সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মন্দিরে মিলায় ধর্ম
    ১নির্ধারিত সময়ে ক্লাবঘরে পৌঁছে দেখি প্রায় জনা দশেক গুছিয়ে বসে আছে। এটা সচরাচর দেখতাম না ইদানীং। যে সময়ে মিটিং ডাকা হ’ত সেই সময়ে মিটিঙের আহ্বাহক পৌঁছে কাছের লোকেদের ফোন ও বাকিদের জন্য হোয়া (হোয়াটস্যাপ গ্রুপ, অনেকবার এর কথা আসবে তাই এখন থেকে হোয়া) গ্রুপে ...
  • আমাদের দুর্গা পূজা
    ছোটবেলায় হঠাৎ মাথায় প্রশ্ন আসছি্ল সব প্রতিমার মুখ দক্ষিন মুখি হয় কেন? সমবয়সী যাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম সে উত্তর দিয়েছিল এটা নিয়ম, তোদের যেমন নামাজ পড়তে হয় পশ্চিম মুখি হয়ে এটাও তেমন। ওর জ্ঞান বিতরন শেষ হলো না, বলল খ্রিস্টানরা প্রার্থনা করে পুব মুখি হয়ে আর ...
  • দেশভাগঃ ফিরে দেখা
    রাত বারোটা পেরিয়ে যাওয়ার পর সোনালী পিং করল। "আধুনিক ভারতবর্ষের কোন পাঁচটা ঘটনা তোর ওপর সবচেয়ে বেশী ইমপ্যাক্ট ফেলেছে? "সোনালী কি সাংবাদিকতা ধরল? আমার ওপর সাক্ষাৎকার মক্সো করে হাত পাকাচ্ছে?আমি তানানা করি। এড়িয়ে যেতে চাই। তারপর মনে হয়, এটা একটা ছোট্ট খেলা। ...
  • সুর অ-সুর
    এখন কত কূটকচালি ! একদিকে এক ধর্মের লোক অন্যদের জন্য বিধিনিষেধ বাধাবিপত্তি আরোপ করে চলেছে তো অন্যদিকে একদিকে ধর্মের নামে ফতোয়া তো অন্যদিকে ধর্ম ছাঁটার নিদান। দুর্গাপুজোয় এগরোল খাওয়া চলবে কি চলবে না , পুজোয় মাতামাতি করা ভাল না খারাপ ,পুজোর মত ...
  • মানুষের গল্প
    এটা একটা গল্প। একটাই গল্প। একেবারে বানানো নয় - কাহিনীটি একটু অন্যরকম। কারো একান্ত সুগোপন ব্যক্তিগত দুঃখকে সকলের কাছে অনাবৃত করা কতদূর সমীচীন হচ্ছে জানি না, কতটুকু প্রকাশ করব তা নিজেই ঠিক করতে পারছি না। জন্মগত প্রকৃতিচিহ্নের বিপরীতমুখী মানুষদের অসহায় ...
  • পুজোর এচাল বেচাল
    পুজোর আর দশদিন বাকি, আজ শনিবার আর কাল বিশ্বকর্মা পুজো; ত্রহস্পর্শ যোগে রাস্তায় হাত মোছার ভারী সুবিধেজনক পরিস্থিতি। হাত মোছা মানে এই মিষ্টি খেয়ে রসটা বা আলুরচপ খেয়ে তেলটা মোছার কথা বলছি। শপিং মল গুলোতে মাইকে অনবরত ঘোষনা হয়ে চলেছে, 'এই অফার মিস করা মানে তা ...
  • ঘুম
    আগে খুব ঘুম পেয়ে যেতো। পড়তে বসলে তো কথাই নেই। ঢুলতে ঢুলতে লাল চোখ। কি পড়ছিস? সামনে ভূগোল বই, পড়ছি মোগল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ। মা তো রেগে আগুন। ঘুম ছাড়া জীবনের কোন লক্ষ্য নেই মেয়ের। কি আক্ষেপ কি আক্ষেপ মায়ের। মা-রা ছিলেন আট বোন দুই ভাই, সর্বদাই কেউ না ...
  • 'এই ধ্বংসের দায়ভাগে': ভাবাদীঘি এবং আরও কিছু
    এই একবিংশ শতাব্দীতে পৌঁছে ক্রমে বুঝতে পারা যাচ্ছে যে সংকটের এক নতুন রুপরেখা তৈরি হচ্ছে। যে প্রগতিমুখর বেঁচে থাকায় আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠছি প্রতিনিয়ত, তাকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, "কোথায় লুকোবে ধু ধু করে মরুভূমি?"। এমন হতাশার উচ্চারণ যে আদৌ অমূলক নয়, তার ...
  • সেইসব দিনগুলি…
    সেইসব দিনগুলি…ঝুমা সমাদ্দার…...তারপর তো 'গল্পদাদুর আসর'ও ফুরিয়ে গেল। "দাঁড়ি কমা সহ 'এসেছে শরৎ' লেখা" শেষ হতে না হতেই মা জোর করে সামনে বসিয়ে টেনে টেনে চুলে বেড়াবিনুনী বেঁধে দিতে লাগলেন । মা'র শাড়িতে কেমন একটা হলুদ-তেল-বসন্তমালতী'...
  • হরিপদ কেরানিরর বিদেশযাত্রা
    অনেকদিন আগে , প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে এই গেঁয়ো মহারাজ , তখন তিনি আরোই ক্যাবলা , আনস্মার্ট , ছড়ু ছিলেন , মানে এখনও কম না , যাই হোক সেই সময় দেশের বাইরে যাবার সুযোগ ঘটেছিলো নেহাত আর কেউ যেতে চায়নি বলেই । না হলে খামোখা আমার নামে একটা আস্ত ভিসা হবার চান্স নেই এ ...

শিক্ষকরা কি ফাঁকিবাজ?

Salil Biswas

আমার প্রথম “ব্লগ” আমারে চেনো কি? লেখাটি নিয়ে বেশ কিছু মতামত দিয়েছেন অনেকে। একজন বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন। আমি আলাদা করে কারোকে জবাব দেব না। নিজস্ব মতামত সকলেরই ধারণ করার অধিকার আছে এবং সেই মতকে রক্ষা করার জন্য ভূমির পরে জানু পেতে লড়ে যাবার অধিকার আছে। তাঁর সেই অধিকার তাঁকে দেবার জন্য আমিও লড়ে যাব। এমন করতে ভলতেয়র, না কি রুশো, না কি মমতা, কে যেন উপদেশ দিয়েছিলেন।
তবে যিনি যা ইচ্ছে বলুন, কিন্তু দোহাই আপনার, কাউকে, বা কারো মতামতে, বা বিশ্বাসে অযথা আঘাত দেবেন না (শুধু মোদি ইয়ে, মানে, সাহেবকে যা ই

আরও পড়ুন...

চিকা মারো ভাই, চিকা মারো,,,

Biplob Rahman

০১. আমার সাবেক নকশালাইট বাবা আজিজ মেহেরের কাছে শুনেছি চিকা মারার (দেয়াল লিখন) ইতিকথা। ‘৭০ সালে কমরেড মনি সিং যখন পাকিস্তান সামরিক জান্তার কারাগার বন্দি হন, তখন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার কালো রাজপথে সাদা চুন দিয়ে লিখেছিলেন:

“কমরেড মনি সিং এর মুক্তি চাই!”

তবে চিকা মারা নাকি শুরু হয়েছিলো ‘৬৯ এর গণ অভ্যূত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সে সময় ছাত্ররা জিগা গাছের ডালের এক মাথা থেঁতো করে বানাতো ব্রাশ। আর আলকাতরা দিয়ে দেয়ালে লেখা হতো স্ব

আরও পড়ুন...

জলধরবাবুর দেশে ফেরা

ন্যাড়া

জলধরবাবু একজন পোড়-খাওয়া এন আর আই বা ভাপাভা ("ভারত-পালানো-ভারতীয়") । তাঁর লেট-যৌবন-আর্লি-প্রৌঢ়ত্বে জলধরবাবু একটি মস্করামূলক প্রবন্ধ লিখে (http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=9&pid=content/bulbulbhaja/1208670233203.htm#.UkUW9j_IanE) হালকা করে দেশে ফেরত যাবার মনোবাসনা ব্যক্ত করেছিলেন । দোষের মধ্যে তো এই । এই দেখেই আকাশের দেবতা মুচকি হাসিলেন । বলিলেন, "তোর ফেসবুক পোস্টিং ১০০১ বার শেয়ার না করাতেই বর দিলাম । যাবি তো যা ।" অতঃপর জলধরবাবু বৌ-বাচ্চা-বাক্স-প্যাঁটরাসহ ভারতবর্ষে ল্

আরও পড়ুন...

পরীরানীর সন্ধ্যা

Kulada Roy

কুলদা রায়

বাড়িটির নাম চিলেকোঠা। চারিদিকে বাগান। মাঝখানে ছোটো বাংলো ধরনের টিনের ঘর। কোনো চিলেকোঠা নেই এই ঘরটিতে। মধ্য পাড়ার প্রবীণ মোক্তার অসিতবরণ সরকার মফস্বলের ইতিহাস নামে একটি রচনায় লিখেছেন—এই এলাকায় গ্রেগরী চিলম্যান নামে এক ইংরেজ এসেছিলেন ১৮০৩ সালে। শুরু করেছিলেন নীলচাষ। এই নীলচাষের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে একটি মাঠের নাম আজও জারী আছে। নাম–নীলার মাঠ। এই নীলার মাঠে প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে ঘোড়-দৌঁড় হয়। অসিতবরণ বাবু আরও লিখেছেন—এই চিলম্যান সাহেব মধুমতী নদীর তীরে পাঁচ বিঘা জমির উপরে এই

আরও পড়ুন...

ক্যাম্পাসিং-এর গপ্পো

সিকি

মাস তিনেকের জন্য প্রজেক্টে লঙ্কাকাণ্ড বাধাবার কড়ারে এসেছি ব্যাঙ্গালোরে। তো শুরু থেকেই প্রজেক্টে এমন আগুন জ্বলে রয়েছে, যে আমাকে আলাদা করে আর কিছু করতে হচ্ছে না, ধুনুচির বাতাস করা ছাড়া। আগুন সেঁকছি, ঘ্যানঘ্যান করছি, আর দিল্লি ফেরার দিন গুনছি। এই সময়ে জনৈকা হেইচার মেল করে জানালেন, সারামাসব্যাপী ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্টের ড্রাইভ চলেছে কর্ণাটক জুড়ে। প্রতি উইকেন্ডে কর্ণাটকের এক এক প্রান্ত। কে কোন উইকেন্ডে খালি আছো, জানিয়ে মেল করো।

চাকরি জীবনে অজস্র ইন্টারভিউ নিয়েছি, নিয়েই থাকি। কিন্তু সে সব এক

আরও পড়ুন...

এক ফাগুনের পাখি আরেক ফাগুনে.....

Shibanshu De

এক ফাগুনের পাখি আরেক ফাগুনে.....
----------------------------------------------


মাধুরী চলে গেলেন... সকালে জানলুম |

সকালবেলায় যাঁদের গান শুনে দিন শুরু হয় নিয়মিত‚ মাধুরী তাঁদের একজন |

আজ নয়‚ গত অন্তত: চল্লিশ বছর ধরে ‚ যখন থেকে গান শুনতে শিখছি‚ মাধুরী আমার প্রিয় শিল্পী | মৌলিক ও তৎপর গায়নশৈলি‚ নির্ভুল সুরেলা কণ্ঠসম্পদ এবং ভারহীন আন্তরিক পরিবেশনা ছিলো তাঁর | বাংলাগানের আদর্শ প্রসাদগুণ এনে দিতে পারতেন শ্রোতাদের কাছে | প্রচারবিশ্বের কোন স্তরে তাঁর স্থান ছিলো জানিনা‚

আরও পড়ুন...

কাঙালনামা ৫

Suddha Satya



।। গণতন্ত্র,জন মার্শাল,সিন্ধু সভ্যতা আর ক্লাইভ ।।

এই বঙ্গ যা ক্লাইভ ধীরে ধীরে গ্রাসে নেবে সেট নবাবের ভোগ দখলের রাজত্ব। এ অভিজাতদের মৃগয়াক্ষেত্র। মীরমদন বা মদনলাল হল শুধু বিশ্বস্ত যোদ্ধা এবং সন্মানজ্ঞান সম্পণ্ণ মানুষ। মীর জাফর নিজের রাজত্ব চেয়েছিল মাত্র। সেটা বাকী ভারতবর্ষে কি অস্বাভাবিক ঘটনা? দক্ষিণ থেকে উত্তরে, মুঘল থেকে মারাঠা সকলেই বিভিন্ন ইউরোপীয় শক্তির সাহায্য নিচ্ছে। এককালে যেমন তুর্কী থেকে আফগান বিভিন্ন যোদ্ধাদের সাহায্য নিত সকলে। ব্যবসায়ীরা ধন সম্পদ বানিয়েছে ভোগ করবে

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প

Kaushik Ghosh

৩।


I loved you, and that love, to die refusing,
May still – who knows! – be smouldering
in my breast.
……………………………………………
I loved you mutely, hopelessly and truly,
With shy yet fervent tenderness aglow;
Mine was a jealous passion and unruly…
May Heaven grant another loves you so!


দুপুরের দিকটায় একটু বিশ্রাম পাওয়া যায়। সকাল থেকে রান্নাঘরেই বেশিরভাগ সময়টা কাটে। তারপর মেয়েরা স্কুলে কলেজে চলে গেলে ওদের বাবাও রওনা হন স্কুলের জন্য। বাসন কোসন মেজে স

আরও পড়ুন...

লাশকাটা ঘর

Biplob Rahman

'শোনা গেল লাশকাটা ঘরে/নিয়ে গেছে তারে;/কাল রাতে - ফাল্গুনের রাতের আধাঁরে...'

০১. একের পর এক সাপ্তাহিকীতে কলম-পেষার পর নয়ের দশকের শুরুতে দৈনিক আজকের কাগজে তিন হাজার+ অনিয়মিত বেতনে ক্ষুদে রিপোর্টার হিসেবে প্রথম চাকরীতে যোগদান। সেই সময় দুর্ধর্ষ ক্রাইম রিপোর্টার আমিনুর রহমান তাজ (এখন অবসর জীবনে) ভাইকে দেখে অধমেরও শখ জাগে ওনার মতো খ্যাতনামা ও ক্ষমতাধর ক্রাইম রিপোর্টার হওয়ার। শুরু হয় তাজ ভাইয়ের পেছনে ঘোরাঘুরি।

তখনই বোঝা হয়ে গিয়েছিলো, সাংবাদিকতায় রাজনৈতিক ও অপরাধ বিষয়ক রিপোর

আরও পড়ুন...

বালের* প্রকাশকদের হাত হইতে সাবধান

তাপস দাশ

( ৭ জানুয়ারি, ২০১৩-য় গুরুর ফেসবুকের পেজে প্রকাশিত )

বাংলা ভাষায় প্রকাশনা করেন হরেক রকম আদমি আর ঔরত। একটা শ্রেণী আছে, যারা পূর্ণ অশিক্ষিত, হেব্বি শিক্ষিতরা আছেন, মাঝামঝিরা আছেন, আর আছে কুশিক্ষিত। কুশিক্ষিত প্রকাশকদের মধ্যেও আবার ভাগ আছে, এদের কারো কারো বই এর সঙ্গে সংশ্রব বলতে বড় বাড়ির বাবুর বই, আবার কেউ নিজে ফস করে বাবু ধরে প্রুফ দেখতে গিয়ে লেখা শিখে ফেলেছে। কলেজ স্ট্রিট এ গেলে এসব এখন দেখা যায়, আর যদি প্রকাশ করার ইচ্ছে জাগে, তাহলে এরা পুরীর পান্ডার মত পেছনে লেগে যাবে।
এ সম্পর্কিত অভ

আরও পড়ুন...

pulish! ore pulish!

Ranjan Roy

গিন্নি দেখি আরও এককাঠি সরেস। তৎক্ষণাৎ আলমারি খুলে একটা বাঁধানো খাতা বার করল, তাতে কোলাজের ঢংয়ে খবরের কাগজের নানান কাটিং আঠা দিয়ে সাঁটা।
:পুলিশ কী পারে আর কী পারে না দেখে না্ও।

না:, আমি হাল ছাড়িনি। পুলিশ সম্বন্ধে শেষ কথা বলার সময় এখন্ও আসে নি।মহাশ্বেতা দেবী বলেছেন যে সংসদে একতূতীয়াংশ মহিলা হলে সেশন অনেক সংযত ও উন্নতমানের হবে।
আমার বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় যে ওখানে সনিয়া গান্ধী, রেণুকা চৌধুরি, সুষমা স্বরাজ, বূন্দা কারাতদের সংখ্যা বেড়ে গেলে অমুকভাইয়া বা তমুকউদ্দিনদের হাতের গুলি ফো

আরও পড়ুন...

অক্ষর শব্দমালা

Somnath Roy

নাথুসংকটে হাঁকে তিব্বতী হাওয়া
---------------
শব্দরা ধনী। অর্থের বিত্তই তার সম্পদ। ধ্বনির শরীর থেকে উঠে আসে শব্দ। আওয়াজেরা মারা যায়, যৌথ আওয়াজে উঠে আসে মানে, দ্যোতনা, খোদাই করে রাখা অমরত্বের নিশানা। হিরণ্যগর্ভের আভাস পেয়ে ব্যক্তি মানব চিৎকার করে ওঠে- শৃণ্বন্তু। গোষ্ঠীর স্মৃতিতে থাকে অমৃতের অধিকার। আক্রান্ত গোষ্ঠীর নিশ্চিন্ততম মানুষটি শব্দের ইশারায় কেঁপে ওঠে। বিদেশ থেকে ফিরে আসে জাহানারা ইমামের সন্তান, চিরপরিচিত শব্দের মায়ায়, মর্যাদায়, শব্দের মধ্যেই ডুবে যায় একাত্তরের রুমি, একাত্তরের দিন

আরও পড়ুন...

এ কলকাতার মধ্যে (টীকাসহ)

ন্যাড়া

[কুড়ি বছর আগে লেখা এক বছর-পঁচিশ বয়সী যুবকের পুরোন ডায়রি আমার হাতে এসেছে।
এডিট না করেই তুলে দিলাম - কুড়ি বছরে কলকাতার বাহ্যিক রূপ কতটা পাল্টেছে সেটা
দেখার জন্যে। এর আর কোন মূল্য নেই।]

... এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা।
হেঁটে দেখতে শিখুন ...

- শঙ্খ ঘোষ

আমি হাঁটতে থাকি। যাদবপুর থেকে ঢাকুরিয়া, গড়েহাটা হয়ে বাঁদিকে গোঁত্তা খাই।
গুরুসদয় দত্ত রোড হয়ে সার্কুলার থুড়ি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রোডে পড়ি। বিরাট "হোয়েনএভার
ইউ সি কালার, থিংক অফ আস" সাইনবোর্ডের

আরও পড়ুন...

রাগারাগি : য়মন নিয়ে কিছু ইয়ে....

Shibanshu De

১.
রাগ য়মন নিয়ে পাইদিদির লেখাটি যখন খসড়া স্তরে পড়েছিলুম তখন এই সুরটি নিয়ে শ্রোতার তথা শিল্পীরও, নৈসর্গিক অনুভূতির কয়েকটি প্রোফাইল লক্ষ্য করেছি। য়মন, শুদ্ধ বা মিশ্র, যে চেহারাতেই আসুক না কেন, তার একটা নিজস্ব গরিমা থাকে । মূলরূপে সুদূর পারস্য থেকে আসা এমান নামে একটা সুর এদেশে নানা গন্ধর্বের সিদ্ধি স্পর্শ করে যে রূপটি নিয়েছে তার মধ্যে দরবারি বা বাগেশ্বরীর মতো কিছু সহজাত আভিজাত্য ওতোপ্রোত হয়ে গেছে । এদেশে তার রূপটি কিন্তু কর্ণাটকী রাগ কল্যাণীর সঙ্গে মেলে । শুদ্ধ য়মনের থেকে য়মন-কল্যাণ অনেক ব

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প

Kaushik Ghosh

২।

স্নানের সময় হয়ে গেছে। কোনো মতে মাথায় একটু তেল লাগিয়ে বাথরুমে ঢুকল শোভা। বোনেদের মধ্যে সবার আগে ওই স্নানে যায়। কারন মেজদির কলেজের ক্লাস শুরু হয় দেরিতে আর কিরন যতক্ষণ পারে পরে নেয়।
কলঘরের দড়জাটা এঁটে দিল শোভা। বড়মামাদের বাথরুমের সাথে ওদের কলঘরের কোনো মিলই নেই। বড়মামাদের বাথরুমে শ্বেত পাথরের মেঝে,বাথটব। বাথরুমের তাকে নানান প্রসাধনি। সেখানে ওদের কলঘরটা বড়ই ম্যাড় ম্যাড়ে। সিমেন্টের মেঝে, পলেস্তরা খসা দেওয়াল আর তেল সাবান - ব্যস, এইটুকুই। তা হলই বা, এতে এমন কিই বা অসুবিধে?
প্রথমবার

আরও পড়ুন...

pulish! ore pulish!

Ranjan Roy

আমি বলিঃ আপনি দাদা হিউম্যান রাইটস্ এর ব্যাপারটা কিচ্ছু বোঝেন নি।
তারপর ঝাড়ি একটা মাস্টারজি মার্কা লম্বা লেকচার। রাজা জন, ম্যাগনাকার্টা, রাষ্ট্রসংঘ, চার্টার অফ হিউম্যান রাইটস্ পেরিয়ে সোজা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে এসে দম নিই।
রনধা্ওয়াজি আমাকে টেরচা চোখে দেখতে লাগলেন।আমার উৎসাহ কমে না। বলিঃ দোষ আপনার একার নয়, দোষ আপনাদের সিস্টেমের।ভাবটা হল যার একমাস পরে ফাঁসি হবে তার এখন থেকেই খাওয়া বন্ধ করে দাও।সরকারের খরচা বাঁচে।এখানেই মানবাধিকারের প্রশ্ন।আচ্ছা, আপনাকে দিয়েই শুরু করি। এই থানার লক

আরও পড়ুন...

একটা অ-সমাপ্ত গল্প

Kaushik Ghosh

১।

কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি
কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক
===============
ঘোমটা মাথায় ছিলোনা তার মোটে
মুক্ত বেণী পিঠের পরে লোটে

সকালবেলাটায় বেশ মন ভালো হয়ে যায় শোভার - বিশেষত, যদি দিনটা হয় রোদ ঝলমলে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মনের অনেকটা অংশ দখল করে নেয় ব্যস্ততা। নিজের জন্য ভাববার ফুরসতই পাওয়া যায়না! কাজ বলতে অবশ্য মূলত পড়াশোনা। তা সে কাজের ফাঁকে ফাঁকে যে কিঞ্চিৎ দিবাস্বপ্ন দেখা হয়না তেমনটা নয়; তবে কিনা ওভাবে ঠিক যুত হয়না।
এই যে ভোর বেলায় ঘুমথেকে উঠে বিছানাটায় শুয়ে আকা

আরও পড়ুন...

pulish! ore pulish!

Ranjan Roy


[মহাজনপদাঙ্ক অনুসরণ করে খেরোর খাতা শুরু হচ্ছে বাংলালাইভে পূর্ব প্রকাশিত কিছু লেখা দিয়ে।]
খেরোর খাতাঃ ১
পুলিশ, ওরে পুলিশ!
(এক)
গৌরচন্দ্রিকা
সাতসকালে রায়গড় স্টেশন থেকে মুম্বাই মেল চড়ে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে সবে খবরের কাগজে চোখ বোলাচ্ছি, বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল।প্রথম পাতায় হেডলাইনঃ রানিবোদলি গ্রামে নকশাল আক্রমণে পঞ্চান্নজন পুলিশ নিহত।
বস্তারের যে জায়গাটার কথা বলা হয়েছে বিশেষ বাহিনীতে ভর্তি হয়ে গত

আরও পড়ুন...

যাত্রা দেখে ফাত্রা লোকে…

Biplob Rahman

কানা মামুন সমাচার
---------------------

দৈনিক ভোরের কাগজে কাজ করিবার সময় ২০০২ সালের দিকে যোগ দিলেন ফটো সাংবাদিক মামুন আবেদীন। তাহার সামান্য বায়ুচড়া দোষ আছে; এমনিতে লোক খারাপ নহে। ইতিপূর্বে তিনি দৈনিক আজকের কাগজে আমার সহকর্মি ছিলেন। সেই সুবাদে আমার কাছে নানান আব্দার ছিল তাহার।
ফটো-মামুনকে লইয়া সাংবাদিক মহলে নানা প্রচারণা আছে। তিনি আবার লক্ষ্মী ট্যারা।

মনে করুন, আপনার দিকে তাকাইয়া কথা বলিল। আপনি ভাবিলেন, সে হয়তো পাশের জনের সহিত বাতচিত চালাইতেছে– এইরূপ আর কি! মুখে ম

আরও পড়ুন...

কন্দরের কথা (অলৌকিক খণ্ড)

Tapas Das

মদের চাট হিসেবে শুধু পাকোড়া ছাড়া আর কিছু মেলে না l ঘরের পাশে কিছু নেই l শুধু কাশ ফুলের একটা ছোট বন l আর দুরে পাহাড় l আর কাছে বিস্তার l এবড়ো খেবড়ো l ঘরে টিভি নেই l এসি নেই l আর যা নেই, তার নাম কোলাহল l নীরবতার কলতান আছে l এক্ষণে মনে হয় স্তব্ধতার গান শুনি l দু পাশে জানালা l কাচ দেওয়া l আর ঘর ভরা দিনের আলো l বড় টিউবলাইট নাকি কাল থেকে খারাপ l ভাগ্যিস! তাই সাঁঝবেলার পরে নিবু নিবু আলো, হালকা পোকা আর নাছোড় ঝিঁঝিঁ পোকাদেরও হেরে গুম হয়ে থাকা l
ঘরের পাশে কিছু নেই-টা ভুল l বেরিয়ে দেখলাম l আবার l ওদের

আরও পড়ুন...

শুভ বিজয়া

Prakalpa Bhattacharya

দু'মাস ধরে চলল হুজুগ
প্যান্ডেলরা সাজুক গুজুক,
থিম না ঘোড়ার ডিম, কে জানে,
কে কাকে চিফ গেস্টো আনে
এই নিয়ে প্রায় হয় কাজিয়া।
মাইকেতে 'ধড়কে জিয়া'
সিগন্যালেতেও 'জাগো জাগো'
কী জ্বালাতন, হচ্ছে রাগও,
আবার কিন্তু ভালোও লাগে
কলকাতাকে, পুজোর আগে!
ষষ্ঠীর আগেই বিষ্টি এলো,
দেখব ঠাকুর, যাঃ, কি কেলো!
আড়াল পেলেই মাথা গুঁজো,
জলেই গেল এবার পুজো!!
পাঞ্জাবীতে কাদার ছিটে
ছিঁড়ল চটি ডোবা ইঁটে।
দাম সবেরই আকাশ যে ছোঁয়,
ঢাকের দায়ে গণশা বিকোয়!!
তবুও এই

আরও পড়ুন...

পুজোর সনেট

Somnath Roy

এসো স্মৃতি এসো সংকেত ভেদ করে এই পথমাঝে
রূপের গভীর থেকে মূর্তির মত চিনে নেওয়া ঘ্রাণে
আরতির ধোঁয়া এসে স্বয়ং উদিত হও ঘটের বিরাজে
যেরকম কুয়াশার থেকে মিশে গ্যাছো আশ্বিনের ধানে
এসো পথ এসো স্তবের বিচার থেকে স্মৃতির সকালে
রৌদ্র মেঘের ফাঁকে রেখে যাক পখি ওড়ানোর গান
ঢাল তুলে যেরকম বন্যা থামিয়ে দিতে নদীর কপালে
শিউলির হাসি দিয়ে নিয়ে সেজে যেত বিষাদবাগান
এসো রৌদ্র এসো বর্ষা কুয়াশার কাছে এসো ভুলপথ
মাঠের নবীন বাহু তালগাছ দুটি সিগন্যালে স্থিত
ভোরের রসের মত ঘুমের পর্দা তুলে

আরও পড়ুন...

যতকিঞ্চিৎ (৩)

Rana Alam


আমার প্রাজ্ঞ বন্ধুবর,অম্লান দত্ত সম্প্রতি বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালিত ছবি ‘নায়িকা সংবাদ’ দেখতে বহরমপুরের ঋত্বিক সদনে গিয়েছিলেন।সেখানে গিয়ে দেখলেন যে একটি বলিউডি ছবি ‘গ্র্যান্ড মস্তি’ প্রদর্শিত হচ্ছে।অতএব অম্লান দত্ত বিরক্ত হয়ে ফিরে এসে ঋত্বিক ফিল্ম সোসাইটি’র উপর নিজের ক্ষোভ জানাচ্ছিলেন।জানাবার সঙ্গত কারণ আছে বইকি।ঋত্বিক ফিল্ম সোসাইটি সারাবছর কমার্শিয়াল বলিউডি আর হলিউডি মুভি দেখিয়ে বেড়ায়।বহরমপুরে বসে অন্য ধাঁচের সিনেমা দেখা এবং একটি শিক্ষিত আবহ তৈরী করাটা ঋত্বিক ফিল্ম সোসাইটি’র উদ্

আরও পড়ুন...

কলকাতায় থিয়েটারের টিকিটের দাম ও বিতর্ক

SEPA

বড় বেশী লিখে ফেলেছি। কষ্ট করে পড়ে মত জানালে ভাল লাগবে। এবং আগেই বলে রাখি এ আমার অশিক্ষিতপটু মত। আমাদের এক বন্ধু টিকিটের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আমাদের সমালোচনার জন্য আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি একটি মত দিয়েছেন। অ্যাকাডেমিতে নাটকের শো হলে কতটা খরচ বিজ্ঞাপন নিয়ে তা জানিয়েছিলেন আমাদের থিয়েট্রিক্স এর পাতায়।

নাম না করেই (যেহেতু এ বিষয়ে তাঁর অনুমতি নেওয়া হয়নি তাই) তাঁর মতটা শুধু জানাচ্ছি প্রথমে। তিনি একজন দায়িত্ববান নাট্যকর্মী ও পরিচালক। তাঁর মতকে পূর্বপক্ষ হিসেবে রেখে আমার ব্যাক্তিগত মত জানাচ্ছি। এবং স

আরও পড়ুন...

শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগের পথ-চলা

Punyabrata Goon

এই লেখার ইংরেজী অনুবাদ রয়েছে www.sanhati.com-এ।

১৯৯৮-এ আমি, অমিতাভ আর সুমিত ভাবলাম এবার একটা সংগঠন বানানো দরকার, সেই সংগঠন-শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ সোসাইটি হিসেবে রেজিস্টার্ড হয় ১৯৯৯-এর ডিসেম্বরে।
আমি ১৯৮৩-তে ডাক্তারী পাশ করে ইন্টার্নশিপ-হাউসস্টাফশিপ শেষ করে, ১৯৮৫-তে কয়েক মাস ভূপালে কাটাই গ্যাসপীড়িতদের স্বাস্থ্য-আন্দোলনে, ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৪ অবধি ছত্তিশগড়ের শ্রমিক-স্বাস্থ্য আন্দোলন ও শহীদ হাসপাতালে কাজ করার পর, ১৯৯৫ থেকে পশ্চিমবংগের হাওড়া জেলার চেঙ্গাইলে কানোরিয়া জুট মিলের সংগ্রামী শ্রম

আরও পড়ুন...

এই পাতা সম্পর্কিত কিছু জ্ঞাতব্য তথ্য

গুরুচন্ডা৯

১। হরিদাস পাল নামক পাতাটি কি?
এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে।

২। নিজের পাতা পেতে গেলে কী করবেন?
ক। যদি লগিন না করে থাকেন, তাহলে আপনার জিমেল বা ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে লগ ইন করবেন। বিশদ বিবরণ লগইনের পাতায় পাবেন। লগইন পাতার লিংকঃ http://www.guruchandali.com/login.jsp ।
খ। লগ-ইন সুসম্পন্ন হলে, আপনার "হোম" পাতায় যাবেন। স্ক্রিনের একদম উপর

আরও পড়ুন...

সুন্দরবন সফর (Theatre Tourism)

SEPA

বাংলার নাট্যইতিহাস চর্চা শুধু কলকাতাকেন্দ্রিক থেকে গেলে তা হবে অসম্পূর্ণ । তাই 'সোসাইটি ফর এডুকেশন থ্রু পারফর্মিং আর্টস' ও 'থিয়েট্রিক্স'-এর যৌথ উদ্যোগে যে বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসচর্চার আসর চলছে তার নবতম প্রয়াস সুন্দরবনের লোকনাট্য সম্পর্কে একটি ক্ষেত্র সমীক্ষা ও ভ্রমণ।


১) ৭ই নভেম্বর শুরু। বালীগঞ্জ থেকে ট্রেনে ক্যানিং। ক্যানিং থেকে গাড়িতে বাসন্তী। বাসন্তী থেকে লঞ্চ।

২) লঞ্চে সুন্দরবনের ইতিহাস, গঙ্গার নিম্ন অববাহিকার ইতিহাসচর্চা এবং আড্ডা।

৩) সন্ধেতে মনসামঙ্গল পালা দ

আরও পড়ুন...

মত প্রকাশ এবং তথ্য অধিকার আন্দোলন’ ২০১৩

আসিফ মহিউদ্দীন

গত কয়েকবছর ধরেই ব্লগার, অনলাইন একটিভিস্ট নামগুলো আমাদের পত্রপত্রিকাতে বারবার শোনা যাচ্ছিল। ব্লগারদের নানাবিধ অন্যান্য পরিচয় রয়েছে, তারা কেউ সাংবাদিক, কেউ লেখক, কেউ কবি, কেউ রাজনৈতিক কর্মী। সাধারণত ব্লগার বা অনলাইন একটিভিস্ট পরিচয়টা তখন খুব বেশি মুখ্য হয়ে ওঠে নি, এই পরিচয়টিকে কেউ তখনও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন নি। কিন্তু গণজাগরণ মঞ্চ হয়ে যাবার পরে, চারিদিকে প্রচুর মানুষজনই যে ব্লগার বা ব্লগের পাঠক বা ইন্টারনেটে লেখালেখির সাথে কমবেশি যুক্ত, অন্তত পাঠক, এই পরিচয়গুলো প্রকাশ করতে শুরু কর

আরও পড়ুন...

প্রবন্ধ ছাপানোর সহজ উপায়

ন্যাড়া

দেখুন প্রবন্ধ ছাপানো খুব সহজ ব্যাপার। একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্চে যে ২০০৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০০৭ সালের মার্চ মাস অব্দি বাংলাভাষায় যত কবিতা লেখা হয়েছে, ছাপা হয়েছে তা ০০০০৩৭%। মানে প্রতি প্রায় পৌনে তিন লক্ষ লেখা কবিতার মধ্যে ছাপা হয়েছে একটি। গল্পের ক্ষেত্রে ঐ হিসেব প্রতি চল্লিশহাজারে একটি। নাটক প্রতি চারশোতে একটি। উপন্যাসের রেকর্ড প্রতি দুশোতে একটা। আর প্রবন্ধ? প্রতি আর্ধেকে একটা। মানেটা বুঝলেন? মানে, প্রতিটা প্রবন্ধ গড়ে দুবার করে ছাপা হয়েছে। ভাবা যায়? পাবলিশড অথর হবার এমন সুযোগ হাতের সামনে থাকত

আরও পড়ুন...

ইমন

π

অথচ বুড়বুড়ি ওঠে। ওঠে তো নিগঘাত, কিন্তু ঠিক কেমনটি ওঠে, কোথায় ওঠে ঠিক ঠাহর করতে পারিনে। ঠিকঠাক ঠাহর করার জিনিসও নয় বটে। বুড়ি চাঁদ বিড়বিড়িয়ে বলে যায়। সুর কি দেখা যায় ?
অথচ দেখব বলেই কি বসে নেই সেই কবে থেকে? অপার ফপার হয়ে নয়। অপার হয়ে বসে থাকা কাকে বলে তাই বলে বুঝলুম না আজ অব্দি। না বুঝেই পার পেয়ে গেলে বোঝাবুঝির বোঝা আর কেই বা বয়। তবে পার দেখব বলে বসে থাকা, এটুকু বলা যেতেই পারে।গানের ওপারে যা কিছু দাঁড়িয়ে বা শুয়েবসে। রসেবশে।
অথচ রসটাই বশ হলনা ঠিকঠাক। তো, সে ঠিকঠাক আর কোন কাজটাই বা ঠিক করতে

আরও পড়ুন...

শুশুনিয়াকথা

SEPA

শুশুনিয়াকথা
______

[থিয়েট্রিক্স-সেপার এবারের ওয়ার্কশপ]

(১)
যেখানে ছিলাম তার ঠিক পেছনের দিকটায় একটা পাহাড় উঠে গিয়েছে ঢেউ খেলানো মালভূমির জমি ফুঁড়ে। সারা গায়ে তার গাছের পোশাক। সবুজ আর সবুজ। তার মাথার উপর দিয়ে সীমানাহীন একটা আকাশ ঝুলে আছে, খুব লঘু হয়ে যেন। দেখতে চেয়েছে আমাদের খেলাধূলো। যখন যেমন আমরা বদলাচ্ছি সেও বদলাচ্ছে তার মেজাজ। ভোরের ঘুম জড়ানো ভার কাটিয়ে দিনের মধ্যে প্রখর হয়ে উঠছে। তার ঘুমের আলস্যর পাশ দিয়ে ছেলেমেয়েরা হেঁটে গিয়েছে পাহাড়ের চূড়োয়। বেশ

আরও পড়ুন...

প্রবাসীর পত্র

Indrani

বাংলালাইভে ২০০৬ - ২০০৭ এ নিয়মিত বেরোতো প্রবাসীর পত্র। সেই ঝাঁপি থেকে কিছু কীটদষ্ট লেখা আজ আশ্বিনের রোদে মেলে দেওয়া গেল।
হলদে কাগজ, মৃত মথ, ঝাপসা তারিখ - আমার খেরোর খাতার এই শুরু।
************************************

জল-মাটি-মানুষ

বসতখানি জনপদে। আকাশ ছুঁয়ে যায় সেন্ট্রাল পয়েন্ট টাওয়ার। দীর্ঘকায় ইমারত, হারবার ব্রিজে সাজানো আমার স্কাই লাইন।
ঝকঝকে পথঘাট, সাইডওয়াক। সবুজ ছাতার তলায় কফি খাওয়া চলে। সিটি রেল ব্রিজ পেরোয় -খাঁড়িতে শান্ত জল, একঝাঁক বোট। শপিং মলে ম্যানিকুইন

আরও পড়ুন...

প্রি-পুজো সনেট

Somnath Roy

কুকুরের মাস শেষে এসে গেলে; যাকে বলি ঘ্যাম
ঘামের বিষাদ মেখে ট্রাফিকের বিস্তর জ্যাম
চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ে সিগন্যাল থেকে, যেন জল
রেলিং-এর নীলসাদা হলুদ আর সিকির অচল
পাতায় নতুন করে ঘ্রাণ নিই নতুন বাঁধাই
যেরকম মহালয়া এসে গেলে এস এম এস পাই
সাতদিন রোববার সপ্তাহে ছুটি ছুটি মেনু
রেডিওয় আলো জ্বলে কীভাবে যে বেজে যেত বেণু!

আলোয় শব্দ বাজে রঙ ঠুকে যায় কাঁচে কাঁচে
বাঁশের কাঠামো থেকে গান বাজে আনাচে কানাচে
গানেরও শরীর থাকে মায়াবিনী সমারোহ সাজ
মাস গুণে তিথি মেনে ঠিকরিয়ে

আরও পড়ুন...

মন্দাদিনের আঁকিবুকি

১)
আমার একটা লালমাটির রাস্তা আছে,স্বপ্নে৷ সেই রাস্তাটা সামনে বেশ সোজা৷ যত দূরে যেতে থাকে, ততই অ্যাঁকাব্যাঁকা হয়ে ঝাপসা হয়ে যায়৷ অনেক দূরে , যেখানে আকাশ নীলচে লাল আর মাটিটা সবজে লাল, সেখানে গিয়ে এই রাস্তাটা এঁকেবেঁকে হঠাৎ আকাশে উঠে যায়৷ ঘুম না এলে চোখ বুঁজে এই রাস্তাটাকে আমি দেখি ৷ দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়ি৷ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখি, কিম্বা দেখি না, ঠিক মনে থাকে না৷

আমার স্বপ্নে আগে অনেক পুকুরও ছিল৷ ছোটবেলায় একসময় আমি শহর থেকে মফস্বলের আত্মীয়বাড়ীতে গিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘু

আরও পড়ুন...

কাঙালনামা ৪

Suddha Satya



।। ধ্বংস থেকেই নতুন জন্মায় ।।

সেই কবে কার্ল মার্ক্স ব্রিটিশদের ভারতে উপনিবেশ করা নিয়ে কত কথা বলে গ্যাছেন। সেই ১৮৫৩ সালে।

“How came it that English supremacy was established in India? The paramount power of the Great Mogul was broken by the Mogul Viceroys. The power of the Viceroys was broken by the Mahrattas. The power of the Mahrattas was broken by the Afghans, and while all were struggling against all, the Briton rushed in and was enabled to subdue them all. A coun

আরও পড়ুন...

লং মার্চ: : রোড টু রামপাল

Biplob Rahman

'উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন না ছাই,
রামপালে কাপ্তাই লেকের
কান্না শুনতে পাই...'

চলেছে লং মার্চ। ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় প্রেসক্লাবে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শুরু হলো ছাত্র-জনতার বিশাল বহরের রামপাল অভিমুখে যাত্রা। সুন্দরবন রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় সকলের চোখে-মুখে। মাথার ওপরে গনগনে সূর্য। খর রোদ, ভ্যাপসা গরম।


লং মার্চের পুরো যাত্রা পথের তথ্য সংবাদ কাভারের জন্য আমি চলেছি বহরের সঙ্গে। প্রেসক্লাবে একে-তাকে ফোন, খোঁজাখুজি করেও মিডিয়ার গাড়িটি খুঁজে পাইনি। পরে জেনেছি, লং মার্চ

আরও পড়ুন...

জনস্বাস্থ্যের দাবীতে জুনিয়র ডাক্তাররা যেদিন পথে নেমেছিল

Punyabrata Goon

১৯৭৯-এর শেষার্ধে মেডিকাল কলেজ ছাত্র সংসদ ও সেই সময় ছাত্র সংসদে আসীন মেডিকাল কলেজ ডেমোক্রাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসন-এর উদ্যোগে হাসপাতালে এক অনুসন্ধান চালানো হয়। দেখা যায়-
• হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে সিনিয়র অফিসার অন ডিউটি-র পদ সাতটা, তার মধ্যে তিনটে পদ খালি। হাউসস্টাফদের ওপর বিরাট কাজের চাপ থাকা সত্ত্বেও তাদের দিয়ে জোর করে জুনিয়র অফিসার অন ডিউটি-র কাজ করানো হয়।
• গত এক মাস ধরে ইসিজি মেশিন খারাপ, হার্টের রোগীদের চিকিৎসা না করে পাঠাতে হয়েছে অন্য হাসপাতালে, রাস্তায় মারা গেছেন কিছুজন।

আরও পড়ুন...

জল রঙে লেখা

Kulada Roy

কুলদা রায়

দেশ থেকে পালিয়েই এসেছিলাম। সে সময়ে মনে হয়েছিল পালিয়ে এলেই বাঁচা যাবে। জীবনে বেঁচে থাকাটাই জরুরী।
মা এসেছিল তার মাস খানেক আগে। কিছু দিন থেকে গিয়েছে আমার কাছে। আমার শার্টের একটা বোতাম লাগিয়েছে। দুএকবার মাথায় তেল ডলে দিয়েছে। পাখা দিয়ে মাঝে মধ্যে বাতাসও করেছে ঘুমের মধ্যে। আমার মেয়েদের চোখে কাজল টেনেছে। তারপর নিয়ে গেছে বাইরে—বগুড়া রোডের পাশে যে চার্চবাড়িটি রয়েছে, তার পুকুর পাড়ে হেঁটে গিয়ে তুলে এনেছে হেলেঞ্চা শাক। তিঁত পুঁটি মাছ দিয়ে রেঁধেছে। আমার বড় মেয়ে খেয

আরও পড়ুন...

ঝরিতরোম থানামৃগ

Parimal Bhattacharya

জঙ্গলমহলে আবার গোপন ছক কষছে মাওবাদীরা, লক্ষ্য পুলিশ ক্যাম্প - খবরটা পড়ে মনে পড়ে গেল বছর কয়েক আগে সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট। সন্ত্রাসবাদী গেরিলাবাহিনির অতর্কিত হামলা রুখতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রতিটি থানায় দুটি করে দিশি কুকুর পোষার প্রস্তাব দিয়েছিলেন পুলিশের বড়কর্তারা। তাঁদের যুক্তি ছিল - দিশি ওরফে নেড়ি কুকুরেরা রাতে ঘুমোয় না। অতএব ...
এই বিষয়ে একটি ছোট পত্রিকায় লিখেছিলাম। তার কিছু কিছু লাইন হয়তো এখনও অপ্রাসঙ্গিক হবে না।
"নিন্দুকেরা যাই বলুক, এ এক অভিনব প্রস্তাব। লুকোনো বোমা কিম

আরও পড়ুন...

মফস্বলী বৃত্তান্ত

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

আমাদের ক্যান্টিনের ম্যানেজার কেন চলে গেল সে আমি জানিনা। হতে পারে, কারবার চালাতে পারছিলনা। ধার-বাকিতে ডুবে গিয়েছিল। হতে পারে চলে যেতে বলা হয়েছিল। হতে পারে, গ্রামে ফিরে চাষবাস করবে ঠিক করেছিল। আবার এসব কিছুই নাও হতে পারে। আমি জানিনা।

আসলে, ম্যানেজারকে যেতে হতই। কারণ, ক্যান্টিন দুরকমের। এক হল মারকাটারি ও জগদ্বিখ্যাত। যাদবপুরের আর্টস ক্যান্টিন যেমন। পেডিগ্রি দেখলেই গা ছমছম করে। ভিতরে এক আধজন হ্যাহ্যা ছেলেপুলে তাস পেটায়না তা নয়, কিন্তু ভাব ও প্রকরণে যেন পুরো ফ্রাঙ্কফুর্ট স্কুল। ডানদিকে বাঁদ

আরও পড়ুন...

ফেলার বই

ন্যাড়া

কত বই পড়া হয়নি । পড়া হয়না । অথচ ফেলতেও পারিনা । এই যে জীর্ণ "ঠাকুমার ঝুলি" ।
আমার দাদা অন্নপ্রাসনে পেয়েছিল । দাদা পড়েছে, দিদি পড়েছে, আমি পড়েছি । দাদার মেয়েও
খুব সম্ভবতঃ । জমিয়ে রেখেছিলাম যদি মেঘ-গুঞ্জা কোনদিন পড়ে । যত দিন যাচ্ছে, আশা
কমছে । কিন্তু তাও ফেলতে পারিনা ।

কলকাতায় যে মাস চারেক চাকরি করেছিলাম তখন প্রতি মাসে মাইনে পেয়ে (আমার কোম্পানি
ক্যাশে মাইনে দিত) চলে যেতাম লাইটহাউসের উল্টোদিকের দোকানে । সেখান থেকে কেনা
ডেসমন্ড মরিস । বয়ে চলেছি কুড়ি বছর । কেনার পর সেই যে

আরও পড়ুন...

ভোরের ছায়া

Ishani Roychaudhuri Hazra

জয়ন্ত মহাপাত্র . পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক . "তারপর যখন ধরেই নিয়েছি ,
জীবনে লেগেছে গোধূলির রং , তখন এসেছে কবিতা. আমার কাছে . " . কবিতা
এসেছে এবং রয়েই গেছে . আরও অনেক পরে ছোট গল্প . পদার্থবিদ যখন কবিতা
লেখেন , কেমন লেখেন ? আর কবি যখন ছোট গল্পে নিজেকে খোঁজেন ? কবিতায়
বিশ্লেষণী মনোভাব কি অপেক্ষাকৃত প্রকট ? গল্পে কি ধরা পড়ে কবিতার
বয়নশৈলী ? জয়ন্ত মহাপাত্রর একটি ছোট গল্পের ভাষান্তর . এখানে .



এক বালকের মৃত্যু

..................................

আম

আরও পড়ুন...

ক্লোরোফিলগাথা-৩

Shibanshu De

ওখানে মহুয়া পাওয়া যায়...?

আমরা হলুম আদত মহুয়াটাঁড়ের লোক। টাটাবাবার শহরে চার পুরুষ। পেরথম চাকরি করতে যাওয়া চাইবাসায় ( মহুয়া রেঞ্জ : পরশুডিহ থেকে হাতা, রাজনগর, চাইবাসা হয়ে টোন্টো-ঝিকপানি, জগন্নাথপুর, হাটগামারিয়া, নোয়ামুন্ডি হয়ে সোজা বড়াজামদা, অথবা অন্যদিক দিয়ে খরকাই পেরিয়ে কান্ড্রা, গামারিয়া, বাহালদা, সেরাইকেলা, পন্ড্রাসালি হয়ে রোরো নদী পেরিয়ে চাইবাসা), তার পর জাদুগোড়া ( মহুয়া রেঞ্জ : আবার পরশুডিহ, সুন্দরনগর, নরোয়া পাহাড়, কালিকাপুর, সংকরদা, রংকিনী, জাদুগোড়া হয়ে মাটিগাড়া, রাখা, চাপড়ি, সুর

আরও পড়ুন...

ক্লোরোফিলগাথা - ২

Shibanshu De

শালের বনের খ্যাপা হাওয়া

জঙ্গলে যাওয়া একটা নেশার মতন । জঙ্গলে গেলে মনে হয় '' নিজেকে নিজের করে কখনও ভাবিনি''। যে উপলব্ধিটি সচরাচর আলো ঝলমল শহর মোকামে 'উপলব্ধ নহি হ্যাঁয়'। আমাদের ধারে কাছে যাঁরা জঙ্গল দেখতে বাসনা করেন, তাঁরা একছুটে ডালট্নগঞ্জ, বেতলা রেঞ্জের দিকে ধাওয়া করেন। অথবা রাঁচির দিক থেকে লোহারডাগা হয়ে নেতারহাটের দিকেও যাওয়া যায়। রাঁচি থেকেই আবার ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জ যাওয়ার পথ। তবে ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জ এখন যতোটা কল্পনায় ততোটা বাস্তবে নেই। যদিও রাজার রাজা হচ্ছে সারান্ডা রেঞ্জ। এর মধ্যে পা

আরও পড়ুন...

ক্লোরোফিলগাথা - ১

Shibanshu De

ও ই খানে থেমে যায় মেঘএক্সপ্রেস
ও ই খানে নামে মেঘযাত্রীর দল
ও ই খানে আকাশের লেভেল ক্রসিং
ও ই খানে মেঘাতু পাহাড় শেষ হলো

আমাকে এখন ডাকে মেঘ মৌচাক
ঘাসপাতা কাদাসোঁদা মাটি জঙ্গল
অনন্ত ইজেলে ভেজা সবুজ কাগজ
অনন্ত টানেল বেয়ে জল ঝরে পড়ে

বৃষ্টি আধেক ভেজা রুয়ামের চাঁদ
মৌসুমি শিহর লাল আকরিক ধুলো
এখানে সাবানগন্ধ কিশোরীকানন
বাদামপাহাড় গাড়ি স্থির সিগন্যালে

তুমি কি পড়ছো কিছু... শক্তি বা ক্রেন
পার্থিব রিমঝিম মেঘ সুবচনী
জানালার বাহির হাওয়া ভিতর

আরও পড়ুন...

যৎকিঞ্চিত...(2)

Rana Alam

তখন সদ্য চাকরি পেয়েছি,তাও খোদ ইস্কুল মাস্টারের চাকরি,যা মধ্যবিত্তের কাছে অতি লোভনীয়।চাকরি পাওয়ার আগে আমার কোন মূল্য না থাকলেও চাকরি পাওয়া মাত্রেই পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি’র স্থূলকায় ছেলেটার বিয়ের বাজারে বেশ দাম হয়ে উঠেছে। আর বাড়িতে বাবা অষ্টপ্রহর পিছনে পড়ে রয়েছেন।আমার বাবা রিটায়ার করার পর ঝিলিক ক্যানো মা খুঁজে পেলোনা,তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন এবং প্রত্যেক পর্বের পর তার চিন্তা বেড়ে যেত।আত্মীয়দের অনুযোগে তিনি ছেলের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করলেন এবং খাওয়ার টেবিলে বসে আমাকে হুমকি দিতেন যে অমুক মাস অব্দি দেখ

আরও পড়ুন...

পালানোর দিন

Tim

"৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, এবছর মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিকের ...."

একটা অটো বা ভ্যান রিক্শায় মাইক ফিট করে কেউ বলতে বলতে যাচ্ছে। সরু রাস্তার জন্য সেই স্বর কখনও থমকাচ্ছে, কখনও কেঁপে যাচ্ছে যান্ত্রিক এলোমেলোতায়। সাতানব্বই নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় প্রতি গলি এঁদোগলিতেই ঘুরবে এই গাড়ি অন্তত একবার। সেইসব বাড়ির বারান্দা জানলা আর রোয়াকে উৎকর্ণ কিছু কান, কিছু বুকে চিনচিনে ব্যথা, কোথাও বা সামান্য পুলক। পিঠগুলো অল্প ভিজে উঠছে গুমোটে আর উত্তেজনায়। হাওয়া বইছে কখনও যদিও, তবু।

আরও পড়ুন...

আমারে চেনো কি?.

Salil Biswas

আপনাকে এই জানা আমার ফুরোবে না
সেই জানারই সঙ্গে সঙ্গে তোমায় চেনা।

উপরের লাইন দুটো আমাদের সকলেরই চেনা। আমরা একটু পালটে নিয়ে বলতে পারি, তোমাকে চেনা আমার ফুরোবে না, আর সেই চেনার নিরন্তর পথ দিয়ে হাঁটার সময়ে আমি নিজেকেও চিনতে থাকবো। আমি শিক্ষক, তুমি ছাত্র।

কোন দার্শনিক আত্মজ্ঞানের কথা এখানে বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে নিছক নিজের মনের দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করা আমি আমার ছাত্রকে নিয়ে যা ভাবছি তা করছি কিনা, যেটা ভাবছি সেটার সম্পর্কে আমি নিশ্চিত কিনা, আমার ভাবার মধ্যে সততা আছে কিনা, স

আরও পড়ুন...

শুরু করা যাক।

Salil Biswas

এভারেট রাইমার নামে এক ভদ্রলোক একটা কথা বলেছিলেন যেটা আমার খুব পছন্দ। বলেছিলেন স্কুল নামক বস্তুটি মরে গেছে। বিলকুল নিকেশ। কথাটা আমার খুব পছন্দ হয়েছিল। সেই থেকে আমার মাথায় ঘুরছে মানেটা কী কথাটার। আজকাল মনে হয় একটু-আধটু বুঝেছি আমার মত করে। সেইসব কথা নিয়ে কথা শুরু করছি। দেখা যায় কী দাঁড়ায় ব্যাপারটা।

আরও পড়ুন...

কাঙালনামা ৩

Suddha Satya



।। জয়ই একমাত্র গুণ ।।

জিতেছিলেন সিজার। কিন্তু সেই জেতার পিছনে ছিল পরাজিত না হওয়ার ইচ্ছে। লড়াইটাকে সিজার ভাগ করেছিলেন দু-ভাগে। একভাগে ছিল ব্রিটনদের সম্পূর্ণ পরাজিত করে দখলে রাখার ভাবনা, অন্য ভাগে ছিল কৌশলের জয়। প্রথমটা সিজার খারিজ করেছিলেন প্রথমবারই। কারণ এই দেশটাতে আছে বলতে শুধু টিন। সোনা হলে কথা ছিল কিছু। কিন্তু সোনা না হলে সিজারের আলাদা করে কিছু এসে যাবেনা। তিনি ব্রিটেন না, রোম নিয়ে চিন্তিত। সমস্ত রাস্তা পৃথিবীর যাচ্ছে রোমের দিকে, আর তিনি সেই রাস্তায় হাঁটতে পারছেন না। কোনো ম

আরও পড়ুন...

জনস্বাস্থ্যের ওপর উন্নয়ন ও অপউন্নয়নের প্রভাব

Punyabrata Goon

(এই প্রবন্ধ কোনও তাত্ত্বিক উপস্থাপনা নয়, এই প্রবন্ধে কেবল উদাহরণ দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে মানুষের স্বাস্থ্য কি ভাবে উন্নয়ন বা অপউন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।)

জনস্বাস্থ্য বলতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বোঝানো হয় "the science and art of preventing disease, prolonging life and promoting health through the organized efforts and informed choices of society, organizations, public and private, communities and individuals" (1920, C.E.A. Winslow)। কিন্তু এই আলোচনায় আমরা জনস্বাস্থ্য বলে জনগণের স্বাস্থ্য

আরও পড়ুন...

শিউলিদি'র বাড়ি

I

শিউলিদির বাবাকে দেখতে গেছিলাম। বাবা টার্মিন্যাল ক্যান্সারের রোগী। কল্যাণী রোডের ধারে শিউলিদিদের বাড়ি। বাড়ি বলতে আমি যা ভেবেছিলাম তেমন নয়। তার থেকে ন্যুন। সেই এম ডি পাশ করে আমি যখন আমাদের মফঃস্বলের একটি আধা-দাতব্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চুপ করে বসে থাকতাম, তখন থেকে শিউলিদির সঙ্গে আলাপ। শিউলিদি ঐ প্রতিষ্ঠানটির ডে ম্যানেজার গোছের ছিলেন। আমি প্রায়ই যেতাম, চুপচাপ বসে থাকতাম। দু-তিন জন রোগী হত কোনো কোনো দিন। রোগী পিছু চল্লিশ টাকা করে নিত ওরা মনে হয়, তার থেকে চোদ্দ টাকা কেটে আমায় হাতে দিত ছাব্বিশ টাকা ।ঠিক

আরও পড়ুন...

রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা— এই যোজনায় আপনার কি পাওয়ার কথা? আপনি কি পাচ্ছেন?

Punyabrata Goon

২০০৮-এর ১লা এপ্রিল দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষদের জন্য ভারত সরকার রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা বা RSBY নামে এক স্বাস্থ্যবিমা চালু করেছেন। অন্য স্বাস্থ্যবিমায় যার নামে বিমা তাকে প্রিমিয়াম দিতে হয়। এই বিমায় কিন্তু সরকার সেই ‘প্রিমিয়াম’ দিয়ে দেন, ও গরীব মানুষ বিনামূল্যে একটা নির্দিষ্ট মূল্যমান অবধি অনেক চিকিৎসা সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানেই পেতে পারেন। কিন্তু গরীব মানুষ কি জানেন তাঁর কি পাওয়ার কথা? যা পাওয়ার কথা তা তিনি পাচ্ছেন কি?

• রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কাদের জন্য? আরও পড়ুন...

নোটেদার জন্মদিনের প্রস্তুতিপর্ব

Sumeru Mukhopadhyay

ষ্টুডিওতে 'পুংলিঙ্গ- স্ত্রীলিঙ্গ'এর এক্সপোর্ট বসিয়ে, ঝাড়া হাতপায়ে, লাঞ্চবক্স চালালুম। পাঁচ মিনিটেই বোঝা গেল এ হল ফারুকের সেই 'মৃদু মানুষের' চলচ্চিত্র। কিছু মোমেন্ট টোমেন্ট থাকলেও আসলে দুইপাতাতেই লিখে ফেলা যেত। দুত্তর। বাইরে বৃষ্টি, এদিকে এক্সপোর্ট হচ্ছে রাহুল দ্রাবিড়ের মত। শুভেন্দুদার ফোন ও এসেমেস কড়া নাড়িতেছে। দিল্লী থেকে বহুদিন পর ফিরেছে। রঘু রাই শুটিং এর দ্বিতীয় পর্ব সারা, দিল্লীতে ফোটো ফেস্ট চলছিল, তারও দ্বিতীয় এডিশন। গল্প তো আছেই, ক্যাটালগ-টগ নিয়ে এসেছে, গেলে হয়, কিন্তু মহীরাবনের মত শুভ'র ম

আরও পড়ুন...

আসারামায়ণ

Prakalpa Bhattacharya

একদা রামচন্দ্র গিয়াছিলেন বনে,
সীতারে করিল হরণ মায়াবী রাবণে।
আহা বেশ বেশ বেশ!
রামা তখন শান্তমুর্তি, না হয়ে অবাক,
লক্ষ্মণেরে দিলেন বলে ‘যা গেছে তা যাক!
আহা বেশ বেশ বেশ!
কেনই বা উত্যক্ত করি বানর সেনাদলে,
(সরি, ওদের কলিযুগে আই পি কে এফ বলে!)
আহা বেশ বেশ বেশ!
নাই বা হলাম রাহুল, মায়া, নাই বা হলাম মোদী,
মানুষ আমি, ঘোরতর হিংসার বিরোধী।
আহা বেশ বেশ বেশ!
তার চেয়ে তুই দে খুলে এক আশ্রম জঙ্গলে,
জানিয়ে দিস সবাই যেন ‘ভাইয়া’ আমায় বলে।
আহা বেশ বেশ বেশ!
আরও পড়ুন...

হামাগুড়ি দেওয়ার শর্টকার্ট নিরূ

Sumeru Mukhopadhyay

সারাদিনই বৃষ্টি ছিল, যেমন সংকল্প, ক্ষুদিরাম মেট্রোয় নেমে মালুর বাড়ি ভিজে-টিজে প্রকাশ্য দিবালোকে চেয়ারে গুছিয়ে বসি। ১৯৩৬ সালের সচিত্র শিশিরের একটি জাব্দা কালেকশন কোলের উপর নিয়ে শুরু করি দিন। পাতায় পাতায় ছবি। উল্টিয়ে দেখি, বোঝার চেস্টা করি কীটকাটিং এর আগে কেমন ছিল চেহারা। পুরোটা বুঝতে পারছিল না কেউই, বোঝার চেস্টাও খুব একটা করছিলাম না এটাও ঠিক। প্রসঙ্গ বদলাতে তার উপর মালুকে আমি উচ্চগ্রামে বই বাঁধানো নিয়ে জ্ঞান দিতে থাকি। চামড়া রেক্সিন, সেলাই ফোঁড় ইত্যাদি। মালুও দুই চারজন বাইন্ডারের লিঙ্কেডিং প্রোফা

আরও পড়ুন...

আমার বন্ধু সুজয়

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

আমার বাল্যবন্ধু সুজয় এখন কর্মসূত্রে সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ায়। রাজকার্যটা কী, কি কারণে এই পৃথিবীব্যাপী টহলদারী, জানতে চাইলে গম্ভীরমুখে বলে, "গরীব মানুষ,পাইপ বেচে খাই"। এই নিয়ে বন্ধুবান্ধবরা বহু ঠাট্টাতামাশা করে থাকে। লাল নীল ও মেরুন রঙের পাইপ হাতে নিয়ে সুজয় সিন নদীর পাড় ধরে নাগাড়ে পায়চারী করছে, আর জনে জনে জিজ্ঞাসা করছে, "আপনি কি দাদা ব্যাগপাইপার?" এমন দৃশ্য নাকি প্রতি মাসের প্রথম সোমবার দেখা যায়। স্টার থিয়েটারের সামনে শিশির ভাদুড়ির সঙ্গে থিয়েটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় রত, শিশির ও সুজয়

আরও পড়ুন...

বিজ্ঞান ও পবিত্র ঘুড়ার ডিম

সবুজ বাঘ sabuzbagh

বিজ্ঞান ও পবিত্র ঘুড়ার ডিমের কাছে যে সমস্ত পাপ জমা ছিল
তা গভীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে আমি একটা নৌকা সেজেছি
আর মাঝি বানিয়েছি খুব সুন্দরী একটা মেয়েকে
বলেছি...সময় পেলেই তুমি আমার নৌকায় শুয়ে থাকবে ও আকাশ দেখবে
জানো তো নৌকায় শুয়ে আকাশ দেখা একটি উত্তম কাজ
কিন্তু সুন্দরী মাঝি সাজতে চায় না
চায় জলে ঝাপিয়ে পড়তে
যদিও আমি তাকে ভয় দেখিয়েছি..জলে কুমির আছে
ওরা তুমাকে পান করবে নির্দয় আলুর দমের মতো
তবু মেয়ে কথা শুনে না
জলে ঝাপিয়ে পড়তে চায়
আমি তাকে বাধা দেই
সে আমার হাত

আরও পড়ুন...