সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মুনির অপটিমা থেকে অভ্র: জয় বাংলা!
    শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে উদ্ভাবন করেন ‘মুনীর অপটিমা’ টাইপরাইটার। ছাপাখানার বাইরে সেই প্রথম প্রযুক্তির সূত্রে বাংলা পেল নতুন গতি। স্বাধীনতার পর ইলেকট্রনিক টাইপরাইটারেও যুক্ত হয় বাংলা। পরে আটের দশকে ‘বিজয়’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে সম্ভব ...
  • সুইডেনে সুজি
    আঁতুরঘরের শিউলি সংখ্যায় প্রকাশিত এই গল্পটি রইল আজ ঃদি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল সুইডেনে সুজি#############পিও...
  • প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ সর্বজয়া ভট্টাচার্য্যের অভিজ্ঞতাবিষয়ক একটি ছোট লেখা
    টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভারসিটির এক অধ্যাপক, সর্বজয়া ভট্টাচার্য্য একটি পোস্ট করেছিলেন। তাঁর কলেজে শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে অবাধে গণ-টোকাটুকি, শিক্ষকদের কোনও ভয়েস না থাকা, এবং সবথেকে বড় যেটা সমস্যা, শিক্ষক ও ছাত্রদের কোনও ইউনিয়ন না থাকার সমস্যা নিয়ে। এই পর্যন্ত নতুন ...
  • চিরতরে নির্বাসিত হবার তো কথাই ছিল, প্রিয় মণিময়, শ্রী রবিশঙ্কর বল
    "মহাপৃথিবীর ইতিহাস নাকি আসলে কতগুলি মেটাফরের ইতিহাস"। এসব আজকাল অচল হয়ে হয়ে গেছে, তবু মনে পড়ে, সে কতযুগ আগে বাক্যটি পড়ি প্রথমবার। কলেজে থাকতে। পত্রিকার নাম, বোধহয় রক্তকরবী। লেখার নাম ছিল মণিময় ও মেটাফর। মনে আছে, আমি পড়ে সিনহাকে পড়াই। আমরা দুজনেই তারপর ...
  • বাংলা ব্লগের অপশব্দসমূহ ~
    *সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: বাংলা ব্লগে অনেক সময়ই আমরা যে সব সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করি, তা কখনো কখনো কিম্ভুদ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন ব্লগার বা সাধারণের কাছে এসব অপশব্দ পরিচিত নয়। এই চিন্তা থেকে এই নোটে বাংলা ব্লগের কিছু অপশব্দ তর্জমাসহ উপস্থাপন করা হচ্ছে। বলা ভালো, ...
  • অ্যাপ্রেজাল
    বছরের সেই সময়টা এসে গেল – যখন বসের সাথে বসে ফর্মালি ভাঁটাতে হবে সারা বছর কি ছড়িয়েছি এবং কি মণিমুক্ত কুড়িয়েছি। এ আলোচনা আমার চিরপরিচিত, আমি মোটামুটি চিরকাল বঞ্চিতদেরই দলে। তবে মার্ক্সীস ভাবধারার অধীনে দীর্ঘকাল সম্পৃক্ত থাকার জন্য বঞ্চনার ইতিহাসের সাথে আমি ...
  • মিসেস গুপ্তা ও আকবর বাদশা
    এক পার্সি মেয়ে বিয়ে করলো হিন্দু ছেলেকে। গুলরুখ গুপ্তা তার নাম।লভ জিহাদ? হবেও বা। লভ তো চিরকালই জিহাদ।সে যাই হোক,নারীর ওপর অবদমনে কোন ধর্মই তো কম যায় না, তাই পার্সিদেরও এক অদ্ভুত নিয়ম আছে। ঘরের মেয়ে পরকে বিয়ে করলে সে স্বসম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ ...
  • সমবেত কুরুক্ষেত্রে
    "হে কৃষ্ণ, সখা,আমি কীভাবে আমারই স্বজনদের ওপরে অস্ত্র প্রয়োগ করবো? আমি কিছুতেই পারবো না।" গাণ্ডীব ফেলে দু'হাতে মুখ ঢেকে রথেই বসে পড়েছেন অর্জুন আর তখনই সেই অমোঘ উক্তিসমূহ...রণক্ষেত্...
  • আলফা গো জিরোঃ মানুষ কি সত্যিই অবশেষে দ্বিতীয়?
    আরও একবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের এই চিরন্তন প্রশ্নটার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে -- আমরা কিভাবে শিখি, কিভাবে চিন্তা করি। আলফা গো জিরো সেই দিক থেকে টেকনোক্র্যাট দের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ।দাবার শুধু নিয়মগুলো বলে দেওয়ার পর মাত্র ৪ ঘণ্টায় শুধু নিজেই নিজের সাথে ...
  • ছড়া
    তুষ্টু গতকাল রাতে বলছিলো - দিদিভাই,তোমার লেখা আমি পড়ি কিন্তু বুঝিনা। কোন লেখা? ঐ যে - আলাপ সালাপ -। ও, তাই বলো। ছড়া তো লিখি, তা ছড়ার কথা যে যার মতো বুঝে নেয়। কে কবে লিখেছে লোকে ভুলে যায়, ছড়াটি বয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মা মেয়েকে শেখান, ...

গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

বইমেলা ২০১৪

গুরুচন্ডা৯

সুপর্ণা থাক বা না থাক, হইহই করে এসে গেল শীতকাল। বইমেলা আসছে, আসছে ঝিলভর্তি পরিযায়ী পাখিদের দঙ্গল।
আপনি আসছেন তো?
https://scontent-a-ord.xx.fbcdn.net/hphotos-ash3/1526175_661581270571914_565279302_n.png
গুরুর স্টল নং ৪১৫।

আরও পড়ুন...

ভেসে গেল

Prakalpa Bhattacharya

অটল, তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে চিনতে পারেনি বলে
মোদি ভেসে গেল অলকানন্দা জলে
করো আনন্দ আয়োজন করে পড়ো
লিপি চিত্রিত লিপি আঁকাবাঁকা গেরুয়া পদ্মফুলে
যে আম আদমি, তাকে খুঁজে বার করো
করেছো, অটল; করেছিলে; ছেড়ে হাত থেকে দলখানি
ভেসে যাচ্ছিল–ভেসে তো যেতই, মনে না করিয়ে দিলে;
–‘হেরে যাচ্ছ যে!’ হেরেই থাকত–সে-দল উঠবে বলে
লোক ডুবে মরে, লোক ভেসে যায় রাজনীতি বেনোজলে।।

আরও পড়ুন...

ekaTi Upanyaas lekhaar haat-makso karaa

Ranjan Roy

সাগর–ছেঁচার দিনগুলো
( একে চন্দ্র, দুইয়ে পক্ষ। সমুদ্রমন্থনেও দুই দল, এ ধরেছে শেষনাগের মাথা তো ও মুড়ো।এদিকে বিষ্ঞুর মোহিনীমায়ায় সব লন্ডভন্ড।উঠল গরল, উঠল অমূত।ভাই–ভাই ঠাঁই–ঠাঁই হল। আজও সেই দায় বয়ে চলেছি আমরা।এটি তারই এক আখ্যান, এর ইতিহাস হওয়ার দায় নেই।)
প্রথম অধ্যায়
‘কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে’
(১)
সেই সব দিন। সেই সব দিনকালে শহর কোলকাতায় ফ্লাইওভার–মাল্টিস্টোরিজ–হাইরাইজ– সুপারমল– আইনক্স কিস্যু ছিল না। মো

আরও পড়ুন...

বয়স

Prakalpa Bhattacharya

বয়স মারে ঝাপটা মুখে, বয়স মারে চড়,
দেখার চোখ ও ঝাপসা হয়, বয়স নির্ভর!
মন তো আজও ছুটতে রাজী সবুজ খোলা মাঠে,
স্মৃতির পাতা হাতড়ে তার এখনো দিন কাটে।
শরীর তাকে সাথ না দিয়ে ইশারা করে, ‘থামো!
এই বয়সে ছেলেমানুষী মানেই তো ভাঁড়ামো!’
সরল মন প্রশ্ন করে ‘ছেলেমানুষ নই?’
কেন যে এই বয়স বাড়ে, কেন যে বুড়ো হই...!

আরও পড়ুন...

বড়দিন

Prakalpa Bhattacharya


রাস্তাঘাটে আলোর খেলা, কেক প্যাটিসের গন্ধ,
ইস্কুল-পাঠ, কোর্ট কাছারি, আপিস-টাপিস বন্ধ।
বড়দিনের হরেক মজা, যার যেটা পছন্দ,
আমার যীশু ফুটপাথে শোয়, অসুখে চোখ অন্ধ!

নতুন জামা, নতুন শাড়ী, কত্তো উপহার!
সবুজ গাছে তারার মালা, সুন্দর বাহার!
গানের সুরে বাজনাতে আজ বরন হলো কার!
আমার যীশু পথকুড়ানি, ভিক্ষায় সংসার!

তারিখ বুঝি পঁচিশ রে আজ? মাস কি ডিসেম্বর?
আবার এমন আনন্দ কি আগামী বচ্ছর?
ক্রিসমাস নয় অন্য হুজুগ আসবে ক’দিন পর।
আমার যীশু কাতরে বলে, ‘ক্ষমা কোরো

আরও পড়ুন...

হে ভগবান!

Prakalpa Bhattacharya

সাতসকালে হঠাত পেলাম ভগবানের দেখা।
সঙ্গে কোনো ব্ল্যাক ক্যাট নেই, এক্কেবারে একা।
চিনলো আমায়। ‘কেমন আছিস? বাদবাকিরা সব?’
আমি শুধাই, ‘খবর রাখা তোমারই তো জব!
সবজান্তা বলে বেড়াও নিজেকে, তার বেলা?’
হাসল ভগা। ‘আমি বলি? না রে, আমার চেলা।
ওরাই রটায় আমার নামে যত্ত বাজে কথা।
সর্বশক্তি আমার কেন থাকবে রে অযথা!
যাকগে, এবার ওসব ছেড়ে কাজের কথায় আসি।
জানিসই তো, নতুন নতুন সৃষ্টি ভালবাসি,
একটা নতুন ধর্ম এবার খুলব ইচ্ছা আছে।
তুই হবি তার প্রচারক, তাই এসেছি তোর কাছে।
ভগব

আরও পড়ুন...

বোরো ধানের মাসে

অবন্তিকা পাল

পায়ে পায়ে পথ চলেছি আমরা ক’জন
দু’ধারে ধানজমি আর বসতভিটে
গড়িয়ে দুপুর এবার বিকেল হবে
আকাশের পচিমপারে আসকে পিঠে l
চৈ চৈ খয়েরি হাঁসের পালক জুড়ে
সোনালি রোদের মতন ইচ্ছেডানা
দলছুট চড়াই পাখির আসকারাতে
খুঁটে খাই সবজি ক্ষেতের মটরদানা l
দেখি এই কয়ালপাড়ার মধ্যেখানে
খোড়ো ঘর আগলে রাখে ইন্দুমতী
‘মেয়ের নাম কী রেখেছ মন্টুর মা?’
শুধোলে আলতো জানায়- ‘সরস্বতী’ l
স্বামী তার আরব গেল সোনার কাজে
ছেলে তিন, তখন মাসিক বন্ধ দু’মাস,
পৌষেই সরস্বতীর পাঁচ পেরোলো
ঘরে তা

আরও পড়ুন...

আমি ঠোঙাদাকে ভালোবাসি

Sukanta Ghosh

প্রথম দৃশ্য

হেমাঙ্গবাবু - হ্যাঁ গো ভুতো, তোমাকে যে আমার মেয়ের জন্য কবে থেকে একটা পাত্র দেখতে বলছি তার কি হল?

ভুতো - আজ্ঞে দেখুন হেমাঙ্গবাবু, ওই যে কথায় আছে না “ঘর লেপ্যা মুছ্যা, আতুর ঘর বানাইয়া, মা ষষ্ঠীর কাছে বাচ্যা চাইলেই তো আর বাচ্যা পয়দা হয় না! তার জন্যি নয় মাস দশদিন অপেক্ষা করতে হয়!” তবে হ্যাঁ, কাজ আরম্ভ করে দিয়েছি।

হেমাঙ্গবাবু - কাজ আরম্ভ মানে? একি জলা মাঠে বাড়ি হচ্ছে নাকি যে আগে মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে তবে কাজ শুরু করা যাবে?

ভুতো - নিজের মেয়েকে তো আর

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প (পর্ব - ১৮ - ২১)

Kaushik Ghosh

১৮।

সকাল হলে তোমার কাছে যাবো ভাবি
দুপুর হলে তোমার কাছে যাবো ভাবি
বিকেল হলে তোমার কাছে যাবো ভাবি
রাত্রি হলে পলিয়ে আসি ভয়ে


সকাল হলে বকুল্গুলি গন্ধ ছড়ায়
দুপুর বেলা রেলিং জুড়ে ডুরে শাড়ি
বিকেল হলে খোঁপায় শুধু জুঁই টগর
রাত্রিবেলা ফিরে আসি ভয়ে


সকাল দুপুর বিকেল জুড়ে ইচ্ছাগুলি
রাত্রিবেলায় কঠিন সুরে কথা বলে
ভালোবাসায় স্মৃতিগুলি রৌদ্র মেখে
রাত্রি হলে অন্ধকারে মুখ লুকোয়।


বিকেলের রোদ পড়ে আসছে। চারদিকে সিঁদুরের ফিকে রঙ। ছাদ

আরও পড়ুন...

কূটনীতিক ও কাজের মেয়ে

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

---১।---
দেবযানী খোবরাগাড়ের কেস নিয়ে কিঞ্চিৎ খোঁড়াখুঁড়ি হবার পরে, দেখা যাচ্ছে, যে, আমেরিকায় দেশ থেকে গৃহসহায়িকা নিয়ে যাওয়া ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য নতুন কিছু না। বরং এটা অভ্যাসেরই অংশ। বছর বছর ধরে এই নিয়ে মামলা মোকদ্দমাও হয়ে চলেছে। পরপর তিন বছরে এই নিয়ে মার্কিন আদালতে তিনটি মামলা দেখতে পাচ্ছিঃ

২০১১ সালে নিউ ইয়র্কের ভারতীয় কনসাল জেনারাল প্রভু দয়ালের বিরুদ্ধে তাঁর প্রাক্তন গৃহকর্মী একটি মামলা করেন। অভিযোগ ছিল জোর করে এক বছর ধরে কাজ করানোর।

২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতীয় গৃহ

আরও পড়ুন...

তোমাদের যা বলার ছিলো, বলেছে কি তা বাংলাদেশ?

Biplob Rahman

প্রজন্ম '৭১ এর সাইদুর রহমানের সঙ্গে আমার পরিচয় সাংবাদিকতার শুরুতে সেই ১৯৯২ - ৯৩ সালের দিকে। তখনও রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে বর্তমান শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধটি গড়ে ওঠেনি। তবে সে সময় প্রজন্ম '৭১ নিজ উদ্যোগে একটি ছোট্ট স্মৃতিসৌধ গড়ে সেখানেই প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে আসছিলো। সরকারের কাছে এ নিয়ে তারা অনেক ধর্ণা দিয়েও সরকার পক্ষকে উদ্যোগি করতে পারেননি।

সে সময় সাপ্তাহিক "খবরের কাগজ" এ অরক্ষিত রায়ের বাজার বধ্যভূমির ওপর একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করার জন্য আম

আরও পড়ুন...

হারানো-প্রাপ্তি –নিরুদ্দেশ ৩

Parimal Bhattacharya

মুম্বাইয়ের জনতা কলোনির জকিন আরপুথাম বিগত ৪০ বছর ধরে কাজ করছেন ভারতের বিভিন্ন শহরে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন নিয়ে। ম্যাগসেসাই পুরস্কারও পেয়েছেন। নিজেও বস্তিবাসী তিনি। রাষ্ট্রের কর্তাদের কাছে জকিনের বিখ্যাত উক্তি - আমরা তোমার দাতব্য চাই না, আমাকে তোমার পরিকল্পনায় শামিল কর।
কলকাতার জনসংখ্যার যে বিশাল অংশ নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী বস্তিতে থাকেন, যে বিশাল অসংগঠিত শ্রমের স্রোত প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে শহরে এসে ঢোকে, তার একটা বড় অংশই এই শহরের অতিকায় সচল যন্ত্রটির অবিছেদ্য নাটবল্টু। তাদের শস্তা শ্রম আমাদে

আরও পড়ুন...

আমাদের সময়ের নায়কেরা- ০১

Biplob Rahman

এক

‘৯০ এর ছাত্র-গণআন্দোলনের শেষ প্রান্তে চরম দীনতার অনুসঙ্গে খানিকটা ঘটনাচক্রেই ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়ার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়। এর আগে নির্ঘাত কোনো না কোনো কাগজে বা সাময়িকপত্রে তার চমৎকার সব ছড়া পড়ে থাকবো।…

সে সময় জেনারেল এরশাদ কবিকূলকে কিনতে শুরু করলে দেশের শীর্ষ কবিরা এর প্রতিবাদে গঠন করেন জাতীয় কবিতা পরিষদ। রাজকবিদের বিরুদ্ধ স্রোতের বাইরে পরিষদ আয়োজন করে ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দুদিন টিএসসির সড়কে ‘জাতীয় কবিতা আন্দোলন’, পরে তা ‘জাতীয় কবিতা উৎসব’এ রূপ

আরও পড়ুন...

হারানো-প্রাপ্তি –নিরুদ্দেশ - ২

Parimal Bhattacharya

বারো বছর পর মেট্রোর ভাড়া বেড়েছে, এক ধাক্কায় অনেকটাই। আর তার জেরে এই গণপরিবহণ থেকে রাতারাতি খসে গিয়েছেন ৮০ হাজার মানুষ (৭০ হাজার নয়), মোট যাত্রীর প্রায় ১৪ শতাংশ। যেভাবেই দেখা যাক না কেন, এটা নিঃসন্দেহে একটা খবর। আর এই খবরটা একটি দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে আনন্দসংবাদ হিসেবেই - Fare hike & footfall dip suit Metro fine।* সেই ৮০ হাজার মানুষ বিকল্প পরিবহণের এই আকালে কীভাবে যাতায়াত করছেন, সেই ভাবনার প্রতি কারোর কারোর দেখা যাচ্ছে এক তীব্র সোচ্চার নির্লিপ্তি।
সোচ্চার নির্লিপ্তি সব সময়েই দাঁড়িয়ে থাকে ন

আরও পড়ুন...

এগারো বারো তেরো, তারপরও...

অবন্তিকা পাল

নগেনবাবু আর খগেনবাবু, দু'জনারই এখন ভারী ফুর্তি l নগেনবাবু, যিনি নেশায় নাইট্যকর্মী, দেয়াল লেখেন- সমকামীরা নিজের ইয়ে নিজে মারে l আর খগেনবাবু, যাঁর পেশা সাংবাদিকতা, আপদে বিপদে গর্জে ওঠেন- ক্যালা মগাদের ক্যালা, বলে l রাষ্ট্রের উচ্চতম আদালতের খবরদারিতে উভয়েই তাই যৎপরোনাস্তি পুলকিত l আমার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর এ মুহূর্তে অন্য কোনো রাস্তা নেই l গা কিরকির করছে l এসব ক্ষিপ্র-গতিশীল বাবুদের অসুস্থতার একটি নামকরণ করলাম তাই l শূকর (বা সু-কর, মানে যাদের মুখমন্ডলে মূত্রত্যাগের ইচ্ছে যায় আরকি) সিনড্রোম

আরও পড়ুন...

জয় বাংলা!

Biplob Rahman


ওদের জানিয়ে দাও/ জহির রায়হান

ওদের জানিয়ে দাও
ওরা আমার মা-বাবা’কে হত্যা করেছে
কুকুর-বেড়ালের মতো
ওদের স্টিম রোলারের নীচে

ওরা দেখেও যদি না দেখে
বুঝেও যদি না বোঝে
গরম লোহার শলকা
দু চোখ দিয়ে
ওদের জানিয়ে দাও

মরা লাশগুলোতে কেমন জীবন এসেছে...
____
http://bdnews24.com/bangladesh/2013/12/12/quader-molla-hangs-finally-for-war-crimes

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প (পর্ব - ১৬ ও ১৭)

Kaushik Ghosh

১৬।

তবলচী একটা গৎ বাজাচ্ছে। চোখ বন্ধ করে শুনছে বিশ্বনাথ। বড় মিঠে হাত লোকটার। আজকে রেওয়াজ করতে মন চাইছে না। শোনাটাও অবশ্য রেওয়াজেরই একটা অঙ্গ। গুরুজী বসে আছেন ফরাসের ওপর, মাঝে মাঝে ওনার মুখ দিয়ে বেরচ্ছে উৎসাহ ব্যঞ্জক কিছু শব্দ। বিশ্বনাথ মাটিতে বসেছে; গুরুজীর সাথে একাসনে বসার কথা চিন্তাও করতে পারেনা ও। ঘরের মধ্যে ওরা তিনজন ছাড়া আর রয়েছে এস্রাজ বাদক ধীরেন্দ্র । সেও নিজের বাদ্য যন্ত্র পাশে রেখে দিয়ে বাজনা শুনছে তন্ময় হয়ে। গুরুজীর ঘরটা ছোট ও বাহুল্য বর্জিত । ঘরে কিছু বাদ্য যন্ত্র ছাড়া রয়েছে

আরও পড়ুন...

হারানো-প্রাপ্তি –নিরুদ্দেশ

Parimal Bhattacharya

হারানো-প্রাপ্তি –নিরুদ্দেশ

আরামটা টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরেই। নির্দিষ্ট করে বললে ৭ই নভেম্বর থেকে। মেট্রোয় আগের মতো সেই দমবন্ধ-করা ভিড় নেই, অফিস টাইমে এস্কালেটারের মুখে মনুষ্যদেহের জমাট জট নেই, কামরার দরজা বন্ধ হচ্ছে অনায়াসে, এমনকি দুপুরবেলায় উল্টোদিকের জানলার বাইরে দেয়াল/ প্ল্যাটফর্মও দেখা যাচ্ছে এক ঝলক।
সংবাদপত্র জানাচ্ছে, ৭ই নভেম্বর থেকে কলকাতার মেট্রোয় নিত্যযাত্রীর সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে গিয়েছে ৭০ হাজারের মতো। তাতে অবশ্য মেট্রোর কর্তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ দৈনিক আয় এক

আরও পড়ুন...

ডার্করুম

Sayantani Putatunda

১.
‘দাদার মৃত্যুটা কি সত্যিই স্বাভাবিক ছিল ডক্টর?’
ডঃ ব্যানার্জী মুখ তুলে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করছেন আমায়। অনড় ট্র্যাফিক সিগন্যালের মত অপলক দৃষ্টি! সে দৃষ্টির সামনে নড়াচড়া যায় না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায়। আমি রুদ্ধশ্বাসে বসেছিলাম। আরও কতক্ষণ ওভাবেই নিশ্চল, স্থবির হয়ে বসে থাকতে হত কে জানে। আচমকা ঘরের টিউবটা দপদপ করে উঠল! ভোল্টেজের তারতম্যের সাথে সাথেই চোখের পাতা ফেললেন তিনি। তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ঢিমে উচ্চারণে বললেন--
‘ তুমি এত সন্দেহপ্রবন কেন দীপঙ্কর? সন্দেহটা ঠিক কোন্‌ বিষয়ে? তোম

আরও পড়ুন...

ছদ্মবেশী ফুল

Sayantani Putatunda

১.
হঠাৎ প্রচন্ড জোরে ল্যাবের অ্যালার্ম বেজে উঠলো!
এতক্ষণ ল্যাবরেটরীর ভিতরে কোনও আওয়াজ ছিল না। অন্যদিনও বিশেষ থাকে না। শুধু মাঝেমধ্যে টেস্টটিউবের টুংটাং আর বিকারে জল গরম করার খলবল শব্দ অস্ফুট ভাবে শোনা যায়। ভিতরের মানুষগুলো ক্কচিৎ কদাচিত কথা বলে। তাদের কথা বলার সময় কোথায়? সবাই সাদা অ্যাপ্রন পরে কাজ করতেই ব্যস্ত!
আজ সকালেও এমন শান্ত পরিবেশ ছিল। ল্যাবের মুখ্য বিজ্ঞানী ডঃ হিঙ্গোরানি একটি গোপন আবিষ্কার নিয়ে ব্যস্ত আছেন!ঐ ঘরে সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ। একমাত্র ডঃ হিঙ্গোরানিই প্রাইভেট পাসওয়ার্ড

আরও পড়ুন...

সলোমন উবাচ

Sayantani Putatunda

১.
--‘ম্যাডাম, এক মহিলা আপনার সঙ্গে দেখা করতে চান।’
‘লিট্‌ল অ্যাঞ্জেলস’ অনাথ আশ্রমের সর্বময়ী কর্ত্রী নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে পিওনের দিকে তাকালেন।
--‘ কি নাম? অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?’
--‘আজ্ঞে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই’। পিওন মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল—‘তবে বললেন, জিকোর ব্যাপারে কিছু বলতে চান। দরকারী কথা...!’
জিকোর নামটা শুনেই নীলাঞ্জনা নড়েচড়ে বসলেন। জিকো তাঁদের অনাথ আশ্রমেরই ছেলে। বয়স নয়-দশ বছর। অনাথ আশ্রমের আর পাঁচটা ছেলের মতই। ক’দিন আগেও তার আলাদা কোনও বৈশিষ্ট্য ছিল না।

আরও পড়ুন...

গরল

Sayantani Putatunda

১.
রান্নাঘরে বাসনপত্র পড়ার প্রবল শব্দ!
নীলিমা শুনেও না শোনার ভান করেন। এমন কত শব্দই তো সারাদিন ধরে অবিশ্রান্ত কানের কাছে চলছে। কখনও ঠুকঠুক। কখনও কুটকুট—কুটুর কুটুর। কখনও তীক্ষ্ণ দাঁতে পুরনো জুতো কাটার শব্দ। কখনও বা একটা লম্বা লেজ সর্‌সর্‌ করে চলে যায় এদিক থেকে ওদিকে। তাকে সবসময় দেখা যায় না বটে। কিন্তু বাসনের ঘটাং ঘটাং-এ, খুট খুট, কুট-কুট-এ সে রীতিমত সদর্পে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করে চলেছে।
নীলিমা মাঝেমধ্যে মাঝরাতে বাথরুমে যাওয়ার পথে কখনও কখনও তাকে একঝলক দেখেছেন । যদিও বয়েসের সাথে সাথে

আরও পড়ুন...

"হেচ"-ওলাদের দেশে

সিকি

দুবাইয়ের গপ্পো তো আপনারা শুনেছেন, ফিরে এসে আমদাবাদের গল্পও হাল্কা করে শুনিয়েছিলাম। সেখান থেকেই সুতো ধরি, কেমন?

আরও পড়ুন...

যে পাহাড়্গুলি ডিঙোতে চাই

Sukanta Ghosh

ললিত স্যার না থাকলে দেবু দত্তগুপ্তর লেখার সাথে হয়ত কোন দিনও পরিচয় হত না। তখন দশম শ্রেণী, স্যার একদিন আলোচনা প্রসঙ্গে একটি বইয়ের কথা বললেন, যা সারাংশ দিলেন তাতে করে খুবই আগ্রহ জন্মাল। এটাও বললেন যে বইটা আমাদের ওই বয়সী ছাত্রদের সবারই পড়া উচিত অন্তত একবার করে। ওই বই তখন আমাদের ওদিকের দোকানে বিক্রী হত না – তাই স্যারই আনিয়ে দিলেন কোথা থেকে যেন। হাতে এসে পড়ল লাল-কালো প্রচ্ছদের একশো তিরিশ পারাত বইটি – “যে পাহাড়্গুলি ডিঙোতে চাই”। আমাদের এলাকা তখন প্রবলভাবে বামপন্থী – স্কুলের স্যাররাও বেশীর ভাগ বাম মতাদর

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প (পর্ব - ১৪ও ১৫)

Kaushik Ghosh

১৪।

একটা সজনে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চিনে বাদাম খাচ্ছে গণেশ। সন্ধ্যে হয়েছে অনেকক্ষণ আগেই। একটু আগে তাঁতিবাড়ি থেকে তাঁত বোনার খট্‌খটাখট্‌ খট্‌খটাখট্‌ শব্দ আসছিল। মিনিট পনের হল শব্দটা বন্ধ হয়েছে। এখন রাস্তার উল্টোদিকের ঠাকুরবাড়িটা থেকে আসা ঘন্টা আর কাঁসরের শব্দ আশপাশে ছড়িয়ে যাচ্ছে। অনেকের মতে এই ঠাকুর বাড়িটাই চৈতন্যদেবের জন্মস্থান। অনেকের আবার মত ভিন্ন। তাঁরা বলেন মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল নদীর ওপারে - মিঞাপুরে। লোকের মুখে মুখে সেই মিঞাপুরই এখন মায়াপুর। গণেশের কিন্তু বিশ্বাস করতে ইচ্ছে কর

আরও পড়ুন...

kolkaata tumi kaar

Ranjan Roy


বাঙাল থেকে বং: কোলকাতার এক সঙ
আদৌ রিমিকি ঝিমিকি ঝরে ভাদরের ধারা নয়, এ যেন আকাশগঙ্গা নেমেছে। কোলকাতা জলমগ্ন, বাইপাসের ধারে কালিকাপুরে নৌকো চলছে।আমরা গূহবন্দী। কাজেই আড্ডা, চা, তেলেভাজা, মুড়ি, ফের চা, ফের তক্কাতক্কি, ফের লাল সবুজ। হাতজোড় করি, এমনদিনে রাজনীতি ছেড়ে অন্য কিছু নিয়ে কথা হোক।
কিল্তু ইলিশ নাকি হাজার টাকা? চিংড়িও আটশ৹ ছাড়িয়েছে ?কোলকাতার এই হাল? কে দায়ী? লাল হলুদ, নাকি মেরুন সবুজ?
সত্তর পেরোনো নন্দীকাকিমার খ্যানখেনে গলা: যেদিন থেকে এই জার্মানগুলো হাঁড়িকুড়ি, ক্যা

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত ...( প্রত্যাবর্তন পর্ব)

Rana Alam

(গোটা তিনেক অস্ত্রোপাচারের পর সদ্য বাড়ি ফিরেছি।আমার পরিবারের এই কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন,তাদের আমার এবং সায়ন্তিকা’র তরফ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ।সকলে খুব ভালো থাকুন।)

কিছুদিন আগের কথা,তখন বাজারে অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য রাজ্য প্রশাসন বেশ কিছু উদ্ভট পদক্ষেপ গ্রহণ করছিল,সেসময়ের এক রবিবারে আমি বাড়িতে পেপার ওল্টাচ্ছি,আমার ভাই অর্ক বাজার করে এসে ঘরে ঢুকলো।সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে বলল,
‘দাদা,এই প্রশাসনিক জটিলতার দরূণ এবার কিন্তু বাজার করাটা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে’।
অর্ক’টা স্বভাব বাচাল এবং

আরও পড়ুন...

জল জঙ্গল কথা ৫

SEPA



মনসার পালা একটি দীর্ঘ পালা। অন্তত বারো ঘন্টা এর অনুষ্ঠান সময় হয়ে থাকে। আমরা যেদিন মনসার পালা দেখতে পৌঁছেছিলাম কুমীরমারিতে সেদিন এতটা সময়ও ছিল না আমাদের। তাছাড়া যেহেতু বাইরে থেকে গিয়ে অনুষ্ঠান করছি তাই অনুষ্ঠান আয়োজনের কিছু সমস্যাও ছিল। আগের দিনের ক্ষেত্রে যেমন বেশ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম। আগের দিন যখন দুখের পালা হচ্ছিল তখন সে দলটি করছিলেন তাঁরা আমাদের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি ভঙ্গ করেছিলেন। দুখেযাত্রা ও মনসার পালা, এই দুটি পালা তাঁদের করার কথা ছিল! কিন্তু তাঁরা শেষ মুহুর্তে আমাদের জানিয়ে

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প (পর্ব - ১২ ও ১৩)

Kaushik Ghosh

১২।

গোছগাছ হয়ে গেছে প্রায়। গোছানো বলতে একটা সুটকেসে দিন দুয়েকের জামাকাপড় আর বিভিন্ন পরীক্ষার শংসা পত্র গুলো। কালকে ভোরের ট্রেন ধরতে হবে কলকাতা যাওয়ার জন্য; পরশু ইন্টারভিউ। অনেক কিছু নির্ভর করছে এই ইন্টারভিউটার ওপর; বাড়ির সকলে তাকিয়ে ওর মুখের দিকে। হয়ত মুখে কেউ কিছু বলছেনা, কিন্তু কমল জানে সকলে ওর সাফল্য কামনা করছে মনে মনে। হতে পরে সকলের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িয়ে আছে ওর সাফল্যের সাথে, তাই এই চাওয়া; তবু এই চাওয়াটা ভালো লাগছে ওর। একটা অব্যক্ত চাপও যে পড়ছেনা ওর ওপর এমনটা নয়, কিন্তু তবু ভালো ল

আরও পড়ুন...

বোকা মানুষের গল্প

Sayantani Putatunda

১.
রাজধানী এক্সপ্রেস তুমুল গতিতে ছুটে চলেছিল।
তখন অনেক রাত। যাত্রীরা নিজেদের বার্থে শুয়ে ঘুমে মগ্ন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেনের কামরার জানলাগুলো শক্ত করে আঁটা। তার ঝাপ্সা কাঁচে কালো মসৃণ রাতের ছায়া পিছলে পিছলে যাচ্ছে। কখনও কখনও শোনা যাচ্ছে দু একটা পায়ের শব্দ। কখনও বা বেসিনের জলের কলের কলকল।
একটা সুন্দর দুলুনি অনুভব করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তিনি মানে যে কেউ হতে পারেন। আমি, আপনি, বা অন্য কেউ। ধরে নেওয়া যাক, তাঁর নাম অমুক চন্দ্র অমুক। সংক্ষেপে অমুকবাবু। টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত মার্কা

আরও পড়ুন...

আমার ভোপাল

Punyabrata Goon

বিশ্বের বৃহত্তম শিল্প-দুর্ঘটনার শহর ভোপাল—২৮ বছর আগে যেখানে ডাক্তার হিসেবে, জনস্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলাম। না, শেষ অবধি টিঁকে থাকতে পারিনি।

প্রথম যাওয়া ১৯৮৫-র ২রা জুলাই, জ্যোতির্ময় সমাজদারের সঙ্গে। ঠিক এক মাস আগে ৩রা জুন ইউনিয়ন কার্বাইড প্রাঙ্গণে ‘গণ-হাসপাতাল’-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপণ করেছিল জনস্বাস্থ্য সমিতি। গ্যাসপীড়িতদের দুটি সংগঠন—জাহরিলী গ্যাস কান্ড সংঘর্ষ মোর্চা, নাগরিক রাহত আউর পুনর্বাস কমিটি, বোম্বের ট্রেড ইউনিয়নগুলির ট্রেড ইউনিয়ন রিলিফ ফান্ড এবং ইউনিয়ন কার্বাই

আরও পড়ুন...

কাঁটা রিভিজিটেড

Sayantani Putatunda

কাঁটা রিভিজেটেড
সায়ন্তনী পূততুন্ড


আবার ডানকুনিতে ট্রাক চালকের রহস্যময় মৃত্যু—ডানকুনি জংশন মরণফাঁদ

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ গভীর রাতে ডানকুনির শুনশান রাস্তায় পাওয়া গেল আরেক ট্রাক চালকের মৃতদেহ। এই নিয়ে তৃতীয়বার কোনও হতভাগ্য ট্রাকচালকের মৃত্যু ঘটল অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে। মৃত্যুর কারণ এখনও অজানা। এভাবে একের পর এক, লাগাতার ট্রাক ডাইভারেরা কেন খুন হচ্ছে, কিভাবেই বা খুন হচ্ছে সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। সি আই ডি অফিসাররা এ বিষয়ে কোনও আলোকপাত করতে পারেননি। তদন্তকারী অফিসার দেবাশিস জানা

আরও পড়ুন...