সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#2
    [৩] যাদুবিদ্যা ও ধর্মপৃথিবীর সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মই প্রথম যুগে এই ম্যাজিক সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু কেন? আসুন, এবার আমরা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি। সমাজ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে দেখা যাবে, ধর্মের উদ্ভবের সময়কালের সাথে এই যাদুবিদ্যার আর্থসামাজিক ...
  • আমার বাবার বাড়ি
    আমাদের যাদের বয়েস স্বাধীনতার বয়েসের পাশাপাশি তারা ছোটবেলায় প্রায়ই একটা অদ্ভুত প্রশ্নের মুখোমুখি হতাম, দেশ কই? উত্তরে যে দেশের নাম বলার রীতি ছিলো যেমন ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, নোয়াখালী সব ছিলো ভারতের ম্যাপের বাইরে সবুজ এলাকায়। আবার সদ্যস্বাধীন দেশে আমরা খুব ...
  • পরীবালার দিনকাল
    ১--এ: যত তাড়াতাড়িই কর না কেন, সেই সন্ধ্যে হয়ে এলো ----- খুব বিরক্ত হয়ে ছবির মা আকাশের দিকে একবার তাকাল, যদি মেঘ করে বেলা ছোট লেগে থাকে৷ কিন্তু না: আকাশ তকতকে নীল, সন্ধ্যেই হয়ে আসছে৷ এখনও লালবাড়ির বাসনমাজা আর মুনি দের বাড়ি বাসন মাজা, বারান্দামোছা ...
  • বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#1
    আধুনিক বিজ্ঞানে বস্তুর গতির রহস্য বুঝতে গেলেই বলের প্রসঙ্গ এসে পড়ে। আর দু এক ধাপ এগোলে আবার শক্তির কথাও উঠে যায়। সেই আলোচনা আজকালকার ছাত্ররা স্কুল পর্যায়েই এত সহজে শিখে ফেলে যে তাদের কখনও একবারও মনেই হয় না, এর মধ্যে কোনো রকম জটিলতা আছে বা এক কালে ছিল। ...
  • আমার বাবা আজিজ মেহের
    আমার বাবা আজিজ মেহের (৮৬) সেদিন সকালে ঘুমের ভেতর হৃদরোগে মারা গেলেন।সকাল সাড়ে আটটার দিকে (১০ আগস্ট) যখন টেলিফোনে খবরটি পাই, তখন আমি পাতলা আটার রুটি দিয়ে আলু-বরবটি ভাজির নাস্তা খাচ্ছিলাম। মানে রুটি-ভাজি খাওয়া শেষ, রং চায়ে আয়েশ করে চুমুক দিয়ে বাবার কথাই ...
  • উপনিষদ মহারাজ
    একটা সিরিজ বানাবার ইচ্ছে হয়েছিলো মাঝে। কেউ পড়েন ভালোমন্দ দুটো সদুপদেশ দিলে ভালো লাগবে । আর হ্যা খুব খুব বেশী বাজে লেখা হয়ে যাচ্ছে মনে হলে জানাবেন কেমন :)******************...
  • চুনো-পুঁটি বনাম রাঘব-বোয়াল
    চুনো-পুঁটি’দের দিন গুলো দুরকম। একদিন, যেদিন আপনি বাজারে গিয়ে দেখেন, পটল ৪০ টাকা/কেজি, শসা ৬০ টাকা, আর টোম্যাটো ৮০ টাকা, যেদিন আপনি পাঁচ-দশ টাকার জন্যও দর কষাকষি করেন; সেদিনটা, ‘খারাপ দিন’। আরেক দিন, যেদিন আপনি দেখেন, পটল ৫০ টাকা/কেজি, শসা ৭০ টাকা, আর ...
  • আগরতলা নাকি বানভাসি
    আগরতলা বানভাসি। দামী ক্যামেরায় তোলা দক্ষ হাতের ফটোগ্রাফ বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছে ফেসবুকের ওয়াল। দেখছি অসহায়ের মতো সকাল, দুপুর বিকেল, রাত হোল এখন। চিন্তা হচ্ছে যাঁরা নীচু এলাকায় থাকেন তাঁদের জন্য। আমাদের ছোটবেলায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হোত হাওড়া নদীর বুক ভরে উঠতো ...
  • ভূতের_গল্প
    পর্ব এক"মদন, বাবা আমার ঘরে আয়। আর গাছে গাছে খেলে না বাবা। এক্ষুনি ভোর হয়ে যাবে। সুয্যি ঠাকুর উঠল বলে।"মায়ের গলার আওয়াজ পেয়ে মদনভূত একটু থমকাল। তারপর নারকেলগাছটার মাথা থেকে সুড়ুৎ করে নেমে এল নীচে। মায়ের দিকে তাকিয়ে মুলোর মত বিরাট বিরাট দাঁত বার করে ...
  • এমাজনের পেঁপে
    একটি তেপায়া কেদারা, একটি জরাগ্রস্ত চৌপাই ও বেপথু তোষক সম্বল করিয়া দুইজনের সংসারখানি যেদিন সাড়ে ১২১ নম্বর অক্রুর দত্ত লেনে আসিয়া দাঁড়াইল, কৌতূহলী প্রতিবেশী বলিতে জুটিয়াছিল কেবল পাড়ার বিড়াল কুতকুতি ও ন্যাজকাটা কুকুর ভোদাই। মধ্য কলিকাতার তস্য গলিতে অতটা ...

কুকুর ও কবর

Aronno Islam

১.
প্রথম কোপটা মাটিতে পড়ার সাথে সাথেই শুক্কুর দারুণ চমকে উঠে, এবং দ্বিতীয় কোপের জন্য কোদালটা উপরে তুলতে গিয়েই টের পায়, যে তা অসম্ভব ভারী হয়ে উঠেছে, ফলে সে পরবর্তী কোপের জন্য তা যথাযথ পরিমাণ উপরে তোলার প্রয়োজনীয় শক্তি হারায়, এবং হঠাৎ করেই বিমূঢ় ও স্থবির হয়ে পড়ে, আর কোদালটা উপরে তোলার পরিবর্তে নিচের দিকে নামিয়ে রেখে ধুপ করে মাটিতে বসে পড়ে!

বেলা যে খুব বেড়েছে তা নয়। যে সময় গ্রামের বাচ্চারা ময়লা জামা-কাপড় আর ছেঁড়া-ফাটা বই নিয়ে বিলের মধ্যে দিয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে স্কুলে যায়, আর সে ক্ষেতে কা

আরও পড়ুন...

রবীন্দ্র চিঠিতে আত্নকথন

Biplob Rahman


[২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসরে পাওয়া গেছে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছয় পাতার একটি দীর্ঘ চিঠি। এটিই এ পর্যন্ত পাওয়া কবির সর্বশেষ অপ্রকাশিত পত্র। চিঠিতে তারিখ দেওয়া আছে, ১৩০৭ সালের ২৮ ভাদ্র। কিন্তু সুনির্দষ্টভাবে কারো নাম উল্লেখ করে চিঠিতে কাউকে সম্বোধন করা হয়নি। তাই কবি এই চিঠিটি কাকে লিখেছিলেন, তা এখন গবেষণার বিষয়। রবীন্দ্রনাথের এই অপ্রকাশিত চিঠিটি তাঁর পাচক পতিসরের কবিজ উদ্দিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। এতে কবি তুলে ধরেছেন তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবন ও কর্মের কথা। নওগাঁর

আরও পড়ুন...

হয়তো এখন দম দমে

Rajat Subhra Banerjee

হয়তো এখন দম দমে,

লোড-শেডিঙে জ্বলছে পিদিম,
পড়ছে বোমা গিদিম গিদিম,
মন মাতানো চাঁদের আলোয়
পালাচ্ছে সব ভালোয় ভালোয়,
বাঁচতে হবে, বেজায় তাড়া,
হঠাৎ যে তাই শূন্য পাড়া,

সব কিরকম থমথমে –
হয়তো এখন দম দমে।


হয়তো এখন দম দমে,

ডেঙ্গি রোগের মসলা নিয়ে
উড়ছে মশা প্যান্‌প্যানিয়ে,
বসছে দাদুর ব্যাপ্ত টাকে,
কাটছে একে, কাটছে তাকে,
কাঁদছে ছেলে, কাঁপছে বুড়ো,
টিপছে নাড়ি বদ্যি খুড়ো,

দিচ্ছে ওষুধ কমসমে,
হয়তো এখন দম দমে।
আরও পড়ুন...

দেব কিন্তু আমজনতারই একজন....

Animesh Baidya

ইতিমধ্যেই অনেকেই বিষয়টা জেনে গিয়েছেন। অনেক চর্চাও চলছে। একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা তথা এ বারের লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবের একটি মন্তব্য রীতিমতো আলোড়ন তুলেছে সর্বত্র। কি সেই মন্তব্য? সাক্ষাৎকারের সেই অংশটি তুলে দেওয়া যাক।
প্রশ্ন- তার মানে আপনি বিষয়টা(সংবাদমাধ্যমের নজর এখন আরও বেশি করে তাঁর উপরে)এনজয় করছেন?
দেব- এনজয়....! ইটস জাস্ট লাইক বিয়িং রেপড ইয়ার! ইউ ক্যান সাউট অর ইউ ক্যান এনজয়(হাসি...)! ব্যস, এর বেশি আর কী!

এমন মন্তব্য ঘৃণ্য নিঃসন্দেহে। এ নিয়ে কোনও সংস

আরও পড়ুন...

রাস্তা

Salil Biswas

মনে পড়ে যায়, সেই কবেকার কথা ... বড়মাসীর গাড়িতে করে বালী ব্রিজ পার হওয়া, আবার ফিরে এসে আবার আবদার, চল না দিদি, আর একবার! দিদি, যিনি আমাদের আদর দিয়ে বাঁদর তৈরির চেষ্টাতে কোনো কসুর করেননি, চট করে রাজি হয়ে যেতেন, আর আবার পেরোনো হত ব্রিজ। আর যেদিন গাড়ির সঙ্গে সঙ্গে ব্রিজে ট্রেনও ছুটতো সেদিন আমাদের আহ্লাদের আর শেষ থাকতো না। তারপরে, মন্দির চত্বরে গিয়ে আমরা দেখার চেষ্টা করতাম, পঞ্চমুণ্ডির আসনে কোনো একটি মুণ্ডের অধিকারীকে উঁকিঝুঁকি মারতে দেখতে পাওয়া যায় কিনা। অনেক পরে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমরা সদলবলে

আরও পড়ুন...

সংঘর্ষ ও নির্মাণ

Punyabrata Goon

রবিবার আমি সাধারণত লেখা আপলোড করি। এই রবিবার থাকব যদুগোড়ায়। তাই আজ।

(এই ধারাবাহিকের একমাত্র তাত্ত্বিক রচনা—প্রকাশিত হয়েছিল ‘বিসংবাদ’ পত্রিকার প্রথম বর্ষ সপ্তম সংখ্যা, সেপ্টেম্বর—অক্টোবর, ১৯৯৫-এ।)

২৮শে সেপ্টেম্বর, ১৯৯১-এর আগে ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের বাইরে কম মানুষই শংকর গুহ নিয়োগীর নাম শুনেছিলেন। এই সময় নিয়োগীর নামের সাথে আরও দুটো শব্দের সঙ্গে পরিচিত হলেন দেশের মানুষ—‘সংঘর্ষ ও নির্মাণ’।

সংঘর্ষ ও নির্মাণ ব্যাপারটা কি? সংঘর্ষ না হয় বোঝা গেল—সংগ্রাম? কিন্তু, নির্মাণ?

আরও পড়ুন...

জানালা ভেজানো থাক

Rajat Subhra Banerjee

জানালাটা খুলে দিলে? আরে বাবা, জেনে শুনে খুলো!
এত করে বলি তবু জানোনা, বাইরে কত ধুলো?
জানোনা জীবানু কত জেঁকে বসে আকাশে বাতাসে?
জানোনা, পলিউশন উঠে গেছে একশো সাতাশে?
আলো হবে? জ্বেলে দাও, সুইচটা মারোনা গিয়ে সিধা!
ঘাম ঝরে? হাওয়া চাই? পাখাটা চালাতে কেন দ্বিধা?
চাবিগুলো দেওয়ালেই, নামাওনা অফ থেকে অনে –
জানালা ভেজানো থাক, জানালা খুলোনা অকারনে।

জানালাটা খুলে দিলে ওবাড়ির আজে বাজে কথা,
আগাডুম বাগাডুম, হেঁয়ালি মেয়ালি আরো, যথাঃ
মাসীমার কাপড়টা ফাটা কেন, আঁচলের কাছে,<

আরও পড়ুন...

নীল পতাকার ঈশ্বর

Aronno Islam

নগ্নতার সাক্ষী মেনে চারিদিকেই উড়ছে পতাকা
দোকানে দোকানে রাখা হয়েছে মানবিকতা আর ভরপেট কুকুরেরা হয়ে উঠছে সজাগ
সামাজিক প্রাণী অথবা রাষ্ট্রীয় বোধ
কোনো দিকেই ভারী হয়ে উঠে না হৃদয়
কেবল মিছিলের শব্দ ঘুম ভাঙিয়ে দেয় আর পথচারীর আক্ষেপ
পুরোনো ছায়ার মতোই হয়ে উঠে দুর্লভ

প্রাচীরের এ পারে চলে এসেছি, আচমকা
চারিদিকের অনুর্বর জমিতে গাছ লাগিয়ে বসে আছি অপেক্ষায়
হঠাৎ জেগে উঠা মৃত্যু-চিন্তা অথবা কামনার পর
সমকামিতা কিংবা ধর্ষণ আমাদের থেকে দূরে সরে যায় না আর
সব কিছু পুনরায় দ্

আরও পড়ুন...

মধ্যপ্রদেশ - ৯ম পর্ব থেকে

Rupankar Sarkar



https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-frc3/t1.0-9/s720x720/1947926_650661734970806_2133076871_n.jpg


ডাক বাংলো ও মকবুল খান

স্টেশনে নেমেই জগ্‌দীশজিকে ফোন লাগালাম, ম্যাঁয় আ গয়া। উনি বললেন, আরে আরে, আপকো তো তিন বজে পহুঁচনা থা। স্টেশনকে বাহার গাড়ি খড়ি হ্যায়, ব্যায়ঠ যাইয়ে। গিয়ে দেখি সদাহাস্যময় শাহিদ সেই পরিচিত বীকন লাগানো এস ইউ ভি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখেই বলল, সালাম সাব। জগ্‌দীশ জটিয়াজির গাড়ির বীকন অবশ্য লাল নয়, অ্যাম্বার। আর সেটা দিবস বা রজনীতে কখনই

আরও পড়ুন...

বাঙলার বাউল

সুকান্ত ঘোষ

বাউল নিয়ে আমাদের সবারই কিছু না কিছু ভাবনা আছে – আর সেই ভাবনার শুরু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাদের গান দিয়ে। এমনকি এটাও বলা যেতে পারে বাউল দর্শন, বাউল ধর্ম এই সব কিছুর থেকে আগে আমাদের মনের কাছা কাছি থেকে যায় বাউল গান। বাউল দীর্ঘদিন ধরেই আমার প্রিয় বিষয়, তাই অনেক দিন যাবতই ভাবছি এই নিয়ে কিছু লিখলে কেমন হয়! কিন্তু প্রশ্ন হল কিভাবে শুরু করা যায়? একটা প্রবন্ধে তো আর সম্ভব নয় বাউলদের গান থেকে শুরু করে তাদের জীবন ধারা সব কিছু নিয়ে আলোচনা করা! তাই আমি চেষ্টা করব যতটা পারা যায় বাউল সম্পর্কীয় নানা দিকগুলো ছুঁয়

আরও পড়ুন...

মানুষের মতো মানুষ

Punyabrata Goon

(ছাত্রজীবনে বরিস পলেভয়ের লেখা সোভিয়েত বৈমানিক আলেক্সেই মেরেসিয়েভের জীবনী ‘মানুষের মতো মানুষ’ পড়ে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। আর কর্মজীবনে একজন মানুষের মতো মানুষ শংকর গুহ নিয়োগীর সান্নিধ্যে ছিলাম পাঁচটা বছর।
শংকর গুহ নিয়োগীর জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে এ লেখা ঝাড়গ্রামের ‘সুবর্ণরেখা’ প্রকাশ করে ১৯৯৬-এর ২৮শে সেপ্টেম্বর, নিয়োগী শহীদ হওয়ার ঠিক পাঁচ বছর পর।)

আই এস সি পাশ করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পেয়েও সে সুযোগকে প্রত্যাখান করে শ্রমিকের জীবন বেছে নেওয়া, কেননা সে সুযোগের পেছনে সুপারিশ ছিল!
শ্রমিক

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ... (১৮তম পর্ব,সম্ভবত)

Rana Alam

সায়ন্তিকা’র বাবা সম্প্রতি একটা বাড়ি কিনবেন ঠিক করেছেন,সেদিন আমাকে শুনিয়ে বললেন,
‘ লেক এর ধারে বাড়ি।চোখ মেললেই নীল জলের সমুদ্দুর।আহা।ও বাড়ির নাম রাখবো ‘লেক ভিউ’।আর আজে বাজে লোকের ও বাড়িতে ঢুকতে দেবোনা’।
এই ‘আজে-বাজে লোক’ মানে যে আমি সেতো জানিই।গতকাল আমার বাইকে সায়ন্তিকা আর আমি বাড়িটা দেখতে গেলাম।শহরের বাইরের দিকের বাড়ি।বাড়িটা খারাপ নয়,তবে বাড়ির পিছনে যেটাকে ‘লেক’ বলে সায়ন্তিকা’র বাবা চালাচ্ছিলেন,সেটা আদতে মজে যাওয়া একটা বড় পুকুরের অংশ,যেখানে আশে পাশের নর্দমার জল এসে পড়ে বিচ্ছিরি গন্ধযুক্ত

আরও পড়ুন...

মধ্যপ্রপদেশ

Rupankar Sarkar


https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-frc3/t1/s720x720/1796519_647591358611177_1693229635_n.jpg


আজ থেকে তেত্রিশ চৌত্রিশ বছর আগে উমেরিয়ার একটা লোক আমার মাথায় মধ্যপ্রদেশ ঢুকিয়ে দিয়েছিল আর বুকে ঢুকিয়ে দিয়েছিল ভালবাসা। লোকটার নাম জানিনা, সে একজন ময়রা, অবশ্য মধ্যপ্রদেশের মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারকদের ‘ময়রা’ বলে কিনা আমার জানা নেই।

আমাদের বাংলার নিখুঁতি টাইপের একটা মিষ্টি খেয়েছিলাম তার দোকানে। খুব ভাল লেগেছিল। ভাবলাম জঙ্গল টঙ্গলে খাবার জিনিষ পাওয়া যাবেনা, কিলো খানে

আরও পড়ুন...

দেবাংশুদাকে, কিছু বলতে হলে অনেক কিছু লেখার নেই

Sumeru Mukhopadhyay

দেবাংশুদাকে, কিছু বলতে হলে অনেক কিছু লেখার নেই। ডান হাত নেহাতই বিধির বামে। আজ পর্যন্ত কিছু কী ভেবেছি তাকে নিয়ে। আর ভাবার আছেই টা কী! মাতাল, পার্ভর্রট, যেমন আমরা হয়ে থাকি ডালে-পাতায়। নাহ, কিছু ভাবিনি। ৯০ এর শেষে মুকুদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা। তাই শিবির প্রশ্নে, আলাদাই ছিলাম আমরা। তাই কাগজে দেখি, রুমকি -পোসেনিজিত ও অন্যান্য ঘটনা, উজ্জ্বলা যেভাবে চানাচুরে বেঁচে থাকে। অভ্র নেই, তাই সামাল কিছুতেই দিতে পারছি না, এখন। বসন্তে আহাজারি চলছে। লিখতে পারছি না ও অন্যান্য স্বাভাবিক গার্হস্থ ঝামেলা। আজ সকালে বিশ্বাস

আরও পড়ুন...

বর্ণবাদী বিজ্ঞাপনের অন্তরদর্শন

Biplob Rahman

০১. সারা পৃথিবীতে ‘টারজান’ চরিত্রটি কমিক্স বই, উপন্যাস, সিনেমা ও কার্টুন ছবিতে প্রায় একশ বছর ধরে দাপটের সঙ্গে নিজস্ব জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ছোট বেলায় ’টারজান’ বা তার প্রেমিকা ’জেন’ হতে চায়নি, এমন বালক-বালিকা খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

টারজান একটি কাল্পনিক চরিত্র। এডগার রাইজ বারোজ এই কমিক্স চরিত্রের নির্মাতা। ’টারজান’ কথাটির অর্থ ‘শাদা মানুষ’। ‘টারজান অব দা এপস’ উপন্যাসে টারজান চরিত্রটি প্রথমে জনপ্রিয়তা পায়। মূল গল্পে দেখা যায়, দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সভ্য জগত থেকে একটি পশ্চিমা শিশু আফ্রিকার

আরও পড়ুন...

জামিন পেলেন ডা সমীর বিশ্বাস

Punyabrata Goon

আজ বিকেলে জামিন পেলেন ডা সমীর বিশ্বাস। মাওবাদীদের সহায়তার কথিত অভিযোগে তিনি বন্দী ছিলেন ৯০ দিন। পুলিশ আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করতে পারেনি এখনও।
সমীরদার জামিনের আবেদনের যখন শুনানি চলছে, সে সময় এম সি ডি এস এ-র ডাকে মেডিকাল কলেজের জেনেরাল লেকচার থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হল তাঁর মুক্তির দাবীতে এক সভা। সভায় বক্তা ছিলেন আসানসোল সিভিল রাইটস এসোশিয়েসনের পক্ষে ডা মুক্তেশ ঘোষ, ডা সঞ্জীব মুখার্জী, এ পি ডি আর-এর তাপস চক্রবর্তী, বন্দীমুক্তি কমিটির ছোটন দাস, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগের ডা সৌম্যকান্তি

আরও পড়ুন...

ডা সমীর বিশ্বাসের মুক্তি চাই, অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসা করার অধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা চাই।

Punyabrata Goon

আগামী কাল, ১২ই মার্চ, ২০১৪ বেলা ৩টায় মেডিকাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস' এসোশিয়েসনের ডাকে ডা সমীর বিশ্বাসের মুক্তির দাবীতে সভা মেডি্কাল কলেজ জেনেরাল লেকচার থিয়েটারে।
বক্তাঃ ডা সঞ্জীব মুখার্জী, ডা মুক্তেশ ঘোষ, সুজাত ভদ্র।
সভায় যোগ দিন।

১৭ই জানুয়ারী স্টুডেন্টস' হলে অনুষ্ঠিত গণ-কনভেনশনের আগে প্রকাশিত প্রচার-পত্র নীচে দেওয়া হলঃ

ডা সমীর বিশ্বাসের মুক্তি চাই,
অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসা করার অধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা চাই।

ডা বিনায়ক সেনের পর ডা সমীর বিশ্বাস—মাওবাদীদে

আরও পড়ুন...

শংকর গুহ নিয়োগীঃ আমার স্মৃতিতেশংকর গুহ নিয়োগীঃ আমার স্মৃতিতে

Punyabrata Goon

{কিছুটা মজা করে, কিছুটা অভিমানে বলতাম—আমি নিয়োগীর ‘বি’-টীমের লোক। ‘এ’-টীমে ছিলেন বিনায়কদা (সেন), আশীষদা (কুমার কুন্ডু)। শৈবালদা (জানা), চঞ্চলাদি (সমাজদার) আর আমি হাসপাতাল সামলাতাম। ওঁরা করতেন সংগঠনের কাজ—বিনায়কদা পূর্ণত, আশীষদা অংশত। ১৯৮৬-র ডিসেম্বরে আমি শহীদ হাসপাতালে যোগ দেওয়ার পারিবারিক দায়িত্ব সামলাতে আশীষদা বিদায় নিলেন, কয়েক মাস পর চঞ্চলাদি। ১৯৮৭-এর শেষদিকে দল্লী-রাজহরা ছাড়লেন বিনায়কদা-ইলিনাদি। হাসপাতালে ডাক্তার বলতে রইলাম আমি আর শৈবালদা। ছত্তিশগড় মুক্তি মোর্চার সঙ্গে যুক্ত বুদ্ধিজীবী বলতে

আরও পড়ুন...

লক্ষ্মী দীঘা পক্ষী দীঘা

Kulada Roy

কুলদা রায়

গোলরুটির চেয়ে গোলারুটিই বেশি মজার। বড় মামী এ ব্যাপারে ফার্স্টক্লাশ। নানারকমের গোলারুটি বানাতে তার জুড়ি নেই। আটা গুলে তার মধ্যে পিঁয়াজ কুচি দিয়ে পিয়াজ রুটি। কাঁচা মরিচ দিয়ে মরিচ রুটি। আর কালো জিরা দিলে বেশ টোস্ট টোস্ট ভাব আসে।

আজিমার পছন্দ শুকনো মরিচ। এটা ছোটোদের জন্য একেবারে নো। তাদের জন্য গুড়ের ঢেলা। না পেলে ছেঁচকি শাক। কখনো পুঁই রুটি। পুঁইশাক কেটে গোলা রুটির মধ্যে ছেড়ে দেবেন। ভাপে সিদ্দ হবে। তার বর্ণ দেখে দেখে, ‌ওগো মা, আঁখি না ফেরে।

এ বাড়ির পুরন

আরও পড়ুন...

মেয়েদিবসের কবিতা

অবন্তিকা পাল

এক...

এই তো ভালো আছি দেয়ালে আলোছায়া,
সেজেছি বেলোয়ারি কপালে টিপ,
তুমিও ভালো থেকো পুরুষ পুঙ্গব
আমার মৃতদেহে সরীসৃপ l
কী হবে ভালোবেসে অযথা প্রত্যয় !
এভাবে বাঁচা যায়? বাঁচা উচিত?
আপাদমস্তক মোড়কে ঢেকে থাকা,
তার চেয়ে এই ভালো বরফ শীত l
সু-ঘ্রাণ চিনিয়েছো জুঁই ও জাফরানে
রেখেছো গালে ঠোঁট এই সেদিন,
যদিও এও জানি গন্ধ অযাচিত
মর্গে ফেলে রাখা ফর্মালিন l
মনের কাটাছেঁড়া ফুরোলে অবশেষে

আরও পড়ুন...

বইমেলা

Bipul Das

বইমেলা
বিপুল দাস
তখন প্রভু কহিলেন –- কলিযুগে একপ্রকার উৎসব অনুষ্ঠিত হইবে। ইহার নাম বইমেলা।
প্রভু, এই মেলায় কি নাগরদোলা থাকিবে ?
পৃথক কোনও ব্যবস্থা থাকিবে না। কিন্তু অজস্র নাগর ও অজস্র দোলা, বুলা, নীলা, পলা, লীলা, শিলা, ইলাগণ এই মেলায় পাকেচক্রে ঘুরিবে।
প্রভু, এই মেলা সম্পর্কে বিশদে জ্ঞাপন করুন।
তবে শ্রবণ কর। এই মেলায় ‘মোবাইল ফোন’ নামক এক প্রকার তারবিহীন দূরভাষণ যন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করিবে।
প্রভু, উহা কী প্রকার বস্তু ?
যখন দেখিবে কেহ একটি অনধিক দশ আঙুল ও

আরও পড়ুন...

বন্ধু তোমায় ফ্র্যাস্টু শোনাবো আড্ডা বেলায়

Animesh Baidya

কলেজ লাইফ (এবং এখনও) অসম্ভব প্রিয় চন্দ্রবিন্দুর 'বন্ধু তোমায়' গানটা। কলেজ লাইফ আর নেই। বন্ধুরা প্রায় সকলেই এখন কর্পোরেট, এবং অখুশি, কিছুটা হতাশও বটে। আজকাল তাদের সঙ্গে দেখা হলে পুরনো প্রিয় গানটা নতুন করে শুনতে পাই। তাদের মতো করে। এবং তুমুল বিরক্ত হই মনে মনে তাদের ওই একঘেয়ে গল্প শুনে শুনে। কি সেই গল্প? প্রিয় গানটির প্যারোডি করে বলি-

বড় ভুড়ি, রঙিন জল,
এইটুকুই সম্বল।
আর আছে boss-এর গালি,
যে কোনও বেলায়।

বাজে বকা রাত্রি-দিন,
অফিস পলিটিক্স, ঘিনঘিন,
এলোমেলো ট্যাক

আরও পড়ুন...

টোস্টার

Biplob Rahman

হাভাতে বুড়িটি ভাতের সন্ধানেই কোনো এক আত্নীয় সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলেন। তার জন্ম উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর রংপুরের মঙ্গা পীড়িত কোনো এক দূর্গম গ্রামে। তাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না, অনিবার্য এক অচিন ক্ষুধা আজন্ম চিটচিটে ঘামের মতো লেপ্টে থাকে তার জঠরে, গতরে এবং সর্বাঙ্গে। বুড়ির জীবনের গল্পটিও তাই মঙ্গা উপদ্রুত অন্চলের অন্যান্য বুড়ির মতো অতি সংক্ষিপ্ত এবং স্যাঁতসেঁতে টাইপের পুরনো। তাই আসুন, এই পর্বটুকু আমরা বরং এক বাক্যেই সেরে নেই :

১৫ বছর বয়সে এক ক্ষেতমজুরের সঙ্গে বিয়ে, বছর না ঘুরতেই বাচ্চা

আরও পড়ুন...