নেহে আমরা গদগদ হয়ে গলেই পড়েছি । শুধু নারদের কমন্ডলুটি নেই । শরীরটা যে এখনও পুরোপুরি ত্যাগ করা যায়নি তার কিছু লক্ষণ অবশ্য টের পাওয়া যাচ্ছে ।

আমার লেখালিখি এমনিতে ডেস্কটপেই । কিন্তু যে ঘরটিতে ঐ বস্তুটি রয়েছে‚ সেখানে শীতযন্ত্র নেই । এমতাবস্থায় যতোটুকু দম বেঁচে থাকে তার সদ্ব্যবহার ল্যাপটপের পঞ্চমুন্ডিতে বসেই সারার চেষ্টা করি‚ শোবার ঘরে‚ গদিতে আধশোয়া হয়ে । সদ্য সদ্য ভ

আরও পড়ুন...

যতকিঞ্চিত...(২২ তম পর্ব)

Rana Alam

একটা পুরোনো ঘটনা দিয়ে শুরু করি,
এক শুক্রবার ওমরপুর থেকে ফিরছি।বেশ গরম।এফইউসি মাঠে সেদিন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী ভাষণ দিচ্ছেন।বাস থেকে এফইউসি মাঠটা বেশ স্পষ্ট দেখা যায়।তা সেদিন দেখলাম মাঠ অর্ধেকের বেশি ফাঁকা।সাকুল্যে আড়াই হাজার লোক হয়েছে কিনা সন্দেহ।মুখ্যমন্ত্রীর সভায় এত কম লোক???
ফিচেল শাহনওয়াজটা পাশেই বসেছিল।বলল,
‘দাদা,এটা কিন্তু কেন্দ্রের চক্রান্ত।কায়দা করে সূর্যের ভোল্টেজ বাড়িয়ে দিয়েছে যাতে লোক বেশি না আসতে পারে’।
ফিচেল নাম্বার টু,অণির্বাণ যাকে ফেসবুক চেনে অণির্বাণ এক্স

আরও পড়ুন...

সামরায়ণ

কল্লোল

অতঃপর অন্তঃপুরে – সামরান হুদা
গাঙ্গচিল, কলকাতা ২০১৪। তিনশো টাকা।

আমার মায়ের সোনার নোলক
হারিয়ে গেলো শেষে
হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি
সারা বাংলাদেশে
(আল মাহমুদ – সোনালী কাবিন, নোলক। ১৯৭০)

বহু তত্ত্বতালাশের পর নোলকটি পাওয়া গেলো অতঃপর অন্তঃপুরে। নদীর কাছে, বনের কাছে, পাহাড়ের কাছে, পাখপাখালীর কাছে খুঁজে খুঁজে হয়রান কবি ফিরে গেছেন। আর এই দুইশতচৌষট্টি ঋতু পার করে সিলেটের কোন এক প্রত্যন্ত গ্রামের বাড়ির অন্তঃপুরে অতঃপর পাওয়া গেলো তারে।

বর্ষার জল এলে বাড়িটা একট

আরও পড়ুন...

বিয়াল্লিশ ডিগ্রি

অবন্তিকা


সেইরকমই তিনটে চরিত্র- দামিনী গান গায়, সরকারী চাকরি করে- সর্বজিত সুপুরুষ, অভিনেতা- শান্তনু দামিনীর সঙ্গী, অন্যরকম, অন্য মনের l সর্বজিত উভয়ের বন্ধু l আরবান ডিক্শনারিতে মিউচুয়াল ফ্রেন্ড এখন খুব পরিচিত শব্দ l সর্বজিত অনেকটা তাই l তবে সে যে প্রাথমিকভাবে দামিনীর বন্ধু সেকথা শান্তনু জানে না এমনটা নয় l আমরা সবাই সব জানি l ব্রেনের হেমিস্ফিয়ারগুলো, লোবগুলো, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস l জানি এসব l জেনে গেছি প্রথম ক্রেনিয়াল নার্ভ অলফ্যাক্টরি আমাদের গন্ধ চেনায় l ঘ্রাণের বোধ ব্রেনের সেনসরি ক্রিয়া l পরিচিত

আরও পড়ুন...

এ রাজ্যে বিজেপি-র উত্থান: কয়েকটি কথা

Animesh Baidya

লোকসভা নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই নরেন্দ্র মোদী সকলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভোটের ফল বেরনোর পরে সেই আলোচনা রীতিমতো একটা বিষ্ফোরণে পরিনত হয়েছে। মোদী, হিটলার, ফ্যাসিজম, বিজেপি, আরএসএস, হিন্দুত্ব, সাম্প্রদায়িকতা, গুজরাত মডেল এই শব্দগুলো প্রতি মুহূর্তে আছড়ে পড়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট থেকে আমাদের রোজকার আড্ডায়। আর এ রাজ্যের ক্ষেত্রে সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বামেদের বিপুল ভরাডুবি।

এই নিয়ে নানা মুনি প্রতিনিয়ত নানা মত জানিয়ে চলেছে। এক দল প্রতি মুহূর্তে মোদীর প্রতি তাদের ঘৃণা ছড়িয়ে দিচ

আরও পড়ুন...

আমি বাংলাদেশে কুলদা রায়। আর ভারতে কলিমুদ্দিন শেখ।

Kulada Roy

মোদীকে আমি চিনি না। চেনার দরকারও নাই। পৃথিবীতে সকল মানুষকে চেনা যায় না। আর আমি বরিশালের মনু। যেখানে বরিশালের সবারেই চিনি না—সেখানে ভারত নামের একটা রাষ্ট্রের গুজরাতের নরেন্দ্র মোদিকে চিনতে যাব কোন দূঃখে।
তবে আমার পাড়ার নরেন মুদিকে চিনতাম। বেচারা নরেন মুদি। তার মুদি খানায় বিস্তর কেনাবেচা হত। হিন্দুদের চেয়ে মুসলমান খদ্দের ছিল বেশি। তারা বিশ্বাস করেন নরেন মোদি নামের এই হিন্দু লোকটা মালে ভেজাল দেবে না। আর দাম লাগাম ছাড়া নেবে না। আমাদের পাড়ার সৈয়াদুল হক চাচা এই ব্যাপারে বড় করে ঘোষণা দিয়েছিলেন,

আরও পড়ুন...

কিছু ভাবনা যা হয়তবা ইস্তেহার

Swarnendu Sil

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র তার রায় দিল দ্ব্যর্থহীন ভাষায়। হ্যাঁ, ৮০ কোটি ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫০ কোটির মত, তার এক-তৃতীয়াংশের, মানে প্রায় ১৬-১৭ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধি হয়ে দিল্লীর মসনদে বসল 'লৌহমানব' মোদীর ভাজপা সরকার। প্রথমেই বলে রাখা ভাল যারা মনে করছেন যে ১৬-১৭ কোটি ৮০ কোটির গরিষ্ঠ অংশ নয় ( যে কথাটার সাথে যে কেউই একমত ) আর তাই এই রায়কে মানুষের রায় ভাবার মানে হয় না বা এর কাছাকাছি কিছু একটা... আমি তাদের সাথে একমত নই । যারা ভাবছেন যে শুধু কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা ও চালানো

আরও পড়ুন...

আড়মোড়া ভাঙে এক বিষাদের পাখি (পর্ব - ১১)

সুকান্ত ঘোষ

আমাদের বন্ধু ব্যাচে হাবাই সর্বপ্রথম অবৈধ সন্তান উৎপাদনে সক্ষম হয়েছিল ক্লাস ইলেভেনে পড়ার সময়। ক্ষ্যাপা মাষ্টারের কাছে প্রাইভেট টিউশনি শেষ করা এবং ইস্কুলের গণ্ডী পেরোবার সীমারেখা থেকেই হাবা-র কাছে তার নিজেরই ‘রঞ্জিত’ নামটি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছিল। ক্ষ্যাপা মাষ্টার আজ আর নেই – আমাদের গ্রাম থেকেই টিউশনি পড়িয়ে ফেরবার পথে জি টি রোডে লরির ধাক্কায় প্রাণ হারাণ। এই ঘটনা আমাদের বিষাদগ্রস্ত করেছিল কিছুদিন কারণ খ্যাপা মাষ্টার আমাদের নিমো গ্রামের অনেক ছেলেরই কৈশোরের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। আমরা তাই ক্ষ্যাপা

আরও পড়ুন...

প্রধানতঃ পরিষ্কার আকাশ

Prakalpa Bhattacharya

ছোটবেলায় একটা কথা শুনতাম, মর্ণিং শোজ দ্য ডে। এক্কেবারে বাজে কথা। সকালে রোদ্দুর উঠেছে দেখে একদিন ছাতাটা বাড়িতে রেখে বেরিয়েছিলাম, আর সেদিনই কী বিষ্টি কী বিষ্টি! ভিজে জাব হয়ে ফিরতে হোল। ওসব মর্ণিং ফর্ণিং নয়, সোজাসুজি আকাশই দেখে দিনকাল যা বোঝার বুঝতে হয়। আর দিনকালের বোঝার আছে টা কী! সারা সপ্তা অফিস-টিভি-ঘুম, আর ছুটির দিন শপিং-টিভি-ঘুম, এই তো জীবন। পুরো টাকাটাই মাটি, নয়তো পুরো মাটিটাই টাকা। এর মধ্যে দিনকাল বোঝাবুঝি আসেই বা কোথা থেকে?
আসে। আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে যে জগত, সেটাই আকাশ। ওইজন্যেই বিখ্য

আরও পড়ুন...

লালবর্ণ শৃগাল

Prakalpa Bhattacharya

একদিন একটি শৃগাল কুকুরদের তাড়া খাইয়া পলাইতে গিয়া একটি চৌবাচ্চার ভিতর পড়িয়া গেল। সেই চৌবাচ্চায় কেহ লাল রঙ গুলিয়াছিল। তাহাতে পড়িয়া শৃগালটি লালবর্ণ হইয়া গেল।
তাহার লালবর্ণ দেখিয়া অরণ্যের অন্য জীবজন্তু ভয় পাইয়া গেল। স্বয়ং পশুরাজকেও ভয় পাইতে দেখিয়া ধূর্ত শৃগাল বুঝিল যে এ হেন রক্তিম বর্ণের সাহায্যে সে সমস্ত অরণ্যবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করিতে সক্ষম হইবে। সে অবিলম্বে নিজেকে তাহাদিগের নেতা ঘোষণা করিল এবং নূতন নিয়ম কায়েম করিল। সেটি হইল, কোনও প্রাণী কোনও শিকার ধরিলে তাহা হইতে সকলকে ভাগ না দিয়া খাইতে পারিবে

আরও পড়ুন...

যাহা নাই ভারতে

Prakalpa Bhattacharya

পত্রিকার সম্পাদকেরা সচরাচর আধাপাগল হন। আমার সম্পাদক বদ্ধ পাগল। নাহলে আজ সকালবেলা ফোন করে আগামীকালের মধ্যে মহাভারত নিয়ে একটা লেখা লিখতে বলেন!আরে আমি কি নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি, নাকি অর্ণব গোস্বামী, যে সবকিছু নখের ডগায় থাকবে, কাগজ কলম নিয়ে বসলেই লেখা বেরোবে ফরফর, ফরফর!
কে কাকে বোঝায়!
ফোনটা আসবার পর থেকে সারাদিন অফিসে চিন্তা করেছি, কিস্যু আসেনি মাথায়। কয়েকজনকে জিগ্যেসও করলাম। পাশের টেবিলের বিকাশদা রেসের মাঠ থেকে সানি লিওন অনেককিছুর খবর রাখেন। আমার প্রশ্ন শুনে কাগজ পাকিয়ে কান চুলকোতে চুলকো

আরও পড়ুন...

আমাদের ছোট নদী

Parichay Patra

পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি না হওয়া নিয়ে সকলের মতামতঃ

তৃণমূলঃ বৃষ্টি না হওয়া সিপিএম-বিজেপি-কংগ্রেস-মাওবাদী-আনন্দবাজার-কিউবা-ভিয়েতনামের চক্রান্ত। ১৬ তারিখ ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এসব সাজানো ঘটনা ব্যর্থ হবে, বৃষ্টি আসবে। দেরিতে আসা বৃষ্টির জন্য কেষ্টর সাহায্যে মুড়ি ও নারকেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলার মানুষের জন্য এটুকু করতে আমরা দায়বদ্ধ, আমরা গাধা বা ভোঁদা নই, হরিদাস পাল ও নই। আমরা গৌরী (পড়ুন সুদীপ্ত) সেন।

সিপিএমঃ তৃণমূলের সন্ত্রাসে বৃষ্টি আসছেনা। এবিষয়ে বিস্তারিত ডকুমেন্ট কমঃ গৌতম দ

আরও পড়ুন...

গন্তব্যের গোড়ায়

Salil Biswas

প্রথম জানতে পারি দীপাঞ্জনের (রায়চৌধুরি) কাছ থেকে, শ্রমজীবী হাসপাতাল একটি স্কুল তৈরির কথা ভাবছে। আমি কি আগ্রহী? আগ্রহী তো বটেই, এই রকম যে কোনো প্রচেষ্টায় আমি আগ্রহী। কিন্তু এই স্কুল তৈরির কথা শুনে শুনে কান পচে গেছে, ‘আপনাকে বলছি স্যার’ পড়লেই স্কুল করার কথা মনে পড়ে, আর ক’দিন পরেই আরও অনেক ভালো ইচ্ছার মত এও উপে যায়। না, না, এনাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে এঁরা সিরিয়াস। স্কুলটা ওঁরা করতে চাইছেন আমাদের পদ্ধতি মেনে, আমাদের একেবারে ফ্রি হ্যান্ড দেবেন। দরিদ্র কিন্তু মেধাবী ছেলেমেয়েদের নিয়ে হবে স্কুল। পুরো ফ্র

আরও পড়ুন...

'চুল'কানি

Avik Mukherjee

‘চুল’কানি
স্থানঃ রানাঘাট স্টেশনের ১ নম্বর প্লাটফর্ম।
কালঃ রাজ্যে পঞ্চম তথা শেষ দফা ভোটের আগের দিনের সকাল।
পাত্রঃ চিনতে হলে শেষ অবধি ধৈর্য ধরুন।
পোলিং পার্টির বাসে রানাঘাট কোর্ট পাড়ায় নেমে ষ্টেশন অবধি আসতে আসতে পাক্কা ছ’ মিনিটের জন্য ফুলিয়ার ট্রেনটা যখন মিস করলাম তখন অশান্ত মনের হোমাগ্নিতে আরও খানিক হবি বিসর্জন হল। সকাল চারটেয় উঠে রেডি হয়ে বেরতে দাঁতে কুটোটি কাটার সুযোগ পাইনি। সামনের শেডে ভাজা কচুরি দেখে মনে অসম্ভব লোভ সৃষ্টি হ

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প (পর্ব: 36 - ??? )

Kaushik Ghosh

৩৬।

একা থাকার অভ্যেসটা অনেক দিনের।ধীরে ধীরে, তিলে তিলে রপ্ত করা। অভ্যেসটা কবে থেকে রপ্ত করা শুরু করেছেন তা আর আজকে মনে পড়ে না। পাবনায় যাওয়ার পর থেকেই কি? না বোধহয়! কোলকাতার আলোক মালার বৃত্তের মাঝেই হয়ত শুরু হয়ে গেছিল এই একাকিত্বের যাত্রা; হয়ত সেটাকে চিহ্নিত করে উঠতে পারেননি তখন – এই যা! নাকি পেরেছিলেন ? শুধু নিজেকে ভুলিয়ে রাখার জন্য যেটুকু ব্যসন আসনের দরকার হয়, সে গুলির আড়ালটা ব্যবহার করেছিলেন মাত্র! আর তারো আগেকার, মানে কার্সিয়াঙের জীবনটাকে ধর্তব্যের মধ্যে আনা চলেনা। ঐ বালিকা বয়সে কেউ

আরও পড়ুন...

লে হালুয়া

Avik Mukherjee

নিবন্ধ
লে হালুয়া
অভীক মুখোপাধ্যায়
(১)
‘রাখাল একজন বাজে ছেলে – Rakhal is a cheater.’ লাইনটা খাতায় দেখে চমকে উঠলাম। বাঁদর ছেলে পড়াশোনায় মন নেই, ভুলভাল লিখে খাতা ভরিয়ে নিয়ে এসেছে। বাপ-মা কতো আশা করে মানুষ করার চেষ্টা করছে আর ইনি আমার কাছে ইংরাজি শিখে নিজের বংশ

আরও পড়ুন...

ডাইনি

মোহর

প্রথম শব্দই ছিল বেশ্যা
আর প্রথম স্পর্শে তীব্র অসতীত্ব
প্রথম রাত্রির পর দরজায় প্রচণ্ড আঘাত
সেসব পেরিয়ে এসে প্রেম, কালো ঘর ?

লিপস্টিক পুরনো হলে ফেলে দিতে নেই
বিশেষত কালো লিপস্টিক
চটচটে চ্যাটচ্যাটে সমস্ত রকম দাগ
অনিচ্ছের সংসারে কত কাজে লাগে
কেই বা উপোসে থাকে
কার দুঃখে কেঁদেছ দেবতা


মুখ বন্ধ করে থেকে থেকে মুখই খুঁজে পাচ্ছিনা আর
প্রভু হে, এ জনমে প্রেম সাধিব না
কিন্তু দরজা খুলতে গিয়ে দেখছি দরজা নেই
শুধু একটা 2-D ফ্রেম
আর তার দ

আরও পড়ুন...

তেঁতুল পাতায় নজন

Rajat Subhra Banerjee

তেঁতুল পাতায় নজন সুজন গল্প করে।
গল্প করে - ওমনি আবার গানটা ধরে।।

গানটা ধরে টুক্‌ টুকা টুক্‌ তাল ঠুকে যায়।
তাল ঠুকে যায় আঙুল মেরে হাঁটুর গোড়ায়।।

হাঁটুর গোড়ায় ঝিন্‌কি ধরে - রক্ত নাচে।
রক্ত নাচে বিদ্রোহী কোন কবির ধাঁচে।।

কবির ধাঁচে মনের কোণে পদ্য ঘোরে।
পদ্য ঘোরে - ঘূর্ণি যেন দূর সাগরে।।

দূর সাগরে নোনতা জলের উড়ছে ছিটে।
উড়ছে ছিটে দমকা ঝড়ের ব্যপ্ত পিঠে।।

ব্যপ্ত পিঠেও রক্ত তখন নাচছে সমান।
নাচছে সমান - চলছে তেড়ে আজগুবি গান।।

আরও পড়ুন...

ফোর টোয়েন্টি

Avik Mukherjee


ফোর টোয়েন্টি
অভীক মুখোপাধ্যায়
‘হুজুর একটু দেখবেন। আপনারাই মা- বাপ।’ আচমকা একথা কানে আসতেই ঘাড় ঘোরালাম, যে দৃশ্য চোখে পড়ল তাতে অবাক না হয়ে পারলাম না। মার্চের প্রথম সপ্তাহের দুপুর, গরম খুব বেশী না হলেও নেহাত কমও বলা চলে না। এই গরমে কমলা রঙের হনুমান টুপি পরা বেঁটে খাটো চেহারার একজন মানুষকে দেখে একটু অবাক হলাম। গায়ে কটে যাওয়া নীল কোট। উদ্ভট লাগায় কৌতুহল আরও বেড়ে গেলো। ডান হাতের তর্জনীটাকে এমন ভাবে আমার দিকে তুলে মুখে চোখে একটা সনির্বন্ধ অনুরোধ নিয়ে তাকিয়ে আছেন যেন ‘একটাই মাত্র কোনও কথা’

আরও পড়ুন...

শিরোনামহীন

Biplob Rahman

আম পাতা জোড়া জোড়া
তৎকালে লোকে প্রেমকে লাইন বলিতো। আমাদিগকে বলা হইয়াছিলো, ইহা ভালো নয়। ভাবেসাবে আমরা বুঝিয়াছিলাম, লাইন একটি বখাটেপনা, সামাজিক অপরাধ বিশেষ। …

এই ঢাকা তখন সেই ঢাকা ছিলো না। ফুলবাড়িয়াতে ছিলো রেল স্টেশন। রিকশাই ছিলো সর্বত্র জনপ্রিয় বাহন। ইপিআরটিসি’র লাল দোতলা বাস বিআরটিসি হইয়াছে মাত্র। বাবার হাত ধরিয়া সেই দোতলা বাসে চাপিয়া মিরপুর-ফুলবাড়িয়া ভ্রমন করিয়া জীবনকে মনে হইয়াছিলো সার্থক। রমনা পার্কের দোলনায় আবার কবে চড়িবো, সেই ভাবনায় ছোট্ট শিশু মন কতই না রঙিন স্ব

আরও পড়ুন...

যতকিঞ্চিত...(২১তম পর্ব)

Rana Alam



অর্ক’টা আজকাল বাইরে বিস্তর তেলে ভাজা খাচ্ছে।যেসব পেটরোগা’রা কবজহার খেয়ে দিন কাটায়,তারা যেচে এসে বাড়িতে খবর দিয়ে যাচ্ছে যে অর্ক'কে আজ অমুক বা কাল তমুক জায়গায় পাঁচটা চপ কি সাতটা সিঙ্গাড়া খেতে দেখা গেছে।তা নিয়ে যথারীতি বাড়িতে বকাবকি চলছে।আমি সেদিন ডেকে বললুম,
‘হ্যাঁরে হতভাগা,একটু কমসম করে খেতে পারিস না?দু-একটা করে খেলেই তো ঝামেলা হয় না’।(প্রসঙ্গত,একদম তো আর না খেতে বলতে পারিনা,তাহলে তো হজরত মোহাম্মদ অণুসরণ করে আগে আমাকেই খাওয়া ছাড়তে হয়,আর সেটা অসম্ভব,পাতি বাংলায় ইমপসিবল)।
অর্ক মাথ

আরও পড়ুন...

গুরু, দক্ষিণা?

Prakalpa Bhattacharya

(স্থানঃ রিজার্ভ ফরেস্ট। পরিবর্তে কচুবন ও চলবে।
কালঃ একটা হলেই হোল। কল সেন্টারের যুগে রাউন্ড দ্য ক্লক কাজকম্মো চলে।
পাত্রঃ যে কটা বিনা পয়সায় নাটক করতে রাজী হয় আর কি।)

দ্রোণঃ একি, প্র্যাকটিশ ছেড়ে কোথায় গেল সব? যুধিষ্ঠির!
যুধিঃ প্রেজেন্ট প্লিজ!
দ্রোণঃ রোলকল করছিনা। পান্ডবগণ, কৌরবগণ, কোথায় সবাই?
যুধিঃ অল গন স্যার, হাইডিং।
দ্রোণঃ কী! শুটিং ছেড়ে লুকোচুরি খেলা হচ্ছে!!
যুধিঃ নট প্লেয়িং স্যার, ভয়ে হাইডিং।
দ্রোণঃ অসম্ভব!! আমার ছাত্ররা ভয়ে লুকোতেই পারে না! কোথায়, ড

আরও পড়ুন...

ছানি

Prakalpa Bhattacharya

একদিন সকালে খবরের কাগজটা হাতে নিয়েই বড়মা-র সে কি হাঁউমাউ চিৎকার!
-‘ওরে কে কোথায় আছিস, ছুটে আয়!’
আমি তখন ইস্কুল যাওয়ার আগে ব্রেকফাস্টের পাঁউরুটিটা লুকিয়ে ভুলোকে খাওয়াচ্ছিলুম। দাদা স্কুলের ব্যাগ-এর মধ্যে কী একটা যেন খুঁজছিল। মা ফোর্থ গিয়ারে খুন্তি নাড়িয়ে আমাদের টিফিনের জন্য চিঁড়ের পোলাও বানাচ্ছিল। বড়মার আওয়াজ শুনেই আমরা তিনজনে চমকে মোমকে আমি পাঁউরুটি ছুঁড়ে, দাদা ব্যাগ ফেলে, মা খুন্তি ঠেলে ছুট লাগালুম ‘কী হলো, কী হলো’ বলে।
ভুলোও কিছু না বুঝে লেজ নাড়তে নাড়তে আমাদের পিছন পিছন এল।
দেখি

আরও পড়ুন...

জননী একক

অবন্তিকা

একটি রুপোলি আলোয়ান গায়ে জড়িয়ে
ধীর পায়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসছে সালেমানের মা
শরীরে এখনও সদ্য-প্রসবিনীর শৈথিল্য

এ নিম্নগামী পথ তার আপনার নয়
দু'হাতে আঁকড়ে রাখা সন্তানের কোল বদল হয় নিয়ত
অনাদরে, অবজ্ঞায়

মাসিক মন্দার সুরাহা হলেও হতে পারে আজ
তাই পিঁচুটি পড়া চোখের কোণ ধুয়ে
সালেমানের মা এগিয়ে আসছে চৌহদ্দির ঈশান কোণের ঘরে
যেখানে অপেক্ষারত অর্থ-সংবাহক
যার বয়স-ধর্ম-পেশা-রুচি
এ সকল জানা বাধ্যতামূলক নয়, কখনও ছিল না
অথচ টেবিলের দু’প্রান্তে বসে থাকা অন্যস

আরও পড়ুন...

কোম্পানি কলম

শিবাংশু

মে-দিবসের গপ্পো
--------------------------

এই কাজটা অনেকদিন ধরে করছি, কিন্তু এখনও নির্দ্বিধা হতে পারিনা ।

মানুষের মূল্যায়ণ ! না, শুধু তার কাজের ? কিন্তু কাজটি তো মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোত । কীভাবে করা যাবে এই কাজ ? বাংলায় অনেকগুলি শব্দ আছে, জাজমেন্টাল, ওপিনিওনেটেড, বায়াসড, ওপন, ফোকাসড, স্ট্রাকচার্ড, পজিটিভ, টাইরান্ট, নানা রকম মানে আছে এই সব শব্দের । যাঁরা চাকরি করে খান, তাঁরা নিজের নিজের উপরওয়ালা সম্বন্ধে এ রকম নানা বিশেষণ ব্যবহার করেন । বসের তো দুরকম অবতার রয়েছে । এক, নিত্যদ

আরও পড়ুন...

যমুনায় সিম আনতে যাচ্ছি

Yashodhara Ray Chaudhuri

কৃষ,
তোকে এস এম এস না করে কেন খামোখা চিঠি লিখতে যাব, বলতো? লিখতাম না। কিন্তু তোর ফোন সুইচ অফ আছে, কতদিন কতবার চেষ্টা করেছি। তোর মোবাইলে এখন বোধ হয় শুধু গান শুধু গান। তোর মোবাইলে এখন বোধ হয় সিম নেই। তুই কেন সিম ফেলে দিলি কেষ্টা, আমাকে অ্যাভয়েড করবি বলে, নাকি পুলিশ তোকে খুঁজছে বলে?
আমি কিছুতেই মানতে পারিনা, এবারও আমার ভুল সম্পর্ক করা হয়ে গেছে! না, আমি বিশ্বাস করিনা... গোয়ালাপাড়ায় লোকজন বলছে, কয়েকটা বাচ্চা মেয়ের সঙ্গে ছেড়ছাড় করেছিলি। তারপর থেকে পুলিশ তোকে খুঁজছে। আমার কেষ্টা, আমার কৃষ, যাক

আরও পড়ুন...

অনবদমিত যৌনভাষ্য : বাংলার মেয়েদের কবিতা

Yashodhara Ray Chaudhuri

বিষয় , অথবা বিষয়ী ?

অথবা

অনবদমনের অসম্পূর্ণ আকাশ




‘কবিতা মানে আমার কাছে এই । নিজেকে রক্তাক্ত হতে দেখা ও একইসঙ্গে সেই রক্ত পান করা। নারী কবিতায় বস্তুত এ ছাড়া আর কিছু আছে কি? হ্যাঁ আছে প্রেম আছে বাৎসল্য, আরো আছে একসঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে হেঁটে যাওয়া । শেষ পরযন্ত বেঁচে থাকাও, বেঁচে থাকাই।
... একথা জেনেও যে, নারীকবিতা আজও একটি মার্জিনাল অবস্থানে রয়েছে। কত কী-ই যে লিখতে দেওয়া হয়নি মেয়েদের – সাফো বা অ্যাড্রিয়েন রিচ সত্ত্বেও নারী সমকামিতা কি জায়গা পেয়েছে তেম

আরও পড়ুন...